Wisteriait

Wisteriait Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Wisteriait, Software Company, F2, House-10, Road-16/A, Gushan/1, Dhaka.

হ্যালো বাংলাদেশ,Wisteria_iT এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা।outsourcing part 12সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন(এস.ই....
05/11/2018

হ্যালো বাংলাদেশ,
Wisteria_iT এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা।
outsourcing part 12

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন(এস.ই.ও.)

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন(এস.ই.ও.) মূলত কিছু কৌশলের সমন্বয়।সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শব্দগুচ্ছটিতে দুটি শব্দের যোগ হয়েছে। একটি হলো সার্চ ইঞ্জিন এবং অপরটি হলো অপটিমাইজেশন। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন(এস.ই.ও.) হচ্ছে এমন এক ধরনের পদ্ধতি যার মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের কাছে গুরুত্বপূর্ণ করে তোলা যায়।
এটি ওয়েবমাস্টারদের জন্য খুবই অপরিহার্য ব্যাপার। যখন একজন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী কোন বিষয় জানার জন্য সার্চ ইঞ্জিনের সার্চ বারে কোন শব্দ(কী ওয়ার্ড) টাইপ করেন এবং এন্টার বাটনে প্রেস করেন, তখন অনেকগুলো সাইটের ঠিকানা মনিটরে ভেসে আসে যার মধ্যে সে তার জিজ্ঞাসার জবাব পেতে পারেন। সার্চ রেজাল্টের প্রথম পৃষ্ঠায় দশটি ওয়েবসাইটের মধ্যে নিজের ওয়েবসাইটকে নিয়ে আসাই সবার লক্ষ্য থাকে। এর কারণ হিসেবে দেখা যায় ব্যবহারকারীরা সাধারণত শীর্ষ দশের মধ্যে তার কাঙ্খিত ওয়েবসাইটকে না পেলে দ্বিতীয় পাতায় না গিয়ে অন্য কোন শব্দ ব্যবহার করে পুনরায় সার্চ করেন।সাধারনত ব্যবহারকারী লিস্টের প্রথম দিকে যেসকল সাইটের ঠিকানা থাকে তার মধ্যেই বেশী প্রবেশ করেন। তাই সকল ওয়েবমাস্টারই চায় তার সাইটি যেন সার্চ ফলাফল পেইজের প্রথমে থাকে। কিন্তু প্রশ্ন হলো সাইটগুলির প্রদর্শনের ক্রম নিয়ে যে কেন একটি সাইট আগে এবং অপরটি পরে আসে এবং কিসের উপর ভিত্তি করে সাইটগুলির অগ্রাধিকার ক্রম করা হয়? এই প্রশ্নের জবাবে উত্তর আসবে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন(এস.ই.ও.)।
এস.ই.ও হলো একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে একটি সাইটকে একটি নিদিষ্ট শব্দ(কী ওয়ার্ড) এর উপর ভিত্তি করে সার্চ ইঞ্জিনে একটি গুরুত্বপূর্ন পজিশন ধখল করা যায়। যাতে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের সার্চ রেজাল্টে ওয়েবসাইটি অন্য সাইটকে পেছনে ফেলে সবার আগে প্রদর্শিত হতে পারে। এই ধরনের সার্চ রেজাল্টকে Organic বা Natural সার্চ রেজাল্ট বলা হয়। শীর্ষ দশে থাকার মানে হচ্ছে ওয়েবসাইটে বেশি সংখ্যক ভিজিটর পাওয়া আর বেশি সংখ্যক ভিজিটর মানে হচ্ছে বেশি আয় করা। এজন্য সবাই মরিয়া হয়ে নিজের ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের জন্য উপযুক্ত করে তুলেন।বিভিন্ন আউটসোর্সিং মার্কেটপ্লেসে প্রতিদিনই এধরনের কাজ পাওয়া যায়। বাংলাদেশী অনেক ফ্রিল্যান্সার রয়েছেন যারা অত্যন্ত সফলতার সাথে এ কাজগুলো করছেন। তবে অনেকের কাছে বিষয়টি প্রায়সময়ই বোধগম্য হয় না, ফলে আগ্রহ থাকার পরও কিভাবে শুরু করতে হবে তা বুঝে উঠতে পারেন না।

অ্যাপস্টোর অপ্টিমাইজেশানের কিছু গুরুত্বপূর্ণ কৌশল
যে কৌশলগুলো অবলম্বন করে একটি অ্যাপকে (App) অ্যাপস্টোরের (Apps Store) তালিকার উপরের দিকে নিয়ে যাওয়া যায়, সেই কৌশলগুলোর সমষ্টিকেই অ্যাপস্টোর অপ্টিমাইজেশান (Optimization) বলে।
দেখা যায় যে একটি অ্যাপ অনেকবার ডাউনলোড হচ্ছে, কিন্তু আরেকটি অ্যাপ অতো বেশী ডাউনলোড হচ্ছে না শুধুমাত্র অ্যাপস্টোরে নিচের দিকে থাকার কারণে।

লক্ষ্যসমূহঃ
*.বেশী বেশী ভিজিটর (Visitor) আকৃষ্ট করা।*.ব্যবহারকারীরা (User) যেন খুব সহজেই অ্যাপটি খুঁজে পায়।
*.প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় র্যাঙ্কিংয়ে (Ranking) এগিয়ে থাকা।
*.নির্দিষ্ট কীওয়ার্ডের (Keyword) জন্য র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে থাকা।
*.গুগল র্যাঙ্কিংয়েও এগিয়ে থাকা।
*.ভিজিটর যেন অ্যাপটি ডাউনলোড করতে আগ্রহী হয়।

কিছু কৌশলঃ
*.অ্যাপ টাইটেলে (App Title) কীওয়ার্ড ব্যবহার করুন।
*.প্রতিটি কীওয়ার্ডের জন্য সার্চ ইঞ্জিন (Search Engine) ও অ্যাপস্টোরে অ্যাপটির অবস্থানের পরিবর্তন লক্ষ্য করুন।
*.অ্যাপটি কতবার ডাউনলোড হল তা খেয়াল রাখুন।
*.পূর্বের ব্যবহারকারীদের পজেটিভ (Positive) রিভিউ (Review / Feedback) দিতে উৎসাহিত করুন।
*.আকর্ষণীয় অ্যাপ আইকন (Icon) ব্যবহার করুন।

হ্যালো বাংলাদেশ,Wisteria_iT এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা।outsourcing part 10ইমেইল মার্কেটিংইমেইল মার্কেটিং...
04/11/2018

হ্যালো বাংলাদেশ,
Wisteria_iT এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা।
outsourcing part 10

ইমেইল মার্কেটিং

ইমেইল মার্কেটিং কি, কিভাবে ইমেইল মার্কেটিং করা হয়?
ইমেইল মার্কেটিং হচ্ছে একটি অনলাইন মার্কেটিং পদ্ধতি।ইমেইলের মাধ্যমে পন্য বা সেবার প্রচারকে ইমেইল মার্কেটিং বলে। ইমেইল মার্কেটিং এর মাধ্যমে আপনি আপনার পন্য বা সেবার প্রচার করতে পারবেন। বিশ্বের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্য বা সেবার বিজ্ঞাপন এই পদ্ধিতির মাধ্যমে করে থাকে।

ইমেইল মার্কেটিং এর সুবিধাঃ
কিছুদিন পূর্বে ইমেইলকে শুধুমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ধারণা করা হত কিন্তু বর্তমানে তথ্য প্রযুক্তির উন্নয়নের সাথে এর অনেক উন্নয়ন ঘটেছে। ইমেইলের মাধ্যমে বিভিন্ন পণ্য বা সেবার বিজ্ঞাপন প্রচার করা হয়। বর্তমানে বিশ্বের ছোট বড় অসংখ্য প্রতিষ্ঠান তাদের পন্যের প্রচারের জন্য ইমেইল মার্কেটিং করে থাকে।
• ইমেইল মার্কেটিং এর মাধ্যমে অল্প পরিশ্রমে বেশি পরিমাণে টাকা আয় করা যায়।

