SOHAG Computer

SOHAG Computer We serve Computer Compose, Graphics Design & Printing all solution.

বাংলাদেশের প্রেক্ষাগটে♡এখন কন্যা সন্তানেরবাবা- মা হওয়াসবসময় ভয়ংকর আতঙ্কের।
24/05/2026

বাংলাদেশের প্রেক্ষাগটে

এখন কন্যা সন্তানের
বাবা- মা হওয়া
সবসময় ভয়ংকর আতঙ্কের।

24/05/2026

আপনি যে জীবনটা নিয়ে
খুব অসন্তুষ্ট এবং প্রচুর কমপ্লেইন,
হয়তো সেই জীবনটা পাবার জন্য
কেউ প্রতিনিয়ত দোয়া করছে।
,
,
শুকরিয়া আদায় করুন

20/05/2026

রাজধানীর পল্লবী এলাকায় দ্বিতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্রী রামিসা আক্তার (৭) হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছে পুলিশ। এই ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত মো. জাকির হোসেন ওরফে সোহেল রানা (৩০) এবং তার স্ত্রী স্বপ্নাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কথা ছিল- বড় বোনের সাথে সকালে স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল রামিসার। কিন্তু স্কুলের সময় ঘনিয়ে আসার পরও রামিসাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।
দুই বোন সবসময় একসাথেই স্কুলে যেত। তাই রামিসাকে না পেয়ে বড় বোন তখন বাসার নিচে খুঁজতে বের হয়েছিল আর মা পাশের বিভিন্ন ফ্ল্যাটগুলোতে খুঁজছিল।

পাশের ফ্ল্যাটে খুঁজতে গিয়ে মা দেখে দরজার সামনে রামিসার একটা জুতা পড়ে আছে। আরেকটা জুতা মিসিং। জুতা দেখে মা মনে করেছিল হয়তো কোন দরকারে পাশের বাসায় গিয়েছে।

রামিসার মা তখন দরজায় কয়েকবার করে নক করে।
কিন্তু দরজা খুলেনি। একপর্যায়ে ধাক্কাও দেয় কিন্তু
তাতেও দরজা খোলা হচ্ছিল না বরং ভিতর থেকে শক্ত করে দরজাটা লাগিয়ে দেয়া হয়েছিল।
দরজা না খোলায় রামিসার মায়ের মনের সন্দেহ গাঢ় হতে থাকে। চিৎকার দিয়ে আশেপাশের ফ্ল্যাটের সবাইকে ডাক দেয়ার পর ৯৯৯ এ কল দিয়ে পুলিশ আনা হয়।
পুলিশ এসে দরজায় ধাক্কা দিয়ে না খোলায় ভাঙার পরিকল্পনাও করে। অনেকক্ষণের প্রচেষ্টায় দরজাটা খোলা হয় এবং উপস্থিত সবাই দেখতে পায় রুমের চারদিকে র*ক্ত ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
র*ক্তের উৎস খুঁজতে গিয়ে পুলিশ খাটের নিচে তাকিয়ে দেখে মাথা ছাড়া একটা ছোট্ট মেয়ের লা*শ অসহায়ভাবে পড়ে আছে। পুলিশের লোকজন তখন পা ধরে টেনে সেই লা*শ বের করে।
রামিসার শরীর পেলেও কা*টা মাথাটা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।
তারপর ছোট্ট রামিসার মাথা খুঁজতে রুমের চারদিকে তল্লাশি চালায় পুলিশ। রুমেও না পেয়ে এরপর যায় বাথরুমে এবং সেখানেই র*ক্তে ভেজা রামিসার কা*টা মাথাটা পাওয়া যায়।

