golpo

golpo assalamu alikum

তারপর যখন জ্ঞান ফিরে আমার,,  আমি দেখতে পায় ওই লাশটা ওই বেডের উপর বসে আছে,,  আর মাথা থেকে রক্ত বের হচ্ছে ।।  আমি খুবই ভয় ...
21/10/2024

তারপর যখন জ্ঞান ফিরে আমার,, আমি দেখতে পায় ওই লাশটা ওই বেডের উপর বসে আছে,, আর মাথা থেকে রক্ত বের হচ্ছে ।।
আমি খুবই ভয় পাচ্ছি যেদিকে চোখ যাচ্ছে সেদিকে শুধু লাশ আর লাশ""

ওই লোকটা আমার দিকে তাকিয়ে হাসছে আর বলতাছে,, ওই মিয়া পাগল হয়ে গেছেন.. এখানে এত রাতে কি কেও আছে যে
আমাদের চিৎকার শুনতে পাবে।
লোকটার কথা শুনে বুঝতে পারলাম,,
ওই লোকটি আমার মত বেচে আছে। আামাদের পরনে কোনো কাপর ছিলোনা,, তারা আমাদের ভালোভাবে না দেখেই মর্গে পাঠিয়ে দিয়েছে,,, অথচ আমরা দুজনি বেচে আছি। আমাদের উপরে শুধু সাদা কাপর দিয়ে ঢেকে রেখেছিল,, মৃত মনে করে।
আমি সাদা কাপরটাই লুংগির মত করে কোনো রকম পেচিয়ে ওই লোকটার কাছে যায়। অনেক্ষন লোকটার সাথে গল্প করি,, লোকটা বলছিলো আজ হাসপাতাল বন্ধ থাকায় তেমন কোনো ডাক্তার ছিলো না,,

মেডিকেলের স্টুডেন্ট রা আমাদের শুধু হাতের পালস চেক করেই মৃত ভেবে এখানে পাঠিয়ে দিছে।
আমি অবাক হয়ে বললাম
আপনি কিভাবে যানেন এসব??

লোকটা একটু রহস্যময় হাসি দিয়ে আমাকে বল্ল আমি এমন অনেক কিছুই জানি... অনেক্ষন যাবত আমরা গল্প করছিলাম.. ওনি আমাকে বল্ল একটু পরই তুমি এখান থেকে বের হতে পারবে,,

কিছুক্ষন বাদেই ফজরের আজান দিয়ে দিবে। আমি একটু হেসে বললাম আমি একলা কেন বের হবো আপনিও ত আমার সাথেই যাবেন,, লোকটি হেসে বল্ল তুমি কি যানো.. এখানে একমাত্র তুমি ছাড়া সবাই মৃত... কেউ আর বেচে নেই।
এটা বলেই খুব ভয়ানক ভাবে হাসতে লাগলো,,
ঠিক তখনি ফজরের আজান ভেসে আসলো কানে। আযান শুনে মনটা শান্ত হলো,,
ওই লোকটার দিকে তাকিয়ে দেখি যেখানে উনি বসে ছিলো সেখানে সাদা কাপরে ঢাকা একটা লাশ।।
আমি ভয়ে দরজার কাছে দৌরে গিয়ে চিৎকার করতে থাকি দরজায় অনেক জোরে জোরে ধাক্কা দিতে থাকি। এভাবে দরজা ধাক্কানোর শব্দে,,
ওখানকার দারোয়ান দৌরে আসে ।

আমি তার পায়ের শব্দ শুনতে পাচ্ছিলাম,, উনি ভয়ে ভয়ে বলছিলো কে ভিতরে এসব বলতে বলতে দরজাটা উনি খুলে দেয়। দরজা খুলে উনি আমাকে পুরো উলঙ্গ অবস্থায় দেখতে পায়,,

উনি আমাকে দেখেই মনে হয় ভিশন ভয় পেয়ে যায়, সাথে সাথে আমার মুখের উপর আবার দরজা লাগিয়ে দেই । আর ভুত ভুত বলে চিল্লাতে থাকে,, উনি আরেকজনকে গিয়ে গিয়ে বলে এসব

কিন্তু উনার কথা কেও বিশ্বাস করছিলোনা। একজন তো বলছিলো আজ মনে হয় তুই বেশি নেশা করে ফেলছছ তাই এসব উল্টো পালটা দেখতাছস। নয়ত মর্গে আবার কেউ বেচে থাকে নাকি..
কিন্তু লোকটা তাদের জোর করে ওখানে নিয়ে যায়। গিয়ে দেখে আমি জ্ঞান হারিয়ে দরজার সামনেই পরে আছি উলঙ্গ অবস্থায়।

উনারা আমাকে ধরাধরি করে তারাতারি হাসপাতালের ভিতরে নিয়ে যায়,, আর তারাতারি ডাক্তার কে খবর দেই,, । তিনদিন পরে আমার জ্ঞান ফিরে,, তখন উনারা আমার ফ্যমেলির কাছে ক্ষমা চায় আমার কাছেও ক্ষমা চায়।

আমার সাথে মর্গে কি কি হয়েছিলো আমি তাদের সবাইকে বলি। উনারা আমায় জানান আমার সাথে যিনি সারারাত সঙ্গ দিয়েছিলেন উনি মানুষ হিসাবে খুবি ভালো ছিলেন , পেশায় তিনি একজন ইমাম ছিলেন। সবসময় মানুষ কে সাহায্য করতেন..