• ইমেইল মার্কেটিং করার জন্য প্রোগ্রামিং জানতে হয় না।
• ইমেইল মার্কেটিং ব্যবসার জন্য উচ্চ হোস্টিং ফি খরচ করতে হয় না।
• ইমেইল মার্কেটিং নিজের বা অন্যের পণ্য বিক্রি, এফিলিয়েট পন্যের বিক্রয়কৃত কমিশন ইত্যাদি অসংখ্য আয়ের ক্ষেত্র রয়েছে।
• অন্য প্রতিষ্ঠানের জন্য রিভিউ লিখে পূর্বেই সেই প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অর্থ আয় করতে পারেন।

কিভাবে ইমেইল মার্কেটিং করা হয়?
ইমেইল মার্কেটিং করার জন্য প্রয়োজন একটি ওয়েবসাইট, মার্কেটিং উপকরণ এবং পন্য বা সেবা। আপনি চাইলে নিজের পন্য বা সেবা যেমন ইবুক, টিউটোরিয়াল তৈরি করে বিক্রয় করতে পারেন অথবা অন্যের পণ্য ইমেইল মার্কেটিং এর মাধ্যমে বিক্রয় করে কমিশন পেতে পারেন অথবা বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠানের রিভিউ দিয়ে বা অন্য কোথাও ভিজিটরকে রেফার করে আয় করতে পারেন। এখানে একটি বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ তা হল আপনার সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা। আপনার যদি মাত্র ১০ জন সাবস্ক্রাইবার থাকে তবে তা থেকে আপনি আয় করতে পারবেননা এজন্য প্রথমেই আপনাকে সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা বৃদ্ধির দিকে মনোনিবেশ করতে হবে। মনে রাখবেন আপনার যত সাবস্ক্রাইবার থাকবে আপনি তত আয় করতে পারবেন এবং তত আয়ের নতুন নতুন মধ্যম তৈরি হবে।
ইমেইল মার্কেটিং এর মাধ্যমে মুহূর্তেই আপনি আপনার পণ্য বা সেবাকে হাজারো গ্রাহকের নিকট এর কার্যকারীতা ও ব্যবহারবিধি তুলে ধরতে পরবেন এর ফলে আপনার পন্য বা সেবাটি জনপ্রিয় হতে থাকবে। ফলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পণ্য বা সেবার বিক্রয় বৃদ্ধি পেতে থাকবে।
বর্তমানে কিছু জনপ্রিয় ওয়েবসাইট রয়েছে যাদের মাত্র একটি প্রধান পেজ থাকে এবং শুধুমাত্র তারা ইমেইল মার্কেটিং এর মাধ্যমে আয় করে থাকে। অনলাইনে সার্চ দিলে এ সংক্রান্ত অনেক ওয়েবসাইট পাওয়া যাবে।

কিভাবে শিখবেন ই-মেইল মার্কেটিং
ইমেইল মার্কেটিং শেখার জন্য আপনাকে প্রচুর ধৈর্য ধারণ করতে হবে। আপনি ব্লগ পড়ে কিংবা ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখে ই-মেইল মার্কেটিং শিখতে পারেন। কিন্তু আপনি যদি একেবারেই নতুন হন তবে এটি খুব একটা কাজে আসবে না। নতুনদের জন্য আমার উপদেশ হল ভাল মানের ট্রেনিং সেন্টার। আমাদের দেশে ই-মেইল মার্কেটিং ট্রেনিং সেন্টারের অভাব নেই।

হ্যালো বাংলাদেশ,Wisteria_iT এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা।outsourcing part 9অনলাইন সার্ভেঅনলাইন সার্ভে কি?ব...
04/11/2018

হ্যালো বাংলাদেশ,
Wisteria_iT এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা।
outsourcing part 9

অনলাইন সার্ভে

অনলাইন সার্ভে কি?
বিভিন্ন কোম্পানী তাদের পন্যের সম্পর্কে সাধারন মানুষের মত জানতে চায়।
এজন্য তাদেরকে জড়িপ করতে হয়। তাদের পন্যের অবস্থান, প্রতিদ্বন্দি অন্য কোন পন্য কেমন ব্যবসা করছে, সেগুলি কেন জনপ্রিয়তা পাচ্ছে, মানুষ কি দেখে পন্য পছন্দ করে, কিভাবে পন্যের কথা জানে ইত্যাদি তথ্য সংগ্রহ করে তার ভিত্তিতে নিজেদের পরিকল্পনা ঠিক করে।
একাজ অনলাইনে করা তুলনামুলক সহজ। পিটিসি সাইটের মত সার্ভে কাজে সহযোগিতা করার জন্যও রয়েছে বহু প্রতিষ্ঠান। তাদের সাথে চুক্তি করলে তারা প্রশ্ন তৈরী করে সেগুলি অনলাইনে ব্যবহার করে।
আপনার প্রথম কাজ তাদের সদস্য হওয়া। এরপর তাদের সাইটে বিভিন্ন জড়িপের তালিকা পাবেন।
ক্লিক করে ওপেন করবেন। সেখানে পাবেন নানা ধরেনের প্রশ্নের একটি ফরম।
আপনার কাজ সেটা পুরন করা। বিভিন্ন ধরনের সার্ভের জন্য প্রশ্ন কম-বেশি, সহজ বা জটিল হতে পারে। তার সাথে মিল রেখে অর্থের পরিমান কম বেশি হয়। একেবারে সাধারন জড়িপের জন্য কয়েক সেন্ট থেকে কিছুটা বড় ফরমের জন্য কয়েক ডলার পর্যন্ত পেতে পারেন।

এরপরও হয়ত আপনার ধারনা স্পষ্ট হয়নি। মনে হচ্ছে সেখানে কি প্রশ্ন থাকতে পারে। একটি উদাহরন দেখা যাক।
ধরুন কোন প্রসাধনীর জড়িপ আপনার সামনে। সেখানে প্রথম প্রশ্ন, আপনি কি সেই প্রসাধনি ব্যবহার করেছেন?
যদি করে থাকেন তাহলে সেটা সম্পর্কে জেনেছেন কিভাবে (কয়েকটি উত্তর দেয়া থাকবে), যদি না করেন তাহলে এর বদলে কি ব্যবহার করেন ইত্যাদি ইত্যাদি।
কাজেই যদি এমন হয় যে বিষয়ে জড়িপ করা হচ্ছে সেই পন্য বা সেবা আপনার অপরিচিত তাহলেও ভয়ের কারন নেই। কারন প্রশ্ন করা হবে আপনি তারসাথে কতটা সম্পৃক্ত। আপনি যদি গাড়ি ব্যাবহার না করেন তাহলে আপনাকে গাড়ির কোম্পানী, মডেল ইত্যাদি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে না, হয়ত শেষ একটি প্রশ্নের উত্তর দিলেই চলবে।

কাজ কিভাবে পাবেন ?
অধিকাংশ অনলাইন সার্ভেতে বিনামুল্যে সাধারন সদস্য হওয়া যায়। টাকা দিয়ে সদস্য হলে বেশি আয় করা যায়। অনলাইনে ভুয়া ব্যবসার অভাব নেই, কাজেই সবচেয়ে ভাল হয় প্রথমে বিনামুল্যে সদস্য হয়ে কিছুদিন কাজ করে তাদেরকে যাচাই করা।
অনেক বেশি আয় হবে এধরনের কথা শুনে কাউকে টাকা দিয়ে সদস্য হবেন না। তারা সবাই ভুয়া এমন হয়ত না। বিনা টাকায় কাজ করার সুযোগ যদি থাকে তাহলে টাকা খরচ করবেন কেন?
অনলাইন সার্ভে বা এধরনের কিছু লিখে গুগলে সার্চ করলে বহু সাইটের ঠিকানা পাবেন। তাদের সম্পর্কে রিভিউ, তাদের নিয়ম, টাকা দেয়ার পদ্ধতি ইত্যাদি পড়ে বাছাই করুন কোথায় কাজ করতে চান। এছাড়া পিটিসি সাইটে যে বিজ্ঞাপনগুলি দেয়া হয় সেগুলির দিকেও লক্ষ্য রাখুন।

