Linear ICT

Linear ICT Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Linear ICT, Computer Company, Dhanmondi, Dhaka.

Online Earning: ইন্টারনেটে কাজ করে উপার্জনের টাকা কিভাবে হাতে পাবেন
09/03/2015

Online Earning: ইন্টারনেটে কাজ করে উপার্জনের টাকা কিভাবে হাতে পাবেন

এগিয়ে যাচ্ছেন দেশি ফ্রিল্যান্সাররাএগিয়ে যাচ্ছেন দেশি ফ্রিল্যান্সাররাঅনলাইন মার্কেটপ্লেসে কাজ করে অর্থ আয়ের দিক থেকে এগিয়...
26/01/2014

এগিয়ে যাচ্ছেন দেশি ফ্রিল্যান্সাররা

এগিয়ে যাচ্ছেন দেশি ফ্রিল্যান্সাররা


অনলাইন মার্কেটপ্লেসে কাজ করে অর্থ আয়ের দিক থেকে এগিয়ে যাচ্ছেন দেশের ফ্রিল্যান্সাররা। অনলাইন মার্কেটপ্লেস ইল্যান্সের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ফ্রিল্যান্সারদের ২০১২ সাল থেকে ২০১৩ সালে কাজ অনলাইন মার্কেপ্লেসে কাজ পাওয়ার হার ১০২ ভাগ বেড়েছে। ২০১৩ সালে সর্বমোট ২২,০৯৭ টি কাজে বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সাররা চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন, যেখানে ২০১২ সালে এই সংখ্যাটি ছিল মাত্র ১০,৯৬১টি।
বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সার সম্পর্কে ইল্যান্সের কান্ট্রি ম্যানেজার সাইদুর মামুন খান প্রথম আলো ডটকমকে
জানিয়েছেন, ফ্রিল্যান্সার মার্কেটে দারুণ অগ্রগতি হয়েছে দেশের ফ্রিল্যান্সারদের। কাজ পাওয়ার পাশাপাশি আয়ের দিকে থেকেও এগিয়েছেন দেশি ফ্রিল্যান্সাররা।
সাইদুর মামুন খান দাবি করেছেন, ২০১২ সালে ইল্যান্স ডট কমে বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সারদের আয় ছিল প্রায় ১৬ কোটি ১৯ লাখ টাকার কাছাকাছি। ২০১৩ সালে এসে এদেশের ফ্রিল্যান্সাররা মোট আয় করেছে প্রায় ২৭ কোটি ৩৫ লাখ টাকার কাছাকাছি। ২০১৪ সালে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা আরও ভালো করবেন বলে আশাবাদী তিনি।

ইল্যান্স ডট কমে সাধারণত দুইভাবে বিভিন্ন দেশের র‍্যাঙ্ক ঠিক করা হয়। একটি হচ্ছে আয়ের উপর ভিত্তি করে এবং আরেকটি হচ্ছে ফ্রিল্যান্সার সংখ্যার ভিত্তিতে।

ইল্যান্সের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ফ্রিল্যান্সার সংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশ ১৭০টি দেশের মধ্যে ৭ নম্বর অবস্থানে আছে। আর আয়ের দিক দিয়ে আছে ১৩ নম্বর অবস্থানে। উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের শুরুতে আয়ের দিক দিয়ে বাংলাদেশ ছিল ১৪ নম্বর অবস্থানে।

সাইদুর মামুন খান জানিয়েছেন, গত বছর দারুণভাবে কাজ করার মাধ্যমে দেশের ফ্রিল্যান্সাররা অস্ট্রেলিয়াকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশকে ১৩তম অবস্থানে নিয়ে এসেছেন। বাংলাদেশে বর্তমানে ইল্যান্সে রেজিস্টার্ড ফ্রিল্যান্সার আছে প্রায় ৫৬ হাজার, যার মধ্যে প্রায় ২৬ হাজার ফ্রিল্যান্সার ইল্যান্সে যোগ দিয়েছেন ২০১৩ সালে।

ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফলতা ও দক্ষদের সম্পর্কে সাইদুর আরও জানান, অনলাইন মার্কেটপ্লেস ইল্যান্সে ২০১৩ সালের একজন সফল ফ্রিল্যানসার শরিফ মোহাম্মদ শাহজাহান। ৩৬ বছর বয়সী শরিফ কয়েক বছর আগে ফ্রিল্যান্সিং শুরুর আগে নিজের এলাকা সাভারে একটি ফটোগ্রাফি স্টুডিও চালাতেন। তাঁর ছবি সম্পাদনার দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে এখন নিজেকে একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন এবং উদ্যোক্তা হিসেবে ১২ জনের একটি দল নিয়ে কাজ নিয়মিত কাজ করছেন
অনলাইন মার্কেটপ্লেসে কাজ করে অর্থ আয়ের দিক থেকে এগিয়ে যাচ্ছেন দেশের ফ্রিল্যান্সাররা। অনলাইন মার্কেটপ্লেস ইল্যান্সের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ফ্রিল্যান্সারদের ২০১২ সাল থেকে ২০১৩ সালে কাজ অনলাইন মার্কেপ্লেসে কাজ পাওয়ার হার ১০২ ভাগ বেড়েছে। ২০১৩ সালে সর্বমোট ২২,০৯৭ টি কাজে বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সাররা চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন, যেখানে ২০১২ সালে এই সংখ্যাটি ছিল মাত্র ১০,৯৬১টি।
বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সার সম্পর্কে ইল্যান্সের কান্ট্রি ম্যানেজার সাইদুর মামুন খান প্রথম আলো ডটকমকে
জানিয়েছেন, ফ্রিল্যান্সার মার্কেটে দারুণ অগ্রগতি হয়েছে দেশের ফ্রিল্যান্সারদের। কাজ পাওয়ার পাশাপাশি আয়ের দিকে থেকেও এগিয়েছেন দেশি ফ্রিল্যান্সাররা।
সাইদুর মামুন খান দাবি করেছেন, ২০১২ সালে ইল্যান্স ডট কমে বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সারদের আয় ছিল প্রায় ১৬ কোটি ১৯ লাখ টাকার কাছাকাছি। ২০১৩ সালে এসে এদেশের ফ্রিল্যান্সাররা মোট আয় করেছে প্রায় ২৭ কোটি ৩৫ লাখ টাকার কাছাকাছি। ২০১৪ সালে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা আরও ভালো করবেন বলে আশাবাদী তিনি।

ইল্যান্স ডট কমে সাধারণত দুইভাবে বিভিন্ন দেশের র‍্যাঙ্ক ঠিক করা হয়। একটি হচ্ছে আয়ের উপর ভিত্তি করে এবং আরেকটি হচ্ছে ফ্রিল্যান্সার সংখ্যার ভিত্তিতে।

ইল্যান্সের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ফ্রিল্যান্সার সংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশ ১৭০টি দেশের মধ্যে ৭ নম্বর অবস্থানে আছে। আর আয়ের দিক দিয়ে আছে ১৩ নম্বর অবস্থানে। উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের শুরুতে আয়ের দিক দিয়ে বাংলাদেশ ছিল ১৪ নম্বর অবস্থানে।

সাইদুর মামুন খান জানিয়েছেন, গত বছর দারুণভাবে কাজ করার মাধ্যমে দেশের ফ্রিল্যান্সাররা অস্ট্রেলিয়াকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশকে ১৩তম অবস্থানে নিয়ে এসেছেন। বাংলাদেশে বর্তমানে ইল্যান্সে রেজিস্টার্ড ফ্রিল্যান্সার আছে প্রায় ৫৬ হাজার, যার মধ্যে প্রায় ২৬ হাজার ফ্রিল্যান্সার ইল্যান্সে যোগ দিয়েছেন ২০১৩ সালে।

ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফলতা ও দক্ষদের সম্পর্কে সাইদুর আরও জানান, অনলাইন মার্কেটপ্লেস ইল্যান্সে ২০১৩ সালের একজন সফল ফ্রিল্যানসার শরিফ মোহাম্মদ শাহজাহান। ৩৬ বছর বয়সী শরিফ কয়েক বছর আগে ফ্রিল্যান্সিং শুরুর আগে নিজের এলাকা সাভারে একটি ফটোগ্রাফি স্টুডিও চালাতেন। তাঁর ছবি সম্পাদনার দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে এখন নিজেকে একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন এবং উদ্যোক্তা হিসেবে ১২ জনের একটি দল নিয়ে কাজ নিয়মিত কাজ করছেন

