Computer Tips

Computer Tips Computer Sulution everythings

কম্পিউটারের সাধারণ কিছু সমস্যা ও তার সমাধান সমস্যা ধরন কারণ সমাধান ডেস্কটপ কম্পিউটারকম্পিউটার চালু হচ্ছে না হার্ডওয়ার ১....
21/01/2024

কম্পিউটারের সাধারণ কিছু সমস্যা ও তার সমাধান
সমস্যা ধরন কারণ সমাধান
ডেস্কটপ কম্পিউটার
কম্পিউটার চালু হচ্ছে না হার্ডওয়ার ১. পাওয়ার সাপ্লাইয়ে সমস্যা
২. পাওয়ার বাটনের সমস্যা
৩. র্যামের সমস্যা
৪. প্রসেসরের সমস্যা ১. পাওয়ার সাপ্লাই ঠিক আছে কিনা এবং প্রয়োজনীয় সব ক্যাবল লাগানো আছে কিনা চেক করুন।
২. কেসিং এর পাওয়ার বাটন চেক করুন।
৩. ইন্টারনাল স্পীকার একের অধিক বীপ আওয়াজ ক্রমাগত করলে বুঝতে হবে র্যামের সমস্যা। র্যাম বদলাতে হবে।
৪. প্রসেসর ঠিকমতো বসানো আছে কিনা এবং কুলিং ফ্যান চেক করুন।

20/01/2024

Ctr + B = Bolt লেখা কালো মোটা করতে চাইলৈ।
Ctr+ I লেখা বাকা করতে চাইলে
Ctrl+ S কোন কিছু সেইভ করার জন্য
Ctr + P লেখা প্রিন্ট করার জন্য

বিঃদ্যঃ অনেক দিন পর তাই অল্প করে দিলাম। ইনশাহআল্লাহ এখন থেকে রেগুলার দেয়ার চেষ্টা করব।

20/01/2024

আবার ফিরে আসলাম আপনাদের মাঝে। এখন থেকে কম্পিউটার হার্ডওয়্যার সংক্রান্ত বাংলা সমাধান পোষ্ট করা হবে। ইনশাহআল্লাহ।

10/09/2013

সমস্যা-১ : Del বা F2 বা F1 চেপে বায়োসে ঢুকতে পারছি না কিংবা বায়োসের পাসওয়ার্ড ভূলে গেছি।

কারন : কখনও কখনও ভাইরাসের কারনে বায়োস ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

সমধান : এটি খুবই বড় একটি লেকচার যা আমার এই লেখায় পাবেন বায়োস পাসওয়ার্ড।



সমস্যা-২ : বায়োস সেভ হচ্ছে না।

কারন :

১. বায়োস জাম্পার ডিসাবল থাকতে পারে।

২. ব্যাটারির চার্জ শেষ হয়ে গেছে।

সমাধান :

১. বায়োস জাম্পার ঠিক আছে কিনা দেখে নিন। ঠিক না থাকলে সেটি এ্যানাবল করে নিন।

২. ব্যাটারির চার্জ শেষ হয়ে গেলে ব্যাটারি পাল্টে নিন।



সমস্যা-৩ : বায়োস হার্ডডিস্ক পাচ্ছে না কিংবা অপারেটিং সিস্টেম না পাবার বার্তা দেখাচ্ছে।

কারন :

১. হার্ডডিস্কে অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করা আছে সেটি নিশ্চিত থাকলে এই সমস্যা হতে পারে ডেটা ক্যাবল ও পাওয়ার ক্যাবলের যথাযথ সংযোগের অভাবে।

২. বায়োসের CMOS Standard Features এ হার্ডডিস্কটি None করা থাকতে পারে।

৩. CIH ভাইরাসের আক্রমনে বায়োসে হার্ডডিস্ক ডিটেক্ট করতে পারছে না।

সমাধান :

১. হার্ডডিস্কের ডেটা ক্যাবল এবং পাওয়ার ক্যাবল খুলে পুনরায় সঠিকভাবে লাগিয়ে নিন।

