Md Shariful Islam

Md Shariful Islam Hello,
This is Shariful Islam (SEO Executive). I am working as a Digital Marketer from 2015.

I have a Digital Marketing Team and Providing any type of Digital Marketing Services. Also IT Support Specialist (Technically) hardware and software troubleshoot.

05/09/2022

ম্যাস মেট ঢাকা থেকে দেশের বাড়িতে চলে যাচ্ছে। সে তার ৪র্থ শ্রেনীর একটা ছাত্রকে পড়ানোর জন্য আমাকে অনুরোধ করে। তাদের একজন আরবী শিক্ষক ও প্রয়োজন ছিল। আমি আরবী জানতাম তাই আমার উপর অনুরোধের চাপ আসলো। কলেজের থার্ড ইয়ারে এসে টিউশনি তে নাম লেখালাম।

বন্ধুর সাথে প্রথম দিন তাদের বাসায় পরিচিত হলাম এবং প্রায় দুই ঘন্টার মত সময় দিলাম। বাসার বড় মেয়েটি নাস্তা চা বিস্কিট নিয়ে আসলো। সে আমাকে ভাইয়া ডাকা শুরু করলো। আমি তার চোখের দিকে না তাকিয়েই গ্রহণ করলাম।

এর পর থেকে তার ভাইয়া ডাকার পরিমাণ অনেক বেড়ে গেল। কাজের লোক থাকলেও আমি আসলেই তার ঘর ঝাড়ু দেয়ার সময় হয়, টিভির গ্লাস পরিষ্কার করার সময় হয়। ভাইয়া নাস্তা নিয়ে আসবো ? ভাইয়া নাস্তার প্লেট নিয়ে যাবো? ভাইয়া পানি খাবেন ? ইত্যাদি।

মাঝে মাঝে ফিজিক্স বুঝতে চলে আসতো আমার কাছে। আমি কাগজের দিকে তাকিয়েই বোঝাতাম। আমি মেয়েদের দিকে কম তাকাতাম, এটা লজ্জা নাকি ধর্মীয় কারণে নারীর প্রতি সম্মান থেকেই হতো জানা ছিলনা। ওর মুখের দিকে তেমন একটা তাকাতে পারতাম না।

মুনিয়া (ওর নাম) একদিন বলেই দিলো। স্যার আপনি আমার দিকে তাকান না কেন ? তাহলে আমি ফিজিক্স বুঝবো কিভাবে ? কই নাতো ? কি বলো ? এসব বলেই সেদিন ওর চোখের দিকে অনেক্ষন তাকিয়ে ছিলাম। মুনিয়া দেখতে অনেকটা বাংলা সিনেমার নায়িকা পূর্ণিমা -র মত ছিল।

একদিন ওর মায়ের অনুরোধ আসলো মুনিয়াকেও যেন একটু সময় দেই, টাকা নিয়ে ভাবতে হবে না। যেহেতু টাকার অংকটা ভালো ছিল তাই না করতে পারিনি। ওর বাবার নারায়ণগঞ্জে একটা মধ্যম মানের গার্মেন্টস ছিল, শত কোটি টাকার মালিক বলা যায়।

এভাবে প্রায় দু মাস পড়ানোর পর একদিন বাসায় গিয়ে দেখি মুনিয়া এবং তার ছোট ভাই ছাড়া কেও নেই। ওর সাজ দেখে মনে হলো কোথাও যাচ্ছে। পরে বুঝলাম এই সাজের কারণ ! মুনিয়া তার ছোট ভাইকে ছাদে পাঠায়ে দিলো। বললো ভাইয়া বসেন আমি আসতেছি। কিছুক্ষণ পর এসে আমার হাতে একটা চিরকুট ধরায়ে দিয়ে বললো ভাইয়া ৫ মিনিটের মধ্যে উত্তর দিবেন।