মনে মনে ভাবছিলাম তখন এমন ভালো মানুষ এখনো দুনিয়াতে আছে... আর বললাম ভালো মানুষ গুলোই বেশিদিন দুনিয়াতে থাকেনা,,।

সমাপ্ত,,,।

গল্পটা ভালো লাগলে একটা লাইক দিয়ে দিবেন,,
আর হ্যা এমনি সব ভয়ানক ভুতের গল্প পেতে পেইজটি তে ফলো দিয়ে রাখুন ধন্যবাদ।🥰

গল্প : মর্গে লাশের সাথে ভয়ানক রাত,,পার্ট : ১ম পর্ব গ্রাম থেকে শহরে যাবো,,  টিকিট কেটে ওঠে গেলাম বাসে।  জানার পাসের সিট  ...
16/10/2024

গল্প : মর্গে লাশের সাথে ভয়ানক রাত,,
পার্ট : ১ম পর্ব

গ্রাম থেকে শহরে যাবো,, টিকিট কেটে ওঠে গেলাম বাসে। জানার পাসের সিট দেখে বসে পরলাম,, কিছুক্ষনের মধ্যে বাস ছেরে দিলো ,, জানালার পাশে বসায় বেশ হাওয়া দিচ্ছে। আজ রাস্তা টা কেমন যেন নিরব,, মনে হচ্ছে ভয়ানক কোনো বিপদ হাতছানি
দিয়ে আমাদের সবাইকে ডাকছে,, সন্ধ্যা বেলায় গারিতে উঠেছি যেতে যেতে মনে হচ্ছে অনেক রাত হবে।

রাত যখন প্রায় ১২:৩০ মতন বাজে,, সবাই তখন গভির ঘুমে আচ্ছন্ন,, হঠাৎ একটা বড় ঝাকুনি খেয়ে আমি লাফিয়ে উঠি। কি হয়েছে বুঝে উঠার আগেই দেখতে পায়,, গাড়ি টা উল্টো হয়ে খাদে পরে যাচ্ছে,,।

সব কিছুই যেন স্লো মোশনে ঘটছে,, আমি আরো দেখি আমার পাশে বসা একটা লোকের মুখে জানালার কাচ ভেঙে পরে মুখটা থেতলে গেছে। চোখের সামনে সবকিছু আবছা আবছা লাগছে,, তারপর আর কিছু মনে নেয়।

যখন জ্ঞান ফিরে তখন আমি নিজেকে মর্গে আবিস্কার করি,, আমার পুরো শরিল সাদা কাপরে ঢাকা জ্ঞান ফিরার পর আশেপাশে তাকিয়ে কোথায় আছি বুঝার চেষ্টা করি,,মাথাটা প্রচন্ড ব্যথা করছে। যেদিকে তাকাচ্ছি শুধু সাদা কাপরে ঢাকা লাশ আর লাশ,,
ভয়ে আমার পুরো শরিল হিম হয়ে যাচ্ছে
যেন আবার জ্ঞান হারানোর অবস্থা,,

হঠাৎ আমি দেখতে পায় আমার পাশের সিটে থাকা একটা লাশের মাথা থেকে রক্ত বের হচ্ছে,, এটা দেখে আমি ভয়ে দৌড়ে মর্গের দর্জার কাছে যায় গিয়ে চিৎকার করতে থাকি।। কেউ আছো আমি এখানে আটকে গেছি,, বাচাও আমাকে বাচাও আমাকে""কিন্তু কেউ আমার ডাকে সারা দেইনি,, এসব আমি সহ্য না করতে পেরে আবার জ্ঞান হারিয়ে ফেলি।

তো এর পর কি হয়েছিলো লোকটার সাথে?? সে কি মর্গ থেকে বেচে ফিরেছিলেন নাকি তার সাথে আরো ভয়ানক কিছু ঘটছিলো??? জানতে হলে কমেন্ট করুন...

আর হ্যা এমনি সব ভয়ানক ভুতের
গল্প পেতে পেইজটিতে ফলো দিয়ে আমার সাথেই থাকুন🥰🥰

গল্প : অশরীরি কালো ছায়াপার্ট : ২য় শেষ পর্বসবাই ঘরে ফিরে গেলাম,, পরের দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে যেমন বলা তেমন কাজ।   হোস্টেল...
15/10/2024

