Software Development Bangladesh Ltd

Software Development Bangladesh Ltd Software Engineering Service for Bangladesh

Applies to all of us in our jobs.
02/02/2022

Applies to all of us in our jobs.

13/11/2021

যেদিন কেউ চাকরি হারিয়ে চোখের পানি মুছছে,সেদিনও কেউ না কেউ চাকরিতে প্রমোশন পেয়ে দামি রেষ্টুরেন্টে ট্রিট দিচ্ছে।
লাইফে কিছু একটা করতে না পারার কারণে যেদিন আপনাকে ছেড়ে কেউ একজন চলে গেছে, সেদিনও কোনো এক প্রতিষ্ঠিত ছেলের কাছে কয়েকটা মেয়ের বিয়ের বায়োডাটা এসেছে।
হাত পা গুটিয়ে বসে না থেকে সিরিয়াসলি এবার লাইফটাকে নিয়ে ভাবুন। আজীবন সময় দিয়েছেন নিম গাছের নিচে আর এখন বলেন জীবন এত তিতা কেন?
দোষটা কার ছিল? যার কিছু নেই, তার কেউ নেই। ভাঙা সিন্দুকে কেউ টাকা রাখে না, নষ্ট ঘড়ির কেউ যত্ন নেয় না। এই সিম্পল হিসেবটা কেন বুঝেন না?
আপনি যখন রাত জেগে দুনিয়ার হতাশা লিখে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে কমেন্টে সিমপ্যাথি আদায় করছেন, তখন হয়তো অপরপ্রান্তে কেউ রাত জেগে ফ্রিল্যান্সিং করছে।
আপনি কমেন্টে প্রচুর সিমপ্যাথি পাবেন, আর সে পাবে একাউন্টে টাকা। হিসেবটা খুব সিম্পল- যে যেটার জন্য কাজ করেছে সে সেটাই পেয়েছে।
আপনি যখন স্টুডেন্ট লাইফে বাবার টাকায় বন্ধুদের সাথে মাস্তি করে দামি রেস্টুরেন্টে খেয়ে ফেসবুকে চেক ইন দিতেন, তখন আপনার কোনো এক বন্ধু ক্লাস এসাইনমেন্ট আর নোট নিয়ে ব্যস্ত ছিল।
কয়েকটা বছর শেষে ফলাফল - সে এখন বড় কোম্পানির সিনিয়র অফিসার হয়ে যখন দামি রেস্টুরেন্টে অফিশিয়াল মিটিং করে, আর আপনি দুর্বল সিজিপিএ'র সার্টিফিকেট নিয়ে টঙের দোকানে চা খেতে খেতে চাকরির বিজ্ঞপ্তি খুঁজেন। এতটুকু পার্থক্য তো হওয়ারই কথা!
যে বয়সে লাইফটাকে আপনার জয় করার কথা আপনি সে বয়সে করেছেন এনজয়, তাই যখন এনজয় করার সময় তখন বেকারত্ব জয় করতেই হিমশিম খাচ্ছেন; এনজয় তো অনেক দূরের বিষয়।
আপনার বন্ধু যখন বিসিএস ক্যাডার কিংবা ব্যাংক অফিসার হয়ে বিয়ের জন্য পাত্রী খুঁজছে, আপনি তখন টিকে থাকার জন্য সামান্য একটা চাকরিই খুঁজছেন। কারণ আপনি যখন ক্লাস ফাঁকি দিয়ে ডেটিং করতেন, আপনার এই বন্ধুটিই তখন ক্লাসে বসে নোট করত। আজ আপনার ডেটিং পার্টনার গুলো একটাও নেই। তারা আজ প্রতিষ্ঠিত কারো লাইফ পার্টনার।
দিন শেষে হতাশ হয়ে বলেন -'শালার, ভাগ্যটাই খারাপ'! No dear, You are totally wrong. আপনার ভাগ্য আজ আপনাকে এখানে আনেনি, আপনিই আপনার ভাগ্যকে এত নিচে নিয়ে এসেছেন। বাড়ির পাশে ময়লা ফেলে তা থেকে কিভাবে ফুলের সুবাস আশা করেন? কাজ যা করেছেন রেজাল্ট ও তাই।
সুতরাং, সময় থাকতেই যেন আমরা সময়ের মূল্য বুঝি। কারণ প্রত্যেকটি মুহূর্তই জীবনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
--- !

