11/08/2021
১
আমেরিকার সিটিব্যাংক এবং ট্রেভেলারস গ্রুপের মধ্যে মার্জার হবার পর সিটিব্যাংক নিজেদের রিব্রান্ডিং করার প্রয়াস নেয়। এরই একটা পদক্ষেপ হল ব্যাংকটির লোগোর পরিবর্তন। ১৯৯৮ সালের কথা। লোগো পরিবর্তন করতে তারা আমেরিকান গ্রাফিক্স ডিজাইনার পলা শেরকে হায়ার করলো। প্রতিষ্ঠানের গুরুত্ব বুঝে পলা লোগো ডিজাইন করতে ১.৫ মিলিয়ন ডলার চেয়ে বসলো।
সিটিব্যাংক, সিটিগ্রুপ এর সিটিব্যাংক। বিশাল আর্থিক প্রতিষ্ঠান, আর্থিক খাতে গ্লোবাল জায়ান্ট তারা। তাদের রিব্রান্ডিং যেন খুব ভালো ভাবে হয় এটা তাদের লক্ষ্য। এ জন্য তারা অনেক অর্থ খরচ করতেও রাজি। পলার অফারে রাজি হয়ে গেলো।
পলা শের সিটিব্যাংকের নেতৃত্বস্থানীয় এক্সিকিউটিভদের সাথে লোগোর ডিজাইন নিয়ে মিটিং এ বসলো। ব্যাংকটির টপ এক্সিকিউটিভরা পলাকে নির্দেশনা দিচ্ছিল লোগো সম্পর্কিত যে তারা কি চায়, কি বোঝাবে, কি আশা করছে, তাদের চ্যালেঞ্জ এসব। পলা তাদের কথা শুনছিল আর একটি নেপকিনের উপর কলম দিয়ে আঁকিবুঁকি করছিলো। পাঁচ মিনিটেরও কম সময় পর পলা সেই নেতৃত্বস্থানীয় এক্সিকিউটিভদের কাছে সেই নেপকিন এগিয়ে দিল এবং বলল, এই যে আপনাদের লোগো। তারা তো এটা দেখে একে অপরের সাথে চোখ চাওয়া চাওই করছে, মাত্র ৫ মিনিটে বানিয়ে দিয়েছে ১.৫ মিলিয়ন ডলারের লোগো!!!
অবশ্য সিটিব্যাংকের ম্যানেজমেন্টের কাছে লোগোটি অনেক পছন্দ হয়ে এবং এখন পর্যন্ত এই লোগোটিই আছে তাদের ব্যাংকের পরিচয় হিসেবে।
১.৫ মিলিয়ন ডলারের অনেক বেশি অর্থ খরচ করেও অনেক লোগো ডিজাইন করা হয়েছে এবং হচ্ছে এবং হবেও। বিবিসি ১৯৯৭ সালে তাদের নতুন লোগো ডিজাইনিং এ খরচ করে ১.৮ মিলিয়ন ডলার। এক্সেনচার তাদের লোগো ডিজাইনিং এ ১০০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে। ব্রিটিশ পেট্রোলিয়াম লোগো ডিজাইন এবং রিব্রান্ডিং এ ব্যয় করে ২০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি।
আবার কিছু শীর্ষ ব্র্যান্ড ও গ্লোবাল জায়ান্ট তাদের লোগো তেমন অর্থ ব্যয় না করেই পেয়ে গেছে। যেমন, নাইকির বিখ্যাত লোগো ডিজাইন করতে মাত্র ৩৫ ডলার দেয়া হয়েছিল। টুইটার তাদের লোগো বানাতে ১৫ ডলার খরচ করেছে। আবার কোকা কোলা, গুগল এবং মাইক্রোসফট তাদের লোগো ডিজাইনিং এ তেমন কোন অর্থই ব্যয় করেনি কারণ তারা তাদের প্রতিষ্ঠানের লোকজন দিয়ে তা ডিজাইন করায় অথবা ফাউন্ডার নিজেই লোগো ডিজাইনিং এর দায়িত্ব নিজ কাঁধে নেয়।
