Comilla It FIXER

Comilla It FIXER We usually provide professional service to our customers. Properly and officially clean the computer

Comilla IT FIXER

PC cleaning & IT Support

পিসি প্রফেশনাল ভাবে পরিস্কার এবং আইটি সকল সাপোর্ট দেয়া হয়ে থাকে

বাসায় গিয়ে সার্ভিস দেয়া হয় ! ( home service available )

আমাদের সার্ভিস সুমহু :

১. কম্পিউটার পরিস্কার ( ডাস্ট ক্লিনিং )
২. থার্মাল পেস্ট পরিবর্তন
৩. কার্বন পরিস্কার
৪. প্রফেশনাল ভাবে ঊইন্ডোজ ইন্সটল করা + ড্রাইভার এবং সফটওয়্যার সেটআপ + ঊইন্ডোজ অপটিমাইজেশন
৫. ঊইন্ডোজ প্রোগ্

রাম ফিক্সিং
৬. হার্ডডিস্ক রিপেয়ার
৭. সফটওয়্যার এক্টিভিশন / জেনুইন লাইসেন্স

ইত্যাদি…

✅ আমরা সাধারণত আমাদের কাস্টমারদের প্রফেশনাল সার্ভিস দিয়ে থাকি . সঠিক এবং অফিশিয়াল পদ্ধতিতে কম্পিউটার ক্লিন করা এবং আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপের সকল ধরনের সমস্যা গুলো প্রফেশনালভাবে সমাধান করা হয়ে থাকে

এছাড়া আপনাদের বিশেষ সুবিধার জন্য আমরা আপনাদের বাসায় গিয়ে সার্ভিস দিয়ে থাকে

হোম সার্ভিস শুধুমাত্র কুমিল্লা শহর এর ভিতরের জন্যই প্রযোজ্য ,

🚩 যে কোন তথ্যের জন্য সরাসরি কল করুন

22/07/2023

ল্যাপটপ পুড়ে যাওয়ার কারন-

ল্যাপটপ অনেক কারনেই পুড়ে যেতে পারে, যেমন- অতিরিক্ত গরম, পাওয়ার জনিত সমস্যা, হার্ডওয়ার জনিত সমস্যা, সফটওয়্যার সমস্যা, ব্যাটারী ব্যাকআপ ক্ষমতা শেষ হয়ে যাওয়া, ইলেক্ট্রিক ভোল্টেজ এর সমস্যা, ল্যাপটপ পড়ে গিয়ে বা তরলজনিত কোন কারনে বাহ্যিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া, ওভার চার্জিং ইত্যাদি। নিম্নে কিছু বিষয় সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:

অতিরিক্ত গরম হওয়া:

সাধারণত ল্যাপটপের যে সকল সমস্যা হয়ে থাকে এর মধ্যে অত্যন্ত নিয়মিত একটি কারণ হলো অতিরিক্ত গরম হওয়া। আভ্যন্তরীন পার্টস যেমন- প্রসেসর, গ্রাফিক্স কার্ড সাধারণত গরম হয়ে থাকে এবং Cooling System নষ্ট থাকলে ল্যাপটপ গরম হয়ে যেতে পারে । অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়ার কারনে আভ্যন্তরীন পার্টস যেমন- প্রসেসর, গ্রাফিক্স কার্ড এবং মাদারবোর্ড ইত্যাদি গরম হয়ে আগুন ধরতে পারে এবং যার ফলে ল্যাপটপেও আগুন ধরে যেতে পারে।

পাওয়ার সমস্যা:

ল্যাপটপের পাওয়ার জনিত সমস্যা যেমন- ত্রুটিযুক্ত অ্যাডাপ্টার, খারাপ ব্যাটারী, সমস্যাযুক্ত ইলেকট্রিক সার্কিট এ চার্জ দেয়ার কারনে ল্যাপটপে আগুন ধরে যেতে পারে। যখন ল্যাপটপ সঠিকভাবে চার্জ গ্রহন করতে পারেনা বা ইলেক্ট্রিসিটির ভোল্টেজ উঠা নামা করার কারনে প্রসেসর, গ্রাফিক্স কার্ড এবং মাদারবোর্ড ক্ষতিগ্রস্ত হতে পরে এবং তার ফলশ্রুতিতে ল্যাপটপে আগুন ও ধরে যেতে পারে।

হার্ডওয়্যার জনিত সমস্যা:

হার্ডওয়্যার জনিত সমস্যা যেমন, ত্রুটিযুক্ত প্রসেসর, গ্রাফিক্স কার্ড বা মাদারবোর্ড সহজেই ল্যাপটপ পুড়ে যাওয়ার কারন হতে পারে। আর হার্ডহওয়্যার সমস্যা তৈরী হতে পারে কয়েকটি কারনে – দীর্ঘ সময় ধরে ব্যবহার করা, গরম হয়ে যায় এধরনের কোন কাজে ব্যবহার অথবা তাপের কাছাকাছি রাখা বা ম্যানুফ্যাকচারিং ত্রুটি।

সফটওয়্যার ত্রুটি:

সফটওয়্যার ত্রুটিজনিত কারনে ল্যাপটপ অনেক ভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। যেমন= স্লো হয়ে যাওয়া, ক্র‌্যাশ করা, ডাটা হারিয়ে যাওয়া। সফটওয়্যার জনিত সমস্যার কারনে ল্যাপটপ অত্যধিক গরম হতে পারে যার ফলে আভ্রন্তরীন পার্টস নষ্ট হয়ে পুড়েও যেতে পারে।

ব্যাটারী Failure:

ব্যাটারী Fail এর কারনে ল্যাপটপ অনাকাঙ্খিতভাবে বন্ধ হয়ে যেতে পারে, তারফলে আভ্যন্তরীন পার্ট ক্ষতিগ্রস্থ হতে ল্যাপটপে আগুন ধরে যেতে পারে।

ওভার ক্লকিং:

ওভারক্লকিং এর কারনে অনেক ক্ষেত্রে আভ্যন্তরীন পার্টস গরম হয়ে যেতে পারে যার ফলে ল্যাপটপে আগুন ধরে যেতে পারে।

ভোল্টেজ উঠানামা:

ভোল্টেজ উঠানামা করার কারনে মাদারবোর্ডের পাওয়ার সরবরাহে সমস্যা তৈরী হতে পারে যার ফলে আভ্যন্তরীন পার্টস সমস্যাগ্রস্ত হতে পারে, এমনকি পুড়েও যেতে পারে।