আর ততক্ষণে ধ*র্ষক জাকির জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে গিয়েছে। জাকিরকে পালাতে তার স্ত্রী স্বপ্নাই সাহায্য করেছে।
রামিসার মা যখন দরজায় ধাক্কা দিচ্ছিল জাকিরের স্ত্রী তখন ইচ্ছে করেই দরজা খুলেনি যাতে তার স্বামী ঠিকঠাক ভাবে পালাতে পারে।
স্বপ্নাকে ধরার পরপরই তার জবানবন্দি নিয়েছে পুলিশ। স্বপ্না জানিয়েছে- তার স্বামী জাকির বিকৃত যৌ*নলালসা পছন্দ করতো। তার সাথেও এমন পাষবিক নির্যাতন করেছে।
রামিসাকে দেখে ভালো লাগার পরই তার স্বামী জাকির বাসা পাল্টিয়ে দুই মাস আগে এই ফ্ল্যাটে বাসা নিয়েছে যাতে বিকৃত যৌ*নাচারের স্বাদ মিটাতে পারে।
জাকিরের স্ত্রী স্বপ্নার ভাস্যমতে- ছোট্ট রামিসাকে টেনেহিঁচড়ে রুমে আনার পর তার স্বামী রামিসাকে ধ*র্ষণ করার চেষ্টা চালায়। কিন্তু রামিসা ছোট বাচ্চা হওয়ায় যৌ*নাঙ্গে র*ক্তক্ষরণ শুরু হয়।
র*ক্তক্ষরণ টের পেয়ে জাকির দ্রুত গলা টিপে রামিসাকে হ*ত্যা করে। তারপর কেউ যাতে টের না পায় তাই স্বপ্নাকে সাথে নিয়েই লা*শ গুম করার জন্যে রামিসার শরীর থেকে মাথাটাকে কে*টে আলাদা করে ফেলে।
জাকিরের পরিকল্পনা ছিল মস্তকটাকে একজায়গায় ফেলবে এবং শরীরটাকে আরেক জায়গায় ফেলবে যাতে কেউ লা*শ চিনতে না পারে।
কিন্তু তার আগেই রামিসার মা দরজার সামনে চলে আসায় সেটা আর সম্ভব হয়নি। জাকিরও ততক্ষণে জানালা কেটে পালিয়ে গিয়েছে। আর তাকে পালাতে সাহায্য করেছে তারই স্ত্রী স্বপ্না।

এই ধ*র্ষক জাকির রিকশার মেকানিক। তার নামে আগেও নাটোরে মামলা হয়েছিল কিন্তু সে ঠিকই টাকা খাইয়ে জামিনে ছাড়া পেয়ে গেছে।
এবারে ধরা পেলেও হয়তো ঠিক আগের মতোই ছাড়া পেয়ে যাবে। কারণ এদেশে আইনের চেয়েও টাকা বড়।
দেশে প্রতিদিন অসংখ্য বাচ্চা বাচ্চা শিশু ধ*র্ষণ হচ্ছে ,শত শত মানুষ খু*ন হচ্ছে কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কোন ভ্রুক্ষেপ নাই। উল্টো সেদিন গলা বড় করে বলেছে- দেশে নাকি আইনশৃঙ্খলা সব ঠিকঠাক চলছে।
রামিসার বাবা মধ্যবিত্ত পরিবারের ,তেমন কোন ক্ষমতা নাই। অথচ আজকে কোন এমপি, মন্ত্রীর মেয়ে ধ*র্ষণ হলে সারাদেশে তোলপাড় লেগে যেত, রেড এলার্ট জারি হতো। মিছিল মিটিং হতো, বিক্ষোভ হতো, আরও কতকিছু হতো!

কিন্তু এই ছোট্ট রামিসার বেলায় তা হবে না। কারণ সে তো আর এমপি, মন্ত্রীর মেয়ে না। তাই এভাবে সাধারণ জনগণের বাচ্চা মেয়েদের ধ*র্ষণের সংখ্যা শুধু বাড়তেই থাকবে।
খাটের নিচ থেকে পা ধরে যখন রামিসার লা*শটা বের করা হচ্ছিল মা টা তখন পড়নের কাপড় দেখেই রামিসাকে চিনে ফেলেছিল। মেয়েটা যে তাদের খুব আদরের ছিল।
এবছর রামিসার বয়স মাত্র ৮ হয়েছে। ক্লাস টুতে পড়তো মেয়েটা। বেশ হাসিখুশি এবং ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্ট ছিল সে।
এই ছোট্ট আদরের মেয়েটার মাথা ছাড়া লা*শ দেখার পর সেখানেই মা বেহুশ হয়ে পড়ে গিয়েছিল। আর রামিসার অসহায় বাবাটা এখন মেয়ের ছবি হাতে নিয়ে অনবরত কাঁদতেছে।