২. বায়োসের CMOS Standard Features এ হার্ডডিস্কটি None করা থাকলে তা পরিবর্তন করে IDE বা Auto নির্ধারন করে দিন।

৩. ভাইরাসের দ্বারা আক্রান্ত হলে বুটআপ ডিস্ক দিয়ে কম্পিউটার চালু করে ভাইরাস স্কান করুন।



সমস্যা-৪ : বায়োস সেটআপে পূর্ণাঙ্গ অপশন পাওয়া যাচ্ছে না।

কারন : বায়োসের ডিফল্ট সেটিংসটি কোন কারনে কাজ করছে না।

সমাধান : কম্পিউটারের কেসিং খুলে মাদারবোর্ডের সাথে যে ব্যাটারি রয়েছে সেটি খুলে ফেলুন। এর পর আধা ঘন্টা পরে আবার ব্যাটারিটি যথাস্থানে লাগিয়ে দিন। এতে বায়োসের ডিফল্ট সেটিংস কাজ করবে।



সমস্যা-৫ : এরর মেসেজ : CKSUM ERR (Checksum error)

কারন : কম্পিউটার বুট করার সময় Post (Power On self test) করার সময় BIOS থেকে ইনফরমেশন পড়ে নিয়ে এসময় BIOS থেকে কোন ডাটা পড়তে না পারলে এ জাতীয় Checksum এরর মেসেজ দেখায়।

সমাধান : বায়োস চিপটি ভাল করে পরীক্ষা করা উচিৎ। এটি যে আইসি বেস এর মধ্যে লাগানো থাকে সেখানে ময়লা জমতে পারে অথবা এর পিনগুলো ঠিকমতো নাও লাগানো থাকতে পারে। প্রয়োজনে বায়োস চিপটি পরিবর্তন করে পরীক্ষা করুন।



সমস্যা-৬ : সম্প্রতি আমি একটি সমস্যায় জর্জরিত হয়ে হার্ডডিস্ক ফরমেট করার সিদ্ধান্ত নেই। কিন্তু ফরম্যাটের জন্য কমান্ড দিলে মেসেজ আসে- Disk Boot Sector to be modified. Type Y to accept or press Ese to abort. আমি Y চাপলে হার্ডডিস্ক ফরমেট হয়। আমি নতুন পার্টিশন তৈরি করার পরও মেসেজটি আসতে থাকে।

কারন : BIOS সেটআপে Virus Warning অপশনটি এনাবল করা আছে।

সমাধান : BIOS থেকে সহজেই অপশনটি ডিসাবল করা যায়। মনে রাখা দরকার, এটি ডিসাবল থাকার ফলেই চেরানোবিল ভাইরাস বিশ্বের লাখ লাখ কম্পিউটারকে নষ্ট করতে পেরেছিল। অনেকদিন পেরিয়ে গেলেও ভবিষ্যতেও যে এই ধরনের ক্ষতিকর ভাইরাসের আবির্ভাব হবে না সেটি নিশ্চিত করে বলা যায় না।



সমস্যা-৭ : সফটওয়ার স্টার্ট হবার সময় Illegal Performance দেখায় ।

সমাধান :

১. বায়োসের এক্সটার্নাল ক্যাশ মেমোরি ডিসাবল করে দেখুন। তাতে কাজ হতে পারে।

২. যে সফটওয়ারটিতে সমস্যা করছে সেটি আনইন্সটল করে ফ্রেশ কপি দিয়ে পুনরায় ইন্সটল করে দেখুন।

৩. তারপরেও সমাধান না পেলে খুব সম্ভবত সেটি আপনার মাদারবোর্ডে বা Ram এর কোন সমস্যা। Ram বদলে দেখা যেতে পারে।



ধন্যবাদ সবাইকে। সবাই ভাল থাকবেন।

10/09/2013

আজকে বায়োস সম্পর্কে আলোচনা করা হল:

BIOS অর্থ হল basic input output system . BIOS দ্বারা কম্পিউটারের সিস্টেম কনফিগারেশন নির্ধারণ করা হয় ।।পিসি বুট আপ করা এবং সিপিইউ কতৃক বিভিন্ন কম্পোনেন্ট একসেস করার জন্য বায়োস ব্যবহার করা হয় । বায়োসে প্রোগ্রামের কোড থাকে যা দ্বারা মৌলিক এবং লো -লেবেলের ফাংশন গুলো সম্পাদন করা হয় ।

পার্সোনাল কম্পিউটারে সাধারণত নিন্মোক্ত বায়োস ব্যবহার করা হয়ঃ

1.AWARD BIOS

2.AMI BIOS

3.PHONEX BIOS

4.MICROID BIOS

বিভিন্ন মাদারবোর্ড বায়োস সেট আপ করার জন্য বিভিন্ন কি ব্যবহার করা হয় । কম্পিউটার চালু অবস্থায় নিশ্চয় খেয়াল করবেন যে DEL ,F1 ,F2 ইত্যাদি বায়োসে প্রবেশ করার জন্য নির্ধারণ করা হয়ে থাকে । আপনি লক্ষ্য করলে দেখবেন যে লেখা আছে PRESS F1 ENTER SETUP বা PRESS F2 ENTER SETUP ইত্যাদি । এখানে চিহ্নিত কি টিতে ক্লিক করলেই আপনি চলে যাবেন আপনার কম্পিউটারের বায়োসে । সেট আপে প্রবেশ করার জন্য কোন কি চাপ দিতে হবে তা নির্ভর করে বায়োসের টাইপের উপর । নিন্মে কয়েকটি উদাহরনের মাধ্যমে দেখানো হলঃ

AWARD BIOS :এটিতে প্রবেশ করতে হলে আপনাকে Ctrl + Alt +Esc কিংবা DEL চাপ দিতে হবে

PHONEX BIOS :এটিতে প্রবেশ করতে হলে আপনাকে F2 চাপ দিতে হবে

AMI BIOS : এটিতে প্রবেশ করতে হলে আপনাকে DEL চাপ দিতে হবে ।

Upcoming Product: G1.Sniper 5GIGABYTE 8 Series G1-Killer motherboards are packed with absolutely everything you'll need ...
11/07/2013

Upcoming Product: G1.Sniper 5

GIGABYTE 8 Series G1-Killer motherboards are packed with absolutely everything you'll need to build an uncompromising, high-performance gaming PC. Loaded with advanced audio technologies, dual networking, maxed out multi-card gaming support, advanced cooling and looks that could kill, GIGABYTE G1-Killer motherboards are the ultimate choice for serious PC gamers.

Features:
Supports 4th Generation Intel® Core™ processors
GIGABYTE Ultra Durable™ 5 Plus Technology
All IR digital power design
GIGABYTE UEFI DualBIOS™
GIGABYTE AMP-UP Audio technology
Exclusive Upgradable OP-AMP
Onboard Creative Sound Core3D™ quad-core audio processor
Built-in Front Audio Headphone Amplifier
Audio Noise Guard with LED path lighting
15µ gold plated CPU socket
4-way Graphics Support
Durable black solid capacitors
GIGABYTE On/Off Charge™ 2 for USB devices
Dual LAN with high ESD Protection
Extreme Heatsink design with 9 system fan connectors
GIGABYTE Bluetooth 4.0 and Wi-Fi Card

19/06/2013

টিপসঃ- আপনার মডেমের স্পীড বাড়িয়ে নিন
প্রথমে control panel -> phone and modem options এ গিয়ে আপনার মডেমটি সিলেক্ট করুন। এবার properties এ গিয়ে advance এ ক্লিক করুন। দেখবেন extra settings সেখানে কমান্ডে লিখুন AT&FX এবার কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন। দেখবেন যে আপনার মডেম এর স্পীড যদি 236 kbps হয় তাহলে সেটা 460 kbps এ পরিণত হবে।