গেট-ক্যাশ-ফর-সার্ভে এধরনের একটি সাইট
অনলাইনে অসংখ্য সার্ভে সাইট ব্যাঙের ছাতার মত গজিয়েছে। কারো সাধ্য নাই এগুলার সঠিক সংখ্যা বের করার।
তবে কয়টা সাইট পে করে এটা যে কেউ বের করতে পারবে।
আচ্ছা পে করার কথায় মনে হল এরা কিভাবে পে করে আপনারা যারা জানেন না তাদের জানানো দরকার।
বেশির ভাগেরই মিনিমাম পে আউট দশ বা বিশ। কিছু কিছু পাচ ডলার মিনিমাম পে করে। তবে মজার বিষয় হল একটা সাইট থেকে পাচ ডলার কামাতে হলে আপনাকে কম হলেও তিন মাস ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হবে।
আরও ভয়ঙ্কর খবর আছে। কেউ কেউ আপনাকে প্রাইজ পয়েন্ট দিবে।
এগুলা আপনি শপিং করার সময় ভাঙ্গাতে পারবেন। আপনি ভুল করেও বসুন্ধরা সিটিতে এই প্রাইজ পয়েন্ট ভাঙ্গাতে যাবেন না। এই প্রাইজ পয়েন্ট পশ্চিমা দেশে ভাঙ্গানো যাবে শুধু মাত্র।

কি নিয়ম মেনে চলবেন ?
জড়িপের প্রশ্নগুলি করা হবে ইংরেজিতে। প্রশ্নগুলি পড়ে বোঝার মত ইংরেজি জানতে হবে। আপনাকে টাকা দেয়া হচ্ছে বিশেষ একটি কাজের জন্য, আপনি নিশ্চয়ই না বুঝে কোনমতে ক্লিক করে দায় শেষ করতে পারেন না। অনেক জড়িপ সমাজের উপকারের জন্য। যতটা সম্ভব দায়িত্বশিলতার পরিচয় দিয়ে সঠিক উত্তর দিতে চেষ্টা করুন।
সাধারনত টাকা দেয়ার জন্য পেপল, পায়যা ইত্যাদি মাধ্যম ব্যবহার করা হয়। আপনার জন্য সুবিধে জনক ব্যবসা দেখে নিন। বাংলাদেশে পায়যা ব্যবহার করা যায়, ব্যবহার সহজ।
আপনি যদি পিটিসি ব্যবহার করেন তাহলে নিশ্চয়ই জেনেছেন পিটিসি সম্পর্কে যতটা বলা হয় বাস্তবে ততটা আয় করা যায় না। সেতুলনা অনলাইন সার্ভে কিংবা এধরনের কাজে আয় বেশি। ক্রমে বড় কাজের দিকে যেতে চেষ্টা করুন।

হ্যালো বাংলাদেশ,Wisteria_iT এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা।outsourcing part 8ওয়েব ডিজাইনওয়েব ডিজাইন কি?ওয়েব ...
04/11/2018

হ্যালো বাংলাদেশ,
Wisteria_iT এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা।
outsourcing part 8

ওয়েব ডিজাইন

ওয়েব ডিজাইন কি?
ওয়েব ডিজাইন বলতে মূলত একটি ওয়েবসাইট এর বাহ্যিক গঠন বা টেমপ্লেট তৈরী করাকে বুঝায়। ওয়েব ডিজাইন মানে হচ্ছে একটা ওয়েবসাইট দেখতে কেমন হবে বা এর সাধারন রূপ কেমন হবে তা নির্ধারণ করা।
ওয়েব ডিজাইনার হিসেবে আপনার কাজ হবে একটা পূর্ণাঙ্গ ওয়েব সাইটের টেম্পলেট বানানো। যেমন ধরুন এটার লেয়াউট কেমন হবে। হেডারে কোথায় মেনু থাকবে, সাইডবার হবে কিনা, ইমেজগুলো কিভাবে প্রদর্শন করবে ইত্যাদি। ভিন্ন ভাবে বলতে গেলে ওয়েবসাইটের তথ্য কি হবে এবং কোথায় জমা থাকবে এগুলো চিন্তা না করে, তথ্যগুলো কিভাবে দেখানো হবে সেটা নির্ধারণ করাই হচ্ছে ওয়েব ডিজাইনার এর কাজ। আর এই ডিজাইন নির্ধারণ করতে ব্যাবহার করতে হবে কিছু প্রোগ্রামিং, স্ক্রিপ্টিং ল্যাঙ্গুয়েজ এবং মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ।

কি কি শিখতে হবে?

