ODBIA

ODBIA This is one of the best IT company situated in Bangladesh. Please, feel free to contact with us for any kind of problem you faced on internet.

We basically provide IT based service like websites, Graphics Designs, SEO services, Data entries etc.

ক্রিয়েটিভ ডিজাইন ব্যবসায় সফলতা অর্জনে একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হতে পারে, এর কিছু মৌলিক কারণ নিচে দেয়া হলো:একটি ক্রিয়েটি...
27/12/2023

ক্রিয়েটিভ ডিজাইন ব্যবসায় সফলতা অর্জনে একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হতে পারে, এর কিছু মৌলিক কারণ নিচে দেয়া হলো:

একটি ক্রিয়েটিভ ডিজাইন আপনার ব্যবসার আত্মপ্রচারণ এবং পণ্য বা পরিষেবার জন্য সম্মর্থন তৈরি করতে সাহায্য করতে পারে। এটি আপনার পণ্য এবং ব্র্যান্ডের মধ্যে একটি বৈশিষ্ট্যকর ও আত্মবিশেষতা তৈরি করতে সাহায্য করতে পারে, যা সাধারণভাবে গ্রাহকদের মনে অবস্থান করতে সাহায্য করে।

ক্রিয়েটিভ ডিজাইনের মাধ্যমে, আপনি আপনার ব্যবসার পণ্যগুলো ভিন্নতা এবং দৃষ্টিকোণের সাথে প্রদর্শন করতে পারেন। এটি কাস্টমারদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে সাহায্য হয় এবং তাদের মাঝে আপনার ব্র্যান্ড এবং পণ্যের উপর বিশ্বস্ততা আনতে সাহায্য করতে পারে।

একটি ক্রিয়েটিভ ডিজাইন ব্যবসার পণ্য বা পরিষেবার প্রচারে একটি প্রভাবশালী সমাধান হতে পারে, যা গ্রাহকদের মনোনিবেশ করতে সাহায্য করে এবং এটির মাধ্যমে গ্রাহকদের মধ্যে আপনার ব্র্যান্ডের মৌলিক বৈশিষ্ট্য পরিচিতি তৈরি করতে সাহায্য করতে পারে।

ক্রিয়েটিভ ডিজাইন মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন এবং ওয়েবসাইটের অভিজ্ঞানকে সহজভাবে ব্যক্তিগত এবং মনোরম করতে সাহায্য করতে পারে।

সুতরাং, একটি ক্রিয়েটিভ ডিজাইন ব্যবসার অভিজ্ঞানে ভিন্নতা এবং ব্যবসার প্রদর্শনে সাহায্য করতে পারে যা এনে দিতে পারে আপনার ব্যবসায় সফলতা।

26/12/2023
কি ভাবছেন? অনলাইনে ব্যবসা করবেন কিন্তু সাহস পাচ্ছেন না? উন্নত কনটেন্ট আর সঠিক মার্কেটিং করতে পারলে আপনিও হতে পারেন একজন ...
10/12/2023

কি ভাবছেন? অনলাইনে ব্যবসা করবেন কিন্তু সাহস পাচ্ছেন না? উন্নত কনটেন্ট আর সঠিক মার্কেটিং করতে পারলে আপনিও হতে পারেন একজন সফল ব্যবসায়ী।

ব্যাবসা আপনার খরচটাও  আপানার,সিদ্ধান্ত নিন ভেবে চিন্তে,আপানার মূল্যবান টাকা সঠিক জায়গায় ব্যয় করছেন তো?স্বল্প খরচে ডিজাইন...
07/12/2023

ব্যাবসা আপনার খরচটাও আপানার,
সিদ্ধান্ত নিন ভেবে চিন্তে,
আপানার মূল্যবান টাকা সঠিক জায়গায় ব্যয় করছেন তো?