তবে একটি লোগো একটি ব্র্যান্ড এবং কোম্পানির জন্য কত গুরুত্বপূর্ণ? নাইকির ম্যানেজমেন্ট কে যদি বলা হয়, তারা বলবে অনেক, অন্নেক বেশি। এই কারণেই তারা ৩৫ ডলার দিয়ে তাদের লোগো বানালেও, পরে এর গুরুত্ব বুঝে সেই লোগো এর আর্টিস্ট ক্যারোলিন ডেভিডসন কে প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দিয়ে দেয়। যার মূল্য ২০১৪ সালে ছিল ৬ লক্ষ ডলার।
অবশ্য নাইকি, টুইটার, গুগল ইত্যাদি যখন তাদের লোগো তৈরি করে তখন সেসব প্রতিষ্ঠান ছোট ছিল। সিটিব্যাংক, বিবিসি, এক্সেনচার যখন তাদের পুরাতন লোগো পরিবর্তন করে নতুন লোগো আনে তখন তারা আগে থেকেই গ্লোবাল জায়ান্ট। এখন যদি নাইকি কিংবা গুগল তাদের লোগো পরিবর্তন করে, তারা এর পেছনে ১ বিলিওন ডলার খরচ করলেও অবাক হয়ার কিছু হবেনা!
বর্তমানে আমি দেখেছি, আমার জানা অনেক নতুন ব্যবসা টাকা দিয়ে অন্যের মাধ্যমে তাদের লোগো বানায় নয়ত পরিচিত কোন গ্রাফিক্স ডিজাইনার বা গ্রাফিক্স ডিজাইন পারে তাকে দিয়ে লোগো বানায়। তারা তাদের ব্যবসার লোগোকে অনেক গুরুত্ব দেয়। আমাদের দেশে অনেক গ্রাফিক্স ডিজাইনার আছেন যারা অনলাইনে লোগো বানিয়ে অর্থ উপার্জন করেন।
লোগো কেন গুরুত্বপূর্ণ? অনেকে ব্র্যান্ড বলতে লোগো বুঝে। তাদের দোষ দেয়া উচিৎ হবেনা কারণ লোগো বলতে গেলে একটি ব্র্যান্ডের সিম্বল, আইডেনটিটি, পরিচয়। আমরা অনেক সময় একটা ব্র্যান্ডকে চিনিই লোগো দ্বারা। এটি ব্র্যান্ড এবং প্রতিষ্ঠানের পরিচয় বহন করে। একটি প্রতিষ্ঠান তাদের গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টসেও লোগো ব্যবহার করে। এই যেমন পাবলিক কোম্পানি তাদের বার্ষিক রিপোর্ট এ লোগো ব্যবহার করে, চাইলে আপনি যেকোন বড় পাবলিক কোম্পানির বার্ষিক রিপোর্ট এর ফ্রন্ট পেজ কিংবা কভার দেখতে পারেন। তারা তাদের জব অফার লেটারেও লোগো ব্যবহার করে। লোগো হল ব্র্যান্ডের এমন একটি উপাদান যেটা একটি ব্র্যান্ড কে অন্যদের চেয়ে আলাদা করে উপস্থাপন করে। দেখবেন একটা ব্র্যান্ড অন্য ব্র্যান্ড এর পণ্য কিংবা বিজ্ঞাপন কপি করলেও লোগো কখনও কপি করে না। লোগো যতটা সম্ভব স্বতন্ত্র রাখার চেষ্টা করে। যকোন ব্র্যান্ডের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হল তার লোগো।
আপনারা বিশ্বের বড় বড় ব্র্যান্ড গুলার হেড কোয়ার্টারের ছবি দেখবেন। সেসব জায়গায় ঢোকার মুখে বা ভবনের সমানের দিকে বিশাল করে তাদের লোগো লাগানো থাকে বা এর ছাপ থাকে।
এখন কথা হল, লোগো লাগবে এবং তা থাকবে। এই কিছু ফন্ট এর এদিক অদিক করে দুই একটা শব্দ সাথে চাইলে কিছু ইমেজ এর ব্যবহার এগুলাতে কি খুব বেশি গুরুত্ব দেয়ার আছে? খুব বেশি টাকা কি খরচ করার দরকার আছে? সিটিব্যাংক এর কি দরকার পরছে ১.৫ মিলিয়ন ডলার খরচ করে এই সামান্য লোগো বানানর?