ধ*র্ষক জাকির আগেরবার জামিন পেয়েছে এবারেও ঠিকই জামিন পেয়ে আরামসে ঘুরে বেড়াবে আর নতুন শিকার খুঁজবে। দিনশেষে আমরাও সবকিছু ভুলে যাব। কিন্তু রামিসার বাবা-মা ভুলতে পারবে না।
তাদের চোখে আজীবন শুধু ভেসে উঠবে- তাদের ছোট্ট আদরের মেয়েটার মাথা কে*টে শরীর থেকে আলাদা করে খাটের নিচে ফেলে রাখা হয়েছিল

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে পল্লবীর একটি বাসার খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে বাথরুম থেকে তার বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত রামিসা স্থানীয় পপুলার স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

প্রতিবেশীর বিকৃত যৌনলালসার শিকার হয়েছিল শিশুটি। নির্যাতন বা রক্তক্ষরণের বিষয়টি জানাজানি হয়ে যাওয়ার ভয়েই তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে আলামত গোপন ও মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে শিশুটির মাথা ও হাত কেটে ফেলা হয়েছিল।

রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসার নৃশংস হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

Justice

দোয়া
20/05/2026

দোয়া

19/05/2026

আপনি যদি জানেন আপনার এমন রোগ হয়ছে,আপনি নিশ্চিত কয়েকদিনের মাঝে মারা যাবেন.?
জলাতঙ্ক কতটা ভয়ংকর হতে পারে… ভিডিওটা দেখুন। ১৯ বছরের ছেলে। মাস কয়েক আগে কুকুর কামড়েছিল তাকে। কামড়টা খুব বড় ছিল না। তাই সে গুরুত্ব দেয়নি। হাসপাতালেও যায়নি। Rabies vaccine নেয়নি।
পানি দেখলেই আতঙ্কিত হওয়ার ভিডিওটা দেখুন। পানি মুখের কাছে নিলেই গলা শক্ত হয়ে আসছে। শ্বাস আটকে যাচ্ছে। পুরো শরীর কাঁপছে ভয় আর অস্থিরতায়। এই অবস্থাটার নাম Hydrophobia। জলাতঙ্কের সবচেয়ে ভয়ংকর লক্ষণগুলোর একটি।
Rabies একবার লক্ষণ শুরু হলে প্রায় শতভাগ ক্ষেত্রেই মৃত্যু হয়। এ রোগীটারও তাই হয়েছে, মারা গেছে আর এই রোগ অনেক সময় কামড়ের ১ মাস, ৬ মাস, এমনকি ১ বছর পরেও শুরু হতে পারে। তাই “এখন তো কিছু হচ্ছে না” ভেবে বসে থাকবেন না।
শুধু কুকুর না এই প্রাণীগুলো কামড় বা আঁচড় দিলেও দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে: কুকুর, বিড়াল, শিয়াল, বেজি, বানর, বাদুড় কামড় দিলে কী করবেন? সাথে সাথে সাবান ও পানি দিয়ে ১৫ মিনিট ধুবেন দ্রুত হাসপাতালে যাবেন Rabies vaccine নেবেন প্রয়োজন হলে RIG নিতে হবে
Rabies হলে চিকিৎসা প্রায় নেই। কিন্তু Rabies হওয়ার আগেই প্রতিরোধের সুযোগ আছে। চলুন সচেতন হই, সচেতনতা একটা জীবন বাঁচাতে পারে।