স্বল্প খরচে ডিজাইন করলে প্রোডাক্ট ভিজিবল হয় না, যার কারণে কাস্টমার আকর্ষিত হয় না । ফলে আপনার ব্যাবসা উন্নতি হয় না ।
অন্যদিকে মানসম্মত ডিজাইন হলে প্রোডাক্ট ভিজিবল হয়, যার কারণে কাস্টমার আকর্ষিত হয় এবং ব্রান্ড ভ্যালু বৃদ্ধি পায়।

সঠিক জায়গায় বিনিয়োগ করে আপনার ব্যাবসায় উন্নতি করুন।

আপনিও মনে মনে একজন উদ্যোক্তা। আপনার লুকিয়ে লুকিয়ে উদ্যোক্তা হওয়ার গল্প চাইলে আমাদের সাথে শেয়ার করতে পারেন। মনে রাখবেন, আ...
02/12/2023

আপনিও মনে মনে একজন উদ্যোক্তা। আপনার লুকিয়ে লুকিয়ে উদ্যোক্তা হওয়ার গল্প চাইলে আমাদের সাথে শেয়ার করতে পারেন। মনে রাখবেন, আপনাকে কেউ দমিয়ে রাখতে পারবেনা যদি আপনি একজন সফল উদ্যোক্তা হতে চান।

বিশ্বের অনলাইন মার্কেটিং এর সর্বাধিক বড় মাধ্যম হচ্ছে ফেসবুক। যেকোনো বিজনেসের অনলাইন মার্কেটিং এর অধিকাংশেরই অন্যতম প্রধ...
30/11/2023

বিশ্বের অনলাইন মার্কেটিং এর সর্বাধিক বড় মাধ্যম হচ্ছে ফেসবুক। যেকোনো বিজনেসের অনলাইন মার্কেটিং এর অধিকাংশেরই অন্যতম প্রধান মার্কেটিং প্লাটফর্ম হলো ফেসবুক। আর ফেসবুক মার্কেটিং বলতেই সবেচেয়ে বেশী যে নামটি মাথায়া সে সেটি হলো পেইড এডস, যা বুস্টিং নামে পরিচিত। ফেসবুকে বিজনেসের জন্য খোয়লা পেজে আমরা সাধারণত বিজনেস রিলেটেড কনটেন্ট অর্থাৎ ছবি বা ভিডিও দিয়ে থাকি। আর সেগুলোর নিচেই আমরা Boost লিখাটি দেখতে পাই।

এই পোস্টের নিচে থাকা বুস্ট বাটনে ক্লিক করেই আমরা পেইড এডস দিয়ে থাকি। নির্দিষ্ট টার্গেট সিলেক্ট করে নির্দিষ্ট দিনের জন্য এড দিয়ে সহজেই আমরা ওই কনটেন্টগুলো কাস্টমারদের কাছে পৌঁছে দিতে পারি।
যখনই আমরা পেইজের কোনো কনটেন্টে বুস্ট করি, ফেসবুক সিলেক্টেড কাস্টমারদের স্পন্সরড কনটেন্ট হিসেবে দেখায়।

উদাহরনঃ
মনে করেন, আপনার একটি দোকান আছে যার নাম রূপালি কোথিং। আপনি রুপালি ক্লোথইং নামে ফেসবুকে একটি পেইজ খুললেন। সেখানে প্রোফাইল পিকচার, কভার ফটো দিয়ে প্রোফাইল সম্পন্ন করলেন। এখন আপনি আপনার আপলোড করা ছবি, ভিডিওতে লাইক কমেন্ট বাড়াতে চাচ্ছেন, আপনার ফেসবুক পেইজে লাইক ফলোয়ার বাড়াতে চাচ্ছেন। আপনি চাচ্ছেন অনেক মানুষ আপনার বিজনেস সম্পর্কে জানুক। সেটা আপনি খুব সহজেই বুস্টিং এর মাধ্যমে করতে পারবেন। আপনি পেইজে লাইক বাড়াতে চাইলে আপনি পেইজে লাইক ক্যাম্পেইন চালাতে পারেন যা পেইজ প্রমোট নামেও পরিচিত। আপনি আপনার কাপড়ের ছবি অনেক বেশী মানুষের কাছে পৌছাতে চাইলে পোষ্ট এংগেজমেন্ট এড দিতে পারেন। সরাসরি বুস্ট বাটনে ক্লিক করে এড ম্যানেজার থেকে আপনি এডস দিতে পারবেন।
যেমন ধরুন, আমি ১৫ ডলারে ২ দিনের জন্য মিরপুর এলাকার ২০-২৫ বছরের মানুষদের এড দেখাতে চাচ্ছেন। এছাড়াও অনেক টার্গেট ডিটেইলিং করে ফেসবুকে আপনি আপনার প্রোডাক্টে আগ্রহী মানুষদের এডস দেখাতে পারবেন। সহজ ভাষায়, আপনি ফেসবুককে ঠিকভাবে বুঝালে ফেসবুক আপনার বিজনেস সুন্দর ভাবেই প্রচার করে দিবে। এর চেয়ে কম খরচে এত ইফেক্টিভ মার্কেটিং অন্য কোনো প্লাটফর্ম আপনাকে দিতে পারবেনা (আউট বাউন্ড মার্কেটিং এ)।

