Z Abdullah

Z Abdullah Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Z Abdullah, Dhaka.

When I was young I used to write diaries in my spare time, sometimes I used to write poems, stories, rhymes, novels, plays, or some favorite words of my mind and people's memories, now diaries are not written so this page was opened for all.

◆ মেয়ের বাবাদের লজ্জা থাকতে নেই? — হৃদয় ভাঙা এক বাস্তব গল্প◆ বাবা দরজায় দাঁড়িয়ে…দরজার ঘণ্টা বাজতেই খুলে দেখি—আমার জন্মদা...
18/11/2025

◆ মেয়ের বাবাদের লজ্জা থাকতে নেই? — হৃদয় ভাঙা এক বাস্তব গল্প

◆ বাবা দরজায় দাঁড়িয়ে…
দরজার ঘণ্টা বাজতেই খুলে দেখি—
আমার জন্মদাতা বাবা দাঁড়িয়ে আছে।
মুখে সেই চিরচেনা হাসি,
আর হাতে ছোট্ট একটা বক্স।

আমি কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে বললাম—
“বাবা, ভিতরে আসো…”

ভিতরে এসে বক্সটা বাড়িয়ে দিয়ে বাবা বললো—
“এই নে মা, তোর পছন্দের গুড়ের পায়েস। তোর মা বানিয়েছে। তোকে না খাইয়ে আমরা কীভাবে খাবো?”

আমি অবাক হয়ে বললাম—
“এসব দিতে ৬০ কিলোমিটার পথ আসলে?”
বাবা আবারো হাসলো।
একটা অদ্ভুত, শান্ত, ক্লান্ত হাসি।

◆ শ্বাশুড়ির আচরণ…
ঠিক তখনই রুমের ভেতর থেকে শ্বাশুড়ির ডাক—
“বউমা, কে এসেছে?”

বাবা এগিয়ে গিয়ে ভদ্রভাবে বললো—
“কেমন আছেন বেয়ান সাব?”
শ্বাশুড়ি একবার তাকিয়ে কোনো উত্তর না দিয়েই
রুমে চলে গেলেন।
সেই নীরবতাই ছিল বাবার প্রতি তার প্রথম অপমান।

◆ বাবাকে থাকতে দিতে পারলাম না…
বাবা বললো—
“মা, আজ থাকি একদিন? তোমাদের সাথে একটু সময় কাটাই।”

আমি কান্না চেপে রাখতে রাখতে বললাম—
“না বাবা… দুপুরের পর চলে যাও।”
আমার নিজের মুখের কথায়
যেন বুকের ভেতর কাঁচ ভেঙে গেলো।

◆ শ্বাশুড়ির রাগ—“তোমার বাপের লজ্জা নাই!”
আমি শ্বাশুড়ির রুমে গিয়ে বললাম—
“মা, খাসির মাংসটা বের করি? বাবা খেয়ে যাবে…”

তিনি রাগী গলায় বললেন—
“এত আপ্যায়ন লাগবে না! তোমার বাপ তো রোজ রোজ এসে পড়ে! তার জন্য আবার খাসি রান্না করতে হবে?
লোকটার লজ্জা নেই নাকি?”

আমি কাঁপা কাঁপা গলায় বললাম—
“মা, পাশের রুমে বাবা আছে… দয়া করে এসব বলবেন না।”
আমি সরে আসলাম।
চোখের পানি থামাতে পারলাম না।

◆ জামাইয়ের অপমান—বাজারের ব্যাগ হাতে তুলে দেওয়া…
একবার স্বামী বাজারের ব্যাগ দিয়ে বাবাকে বলেছিল—
“আপনি তো ফ্রি আছেন, বাজারটা করে নিয়ে আসুন।”
একজন শ্বশুরের জন্য এর চেয়ে বড় অপমান আর কী হতে পারে?

কিন্তু বাবা কিছুই বুঝলো না।
হাসিমুখে বাজারে চলে গেলো।

◆ দুপুরের খাবার—মাছের মাথাটাও বাবাকে দিতে পারলাম না… খাওয়া পরিবেশন করতে গিয়ে
মাছের মাথাটা বাড়িয়ে দিচ্ছিলাম বাবার প্লেটে।

হঠাৎ শ্বাশুড়ি এসে বললেন—
“এটা আমার ছেলের জন্য! নিজের বাপকে মাছের মাথা দিচ্ছো কেন?”
বাবা চুপচাপ ঝোল মেখে খেতে লাগলো।
বললো—

“তুই এত ভালো রান্না করিস! বাড়ি গিয়ে তোর মাকে শেখাবি একদিন।”
বাবার সরল কথাগুলো তখন ছুরি হয়ে বিঁধলো আমার মনে।

◆ অবশেষে বাবাকে নিষেধ করলাম…
খাওয়া শেষে বাবা উঠতেই
আমি কান্নায় ভেঙে পড়লাম।

বললাম—
“বাবা, প্লিজ… আর আসবে না এই বাড়িতে।
তোমাকে বারবার অপমান করতে আমার খারাপ লাগে!”