ফ্রিল্যান্সিং করেন বা করতে চাচ্ছেন কিন্তু ভালো ইংরেজী পারেন না তাদের জন্য অল্প সময়ে স্বল্পমুল্যে ইংরেজী শেখার কোর্স।👇htt...
03/08/2021

ফ্রিল্যান্সিং করেন বা করতে চাচ্ছেন কিন্তু ভালো ইংরেজী পারেন না তাদের জন্য অল্প সময়ে স্বল্পমুল্যে ইংরেজী শেখার কোর্স।
👇
https://10minuteschool.com/skills/courses/14?aff=SFB008

দারুণ সব অ্যানিমেটেড মুভি আমরা যখন দেখি, মনের ভেতর থেকে অজান্তেই একটা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে আসে ইশ, আমাদের দেশেও যদি এমন একট...
29/07/2021

দারুণ সব অ্যানিমেটেড মুভি আমরা যখন দেখি, মনের ভেতর থেকে অজান্তেই একটা দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে আসে ইশ, আমাদের দেশেও যদি এমন একটা দারুণ অ্যানিমেটেড মুভি বা কার্টুন হতো? কিন্তু এখন নিজের মন মতো দারুণ সব অ্যানিমেশন বা কার্টুন বানিয়ে আপনি নিজেও পারবেন অন্যকে চমকে দিতে। কি বিশ্বাস হচ্ছে না তো?
রবি টেন মিনিট স্কুল নিয়ে এলো Cartoon Drawing & Animation Course. যেখানে কার্টুন এক্সপার্ট অন্তিক মাহমুদের সাথে আপনি শিখবেন Adobe Animation ব্যবহার করে অ্যানিমেশন, Premiere Pro এর মাধ্যমে ভিডিও এডিটিং, সাউন্ড ডিজাইনিং এর বেসিক সব বিষয়গুলো। আর সফলভাবে কোর্সটি শেষ করে মিলবে সার্টিফিকেটও।
তাই তো, নিজেকে একজন সার্টিফাইড কার্টুনিস্ট হিসেবে গড়ে তুলতে এখনই Enroll করুন Cartoon Drawing & Animation Course এ
Enroll: https://10minuteschool.com/skills/courses/18?aff=SFB008

23/06/2021

অনেকেই মেসেজ করে, ফ্রিল্যান্সিং শেখার জন্য ভালো কোন প্রতিষ্ঠান এর খোজ করে থাকেন। আপনার হাতে কি আগামী ৩ মাস প্রতিদিন ৬ থেকে ৭ ঘন্টা সময় আছে? আপনি কি এই সময়টুকু কম্পিউটার ব্যবহার করে কাজ শিখতে পারবেন ?

বাংলাদেশে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শেখার জন্য যতগুলো কোর্স আছে তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে প্রোগ্রামিং হিরো ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কোর্স। এখন পর্যন্ত সাফল্যের সাথে ৩টি ব্যাচ শেষ হয়েছে যাদের অনেকেই জব করছেন দেশ ও দেশের বাইরে। কেউ কেউ আবার শুরু করেছেন ফ্রিল্যান্সিং।

আগামী কাল ২৪ তারিখ চতুর্থ ব্যাচের রেজিষ্ট্রেশন করার শেষ দিন।

https://web.programming-hero.com/

30/05/2021

এই ব্যাটা ফ্রিল্যান্সার নাসিম একজন বাটপার। অনলাইনে আসা নতুন ছেলেদের সামনে নিজের ভুয়া বানোয়াট কল্পকাহিনী শূনায় তাদের টাকা মেরে খাওয়া ই তার কাজ।
কোন কাজ সহজ না, অন্তত আয় করা সহজ কাজ না। পৃথিবীতে আয় করা সহজ কাজ হলে মানুষ মাটি খুড়তো না, রিক্সাওয়ালারা সারাদিন প্যাডেল চালাইতো না, দুনিয়ায় কেউ অভাবে থাকতো না। আয় করা কঠিন, এন্ড এটার জন্য কিছু না কিছু জানা দরকার। কিছু না জেনে আয় করা যায় এমন কোন কাজের কথা আমার মাথায় আসতেছে না।
এরকম প্রতারক একটা দুইটা না, পুরা ইন্টারনেট ভর্তি। এখন কাজ শিখতে কাউকে টাকা দিতে হয় কেন এইটাই আমার বুঝে আসে না। অনেক দারুন দারুন টিউটোরিয়াল,ফুল ক্লাস ইউটিউবেই আছে।