ফেসবুকে এডস দিতে বা বুস্ট করতে কি কি লাগেঃ
বাংলাদেশ থেকে বুস্ট করতে হলে আপনার সবার প্রথমেই একটা ডুয়াল কারেন্সি কার্ড লাগবে। আর এই কার্ডের সহজলভ্যতাকে কাজে লাগিয়েই প্নেক বুস্টিং সার্ভিস দেয়া এজেন্সি বা কোম্পানি গড়ে উঠেছে। ডুয়াল কারেন্সি হাতে পেয়ে ডিজিটাল মার্কেটার বনে যাওয়া সেসকল ব্যাক্তিরা এদেশে যে বুস্টিং কালচার গড়ে তুলেছে তা ডিজিটাল মার্কেটিং এর একটি হতাশাজনক বিষয়। মজার বিষয় হলো, আপনার একটি ডুয়াল কারেন্সি কার্ড থাকলে আপনি নিজেও খুব সহজে বুস্ট করতে পারবেন যদি না আপনি খুব প্রোফেশনালি বিষয়টাকে চিন্তা করেন।
বাংলাদেশের কয়েকটি ব্যাংক ডুয়াল কারেন্সি কারড প্রোভাইড করে থাকে, যেমনঃ ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড, মিডল্যান্ড ব্যাংক, সিটি ব্যাঙ্ক সহ আরোও কিছু ব্যাংক। আপনার একটি প্রিপেইড কার্ড থাকলেই আপনি এসব ব্যাংক থেকে প্রিপেইড কার্ড নিয়ে ডলার ব্যবহার করতে পারবেন। এসব কার্ড সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাইলে ব্যাংকগুলোর কল সেন্টারে কল দিয়ে জেনে নিতে পারবেন।

বুস্টের আগে যে জিনিষগুলো না জানলেই নয়ঃ
ফেসবুক বুস্টিং তো খুব সহজেই করা যায়, কিন্তু না জেনে শুধু বুস্ট করলেই তো হবে না। এতে করে আপনার পেইজ বা এড একাউন্ট রেস্ট্রিক্টেড হয়ে যেতে পারে। যার কারনে আপনি পরবর্তিতে আপনি আর ওই একাউন্ট থেকে বুস্ট বা এডস দিতে পারবেন না। এডস দেয়ার ক্ষেত্রে ফেসবুকের কিছু নীতিমালা রয়েছে। যা আপনাকে মেনে চলতে হবে। এবং কিছু Suspicious বা Unusual Activity পরিহার করতে হবে।
ফেসবুকে রেস্ট্রিকশোন ৪টি লেভেলে হয়ঃ
১। এডস একাউন্ট লেভেলে
২। আইডী লেভেলে
৩। বিজনেস ম্যানেজার লেভেলে
৪। পেইজ লেভেলে

ফেসবুকে Ads Policy and Community Standards সম্পর্কে বিস্তারিত বলা আছে। আপনি সেখান থেকে বিস্তারিত জেনে নিতে পারেন। তার আগে বাংলাদেশের অনলাইন বিজনেসগুলোর কিছু কমন মিস্টেক এর কথা বলবো যার কারনে একাউন্টস গুলো রেস্ট্রিক্ট হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি বেড়ে যায়।

১। গ্লোবাল এসেট বা কনটেন্ট ব্যবহার করা
২। ইমেজ ভায়োলেন্স বা অতিরিক্ত বডি পার্টস দেখানো
৩। ডিসক্রিপশনে কমিউনিটি ভায়োলেন্স
৪। এমন লিঙ্ক শেয়ার করা যা পেইজে অথেনটিক নয়
৫। এমন কোনো আইডি বা একাউন্ট পেইজে রাখা যা আগেও রেস্ট্রিকটেড হয়েছিলো
৬। পারসোনাল একাউন্ট থেকে ভুলভাল তথ্য শেয়ার করা
৭। কুপন ব্যবহার করে এড দেয়া
৮। ভ্যালিড নয় এরকম পেমেন্ট মেথড এড করা

