Al Quran Larning

Al Quran Larning all mamun softw pager is a page of information computer software and Android app development.

30/03/2023
07/07/2016

ﺑﺴﻢ ﺍﻟﻠﻪ ﺍﻟﺮﺣﻤﻦ ﺍﻟﺮﺣﻴﻢ .

ﺍﻟﺴﻼﻡ ﻋﻠﻴﻜﻢ ﻭﺭﺣﻤﺔ ﺍﻟﻠﻪ ﻭﺑﺮﻛﺎﺗﻪ

_ _ _ _
| *_*_*_)
| *|___
| *_*_) i D
| *|_____
|_*_*_*_) MUBARAK
I wish This Eid Will bring happiness for you & your family.

may Allah blese us.

02/08/2015

ﺑﺴﻢ ﺍﻟﻠﻪ ﺍﻟﺮﺣﻤﻦ ﺍﻟﺮﺣﻴﻢ .

ﺍﻟﺴﻼﻡ ﻋﻠﻴﻜﻢ

how r u
u Sears all station in my friends in
happens.whene we said or happy

ﺫَﻫَﺐَ
ﺍﻟﻈَّﻤَﺄُ ﻭَﺍﺑْﺘَﻠَّﺖِ ﺍﻟﻌُﺮُﻭﻕُ، ﻭَﺛَﺒَﺖ َ ﺍﻟْﺄَﺟْﺮُ ﺇِﻥْ ﺷَﺎﺀَ ﺍﻟﻠَّﻪ

18/07/2015

মহানবী(সা) একদিন একটি
গাছের তলায়
ঘুমিয়েছিলেন। এই সুযোগে দাসুর
নামের একজন
শত্রু তাঁর পাশে এসে দাঁড়াল।
শোরগোল করে
সে মহানবী (সা) কে ঘুম থেকে
জাগাল।
মহানবীর(সা) ঘুম ভাঙলে চোখ
খুলে দেখলেন,
একটা উন্মুক্ত তরবারি তাঁর উপর
উদ্যত। ভয়ানক শত্রু
দাসুর চিৎকার করে উঠলো, ‘এখন
আপনাকে কে
রক্ষা করবে?’ মহানবী(সা) ধীর
শান্ত কণ্ঠে
বললেন, ‘আল্লাহ।’ শত্রু দাসুর
মহানবীর(সা) এই
শান্ত গম্ভীর কণ্ঠের আল্লাহ
শব্দে কেঁপে
উঠল। তার কম্পমান হাত থেকে
খসে পড়ল তরবারি।
মহানবী(সা) তার তরবারি তুলে
নিয়ে বললেন, 'এখন
তোমাকে কে রক্ষা করবে,
দাসুর? সে উত্তর
দিল কেই নেই রক্ষা করার।’
মহানবী(সা) বললেন,
‘না, তোমাকেও আল্লাহই রক্ষা
করবেন।’ এই বলে
মহানবী(সা) তাঁকে তার
তরবারি ফেরত দিলেন এবং
চলে যেতে বললেন। বিস্মিত
দাসুর তরবারি হাতে
চলে যেতে গিয়েও পারল না।
ফিরে এসে
মহানবীর হাতে হাত রেখে পাঠ
করলঃ ‘লা- ইলাহ
ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর
রাসুলুল্লাহ।’
এটা আল্লহর তরফ থেকে স্পষ্ট সাহায্য এটাকে নিয়ে মুসলমানদের বাড়াবাড়ি করা উচিত নয়। আপনেরা কি জানে এক নবীকে শুধু একটা অপরাধের কারনে সেই নবি আল্লাহর কাছে সাহায্য চেয়ে চেয়েছিলেন গাছের কাছে।
আল্লাহ তাকে সর্তর্ক করেছেন যে যদি উহ শব্দ করে তবে তাকে নবির তালিকা থেকে বের করে দিয়া হবে।