পুরাতন হয়ে যাওয়া:

প্রত্যেক ডিভাইসের একটা লাইফটাইম থাকে। এরপর এর কার্যক্ষমতা কমে যায়। এমাতাবস্থায় ও যদি ব্যবহার করা হয়, তাহলে একাধিক পার্টস অকেজো হয়ে ডিভাইসটি নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ক্ষেত্র বিশেষে আগুন ও ধরে যেতে পারে।

অধিক সময় ধরে চার্জ দেয়া:

ল্যাপটপ অধিক সময় ধরে চার্জে রাখলে ব্যাটারীর চার্জ ধারন ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে ব্যাটারী বিস্ফোরিত হয়ে আগুন ধরে যেতে পারে।

ল্যাপটপে ধুলোবালির জমা:

ল্যাপটপে বেশী ধুলোবালি জমে থাকলে তার কারনে অত্যধিক গরম হতে পারে এবং ফলশ্রুতিতে আগুন ধরে যেতে পারে।

নিম্ন মানে চার্জার বা পাওয়ার অ্যাডাপটার ব্যবহার:

নিম্ন মানের চার্জার / পাওয়ার অ্যাডাপ্টার ব্যবহার করলে তা সঠিকভাবে ডিভাইসে পাওয়ার সরবরাহ করেনা, যারফলে আভ্যন্তরীন পার্টস নষ্ট হয়ে পুড়ে যেতে পারে।

যত্নসহকারে ল্যাপটপ ব্যবহার করে এধরনের অনাকাঙ্খিত সমস্যা সহজে এড়িয়ে যাওয়া যায়। ল্যাপটপ নিয়মিত পরিষ্কার করা, ধুলোমুক্ত স্থানে ব্যবহার করা, সঠিক পার্টস ব্যবহার করা, সঠিক চার্জার ব্যবহার করা, ইলেক্ট্রিক সার্কিট ত্রুটিমুক্ত রাখা, সঠিক নিয়ম মেনে চার্জ দেয়া, অবিরতভাবে না চালিয়ে রেখে মাঝে মাঝে শাট ডাউন দিয়ে রাখা, বেশী পুরাতন হলে বদলে নেয়া, বৈদ্যুতিক গোলযোগের সময় ইলেক্ট্রিক কানেকশন থেকে খুলে রাখা ইত্যাদি বিষয় খেয়াল রাখলে সহজেই ল্যাপটপ পুড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করা যায়।

22/07/2023

Windows Blue Screen Error আমরা সচারচর দেখে থাকি। কিন্তু এটা কেন হয়, এর প্রাথমিক কোন সমাধান রয়েছে কিনা, তা অনেকেই জানিনা। যার ফলে সার্ভিস সেন্টারে নিয়ে যাই। কিন্তু কিছু বিষয় জানা থাকলে নিজেরাই সমাধান করতে পারি।

Blue Screen সমস্যা Software (OS, Firmware / Driver, Any Program which is running on computer) এবং Hardware(Internal, External devices related to the computer) জনিত কারনে দেখা যেতে পারে। সংক্ষিপ্তভাবে এর কারন এবং সম্ভাব্য প্রাথমিক সমাধান আলোচনা করা হলো:

Software জনিত যে সকল কারণে Blue Screen দেখা যেতে পারে:

Software / Driver Install / Update:

অনেক ক্ষেত্রে সফটওয়্যার, ড্রাইভার ইনস্টল / আপডেট করার পর Blue Screen দেখা যেতে পারে।

সম্ভাব্য সমাধান:

এক্ষেত্রে Software / Driver রিমুভ করে বা আপডেট করার পূর্বের ভার্সনে ব্যাক করলে সমাধান হতে পারে। Software এর ক্ষেত্রে যদি এর অন্য কোন ভার্সন থেকে থাকে এবং তা সংশ্লিষ্ট কম্পিউটারের Operating System এর সাথে যায় তাহলে সেটা ইসন্টল করা যায়।

Old Software / Driver:

অনেক সময় Windows এর আপডেট এর ফলে পূ্র্ববর্তী Backdated Version এর Software / Driver এর কারনে Blue Screen দেখা যেতে পারে।

সম্ভাব্য সমাধান:

এমতাবস্থায় Software / Driverরিমুভ করে বা আবার ইনস্টল করলে সমাধান হতে পারে।

Corrupt System File:

মাঝে মাঝে Windows আপডেট দেয়ার সময় অথবা নতুনকরে Windows Install করার সময় সমস্যা হলে File Corrupt হয়ে থাকে। আর Corrupted File এর কারনে Blue Screen Show করতে পারে।

সম্ভাব্য সমাধান:

এক্ষেত্রে Recover করে সমাধান পাওয়া যেতে পারে। অথবা নতুন করে আবার Windows Install করা যেতে পারে।

Virus / Malware:

Virus & Malware আক্রান্ত ফাইল / ড্রাইভারগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে যার ফলে Blue Screen দেখা যেতে পারে।

সম্ভাব্য সমাধান:

এজন্য প্রতিনিয়ত Windows এর Virus Protection নিয়মিত আপডেট রাখা এবং কম্পিউটার নিয়মিত স্ক্যান করা।

BIOS:

BIOS এমন একটি বিষয় যা সাধারণত আপডেট করার জন্য কেউই পরামর্শ দেননা। দীর্ঘ সময় থেকে সুনিবিড়ভাবে BIOS কাজ করে থাকে। তবে মাঝে মাঝে ব্যতিক্রম পরিস্থিতি তৈরী হতে পারে যার ফলে Blue Screen দেখা যেতে পারে।

সম্ভাব্য সমাধান:

BIOS Update করে নিলে এ সমস্যা সমাধান হতে পারে। BIOS এ সমস্যা কিনা তা Error কোড থেকে বুঝা যাবে।

Hardware জনিত যে সকল কারণে Blue Screen দেখা যেতে পারে:

Cooling Fan:

সমস্যাযুক্ত Cooling Fan অথবা ধুলোবালির কারনে অনেক সময় Cooling Fan বন্ধ হয়ে যেতে পারে, যার ফলে Blue Screen দেখা যেতে পারে।

সম্ভাব্য সমাধান:

কম্পিউটারের তাপমাত্রা এবং Cooling Fan চেক করে দেখা যেতে পারে। ধুলোবালি পরিস্কার করারপর যদি কাজ না করে তাহলে Cooling Fan পরিবতর্ন অথবা মাদারবোর্ড সার্ভিস করা যেতে পারে। আশা করা যায়, Cooling Fan জনিত কারনে Blue Screen টা দেখানো বন্ধ হবে।

Shortage of Storage Space:

যে ড্রাইভে Windows Install করবেন বা ইতিমধ্যে করা হয়েছে সে ড্রাইভে পর্যাপ্ত space নিশ্চিত করা। পর্যাপ্ত Space না থাকলে Blue Screen দেখা যেতে পারে।

সম্ভাব্য সমাধান:

অপ্রয়োজনীয় ফাইল রিমুভ করা অথবা বেশী space যুক্ত ড্রাইভ (HDD, SSD) ব্যবহার করা।

Unnecessary Hardware Peripherals:

কীবোর্ড এবং মাউস ছাড়া, আপনি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ এবং এসডি কার্ড, পোর্টেবল হার্ড ড্রাইভ, সেকেন্ডারি মনিটর, প্রিন্টার, এইচডিএমআই কেবল, স্মার্টফোন ইত্যাদির মতো অন্যান্য পেরিফেরালগুলি প্লাগইন থাকলে অপারেটিং সিস্টেমের ইনস্টলেশন/আপগ্রেডিং এর সময় অনেক ক্ষেত্রে Blue Screen আসতে পারে।

সম্ভাব্য সমাধান:

অপারেটিং সিস্টেমের ইনস্টলেশন/আপগ্রেডিং এর সময় অপ্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার পেরিফেরালগুলো আনপ্লাগ করে রাখা যেতে পারে।

Loose Hardware / Cable:

হার্ড ড্রাইভ, র‌্যাম চিপ ভালোভাবে সেট না হলে এবং Loose Cables এর কারনে Blue Screen দেখা যেতে পারে।

সম্ভাব্য সমাধান:

পিসি / ডিভাইসের সব Component গুলো সঠিক স্থানে শক্তভাবে লাগানো আছে কিনা তা চেক করা। বিশেষ করে যদি পিসি সাম্প্রতিক সময়ে খোলা হয়ে থাকে। সবচেয়ে ভালো সমাধান হলো- সকল পার্ট খুলে যথাযথভাবে পুনরায় স্থাপন করা।

Failing Hardware:

প্রত্যেকটি পার্টস এর একটা Life Time রয়েছে। যখন Life Time শেষ পর্যায়ে পৌঁছে তখন SOS সিগনাল আসতে পারে এবং Blue Screen দেখা যেতে পারে।

সম্ভাব্য সমাধান:

এক্ষেত্রে ড্রাইভের ডাটাগুলো ব্যাকআপ নিয়ে হার্ডড্রাইভ ডায়াগনসিস করে দেখা যেতে পারে। এছাড়া RAM, মাদারবোর্ড বা অন্যান্য উপাদানের ক্ষেত্রেও এধরনের সমস্যা চেক করে দেখা যেতে পারে। অবস্থা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট পার্ট পরিবর্তন এবং ড্রাইভার আপডেট ‍করলে আশা করা যায় সমস্যাটি সমাধান হবে।

প্রত্যেকটি Blue Screen Error এর আলাদা কোড রয়েছে। এই কোড দেখে বুঝা যায় কি ধরনের সমস্যার কারনে এই Error দেখাচ্ছে। এই তালিকা থেকে Windows Blue Screen Error Code দেখে নেয়া যেতে পারে।

22/07/2023

১) ল্যাপটপ ব্যবহারে সতর্কতা:

– ল্যাপটপের সংযোগ ক্যাবলসমূহ এবং USB Storage সতর্কতার সাথে কানেক্ট এবং রিমুভ করা প্রয়োজন।

-surge protector এর ব্যবহার ল্যাপটপকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে পারে।

– নরম স্থানে যেমন সোফা, বেড,কার্পেট বা বালিশ ইত্যাদির উপরে রেখে কখনো ল্যাপটপ ব্যবহার করবেন না। এতে Cooling Fan এর বাতাস যাতায়াতে অসুবিধা হয়, যা মাদারবোর্ড ক্ষতি হওয়ার কারন।

-ল্যাপটপ ব্যবহারের সময় Keyboard বা LCD তে অস্বাভাবিক চাপ দেয়া যাবে না।

– অনেকে ল্যাপটপের LCD বেশী Angle এ চাপ দিয়ে রাখেন। এতে সমস্যা তৈরী হতে পারে।

-যে LCD গুলো Rotate করা যায় সেগুলো Design Patern এর বেশী Rotate করলে LCD বা Hinges এর সমস্যা হতে পারে।

-LCD তে ধারালে কিছু কলম, পেন্সিল বা এজাতীয় কিছু দিয়ে দাগ দেয়া থেকে বিরত থাকুন।

-ল্যাপটপের সামনে বা পাশে খাবার বা তরল জাতীয় কোন জিনিস রাখা থেকে বিরত থাকুন।

-ল্যাপটপের কীবোর্ডের উপর কলম, পেন্সিল, বই, পেপারওয়েট বা এজাতীয় কোন জিনিস রাখা থেকে বিরত থাকুন।

-ল্যাপটপ বন্ধ করার সময় সাবধানে বন্ধ করুন। LCD এর সামনের দিকের মাঝখানের একপাশ ধরে সাবধানে LCD বন্ধ করা ।

– কাজ শেষে ল্যাপটপ রাখার সময় এর উপর অন্য কিছু রাখা যাবে না।

– একাধিক ল্যাপটপ একসাথে সরিয়ে রাখার সময় বা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নেয়ার সময় একটার উপর একটা না রেখে আলাদা রাখাই ভালো।

– শুষ্ক স্থানে ল্যাপটপ রাখুন। যেখানে তরল কিছু পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে অথবা বৃষ্টির পানির স্পর্শে আসার সুযোগ রয়েছে সে স্থানে ল্যাপটপ রাখা থেকে বিরত থাকুন।

-যানবাহনে চলার সময় ল্যাপটপ সাবধানে রাখা, অতিরোদ বা অতি তাপমাত্রায় ল্যাপটপ রাখা থেকে বিরত থাকুন।

২) ল্যাপটপ পরিস্কারে সতর্কতা:

-ল্যাপটপ পরিষ্কার করার আগে ল্যাপটপ বন্ধ করে পাওয়ার ক্যাবল ও অন্যান্য ডিভাইস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে রাখুন।

