Trend Magnet BD

Trend Magnet BD Explore Trending Now....
"Scroll কম, জানুন বেশি"

২৪ ঘন্টার মধ্যে ১৮-২০ ঘন্টাই কারেন্ট থাকেনা।গরমে ঘেমে জাইঙ্গা ভিজা যায় তারপরও চুপ থাকি কারণ আমি বিএনপি করি!তেল সংকটের কা...
27/04/2026

২৪ ঘন্টার মধ্যে ১৮-২০ ঘন্টাই কারেন্ট থাকেনা।গরমে ঘেমে জাইঙ্গা ভিজা যায় তারপরও চুপ থাকি কারণ আমি বিএনপি করি!
তেল সংকটের কারণে ২ মাস ধরে বাইক চালাইতে পারিনা।বাইকে সমস্যা দেখা দিতেছে তারপরও কিছু বলিনা কারণ আমি বিএনপি করি!

১৫০০ টাকার গ্যাস সিলিন্ডার ২৫০০ টাকা দিয়ে কিনি তারপরও কোনো প্রতিবাদ করিনা কারণ আমি বিএনপি করি!
দেশে হাজার হাজার সমস্যা আছে এগুলা কোনো সমস্যাই না প্রধান সমস্যা হইলো জামায়াত -এনসিপি কারণ আমি বিএনপি করি!

লিডার ১৭ বছর হিজরত করে দেশে এসে বললো আমি সুপ্ত বাকি সব গুপ্ত।লিডার যা বলবে তাই ঠিক কারণ আমি বিএনপি করি!

আমি গর্বিত, আমি বিএনপি করি!

17/04/2026

চেক ফার্স্ট কমেন্ট :-
16/04/2026

চেক ফার্স্ট কমেন্ট :-

14/04/2026

“জনগণ না বুঝে ভোট দিয়েছে”—এই যুক্তিটা কতটা সৎ?আজকাল একটা কথা খুব শোনা যাচ্ছে—👉 “গণভোটের প্রশ্ন স্পষ্ট না, তাই মানুষ না ব...
13/04/2026

“জনগণ না বুঝে ভোট দিয়েছে”—এই যুক্তিটা কতটা সৎ?
আজকাল একটা কথা খুব শোনা যাচ্ছে—
👉 “গণভোটের প্রশ্ন স্পষ্ট না, তাই মানুষ না বুঝেই ভোট দিয়েছে”

চলুন, একটু ইতিহাসে যাই। 👇

📌 ১৯৭৭ সালের প্রথম গণভোট
প্রশ্ন ছিল:
👉 “রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও তার নীতির প্রতি আপনার আস্থা আছে কি?”
প্রশ্ন:
➡️ এই “নীতি” কয়টা ছিল?
➡️ জনগণ কি সেই নীতিগুলো জানতো?

📌 ১৯৮৫ সালের গণভোট (এরশাদ আমল)
👉 “এরশাদের নীতি সমর্থন করেন?”
➡️ “নীতি” মানে কী?
➡️ কতগুলো?
➡️ সাধারণ মানুষ কি জানতো?

📌 ১৯৯১ সালের গণভোট
👉 “সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী বিলে সম্মতি আছে?”
➡️ ওই বিলে কী ছিল?
➡️ একজন সাধারণ মানুষ কি পুরো বিল পড়ে বুঝে ভোট দিয়েছে?

🔥 এখন আসেন ২০২৬ এ…
এইবার প্রশ্নগুলো কী ছিল?
✔️ তত্ত্বাবধায়ক সরকার—হ্যাঁ/না
✔️ দ্বিকক্ষ সংসদ—হ্যাঁ/না
✔️ আনুপাতিক উচ্চকক্ষ—হ্যাঁ/না
✔️ নারী প্রতিনিধিত্ব, বিরোধী দলের ভূমিকা—হ্যাঁ/না
👉 মানে সরাসরি, ভাগ করা, বোঝার মতো প্রশ্ন।
🤔 তাহলে সমস্যা কোথায়?
যে দেশে—
👉 “নীতি” না জেনেও মানুষ ভোট দেয়,
👉 “বিল” না পড়েও ভোট দেয়,
সেই দেশে আজ হঠাৎ করে বলা হচ্ছে—
❗ “মানুষ না বুঝে ভোট দিয়েছে”

⚡ একটু কঠিন প্রশ্ন করি?
তাহলে কি বলা যায়—
👉 মানুষ রাজনৈতিক দলের ৩০-৩১ দফা না বুঝেই ভোট দিয়েছে ?
যদি "না" বলেন—
তাহলে গণভোটে কেন এই যুক্তি?