বুস্টিং আর সেলস টার্গেট, দু'টোই কিন্তু আলাদা জিনিষ। শুধুমাত্র বুস্টিং করেই মনমতো সেলস এর আশা করাটা বোকামি। কিভাবে আপনি আ...
28/11/2023

বুস্টিং আর সেলস টার্গেট, দু'টোই কিন্তু আলাদা জিনিষ। শুধুমাত্র বুস্টিং করেই মনমতো সেলস এর আশা করাটা বোকামি। কিভাবে আপনি আপনার সেলস টার্গেট মিট করতে পারবেন তা নিয়ে বিস্তারিত জানাতে আমরা আছি আপনার পাশে।
যেকোনো ধরণের ফ্রি কনসাল্টেন্সির জন্য যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে।

ডিজিটাল মার্কেটিং দুটো শব্দ মিলে একটি অর্থ বুঝায়, ডিজিটাল কথার অর্থ হলো অনলাইন বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রোডাক্ট বা সার্...
27/11/2023

ডিজিটাল মার্কেটিং দুটো শব্দ মিলে একটি অর্থ বুঝায়, ডিজিটাল কথার অর্থ হলো অনলাইন বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রোডাক্ট বা সার্ভিসেস স্পর্শ না করে পছন্দ করা এবং ক্রয় করা বা বিক্রয় করা।

আর মার্কেটিং এর অর্থ তো আপনারা সবাই জানেন ? কোনো একটা প্রোডাক্ট বা সার্ভিসেস এর প্রচার করাকে মার্কেটিং বলে ।
তবে ডিজিটাল মার্কেটিং কে সহজ করে বলতে গেলে ইন্টারনেটের মাধ্যমে যে বিজ্ঞাপন বা প্রচার করা হয় সেটাকেই ডিজিটাল মার্কেটিং বলে।

আগের সময়ে ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে প্রচার অনেক কম হতো কারণ আগে ইন্টারনেটের সুবিধা অনেক কম ও ব্যয়বহুল ছিল। তাই ব্যবসায়ীকে প্রোডাক্ট প্রচারে অনেক টাকা খরচ করতে হতো এবং লাভ ও অনেক কম হতো।

আপনি দেখবেন আজকে সময়ে বেশির ভাগ মানুষই ইন্টারনেট এবং সোসিয়াল মিডিয়া তে দিন রাত এক্টিভ থাকেন আর ভবিষ্যতে তা আরও বাড়বে, তাই সোসিয়াল মিডিয়া আর ইন্টারনেট একটি সেরা মাধ্যম হয়ে গেছে মার্কেটিং এর জন্য।
তাই আজকাল বেশির ভাগ কোম্পানি অফলাইন থেকে অনলাইন বিজনেস কে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন ।

ডিজিটাল মার্কেটিং অনেক ধরণের হয়ে থাকে কিন্তু মেইনলি ৫ ধরন নিয়ে আমরা নিচে আলোচনা করবোঃ

১) ইমেইল মার্কেটিং
ইমেইল মার্কেটিং কি? ইমেইল মার্কেটিং হলো একটি সেরা ও এফেকটিভ ডিজিটাল মার্কেটিং প্লাটফর্ম , কারণ বন্ধুগন আপনরা লক্ষ করেছেন কি? আজকাল সবারই একটি ইমেইল থাকে যেটা অফিসিয়াল কাজে হউক অথবা পার্সোনাল ব্যবহারের জন্য, অন্য সোসিয়াল মিডিয়াতে অনেকের ফেক অ্যাকাউন্ট থাকে ,কিন্তু ইমেইল মানুষের সঠিক থাকে ।
আপনার ফোন নম্বর ও ইমেইল আইডি সব অনলাইন কাজে ব্যবহার হয়। কারণ ফোন নম্বর বা ইমেইল ঠিকানা আপনার সাথে যোগাযোগ এর একটা সঠিক মাধ্যম হিসাবে চিহ্নিত।