এর একটাই উত্তর যেটা দিয়ে পাবলিক আপনার ব্র্যান্ড কে চিনে, যেটা দিয়ে কোটি কোটি মানুষ আপনার ব্র্যান্ডকে চিনবে সেটাতে গুরুত্ব দেয়া হবেনা! লোগো তৈরিতেও গুরুত্ব দিতে হবে, এফরট দিতে হবে। এটা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ব্র্যান্ডগুলোর কোম্পানি খুব ভালো করেই জানে। এবং এটাকে যেই সেই ভাবে বানানো চলবে না। কারণ বহু মানুষ ব্র্যান্ডের কথা চিন্তা করলে তাদের মাথায় লোগোটাই আসবে।
২
কার্যকর লোগো বানানোর পেছনে আমাদের শ্রদ্ধেয় মার্কেটিং গুরুরাও গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশনা দিয়েছেন। এর পেছনে গবেষণাও হয়েছে।
তিনজন মার্কেটিং এর প্রফেসর জন্যাথন, মুকেশ এবং আম্মারা ২০১৯ সালে একটা রিসার্চ করেছেন ৫৯৭ টি লোগোর উপর। তাদের উদ্দেশ্য Descriptive এবং Non-descriptive লোগোর মধ্যে কোনটা বেশি কার্যকর। যারা জানেন না, Descriptive Logo সেই লোগো যেখানে কোম্পানি বা ব্র্যান্ড তাদের কাস্টমারদের কি ধরণের পণ্য বা সেবা অফার করছে তা সেই লোগোর মধ্যেই ভিজুয়ালি তুলে ধরা হয়। যেমন, বার্গার কিং এর লোগো Descriptive Logo, তারা বার্গার বিক্রি করে, লোগোর মধ্যেও বার্গারের ছবি আছে। আমাদের দেশের Agora এর লোগোও Descriptive Logo, একজন মহিলা শপিং ট্রলি নিয়ে হাটছে এটা দ্বারা বুঝায় আগোরা হল সুপারস্টোর। YouTube এর লোগো Descriptive Logo, সেখানে প্লে বাটন এর ছবি আছে।
আর Non-descriptive লোগো হল সেটাই যেই লোগোতে কোম্পানি কি অফার করছে বা কোম্পানির পণ্য বা সেবার কোন ইন্ডিকেশন থাকে না। যেমন ম্যাকডোনাল্ডস এর লোগো, সেখানে কোন ধরণের ইন্ডিকেশন দেয়া নেই যে তারা বার্গার কিংবা ফাস্ট ফুড আইটেম বিক্রি করে। Walmart এর লোগো Non-descriptive, যেহেতু বোঝানো হচ্ছে না তারা কি অফার করে সেই লোগোর মাধ্যমে।
গ্রামীণফোনের আগের লোগো ছিল Descriptive কারণ সেখানে ফোন এর ছবি আছে। গ্রামীনফোনের বর্তমান লোগো Non-descriptive।
তো সেই তিনজন অধ্যাপক Descriptive এবং Non-descriptive লোগোর কার্যকারিতা নিয়ে গবেষণা করেছেন। সেই গবেষণায় দেখা যায়, ভোক্তারা Descriptive Logo কে বেশি অনুকূল ভাবে গ্রহণ করে, এটি বেশি কার্যকর Non-descriptive লোগোর তুলনায়। সেখানে যেসব কারণে Descriptive Logo কে বেশি কার্যকর বলা হয়েছে, ভোক্তারা এই ধরণের লোগোর কারণে আরও সহজভাবে ব্র্যান্ডকে অনুধাবন করতে পারে এবং বুঝতে পারে ব্র্যান্ডের অফার, এটি ভোক্তার চোখে ব্র্যান্ডকে আরও বিশ্বাসযোগ্য করে তলে, ভোক্তা আরও অনুকূল ভাবে ব্র্যান্ডকে বিচার করে এবং ভোক্তার ক্রয় করার ইচ্ছাও আরও বেশি শক্তভাবে জাগ্রত হয়।