এইচটিএমএল: এইচটিএমএল এর পূর্ণ অর্থ হল- হাইপারটেক্সট মার্কআপ ল্যাংগুয়েজ (Hyper Text Markup Language). এটি একটি মার্ক আপ ল্যাংগুয়েজ, প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ নয়। অন্য যেকোন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এর তুলনায় এইচটিএমএল শেখা অনেক সহজ। এটা এতটাই সহজ যে যেকোন সাধারন মানুষ কোন প্রকার প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এর জ্ঞান ছাড়াই HTML শিখতে পারবে। এইচটিএমএল কে একটি ওয়েব পেইজ এর কংকালও বলা হয়। এটা একটি ওয়েব পেইজ এর গঠন তৈরি করে।
সিএসএস:
সিএসএস এর পূর্ণ অর্থ হল- ক্যাসকেডিং স্টাইল শিট (Cascading Style Sheets) এটিও একটি মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ। CSS নির্ধারণ করে দেয় ব্রাউজারে যে ডকুমেন্ট গুলো HTML দ্বারা প্রদর্শিত হবে সেটি দেখতে কেমন হবে। অর্থাৎ বেকগ্রাউন্ড কি হবে, লেখাটার ফন্ট কত বড় হবে, এটির রঙ কি হবে, পাশে কতটুকু জায়গা খালি থাকবে, একটা লেখা থেকে আরেকটা লেখার দূরত্ব কতটুকু হবে, এমনকি সর্বশেষ CSS3 দিয়ে কন্টেন্টে এনিমেশন ও যুক্ত করা যায়। এইচটিএমএল হচ্ছে একটি ওয়েব পেজের এর কংকাল আর সিএসএস হচ্ছে তার উপরে মাংস, চামড়া, আকার, আকৃতি ইত্যাদি। একটি ওয়েব পেজকে সুন্দর রুপ দিতে আপনাকে অবশ্যই সিএসএস আর ব্যবহার জানতে হবে।
ওয়েব পেইজ:
ওয়েব পেইজ হল কতগুলো মার্কআপ ল্যাংগুয়েজের সমন্বয়ে লিখিত টেক্সট ফাইল, অডিও, ভিডিও, ছবি, ডকুমেন্ট ইত্যাদি। একটি ওয়েব পেইজ এক বা একাধিক পৃষ্ঠার হতে পারে। প্রথমে যে পেজটি দেখা যায় তাকে হোম পেজ বলা হয়। যেটা ওয়েব ব্রাউজার পড়তে পারে।
ওয়েব সাইট:
একাধিক ওয়েব পেজের সমন্বয়ে একটি ওয়েব সাইট গঠিত হয়। ওয়েবসাইট হচ্ছে কত গুলো ওয়েব পেইজের সমষ্টি যে গুলোকে একত্রে একটি ওয়েবসাইট বলা হয়। একটি ওয়েব সাইটের ঠিকানা বলতে সাধারনত হোম পেজের ঠিকানাটিকেই বুঝায়। এক্ষেত্রে জেনে রাখা ভাল একটি ওয়েব সাইটে ওয়েব পেইজ সংখ্যা এক বা একাধিক হতে পারে।
ওয়েব ব্রাউজার:
ওয়েব ব্রাউজার হচ্ছে একটি সফট্ওয়্যার যা কোন ব্যবহারকারীর কম্পিউটারে ইন্সটল করা হয় এবং ব্রাউজারে কোন ওয়েব পেইজ বা ওয়েব সাইটের নিদিষ্ট কোন ঠিকানা লিখে Keyboard এর Enter Key চাপ দিলে কম্পিউটারের পর্দায় ফলাফল প্রদর্শন করতে পারে। অর্থাৎ কোন ওয়েব পেইজকে দেখতে হলে একটি ওয়েব ব্রাউজারের প্রয়োজন যা ঐ ওয়েব পেইজকে প্রদর্শন করবে। উদাহরণ সরূপ কিছু ওয়েব ব্রাউজারের নাম দেওয়া হল। যেমন- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার (Internet Explorer), মজিলা ফায়ারফক্স (Mozilla Firefox), অপেরা মিনি (Opera Mini), গুগল ক্রোম (Google Chrome) ইত্যাদি।
ফটোশপ:
ওয়েব ডিজাইন এর জন্য ফটোশপ এর বেসিক ধারণা থাকলেই চলবে। এখানে ফটোশপের যে মূল কাজটি শিখতে হবে, তাহল পিএসডি থেকে এইচটিএমএল (PSD to HTML) টেমপ্লেট বানানো। এছাড়া ছবি সাইজ করা, লোগো, ব্যানার, বাটন ইত্যাদি তৈরী করা জানতে হবে।
কোথায় কাজ করবেন?
ফ্রিলান্স মার্কেটপ্লেসে ওয়েব ডিজাইন এবং ফ্রন্ট-ইন্ড-ওয়েব ডেভেলপমেন্টের হাজারো কাজ পাওয়া যায় এবং এই ধরনের কাজে প্রতিদ্বন্দ্বিতা তুলনামূলক কম তবে চাহিদা বেশি। তাই সহজে কাজ পাবেন এবং এধরনের কাজের দামও বেশি। একজন সাধারনমানের ফ্রিলান্সারের ঘণ্টাপ্রতি কাজ করার রেট হয় ২ ডলার, কিন্তু একজন ওয়েব ডিজাইনার এর ঘণ্টাপ্রতি রেট শুরুতেই ১০ বা ১২ ডলার হয়ে থাকে। তবে অনেকের ধারনা ওয়েব ডিজাইন বা ডেভেলপমেন্ট শিখলে শুধু ফ্রিলান্স করতে হবে এবং না করলে আয় বন্ধ, তাদের জন্য বলছি, themeforest.net এবং এধরনের অনেক মার্কেট আছে যেখানে ওয়েব টেম্পলেট এবং ওয়েব ইলিমেন্ট খুবই ভালো দামে বিক্রি করা যায়। এক্ষেত্রে আপনি আপনার একটি ডিজাইন করা টেম্পলেট বহুবার বিক্রি করতে পারবেন এবং এবং কোয়ালিটি ভালো হলে প্রতিমাসে একেকটা টেম্পলেট এর আয় দিয়েই আপনি রাজার হালে চলতে পারবেন।
সারসংক্ষেপ যা বলা উচিত তা হচ্ছে, ওয়েব ডিজাইনার বা ডেভেলপার হতে হলে যেমন আপনার প্রচুর ধৈর্য আর সময়ের দরকার তেমনি আবার শিখে নিলে এটাই হচ্ছে উচ্চ আয়ের এবং সম্মানজনক পেশা।

Wisteria_iT এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা।outsourcing part 8ওয়েব ডিজাইনওয়েব ডিজাইন কি?ওয়েব ডিজাইন বলতে মূলত...
03/11/2018

Wisteria_iT এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা।
outsourcing part 8

ওয়েব ডিজাইন

ওয়েব ডিজাইন কি?
ওয়েব ডিজাইন বলতে মূলত একটি ওয়েবসাইট এর বাহ্যিক গঠন বা টেমপ্লেট তৈরী করাকে বুঝায়। ওয়েব ডিজাইন মানে হচ্ছে একটা ওয়েবসাইট দেখতে কেমন হবে বা এর সাধারন রূপ কেমন হবে তা নির্ধারণ করা।
ওয়েব ডিজাইনার হিসেবে আপনার কাজ হবে একটা পূর্ণাঙ্গ ওয়েব সাইটের টেম্পলেট বানানো। যেমন ধরুন এটার লেয়াউট কেমন হবে। হেডারে কোথায় মেনু থাকবে, সাইডবার হবে কিনা, ইমেজগুলো কিভাবে প্রদর্শন করবে ইত্যাদি। ভিন্ন ভাবে বলতে গেলে ওয়েবসাইটের তথ্য কি হবে এবং কোথায় জমা থাকবে এগুলো চিন্তা না করে, তথ্যগুলো কিভাবে দেখানো হবে সেটা নির্ধারণ করাই হচ্ছে ওয়েব ডিজাইনার এর কাজ। আর এই ডিজাইন নির্ধারণ করতে ব্যাবহার করতে হবে কিছু প্রোগ্রামিং, স্ক্রিপ্টিং ল্যাঙ্গুয়েজ এবং মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ।

কি কি শিখতে হবে?