19/06/2013

টিপসঃ- ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথ ২০% কম পাচ্ছেন কিনা দেখুন !
উইন্ডোজ এক্সপিতে সিস্টেম আপডেট, ইউজার পারফরমেন্স তথ্য ইত্যাদির জন্য ২০% ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথ সংরক্ষণ করে ব্যবস্থা আছে। এটি এনাবল করা থাকলে আপনার নেটের স্পিড প্রায় ২০% কম পাবেন। তাই চেক করে দেখুন ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথ ২০% কম পাচ্ছেন কিনা।

যেভাবে করবেনঃ
১. Start Menu -> Run এ gpedit.msc লিখে এন্টার দিন। Group Editor চালু হবে।
২. Local Computer Policy -> Computer Configuration -> Administrative Templates -> Network -> QOS Packet Scheduler -> Limit Reservable Bandwidth এ ডাবল ক্লিক করুন।
৩. দেখুন Enable করা আছে কিনা। না থাকলে চিন্তার কিছ নেই। থাকলে Enable এ ক্লিক করে ০% এ সেট করুন।
৪. পিসি রিস্টার্ট করুন।

19/06/2013

সমস্যাঃ- আমার PC তে Windows XP Install করা এবং User Password সেট করা আছে। যখন PC অন হয় তখন কী-বোর্ডের Num Lock Key Pad চালু হয়না বা লাইট জলে না। আমি চাই আমার PC তে User Password সেট থাকা অবস্থায় যখন PC অন হবে Num Lock Key Pad অটোমেটিক চালু হবে।

সমাধানঃ- আপনি NUM LOCK Key enabled করতে প্রথমে CTRL+ALT+DEL Key চেপে PC log on করুন, আপনাকে রেজিষ্ট্রী এডিট করতে হবে প্রথমে Start Menu থেকে Run এ যান টাইপ করুন REGEDIT এন্টার -কী চাপুন Registry Editor চালু হবে তার পর পর্যায় গুলো লক্ষ করুন
HKEY_USERS\.Default\Control Panel\Keyboard এ ক্লিক করুন ডান পাশের মেনু থেকে InitialKeyboardIndicators এ রাইট বাটন ক্লিক করে Modify সিলেক্ট করুন Value Data 0 থাকলে 2 করেদিন। তারপর PC টা Restart করুন।

19/06/2013

০১. সমস্যাঃ- RECYCLER এবং System Volume Information নামক ফোল্ডার দুটি Delete করতে চাই। এবং System Volume Information নামক ফোল্ডারে ঢুকতে চাই।

সমাধানঃ- এই ক্ষেত্রে আপনাকে Windows XP Live CD অথবা Heran Boot CD দুটির মধ্যে একটি CD প্রয়োজন। Windows XP Live CD চালালে Desktop মোডে চলে আসলে অপনি Drive -এ ঢুকে RECYCLER এবং System Volume Information নামক ফোল্ডার দুটি Delete করতে পারেন বা এর ভেতরে ঢুকতে পারেন। আবার Heran Boot CD এর Mini XP চালু করেও ঐ একই ভাবে কাজ করতে পারেন।