-ল্যাপটপ নিয়মিত পরিষ্কার করুন। নিয়মিত কয়েকমিনিট সময় ব্যয় করে ল্যাপটপ পরিষ্কার রাখলে তা ল্যাপটপের মেয়াদকাল বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে LCD Screen, Keyboard, এবং Chasis Air পরিষ্কারে প্রাধান্য দেয়া জরুরী।

– একটি পরিষ্কার ও নরম Microfiber কাপড় দিয়ে LCD স্ক্রীনটি আলতো করে মুছুন। যেকোন ক্লিনার LCD পরিষ্কারের জন্য ব্যবহার করা ঠিক নয়। এজন্য নির্দিষ্ট ক্লিনার রয়েছে তা ব্যবহার করুন।

– একটি পরিষ্কার ও নরম Microfiber কাপড় দিয়ে LCD স্ক্রীনটি আলতো করে মুছুন।

৩) এসি অ্যাডাপ্টার, ক্যাবল এবং ব্যাটারী ব্যবহারে সতর্কতা:

– আপনার ল্যাপটপকে হঠাৎ ভোল্টেজ আপ-ডাউনের ক্ষেত্রে Surge Suppressor, Line Conditioner, এবং UPS ব্যবহার করুন।

– ল্যাপটপের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্র্যান্ডের অ্যাডাপ্টার ব্যবহার করুন।

-এসি অ্যাডাপ্টারকে কাগজ বা কভার দিয়ে ঢেকে রাখা থেকে বিরত থাকুন।

-ল্যাপটপ যেখানে প্লাগইন করবেন সে বিদ্যুৎ কানেকশন ঠিক আছে কিনা তা নিশ্চিত হয়ে নিন।

-ল্যাপটপে পাওয়ার ক্যাবল লাগানোর পূর্বে বিদ্যুতের ক্যাবল প্লাগইন থাকলে তা বন্ধ করে নিন অথবা সতর্কতার সাথে পাওয়ার ক্যাবল সংযোগ দিন।

– ল্যাপটপ পূর্ণ চার্জ হওয়ার পর ক্যাবলটি আনপ্লাগ করে নিন এবং ল্যাপটপটিকে ব্যাটারী পাওয়ারে চলতে দিন। এ প্রসেসটি ব্যাটারীর আয়ুকাল বৃদ্ধিতে খুবই কার্যকর।

-ব্যাটারী লাইফ এবং ল্যাপটপের মেয়াদকাল ধরে রাখার জন্য কাজশেষে ল্যাপটপ বন্ধ করে রাখুন।

৪) ল্যাপটপ পরিবহনের সময় সতর্কতা:

– ল্যাপটপ পরিবহনের পূর্বে সম্পূর্ণরুপে পাওয়ার বন্ধ করে রাখুন।

-ল্যাপটপ প্যাক করার পূর্বে USB Drive , AC Adapter এর মতো প্লাগ ইন করা ডিভাইসগুলো সরিয়ে ফেলুন। নতুবা ল্যাপটপের পোর্ট বা ডিভাইস ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

– স্ক্রিন বা Palmrest এর কর্ণার ধরে ল্যাপটপ তুলবেন না। এর ফলে LCD, Palmrest বা Touchpad ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

-পরিবহনের পূর্বে ল্যাপটপ ভালোভাবে প্যাক করা জরুরী। তাছাড়া LCD যদি পোর্টেবল হয় তাহলে আলাদা করে প্যাক করা ভালো। সবচেয়ে ভালোহয় যদি ল্যাপটপের জন্য আলাদা কেইস যেমন- Gum Drop Case ব্যবহার করা অত্যন্ত নিরাপদ।

-ল্যাপটপ নিয়ে ভ্রমনের সময় laptop sleeve, laptop carrying case, or a backpack (with laptop padding) সহ ল্যাপটপ প্যাকেট করা উচিত।

-পরিবহনের সময় সাবধানে থাকা উচিত যেন কোনভাবেই ল্যাপটপের উপরে কোন চাপ না পড়ে।

24/05/2022

ক্র্যাক উইন্ডোজ এবং অরিজিনাল উইন্ডোজ এর মধ্যে পার্থক্য
ক্র্যাক উইন্ডোজ ?