এইচটিএমএল: এইচটিএমএল এর পূর্ণ অর্থ হল- হাইপারটেক্সট মার্কআপ ল্যাংগুয়েজ (Hyper Text Markup Language). এটি একটি মার্ক আপ ল্যাংগুয়েজ, প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ নয়। অন্য যেকোন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এর তুলনায় এইচটিএমএল শেখা অনেক সহজ। এটা এতটাই সহজ যে যেকোন সাধারন মানুষ কোন প্রকার প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এর জ্ঞান ছাড়াই HTML শিখতে পারবে। এইচটিএমএল কে একটি ওয়েব পেইজ এর কংকালও বলা হয়। এটা একটি ওয়েব পেইজ এর গঠন তৈরি করে।
সিএসএস:
সিএসএস এর পূর্ণ অর্থ হল- ক্যাসকেডিং স্টাইল শিট (Cascading Style Sheets) এটিও একটি মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ। CSS নির্ধারণ করে দেয় ব্রাউজারে যে ডকুমেন্ট গুলো HTML দ্বারা প্রদর্শিত হবে সেটি দেখতে কেমন হবে। অর্থাৎ বেকগ্রাউন্ড কি হবে, লেখাটার ফন্ট কত বড় হবে, এটির রঙ কি হবে, পাশে কতটুকু জায়গা খালি থাকবে, একটা লেখা থেকে আরেকটা লেখার দূরত্ব কতটুকু হবে, এমনকি সর্বশেষ CSS3 দিয়ে কন্টেন্টে এনিমেশন ও যুক্ত করা যায়। এইচটিএমএল হচ্ছে একটি ওয়েব পেজের এর কংকাল আর সিএসএস হচ্ছে তার উপরে মাংস, চামড়া, আকার, আকৃতি ইত্যাদি। একটি ওয়েব পেজকে সুন্দর রুপ দিতে আপনাকে অবশ্যই সিএসএস আর ব্যবহার জানতে হবে।
ওয়েব পেইজ:
ওয়েব পেইজ হল কতগুলো মার্কআপ ল্যাংগুয়েজের সমন্বয়ে লিখিত টেক্সট ফাইল, অডিও, ভিডিও, ছবি, ডকুমেন্ট ইত্যাদি। একটি ওয়েব পেইজ এক বা একাধিক পৃষ্ঠার হতে পারে। প্রথমে যে পেজটি দেখা যায় তাকে হোম পেজ বলা হয়। যেটা ওয়েব ব্রাউজার পড়তে পারে।
ওয়েব সাইট:
একাধিক ওয়েব পেজের সমন্বয়ে একটি ওয়েব সাইট গঠিত হয়। ওয়েবসাইট হচ্ছে কত গুলো ওয়েব পেইজের সমষ্টি যে গুলোকে একত্রে একটি ওয়েবসাইট বলা হয়। একটি ওয়েব সাইটের ঠিকানা বলতে সাধারনত হোম পেজের ঠিকানাটিকেই বুঝায়। এক্ষেত্রে জেনে রাখা ভাল একটি ওয়েব সাইটে ওয়েব পেইজ সংখ্যা এক বা একাধিক হতে পারে।
ওয়েব ব্রাউজার:
ওয়েব ব্রাউজার হচ্ছে একটি সফট্ওয়্যার যা কোন ব্যবহারকারীর কম্পিউটারে ইন্সটল করা হয় এবং ব্রাউজারে কোন ওয়েব পেইজ বা ওয়েব সাইটের নিদিষ্ট কোন ঠিকানা লিখে Keyboard এর Enter Key চাপ দিলে কম্পিউটারের পর্দায় ফলাফল প্রদর্শন করতে পারে। অর্থাৎ কোন ওয়েব পেইজকে দেখতে হলে একটি ওয়েব ব্রাউজারের প্রয়োজন যা ঐ ওয়েব পেইজকে প্রদর্শন করবে। উদাহরণ সরূপ কিছু ওয়েব ব্রাউজারের নাম দেওয়া হল। যেমন- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার (Internet Explorer), মজিলা ফায়ারফক্স (Mozilla Firefox), অপেরা মিনি (Opera Mini), গুগল ক্রোম (Google Chrome) ইত্যাদি।
ফটোশপ:
ওয়েব ডিজাইন এর জন্য ফটোশপ এর বেসিক ধারণা থাকলেই চলবে। এখানে ফটোশপের যে মূল কাজটি শিখতে হবে, তাহল পিএসডি থেকে এইচটিএমএল (PSD to HTML) টেমপ্লেট বানানো। এছাড়া ছবি সাইজ করা, লোগো, ব্যানার, বাটন ইত্যাদি তৈরী করা জানতে হবে।
কোথায় কাজ করবেন?
ফ্রিলান্স মার্কেটপ্লেসে ওয়েব ডিজাইন এবং ফ্রন্ট-ইন্ড-ওয়েব ডেভেলপমেন্টের হাজারো কাজ পাওয়া যায় এবং এই ধরনের কাজে প্রতিদ্বন্দ্বিতা তুলনামূলক কম তবে চাহিদা বেশি। তাই সহজে কাজ পাবেন এবং এধরনের কাজের দামও বেশি। একজন সাধারনমানের ফ্রিলান্সারের ঘণ্টাপ্রতি কাজ করার রেট হয় ২ ডলার, কিন্তু একজন ওয়েব ডিজাইনার এর ঘণ্টাপ্রতি রেট শুরুতেই ১০ বা ১২ ডলার হয়ে থাকে। তবে অনেকের ধারনা ওয়েব ডিজাইন বা ডেভেলপমেন্ট শিখলে শুধু ফ্রিলান্স করতে হবে এবং না করলে আয় বন্ধ, তাদের জন্য বলছি, themeforest.net এবং এধরনের অনেক মার্কেট আছে যেখানে ওয়েব টেম্পলেট এবং ওয়েব ইলিমেন্ট খুবই ভালো দামে বিক্রি করা যায়। এক্ষেত্রে আপনি আপনার একটি ডিজাইন করা টেম্পলেট বহুবার বিক্রি করতে পারবেন এবং এবং কোয়ালিটি ভালো হলে প্রতিমাসে একেকটা টেম্পলেট এর আয় দিয়েই আপনি রাজার হালে চলতে পারবেন।
সারসংক্ষেপ যা বলা উচিত তা হচ্ছে, ওয়েব ডিজাইনার বা ডেভেলপার হতে হলে যেমন আপনার প্রচুর ধৈর্য আর সময়ের দরকার তেমনি আবার শিখে নিলে এটাই হচ্ছে উচ্চ আয়ের এবং সম্মানজনক পেশা।

হ্যালো বাংলাদেশ,Wisteria_iT এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা।outsourcing part 7নিজের ওয়েবসাইটঅনলাইন এ আয় করার ...
03/11/2018

হ্যালো বাংলাদেশ,
Wisteria_iT এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা।
outsourcing part 7

নিজের ওয়েবসাইট

অনলাইন এ আয় করার জন্য একটি ওয়েবসাইট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যারা ফ্রীলান্সিং করে টাকা আয় করেন- তারা অবশ্যই নিজেদের পোর্টফলিও ওয়েবসাইট তৈরি করেন। কারন, এর মাধ্যমে একজন বায়ার পছন্দের ওয়ার্কার এর সকল কাজের বিবরণ পান।

যেমনঃ কেউ এসইও করেন, কেউ বা সফটওয়্যার ডেভোলাপ করেন আবার কেউ আর্টিকেল লিখেন। এখন একজন বায়ার যদি ওয়ার্কার এর সকল কাজের বিবরণ একটা ওয়েবসাইট এ পান- তবে বায়ার এর জন্য এটা অনেক সুবিধা হয়। আমি নিজেই ওয়েবসাইট ডিজাইন ও ডেভলাপমেন্ট এর সাথে জড়িত। একটি নমকরা প্রতিষ্ঠানে ওয়েব ডেভলাপার হিসেবে কাজ করছি। যখন কোনো ওয়েবসাইট ক্রেতা ওয়েবসাইট ডিজাইন করাতে চান, তখন তাকে কিছু ডেমো ডিজাইন দেখাতে হয়। অথবা পূর্ব কাজের বর্ণনা দিতে হয়। এসব ব্যাপারে ফ্রীলান্সার দের জন্য ওয়েবসাইট অনেক দরকার।

শুধু মাত্র ফ্রীলান্সার দের জন্য নয়, যারা বিজ্ঞাপন এর মাধ্যমে টাকা আয় করতে চান তাদের জন্য নিজস্ব ওয়েবসাইট ছাড়া বিকল্প নেই। সারা বিশ্বের প্রতিটি দেশেই অনলাইন বিজ্ঞাপন ভিত্তিক ওয়েবসাইট পাওয়া যায়। আমি মনে করি, অনলাইন এ টাকা আয় করার সবচেয়ে নির্ভর যোগ্য মাধ্যম হলো বিজ্ঞাপন। আমি আমার নিজের ওয়েবসাইট এ ইয়াহু এর বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করি।

মাঝে মাঝে এক ক্লিকে আমি ৫ ডলার এর বেশি আয় করি। ওয়েবসাইট এ গুগল এডসেন্স এর বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে প্রতি মাসে হাজার হাজার ডলার আয় করা সম্ভব।

বিজ্ঞাপন ভিত্তিক ওয়েবসাইট এর জন্য ব্লগ বা নিউজপেপার ওয়েবসাইট বেশি প্রচলিত। এই ধরনের ওয়েবসাইট এ প্রচুর ভিজিটর থাকে। বিষয় ভিত্তিক ব্লগ তৈরি করতে পারলে, এতো টাকা আয় করা সম্ভব যে- চাকুরী করার দরকার হয় না। একটা কথা স্বাভাবিক- যেখানেই ভিজিটর সেখানেই টাকা। সবচেয়ে বেশি ভিজিটর দেখা যায় অনলাইন নিউস পেপার ওয়েবসাইট গুলোতে। নিত্য নতুন খবরের আশায় মানুষ দিনে অন্তত একবার পত্রিকার ওয়েবসাইট ভিজিট করে। তাই যেকোনো ছোট-বড় পত্রিকার জন্য অনলাইন ওয়েবসাইট থাকা জরুরী। এতে পত্রিকার প্রসারের সাথে সাথে অর্থ আয় করা যায়। আমার ধারনা বাংলাদেশে অনলাইন পত্রিকার ওয়েবসাইট গুলো মাসে ১০ লক্ষ টাকার বেশি আয় করে।