27/03/2021

মানুষ মাত্রই জাজমেন্টাল। এটা পৃথিবীর সব দেশেই বিদ্যমান। যেমন আমাদের অনেকের ধারনা, আফ্রিকার মানুষ গুলো হয়তো অনেক খারাপ হয়। কালো বাচ্চারা দুষ্টামি করলে মেজাজ খারাপ লাগে। ফর্শা বাচ্চারা করলে মনে হয় কত কিউট। এমনকি ধর্ম ভিত্তিক এরকম ধারনাও পোষণ করে কম বেশী সবাই। কোন নির্দিষ্ট ধর্ম, গোত্র, লোকেশনের মানুষদের প্রতি হয়তো নেগেটিভ ধারনা থাকে।

বেপারটা আসলে এমন কেন?
এটা বুঝতে হলে আমাদের হেলো ইফেক্ট এবং হর্ন ইফেক্ট বুঝতে হবে। আমরা আসলে আমাদের পুর্ব অভিজ্ঞতা থেকে সব কিছু ডিফাইন করতে চাই।

উদাহরণঃ
ধরেন আমি দেখেছি আমার কোন এক বন্ধু, যে পড়াশুনাতে অমনোযোগী ছিল, এবং পরিবর্তিতে সে হয়তো নষ্ট হয়ে গিয়েছে, বখাটে হয়ে গিয়েছে। এই অভিজ্ঞতা আমার সাবকন্সাস মাইনড এ স্টোর হয়ে যাবে। শুধু তাই না, এই অভিজ্ঞতা আমাকে পরবর্তিতে এই রেফারেন্সকে কেন্দ্র করে জাজ করতে উৎসাহিত করবে। আমি যখনি দেখবো কেউ পড়ালেখাতে অমনোযোগী, আমি জাজমেন্ট করে ফেলবো, ও বখাটে হতে যাচ্ছে। এবং এটাকে জাজ করেই আমি পরবর্তি এপ্রোচ নিব।

এটি কিন্তু জব ইন্টার্ভিউ নেয়ার সময় প্রচুর হয়ে থাকে। যেমন ধরেন, আমাদের পুর্ব অভিজ্ঞতা বলছে ইন্টার্ভিউ দিতে আসলে ফর্মাল ড্রেস পরে আসা উচিত। এখন কোন একজন যদি টিশার্ট পরে ঢোকে, তাহলে সাথে সাথেই আমার সাবস্কন্সাস মাইন্ড তার টিশার্ট এর উপর বেসড করে জাজ করে ফেলবে। মনে হবে সে স্কীল্ড না, প্রফেশনাল না। তাকে হায়ার করা উচিত না। এটিই হর্ন ইফেক্ট।

আমার সাবকন্সাস মাইন্ড তার টিশার্ট এর উপর বেসড করে আমাকে বাকি সিন্ধান্ত গুলো নিতে উৎসাহিত করছে। কিন্তু আমি যদি নিউট্রাল থেকে তার সাথে কথা বলি, হয়তো আমার ধারনাই পাল্টে যাবে, হয়তো উনিই সেরা ক্যান্ডিডেট ছিলেন।

এই হর্ন ইফেক্ট এর উপর অনেক কেস স্টাডি আছে। একটি শেয়ার করছি।

একটি আর্ট এক্সিবিশন গ্যালারি। খুবই জনপ্রিয় একজন আর্টিস্ট। এবং আর্টিস্ট হিসেবে উনার নাম ম্যানশন করা হয়েছে এক্সিবিশন এ। এবং উনি নিজে উপস্থিত ছিলেন, এবং সবার সাথে খুব কনফিডেন্ট এর সাথে কথা বলছিলেন। সবাই উনার কাজের প্রচুর প্রশংসা করলেন। এবং সিক্রেট সার্ভেতে উনাকে ৮.৯ স্কোর দিয়েছেন ১০ এর মধ্যে।