ইমেইল মার্কেটিং করতে হলে আপনি প্রথমে ইমেইল আইডি কালেকশন করতে পারেন ইমেইল subscription এর মাধ্যমে বা আজকাল অনেক অনলাইন কোম্পানি ইন্টারনেট এ অনেক ইমেইল আইডি sale করে, তাদের সাথে যোগাযোগ করে ইমেইল লিস্ট তৈরি করতে পারেন এবং ইমেইল মার্কেটিং এর মাধ্যমে আপনার প্রোডাক্ট বিক্রি করতে পারেন।

২) কনটেন্ট মার্কেটিং
কনটেন্ট মার্কেটিং হলো এমন একটি মার্কেটিং যা আপনি কোনো প্রোডাক্ট বা পণ্যের গুন, সুবিধা ,প্রকার ইত্যাদি বর্ণনা করে ছবি বা ভিডিও বা বানার এর মাধ্যমে প্রচার করাকে কনটেন্ট মার্কেটিং বলে।
কনটেন্ট মার্কেটিং সাধারণত ব্লগ, বা ভিডিও এর মাধ্যমে করা হয় ।

৩) সোসিয়াল মিডিয়া মার্কেটিং
সোসিয়াল মিডিয়া মার্কেটিং মানে কি? আমরা ইন্টারনেট এর মাধ্যমে যে গুলো সোসিয়াল কানেকশন করি তাকে সোসিয়াল মিডিয়া মার্কেটিং বলে। ডিজিটাল মার্কেটিং বলতে গেলে সোসিয়াল মিডিয়া একটি গুরুত্ব পূর্ণ ভূমিকা পালন করে যেমন ফেসবুক,ইনস্টাগ্রাম , LinkedIn , Twitter ইত্যাদি কারণ আজকের সময়ে সোসিয়াল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট কার নেই, বেশির ভাগ মানুষেরই সোসিয়াল মিডিয়া তে একাউন্ট আছে আর অনলাইন এক্টিভ থাকেন।

সোসিয়াল মিডিয়া মার্কেটিং করতে হলে আপনাকে প্রথম সোসিয়াল মিডিয়া তে কমিউনিটি বিল্ড করতে হবে । ফেসবুক এক্টিভ গ্রুপ বা পেজ বানিয়ে রেগুলারলি ভালো ভালো পোস্ট পাবলিশ করতে হবে যাহাতে আপনার এক্টিভ মেম্বার নুতন নুতন ভালো প্রোডাক্ট এর জন্য অপেক্ষায় থাকেন।

এটা কথা সত্যি এভাবে এক্টিভ কমিউনিটি বিল্ড করতে আপনার একটু সময় লাগবে কিন্তু এক্টিভ কাস্টমার বানানোর পর মার্কেটিং ও ইনকামের অভাব হবে না।

৪) এফিলিয়েট মার্কেটিং
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এমন একটি মার্কেটিং যা আপনি আপনার ডিজিটাল মার্কেটিং স্কিল দিয়ে কোনো কোম্পানির প্রোডাক্ট কমিশনের বিত্তিতে প্রমোট করে বিক্রি করে উপার্জন করাকে এফিলিয়েট মার্কেটিং বলে । আপনি আফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে লক্ষ্য লক্ষ্য টাকা উপার্জন করতে পারবেন তাও একটাকা ও খরচ না করে।

কিন্তু এফিলিয়েট মার্কেটিং করে টাকা উপার্জন করত হলে আপনাকে ধর্য রাখতে হবে। একদিনেই আপনি লক্ষ্য লক্ষ্য টাকা উপার্জন করতে পারবেন না।


৫) সার্চ ইঞ্জিন অপটমাইজেশন
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের কে SEO বলা হয়। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কথার অর্থ হলো যখন আপনি সার্চ ইঞ্জিন যেমন গুগল, বিং , ইয়াহু এর মত কোনো সার্চ ইঞ্জিন এ সার্চ করেন তখন সার্চ ইঞ্জিন আপনাকে যে সব উত্তর দেখাবে ওই সার্চ রেজাল্ট এর মধ্যে আপনার ব্লগ বা আর্টিকেল কে সার্চ ইঞ্জিন এর প্রথম পেজ এ নিয়ে আসাকে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের বলে ।