১০০ জন পাবেন আউটসোর্সিং পুরস্কারদেশের সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তি সেবা খাতের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যা...
26/01/2014

১০০ জন পাবেন আউটসোর্সিং পুরস্কার
দেশের সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তি সেবা খাতের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) চলতি বছর ১০০ জনকে আউটসোর্সিং পুরস্কার দেবে। গতকাল শনিবার ঢাকায় বেসিস মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনের ‘বেসিস আউটসোর্সিং অ্যাওয়ার্ড-২০১৪’ শুরু করার ঘোষণা দেওয়া হয়। সম্মেলনে বেসিসের সভাপতি শামীম আহসান বলেন, ঢাকা মানেই তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশ নয়; ঢাকা মানেই ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রসার নয়। দেশের সবগুলো উপজেলায় তথ্যপ্রযুক্তির সুবিধা নিয়ে যাওয়াই বেসিসের লক্ষ্য।
বেসিস আউটসোর্সিং অ্যাওয়ার্ড ২০১৪-এর জুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান এ কে এম ফাহিম মাশরুর সম্মেলনে বলেন, তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য এই পুরস্কার একধরনের পথ প্রদর্শকের কাজ করবে। পুরস্কার প্রদানের ক্ষেত্রে উদ্যোক্তাদের কর্মসংস্থান, রপ্তানির পরিমাণ ও সামাজিক ভূমিকা গুরুত্ব পাবে। সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বেসিস আউটসোর্সিং অ্যাওয়ার্ড ২০১৪-এর আহ্বায়ক শাহ্ ইমারউল কায়ীশ, বেসিসের সহসভাপতি উত্তম কুমার পাল ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল হাসান।
ইমারউল কায়ীশ জানান, ৬৪টি জেলায় একজন করে সফল ফ্রিল্যান্সার বা তথ্যপ্রযুক্তি উদ্যোক্তাকে দেওয়া হবে এই পুরস্কার। আরও ছয়টি আলাদা বিভাগে (ওয়েব অ্যাপলিকেশন ডেভেলপমেন্ট, এসইও ও অনলাইন বিপণন, ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিকস ডিজাইন, ব্লগিং, মোবাইল অ্যাপলিকেশন) তিনজন করে ১৮ জনকে উদ্যোক্তা হিসেবেও পুরস্কার দেওয়া হবে। প্রাতিষ্ঠানিক বিভাগে ১৫টি এবং নারী বিভাগে তিনটি পুরস্কার রয়েছে। অনলাইনে বেসিসের ওয়েবসাইটে (www.basis.org.bd) এ প্রতিযোগিতায় নিবন্ধন কার্যক্রম চলছে। নিবন্ধন চলবে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রর্যন্ত। পুরস্কার দেওয়া হবে আগামী মার্চ মাসে। ২০১১ সাল থেকে প্রতিবছর এ পুরস্কার দিয়ে আসছে বেসিস

দেশের সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তি সেবা খাতের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) চলতি বছর ১০০ জনকে আউটসোর্সিং পুরস্কার দেবে। গতকাল শনিবার ঢাকায় বেসিস মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনের ‘বেসিস আউটসোর্সিং অ্যাওয়ার্ড-২০১৪’ শুরু করার ঘোষণা দেওয়া হয়। সম্মেলনে বেসিসের সভাপতি শামীম আহসান বলেন, ঢাকা মানেই তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশ নয়; ঢাকা মানেই ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রসার নয়। দেশের সবগুলো উপজেলায় তথ্যপ্রযুক্তির সুবিধা নিয়ে যাওয়াই বেসিসের লক্ষ্য।
বেসিস আউটসোর্সিং অ্যাওয়ার্ড ২০১৪-এর জুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান এ কে এম ফাহিম মাশরুর সম্মেলনে বলেন, তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য এই পুরস্কার একধরনের পথ প্রদর্শকের কাজ করবে। পুরস্কার প্রদানের ক্ষেত্রে উদ্যোক্তাদের কর্মসংস্থান, রপ্তানির পরিমাণ ও সামাজিক ভূমিকা গুরুত্ব পাবে। সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বেসিস আউটসোর্সিং অ্যাওয়ার্ড ২০১৪-এর আহ্বায়ক শাহ্ ইমারউল কায়ীশ, বেসিসের সহসভাপতি উত্তম কুমার পাল ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল হাসান।
ইমারউল কায়ীশ জানান, ৬৪টি জেলায় একজন করে সফল ফ্রিল্যান্সার বা তথ্যপ্রযুক্তি উদ্যোক্তাকে দেওয়া হবে এই পুরস্কার। আরও ছয়টি আলাদা বিভাগে (ওয়েব অ্যাপলিকেশন ডেভেলপমেন্ট, এসইও ও অনলাইন বিপণন, ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিকস ডিজাইন, ব্লগিং, মোবাইল অ্যাপলিকেশন) তিনজন করে ১৮ জনকে উদ্যোক্তা হিসেবেও পুরস্কার দেওয়া হবে। প্রাতিষ্ঠানিক বিভাগে ১৫টি এবং নারী বিভাগে তিনটি পুরস্কার রয়েছে। অনলাইনে বেসিসের ওয়েবসাইটে (www.basis.org.bd) এ প্রতিযোগিতায় নিবন্ধন কার্যক্রম চলছে। নিবন্ধন চলবে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রর্যন্ত। পুরস্কার দেওয়া হবে আগামী মার্চ মাসে। ২০১১ সাল থেকে প্রতিবছর এ পুরস্কার দিয়ে আসছে বেসিস