একই সব কিছু, নতুন এক গ্রুপের মানুষকে আমন্ত্রণ জানানো হল। এবার পরিচিত একজন আর্টিস্ট এর নাম সরিয়ে একজন অপরিচিত আর্টিস্ট এর নাম দেয়া হল। এবং আর্টিস্ট ছদ্যবেশে গেস্ট দের সাথে কথা বললেন। তবে এবার তার গেটাপ একটু অদুভৎ এবং কথার ধরনটাও কিছুটা এলোমেলো। একি ছবি, কিন্তু এবার ফিডব্যাক আসলো ৫, ১০ এর মধ্যে।

এখানে আসলে কী ঘটেছে?
আর্টিস্ট এর পোশাক, কথার ধরন, এবং উনি নিজে অপরিচিত হওয়ার কারনে শুরুতেই মানুষ এক ধরনের জাজমেন্ট করে ফেলেছে। এবং তার উপর বেসড করে মার্কিং দিয়েছে। অন্যথায়, একই চিত্রকর্ম, এত পার্থক্য হওয়ার কথা না।

এরকম আরো মজার অনেক কেস স্টাডি আছে। অথবা আপনি নিজের অভিজ্ঞতা গুলো থেকে যদি ভাবেন, দেখবেন আপনি নিজেও এভাবে অনেককে জাজ করেছেন এবং অনেকের দ্বারা জাজ হয়েছেন।

ছোট একটি স্ট্যাটাস লিখতে গিয়ে অনেক বড় রচনা লিখে ফেললাম :)

- Nahid

23/02/2021

কামাল, জামাল ও মফিজ তিন ক্লাসমেট।
ভার্সিটিতে ঢুকেই কামাল কনটেস্ট প্রোগ্রামিং করা শুরু করে। শুরুতে খুব বেশি ভালো না পারলেও তার প্রবলেম সলভিং করতে বেশ ভালো লাগে। একবার ব্লু কোডার হওয়ার পর থেকে তার প্রোগ্রামিংয়ের নেশা পেয়ে যায়। সে রেড কোডার হওয়ার স্বপ্ন দেখা শুরু করে আর দিনরাত কোডিং করতে থাকে। পরীক্ষার আগের রাতেও প্রবলেম সলভ করে সাবমিট করে। সারাদিন প্রোগ্রামিং করতে করতে তার আর সিজির চিন্তা থাকে না। রেজাল্ট খারাপ হয় কিন্তু তারপরও সে কনটেস্ট করতেই থাকে। রেড কোডার হতে না পারলেও ভার্সিটির শেষ করে সে পারপল কোডার হয়ে।
জামালের শুরু থেকেই ডেভেলপমেন্টের কাজ বেশ ভাল লাগত। দ্বিতীয় সেমিস্টারের থাকতেই সে তার প্রথম ওয়েবসাইটটি বানায়। এরপর এটার একটা নেশা পেয়ে যায়। কাজ করতে করতে একপর্যায়ে তার স্কিল অনেক বেড়ে যায়। দুইটা স্টার্টাপের হয়েও কাজ করা শুরু করে সে। পরীক্ষার আগের রাতেও দেখা যায় সে তার ওয়েবসাইট নিয়ে কাজ করছে। ফলাফল, রেজাল্ট খারাপ হয়। ফাইনাল ইয়ারে এসে সে নিজেরই একটা স্টার্টআপ দিয়ে দেয়।
এবার আসি মফিজের কথায়। মফিজের ধারণা ভার্সিটি লাইফটা ইনজয় করার, এত প্যারা নিয়ে কি হবে। সে সারারাত জেগে গেম খেলে, বিভিন্ন সিরিজ দেখে। ট্যুরের টাকা জমানোর জন্য টিউশনি করে এবং সেই টাকা দিয়ে পিএল এ ট্যুর দেয়। ঘুম থেকে উঠতে পারে না বলে সিটি মিস দেয়। কন্টেস্ট, ডেভেলপমেন্ট বা বিজনেস কম্পিটিশনের এর প্রতি তার তেমন আগ্রহ নেই। পরীক্ষার তিন দিন আগে পড়া শুরু করে এবং যথারীতি পরীক্ষার রেজাল্ট খারাপ হয়।
পাস করার তিন বছর পর দেখা গেল কামাল গুগলে জব করে আর জামাল এই দেশে একটা বিশাল সফটওয়্যার কোম্পানি দাড়া করে ফেলেছে। সাংবাদিক তাদের সফলতার গল্প ফিচার করার জন্য তাদের ইন্টারভিউ নিতে আসে এবং ইন্টারভিউতে জিজ্ঞেস করে "ভাই আপনার সিজি কত ছিল?"। তারা ইতস্তত করে বলে, " আমাদের সিজি তো অনেক কম, মাত্র দু পয়েন্ট সামথিং"। সাংবাদিক তাদের ফিচারে হেডলাইন করে "কম সিজি নিয়েও আজ একজন গুগলে আর আরেকজন তরুণ উদ্যোক্তা "।
আর এই পোস্ট দেখে মোটিভেশন পায় একদল মফিজ। বীরদর্পে তারা এই পোস্ট শেয়ার করে আর ক্যাপশন দেয় "সিজি ডাজন্ট ম্যাটার "। এরপর আবার সিরিজ দেখা শুরু করে দেয়।
সিজি কম এটা কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। কিন্তু কেন সিজি কম এটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ।