বাবা কিছু বললো না।
শুধু আমার মাথায় হাত রেখে
হাসিমুখে চলে গেলো।
সেই দিনের পর বাবা আর কখনো আমাদের বাড়ি আসেনি।

◆ অথচ বিপদের সময়ে সবার পাশে ছিল বাবা…
শ্বাশুড়ি অসুস্থ হলো,
স্বামীর ব্যবসা খারাপ হলো—
সবার আগে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছিল আমার বাবা।
কিন্তু তবুও…
কখনো আমাদের বাসায় আসেনি।

◆ দুই বছর পর—আমি মা হলাম
মেয়ে হওয়ার পর
আমার স্বামী বদলে গেলো।

রাতে ঘুম না হলে
ঘন্টার পর ঘন্টা কোলে নিয়ে হাঁটে।
মেয়ে আধো গলায়
“বাবা…”
বলে ডাকলে
স্বামী খুশিতে কান্নায় ভেঙে পড়ে।

একদিন মেয়েকে বুকে নিয়ে বললো—
“আমি আমার মেয়েকে বিয়ে দেবো না! সারাজীবন রাখবো!”

আমি শান্তভাবে বললাম—
“আমার বাবাও আমাকে ঠিক এভাবেই ভালোবাসতো।
তবুও আমাকে ছেড়ে দিতে হয়েছিল।
আর যখন আমি বিয়ার পর তোমার বাসায় এলাম—
প্রতিবার অপমানিত হয়েও বাবা আসতো…
শুধু আমাকে এক নজর দেখার জন্য।”

স্বামী চুপ করে গেলো।

◆ স্বামীর উপলব্ধি—"মেয়ের বাবা হলে লজ্জা থাকতে নেই"
পরদিন সকালে দেখি স্বামী ল্যাগেজ গুছিয়ে বসে আছে।

বললাম—
“কোথায় যাবে?”
স্বামী মেয়ের দিকে তাকিয়ে বললো—

“মেয়ের বাবা হিসেবে দায়িত্ব শিখতে…
তোমার বাবার কাছে যাচ্ছি।
কারণ ওনার মতো সহ্যশক্তি আমার নেই।
আমিও শিখতে চাই—
মেয়ের বাবাদের লজ্জা থাকতে নেই কেন।”

আমি চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইলাম।
একজন ত্রিশোর্ধ মানুষ
নিজের ভুলের জন্য
এতোটা অনুতপ্ত হতে পারে—
সেটা প্রথমবার দেখলাম।

সেদিনের পর স্বামীর প্রতি
আমার কোনো অভিযোগই আর রইলো না।

◆ কারণ সত্যিটা শুধু একটাই…
একজন বাবা যতটা ভালোবাসে মেয়েকে,
তার তুলনা পৃথিবীর কোনো বন্ধনেই নেই।

মেয়ের জন্য বাবারা
নির্লজ্জ হয়,
অপমান সহ্য করে,
দূরত্ব পাড়ি দেয়,
আর বারবার ভেঙে পড়ে—
শুধু মেয়ের হাসিটা দেখার জন্য।

24/10/2025
মেয়েরা  কুড়ি তে বুড়ি না, আসলে নতুন কুঁড়ি, সবে ফুটতে শুরু করে, কিন্তু ত্রিশের পর মেয়েরা দু'ধারি ছু*রি। যেতেও কাটে আসতেও ক...
18/10/2025

মেয়েরা কুড়ি তে বুড়ি না, আসলে নতুন কুঁড়ি, সবে ফুটতে শুরু করে, কিন্তু
ত্রিশের পর মেয়েরা দু'ধারি ছু*রি। যেতেও কাটে আসতেও কাটে। অসাধু, সাবধান!
ত্রিশের পর মেয়েরা সুপার ম্যাচিওর হয়।

ত্রিশের পর মেয়েরা নিজেকে ভালোবাসতে শেখে।
ত্রিশের পর মেয়েদেরকে আর ন্যাকা ন্যাকা আবেগ দিয়ে ভাসানো যায় না।

ত্রিশের পর মেয়েরা নিজেকে গোছায়।
ত্রিশের পর মেয়েদের মেইক আপ স্কিল( নিজের মুখে এবং সম্পর্কে) আসে।

ত্রিশের পর মেয়েরা ক্যারিয়ারে এগিয়ে যায়।
ত্রিশের পর মেয়েরা নিজেকে ফিট রাখে।
ত্রিশের পর মেয়েরা জীবনের প্রায়োরিটি শেখে।
ত্রিশের পর মেয়েরা আবেগকে ফিল্টার করতে শেখে।