অনলাইন এ আয় করার আরো একটি উপযোগী মাধ্যম হলো- অনলাইন শপিং ওয়েবসাইট বা ই-কমার্স ওয়েবসাইট। বর্তমানে বাংলাদেশে ই-কমার্স ওয়েবসাইট এর প্রচুর চাহিদা ও সুযোগ রয়েছে। শপিং ওয়েবসাইট বা ই-কমার্স ওয়েবসাইট এ সরাসরি পন্য বিপনন বা কমিশন এর মাধ্যমে মাসে কয়েক লক্ষ টাকা আয় করা যায়। ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে যেকোনো পন্য বিক্রি করে, লক্ষ লক্ষ ক্রেতার মাঝে আপনার পন্য পৌঁছে দিতে শপিং ওয়েবসাইট বা ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি করুন। আজকের ডিল, বিক্রয় ডট কম এই ওয়েবসাইট গুলো ঘুরলেই বুজতে পারবেন- এই ধরনের একটা ওয়েবসাইট থেকে আপনি কত টাকা আয় করতে পারবেন।

অনলাইন ব্লগ না ম্যাগাজিন ওয়েবসাইট গুলো দিন দিন বাংলাদেশে অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। বেশির ভাগ ইংরেজী ব্লগ বা ম্যাগাজিন ওয়েবসাইট সরাসরি গুগল এডসেন্স ব্যবহার করে প্রচুর ডলার আয় করছে। আমার নিজের ডোমেইন-হোস্টিং প্রতিষ্ঠানে এরকম বেশ অনেক গুলো ওয়েবসাইট আছে যাদের মাসিক আয় ৩০০ ডলারের বেশি। আমি নিজেই অনেক গুলো ব্লগ বা ম্যাগাজিন ওয়েবসাইট এর ডিজাইন করেছি। বাংলা ব্লগ থেকেও এখন প্রচুর আয় সম্ভব। চাইলে আমার ডিজাইন করা কিছু ব্লগ বা ম্যাগাজিন ওয়েবসাইট, নিউজপেপার ওয়েবসাইট, শপিং ওয়েবসাইট বা ই-কমার্স ওয়েবসাইট, দেখতে পারেন- স্ক্রিনশর্ট দিলাম। আমার ডিজাইন করা ওয়েবসাইট গুলো কেমন লেগেছে জানাবেন। – ভালো লাগলে মনটা আনন্দে ভরে যাবে।

আপনার ওয়েবসাইট থেকে কিভাবে আয় করবেন?
নিম্নে বর্ণীত তিনটি পদ্ধতির মধ্যে একটি কিংবা সবগুলো অবলম্বন করলে আপনি অনলাইনে ইনকাম করতে পারবেন,
১। পে-পার-ক্লিক এডস্
২। এফিলিয়েট ব্যানারস্/লিঙ্কস্
৩। কনসাল্টেন্সি/ ফ্রিল্যান্স সার্ভিস

পে-পার-ক্লিক এডস্
পে পার ক্লিক ওয়েবসাইট থেকে টাকা রোজগারের একটি প্রায় স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি। এখানে আপনি আপনার ভিজিটরদের মাধ্যমে টাকা উপার্জন করবেন। মানুষ যখন আপনার ওয়েবসাইটে আসবে তখন তারা আপনার ওয়েবসাইটের এডগুলোতে ক্লিক করতে পারে। Google adsense এ সাইন আপ করুন আর কিছু এড বক্স নিজের ওয়েবসাইটে রেখে দিন। এছাড়াও আরেকটি সাইট আছে InfoLinks -এরা আপনার ওয়েবসাইটের কনটেন্টের কিওয়ার্ড গুলোকে এড লিঙ্ক হিসেবে ব্যবহার করে আর এটা Google adsense এর মতই কাজ করে।

এফিলিয়েট ব্যানারস্/লিঙ্কস্
অনেক ওয়েব সার্ভিসই এফিলিয়েট এর মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীদের কিছু কমিশন দেওয়ার বিনিময়ে ইনকাম করছে। আপনি আপনার হোস্টিং একাউন্ট দিয়ে এফিলিয়েট হিসেবে কাজ শুরু করতে পারেন।এছাড়াও আপনি চাইলে বিভিন্ন ওয়েব হোস্টিং কোম্পানীর এফিলিয়েটও হতে পারেন। এরজন্যে আপনার ওয়েব হোস্টিং এর দরকার পড়বে। এফিলিয়েট হিসেবে কাজ পেতে এগুলো ছাড়াও আরো রয়েছে ClickBank (ডিজিটাল পন্য, ই-বুক, সফটওয়্যার ইত্যাদি) অথবা Amazon (বিভিন্ন ধরনের পন্যের জন্য) আপনার সাইটে এফিলিয়েট ব্যানার বা এফিলিয়েটদের উপর রিভিউ লিখলে আপনার ভিজিটরগণ সেগুলোতে ক্লিক করতে আগ্রহী হবেন।

কনসাল্টেন্সি/ ফ্রিল্যান্স সার্ভিস
পেশাদার সার্ভিস দিন, অবশ্যই আপনার ওয়েবসাইটে কনসাল্টেন্সি সার্ভিস অথবা ফ্রিল্যান্স সার্ভিস এর উপর একটা পেজ গড়ে তোলা উচিত। এছাড়াও আপনি ভার্চুয়াল এসিস্টেন্ট, কপিরাইটার, লোগো ডিজাইনার এর কাজও করতে পারেন।এর মাধ্যমে আপনার কিছু ভিজিটর আপনার কাজের ক্লায়েন্ট বা গ্রাহক হতে পারবে।oDesk হল একটি জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস।
উপরোক্ত ৩টি পন্থা অনুসরণ করলে আপনি ভালোই ইনকাম করতে পারবেন!

হ্যালো বাংলাদেশ,Wisteria_iT এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা।outsourcing par 6ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কি?ওয়েব ডেভেলপম...
03/11/2018

হ্যালো বাংলাদেশ,
Wisteria_iT এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা।
outsourcing par 6