ক্র্যাক উইন্ডোজ ব্যবহার করা বলতে সম্পুর্ন ইলিগাল বা অবৈধ ভাবে উইন্ডোজ ব্যবহার করা, যা এক কথায় বলা যায় চুরি করে উইন্ডোজ ব্যবহার করা।হ্যাকার দ্বারা নির্মিত কিছু সফটওয়্যার দিয়ে ক্র্যাক উইন্ডোজ অ্যাক্টিভেট করা হয়, যেমনঃ KMS, Windows Activator, Re-loader ইত্যাদি। ক্র্যাক উইন্ডোজ এর সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্চে এটি যে কোন সময় হ্যাং করতে পারে, এবং আপনার কাজের মধ্যে বিব্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে। ক্র্যাক উইন্ডোজ এর প্রোগ্রাম ফাইল যে কোন সময় মিসিং হতে পারে, এবং এটি হ্যাকারদের সার্ভারের সাথে যুক্ত থাকায় ইনস্ট্যান্ট মিসিং ফাইলটি ডাউনলোড হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই।ক্র্যাক উইন্ডোজ ইউজাররা মাইক্রোসফট এর লেটেস্ট আপডেট গুলো অনেক দেরিতে পায়। এছাড়া ডিভাইস ড্রাইভার গুলো ইনস্ট্যান্ট আপডেট না হলে পিসি স্লো হয়ে যায়। কাজের ক্ষেত্রে নতুন ঝামেলার সৃষ্টি হয়।ক্র্যাক উইন্ডোজ ব্যবহারের ক্ষেত্রে আপনার কম্পিউটারকে ভাইরাস মুক্ত রাখার জন্য অ্যান্টিভাইরাস ইউজ করার প্রয়োজন পড়তে পারে, কারন ক্র্যাক উইন্ডোজ এ বিল্টইন অ্যান্টিভাইরাস ঠিক ভাবে কাজ করতে পারেনা। আর এক্সট্রা অ্যান্টি ভাইরাস ব্যবহারের ফলে আপনার কম্পিউটার আরো স্লো হয়ে যাবে।ক্র্যাক উইন্ডোজ যেহেতু হ্যাকারদের তৈরি টুলস দিয়ে অ্যাক্টিভেট করতে হয়, তাই নিঃসন্দেহে ধরে নিতে পারেন যে আপনার কম্পিউটার এ থাকা সবগুলো ডাটাই নিরাপত্তাহীন। হ্যাকার যে কোন সময় তার প্রচেস অনুযায়ী আপনার ডাটা গুলো হাতিয়ে নিতে পারে।
এছাড়া যারা Activator (km spico, toolkit) দিয়ে এক্টিভেট করে থাকেন , মনে রাখবেন আপনারা আপনাদের পিসি বা লেপটপ কে হেকারদের হাতে তুলে দিয়েছেন ! হেকার যেকোন সময় আপনার পিসি হেক করে আপনার ফাইল এনক্রিপ্ট করে টাকা চাইতে পারে ! এছাড়াও আপনার পিসি পারফরম্যান্স ও নস্ট করে দেয় ! পিসি তে hang, virus attack, windows corruption , blue screen আর অনেক সমস্যা হয়ে থাকে ! এসব সমস্যা থেকে বাঁচতে হলে এবং আপনার কম্পিউটার কে নিরাপদ রাখার জন্য অব্যশই ওরজিনাল উইন্ডোজ ব্যবহার করতে হবে ! আর অব্যশই বাজারের সস্তা ২০/৩০ টাকা দামের উইন্ডোজ সিডি থেকে বিরত থাকতে হবে , এসব সিডিতে উইন্ডোজ কাস্টমাইজেসন করা , যেখানে প্রচুর পরিমানে ভাইরাস ফাইল দেয়া থাকে ! আপনার পিসি বা লেপটপ কে নস্ট করার জন্য একটা ২০/৩০ টাকা দামের সিডি ই যথেস্ট !
এখন অনেকেই বলতে পারেন বা ভাবতে পারেন আমি তো অনেক বছর ধরে ক্র্যাক উইন্ডোজ ব্যবহার করে আসছি, কিন্তু আমার তো কোন সমস্যা হচ্চে না, এবং আমার আপডেট ও ঠিক ঠাক হচ্ছে কম্পিউটার ও স্লো করছে না। তাদেরকে শুধু একটা কথাই বলবো এমনটা ও হতে পারে আপনি যখন ক্র্যাক উইন্ডোজ হ্যাকারের তৈরি টুলসগুলো দিয়ে অ্যাক্টিভেট করেছেন, তখনই আপনার কম্পিউটার মাইক্রোসফট এর সার্ভারে অ্যাড না হয়ে হ্যাকারদের ব্যক্তিগত সার্ভারে অ্যাড হয়ে গিয়েছে। এবং আপনি যে প্রতিনিয়ত যে আপডেটগুলো পাচ্ছে সেটি ও হয়তো হ্যাকারদের সার্ভার থেকেই আসছে।
✅ অরিজিনাল উইন্ডোজ
অরিজিনাল উইন্ডোজ ব্যবহার করা বলতে বৈধভাবে উইন্ডোজ ব্যবহার করাকেই বুঝায়। যা আপনি সরাসরি মাইক্রোসফট এর কাছ থেকে টাকার বিনিময়ে কিনে নিয়েছেন। অরিজিনাল উইন্ডোজ অ্যাক্টিভেট করা হয় মাইক্রোসফট থেকে কিনে নেয়া বৈধ প্রোডাক্ট কী দিয়ে। এবং এটি পুরোপুরি যাচাই করার জন্য অনলাইন এর মাধ্যমে প্রোডাক্ট কী ব্যবহার করে অ্যাক্টিভেট করতে হয়। অরিজিনাল উইন্ডোজ ক্র্যাক করা উইন্ডোজ এর মত যে কোন সময় ডাউন হওয়ার সম্ভাবনা নেই। অরিজিনাল উইন্ডোজ ম্যাক্সিমাম ক্ষেত্রে তখনই ডাউন হয় যখন আপনার কম্পিউটার হার্ডওয়্যার এ কোন ধরনের সমস্যা হয়।বিভিন্ন কারনে ক্র্যাক উইন্ডোজ এর মতোই অরিজিনাল উইন্ডোজ এ অনেক সময় ফাইল মিসিং হয়, কিন্তু সেটা ক্র্যাক এর তুলনায় অনেক কম। আর অরিজিনাল উইন্ডোজ এ ফাইল মিসিং হলে আপনি বুঝতে ও পারবেন না অনেক সময়, এটি মাইক্রোসফট এর সার্ভারে কানেক্ট থাকায় মিসিং ফাইল গুলো অটোমেটিক ডাউনলোড হয়ে ইন্সটল হয়ে যায়।অরিজিনাল উইন্ডোজ ইউজাররা মাইক্রোসফট এর লেটেস্ট আপডেট গুলো বের হওয়ার সাথে সাথে পেয়ে যায়। এবং নতুন সব ডিভাইস ড্রাইভার আপডেট এর ফলে কম্পিউটার অনেক ফাস্ট কাজ করে। এতে কাজ করে অনেক মজা পাওয়া যায়। অরিজিনাল উইন্ডোজ এ ও অ্যান্টি ভাইরাস ব্যবহারের প্রয়োজন পড়ে, কিন্তু উইন্ডোজ ৮.১ থেকে শুরু করে উইন্ডোজ এর নতুন ভার্সনগুলোতে উইন্ডোজ ডিফেন্ডার নামক বিল্টইন অ্যান্টি ভাইরাস থাকায় নতুন কোন ঝামেলা পোহাতে হয় না। আর উইন্ডোজ ডিফেন্ডার অনেক স্ট্রং একটি অ্যান্টি ভাইরাস এটি অনেক ফাস্ট কাজ করে এবং কম্পিউটার এর উপর কোন প্রভাব পেলে না।অরিজিনাল উইন্ডোজ মাইক্রোসফট এর অফিসিয়াল সিরিয়াল কী দ্বারা অ্যাক্টিভেট করতে হয়, আর এই কারনেই ডাটার নিরপত্তা নিয়ে ভাবতে হয়না।
সবশেষ একটা কথাই বলতে চাই শুধু উইন্ডোজ কেন, আমরা আমাদের প্রয়োজনে কম্পিউটার এ অনেক ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার করে থাকি। আর ম্যাক্সিমাম সফটওয়্যারগুলোই পেইড অর্থাৎ আপনি যদি সেগুলোর সব ফিচার পেতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে সেটার লাইসেন্স কিনে নিয়ে ব্যবহার করতে হবে। আর নয়তো ৭ দিন বা ৩০ দিনের জন্য ট্রায়াল ভার্সন ব্যবহার করার অনুমতি পাবেন, আর ট্রায়াল ভার্সন এ আপনাকে সব ধরনের ফিচার ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। আর এর বিকল্প হচ্চে ক্র্যাক ভার্সন। চাইলে খুব সহজেই অনলাইন থেকে আপনার প্রয়োজনীয় সফটওয়্যারটির ক্র্যাক ভার্সনটি ডাউনলোড করে নিতে পারেন, যেমনঃ মাইক্রোসফট অফিস, ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর এছাড়া ও আরো অনেক প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার রয়েছে যেগুলো ছাড়া আপনি রীতিমত অচল। কিন্তু সমস্যা একটাই আপনি যখনই ক্র্যাক ভার্সন ইউজ করবেন তখন নিঃসন্দেহে ভেবে নিতে হবে যে আপনার কম্পিউটার এর নিয়ন্ত্রন অন্য কারো হাতে এবং সেটি খুব বড় কোন জুঁকিতে রয়েছে। সুতারাং এখন থেকেই ভাবুন যে আপনি কোনটি ব্যবহার করবেন !