ত্রিশের পর মেয়েরা "না" বলতে শেখে।
জীবন থেকে কি এবং কাকে এক্সট্রা মেদের মতো ঝরিয়ে ফেলতে হবে মেয়েরা শিখে যায়, আর কাকে সুগন্ধী সাবানের মতো গায়ে মাখতে হবে, মেয়েরা জেনে যায়।

ত্রিশের পর মেয়েরা মেয়ে থেকে মানুষ হতে শেখে।
আমার চোখে ত্রিশের পর মেয়েরা
বেশি সুন্দর, সহজ এবং বেশি এট্রাক্টিভ 🫰

ত্রিশের পর মেয়েরা জানে এবং বোঝে তারা কতটা গুরুত্বপূর্ণ।
যে সুন্দর নিজে নিজের সৌন্দর্য্য এবং মূল্য বুঝতে শেখে, নিজেকে প্রোটেক্ট করতে শেখে সে বড় বেশি সুন্দর।

প্লিজ পুরনো চিন্তার শ্যাওলা পড়া দড়ি দিয়ে মেয়েদের বাঁধবেন না, বয়সের বোঝা চাপিয়ে তাদেরকে দাবানোর চেষ্টা করবেন না 🙂

ডাকসুতে যা দেখলাম— ভোট কারচুপির কথা বলে লাভ নাই। কারচুপি করে ১/২ হাজার ম্যানেজ করা যায় দ্বিগুণ  ভোট না - অতি আত্মবিশ্বাস...
10/09/2025

ডাকসুতে যা দেখলাম

— ভোট কারচুপির কথা বলে লাভ নাই। কারচুপি করে ১/২ হাজার ম্যানেজ করা যায় দ্বিগুণ ভোট না

- অতি আত্মবিশ্বাস যে কত ভয়ংকর , ছাত্রদল তার প্রমান রেখে গেলো

- নারীরা ই ছাত্রশিবির জিতিয়েছে। ৩ টা মেয়ে হলে শিবির নিকটতম প্রার্থীর ৩ গুন ভোট পেয়েছে

- নারী প্রার্থীদের ভরাডুবি ..নারীরাই নারীদের চায়না,
- ছাত্রলীগের আর মুক্তি যুদ্ধের পক্ষের ভোটগুলি কই গেলো

- মেঘ বা ইমি কার্জন হল কেন্দ্রে শূণ্য ভোট পেয়েছে.. মানে সেখানে একজন ভোটারও তাদের বন্ধু বা পরিচিত ছিলো না

- বৈষম্য বিরোধীদের চেয়ে শিবিরকে জুলাই আন্দোলনের অগ্রসৈনিক মনে করে ঢাবি শিক্ষার্থীরা

- এটা কেবল ছাত্র সংসদে হয়েছে , জাতীয় রাজনীতিতে হবে না যারা ভাবেন সামনে তাদের জন‍্য সামনে রাম বাড়ি অপেক্ষমান

- বর্তমানে ছাত্রশিবির জনপ্রিয় দল। মানে ট্রেন্ডিং

- বিএনপির মন খারাপ করার কিছু নাই। তারাই জিতেছে । কারন ছাত্রশিবির তাদের সব আন্দোলনের সহযোদ্ধা।

খালি রাজপথ - রাজপথ
ওরা ৫ আগস্ট এর পর চেয়ার গুছিয়েছে।
আমরা রাজপথেই থেকে গেলাম 🥹

দিন শেষে ওরা পেরেছে আমরা পারিনি কেনো? কারণ আমাদেরকে অন্য কিছুতে ব্যস্ত রেখে তাদের প্ল্যান এক্সিকিউট করেছে। আর আমরা ভোটের দিন জানতে পারলাম কারচুপি হচ্ছে। কারচুপি ঠেকানোর প্ল্যান ছিলোনা কেন আমাদের? কারচুপি যে হবে এটা কি অনুমেয় ছিল না?যেখানে ঢাবি ৯৯% প্রশাসন জাশির?

প্রশাসন সহ সব মন্ত্রণালয় ছাত্র প্রতিনিধি নিযুক্ত করা হয়েছে আপনারা জানেন? এই ছাত্র প্রতিনিধিদের অধিকাংশই জামাতপন্থী। বিএনপি বেশি সুশীল হতে গিয়ে কোথাও ছাত্র প্রতিনিধি হিসেবে ছাত্রদলের কোন সক্রিয় সদস্যকে এর অন্তর্ভুক্ত করে নাই।সুশীল রাজনীতির কোন মূল্য নাই। সিস্টেম করেন আর ইঞ্জিনিয়ারিং করেন দিন শেষে রেজাল্ট সব, আওয়ামিলীগ এর জন্য জায়েজ হলে,জাশির জন্য হালাল হলে আমরা কোন পীর যে আমরা এসব প্রতিরোধ অব্ধি করতে পারলাম না?