খুলে দেখি ছোট করে প্রেম প্রস্তাব। আমার বোন নেই তাই ওর ভাইয়া ভাইয়া ডাকার কারণে আমি এমন প্রস্তাবের জন্য প্রস্তুত ছিলাম না। বাসা থেকে বের হয়ে চলে আসলাম। আসার সময় দেখলাম ও কান্না কান্না চোখ নিয়ে আমার দিকে তাকায়ে ছিল।

আমি বাসায় এসে রাতে ঘুমাতে পারছিলাম না কি উত্তর দিবো ? হ্যাঁ নাকি না ? দুই দিন আর ওদের বাসায় যাইনি। ওর মায়ের নাম্বার থেকে কয়েকটা কল আসলো ধরিনি। দুদিন পর তাদের বাসায় গেলাম। দরজা খুলে সে আমার মুখ দেখে কি খুশি হয়েছিল আমি বুঝাতে পারবো না। পুরো এক ঘন্টা ধরে ও আমার উত্তরের জন্য অপেক্ষা করছিল। আমি কিছুই বলিনি। আসার সময় আমার হাতে আবারো একটা ছোট কাগজ ধরিয়ে দিল। একটা মোবাইল নাম্বার দেয়া ছিল তার মধ্যে।

অনেক ভেবে চিন্তে ঐ মায়াবী মুখের কথা ভেবে না করতে পারিনি। হ্যাঁ বলে দিলাম। সে প্রস্তাব দিলো আমার সাথে পরের দিন সে বসুন্ধরা সিটির ফুড কোর্টে দেখা করবে। যেহেতু বড় ব্যবসায়ীর মেয়ে তাই সেমিস্টারের টাকা সহ বড় অংকের টাকা নিয়ে ওর সাথে দেখা করতে গেলাম। যেন শপিং করলে টাকার সমস্যা না হয়। কিন্তু ও প্রাইড চিকেন আর কোল্ড ড্রিংক্স ছাড়া কিছুই খায়নি।কিছুতেই বিল দিতে পারলাম না। ও শপিং করতেও রাজি হয়নি। স্টার সিনেপ্লেক্সে মুভি দেখলাম দুজন মিলে।

এর পর থেকে চলতে থাকলো মোবাইলে কথা বলা, রেস্টুরেন্ট এ আড্ডা আর স্টার সিনেপ্লেক্সে এবং বলাকা হলে সিনেমা দেখা। ও আমার জন্য সব সিনেমা দুইবার দেখতো। একটু রোমান্টিক আর স্যাড সিনেমা গুলো দেখার প্রস্তাব করতো।

কিন্তু এই শুখ আর বেশীদিন রইলো না। একদিন স্টার সিনেপ্লেক্সে মুভির বিরতিতে বের হয়ে দুজন ওর মা আর এক আন্টির মুখোমুখি হয়ে গেলাম। দুই একটা প্রশ্ন করে ওর মা হলের মধ্যে চলে গেল। লজ্জায় আর সে সিনেমা দেখার ইচ্ছে হয়নি । হল থেকে বের হয়ে গেলাম, মুনিয়া ওর ড্রাইভার কে পার্কিং থেকে গাড়ি বের করতে বললো আমি সিএনজি তে বাসায় চলে আসলাম।রাতে মুনিয়ার কোন কল রিসিভ করিনি।

পরের দিন ওদের বাসায় যেতেই মুনিয়ার আম্মা আমাকে তার রুমে ডেকে নিয়ে আমাকে জানালো ওর জন্য ছেলে ঠিক করা আছে। বিশাল এক বিজনেস ম্যাগনেট! এর ছেলের সাথে ওর বিয়ে হবে। তাই আমি যেন এসব চিন্তা ভাবনা মাথায় না নিয়ে আসি। ভদ্র মহিলা খুব ভদ্র ভাষায় আমাকে বুঝালো, আমিও হ্যাঁ বলে চলে আসলাম।