আপনি যদি কোন একটি বিজনেস করেন ওয়েব সাইট বা ব্লগ এর মাধ্যমে তখন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন ছাড়া সফল হতে পারবেন না । সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এমন একটি প্রসেস যা বিজনেস কে এগিয়ে নিতে পারে।

ডিজিটাল মার্কেটিং এর গুরুত্ব এবং কেন প্রয়োজনঃ
আপনি কি জানেন বিশ্বে অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার কারীর সংখ্যা কত? এখন বিশ্বে অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার কারীর সংখ্যা প্রায় ৩.৪ বিলিয়নের ও উপরে । আর এর সংখ্যা দিন দিন দ্রুত গতিতে বাড়তে চলেছে ।
আর যত অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ইউজার বাড়ছে তত ডিজিটাল মার্কেটিং এর স্কোপ ও বাড়ছে ।

স্মার্ট ফোনের কথা তো বুঝলাম এখন হলো ডিজিটাল মার্কেটিং এর একটি গুরুত্ব পূর্ণ মাধ্যম সোসিয়াল মিডিয়া ।
বন্ধুগন আপনি কি জানেন বিশ্বে সোসিয়াল মিডিয়া ইউজার কত জন? বিশ্বে প্রায় ৩.৬ বিলিয়ন এর উপরে সোসিয়াল মিডিয়া ইউজার আছেন । তাই ভাবুণ ভবিষ্যতে ডিজিটাল মার্কেটিং এর গুরুত্ব বা প্রয়োজনীয়তা কত বেশি।

আপনি কি জানেন বিশ্বে প্রায় ৫৫% মানুষ সোসিয়াল মিডিয়া বিজ্ঞাপন ফলো করে পণ্য ক্রয় করেন । বিশ্বে প্রায় ৮৩% ক্রেতা গুগল সার্চ করে ই কমার্স সাইট যেমন ফ্লিপকার্ট,আমাজন,Snapdeal ইত্যাদি সাইট এ এসে পণ্য ক্রয় করেন। একটি ধারণার মতে বিশ্বে প্রায় ৫১ শতাংশ মানুষ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অনলাইনে পণ্য ক্রয় করে।

তাই এখনের সময়ে ডিজিটাল মার্কেটিং ছাড়া বিজনেসকে সাফল্য করার চিন্তা অনেক কঠিন। তাই এখন সময় হলো ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে ভাবার। আপনার প্রোডাক্টকে আরো সাফল্য ও পর্যাপ্ত বিক্রি বৃদ্ধি করতে ডিজিটাল মার্কেটিং এর প্রয়োজন।

ব্লগে বা ইউটিউব চ্যানেলে গুগল এডসেন্স ব্যবহার করে ঘরে বসেই লাখ টাকা কামাচ্ছে এমন লোকের সংখ্যা কিন্তু কম নয়। কিন্তু কিভাব...
16/05/2022

ব্লগে বা ইউটিউব চ্যানেলে গুগল এডসেন্স ব্যবহার করে ঘরে বসেই লাখ টাকা কামাচ্ছে এমন লোকের সংখ্যা কিন্তু কম নয়। কিন্তু কিভাবে এটা সম্ভব ? আর গুগল এডসেন্সই বা কি? কিভাবে এর মাধ্যমে অর্থ আয় করা যায়? আর এডসেন্স কিভাবে ব্যবহার করতে হয় ?

এসব প্রশ্নের উত্তর নিয়ে সাজানো হয়েছে আজকের এই লিখাটি।

গুগল এডসেন্স কি ?
শুরুতেই আসুন জেনে নিই গুগল এডসেন্স কি ?

গুগল এডসেন্স হলো সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট গুগলের বিজ্ঞাপন সংক্রান্ত একটি সার্ভিস। এই সার্ভিসের মাধ্যমে ব্লগারদের ব্লগে বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের সুবিধা করে দেয় এবং বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের জন্য ব্লগারদের অর্থ প্রদান করে থাকে। ব্লগ থেকে অর্থ উপার্জনের এটাই সবচেয়ে বড় এবং বহুল প্রচলিত মাধ্যম। ব্লগ ছাড়াও এডসেন্সের বিজ্ঞাপন ইউটিউব চ্যানেলেও প্রদর্শন করা যায়।

এখন আপনারা জিজ্ঞাসা করতেই পারেন বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের জন্য গুগল কেনো টাকা দেয় বা কিভাবে দেয়? বিজ্ঞাপনের জন্য টাকা দিলে গুগলের কি লাভ হয়?