স্কুল কলেজের সভাপতি বা প্রতিনিধি, ক্রীড়া ফেডারেশনগুলো সভাপতি বা প্রতিনিধি, সাংবাদিক ইউনিয়ন, সরকার বেসরকারি সকল সেক্টর এমনকি মসজিদ মাদ্রাসার কমিটি সর্বত্র নিজেদের লোক সেটাপ করেছে জামায়াত।তারা যখন চেয়ার সেটাপ করছিল আমরা তখন আওয়ামিলীগ পিটাচ্ছিলাম।

জামায়াত বহু আগে থেকেই তাদের সাংগঠনিক কাঠামো গড়ে তুলেছে বিশ্ববিদ্যালয়, সচিবালয়, প্রশাসন, বেসামরিক ও সামরিক শীর্ষ পর্যায়ে। এর ফলে তারা নীতিনির্ধারণী অঙ্গন ও প্রভাবশালী সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নিজেদের অবস্থান দৃঢ় করেছে।

অন্যদিকে আমাদের কাঠামো সীমাবদ্ধ থেকেছে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে, ইউনিয়ন আর উপজেলা কমিটি, কমিডিতে।
যেখানে মূলত বানিজ্যিক স্বার্থই প্রাধান্য পেয়েছে, আর গ্রুপিং কোরামিং। ফলে জাতীয় স্বার্থ বা রাজনৈতিক কৌশলের তুলনায় ব্যক্তিগত ও আর্থিক স্বার্থই এগিয়ে থেকেছে।

এই কাঠামোর কারণে ফলাফলও হয়েছে পূর্বানুমেয়। জাতীয় নির্বাচনেও জামায়াত এভাবেই ডাকসুর মত সূক্ষ্ম ইঞ্জিনিয়ারিং করতে সক্ষম হবে—যা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।

একটা পজিটিভ দিক আছে এখানে,অবশেষে মজার ব্যাপার ঘটেছে এখানে। সাধারণ সাজার নাটক শেষ! শিক্ষক, ছাত্র, ছাত্রী, ইউটিউবার, আর ফেসবুক পেজের মহানায়করা যে আসলে কী খেলায় মেতেছিলেন, তা সবার সামনে ফাঁস হয়ে গেছে। পর্দার আড়ালে থেকে গুপ্ত ভাবে খেলার দিন শেষ ।

Game is on …...........

বৈষম্যবিরোধী সংসদ / বাগছাস বা এমসিপি যাই বলি তাদের ভিতরে ঢুকে,প্রেম করে কে বড় মাপের খেয়ে দিয়েছে এই জাশি। আমাদের ভিতর থাকা জাশি প্রেমিদের নিয়েও ভাবার সময় কি হয় নাই পাঞ্জেরি?

ছাত্রদল প্যানেল, বৈষম্যবিরোধী প্যানেল
বাম, স্বতন্ত্র সবাই ঐক্যবদ্ধ ভাবে ডাকসু নির্বাচন কারচুপি, ইঞ্জিনিয়ারিং এর অভিযোগ এনে স্থগিত করার জন্য কোর্টে রীট করুন এবং দেশে এবং বাইরে ইনভেস্টিগেশন হওয়া দরকার।

যেসব শিক্ষকরা এর সাথে জড়িত ছিলো তাদের ব্যাকগ্রাউন্ড ও তাদের সকল তথ্য নেওয়া হোক,এবং জাতির কাছে প্রকাশ করা হোক।

আজকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ভাইয়েরা স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা হতাশ হতে পারেন, মন খারাপ থাকাটাও মানবিক বিষয়।

তবে একবার ভেবে দেখুন, আজকের বিজয়ীরা ১৯৭১-এর পর এই প্রথম ঢাবিতে জয়লাভ করেছে।

আপনাদের প্রচেষ্টায় কোনো ঘাটতি ছিল না, নিঃসন্দেহে আপনারা সর্বোচ্চ দিয়েছেন।
কিন্তু তাকদীরের ফয়সালা ভিন্ন ছিল।

আজ বিশ্রাম নিন। আগামীকাল থেকেই আবার নতুন উদ্যমে যাত্রা শুরু হবে, ইনশাআল্লাহ।

পুরোনো বন্ধু শত্রুতে পরিণত হওয়ায় লড়াইটা একটু কঠিন ছিল। মুনাফেকরা আলাদা হয়ে গেছে—এটাই সবচেয়ে বড় প্রশান্তি।