গল্প : অশরীরি কালো ছায়া
পার্ট : ২য় শেষ পর্ব

সবাই ঘরে ফিরে গেলাম,, পরের দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে যেমন বলা তেমন কাজ। হোস্টেলের মেম কে না জানিয়ে টবের নিচ থেকে চাবিটা নিয়ে নিলাম আমি,, তারপর সবাই মিলে একটা চাবি বানানোর দোকানে গেলাম... আর বললাম এরকম একটা চাবি বানিয়ে দিতে,, চাবির অর্ডার দিয়ে কলেজে চলে গেলাম। তারপরে বিকেল বেলা কলেজ থেকে ফেরার সময় চাবি টা নিয়ে গেলাম দোকান থেকে ,,, যখন রাত হলো তখন আমরা সবাই ঘড়ির দিকে তাকিয়ে ১২ টা বাজার জন্যে অপেক্ষা করছি,,, অপেক্ষার প্রহর শেষ হলো,,, যখনি ১২ টা বাজলো তখনি দরজায় টোকা দেয়ার শব্দ শুনলাম আমরা। দরজার পাশেই সবাই দারিয়ে ছিলাম তাই টোকা টা দিতেই দরজা খুলে ফেলি,,, তখন আমরা দেখতেই পাই ওই কালো ছায়াটা ছাদের দিকে চলে যাচ্ছে... আমরাও পিছু পিছু দৌরাতে লাগলাম ছায়াটা ছাদে চলে গেলো,, আমরা চাবি দিয়ে দরজা খুলে ছাদের ভিতরে প্রবেশ করলাম। ছাদের ভিতরে ঢুকতেই বুঝতে পারলাম,, ছাদ টা থেকে একটা আস্টে বসজে গন্ধ আসছে।। কিন্তু একি মেয়েটা মানে কালো ছায়াটা কোথায় গেলো,, আমরা দেখলাম ছাদের এক কোনে একটা বট গাছ ছাদের রেলিং ঘেষে আছে যেন,, গাছের ডাল গুলো যেন ছাতার মত ছাদে নুয়ে আছে,,, অদিকে লক্ষ করতেই,, আমরা সবাই শুনতে পেলাম ভয়ানক এক কান্না একটা মেয়ের কান্না কান্না করতে করতে যেন হিছকি উঠে গেছে,,, কোথা থেকে আসছে কান্নাটা বুঝার জন্যে আশেপাশে তাকাতেই বুঝতে পারলাম,, বট গাছের যে ডাল গুলো নুয়ে আছে সেখান থেকেই আসছে কান্নার আওয়াজ,,, আমরা তখন অনেক ভয় পাচ্ছিলাম সবাই,,, আর ছাদ টাতে মনে হচ্চে অনেক বসর যাবৎ কেউ পা রাখেনি। ভিষন শেউলা জমে আছে আর অনেক পিছল হয়ে আছে,, আমি ভয়ে ভয়ে বললাম কে অখানে কে অখানে,, এভাবে কান্না করছেন কেন কি হয়েছে আপনার। তখনি কান্না বন্ধ হয়ে গেলো,, আর ওই কালো ছায়াটা জ্বোরে চিৎকার দিয়ে বল্ল,,, তোদের এত সাহস? আমার পিছু করেছিস এইই এইই তোদের কি জানের মায়া নেই,, আর বল্ল তোরা নিজে থেকে এখানে আসিস নি মৃত্যু তোদের এখানে নিয়ে এসেছে,,, তোরা কেউ এখান থেকে বেচে ফিরতে পারবিনা এসব বলছিলো আর ভিষন ভয়ানক ভাবে হাসছিলো,, আর আমাদের দিকে আসতে লাগলে আমরা দৌর দিবো এমন সময় দেখি দরজা লাগানো আমরা দরজা খোলার চেষ্টা করছি কিন্ত কোনো লাভ হচ্ছেনা,, মনে হচ্ছে কে যেন আবার বাহির থেকে দরজা তালা লাগিয়ে দিয়েছে,,, আমরা সবাই হেল্প হেল্প বলে চিল্লাতে থাকি কিন্তু কেও আমাদের ডাকে সারা দেয়না,, কালো ছায়াটা ক্রমশ আমাদের দিকে এগিয়ে আসছে আর ভয়ানক ভাবে হাসছে আর আমরা বাচাও কে আছো আমাদের বাচাও এসব বলে চিল্লাতে থাকি,, এর মাঝেই আমাদের এক ফ্রেন্ড ভয়ে পিছুতে পিছুতে ছাদের একেবারে কিনারে চলে যায় আর তখনি পা পিছলে পড়ে যায় আর সাথে সাথে ওখানেই মারা যায়,, ওর পড়ে যাউয়া দেখে আমরা সবাই বেশ চিল্লাতে থাকি আর কান্না করতে থাকি, কিন্তু ওর পরে যাওয়ার পর সব
যেন নিশ্চুপ হয়ে যায়,,, কালো ছায়াটাও উধাও হয়ে যায়।। এসব আর না নিতে পেরে একজন অজ্ঞান হয়ে যায়,,, আর আমরা বাচাও বাচাও বলে চিল্লাতে থাকি,, এরপর আর কিছু মনে নেই। চোখ খুলে দেখি আমি হাসপাতালে,, আমার পাশে মা বাবা ছোট ভাই সবাই বসে আছে,,, এরপর মার কাছে ওদের কথা জিজ্ঞাসা করতেই হোস্টেল এর মেম এসে বলে,, তোমাদের চিৎকার শুনে আমরা কয়েক জন মিলে গিয়েছিলাম
ছাদে"" অখানে গিয়ে দেখি তোমরা তিনজন অজ্ঞান হয়ে পরে আছো.. তোমাদের একজন রুমমেট ছাদ থেকে নিচে পরে মারা গেছে,,,, কেন গিয়েছিলে ওই অভিশপ্ত ছাদে। আমি এত বার বারন করার পরেও তোমরা কাউকে না জানিয়ে তাও আবার রাতের বেলা ছাদে গেছো,, আজ যদি তোমরা ছাদে না যেতে তাহলে হয়ত একটা অকাল মৃত্যু ঘটতোনা।। এরপর আর কখনো আমরা ওই কলেজের দিকে তাকানোর সাহস পায়নি। কয়েক মাস পর থেকে কলেজটি সরকারি ভাবে বন্ধ ঘোষনা করা হয়।