16/07/2015

ঈদের দিনের ১৩টি সুন্নত ।
১.শরীয়তের সীমার ভিতরে থেকে
সাধ্যানুযায়ী সজ্জিত হওয়া।
২.মেসওয়াক করা।
৩.গোসল করা।
৪.সামর্থ্য অনুযায়ী উত্তম পোশাক
পরিধান করা।
৫.খোশবু (আতর) ব্যবহার করা।
৬.অতি প্রত্যুষে ঘুম থেকে উঠা।
৭.ফজরের নামাযের পর অতি শীঘ্রই
ঈদগাহে উপস্থিত হওয়া।
৮.ঈদুল ফিতরের দিনে ঈদগাহে
যাওয়ার পূর্বে খোরমা বা অন্য
কোন মিষ্ট দ্রব্য খাওয়া। (ঈদ
আযহার দিনে নামাযের পূর্বে কিছু
না
খাওয়া মোস্তাহাব)
৯.ঈদুল ফেতরে ঈদগাহে যাওয়ার
পূর্বেই সদকায়ে ফিতর আদায় করে
দেয়া।
(ঈদুল আযহায় সাদকায়ে ফিতর নাই,
বরং নেছাবধারী ব্যক্তিদের উপর এই
দিনে কুরবানী করা ওয়াজিব)
১০.কোন ওযর অসুবিধা না থাকলে
ঈদের নামায মসজিদে না পড়ে
ময়দানে (ঈদগাহে) পড়া।
ওযর অসুবিধা বলতে-
অনবরত বৃষ্টি থাকা, অসুস্থতার দরুন
দূরের ময়দানে যেতে না পারা
ইত্যাদিকে বুঝায়।
১১.ঈদগাহে এক পথে যাওয়া এবং
অন্য পথে ফিরে আসা।
১২.ঈদগাহে হেঁটে যাওয়া।
১৩.ঈদগাহের পথে- ঈদুল ফিতরে
অনুচ্চসরে (এবং ঈদুল আযহায়
উচ্চস্বরে) এই তাকবীর পড়তে
পড়তে যাওয়াঃ
আল্লাহু আকবার, আল্লাহু
আকবার, লা'ইলাহা ইল্লাল্লাহু
ওয়াল্লাহু আকবার,আল্লাহু আকবার
ওয়ালিল্লাহিল হামদ।

16/07/2015

advance Eid Mubarak.