আমি মনে করি নতুন ব্র্যান্ডগুলোর জন্য বেশি ভালো হবে descriptive লোগোর ব্যবহার।
সমান লোগো নাকি অসমান লোগো? লিভারপুল বিশ্ববিদ্যালয়ের এলেক্সিস ডেভিড এবং ইউনিভার্সিটি অফ রমের আন্না পেচ্চিনেন্দা ২০১২ সালে একটা গবেষণা করে symmetrical এবং asymmetrical লোগোর কার্যকারিতা নিয়ে। Symmetrical লোগো হল সেই লোগো যেই লোগোর ডান এবং বাম দিকে একদম সমান, একই রকম যেমন- BMW এর লোগো, শেল কোম্পানির লোগো, স্টারবাক্সের লোগো, টেসলার লোগো, সনির লোগো, ম্যাকডনাল্ডসের লোগো ইত্যাদি ব্র্যান্ডের লোগো হল symmetrical যার দুই দিক সমান। ছোট বড় বা আঁকা বাকা নয়।
আবার asymmetrical লোগো হল সেই লোগো যার দুই দিক অসমান বা ছোট বড় বা আঁকা বাকা বা একই রকম না। যেমন, মাউন্টেইন ডিউ এর লোগো, ভার্জিনের লোগো, WWF এর এটিটিউড এরার সময়ের লোগো ইত্যাদি। পেপসির ২০০৮ সালের পূর্বের লোগো ছিল symmetrical, ২০০৮ সালে সেটি হয় asymmetrical. অধিকাংশ ব্র্যান্ডের লোগো হল symmetrical বা যার দুই দিক সমান।
তারা দুজন স্টাডি করে দেখেছেন যে ব্র্যান্ড ইকুইটির জন্য কোন ধরণের লোগো বেশি ফলদায়ক।
তারা একাধিক স্টাডি করে বের করেছেন যে যদি ব্র্যান্ডটির পারসোনালিটি exciting বা উত্তেজনাপূর্ণ হয় তবে ব্র্যান্ডটির ম্যানেজারের উচিৎ হবে asymmetrical লোগোর দিকে যাওয়া। Exciting ব্র্যান্ড তাদের ব্র্যান্ড পারসোনালিটির ক্ষেত্রে তারুণ্যময়, প্রফুল্ল, সাহসী, কুল, ট্রেন্ডি, স্বপ্নবাজ, এডভেঞ্চারাস এসব দিক কে হাইলাইট করে। মাউন্টেন ডিউ এর ব্র্যান্ড পারসোনালিটি এমন exciting , এর সাথে তাদের লোগোও গিয়েছে, তাদের লোগোও asymmetrical বা অসমান। একই জিনিস বলা যায় রিচারড ব্র্যান্সনের ভার্জিনের ক্ষেত্রেও।
আবার যেসব ব্র্যান্ডের পারসোনালিটি exciting না তাদের জন্য symmetrical লোগোই ঠিক আছে। যেমন, BMW, শেল, মার্সিডিজ ইত্যাদি।
ভোক্তারা আরামসে লোগোটিকে দেখতে পারছে কিনা এবং দূর থেকেও ঠিক মত পড়তে পারছে কিনা এর প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেছেন মার্কেটিং এর মহারথী আল রিজ। দূর থেকে ভালোভাবে দেখার জন্য তিনি লোগোকে আমাদের দুই চোখের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়ার কথা বলেছেন এবং লোগোর শেপকে অনুভূমিক বা horizontal করার পরামর্শ দিয়েছেন। রিজের মতে একটি লোগো শেপের, বিশেষ করে টেক্সট বক্সের যেখানে ব্র্যান্ডের নাম থাকে, সেটির চোখের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ রাখার জন্য আদর্শ দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত হতে হবে ২.২৫ঃ১। উনার মতে পারফেক্ট লোগো হল AVIS ও Hyatt এর লোগো।