তো কেমন লাগলো এই গল্পটি
কমেন্টে জানাতে ভুলোনা কিন্তু🥰🥰।

আর হ্যা এমনি সব ভয়ানক ভুতের গল্প পেতে পেইজটিকে ফলো দিয়ে রাখুন❤️

গল্প :  অশরীরী কালো ছায়াপার্ট : ১ম পর্বগ্রাম থেকে  বেশ দূরে একটা কলেজে ভর্তি হয়েছি আমি,,  আমার সাথে আমার ৩ টা ফ্রেন্ড ওই...
15/10/2024

গল্প : অশরীরী কালো ছায়া
পার্ট : ১ম পর্ব

গ্রাম থেকে বেশ দূরে একটা কলেজে ভর্তি হয়েছি আমি,, আমার সাথে আমার ৩ টা ফ্রেন্ড ওই একি কলেজে চান্স পেয়েছে। গ্রাম থেকে দূরে হওয়াই আমাদের কলেজের হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা চালাতে হবে,, আমাদের হোস্টেলের পিছনে অনেক বড় একটা জংগল আছে,, ওখানে আছে বড় একটা পুরনো কবরস্থান। কিন্তু এখন ওখানে আর কাউকে কবর দেয়া হয়না,, শুনেছি ওখানে নাকি অনেক অদ্ভুত রকমের ঘটনা ঘটে। ওখানে কেউ গেলে নাকি আর জীবিত ফিরে আসতে পারেনা,, আমাদের তো এসব ভুয়া বলেই মনেই হয়েছে। আমরা চার বান্ধবী একি রুমে থাকি,, এইভাবে ভালোই যাচ্ছিলো দিন গুলো " রাতে সবাই খাবার খেয়ে সুয়ে পরে,, আমার আবার রাতের পড়ার অভ্যাস" সবাই ঘুমিয়ে আছে আর আমি পড়তে বসি.. ঘড়িতে যখন ১২ টা বাজে ঠিক এমন সময় হঠাৎ দরজায় কে যেন নক করে। প্রথমে ভাবলাম মনের ভুল হবে হয়ত,, এসব ভেবে আবার পড়ায় মন দিলাম। তখন আবার দরজায় নক করার শব্দ আসে,, শব্দ শুনে আমি গেলাম দরজা খুলতে,, গিয়ে দেখি কেও নায়,, তখন আমি ভাবলাম হয়ত হোস্টেলের কেউ মজা করছে। এসব ভেবে পড়া শেষ করে ঘুমিয়ে গেলাম। পরের দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে সব বান্ধুবিরা এক সাথে কলেজে গেলাম,,, গল্প করতে করতে হঠাৎ কাল রাতের কথা বললাম ওদের। সবাই বল্ল আরে কেউ হয়ত মজা করেছে,, আচ্ছা আজ আবার টোকা দিলে আমাদের ডাক দিছ। সবাই মিলে এমন কেলানি দিবনা একবারে লেজ গুটিয়ে পালাবে,, এসব বলছি আর হাসাহাসি করছি। তারপর কলেজ শেষে বাসায় গেলাম,, আবার রাতে যখন পড়তে বসেছি,, ওরা সবাই ফোন নিয়ে বেস্ত। ঘড়ির কাটা যখন বলছে রাত ১২ টা বাজে "" কালকের মত আবার কে যেন দরজায় টোকা দেই। আমি বললাম দারা বেটা আজ তোর খবর আছে,, ওরাও তখন শব্দ শুনে সবাই উঠে বসলো। তারপর আবার টোকা দিলো এইবার টোকা দিতেই আমরা দৌরে গিয়ে দরজা খুললাম,, দরজা খোলে বেশ অবাক হলাম কালকের মত আজ ও কেউ নেই। দরজা লাগিয়ে দিয়ে আমরা সবাই বলছিলাম আজ বেটা পালিয়ে গেছে কিন্তু কাল আর পালাতে দিবনা,, আমরা কাল ১২ টা বাজতেই দরজার কাছে গিয়ে দারিয়ে থাকবো। দরজা নক করার সাথে সাথেই দরজা খুলে বেটা কে ধরে ফেলবো। চল সবাই এবার ঘুমিয়ে পরি,,। এর পর কাল যখন আবার রাত হলো প্রায় ১২ টা বাজতে চলেছে এমন সময় সবাই রেডি হয়ে দরজার কাছে দারিয়ে থাকে নক করতেই আজ দরজা খুলবে আর তাকে ধরবে। ঠিক যখন রাত ১২ টা তখন দরজায় আবার নক করে দরজায় নক করতেই দরজা খুলে ফেলি আমরা,, দরজা খুলে আমরা দেখতে একটা কালো ছায়া যেন শিরি দিয়ে হাওয়াই ভেসে ভেসে উপরের দিকে চলে যাচ্ছে। আমরা যে হোস্টেলে থাকি সেটা ৫ তালা আমরা তিন তলায় থাকি। ছায়াটা দেখতে মেয়ে মনে হচ্ছে আমরা সবাই ওর পিছনে দৌড়ে যায়,, আমরা যেতে যেতে কালো ছায়াটা ছাদে চলে যায়। আমরা ভিতরে যাবো তখন দেখি ছাদের গেইট তালা দেওয়া,, এটা দেখে বেশ অবাক হলাম। আমি বললাম গেইট যদি তালা দেওয়া থাকে তাহলে মেয়েটা ভিতরে গেলো কেমন করে,, আমার আরেক ফ্রেন্ড বল্ল দেখলি হোস্টেলের ম্যম আমাদের ছাদে যাওয়ার জন্য চাবি দেইনা অথচ একে ঠিকি দিয়ে রাখছে.. আরেক জন বলে আরে চাবি কিভাবে নেওয়া লাগে সেটা আমাদের জানা আছে মেম কোথায় চাবি রাখে আমি সেটা জানি। কাল কলেজে যাবার সময় চাবি টা নিয়ে নিবো আরেকটা সেম চাবি বানিয়ে আনবো তাহলেই হবে। সবাই এক মত হলো,, আমরা চারজনি সাইন্সের স্টুডেন্ট এসব ভুত প্রেতে আমাদের কোনো রকম বিশ্বাস নায়,, আমাদের মাথায় একবারের জন্যও মনে হয়নি যে আমাদের সাথে প্যারা নরমাল কিছু ঘটছে..