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কি?
ওয়েব ডেভেলপমেন্ট হচ্ছে ওয়েবসাইটের জন্য এপ্লিকেশন তৈরী করা,যেমন লগিন সিস্টেম, নিউজলেটার সাইনআপ, পেজিনেশন, ফাইল আপলোড করে ডেটাবেসে সেভ করা।যদি ফ্রিল্যান্সিং করেন তাহলে ক্লাইন্টের চাহিদা অনুযায়ী এমনও এপ্লিকেশন তৈরী করা লাগতে পারে যার অস্তিত্ব পৃথিবীতে নেই।এই বিষয়টি বেশি চ্যালেন্জিং এবং ডাইনামিক।অর্থ্যাৎ আপনাকে এপ্লিকেশন ডিজাইন করতে হবে।তাই ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কে আরও সুনির্দিষ্ট করে বলা যায় ওয়েব এপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট।
ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখতে যেসব জানতে হবে
এইচটিএমএল, সিএসএস এবং এরপর নিচেরগুলি..
ক্লাইন্ট সাইড প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ যেমন জাভাস্ক্রিপ্ট :
এটাকে ব্রাউজার স্ক্রিপ্টিং ও বলা হয় অর্থ্যাৎ এই ল্যাংগুয়েজ দিয়ে লেখা কোড শুধু কোন ব্রাউজারে (যেমন ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, মজিলা ফায়ারফক্স, অপেরা, গুগল ক্রোম ইত্যাদি) কাজ করবে।জাভাস্ক্রিপ্টের ফ্রেমওয়ার্ক দিয়ে দ্রুত কাজ করা যায়।এরুপ একটি ফ্রেমওয়ার্ক জেকোয়েরি টিউটোরিয়াল।
সার্ভার সাইড প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ যেমন পিএইচপি :
এটাকে সার্ভার সাইড স্ক্রিপ্টিং বলা হয় কারন এই ল্যাংগুয়েজ দিয়ে লেখা কোডগুলি শুধু সার্ভারে এক্সিকিউট হয়।
ডেটাবেস :
পিএইচপি দিয়ে কিভাবে ডেটাবেস সংযোগ করতে হয়, এসকিউয়েল দিয়ে ডেটাবেস বানানো অর্থ্যাৎ ডেটাবেস ডিজাইন জানতে হবে কারন এখন যেকোন ডাইনামিক সাইটের ডেটাবেস আছে অথবা বলতে পারেন ডেটাবেস থাকতেই হয়।
পিএইচপি এর যেকোন একটা ফ্রেমওয়ার্ক যেমন কোডইগনাইটার :
(আরও আছে যেমন কেক পিএইচপি, জেন্ড ফ্রেমওয়ার্ক, সিমফনি, ওয়াই আইআই, কোহানা ইত্যাদি একটা শিখলেই চলবে) : কোন ফ্রেমওয়ার্ক ছাড়াও ওয়েব এপ্লিকেশন তৈরী করতে পারবেন তবে এতে বেশি সময় লাগবে এবং বেশি কোড লিখতে হবে।
এক্সএমএল :
ওয়েব এপ্লিকেশন তৈরীতে এক্সএমএল লাগে।
কিভাবে শিখবেন ওয়েব ডেভেলপমেন্ট
প্রথমেই আপনাকে মনস্থির করতে হবে যে কমপক্ষে দুই বছর সময় ব্যয় করবেন শুধু শেখার জন্য। তারপর ফেসবুকের দুইটা গ্রুপে যোগ দিবেন একটা হল আর আর ফাউন্ডেশনের অফিসিয়ার গ্রুপ আর একটি হল odesk help গ্রুপ। গ্রুপে যোগ দিয়েই প্রথমেই গ্রুপের ফাইল গুলো পড়ে ফেলেন । প্রথমে কিছুই বুঝবেন না তারপরও ধৈর্য ধরে পড়ে ফেলেন। এরপর গ্রুপে যে যত পোষ্ট দিবে নিয়মিত পড়তে থাকেন।
তারপর আর আর ফাউন্ডেশনের বেসিক এইচটিএমএল টিউটোরিয়াল দেখেন ।পারলে সাথে বিডি গিকস্ এর এইচটিএমএল টিউটোরিয়ালও দেখতে পারেন। এরপর সিএসএস এবং সাথে ফটোশপের টিউটোরিয়াল দেখেন । আপনি টিউটোরিয়ালগুলো এক সপ্তাহে শেষ করতে পারবেন। ভুলেও এরকম করবেন না , অন্তত তিন মাস সময় দিন এইচটিএমএল, সিএসএস এবং ফটোশপ শিখতে ।কারন মনে রাখবেন এটাই আপনার ভিত্তি । এই ভিত্তি যত মজবুত হবে সামনের পথ গুলো তত সহজ হবে।
বাংলা টিউটোরিয়াল দেখার পড় অবশ্যই ভাল মানের কোন ইংরেজী টিউটোরিয়াল দেখুন। ইংরেজী ফ্রি টিউটোরিয়াল সাইট লিস্ট আমাদের টিউটোরিয়াল রিসোর্স পেজে দেয়া আছে ।
এই অংশটি মনোযোগ দিয়ে পড়েন –
এরপর পথ আপনার দুইটি ।
এক যেকোন একটি সিএমএস যেমন – ওয়ার্ডপ্রেস, জুমলা ইত্যাদি শেখা ।
দ্বিতীয় অন্যান প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ শিখে নিজেকে একজন ওয়েব ডেভালপার হিসেবে গড়ে তোলা।
যদি সিএমএস শিখতে চান অবশ্যই আপনাকে জাভাস্ক্রীপ্ট , জেকুয়েরি , পিএইচপি সম্পর্কে বেসিক ধারনা থাকতে হবে।এগুলো শেখা ছাড়াও আপনি সিএমএস শিখতে পারবেন তবে প্রফেশনালি কাজ করা কঠিন হয়ে যাবে।
আপনার খুব ভালভাবে শেখার দরকার নেই অথবা প্রোগ্রামিং জানার দরকার নেই ।

আপনি শুধু জানবেন কোন কোড দিয়ে কিভাবে কাজ করে ।

দ্বিতীয়ত আপনি জাভাস্ক্রীপ্ট,জেকুয়েরি , পিএইচপি, মাইএসকিউএল ইত্যাদি ল্যাংগুয়েজ খুব ভালভাবে শিখতে পারেন এক্ষেত্রে আপনার সময় লাগবে বেশি এবং অনেক শ্রম দিতে হবে।তবে একটা কথা সত্য এই রকম ডেভালপারের চাহিদা বাজারে অনেক বেশি । একটু কষ্ট করে দুই তিন বছরে যদি শিখতে পারেন কাজই আপনার পেছনে ঘুরবে আপনার কাজের পেছনে ছুটতে হবে না।
আশাকরি ভাল একটি ধারনা পেয়ে গেছেন। এবার আপনিই সিদ্ধান্ত নেন কোন পথে যাবেন।
কোথায় শিখবেন ?
এখন অনলাইনে এত রিসোর্স যে খুব সহজে একা একাই আপনি শিখতে পারবেন।
w3schools যেখানে সব টিউটোরিয়াল রিসোর্স পাবেন। আর টুলস্ পেজে পাবেন সব রকম টুলস্ । অথবা বিভিন্ন প্রকার ট্রেনিং সেন্টার থেকেও শিখতে পারেন। একটা ব্যাপারে লক্ষ্য রাখবেন ।আমাদের দেশে এখন পযর্ন্ত ভাল মানের ট্রেনিং সেন্টার আছে হাতে গোনা কয়েকটি।

হ্যালো বাংলাদেশ,Wisteria_iT এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা।outsourcing part 5রেভেনিউ শেয়ারিংরেভেনিউ শেয়ারিং ...
03/11/2018

হ্যালো বাংলাদেশ,
Wisteria_iT এর পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা।
outsourcing part 5

রেভেনিউ শেয়ারিং

রেভেনিউ শেয়ারিং কি?
প্রথমেই যারা জানেন না তাদের জন্য একটু বলে নিই রেভেনিউ শেয়ারিং জিনিস টা কি– সহজ কথায় রেভেনিউ শেয়ারিং হচ্ছে বাস্তব জগতের শেয়ার মার্কেটং এর মত অনলাইনে শেয়ার কেনা।
আপনি যে কোন একটা পেমেন্ট মেথোড এর মাধ্যমে ডলার ইনভেস্ট করবেন এবং বলা যায় কোন কাজ করা ছাড়াই আপনি ৩ থেকে ৪ সপ্তাহের মধ্যে তা ফেরত পাবেন।

Revenue Share সাইট গুলো হচ্ছে বর্তমানে সবচেয়ে দ্রুত আয় করার একটি মাধ্যম।
এই সাইটগুলো থেকে প্রতিটি পিটিসি এড এর ১০০% কমিশন পাওয়া যায় এবং প্রতিটি শেয়ারে ১২০% Revenue কমিশন এবং রেফারেন্স এর শেয়ার থেকে ২০% কশিমন পাওয়া যায়।
এই সাইটগুলোতে প্রতিদিন সর্বনিম্ন ১০ সেন্টের এড দিয়ে তাকে। তাই এই সাইটগুলোতে সামান্য কিছু একটি রেফারেন্স হলেই আপনি ভাল একটা এনকাম করতে পারবেন যেমনঃ প্রতিদিন ৫-১০ ডলার।