19/06/2013

কম্পিউটার কিনেছেন এবং ব্যবহার করছেন বেশ ভালভাবে। কম্পিউটারের খুঁটিনাটি অনেক কিছু বুঝতে পারছেন না। তবে সাধারণ টুকিটাকি কাজ করতে পারছেন। পরিচিত দু’একজনের নিকট হতে সহায়তা নিচ্ছেন। প্রথমদিকে তেমন কোনো সমস্যা বুঝতে পারলেন না। হঠাৎ দেখলেন আপনার কম্পিউটার আগের মতো পারফরমেন্স দিচ্ছে না। বিভিন্ন ধরনের সমস্যা প্রায়ই লেগে আছে। যেমন কম্পিউটারের গতি অনেক কমে গেছে, উইন্ডোজ আপডেট বা হালনাগাদ করতে গেলে সমস্যা হয়, সহজে ভাইরাস আক্রান্ত হচ্ছে ইত্যাদি। পরিচিত দু’একজনের নিকট এ বিষয়ে জানতে চাইলে তারা বলে, এন্টি ভাইরাস প্রোগ্রাম ইনস্টল করতে হবে, তারপর উইন্ডোজের টেম্পরারি ফাইল মুছে ফেলে দিতে হবে, ডেস্কটপে ফাইল সংরক্ষণ করা যাবে না, কুকি ফাইলসমূহ মুছে ফেলতে হবে, অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম আনইনস্টল করতে হবে ইত্যাদি পরামর্শ দিয়ে থাকেন। কিন্তু এই প্রক্রিয়াসমূহ কিভাবে সম্পন্ন করবেন তা বুঝতে পারছেন না। এ ধরনের সমস্যার সহজ সমাধান পেলে কেমন হত? নিশ্চয় মন্দ না। আসুন তাহলে শুরু করা যাক। এবার লক্ষ্য করুন এবং ধাপে ধাপে অগ্রসর হতে থাকুন।
কিভাবে পিসির গতি বাড়ানো করা যায়
অনেকেই অভিযোগ করে থাকেন, পিসি কিছুদিন পরে অস্বাভাবিক ধীরগতি সম্পন্ন হয়ে যাচ্ছে। কোন কাজই ঠিকভাবে সম্পন্ন করা যায় না। পিসি হ্যাং হয়ে যায়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে পিসি বন্ধ হয়ে যায় এবং সেই সঙ্গে ধীরগতি তো রয়েছে। এতে করে ব্যবহারকারীর মেজাজ বিগড়ে যায়। তবে হার্ডওয়্যারের সমস্যা যেমন RAM, পাওয়ার ইউনিট, মাদারবোর্ড ইত্যাদিতে কোনো সমস্যা না হলে ব্যবহারকারীর সচেতনতা ও কৌশল প্রয়োগের মাধ্যমে এ ধরনের সমস্যার সমাধান করা যায় সহজেই। সেক্ষেত্রে আমরা নিম্নলিখিত পদ্ধতিসমূহ অনুসরন করতে পারেনঃ
স্টার্টআপ প্রোগ্রামে শুরুতেই সময় ক্ষেপণ
কম্পিউটার ওপেন করে দ্রুত জরুরী কাজ সারবেন। এমন সময় দেখলেন কম্পিউটার স্টার্ট হওয়ার পর অনেক সময় নিচ্ছে। সাধারণত কম্পিউটার চালু করার সঙ্গে যেসব প্রোগ্রাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলে আসে তাতে করে শুরুতেই কিছু সময় লাগে বটে। যদি অনেক প্রোগ্রাম স্টার্টআপের সময় আসে সেক্ষেত্রে মনে হওয়া স্বাভাবিক কম্পিউটারটি যথেষ্ট ধীরগতি সম্পন্ন। এজন্যে একান্ত প্রয়োজনীয় ছাড়া অন্য কোন প্রোগ্রাম স্টার্টআপের সময় চলতে না দেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। এক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ডিজেবল বা অকার্যকর করে রাখা ভাল। এজন্যে কি করবেন? নিম্নলিখিত পদ্ধতি অনুসরন করুন।
০১. স্টার্ট মেনু হতে Run এ ক্লিক করে msconfig লিখে এন্টার চাপুন।