তারপর কি ঘটেছিলে মেয়েগুলোর সাথে??
জানতে হলে কমেন্ট করুন।
আর এমনি সব ভয়ানক ভুতের গল্প পেতে পেইজটি তে ফলো দিয়ে রাখবেন🥰🥰🥰

গল্প: কবরস্থানের সেই জ্বিনটা পার্ট : ৪র্থ পর্ব শেষ পর্বআমার এক কাছের বন্ধু, তার সাথে খুবি ভালো সম্পর্ক আমার। জীবনে এমন ক...
13/10/2024

গল্প: কবরস্থানের সেই জ্বিনটা
পার্ট : ৪র্থ পর্ব শেষ পর্ব

আমার এক কাছের বন্ধু, তার সাথে খুবি ভালো সম্পর্ক আমার। জীবনে এমন কোনো কথা নায় আমার যে ওর অজানা,, তো একদিন দুজন রাস্তা দিয়ে হাটছিলাম,, আমার বন্ধু আমাকে অনেক জোরাজোরি করে ওই রাতে কি ঘটেছিলো আমার সাথে সেটা জানার জন্য,, আমি ওরে বারন করা সত্ত্যেও ওরে মানাতে পারছিলাম না,, তারপর আমি ভাবি অনেক দিন ত হয়ে গেছে এখন বললে আর হয়ত কোনো সমস্যা হবেনা। এটা ভেবে অর কাছে বলতে লাগলাম ওই ভয়ানক রাতের কথা, কিভাবে কি হয়েছে না হয়েছে সব,, ও আমাকে জিজ্ঞাসা করলো পিছন ফিরে আমি কি দেখেছিলাম। তখন ভয়ে আমি আৎকে উঠি, তারপর বলি ওই সময় পিছন ফিরে দেখি ওই সাদা জুব্বা পরা লোকটা বাচ্চার লাশটা ছিরে প্রাই খেয়ে নিয়েছে,, আর লোকটার মুখ দিয়ে অজস্র রক্ত বের হচ্ছিলো। সাদা কাপর টা রক্তে লাল হয়ে,,, আছে আর সে বাচ্চার মাথা কামর
দেয়ার কারনেই এতটা বিকট শব্দ হয়েছিলো।। তখনি আমআর রিক্সা গাছের সাথে ধাক্কা খায় আর আমি নিচে পরে যায়,,, ওটা কোনো মানুষ ছিলোনা ওটা ছিলো একটা খারাপ জ্বিন। আর জ্বিনটা আমাকে বারন করেছিলো,, কাউকে যেন এসব বেপারে না বলি
তাই আমি এত দিন তোদের কাউকে কিছু বলিনি,, আমার বন্ধু এইসব শুনে অনেক ভয় পেয়ে যায়। আর আমাকে বলে তুই কোনো কবিরাজের কাছে যা নয়ত জ্বিনটা তোর কোনো ক্ষতি করতে চাইবে।
আমিও অর সাথে একমত হলাম,,,। রাতে বাড়ি ফিরছিলাম আর ওর সাথে কথা বলছিলাম,
কাল যাবো কবিরাজের কাছে বা কোনো ইমাম এর কাছে। দুজনের বাড়ি পাশাপাশি হওয়াতে দুজন একসাথেই রাতে বাড়ি ফিরলাম,, একটু পর আমার মা খেতে দিলো। আজ বরো একটা রুই মাছ রান্না করেছে মা,, তাই মা আমাকে রুই মাছের মাথাটা দিলো। আমি ভিষন খুশিও হলাম। অমনি যখন ভাত খেতে যাবো কোথা থেকে যেন একটা বিড়াল