তিন দিন আর ওদের ভাষায় যাইনি। মোবাইল অফ করে রেখেছিলাম। মুনিয়ার আম্মা কল করেছিল কিনা জানিনা। মুনিয়া অনেক কান্নাকাটি করেছিল। তিনদিন পর আবার গিয়ে মুনিয়ার চোখের দিকে একবারো সরাসরি তাকাইনি। কিন্তু বুঝতে পারছিলাম ও কান্না করছে। কথা না বলেই বাসায় চলে আসলাম।

মুনিয়া আমাকে ভালোবাসে এ কথা তার পরিবার কে জানায়। তারা নিষেধ করাতে শান্ত মেয়েটি সেদিন বাসায় নাকি অনেক ভাঙচুর করেছিল। আমিও ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়িতে চলে গেলাম। মাদ্রাসার সার্টিফিকেট এর নাম ভুল থাকায় ঢাকা-বাড়িতে প্রচুর দৌড়াদৌড়ির মধ্যে ছিলাম ।

মুনিয়া আমাকে বার বার ফোন করে পালায়ে যাওয়ার জন্য বললো। আমার যে বয়স আর স্টুডেন্ট লাইফ তাতে আমার পক্ষে সম্ভব নয় জানালাম। ওর বাসায় যেসব স্বর্ন আছে আর এটিএম কার্ডে যে পরিমাণ টাকা আছে আমাদের নাকি এক বছর এর বেশী চলার মত টাকা হয়ে যাবে জানালো। তার পরেও আমি সাহস পাচ্ছিলাম না।

ওর কথায় না করতে করতে মোবাইল রিসিভ করার সাহস পেতাম না। কি জবাব দেব ? ও ফোনে অনেক কান্নাকাটি করতো। আমি সহ্য করতে পারতাম না। মোবাইলে কথা বলা প্রায় ছেড়েই দিলাম। কয়েকমাস এভাবে কেটে গেল।

হঠাৎ একদিন কল আসলো। হ্যালো ভাইয়া আপনি কি *** ? জী আমি । কে আপনি ? ভাইয়া আমি মুনিয়ার বান্ধবী । ভাইয়া মুনিয়ার একটু সমস্যা হয়েছে। আপনি কি একটু আর্মি গল্ফ ক্লাবে আসতে পারবেন ? কল কেটে দিল।

আমি দ্রুত সিএনজি(অটো) নিয়ে আর্মি গল্ফ ক্লাবে পৌছালাম। মুনিয়া স্টেজের সেন্টারে বসে আছে। সাথে স্মার্ট এক ছেলে। সম্ভবত বিশাল সেই ব্যবসায়ীর ছেলে। আমি এটা দেখার জন্য প্রস্তুর ছিলাম না। সে হয়তো আমাকে আরেকটা সুযোগ দেয়ার জন্য এমন পরিস্থিতিতেও এখানে মিথ্যা বলে নিয়ে এসেছে। আমি মুনিয়ার সাথে দেখা করলাম। মুনিয়া আমার কানের কাছে এসে বললো তুমি যদি বলো আমি এখনি এই স্টেজ ছেড়ে তোমার সাথে চলে যাবো। আমি কিছু নাবলে চেয়ারে এসে বসলাম। ছেলে পক্ষ মুনিয়া কে ডায়মন্ড এর আংটি পরিয়ে দিল। মুনিয়া আমার দিকে কান্না চোখ নিয়ে তাকিয়ে ছিল। আমি বাইরে এসে মোবাইলের সিম খুলে কাঁদতে কাঁদতে চলে আসলাম, নিজেকে সেদিন কাপুরুষ মনে হলো !!!! ☹️