বাস্তবতা কী?
বাংলাদেশে গণভোট কখনোই “ডিটেইল পড়ার পরীক্ষা” ছিল না।
এটা সবসময় ছিল—
👉 আস্থা বনাম অনাস্থা
👉 সমর্থন বনাম বিরোধিতা
🎯 শেষ কথা
ইতিহাস ভুলে গিয়ে যুক্তি দিলে সেটা আর যুক্তি থাকে না,
👉 সেটা হয়ে যায় সুবিধাবাদ।

বৈশ্বিক সংকটে পাঁচ করণীয়২৮ মার্চ, ২০২৬, বিকাল ০৫:৪৩শায়খ আহমাদুল্লাহআধিপত্য বিস্তার ও রক্ষার যুদ্ধে আজ অসহায় বিশ্বের সাধা...
13/04/2026

বৈশ্বিক সংকটে পাঁচ করণীয়
২৮ মার্চ, ২০২৬, বিকাল ০৫:৪৩
শায়খ আহমাদুল্লাহ
আধিপত্য বিস্তার ও রক্ষার যুদ্ধে আজ অসহায় বিশ্বের সাধারণ মানুষ। মানবতা, মানবাধিকার ও সভ্যতার মুখোশধারী বিশ্বনেতৃত্বের আস্ফালন ও শক্তিমত্তার মহড়ায় নিদারুণভাবে বিপন্ন মানবতা ও বিশ্ব অর্থনীতি।
এই কঠিন সময়ে একজন মুসলিম হিসেবে আমাদের ভারসাম্যপূর্ণ ও বাস্তবসম্মত বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। পৃথিবীর বর্তমান পরিস্থিতিতে যখন সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়েছে তখন একজন মুসলিম হিসেবে হা-হুতাশ না করে এবং আতঙ্কগ্রস্ত না হয়ে কয়েকটি পরিকল্পিত ও ইমানি পদক্ষেপ গ্রহণ আমাদের সম্ভাব্য সংকট নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
এক. মিতব্যয়ী হওয়া ও অপচয় বর্জন করা : ইসলাম আমাদের সব সময় মিতব্যয়ী হতে নির্দেশ করে। মহান আল্লাহ তাঁর প্রিয় বান্দাদের গুণ-বৈশিষ্ট্যের বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, ‘আর তারা যখন ব্যয় করে, তখন অপচয় করে না এবং কার্পণ্যও করে না; বরং তাদের পন্থা হয় এ দুইয়ের মধ্যবর্তী (ভারসাম্যপূর্ণ) (সুরা ফুরকান)।’ দুঃখজনক বিষয় হলো, সাধারণ অবস্থায় আমরা মিতব্যয়ী হওয়ার কথা ভুলে যাই এবং সামর্থ্য আছে বলে খেয়ালখুশিমতো ব্যয় করি। সংকটকালে অনেকে ঠিকই মিতব্যয়ী হওয়ার গুরুত্ব অনুধাবন করি। আবার অনেকে এই কঠিন সময়েও ব্যয়-ব্যবহারে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিই না। অথচ সংকটের সময়ে টিকে থাকার প্রধান হাতিয়ার হলো মিতব্যয়িতা। ইসলাম অপচয়কে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করেছে। কোরআন মাজিদে মহান আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই অপচয়কারীরা শয়তানের ভাই। (সুরা বনি ইসরাঈল)।’ সুতরাং বর্তমান যুদ্ধাবস্থা তো বটেই; এমনকি সাধারণ পরিস্থিতিতেও আমাদের জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ব্যবহারে মিতব্যয়ী হতে হবে। সুসময়ে যে যতটুকু অপচয় ও অপরিমিত ব্যয় করে, কঠিন সময়ে দেখা যায় তাকে ততটুকু ভুক্তভোগী হতে হয়। তবে মিতব্যয়িতা মানে কৃপণতা নয়, বরং সম্পদের সঠিক ও পরিমিত ব্যবহার। নবী করিম (সা.) খুবই সামান্য পানি দিয়ে অজু ও গোসল সারতেন। সমুদ্রে অজু করলেও তিনি অতিরিক্ত পানি ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন।
দুই. ভোগ্যপণ্য মজুতদারি থেকে বিরত থাকা : সংকটের কথা শুনলে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে বাজারে হুমড়ি খেয়ে পড়েন এবং মাসের পর মাস খাদ্য মজুত করেন। এর ফলে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হয় এবং দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যায়। রসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘অপরাধী ছাড়া কেউ মজুতদারি করে না (মুসলিম)।’ সামাজিকভাবে এটি একটি স্বার্থপর আচরণ। যখন আপনি অতিরিক্ত মজুত করছেন, তখন অন্য একটি পরিবার হয়তো অভুক্ত থাকছে। তাই নিজের প্রয়োজনের অতিরিক্ত মজুত না করে সবার জন্য বাজারের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা ইমানি ও মানবিক দায়িত্ব।