যদি ২৫শে তাদের ’৪৮’ ফিরে আসতে পারে, তবে নিশ্চয়ই ২৬শে আমাদের ’৯০’ ফিরে আসবে ইনশাআল্লাহ।

মনে রাখবেন, এই জমিন সৎ মানুষকে চিনতে দেরি করলেও, গাদ্দারদের বেশিদিন বহন করে না।

আপনারা যারা আমাদের সাথে যুক্ত রয়েছেন সকলকে একগোছা ভালোবাসা। 💖

06/09/2025

"বাপের ব্যবসা ভালো লাগে না? নিজে নতুন কিছু করবো।" - এরকম কথা বলতে শুনি অনেককে। একটা তথ্য দেই বাপের ব্যবসা নিয়ে। দুনিয়ায় যত বড় বিজনেস আছে, তার মধ্যে ৮০% হচ্ছে বাপের ব্যবসা (ফ্যামিলি বিজনেস)।

বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম না। আকিজ, প্রাণ, স্কয়ার, কিংবা ব্র‍্যাক - এগুলোতে সেকেন্ড জেনারেশন এখন লিড দিচ্ছে। এবং আমার ধারণা, আগামী ২০ বছরে এরা আরও ভালো করবে। ইস্পাহানি সম্ভবত আমাদের দেশের সবচেয়ে পুরাতন ফ্যামিলি বিজনেসগুলোর একটা।

আবার অন্যদিকে অনেক ফ্যামিলি বিজনেস আছে, এগুলোর অবস্থা ভালো না। সেকেন্ড জেনারেশনেই ভাংগন ধরেছে, থার্ড জেনারেশন পর্যন্ত যাবে কিনা সন্দেহ।

"এক পুরুষে করে ধন,

এক পুরুষে খায়।

আরেক পুরুষ এসে দেখে খাওয়ার কিছু নাই।"

ফ্যামিলি বিজনেসের "গ্যাংস্টার" আমার কাছে মনে হয় আকিজ সাহেবকে। তিনি নিজে বাবা-মার একমাত্র সন্তান। তার বাবাও ছিলেন একমাত্র সন্তান। তাই তিনি যখন বিজনেসে ব্যস্ত হলেন, পাশাপাশি ব্যস্ত হয়েছেন উত্তরাধিকার তৈরিতে। একে একে ১৫ জন সন্তান হয়েছে তার। প্রতি বছর একটা নতুন বিজনেস শুরু করেছেন, আর সেটা দেখার জন্য একটা করে সন্তান। এর চেয়ে গ্যাংস্টার মুভ আর কি হতে পারে। 😎

২-৩টা বখে গেলো, ২-৩টা বিদেশ সেটেল করলো, ২-৩টা জব করলো, মেয়েরা বিয়ে করে চলে গেলো। তাও হাতে থাকবে ৭-৮টা সন্তান - নিজের বিজনেস এম্পায়ার দেখার জন্য।

আমি আকিজ পরিবারের ৪-৫ জনকে চিনি। তারা কি করছেন সেটার খবর কিছু রাখি। তারা সবাই নিজেদের বিজনেস ভার্টিকেল বাড়াচ্ছেন। তাতে বুঝি যে, আকিজ আগামী ২০ বছরে বাংলাদেশের জিডিপির একটা বড় ড্রাইভার হবে। Non-RMG Exporter তালিকায় উপরের দিকে থাকবে।

বাপের ব্যবসার উপর ভর করেই তারা সেটা করবেন।

ফ্যামিলি ভ্যালু এখানে খুব বড় একটা ফ্যাক্টর ছিলো।

যে পরিবারে ফ্যামিলি ভ্যালু, বিজনেস ইথিক্স নেই, সেসব ফ্যামিলি বিজনেস টিকে না। পাশাপাশি Succession plan না থাকার কারণে ফ্যামিলি বিজনেস ফেইল মারে।

স্কয়ার সম্ভবত এদিকে সবচেয়ে এগিয়ে। দারুণ কর্পোরেট কালচার, প্রোফেশনালদের দিয়ে বিজনেস পরিচালনা করার ক্ষেত্রে দেশি কোম্পানিগুলোর মধ্যে স্কয়ার এগিয়ে থাকবে।

এখন বলতে পারেন, 'আমি তো আকিজের পোলা না, স্কয়ারের পোলা না। হলে আমিও করতাম, বাপের ব্যবসা।"

আকিজ সাহেবের বাবাও ছোটখাটো বিজনেস করতেন। তার নাম কি আমরা জানি? না। আকিজ বিজনেস গ্রুপের যাত্রা শুরু হয়েছে আকিজ সাহেবকে দিয়ে।