আসসালামু আলাইকুম সবাইকে জানাচ্ছি  Activation Zone এর পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন বর্তমানে Windows 11  একটি জনপ্রিয় অপ...
20/03/2022

আসসালামু আলাইকুম সবাইকে জানাচ্ছি Activation Zone এর পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

বর্তমানে Windows 11 একটি জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম ! কিন্তু বেশিরভাগ ইউজার কম্পিউটারে টি পি এম নামক অপশনটি সাপোর্ট না করায় আমরা অনেকেই আমাদের ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ এ Windows 11 ইন্সটল করতে পারছিনা , এমনকি ইন্সটল করতে গিয়ে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি

Activation Zone দিচ্ছে আপনার সেই সমস্যার সম্পূর্ণ সমাধান !

আপনার ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ যেকোন ধরণের কনফিগারেশন হোক না কেন সেই কনফিগারেশনে প্রফেশনাল ভাবে এবং সঠিক উপায়ে উইন্ডোজ ১১ ইনস্টল করে দেব + ড্রাইভার এবং সফটওয়্যার সেটআপ + ঊইন্ডোজ অপটিমাইজেশন

এছাড়া আপনারা আমাদের কাছ থেকে উইন্ডোজ ১১ এর জেনুইন লাইসেন্স কিই ক্রয় করতে পারবেন !

✅ আমরা সাধারণত আমাদের কাস্টমারদের প্রফেশনাল সার্ভিস দিয়ে থাকি . সঠিক এবং অফিশিয়াল পদ্ধতিতে কম্পিউটার ক্লিন করা এবং আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপের সকল ধরনের সমস্যা গুলো প্রফেশনালভাবে সমাধান করা হয়ে থাকে

✅ লোকেশান : নূর মসজিদ , দক্ষিন চর্থা, কুমিল্লা (টমছমব্রিজ, ইপিজেড রোড , মহিলা কলেজ সংলগ্ন )

🚩 যে কোন তথ্যের জন্য সরাসরি কল করুন ! 01708076141

🔰ল্যাপটপ বা পিসি ঠিক রাখতে যে কাজগুলো অবশ্যই করবেন না কম্পিউটারের পারফমেন্স ঠিক রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নতুবা পারফরমেন্স...
20/11/2021

🔰ল্যাপটপ বা পিসি ঠিক রাখতে যে কাজগুলো অবশ্যই করবেন না

কম্পিউটারের পারফমেন্স ঠিক রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নতুবা পারফরমেন্স হারিয়ে তা নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
পিসির পারফরমেন্স হারানোর অনেক কারণ ঘটতে হতে পারে। সাধারণত ঘটা কিছু কারণ এখানে তুলে ধরা হবে।

সফটওয়্যার আপডেট না করা

অনেকেই তাদের পিসি স্লো হয়ে যাওয়া সমস্যার মুখোমুখী হয়ে থাকেন। এই সমস্যাটির অন্যতম কারণ হচ্ছে -কম্পিউটারের সফটওয়্যারগুলো আপডেট করা হয়নি।

সফটওয়্যার আপডেট করা মানে হচ্ছে কম্পিউটারে নতুন নতুন ফিচার দেয়া। যা পিসির পারফর্মেন্সের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সফটওয়্যার আপডেট না করার কারণে কম্পিউটারের পারফর্মেন্স কমতে থাকে, এমনকি পিসি নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

ধুলোবালিময় সিপিইউ
অনেকেই পিসি ঠিকঠাক পরিস্কার রাখেন না। দেখা যায় সিপিইউতে ধুলির স্তর জমে যায়, সেদিকে কোনো খেয়ালই থাকে না। মনে রাখবেন যে কোনো ইলেক্ট্রনিক্স যন্ত্রের জন্য ধুলোবালি ক্ষতিকর।

সিপিইউএর ফ্যানে ময়লা জমে ফ্যানের স্পিড কমে যায়, যার ফলে দীর্ঘ সময় ধরে কম্পিউটার চালানোর পর ঠান্ড হতে সময় নেয়। কখনো কখনো কুলিং বন্ধ হয়ে যায় অথবা নষ্ট হয়ে যায়। শুধুমাত্র সবসময় পিসি পরিস্কার রাখলে এই সমস্যা থেকে বাঁচা যায়। এতে পিসির লাইফটাইমও বাড়ে।

ফাইল ডাউনলোডে অসচেতনতা
কোন কিছু ডাউনলোড করার সময় যা ডাউনলোড করা হচ্ছে তার বাইরে আর কোন দিকে সাধারণত নজর থকে না। আমরা যে ফাইল ডাউনলোড করছি তার সোর্স নিয়ে কোন চিন্তা করি না। এর সাইট নির্ভরযোগ্য কিনা অথবা সেই সার্ভারে ম্যালওয়্যার আছে কিনা এসব বিষয় মাথায় থাকে না।

এটি ভুল কাজ, অসচেতন ভাবে ফাইল ডাউনলোড করার সময় অজান্তেই ম্যালওয়্যার চলে আসতে পারে আপনার কম্পিউটারে। আর এমনি ভাবেই র‍্যানসমওয়্যারের মত ম্যালওয়্যারও কম্পিউটারে হানা দিয়ে থাকে।