হয়তো আপনারা অনেকেই জেনে থাকবেন, গুগল এডওয়ার্ড নামক গুগলের একটি সার্ভিস আছে। এই সুবিধা ব্যবহার করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা ওয়েবসাইট তাদের বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য গুগলকে নির্দিষ্ট পরিমান টাকা দিয়ে থাকে। পরবর্তিতে এডসেন্স সার্ভিস ব্যবহার করে ব্লগারদের ব্লগে বা ইউটিউব চ্যানেলে সেই বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে গুগল।

মনে রাখুন,
সোজা কথায়, গুগল এডসেন্স হচ্ছে বিজ্ঞাপনদাতা এবং বিজ্ঞাপন প্রচারকদের মধ্যে মধ্যমব্যক্তি হিসেবে কাজ করে। এখন আসি গুগলের লাভের ব্যাপারে। বিজ্ঞাপনের জন্য বিজ্ঞাপনদাতারা যে পরিমাণ খরচ করে তার ৬৮% ব্লগার বা ইউটিউবারদের দেয় এবং বাকি ৩২% গুগল রেখে দেয়।

আশা করি গুগল এডসেন্স সম্পর্কে আপনাদের সাধারণ ধারণা এখন কিছুটা হলেও বুঝে উঠা হয়েছে।

গুগল এডসেন্স মাসে কি পরিমাণ টাকা দেয় ?
এই প্রশ্নের আসলে নির্দিষ্ট কোন উত্তর নেই। আপনি যত বেশি মানুষকে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করাতে পারবেন গুগল আপনাকে ততো বেশি টাকা দেবে। এটাই হচ্ছে প্রাথমিক এবং মূল ব্যাপার।

আপনার ব্লগে যদি প্রতিদিন হাজার হাজার ভিজিটর আসে তাহলে আপনি যে টাকা পাবেন কয়েকশো ভিজিটর হলে তো আর সেই পরিমাণ টাকা পাবেন না। কারণ বিজ্ঞাপন প্রদর্শন কম হবে, ফলে আয়ও কম হবে।

আবার ইউটিউবের ক্ষেত্রেও বিষয়টা একই রকম। যতো বেশি ভিউ ততো বেশি বিজ্ঞাপন প্রদর্শন এবং সেই হারে এডসেন্স থেকে আয়।

কিভাবে বুঝবেন আপনার সাইট/চ্যানেল এডসেন্স উপযোগী কি না ?
নতুন ব্লগার এবং ইউটিউবারদের সবচেয়ে বেশি করা প্রশ্ন হলো, কিভাবে বুঝবো আমার সাইট/চ্যানেল এডসেন্স উপযোগী ?

এই প্রশ্নের উত্তর আমাকে দুই ধাপে দিতে হবে। প্রথমে বলছি –

ব্লগ/ওয়েবসাইট,
অনেকেই হয়তো ভাবেন যে, ওয়েবসাইটের ডিজাইন সুন্দর এবং আকর্ষণীয় হলেও মনে হয় গুগল এডসেন্স এপ্রুভ করে দেয়। ব্যাপারটা আসলে মোটেও এরকম না। গুগল এডসেন্স আপনার সাইটের বা ব্লগের ডিজাইন দেখে না। দেখে কন্টেন্ট। কারণ ভিজিটররা তো আপনার ব্লগে বা সাইটে এসে ডিজাইন দেখবে না, দেখবে কন্টেন্ট। সুতরাং কন্টেন্টের মান যত ভালো হবে এডসেন্স এপ্রুভ হওয়ার সম্ভাবনা ততো বেশি।

এডসেন্স এপ্রুভ হওয়ার কিছু টিপস নতুনদের জন্য দিচ্ছি.....

See more from here:

Tech TSBD is a forward-looking company focused on solving problems and providing solutions to companies based on digital platforms...

Address

Road 1, Mirpur 13
Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ODBIA posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to ODBIA:

Share