শেয়ারের মাধ্যমে ইনকামঃ
শেয়ারের মাধ্যমে ইনকাম করা খুবই সহজ একটা পদ্ধতি। আপনি শুদু তাদের নির্দারিত টাকা ইনভেস্ট করে প্রতিদিন Surf অথবা ব্যানারে ক্লিক করলে আপনার একাউন্ট টাকা জমা হতে তাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত টাইম দিওয়া থাকে। এখন আপনি যদি একসাথে অনেকগুলো শেয়ার পারসেস করে রাখেন তাহলে কোনো রেফারেন্স ছাড়া্ই ভাল একটা কমিশন একাউন্টে যোগ হবে।
মনে করেন আপনি Trafficmonsoon এ ৫ টি শেয়ার পারসেস করলেন ৫০ ডলার করে।
Trafficmonsoon প্রতিটি শেয়ার এ প্রতিদিন ১ ডলার করে ৫৫ ডলার ফিরিয়ে দেয়।
তাহরে আপনার একাউন্ট প্রতিদিন ৫ টি শেয়ার থেকে ৫ ডলার করে জমা হবে ৫৫ দিনে ২৭৫ ডলার জমা হবে এবং আপনার শেয়ারগুলো বন্ধ হয়ে যাবে।
এখন ৫ টি শেয়ার পারসেস করতে আপনার করচ হলো ২৫০ ডলার ৫৫ দিনে আপনার লাভ হলো ২৫ ডলার।
এগুলো শুধু আপনার শেয়ারের লাভ।
এখন আপনার ৫ টি শেয়ার থেকে যখন ১০ দিনে ৫০ আপনার একাউন্ট জমা হবে তখন আপনি আরও একটি শেয়ার পারসেস করে রাখতে পারেন তাহলে আনার একটিব শেয়ার হবে ৬ টি প্রতিদিন আসবে ৬ ডলার করে। এই ভাবে শেয়ার বাড়াতে হবে।

শেয়ারথেকে কিভাবে বেশি ইনকাম হয়ঃ
মনে করুন এই প্রসেসে আপনার ১০০টি একটি শেয়ার হয়েছে।
তাহলে আপনার প্রতিদিন আসবে ১০০ ডলার শেয়ার থেকে। ৫৫ দিনে ১০০টি শেয়ার থেকে ৫৫০০ ডলার।
১০০ টি শেয়ার পারসেস করতে খরচ হবে ৫০০ ডলার যা আপনি চাইলে ১ টি শেয়ার থেকেও করতে পারেন সময় বেশি লাগবে। তাহলে আপনার ১০০ টি শেয়ার থেকে ৫৫ দিনে লাভ হল ৫০০ ডলার।
এইভাবে আপনি যত বেশি শেয়ার একটিব করবেন আপনার কমিশন তত বেশি হবে।

১টি শেয়ার থেকে কিভাবে ১০০টি শেয়ার করবেনঃ
আজ আপনি ১টি শেয়ার পারসেস করলেন। ৫০ দিনে এই শেয়ার থেকে ৫০ ডলার আপনার একাউন্টে জমা হবে।
তখন এই ৫০ দিয়ে আরেকটি শেয়ার পারসেস করলেন এখন আপনার ২ টি শেয়ার একটিব একটি শেয়ার এর মেয়াদ ৫ দিন আর আরেকটি শেয়ারের মেয়া ৫৫ দিন।
প্রথম ৫ দিনে আপনার একাউন্ট জমা হবে ১০ ডলার তাহলে পরবর্তি ৪০ দিনে আপনার একাউন্ট ৫০ ডলার হয়ে যাবে। তাহলে এই ৫০ ডলার দিয়ে আরও একটি শেয়ার পারসেস করতে পারবেন তাহলে এখন পুরাতন শেয়ার এর মেয়াদ তাকবে ১০ দিন। দুইটি শেয়ারে প্রথম ১০ দিনে আসবে ২০ ডলার তার পরের ৩০ দিনে একাউন্টে ৫০ ডলার হয়ে যাবে। তখন আরেকটি শেয়ার পারসেস করে নিলেন তখন আপনার শেয়ারের এক্ট্রা মেয়াদ তাকবে ১৫ দিন এইভাবে ৫ দিন ৫দিন করে ৫৫ দিনে যাবার পর আপনার একটি আনার একাউন্টে ২ একটিব শেয়ার তাকবে এই ভাবে আপনি যত খুশি শেয়ার একটি করতে পারেন। তবে ১ টি থেকে ১০০ টিতে যেতে অনেক সময়ের প্রয়োজন। আমি বলব প্রথেম বার একসাথে সর্বনিম্ন ৫ শেয়ার পারসেস করতে।
তাহলে তারাতারি একটি ভাল জায়গায় পৌছা সম্ভব।
শেয়ার রিভিনিউ সাইটগুলোর মধ্যে সবচেযে বেশি দামের শেয়ার হচ্ছে Trafficmonsoon-এ এখানে আমি এই সাইটের নিয়মটি উল্লেখ করেছি। বাকি সাইট গুলোতেও একই নিয়মে শেয়ার বাড়াতে পারবেন এবং শেয়ার এর দামও কম বাকি সাইটগুলোতে।

কিভাবে ৫-১০ ডলার ইনকাম হবেঃ
মনে করুন আপনার ৫ টি Share Revenue সাইটে একাউন্ট আছে এবং প্রতিটি সাইটে ১০ জন একটি রেফারেন্স আছে তাহলে আপনার প্রতিদিনের সর্বনিম্ন ইনকাম হচ্চে ১০ জন রেফারেন্স × ১০ সেন্ট এড = ১ ডলার × ৫ টি সাইট = ৫ ডলার।
এখন আপনার যদি ২০ জন একটিব রেফান্সে তাকে তাহলে আপনার প্রতিদিনের সর্বনিম্ন ইনকাম হচ্ছে ২০ জন রেফারেন্স × ১০ সেন্ট এড = ২ ডলার × ৫ টি সাইট = ১০ ডলার।
এখন আপনার যদি ৫০ জন একটিব রেফান্সে তাকে তাহলে আপনার প্রতিদিনের সর্বনিম্ন ইনকাম হচ্ছে ৫০ জন রেফারেন্স × ১০ সেন্ট এড = ৫ ডলার × ৫ টি সাইট = ২৫ ডলার।
এখন আপনার যদি ১০০ জন একটিব রেফান্সে তাকে তাহলে আপনার প্রতিদিনের সর্বনিম্ন ইনকাম হচ্ছে ১০০ জন রেফারেন্স × ১০ সেন্ট এড = ১০ ডলার × ৫ টি সাইট = ৫০ ডলার।
এইভাবে আপনি যত রেফারেন্স করবেন আপনার কমিশন তত বেশি আসবে। এই কমিশন এর সাথে আনার প্রতিদিনের এনকামও যোগ হবে।

পেমেন্ট কিভাবে নিবেনঃ
এই সাইটগুলোতে সাধারণত পেপাল, পেইজা, সলিডট্রাস্ট এবং আরও কিছু অনলাইন ই-ওয়ালেট দেওয়া তাকে যার মাধ্যমে আপনি আপনার আয় করা টাকা তোলতে পারবেন।
এই সব ই-ওয়ালেট থেকে সরাসরি ব্যাংকে টাকা টান্সফার করে আপনি হাতে টাকা নিতে পারবেন।

হ্যালো বাংলাদেশ   #শক্তি_রেখে_যারা_চলে_তারা_হারে_নাব্যার্থতা একটা পরিক্ষা মাত্র,স্বীকার করো কী ঘাড়তি রয়েছে,দেখো পূরণ করো...
22/09/2018

হ্যালো বাংলাদেশ
#শক্তি_রেখে_যারা_চলে_তারা_হারে_না
ব্যার্থতা একটা পরিক্ষা মাত্র,স্বীকার করো কী ঘাড়তি রয়েছে,দেখো পূরণ করো,যতক্ষন না সফল হও শান্তির গুম ত্যাগ করো,লড়াই করো মাঠ ছেড়ে পালিয়ে যেয়োনা, কিছু না করলে জয়ের ধনী শুনা যায় না,
যে শক্তি রেখে চলে,সে কখনো হারে না✅✅✅✅✅

Wisteria IT Limited (WIT) is a Bangladeshi-based custom software engineering company. Our main focus is providing innovative solutions for web, desktop and mobile platforms. We offer software development as well as mobile application design and developmen

Address

F2, House-10, Road-16/A, Gushan/1
Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Wisteriait posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Wisteriait:

Share