27/01/2021

Best Programming Books 2021 Unboxing. Bengali programming books for you.

25/01/2021

সস্তার তিন অবস্থা বলে একটা কথা আছে। এটা আমাদের বাঙালিদের জন্য বিশেষভাবে প্রযোজ্য! সম্প্রতি দেশের কিছু ক্লায়েন্টের বিস্তর কিছু অভিযোগ শুনলাম। সেসব থেকে এখানে জাস্ট একটা ঘটনা বলি। একজন তো ফোন দিয়ে সেই ক্ষ্যাপা ! ডেভেলপারের ওপর রেগেমেগে আগুন! তিনি এত টাকা দিয়ে ওয়েবসাইট বানালেন কিন্তু সেই সাইট নাকি কিছুই হয় নাই, সাইট ডাউন, লোডিং টাইম বেশি, এমনকি থীমটাও নাকি পাইরেটেড!?

ঐ ডেভেলপাররে তিনি হাতের কাছে পাইলে আচ্ছামত পিঠাবেন, এমন অবস্থা! পরে কার কাছ থেকে যেন আমার কথা শুনে নাম্বার নিয়ে ফোন দিলেন। সে যাক। পরে ভদ্রলোককে শান্ত করে জিজ্ঞেস করলাম - 'কত টাকা দিয়েছিলেন ডেভেলপারকে?'
বললেন - '৮ হাজার টাকা!'
এখানে স্বাভাবিকভাবে অবাক হবার কথা। কিন্তু উল্টো মনে মনে একটা বিদ্রুপের হাসি দিয়ে বললাম- 'আপনার কথা শুনে তো মনে হল অনেক টাকা সাইটের পিছনে খরচ করেছেন!... এই ৮ হাজার টাকা দিয়ে আপনি কোয়ালিটি কাজ কেমনে আশা করেন? এই টাকা দিয়ে যারা আপনাকে কোয়ালিটি কাজ দেবে বলে, এরা হয় ডাহা মিথ্যাবাদী, চোর, প্রতারক বা কোয়ালিটি কাজ কি সেটাই বুঝে না, না হয় তার বাপ-দাদার অঢেল সম্পক্তি আছে তাই আপনাকে ফ্রি সার্ভিস দিচ্ছে...!? যেখানে একটা প্রিমিয়াম থীমের দামই কম করে হলেও ৫/৬ হাজার টাকা, আর সেটা কাস্টমাইজ করতে হলে যে কয়েকটা দিন লাগবে, সেখানে ডেভেলপারকে তো মিনিমাম ৮/১০০ হাজার টাকা দিতেই হয়, সেখানে ৮ হাজার টাকায় কিভাবে কোয়ালিটি কাজ হয়? হাউ পসিবল??

আর সেই সাইটে যদি গ্রাফিক্সের কাজ থাকে, আর ই-কমার্স টাইপের সাইট হয়, তাহলে তো এ বাজেট বাড়বে কয়েকগুণ! তার ওপর সাইটের সিকিউরিটি, এটাসেটার কথা না হয় বাদই দিলাম! তাহলে এই অল্প টাকায় কিভাবে ভাল আউটপুট আশা করেন?