জঞ্জালপূর্ণ হার্ডড্রাইভ

অনেকেরই অভ্যাস রয়েছে ডাটা রেখে হার্ডড্রাইভ পূর্ণ করে ফেলা, এর মাঝে আবার অনেক টেম্পরারি ফাইলও থাকে। ব্যপারটা এমন -আমার পিসিতে যত খুশি ফাইল রেখে ভরে ফেলব তাতে সমস্যা কি?
জি হ্যাঁ, সমস্যা তো কিছু থেকেই যায়। এমন অবস্থায় সিস্টেম রিস্টোর করার জন্যও তো কিছু স্পেসের দরকার হয়।

হার্ডড্রাইভে স্পেসের ঘাটতি হলে পিসির স্পিড কমে যায়। আর অপ্রয়োজনীয় ডাটা থাকলে অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যারে জন্য জটিল হয়ে যায়। তাই কম্পিউটারে সবসময় কিছু স্পেস খালি রাখা দরকার। বিশেষজ্ঞদের অভিমতে সবসময় ১০-১৫% স্পেস খালি রাখা উচিৎ।

স্টার্ট আপ সফটওয়্যার
অনেকের কম্পিউটারেই স্টার্টআপে অনেক সফটওয়্যার থাকে। যার বেশির ভাগেরই কোন প্রয়োজন নাই। এই কারণে পিসি চালু হতে অনেক সময় নেয়। এই ঝামেলা থেকে মুক্ত থাকতে চাইলে স্টার্টআপে কোন প্রোগ্রাম না রাখাই ভাল।

আপনার পিসিতে যদি এমনি অনেক স্টার্ট আপ এনেবল সফটওয়্যার থেকে থাকে, আর আপনি উইন্ডোজ টেন ব্যবহার করে থাকেন তাহলে খুব সহজেই স্টার্টআপ সফটওয়্যারগুলো ডিজেবল করতে পারবনে।

টাস্ক ম্যানেজারে স্টার্ট আপ অপশন পাবেন। এখানে গিয়ে যেসব প্রোগ্রামে স্টার্ট আপ চালু আছে সেগুলোতে এনেবল লেখা দেখতে পাবেন। এখন আপনার কাজ হচ্ছে যেগুলো স্টার্ট আপে থাকা দরকার নাই সেগুলোকে ডিজেবল করে দিন। বিশেষ প্রয়োজনীয় না হলে সবগুলোকেই ডিজেবল করে রাখুন।

সঠিক ভাবে কম্পিউটার শাটডাউন/রিস্টর্ট না করা
কম্পিউটার সঠিকভাবে শাটডাউন না করলে তা সেখানেই থেকে যায়, আর এতে পিসির স্বাভাবিক অবস্থা বিঘ্নিত হয়। অপরদিকে পিসি রিস্টার্ট করলে র‍্যাম নতুন ভাবে কাজ আরম্ভ করে, পিসির র‍্যাম লিকেজ হলে তা সমধান হয় আর সিস্টেম সতেজ হয়ে ওঠে।

এজন্য শাটডাউন বা রিস্টার্ট করার সময় লক্ষ্য রাখুন ঠিকভাবে শাটডাউন বা রিস্টার্ট হচ্ছে কিনা।

উল্লেখিত কাজগুলোর কোন একটি আপনার ল্যাপটপ বা কম্পিউটারের পারফর্মেন্স নষ্ট করার জন্য যথেষ্ট, তাই এই ব্যাপারে সচেতন থাকুন।

20/11/2021

🔰 ল্যাপটপের যত্ন নিতে হয় কীভাবে ?

✅ ল্যাপটপ অতিরিক্ত গরম হতে দিবেন না । ল্যাপটপ এর লাইফটাইম কমে যাওয়ার একটি বড় কারন ওভারহিটিং । সাধারণ ভাবে ব্যবহার করলে ল্যাপটপ গরম হবেই তবে আমি বলছি ওভারহিটিং এর কথা। ওভারহিট যেন না হয় সেজন্য নিচের কাজ গুলো করতে পারেন।
সরাসরি রোদ পড়ে এমন জায়গায় রেখে ব্যবহার করবেন না।
বিছানার উপর বা বালিশের উপর রেখে ব্যবহার করবেন না। টেবিলের উপর রেখে ব্যবহার করা সবচেয়ে ভালো । এতে করে এয়ারফ্লো ভালো হবে ।
ল্যাপটপ এর বিল্ট ইন ফ্যান গুলো ল্যাপটপ কে সাইলেন্ট রাখার জন্য ধীরে ঘুরানো হয় । তবে থার্ড-পার্টি অনেক সফটওয়্যার আছে সেগুলো ব্যবহার করে বিল্ট ইন ফ্যানের স্পিড বাড়িয়ে রাখতে পারেন।
ধুলাবালি থেকে যতটা সম্ভব বাঁচিয়ে রাখবেন । চাইলে ব্যবহার শেষে একটি পাউচের মধ্যে ঢুকিয়ে রাখতে পারেন । মাঝেমধ্যেই ল্যাপটপ ক্লিনার লিকুইড একটি মাইক্রোফাইবার রুমালে স্প্রে করে ল্যাপটপের কিবোর্ড এরিয়া এবং ডিসপ্লে পরিষ্কার করতে পারেন। ভুলেও সরাসরি ল্যাপটপ এর বডিতে স্প্রে করবেন না ।
সব সময় প্লাগে লাগিয়ে ব্যবহার করবেন না । মাঝে মাঝে আপনার ব্যাটারি টি ব্যবহার করুন এবং ২০-৩০% হয়ে আসলে আবার প্লাগ ইন করুন ।
যদি মোবাইল ডিভাইসের মত ফুল চার্জ করে এসি প্লাগ খুলে ব্যাটারি ব্যবহার করে চালানোর অভ্যাস থাকে তাহলে ব্যাটারি টি ৮০-৯০ % পর্যন্ত চার্জ করুন আবার ২০-৩০ % খরচ হয়ে আসলে প্লাগ ইন করুন । এতে করে ব্যাটারি অনেকদিন ভালো ব্যাকআপ দিবে।
ল্যাপটপ টি যদি ২ বছর বা তার বেশিদিন ধরে ব্যবহার করে থাকেন তাহলে সেটি খুলে প্রসেসর এবং গ্রাফিক্স চিপ (যদি থাকে) এর উপরের থার্মাল পেস্ট পরিবর্তন করুন । আপনি অভিজ্ঞ না হলে একটি কম্পিউটার সার্ভিস শপে নিয়ে যান । আপনার ল্যাপটপ যদি অতিরিক্ত গরম হয় তাহলে এই কাজটি করার পরে ওভারহিটিং ইস্যু আর নাও থাকতে পারে । খোলার পরে ভেতরের ধুলা ময়লা পরিষ্কার করে ফেলা একটি ভালো আইডিয়া হতে পারে