এসে ক্ষপ করে মাছের মাথা টা নিয়ে দৌড় দিলো উঠানে,, চাঁদনী রাত হওয়াই বাহিরেও বিড়ালটাকে খুব ভালো ভাবে দেখা যাচ্ছে। আমি ভিষন রেগে গিয়ে বিড়াল টাকে লাঠি নিয়ে তাড়া করলাম,, বিড়াল মাছের মাথা নিয়ে দৌড়াচ্ছে আর আমি তার পিছন পিছন দৌড়াচ্ছি,, হঠাৎ বিড়াল টা পুকুর পারে গিয়ে থামলো। পুকুর পাড়ে একটা তালগাছ গাছ ছিলো,, পুকুর টা একেবারে ঘেসেই ছিলো গাছটা গাছের মাথা টা ছিলো বাকা পানি ছুই ছুই এমন অবস্থা। বিড়ালটা একটা লাফ দিয়ে অই গাছে উঠে পরলো গাছটা বেশি উচু না তাই সহজেই উঠে গেল,, আমি গাছের উপরে বিড়ালটার দিকে তাকালাম দেখলাম বিড়ালটা আমার দিকে অদ্ভুত ভাবে তাকিয়ে আছে। আমিও তাকিয়ে আছি হঠাৎ দেখলাম একটা বিড়াল থেকে অনেক গুলো বিড়াল হয়ে গেছে, সব গুলো খুবি ভয়ানক ভাবে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। দেখে মনে হচ্ছে সব গুলো যেন আমাকে ছিড়ে খাবে,, আমি তখম ভয়ে কাপছি, বাড়ির দিকে দৌড় দিতে যাবো তখনি আমি খেয়াল করলাম দুটো হাত আমার পা আটকে দিয়েছে শুধু হাত আমি চিৎকার করতে পারছিনা ,, মনে হচ্ছে কোন অদৃশ্য শক্তি আমার কথা বলার শক্তি কেরে নিয়েছে।
হঠাৎ শুনতে পেলাম কে যেন বলছে উপরের দিকে তাকা। আমি উপরের দিকে তাকাতেই দেখি অই বিড়াল গুলোর মাঝে ওই জ্বিনটা, এটা দেখে ত আমার জান যায় যায় অবস্থা। জ্বিন টা আমাকে বলছে তোরে আমি বার বার নিষেধ করা সত্ত্বেও তুই বলেই দিলি এসব বলছে আর খুব ভয়ানক ভাবে হাসছে,, আর আমার দিকে তার লম্বা হাত বারাতে থাকে আর জ্বোরে একটা চর মারে,,, যার শব্দ শুনে আশে পাশের মানুষ সবাই বাহির হয়ে আসে আর সবাই আমাকে খোজাখোজির পর আমাকে ওই পুকুর পারে পরে থাকতে দেখতে পায়। আমার কাছে যেতেই সবাই বুঝতে পারে আমি মারা গিয়েছি।

সমাপ্ত।
এটা একটা সত্ত্য ঘটনা,, আমি আমার দাদার কাছে শুনেছি,,, আমার দাদা ছিলো অই মৃত ব্যক্তির সেই বন্ধু।।

এমন সব গল্প পেতে আমার পেইজটি তে ফলো দিয়ে রাখুন,।

গল্প : কবরস্থানের সেই জ্বিনটাপার্ট : ৩য় আমার যখন জ্ঞান ফিরে,,  তখন আমি নিজেকে আমার বাড়িতে আবিস্কার করি,, সবাই কান্নাকাটি...
12/10/2024