থ্রি-জি সেবা নিয়ে বিপাকে বিটিআরসিতৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল সেবার (থ্রি-জি) দাম, মান ও ব্যবহার নিয়ে বিপাকে পড়েছে টেলিযোগাযোগ...
23/01/2014

থ্রি-জি সেবা নিয়ে বিপাকে বিটিআরসি


তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল সেবার (থ্রি-জি) দাম, মান ও ব্যবহার নিয়ে বিপাকে পড়েছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। গ্রাহকদের জন্য সুবিধাজনক মূল্য কি হতে পারে তা নির্ধারণ করতে পারছে না প্রতিষ্ঠানটি। শেষ পর্যন্ত একটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এদিকে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে যে কেউ থ্রি-জি সেবা নেতিবাচকভাবে ব্যবহার করতে পারে- এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছে একটি প্রভাবশালী গোয়েন্দা সংস্থা। তারা থ্রি-জি সেবা পর্যবেক্ষণের অনুরোধ জানিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে। ওদিকে চিঠি পেয়ে মন্ত্রণালয় একই বার্তা পাঠিয়েছে বিটিআরসির কাছে। জাতীয় টেলিযোগাযোগ মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) সমপ্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছে, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে যে কেউ থ্রি-জি সেবা নেতিবাচকভাবে ব্যবহার করতে পারে। এটা গুরুতর ক্ষতির কারণ হতে পারে। এনটিএমসি এ বিষয়ে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার পরামর্শ দেয়। সব মিলিয়ে থ্রি-জি সেবা নিয়ে বিপাকে পড়েছে বিটিআরসি। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, দাম ও মান নির্ধারণে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগের সব প্রস্তুতি শেষ করে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। মোবাইল থ্রি-জির ক্ষেত্রে নীতিমালায় বলা আছে, এই সেবায় ইন্টারনেটের যে গতি গ্রাহকদের দেয়া হবে তার কমপক্ষে ৭০ শতাংশ নিশ্চিত করতে হবে। মূলত ইন্টারনেট গতির বিষয়টি নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ। এর আগে থ্রিজি সেবার গ্রাহকবান্ধব একটি মূল্য নির্ধারণে অপারেটরদের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠকও করা হয়েছে। বর্তমানে অপারেটররা বিভিন্ন গতিতে থ্রি-জি ইন্টারনেট সেবা দিয়ে আসছে। গ্রাহক সংখ্যার দিক থেকে দেশের সবচেয়ে বড় অপারেটর গ্রামীণফোন ৫১২ কেপিবিএস এবং এক এমপিবিএস গতির থ্রি-জি সেবা দিচ্ছে। এয়ারটেল ও বাংলালিংক এক এমপিবিএস, রবি এক থেকে তিন এমপিবিএস গতির থ্রি-জি সেবা দিচ্ছে। আর রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিটক দিচ্ছে ২৫৬ কেপিবিএস থেকে সর্বোচ্চ ৪ এমপিবিএস থ্রি-জি সেবা। এদিকে থ্রি-জি সেবা পর্যবেক্ষণের বিষয় নিয়ে গোয়েন্দা সংস্থার দেয়া