Collected from

18/08/2022

একদিন তোমার বেষ্ট ফ্রেন্ড ও তোমাকে ভুলে যাবে।

07/08/2022

কিন্তু ব্যাপারটা হচ্ছে, তুমি আমার সামনে দাড়ালেই আমি
তোমার ভিতরে একটা বুনো ঝোপ দেখতে পাই।
ওই ঝোপে একটা মৃতদেহ ঢাকা দেওয়া আছে।
অনেকদিন ধ’রে আছে। কিন্তু আশ্চর্য যে
এই মৃতদেহ জল, বাতাস, রৌদ্র ও সকলপ্রকার
কীট-বীজাণুকে প্রতিরোধ করতে পারে। এরপচন নেই।
বন্য প্রাণীরাও এর কাছে ঘেঁষে না।
রাতে আলো বেরোয় এর গা থেকে।
আমি জানি, মৃতদেহটা আমার।
কিন্তু ব্যাপারটা হচ্ছে, এই জারিজুরি এবার ফাঁস হওয়া প্রয়োজন।
আর তা হবেও, যেদিন চার পায়ে গুঁড়ি মেরেগিয়ে
পা কামড়ে ধ’রে, ওটাকে, ঝোপ থেকে
টেনে বার করব আমি।
– জয় গোস্বামী

07/08/2022

আমাকে একটি কথা দাও যা আকাশের মতো
সহজ মহৎ বিশাল,
গভীর; – সমস্ত ক্লান্ত হতাহত গৃহবলিভুকদের রক্তে
মলিন ইতিহাসের অন্তর ধুয়ে চেনা হাতের মতন,
আমি যাকে আবহমান কাল ভালোবেসে এসেছি সেই নারীর।
সেই রাত্রির নক্ষত্রালোকিত নিবিড় বাতাসের মতো:
সেই দিনের – আলোর অন্তহীন এঞ্জিন চঞ্চল ডানার মতন
সেই উজ্জ্বল পাখিনীর – পাখির সমস্ত পিপাসাকে যে
অগ্নির মতো প্রদীপ্ত দেখে অন্তিমশরীরিণী মোমের মতন।
– জীবনানন্দ দাশ

24/07/2022

আমাকে নিয়ে যদি
কখনো কারো কাছে
খারাপ গল্প শোনেন
তাহলে মনে রাখবেন
তারে সাথে আমার কোন এক সময়
ভাল সম্পর্ক ছিল
আর কাছের মানুষগুলোই
আপনাকে নিয়ে সমালোচনা করবে
-এটাই বস্তবতা

18/06/2022

pray for sylhet

14/06/2022

ঘৃণিত হওয়ার চেয়ে কষ্টের হলো অবহেলিত হওয়া, কেননা সেক্ষেত্রে তুমি তোমার অস্তিত্বই খুজে পাও না।

— অনুরাগ প্রকাশ রয়

Digital Marketing:-Any marketing that uses electronic devices and can be used by marketing specialists to convey promoti...
23/04/2022

Digital Marketing:-
Any marketing that uses electronic devices and can be used by marketing specialists to convey promotional messaging and measure its impact through your customer journey. In practice, digital marketing typically refers to marketing campaigns that appear on a computer, phone, tablet, or other device. It can take many forms, including online video, display ads, search engine marketing, paid social ads and social media posts. Digital marketing is often compared to “traditional marketing” such as magazine ads, billboards, and direct mail. Oddly, television is usually lumped in with traditional marketing.

!!! What Is Search Engine Optimization And Why Is It Important !!!Search engine optimization is nowadays more important ...
22/04/2022

!!! What Is Search Engine Optimization And Why Is It Important !!!

Search engine optimization is nowadays more important than ever and it is necessary for every webmaster to understand the true meaning of SEO as well as the potential it creates for every business.

# What is SEO?
Search engine optimization or SEO in short, is a set of rules that can be followed by website (or blog) owners to optimize their websites for search engines and thus improve their search engine rankings.

In addition, it is a great way to increase the quality of their web sites by making them user- friendly, faster and easier to navigate.

# Why is SEO important?
In today’s competitive market, SEO is more important than ever. Search engines serve millions of users per day looking for answers to their questions or for solutions to their problems.

If you have a web site, blog or online store, SEO can help your business grow and meet the business objectives.

13/10/2021

Address

Dhaka
1200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md Shariful Islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Md Shariful Islam:

Share