গল্প : কবরস্থানের সেই জ্বিনটা
পার্ট : ৩য়

আমার যখন জ্ঞান ফিরে,, তখন আমি নিজেকে আমার বাড়িতে আবিস্কার করি,,
সবাই কান্নাকাটি করছে আমার পাশে বসে। জ্ঞান ফিরার পরে আমি জানতে পারি,, কিছু লোক সকালে কাজে যাবার সময় আমাকে কবরস্থানের পাশে অজ্ঞান অবস্থাই পরে থাকতে দেখে,, আর আমাকে তারা ধরাধরি করে বাসায় দিয়ে যান অজ্ঞান অবস্থাতেই। আর সেই দিন থেকেই নাকি আমি আজ তিন দিন যাবত অবচেতন অবস্থাতেই আছি,, ডাক্তার কবিরাজ, এই তিন দিন সবি নাকি দেখাইছে তবুও কোনো লাভ হয়নি,,, আজ আল্লাহর অশেষ রহমতে আমার জ্ঞান ফিরেছে,,। সবাই আমাকে তখন জিজ্ঞাসা করছিলো কি হয়েছিলো আমি ওইখানে কিভাবে গেলাম। আমি তখন একটু উঠে বসার চেস্টা করি.. তখন আমার মা আমাকে ধরে উঠতে সাহায্য করে। আর মা আমার গায়ে হাত দিতেই যেন মার হাত পুরে জাবার উপক্রম।। মা চিৎকার দিয়ে বলে উঠলো, একি আমার বাবার শরিল ত জ্বরে পুরে যাচ্ছে।
তখন একজন বলে কবিরাজ নিয়ে আসো.. আমার ছোট চাচা কবিরাজে তেমন ববিশ্বাস করতনা,,, তাই তিনি আমাকে ভালো একটা ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান,, ডাক্তার আমার জ্বরটা পরিক্ষা করে, এবং কিছু ঔষধ লিখে দেন। আর বলে সময় মত ঔষধ গুলো খাওয়াবেন.. ঠিক হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। তারপরে আমরা বাসায় ফিরে আসি, রাতে শুয়ে আছি এমন সময় আমার শার্টের পকেটে কি মনে করে যেন হাত দিলাম.. হাত দিতেই বুঝতে পারলাম,, পকেটে টাকা আছে আর সাথে একটা চিরকুট,, বেশ অবাক হলাম ওমনি চোখের সামনে ভেশে উঠলো ওই রাতের ভয়ানক কাহিনি,, ভয়ে আমি চিৎকার দিতে যাবো ওমনি আমার মনে হচ্ছে কেউ যেন আমার মুখ চেপে ধরেছে। আমি চিৎকার দিতে গিয়েও চিৎকার করতে পারলাম না। তারপর আমার চিরকুট টার দিকে নজর গেলো,, ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত পড়েছি তাই পরতে বেশি সমস্যা হলো না,, চিরকুটে যা লিখা ছিলো তা দেখে তো আমি আরো ভয় পেতে লাগলাম,, কাউকে কিছু বলতেও পারছিনা। চিরকুটটাতে লিখা ছিলো তোরে বলেছিলাম না ৫০০ টাকা ভারা দিবো টাকা গুলো গুনে দেখ ১০০ টাকার ৫ টা নোট আছে। তখন আমি দেখি হে তাইত সত্যি নতুন ৫ টা একশ টাকার নোট জল জল করছে.. দেখে মনে হচ্ছে এখনি যেন টাকা গুলো বানানো হয়েছে। চিরকুটে আরো লিখা ছিলো ওই দিন রাতের কথা ভুলে যাও,, মনে রেখো তুমি যদি ভুল করেও কারো কাছে আমার কথা কাওকে বলেছো.. তাহলে ওইদিনটাই হবে তোমার শেষ দিন। আমি চিরকুট টা পরে অনেক ভয় পেলাম,, আবার টাকাটা পেয়ে বেশ খুশিও হলাম। এভাবেই ভালোই দিন গুলো কাটছিলো আমার,, কিন্তু হঠাৎ নেমে আসলো আমার জীবনে কালো অন্ধকার অন্ধকার🙂

নেক্সট পার্ট লাগলে কমেন্ট করুন।

গল্প:কবরস্থানের সেই জ্বিনটা পার্ট:২আমি আমার মত রিক্সা চালাতে লাগলাম, তখন অনেক রাত প্রায় ১:৩০ মতন হবে,, আমার খুব ভয় ও লাগ...
12/10/2024

গল্প:কবরস্থানের সেই জ্বিনটা
পার্ট:২
আমি আমার মত রিক্সা চালাতে লাগলাম, তখন অনেক রাত প্রায় ১:৩০ মতন হবে,, আমার খুব ভয় ও লাগছিলো কিন্ত লোকটার জোরাজোরিতে এক প্রকার অনিচ্ছাই নিয়ে যাচ্ছিলাম,, আমি ভাবছিলাম প্রথম লোকটার সাথে গল্প করে করে হয়ত পুরো রাস্তা চলে যাবো আর ভয় লাগবেনা,, কিন্তু লোকটার সাথে লাশ থাকাই আমি তার সাথে কথা বলবো তো দুরের কথা পিছনে তাকানোর সাহস টাও পাচ্ছিলাম না। এর পর হঠাৎ পিছন থেকে অদ্ভুত রকমের কিছু শব্দ শুনতে পেলাম,, শব্দ গুলো এমন মনে হচ্ছে যে কেও হার গুর চিবিয়ে চিবিয়ে খুব ভয়ানক ভাবে খাচ্ছে,। আমার ত ভয়ে গা শিউরে ওঠে, ভয়ে যেন আমি সামনের দিকে আগাতেই পারছিনা,, যত সময় যাচ্ছে তত যেন শব্দটা আরো ভয়ানক ভাবে বারছে, আমি একবারও পিছন ফিরে তাকানোর সাহস টা পাচ্ছিলাম না,, হঠাৎ আরো বিকট জোরে একটা শব্দ হয়,, শব্দটা শুনে আমি আমার বেলেন্স হারিয়ে পিছনের দিকে তাকিয়ে ফেলি, ' আর তাকাতেই আমি যা দেখতে পায়.. তা দেখার জন্যে আমি মোটেই প্রস্তুত ছিলাম না। সাথে সাথে রিক্সা টা একটা গাছের সাথে ধাক্কা লাগে আর আমি নিচে পরে যায়,,, তখন আমি আবছা আবছা চোখে দেখতে পায়' লোকটা আমাকে দেখে হাসছে,, আর আমাকে বলতে থাকে
যা দেখেছিস তা কাউকে কখনো বলবিনা,
মনে থাকে যেন, আর হে যেদিন তুই এই কথা কাউকে বলবি সেদিনি তোর মৃত্যু অনিবার্য। এসব বলতে থাকে আর হাসতে থাকে, লোকটা আমার কাছে এসে আমার বুকে শিতল একটা স্পর্শ করে আর আমি সাথে সাথে অজ্ঞান হয়ে যায়,,,।