তেমনি আপনার/তোমার বাপের বিজনেস আছে, এটাই একটা ভাগ্য। কারণ, অন্যর এখানে ৫-১০ বছর চাকরি করে শিখতে হবে না। নিজের বাপের এখানেই ব্যবসার বেসিক শিখে নেন।
তারপর ফ্যামিলি বিজনেসের গোড়া শুরু হোক আপনাকে দিয়ে। আপনি হোন নেক্সট আকিজ, আবেদ, কিংবা স্যামসন।

বিদ্র: বাপের ব্যবসা ছেলেরা চালাতে পারছে না কেন, এই বিষয় নিয়ে TBS এর একটা রিপোর্ট এসেছে।

27/08/2025

বিচ্ছেদের এক অন্য রূপ
সাইলেন্ট ডিভোর্স বা নীরব বিচ্ছেদ
এটা এমন একটি সম্পর্ক যেখানে স্বামী-স্ত্রী মানসিকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন, কিন্তু সামাজিকভাবে বা আইনত তারা বিবাহিত থাকেন। এটি এমন এক পরিস্থিতি যখন দুটি মানুষ একই ছাদের নিচে বসবাস করলেও তাদের মধ্যে কোনো মানসিক সংযোগ, আবেগিক আদান-প্রদান বা পারস্পরিক বোঝাপড়া থাকে না। এটি প্রচলিত বিবাহবিচ্ছেদের মতো কোনো আইনি প্রক্রিয়া নয়, বরং এটি সম্পর্কের একটি অদৃশ্য ভাঙন।
সাইলেন্ট ডিভোর্সের লক্ষণসমূহ:
সাইলেন্ট ডিভোর্সের কিছু সাধারণ লক্ষণ নিচে দেওয়া হলো
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অর্থপূর্ণ কথোপকথন একেবারেই কমে যায়। তারা দৈনন্দিন কাজকর্ম নিয়ে কথা বললেও আবেগিক বা ব্যক্তিগত বিষয়ে কোনো আলোচনা থাকে না।
একে অপরের প্রতি ভালোবাসা, সহানুভূতি বা আগ্রহের অভাব দেখা যায়। কোনো পক্ষই অন্যজনের অনুভূতি বা প্রয়োজন নিয়ে মাথা ঘামায় না।
দম্পতিরা ইচ্ছাকৃতভাবে একে অপরের সাথে সময় কাটানো এড়িয়ে চলেন। তারা নিজেদের আলাদা রুটিন তৈরি করে নেন এবং যার যার নিজস্ব কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকেন
শারীরিক ঘনিষ্ঠতা সম্পূর্ণভাবে বা আংশিকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এটি মানসিক দূরত্বের একটি বড় প্রতিফলন।
ছোটখাটো বিষয় নিয়েও ভুল বোঝাবুঝি হয় এবং কেউ ক্ষমা চাইতে বা বিষয়টি মিটমাট করতে আগ্রহী হয় না।
দম্পতিরা একসাথে কোনো ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করেন না। প্রত্যেকেই নিজেদের ব্যক্তিগত লক্ষ্য ও স্বপ্ন নিয়ে ব্যস্ত থাকেন।
একে অপরের সফলতা বা ব্যর্থতায় কোনো রকম আগ্রহ বা অনুভূতি প্রকাশ পায় না।
অনেকগুলো কারণে সাইলেন্ট ডিভোর্স হতে পারে। এর মধ্যে কিছু প্রধান কারণ নিচে উল্লেখ করা হলো:
ছোটখাটো সমস্যাগুলো সমাধান না হয়ে দীর্ঘদিন ধরে জমতে থাকলে তা বড় ধরনের মানসিক দূরত্ব তৈরি করে।
একবার বিশ্বাস ভঙ্গ হলে তা আবার ফিরিয়ে আনা কঠিন হয়ে পড়ে, যা নীরব বিচ্ছেদের দিকে ঠেলে দেয়।
একজন বা উভয় সঙ্গী যদি মনে করেন তাদের আবেগিক চাহিদা পূরণ হচ্ছে না, তবে তারা মানসিকভাবে দূরে সরে যেতে পারেন।
সন্তান লালন-পালন বা আর্থিক বিষয় নিয়ে তীব্র মতবিরোধ থাকলে তা সম্পর্কের অবনতি ঘটায়।
অতিরিক্ত কর্মব্যস্ততা বা সম্পর্কের জন্য সময় না দেওয়াও নীরব বিচ্ছেদের একটি কারণ হতে পারে।
অনুভূতি প্রকাশ করতে না পারা বা একে অপরের কথা শুনতে না চাওয়া সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
সাইলেন্ট ডিভোর্সের প্রভাব শুধু স্বামী-স্ত্রীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং এটি পুরো পরিবার, বিশেষ করে সন্তানদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
দম্পতিরা নিজেদের মধ্যে একাকীত্ব এবং হতাশা অনুভব করেন।
বাবা-মায়ের এই নীরব বিচ্ছেদ দেখে সন্তানরা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে এবং তাদের মানসিক বিকাশে বাধা সৃষ্টি হয়। তারা ভুল ধারণা নিয়ে বড় হতে পারে যে, সম্পর্কে ভালোবাসা বা আবেগ প্রকাশ করা অপ্রয়োজনীয়।
অনেক সময় দম্পতিরা সামাজিকভাবে নিজেদের গুটিয়ে নেন এবং বাইরে স্বাভাবিক থাকার ভান করেন।
দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ বিভিন্ন শারীরিক অসুস্থতার কারণ হতে পারে।
যদি আপনি বা আপনার পরিচিত কেউ এমন নীরব বিচ্ছেদের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন, তবে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে।
স্বামী-স্ত্রীকে নিজেদের মধ্যে খোলাখুলি কথা বলতে হবে। নিজেদের অনুভূতি, চাহিদা এবং সমস্যাগুলো স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে হবে।
বিশেষজ্ঞ বা কাউন্সেলরের সাহায্য নেওয়া যেতে পারে। একজন তৃতীয় পক্ষ নিরপেক্ষভাবে সমস্যাগুলো বিশ্লেষণ করতে সাহায্য করতে পারেন।
পুরোনো স্মৃতিগুলো ফিরে দেখা এবং একসাথে নতুন কিছু করার চেষ্টা করা যেতে পারে।
একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা ও সহানুভূতি প্রদর্শন করা অত্যন্ত জরুরি।
মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল রাখা প্রয়োজন।
সাইলেন্ট ডিভোর্স একটি জটিল সমস্যা যা অনেক সময় অজান্তেই সম্পর্কের গভীরে শিকড় গেড়ে বসে। সঠিক সময়ে এর লক্ষণগুলো চিহ্নিত করতে পারলে এবং কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারলে অনেক ক্ষেত্রেই সম্পর্ককে বাঁচানো সম্ভব। তবে যদি
কোনোভাবেই সম্পর্ককে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব না হয়, তবে বিচ্ছেদকে একটি সুস্থ সমাধান হিসেবে মেনে নেওয়াও প্রয়োজন হতে পারে।