হ্যাঁ, এত অল্প টাকাতেও সম্ভব। কোনো প্রিমিয়াম থীম চুরি করে, সেটায় ডেমো ইমপোর্ট করলেই, ব্যস, সাইট হয়ে গেল। সেই চুরি করা থীমে যে কি পরিমাণ ভাইরাস থাকে, ল্যাগিং থাকে, আপডেট পাওয়া যায় না, এটাসেটা আরও কত কি প্রবলেম হয় তা ভুক্তভোগী না-হলে বুঝা সম্ভব না। সেই সাইটে সমস্যা হবে না তো কোন সাইটে হবে?

আর ফ্র্রি থীম দিয়ে সাইট বানালেও ইনফিউচারে সাইট আপডেট করতে হলে হ্যাপা পোহাতে হবে অনেক। আপডেট তো পাওয়া যাবেই না, নতুন কিছু ফিচার আপডেট করতে হলেও কখন-েসখনো পুরো সাইটটাই নতুন করে ডেভেলপ করতে হবে। আরো প্রচুর সমস্যা তো আছেই। একটু অ্যাডভান্স লেভেলের ডেভেলপার না-হলে কেউ এসব বুঝবেও না, ক্লায়ন্টেকেও বুঝাতে পারবে না!

আমাদের দেশের অনেক ক্লায়েন্টও এসব বুঝেন না, জানেন না। এই সুযোগটাই নেয় অনেক অসাধু ডেভেলপার ও ট্রেনিং সেন্টারে গিয়ে তিন মাসের কোর্স করে কোনোরকম ওয়ার্ডপ্রেস সেটাপ দেয়া লোকজন। এরাই এসব বিভিন্ন সেক্টরে চুরি, বাটপারি করে এমন বদনাম করছে, পুরো মার্কেটটাই কলুষিত করছে! ক্লায়েন্টের মানসিকতাও মূলত এরাই নষ্ট করছে!

ওয়েব প্রোগ্রামিংয়ে আমার ফেভারিট একটা ল্যাঙ্গুৃযেজ হল Python, এরপর PHP। এসব ল্যাঙ্গুয়েজ দিয়ে আমার কিছু অনলাইন সফটওয়্যারও আছে। ওয়ার্ডপ্রেস বা কোনো প্রকার CMS ছাড়া যখন কাজের কথা বলি, তখন বাজেটের কথা শুনে এদেশের অনেকের মাথা ঘুরায়! কিন্তু বাইরের দেশের কাজগুলো যখন করি, তারা কোয়ালিটি কাজের জন্য এরচেয়েও বেশি টাকা খরচ করতে দ্বিধা করেন না। আমার বেশ কিছু ইউরোপের ক্লায়েন্ট আছে, যাদের সাথে কাজ করেও আরামবোধ করি। ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে কাজ করলেও কোয়ালিটি কাজ না হলে করি না! এখানে রিপুটেশনেরও একটা ব্যাপারস্যাপার আছে। যেনতেন কাজ করে বদনাম কামানোর চেয়ে কাজ কম করাই বেটার!!

উঠতি ডেভেলপার যারা এসে এখানে কাউন্টার দেবেন, তাদেরকে বলি- আপনাদের কারো প্রতিই কিন্তু কোনো রাগ নেই; তবে ক্ষোভ আছে। ক্ষোভটা এ কারণেে- নিজেদের সম্মানটা কেন নিজেরা নষ্ট করবেন? নিজেকে সম্মান করতে শিখূন, নিজের কাজটাকে সম্মান করতে শিখুন, তখন এর বেনফিটি কি হয় তা কয়েক বছর পরেই টের পাবেন। তখন হয়ত আমার কথাগুলোর সারমর্ম ভাল করে বুঝবেন। ক্লায়েন্ট নিয়েও আর এতটা সমস্যায় পড়বেন না। মনে রাখবেন, যে নিজেকে নিজে সম্মান করতে জানে না, সে অন্যের কাছেও কখনো সম্মান পায় না ! এটাই নিয়তি !

যারা কাজ করাবেন, তারাও একটু সচেতন হোন। যেনতেন কাজ করে টাকা নষ্ট করার চাইতে একটু সময় নিয়ে কাজটা করান। অভিজ্ঞ কারো পরামর্শ নিন। অন্তত দিনশেষে ঠকবেন না।

Address

Dhaka
1230

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Software Development Bangladesh Ltd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share