অনেক ব্র্যান্ড আছে যারা তাদের লোগোকে এমনভাবে পরিবর্তন করেছে যাতে পরিবর্তিত লোগো আরও বেশি চোখের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়েছে। যেমন এক সময় Dominos পিজ্জা প্রতিষ্ঠানের লোগোর টেক্সট বক্স ছিল Vertical বা উল্লম্ব আকারের। পরে সেটিকে পরিবর্তন করে vertical থেকে ৪৫ ডিগ্রী ডান দিকে বাকিয়ে দেয়। এর পর আরও পরিবর্তন করে সেটিকে একদম Horizontal করে ফেলে এবং সেখানে থেকে Pizza শব্দটি উঠিয়ে দেয় যেহেতু তারা পিজ্জা বাদেও আরও পণ্য অফার করছিল।
আল রিজ এর মেয়ে আমেরিকান মার্কেটিং কনসাল্টেন্ট লোরা রিজ ব্র্যান্ডকে ভোক্তাদের মনে আরও শক্তভাবে গেথে দেয়ার জন্য লোগোর সাথে ভিজুয়াল যুক্ত করার কথা বলেছেন। তার মতে এটি হল ব্র্যান্ডের ভিজুয়াল হেমার। একটি পাওয়ারফুল ভিজুয়াল হেমার হল অ্যাপেলের কামর দিয়ে খাওয়া আপেল লোগো, রালফ লরেনের ভিজুয়াল হেমার হল সেই ঘোড়ায় চরা পোলো প্লেয়ার, নাইকির সুশ একটি পাউয়ারফুল ভিজুয়াল হেমার। ভিজুয়াল হেমার এর উপস্থিতি থাকলে টার্গেট গ্রুপ আরও সহজে ব্র্যান্ডকে চিনতে পারে এবং মনেও রাখতে পারে।
৩
একটি ব্র্যান্ডকে সফল করতে লোগোর যথেষ্ট ভূমিকা আছে আমি মনে করি। তবে সেই লোগো দেখতে যতই ভালো হক, যতই কার্যকর হক, সেটার কোন মূল্যই থাকবেনা যদি ব্র্যান্ডের অফার ভালো না হয় এবং তার প্রোমিজ ঠিক না থাকে।
আমরা নাইকির লোগোকে পছন্দ করি কারণ নাইকির জুতা ভালো। আমরা গুগল এর লোগোকে গুরুত্ব দেই কারণ গুগল আমাদের খুব সহজেই অনেক গুরুত্বপূর্ণ ওয়েবের কাছে নিয়ে যায়। অ্যাপেলের খাওয়া আপেল আমাদের মনে কোন ইমপ্যাক্টই সৃষ্টি করত না যদি না তাদের কম্পিউটার ডিভাইস পরে আইফন, আইপড ভালো না হত। সিটিব্যাংক এর লোগো কোন কাজেই আসতো না যদি তাদের ব্যাংকিং সেবা বিশ্বের অন্যতম সেরা না হত। বিবিসির লোগোর কোন মূল্যই থাকতো না যদি তারা ১০০ বছর ধরে নির্ভরযোগ্য সম্প্রচার সেবা বজায় না রাখতো। আমরা মাইক্রোসফটের লোগোকে পাত্তা দেই কারণ আমরা এমএস ওয়ার্ড ইউজ করি, এক্সেল ইউজ করি, উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ইউজ করি, সেই দাদার আমল থেকেই।
অতএব লোগোকে মূল্যবান হওয়ার জন্য ব্র্যান্ডকে আগে মানুষের কাছে মূল্যবান হতে হবে।
So if you need your company a unique branding design you can hire me for your project.
You can see the price here: https://www.fiverr.com/shahnajparvin77/create-creative-minimal-logo-design