20/11/2021

🔰 কর্মক্ষেত্রে আপনার ডেস্ক বা ওয়ার্কস্টেশন পরিচ্ছন্ন রাখার পাঁচটি টিপস:

• আপনার ব্যবহৃত কম্পিউটারটি নিয়মিত পরিস্কার করুন।

• কম্পিউটারের স্ক্রিন নরম কাপড় দিয়ে মুছে ফেলুন। তাহলে যে ধুলো জমে থাকে তা মুছে যাবে। এখানে অব্যশ্যই মনে রাখবেন পানি এবং টয়লেট পেপার দিয়ে স্ক্রিন মুছবেন না। আপনার যদি ডাস্ট এল্যার্জি থাকে তবে প্রতিদিন কম্পিউটার মুছে ফেললে আপনার কোনো ক্ষতি হবে না।

• কী-বোর্ডটি উল্ডিয়ে আলতো করে ঝাঁকি দিতে হবে। ফলে এর ভেতরে থাকা ধুলো ময়লা, খাদ্য কণা বেরিয়ে আসবে। পরে কাঠির মাথায় তুলো পেঁচিয়ে আপনি কী-বোর্ডের ফাঁকা স্থানগুলো পরিস্কার করতে পারেন।

• মাউসটিকে প্রতিদিন মুছে নিয়ে ব্যবহার করুন। খাওয়ার সময় মাউস ধরবেন না। তারপরও মাউস ব্যবহারের পর খাওয়ার আগে অবশ্যই হাত ভালোভাবে ধুয়ে নেবেন।
• কাজের সময় কখনও খাবেন না। দুপুরে বা সকালে খাওয়ার জন্য আলাদা স্থানে বসে খাবেন। কম্পিউটারের সামনে বসে খাবেন না। তাহলে আপনি বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হতে পারেন।

20/11/2021

কম্পিউটারের যত্ন ২ রকমের হয়।

✅ বাহ্যিক যত্ন: ভালো মতো Mr.Brasso Glass & Household Cleaner Spray দিয়ে পরিষ্কার করে নিতে পারেন। সপ্তাহে অন্তত ২ দিন আপনার মনিটর, সিপিইউ অথবা সিস্টেম, স্পিকার, প্রিন্টার, কীবোর্ড, মাউস, এবং কম্পিউটার টেবিল পরিষ্কারের মাধ্যমে যত্ন নিতে পারেন।

✅অভ্যন্তরীণ যত্ন: এটা হচ্ছে উইন্ডোজের যত্ন নেয়া। এরজন্য আপনাকে নিম্নবর্ণিত কাজগুলো করতে হবে-

অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রামের মাধ্যমে নিয়মিত আপনার হার্ড-ড্রাইভ স্ক্যান করা। বিশেষ করে যখন কোন পেন-ড্রাইভ কম্পিউটারে প্রবেশ করাবেন তার আগে অবশ্যই পেন ড্রাইভটি স্ক্যান করে নিবেন। কেননা ভাইরাস কেবল মাত্র পেন-ড্রাইভের মাধ্যমেই ছড়ায়। আপনি যদি অ্যাডভান্সড ইউজার না হন, তাহলে ভাইরাস আপনার বারোটা বাজিয়ে দিতে পারে।
পিসির পারফরমেন্স ভালো পাওয়ার জন্য- কীবোর্ড শর্টকাট Windows key+ R প্রেস করলে Run Command ওপেন হবে। কমান্ড বক্সে টাইপ করবেন recent তারপর enter প্রেস। যত ফাইল হাবিজাবি যা আসবে সব ctrl+ A press করে সিলেক্ট তারপর shift+delete কমান্ড দিয়ে ডিলিট করে দিবেন।
কয়দিন পর পর এই একই রান কমান্ডে গিয়ে temp টাইপ করে enter press. যত টেম্পোরারি ফাইল আসবে সব সিলেক্ট করে ডিলিট দিবেন। যেগুলো ডিলিট হবে না ওগুলো নিয়ে মাথা ঘামানোর দরকার নেই। এড়িয়ে চলে যাবেন।

আরেকটা কমান্ড %temp% ঐ একইভাবে যা আসবে সব সিলেক্ট করে ডিলিট দিবেন।
C drive অর্থাৎ উইন্ডোজ ড্রাইভের ফ্রি স্পেস বেশি রাখবেন।
যদি একসাথে অনেক কাজ করতে হয় তাহলে RAM এর উপরে প্রেশার পড়ে এইজন্য রান কমান্ডে গিয়ে tree টাইপ করে enter.
প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার মাঝে মাঝে আপডেট করবেন।

এছাড়া CCleaner software দিয়ে আপনার পিসি-কে ক্লিন করে নিতে পারেন।

20/11/2021

🔰 কতদিন পর পর আপনার পিসি পরিস্কার করা উচিত?

✅ ঠিক কয় দিন পর পর আপনার পিসি পরিস্কার করা উচিত এটা নির্ভর করবে আপনার ব্যবহারের উপর। যেমন বাসায় কিংবা অফিসের কাজে নরমাল ভাবে ব্যবহৃত কম্পিউটারগুলোতে প্রতি তিনমাস অন্তর অন্তর একবার পরিস্কার করা উচিত। কিন্তু স্কুল বা কলেজের পিসিগুলোকে প্রতি মাসে একবার বা প্রয়োজনে তারও বেশিবার ক্লিন করা উচিত। আর কম্পিউটার রুমে ধুলাবালি বা ধুমপান অথবা খাওয়া দাওয়ার কাজ করে থাকলে প্রতি ১৫ দিন অন্তর আপনার পিসি ক্লিন করা উচিত।

Address

South Chartha
Cumilla
3500

Telephone

+8801708076141

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Comilla It FIXER posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Comilla It FIXER:

Share