@জলাতঙ্ক SOHAG Computer

ইবলিস যখন হযরত আদম (আ.)-কে সেজদা করতে অস্বীকার করেছিল, তখন তো কোনো শয়তান ছিল না। তবে তাকে কুপ্ররোচনা দিল কে? আমরা অনেক স...
19/05/2026

ইবলিস যখন হযরত আদম (আ.)-কে সেজদা করতে অস্বীকার করেছিল, তখন তো কোনো শয়তান ছিল না। তবে তাকে কুপ্ররোচনা দিল কে?
আমরা অনেক সময় ইবাদত করি, জিকির করি, তবুও গুনাহে লিপ্ত হই। আমরা শয়তানকে দোষ দিই, কিন্তু পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তা'আলা বলেছেন, "শয়তানের কৌশল আসলে অত্যন্ত দুর্বল।" (সূরা নিসা: ৭৬)
তাহলে আসল শক্তিশালী শত্রু কে? সে হলো আমাদের ‘নফস’। এটি মানুষের ভেতরে থাকা এক টাইমবোমার মতো। ইবলিস যখন অহংকারবশত সেজদা করেনি, তখন তার নিজের নফসই তাকে ধোঁকা দিয়েছিল।
কুরআনের বহু আয়াতে নফসের ভয়াবহতা তুলে ধরা হয়েছে:
"মানুষের নফস তাকে যে কুপ্ররোচনা দেয়, সে সম্পর্কে আমি অবগত।" (সূরা ক্বফ: আয়াত ১৬)
"যে ব্যক্তি তার রবের সামনে দাঁড়ানোকে ভয় করে এবং নফসকে কুপ্রবৃত্তি থেকে বিরত রাখে, জান্নাতই হবে তার ঠিকানা।" (সূরা নাযিয়াত: আয়াত ৪০-৪১)
"নিশ্চয়ই নফস মন্দ কাজের নির্দেশ দিয়ে থাকে।" (সূরা ইউসুফ: আয়াত ৫৩)
প্রাচীন যুগের লাত, উজ্জা বা মানাত নামক মূর্তিরা ধ্বংস হয়ে গেলেও একটি 'নকল উপাস্য' আজও মানুষের ভেতরে রয়ে গেছে। তা হলো মানুষের 'হাওয়া' বা কুপ্রবৃত্তি।
আল্লাহ বলেন,
"তুমি কি তাকে দেখেছ, যে তার নফসের প্রবৃত্তিকে উপাস্য বানিয়ে নিয়েছে?" (সূরা জাসিয়া: ২৩)
হাবিল-কাবিলের ঘটনায়ও দেখা যায়, কাবিলকে তার নফসই নিজের ভাইকে হত্যা করতে প্ররোচিত করেছিল। শয়তান কেবল মানুষকে ভুলিয়ে দেয়, কিন্তু নফস মানুষকে সরাসরি মন্দের দিকে টানে।
আমরা যখন আল্লাহর জিকির থেকে গাফেল হই, তখন হৃদয়ে এক ধরনের আবরণ পড়ে যায়। এটি মানুষকে চরম হতাশা ও বিষণ্নতায় ডুবিয়ে দেয়।
আল্লাহ বলেন, "কখনো না, বরং তাদের কৃতকর্মই তাদের হৃদয়ে মরিচা (আবরণ) ধরিয়ে দিয়েছে।" (সূরা মুতাফফিফিন: ১৪)
মনে রাখবেন, আপনার সবচেয়ে বড় যুদ্ধটা শয়তানের সাথে নয়, বরং নিজের 'নফস' বা কুপ্রবৃত্তির সাথে। শয়তান শুধু আপনাকে ভুলিয়ে দেয়, কিন্তু নফস আপনাকে গুনাহ করতে বাধ্য করে। তাই নফসকে নিয়ন্ত্রণ করতে শিখুন, তবেই আপনি প্রকৃত সফল হতে পারবেন।
Story of This Life

আল্লাহুম্মা
06/05/2026

আল্লাহুম্মা

Address

G. A Bhaban, Anderkilla
Chittagong
4000

Telephone

+8801829321914

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SOHAG Computer posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to SOHAG Computer:

Share