10/07/2015

এন্টিবায়োটিক সাধারনত ব্যাক্টেরিয়া মারে, বা
ব্যাক্টেরিয়ার বংশবিস্তার কমায়। তবে ব্যাক্টেরিয়ার
একটা অসাধারন গুন আছে আর সেটা হচ্ছে
এন্টিবায়োটিক দিয়ে যদি তাকে না মারতে পারেন
তাহলে সে নিজেকে এন্টিবায়োটিকের
রেজিস্টেন্স করে ফেলে। আর একবার
রেজিস্টেন্স করে ফেলতে পারলে তার যত
বংশধর আছে সেগুলোকে সেই এন্টিবায়োটিক
দিয়ে মারা যাবেনা। আরো উন্নততর এন্টিবায়োটিক
ইউজ করতে হবে।
ধরুন আগে আপনি সিম্পল পেনিসিলিন খাইলেই
আপনার অশুখ ভালো হয়ে যেতো কিন্তু এখন
আপনাকে সেফরাডিন খাইতে হয়। কেনো?
কারন হচ্ছে ব্যাক্টেরিয়া প্রথমে পেনিসিলিন খাইলে
মারা যাইতো কিন্তু কেউ না কেউ পেনিসিলিন এর ঠিক
ঠাক মত ডোজ কমপ্লিট করেনাই। তখন সেই
ব্যাক্টেরিয়া সেই পেনিসিলিনের উপর
রেজিস্টেন্স হয়ে গেছিলো। এর পর সেই
ব্যাক্টেরিয়া তার মাধ্যমে পুরো শহরে ছড়িয়ে
গেছে। এর পর অন্য কেউ সেইম ব্যাক্টেরিয়া
দ্বারা আক্রান্ত হইলেও সে আর পেনিসিলিন দিয়ে
ট্রিটমেণ্ট নিলেও তার রোগ সারবেনা।
এই কারনে আজকাল নতুন নতুন এন্টিবায়োটিক
আবিস্কার হচ্ছে। আগে যেখানে ৩ টাকা দামের
এন্টিবায়োটিকে আপনার কাজ হতো এখন ৫৫ টাকা
দামের এন্টিবায়োটিকেও কাজ হয় না।
তাহলে বিজ্ঞানীরা কতদিন এই নতুন থেকে নতুন
এন্টিবায়োটিক আবিস্কার করবে?
উত্তর হচ্ছে অতি শিগ্রই এমন দিন আসছে যে,
নতুন আর এন্টিবায়োটিক আবিস্কার হবেনা। কারন
ব্যাক্টেরিয়া মারার যে সকল রুট আছে যেমন সেল
ওয়ার ডেস্ট্রয়, DNA/RNA রেপ্লিকেশন বন্ধ সহ
যে সকল ওয়ে আছে সব গুলোই মোটামুটি
এপ্লাই হয়ে গেছে। আর হয়তো নেক্সট ১০০
বছরে খুবই কম এন্টিবায়োটিক আবিস্কার হবে। আর
আপনারা জানেন একটা ড্রাগ আবিস্কার করতে নরমালি
৫ বিলিওন ডলার খরচ হয় আর সেটির সেফটি চেক
করে মার্কেটে আস্তে আস্তে ১০ থেকে ২৫
বছর পর্যন্ত চলে যায়। মানে নেক্সট ১০০ বছরে
আরো ৪ থেকে ৫ টা আন্টিবায়োটিক আবিস্কার
হওয়ার সম্ভাবনা আছে আর এই বিগ এমাউন্টের
ইনভেস্টমেন্ট খুবই কম কোম্পানি করে।
মেডিকেলের একটা ইম্পোটেন্ট টার্ম হচ্ছে
ইফেক্টিভ কন্সান্ট্রেশন। আপনি ওষুধ খেলেই
সেই ওষুধ সাথে সাথে কাজ করবেনা। সেই ওষুধ
আপনার বডিটে একটা নির্দিষ্ট ঘনত্বে পৌঁছালেই
সেটি কাজ করবে। ধরে নিন , কোন
এন্টিবায়োটিকের দিনে দুইটা করে ডোজ আছে
এর অর্থ সকালে একটা রাতে একটা না। এর অর্থ ১২
ঘন্টা পর পর খাইতে হবে। অনেক ডাক্তার বলে
এলার্ম দিয়ে খাইতে। এর কারন বলছি। ধরুন আপনি
সকাল ৮টায় একটা এন্টিবায়োটিক খেলেন, দিনে
আপনার দুইটা খাইতে হবে মানে ঠিক রাত ৮ টায় সেই
ওষুধ এর ইফেক্টিভ কন্সান্টেশন হারাবে। এখন
আপনি যদি ৮:০০ টায় আরেকটি খেয়ে ফেলেন
তাহলে আবার ইফেক্টিভ কন্সান্টেশনে চলে
যাবে। ব্যাক্টেরিয়া গুলো মারার গতি সেইম হবে।
কিন্তু আপনি যদি রাত ৯ টায় খান , তাহলে ১ ঘন্টা আপনার
রক্ত এন্টিবায়োটিক বাদে থাকবে। তখন আপনার বডি
তে যে সকল ব্যাক্টেরিয়া ছিলো তারা নিজেকে
চেঞ্জ করে নিবে এবং রেজিস্টেন্স করে
নিবে। এতে আপনার বডিতে সেই এন্টিবায়োটিক
আর ঠিক ঠাক মত কাজ করবেনা। আর এই ব্যাক্টেরিয়া
দ্বারা কোন ব্যাক্তি আক্রান্ত হলে ঐ ব্যাক্তি যদি
এখন সেইম এন্টিবায়োটিক খায় যেটি আপনি
খেয়েছেন তাহলে তার সেই এন্টিবায়োটিক
দিয়ে কাজ হবেনা। কারন সেটি অলরেডী
রেজিস্ট্রেন্স গ্রো করে ফেলেছে ।
এখন পরের কথা আসি। আপনি সকাল ৮ টায়
এন্টিবায়োটিক এর একটি ডোজ খাইলেন। তাহলে
নেক্সট টা আবার রাত ৮টায় খাইতে হবে তা না
খেয়ে আপনি হয়তো সন্ধা ৬ টায় খাইলেন। পুরান
ডোজের টা রাত ৮টা পর্যন্ত ইফেক্ট থাকবে
নতুনটা দিয়ে ওভার ডোজ হয়ে গেলো। এতে
আপনার শরীরে ড্রাগ টক্সিক কন্সান্ট্রেশনে
চলে যেতে পারে। সকল ওষুধ নির্দিষ্ট ডোজে
খাইলে সমস্যা নাই কিন্তু ওভার ডোজ খাইলে
সেটাকে টক্সিক ডোজ বলে। এতে আপনার
শরীরে টক্সিসিটী শো করতে পারে মানে
বিষক্রিয়া। যেই এন্টিবায়োটিকে আপনি ব্যাক্টেরিয়া
মারতে চাচ্ছেন, সেটা দিয়ে নিজেই মরবেন না
কিন্তু...!
অনেকের আবার ৭ দিনের ডোজ দিলে ৪ দিন খায়
এর পরে অসুখ ভালো হয়ে যায় আর খায়না। এইটা
আরো মারাত্তক। কারন ৪ দিনে ধরেন আপনার ৭০%
ব্যাক্টেরিয়া মারা গেছে আপনি সুস্থ ফিল
করতেছেন এর অর্থ এই না যে আপনি ১০০%
সুস্থ। যদিও বাইরে থেকে মনে হয় আপনি ১০০%
সুস্থ আসলে তা নয়। সো, আপনার অশুখ ভালো
হয়ে গেলেও আপনাকে ডোজ শেষ করতেই
হবে।
দয়া করে নিজের শরীরে একটা ব্যাক্টেরিয়াকে
রেজিস্টেন্স করবেন না , নিজের ও অপরের
ক্ষতি করবেন না। এন্টিবায়োটিক সম্পর্কে নিজে
সতর্ক হোন, অপরকে সতর্ক করুন।