25/07/2025

চাঁদপুরের পথসভায় হাসনাত আব্দুল্লাহ মাননীয় স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমকে নিয়ে যা বললেন:
০১।
একজন স্বাস্থ্যমন্ত্রী (উপদেষ্টা) আছে, চেনেন ওনাকে? উনি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ভাই-ব্রাদার কোটায় আসছেন। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের স্বজনপ্রীতির সবচেয়ে বড় উদাহরণ স্বাস্থ্য উপদেষ্টা। সব সময় বলে আসছি, এই স্বাস্থ্য উপদেষ্টার কোনো প্রয়োজন নাই।’
০২।
স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও চিকিৎসা সম্পর্কে ‘কিছু বোঝেন না’
০৩।
উনার একমাত্র যোগ্যতা উনি গ্রামীণ ব্যাংকে ছিল এবং ড. মুহম্মদ ইউনূসের কাছের মানুষ।
০৪।
এই স্বাস্থ্য উপদেষ্টা লইয়া আমরা কী করিব?
০৫।
দুঃখজনক বিষয়, উনি নিজে চিকিৎসা করাইতে সিঙ্গাপুর যায়।
০৬। জনগণ উনাকে যে বেতন দিছে, সেগুলো রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিয়ে এই স্বাস্থ্য উপদেষ্টার অনতিবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত।’

অভিযোগ গুলো গুরুতর ও আমলযোগ্য বলে অনেকে মনে করেন।
আপনাদের মতামত কি?

