29/08/2025
এই ছেলেটি মাত্র ১৯ বছর বয়সে প্রমাণ করেছে, ব্যর্থতা মানেই হেরে যাওয়া নয়। একসাথে ১৬টি নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি আবেদন করেছিলেন, কিন্তু সব গুলোই তাকে রিজেক্ট করেছে। এমআইটি, স্ট্যানফোর্ড, ক্যালটেক, কার্নেগি মেলনসহ অনেক বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সুযোগ দেয়নি। অথচ তার রেকর্ড অসাধারণ
৪.৪২ জিপিএ, SAT এ ১৫৯০ স্কোর, আন্তর্জাতিক কোডিং প্রতিযোগিতায় সাফল্য, হাইস্কুলে নিজের স্টার্টআপও শুরু করেছিলেন।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাকে রিজেক্ট করলেও, গুগল সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। এমন এক পদে, যেখানে সাধারণত পিএইচডি ডিগ্রিধারীরাই কাজ পান। এটি প্রমাণ করে ডিগ্রির চেয়ে বড় হলো দক্ষতা, মেধা আর পরিশ্রম। যারা বাংলাদেশে কম্পিউটার সায়েন্স পড়ছেন বা পড়তে যাচ্ছেন, তাদের জন্য এটি বড় অনুপ্রেরণা। ব্যর্থতাকে শক্তি বানিয়ে আন্তর্জাতিক লেভেলের চ্যালেঞ্জের জন্য নিজেকে তৈরি করতে হবে।
আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা ও ইন্টার্নশিপের সুযোগ গুলো কাজে লাগানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বমানের প্রতিযোগিতার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ICPC, Google Code Jam, Kick Start, Hash Code, Facebook Hacker Cup, Kaggle Competitions, Microsoft Imagine Cup, Codeforces, LeetCode, এবং AtCoder। এই কনটেস্টগুলোতে অংশগ্রহণ করলে শুধু দক্ষতা বাড়ে না, বরং আন্তর্জাতিক মানের চ্যালেঞ্জের সাথে নিজেকে মাপার সুযোগও পাওয়া যায়।
এছাড়া, আন্তর্জাতিক ইন্টার্নশিপের সুযোগগুলোও ক্যারিয়ারের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো Google Summer of Code, Google STEP Internship, Microsoft Internship Program, Meta Facebook University Internship, Amazon SDE Internship, পাশাপাশি গবেষণামূলক ইন্টার্নশিপ যেমন ETH Zurich, CERN, Max Planck। এই ধরনের ইন্টার্নশিপে কাজ করলে শুধু বাস্তব অভিজ্ঞতা হয় না, বরং ভবিষ্যতে উচ্চমানের প্রতিষ্ঠানে চাকরির সুযোগও বেড়ে যায়।