তিন. আতঙ্কিত না হয়ে আল্লাহর ওপর ভরসা করা : ভয় ও আতঙ্ক মানুষের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাকে বাধাগ্রস্ত করে। সংকট আসতেই পারে, কিন্তু মুমিন হিসেবে আমাদের বিশ্বাস রাখতে হবে যে রিজিকের মালিক আল্লাহ। আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর ওপর ভরসা করে, তার জন্য তিনিই যথেষ্ট। (সুরা তালাক)।’ আতঙ্ক মানুষকে ভুল পথে পরিচালিত করে, যা মানসিক চাপ ও সামাজিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। ধৈর্য ও সাহসের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করাই হলো প্রকৃত সফলতা। আল্লাহর প্রতি ভরসা আমাদের মনোবল বাড়িয়ে দেয়, মানসিক শক্তি জোগায়-যা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে অনেক বড় পাথেয়র ভূমিকা রাখে।
চার. পতিত জমি আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধি করা : খাদ্যসংকট মোকাবিলায় উৎপাদন বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই। নবী করিম (সা.) কৃষিকাজে উৎসাহিত করে বলেছেন, ‘যদি কোনো মুসলমান কোনো চারা রোপণ করে অথবা শস্য বপন করে এবং তা থেকে কোনো মানুষ বা পশুপাখি ভক্ষণ করে, তবে তা তার জন্য সদকা হিসেবে গণ্য হবে। (সহিহ বুখারি)।’ দেশের প্রতিটি ছোটবড় খালি জায়গায় সবজি বা ফলমূল চাষ করলে তা জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তায় বড় অবদান রাখে। এটি কেবল অর্থনৈতিক সমাধান নয়, বরং এটি একটি ইবাদতও বটে। বাড়ির আঙিনা বা ছাদ কাজে লাগিয়ে আমরা নিজেদের প্রয়োজনীয় পুষ্টির চাহিদা মেটাতে পারি।
পাঁচ. ইস্তেগফার ও দোয়া করা : সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো বিপদ দূর হওয়ার জন্য ইস্তেগফার এবং আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করা। সংকট কেবল বস্তুগত কারণে আসে না, অনেক সময় তা আমাদের পরীক্ষার জন্যও আসে। তাই বেশি বেশি তওবা ও ইস্তেগফার করা প্রয়োজন। পবিত্র কোরআনে বর্ণিত হয়েছে, ‘তোমরা তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর, তিনি তোমাদের ওপর প্রচুর বৃষ্টি বর্ষণ করবেন এবং তোমাদের ধনসম্পদ ও সন্তানসন্ততি দ্বারা সমৃদ্ধ করবেন। (সুরা নুহ)।’ মহান আল্লাহ আমাদের সব প্রতিকূল পরিস্থিতিতে তাঁর রহমতের চাদরে ঢেকে রাখুন। সংকটময় পরিস্থিতি উত্তরণের পথ বাতলে দিন। অত্যাচারীদের অত্যাচার মোকাবিলার সামর্থ্য দিন।

যুক্তরাজ্যের গ্লুচেস্টারশায়ারের রয়্যাল এয়ার ফোর্সের ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটি থেকে অস্ত্রসজ্জিত একটি মার্কিন বি-৫২ বোমারু বিমান উ...
07/04/2026

যুক্তরাজ্যের গ্লুচেস্টারশায়ারের রয়্যাল এয়ার ফোর্সের ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটি থেকে অস্ত্রসজ্জিত একটি মার্কিন বি-৫২ বোমারু বিমান উড্ডয়ন করছে। ছবি: রয়টার্স



02/04/2026

মোটরসাইকেলে তেল পেতে লাগবে ফুয়েল পাস
কিন্তু শুধু মোটরসাইকেলই কেনো?
শুরুটা শুধুমাত্র মোটরসাইকেলকে দিয়েই কেনো?
বৈষম্য সবসময় শুধু মোটরসাইকেলের সাথেই কেনো?