25/07/2025

সচেতনতা জরুরি
-------------------------------
আমরা সবাই ধীরে ধীরে বয়স্ক হচ্ছি, তাই সকলেরই সচেতন হওয়া উচিত। দয়া করে এক মিনিট সময় নিয়ে এই লেখাটি পড়ুন। এটি আপনার, আপনার পরিবার ও বন্ধুদের জন্য উপকারী হতে পারে।
পুরনো সহপাঠীদের একটি মিলনমেলা হয়েছিল। এক মহিলা সেদিন বারবিকিউ অনুষ্ঠানে হঠাৎ পা ফসকে পড়ে যান। বন্ধুরা তাঁকে ডাক্তার দেখাতে বলেন, কিন্তু তিনি বলেন, “আমি ঠিক আছি।” তিনি ভেবেছিলেন নতুন স্যান্ডেলের জন্য ইটের সাথে লেগে গিয়ে পড়ে গেছেন। সবাই তাঁকে সামলে খাওয়ার প্লেট ধরিয়ে দেয় এবং বাকিটা সময় তিনি হাসিখুশি ছিলেন।
কিন্তু পরে তাঁর স্বামী সকলকে ফোন করে জানান, তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং সন্ধ্যা ৬টায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে—কারণ অনুষ্ঠানের সময়ই তাঁর স্ট্রোক হয়েছিল।
যদি সবাই স্ট্রোকের উপসর্গ চিনতে পারতেন, তাহলে হয়তো তিনি আজ বেঁচে থাকতেন।
স্ট্রোকের আগে কিছু সতর্ক সংকেত থাকে এবং সময়মতো চিকিৎসা পেলে জীবন রক্ষা করা যায়। একজন নিউরোসার্জেন জানিয়েছেন, যদি তারা স্ট্রোক রোগীর কাছে তিন ঘণ্টার মধ্যে পৌঁছাতে পারেন, তাহলে রোগীকে পুরোপুরি সুস্থ করে তোলা সম্ভব।
কীভাবে চিনবেন স্ট্রোক? মনে রাখুন তিনটি সহজ ধাপ: S, T, এবং R
এস (S: Smile): রোগীকে বলুন হাসতে
যদি মুখের একটি দিক পড়ে যায়, বুঝবেন সমস্যা হয়েছে।
টি (T: Talk): রোগীকে বলুন একটি সাধারণ বাক্য বলতে
যেমন: "আজ আকাশ পরিষ্কার।"
সঠিকভাবে বলতে না পারলে, সেটিও একটি লক্ষণ।
আর (R: Raise): বলুন দু’হাত তুলতে
যদি এক হাত পড়ে যায় বা তুলতে না পারে, তাহলে সেটিও সংকেত।
আরও একটি উপসর্গ: রোগীকে জিভ বের করতে বলুন
যদি জিভ একদিকে বেঁকে যায়, সেটিও স্ট্রোকের ইঙ্গিত।
এই উপসর্গগুলোর মধ্যে একটি পেলেই দেরি না করে সঙ্গে সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্স বা কাছের হাসপাতালে ফোন করুন এবং সব উপসর্গ জানান।
একজন হৃদরোগ চিকিৎসক জোর দিয়ে বলেন:
যদি এই বার্তাটি পড়া প্রতিটি ব্যক্তি অন্তত দশজনকে পাঠায়, তাহলে অন্তত একজনের জীবন বাঁচানো সম্ভব।
আমি আমার কর্তব্য পালন করেছি।
এবার আপনার পালা!
এটি ছড়িয়ে দিন!
"অন্যকে গোলাপ দিলে তার সৌরভ আপনার হাতেও থেকে যায়!"
"এই বার্তা ছড়িয়ে দিন, পুণ্যের সুবাস আপনার হৃদয়ে থেকে যাবে!"

24/07/2025

জুনায়েদ পলক.. তরুন বয়সে এমপি এরপর মন্ত্রী...

এখন জেলখানায়! চোখে পানি!
ছোট্ট খোপে বন্দি হতে হয়েছে এই মন্ত্রীর। সেখানে কথা বলার মত মানুষ নেই, মোবাইল নেই! দিন রাতের হিসাব নেই!
কত বছর থাকতে হবে তার ঠিক নেই! হয়তো বাবর সাহেবের মত বৃদ্ধ বয়সে.. তারপর দল থেকে বাতিলের খাতায়!

একটাই তো জীবন! কি নিদারুন অপচয়!

ক্ষমতায় থাকাকালীন কি ছিল না?
গাড়ি,বাড়ি,লোকজন, কর্মী, ক্ষমতা, টাকা -- এখন প্রিয় স্ত্রীও নেই৷

একটা চরম শিক্ষা! এখন যারা ক্ষমতায়, আগামীতে যারা,ক্ষমতায় আসবেন তাদের জন্য..
কত প্রভাবশালীরা এখন চুপসে গেছে। কেউ সালাম দেয় না, ভালমন্দ জিজ্ঞেস করে না। অথচ আগে কি সম্মান!!

এই পলক যাদের জন্য করেছে তারা গুষ্টিশুদ্ধ দেশ ছাড়া। তাদের একজন আত্মীয়ও গ্রেফতার নেই,আটক নেই।

এর আগে লূৎফুজ্জামান বাবর কে দেখেছিলাম! কি প্রভাব! স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী!
সে এখন কারামুক্ত হলেও দলের কোথাও নেই..চিকিৎসার জন্য এদেশ সেদেশ!

রাজনীতি বড়ই কুটিল খেলা!

Address

Dhaka

Telephone

+8801903000685

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Z Abdullah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Z Abdullah:

Share