msconfig স্ক্রীণ
০২. একটি উইন্ডো চলে আসে। এখানে Startup ট্যাব নির্বাচন করুন।
০৩. যেসব প্রোগ্রাম শুরুতেই আসার প্রয়োজন নেই সেগুলো টিক চিহ্ন উঠিয়ে দিন এবং OK চাপুন।
০৪. এবার কম্পিউটারটি রিস্টার্ট দিন। কম্পিউটার রিস্টার্ট হবার পর System Configuration Utility একটি উইন্ডো চলে আসে।
এই অপশন নির্বাচন করে OK বাটনে ক্লিক করুন। ফলে আর অতিরিক্ত সময় ক্ষেপণ হবে না।
নতুন নতুন সফট‌ওয়্যার ইনস্টলে সচেতনতা অবলম্বন
কিছু ব্যবহারকারী রয়েছে যারা নতুন নতুন সফট্‌ওয়্যারের সন্ধান পেলে উল্লসিত হয়ে কিছু না বুঝে ওঠার আগেই ইনস্টল করা শুরু করেন। এতে অনেক সময় হিতে বিপরীত ঘটে যেতে পারে। বেশির ভাগ ফ্রি সফট্‌ওয়্যারে স্পাইওয়্যার, ভাইরাস লুকায়িত থাকে। ইনস্টল করার সঙ্গে সঙ্গে এইসব অনাকাঙ্খিত প্রোগ্রাম কম্পিউটারের অভ্যন্তরে কাজ শুরু করে দেয়। তাছাড়া যত বেশি সফট্‌ওয়্যার ইনস্টল করবেন ততই কম্পিউটার ধীরগতি সম্পন্ন হবে হার্ডডিস্কের সিস্টেম ড্রাইভে বেশি লোড হতে থাকার কারণে এবং রেজিস্ট্রিতে বাড়তি চাপ আসার ফলে। এক্ষেত্রে সমাধান সম্ভব কেবলমাত্র অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম আনইনস্টল করার মাধ্যমে। কন্ট্রোল প্যানেল থেকে এ কার্যক্রম শুরু করতে হয়।
ভাইরাস থেকে সাবধান
যে কোনো অনাকাঙ্খিত প্রোগ্রাম বা ভাইরাস থেকে আপনার কম্পিউটারকে সুরক্ষিত রাখলে হলে একটি ভাল এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম ব্যবহার করা উচিত। এক্ষেত্রে লাইসেন্স করা এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম ব্যবহার করাই শ্রেয়। তবে এটা সম্ভব না হলে একটি ভাল এন্টিভাইরাস প্রোগ্রামে ফ্রি সংস্করণ ব্যবহার করা যেতে পারে।
টেম্পরারি ফাইল, কুকি এবং রেজিস্ট্রি পরিষ্কার রাখা
কম্পিউটারে কাজ করতে থাকলে এবং সেই সঙ্গে সফট্‌ওয়্যার ইনস্টল ও আনইনস্টল করার সময় নিজে নিজেই টেম্পরারি ফাইল তৈরি হতে থাকে। এর ফলে কম্পিউটারটি ধীরগতি সম্পন্ন হয়। এই টেম্পরারি ফাইল মুছে ফেলতে কি করতে হবে। এজন্যে যা করতে হবে তা নিম্নরূপঃ
০১. স্টার্ট মেনু হতে Run এ ক্লিক করে %temp% লিখে এন্টার চাপুন।
০২. এবার সকল ফাইল নির্বাচন করে মুছে ফেলুন।
ব্রাউজ করার সময় কম্পিউটারে কুকি ফাইল জমা হতে থাকে। এর অধিকাংশ ফাইল অপ্রয়োজনীয়। এই ফাইলগুলো কম্পিউটারকে ধীরগতি সম্পন্ন করে। ফায়ারফক্স এ এই কুকি সমূহ মুছে ফেলতে এই ব্রাউজার প্রোগ্রাম ওপেন অবস্থায় Tools এ ক্লিক করুন।
এরপর Option এ ক্লিক করুন এবং তারপরে Privacy ট্যাব নির্বাচন করুন।
এবার Clear Private Data Now অপশন নির্বাচন করুন। এবার OK ক্লিক করুন। অবশ্য এক্ষেত্রে ফায়ারফক্স ব্রাউজার প্রোগ্রাম ব্যবহার করা যুক্তিসঙ্গত।
অন্যদিকে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারে এই কুকি সমূহ মুছে ফেলতে এই ব্রাউজার প্রোগ্রাম ওপেন অবস্থায় Tools এ ক্লিক করুন।
এরপর Internet Options ক্লিক করুন এবং General ট্যাবের অধীন Delete Cookies… এ ক্লিক করুন।
এরপর OK ক্লিক করুন এবং আবার OK ক্লিক করুন।

16/06/2013

Address

Dhaka
1631

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Computer Tips posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Computer Tips:

Share