08/07/2015

সামনেই আসছে মহিমান্নিত রজনি
হ্যা আমি বলছি লাইলাতুল কদরের কথা:-
সুরা কদরে এর কথা বলা হয়েছে।
হাদিসে এর সম্পকে বলা হয়েছে
রমজানের শেষ ১০দিনের মধ্যে এই
রাতকে খুজতে হবে।
আরেক জায়গায় বলা হয়েছে রমজানের
শেষ১০দিনের বিজড় রাত্রিতে তালাস
কর এই রজনি।
এই রাত্রিতে ইবাদতে অনেক বেশি
সওয়াব পাওয়া যায়।
এই রাত্রি মুসলমানদের জন্য একটি
গুরুত্তপুর্ন রাত্রি।
আল্লহ আমাদের সবাইকে এই রাত্রিতে
ইবাদতের ক্ষমা পাওয়ার ও বরকত
হাসিলের তৈফিক দেন। আমাকে এবং
আমার বংশ্বধরকে পাপহতে উদ্ধার করেন
এবং সালাত আদাই কারির অন্তভুক্ত
করেন।নিশ্চয় আল্লাহ স্রেষ্ট প্রার্থনা
কবুল কারী।(আমিন)

Address

Dhaka
1000

Telephone

+8801646770020

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al Quran Larning posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share