সমীক্ষা বলছে দেশে যে পরিমাণ অকটেন/পেট্রোল ব্যবহৃত হয় তার সামান্য একটা অংশ মোটরসাইকেল চালকেরা কেনেন। এরপরেও ফুয়েল দেওয়ার ক্ষেত্রেও সকল শর্ত বিধি নিষেধ মোটরসাইকেলের উপরেই। সেডান কার পাবে ১০০০ আর মোটর সাইকেল ২০০/৩০০। আমি আমার এলাকার পাম্পের কথাই বলি। গতকাল খুব সম্ভবত ২৪০০ লিটার অক্টেন বিক্রি করেছে তারা। একটা বোর্ডে দেখেছি এরকম কিছু লিখে রেখেছে, ভুল হতে পারে। প্রতিটা সেডান কারে তেল পাচ্ছে ১০০০ টাকার অর্থাৎ ৮.৩৩ লিটার। তার বিপরীতে মোটরসাইকেল পাচ্ছে ৩০০ টাকার অর্থাৎ ২.৫ লিটার। ধরে নিলাম ২৪০০ লিটার অক্টেন বিক্রি করেছে ওই পাম্প। আমি নেওয়ার সর্বোচ্চ পাঁচ মিনিট পরেই বন্ধ করে দেয় স্টক ফুরিয়ে যাওয়াতে। সেই সময়েও বাইক, কার লাইনে দাঁড়িয়ে। এই ২৪০০ লিটারের সিংহভাগ নিয়ে গেছে চার চাকায়। একটা কারে তেল দিতে যে সময় লাগে একই সময়ে দুইটা মোটরসাইকেলে তেল দিতে পারে। এর সাথে জেনারেটরের জন্যে টোকেন ফুয়েল তো আছেই।

যে সকল দোষে মোটরসাইকেলকে দোষারোপ করা যায় সমান দোষগুলো অন্যান্য গাড়ীর ক্ষেত্রেও আছে। বরং বেশি আছে, যেমন ধরেন গাড়ীর চোরা মোবিল বাজারে পাওয়া যায় কিন্তু মোটরসাইকেলের বেলায় এই দোষ নাই। এরপরেও দেখা যায় এক্সপ্রেসওয়ে, টানেলে মোটরসাইকেল নিষিদ্ধ। অথচ ওইসব রাস্তায় বেপোরোয়া গতিতে গাড়ী চালানোর প্রচুর ভিডিও প্রমাণ আছে। এমনকি বিগত সরকারের আমলে ২০২২ সালে হাস্যকর সিদ্ধান্তও এসেছিলো ঈদের ছুটিতে মহাসড়কে বাইক চলবে না। কতটা বৈষম্যমূলক আচরণ হয় শুধু মোটরসাইকেলের সাথে ভাবা যায়?

দেশের সবচেয়ে কাগজবিহীন গাড়ীর ক্ষেত্র হচ্ছে বাস, ট্রাক। অথচ এগুলার বিরুদ্ধে শুধু মুখেই অভিযানের কথা বলে খালাস। দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতাটুকুও কারো নেই। প্রশাসন তো আরো অধিকতর নতজানু বাংলার টেসলা খ্যাত অটোরিক্সা বা ব্যাটারীর রিক্সার কাছে।

আইন যদি প্রয়োগ করতে হয় তাহলে সকলের উপর সমান আইন প্রয়োগ করুন। নিয়ম যদি ট্রায়ালও দিতে হয় তাও সকল ক্ষেত্রে চালু করুন। আর না হয় ফুয়েল ওপেন করে দিতে হবে যাদের উপর ট্রায়াল চালাবেন। একই সাথে ট্রায়াল চালাবেন আবার রেস্ট্রিকশনও রাখবেন সবটা তো হতে পারে না কোন এক গোষ্ঠীর উপরে।

আইন সবার জন্যে সমান হোক।

Collected post.

নেতানিয়াহুর মারা যাওয়ার খবর দাবি করেছে ইরানের প্রধান সংবাদ মাধ্যম গুলো।
10/03/2026

নেতানিয়াহুর মারা যাওয়ার খবর দাবি করেছে ইরানের প্রধান সংবাদ মাধ্যম গুলো।

Address

Dhaka

Telephone

8801911816950

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Trend Magnet BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share