তাহলে সেদিন কি দেখেছিলো রিক্সা ওয়ালা?? তারপর কি হয়েছিলো তার সাথে জানতে চাইলে কমেন্ট করুন।

গল্পের নাম: কবরস্থানের সেই জ্বিনটাপার্ট:১আমি পেশায় একজন রিক্সা চালক,,  যাত্রি নিজ গন্তব্যে পৌছে দিয়ে বাড়ির দিকে রওনা দিচ...
11/10/2024

গল্পের নাম: কবরস্থানের সেই জ্বিনটা
পার্ট:১
আমি পেশায় একজন রিক্সা চালক,, যাত্রি নিজ গন্তব্যে পৌছে দিয়ে বাড়ির দিকে রওনা দিচ্ছিলাম তখন রাত ১টা নাগাদ বাজে। আমি ভুত প্রেতে তেমন বিশ্বাসি ছিলাম না কিন্তু আজ পরিবেশ টা কেমন যেন থমথমে লাগছে রাস্তায় কোনো মানুষ নেই, পাশেই আবার অনেক পুরোনো একটা কবরস্থান, কুকুরের আওয়াজ গুলো যেন খুবি ভয়ানক লাগছে আজ আমার কাছে,, হঠাৎ দেখি দূর থেকে সাদা জুব্বা পরা একটা লোক আমাকে দেখে হাত ছানি দিয়ে সামনের দিক ডাকছে,, আমি খেয়াল করলাম লোকটা খুবি লম্বা চওড়া এবং তার হাতে সাদা একটা পুটলির মত কি যেন,, এত কিছু তখন না ভেবে লোকটার কাছে রিক্সা নিয়ে গেলাম,, লোকটার মুখটা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছেনা তেমন,, তখন লোকটা বলে উঠলো আমাকে একটু সামনে নামিয়ে দাও,, আমারও তখন লোকটার কথা শুনে সাহস জাগল,, ভাবলাম উনার সাথে গল্প করতে করতে চলে যাবো আর ভয় ও লাগবেনা,, কিন্ত আমার জন্য যে এত ভয়ানক একটা পরিস্থিতি অপেক্ষা করে ছিলো তা কখনো আমি স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারিনি,, তারপর আমি দেখলাম উনার হাতের পুটলিটা সাদা কাপরে মোরানো একটা বাচ্চার লাশের মত লাগছে,, আমি চমকে গেলাম এটা দেখে। উনাকে জিজ্ঞাসা করলাম কি এটা তখন উনি আমাকে যা বল্লো আমিত ভয়ে কাপছিলাম

লোকটি বল্ল তার ছেলের লাশ, আমি তখন ভয়ে আমতা আমতা করে বলতেছি না না আমি কোনো লাশ নিতে পারবনা, আপনি বড়ং অন্য কোনো রিক্সা বা অটো দিয়ে চলে যায়েন আমি গেলাম। তখন লোকটি বলে বাবা আমার ছেলেটা খুব অসুস্থ ছিলো, আজ রাত৮ টাই হাসপাতালে মারা যায়। হাসপাতাল থেকে ছাড়তে ছাড়তে অনেক রাত হয়ে গেছে এখন তুমি ছাড়া কোনো গাড়ি নেই রাস্তায়,, অনেক্ষন ধরে এখানে দারিয়ে আছি একটা গাড়ির আসায়। এখন তুমি যদি না নাও এইগুলা বলতে বলতে লোকটা কান্না করে দেই,, আমি তখন সেখানে আশেপাশে তাকিয়ে দেখি পাশেই সেই ভয়ানক পুরাতন কবরস্থান, দেখেই গা টা শিউরে উঠলো। অবশেষে লোকটা বল্ল বাবা আমি তোমাকে৫০০ টাকা ভাড়া দিবো, আমি ভাবলাম টাকা দিলে দেক না দিলে নাই বিপদে মানুষ কে সাহায্য করাটাই ত আসল। লোকটাকে নিয়ে রওনা দিলাম গন্তব্যে, লোকটা যে ঠিকানা বলেছে এর চেয়ে ৫-৭মিনিট পরই আমার বাড়ি। তাই আর বেশি কথা না বাড়িয়ে চলতে লাগলাম, রাস্তাটা কেমন যেন গা ছমছমে পরিবেশ, রাস্তার পাশের গাছ গুলোও যেন বলে দিচ্ছে আমার সাথে ভয়ানক কিছু ঘটতে চলেছে

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when golpo posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to golpo:

Share