পরামর্শ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে শিগগিরই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছে বিটিআরসি। এ প্রসঙ্গে মোবাইল অপারেটররা জানিয়েছে, পরীক্ষামূলকভাবে থ্রি-জি সেবা চালুর পর থেকেই তো আমরা পর্যবেক্ষণের মধ্যে রয়েছি। তাই নতুন করে কি ধরনের পর্যবেক্ষণ করা হবে তা আমাদের বোধগম্য নয়। গত বছরের অক্টোবর থেকে বেসরকারি চার মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন, রবি, এয়ারটেল এবং বাংলালিংক পরীক্ষামুলকভাবে থ্রি-জি সেবা চালু করে। এর আগে সরকার নিয়ন্ত্রিত মোবাইল অপারেটর টেলিটক থ্রি-জি সেবা চালু করে। বর্তমানে ১০ কোটির বেশি মুঠোফোন ব্যবহারকারী রয়েছে বাংলাদেশে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের যে কোন স্মার্টফোন ব্যবহারকারীই এই সুবিধার আওতায় পড়বেন। অবশ্য, থ্রি-জির সুবিধা নির্ভর করছে এর খরচের ওপর। বিটিআরসি জানিয়েছে, থ্রি-জি সার্ভিস গ্রহণের মাধ্যমে গ্রাহক ই-কমার্স, ই-ব্যাংকিং, ই-এডুকেশন, ই-কৃষি, ই-হেলথ, ই-গভর্নেন্স এবং টেলি করফারেন্সের মতো গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবা পাবে। গত ৮ই সেপ্টেম্বর থ্রি-জি নিলামে অংশ নিয়ে বিটিআরসি থেকে ৪০৮১ কোটি টাকায় ২৫ মেগাহার্টজ তরঙ্গ কিনে নেয় গ্রামীণফোন, রবি, এয়ারটেল ও বাংলালিংক। দেশে থ্রি-জি সেবার প্রথম নিলামে প্রতি মেগাহার্টজ তরঙ্গের দাম ওঠে ২ কোটি ১০ লাখ ডলার। ১ হাজার ৬২৩ কোটি টাকায় সর্বোচ্চ ১০ মেগাহার্টজ তরঙ্গ বরাদ্দ নেয় গ্রামীণফোন। আর ৫ মেগাহার্টজ করে তরঙ্গ বরাদ্দ নেয় অপর তিন অপারেটর। এ জন্য প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানকে গুণতে হয়েছে প্রায় ৮১৬ কোটি টাকা করে। থ্রি-জি নীতিমালা অনুসারে অপারেটররা ১৫ বছরের জন্য এই লাইসেন্স পেয়েছে। এদিকে বিটিআরসির হাতে থাকা ৫০ মেগাহার্টজ তরঙ্গের মধ্যে ১০ মেগাহার্টজ পেয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত অপারেটর টেলিটক। নীতিমালা অনুযায়ী, থ্রি-জির সঙ্গে ফোরজি ও এলটিই নেটওয়ার্ক সার্ভিস দিতে পারবে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো।

18/01/2014

next class 20-01-2014. seo-4.00pm web-5.30pm(Monday)

গ্রাহকদের জন্য রবি-ইবিএল ক্রেডিট কার্ড>>গ্রাহকদের জন্য ভিন্ন ধরনের চমক নিয়ে বছরের শুরুতেই হাজির হলো দেশের অন্যতম শীর্ষ ম...
07/01/2014

গ্রাহকদের জন্য রবি-ইবিএল ক্রেডিট কার্ড
>>
গ্রাহকদের জন্য ভিন্ন ধরনের চমক নিয়ে বছরের শুরুতেই হাজির হলো দেশের অন্যতম শীর্ষ মুঠোফোন অপারেটর রবি আজিয়াটা লিমিটেড। নতুন বছরের উপহার হিসেবে ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেডের (ইবিএল) সঙ্গে একটি যৌথ ব্র্যান্ডের ভিসা ক্রেডিট কার্ড এনেছে অপারেটরটি। আজ মঙ্গলবার এক বিজ্ঞপ্তিতে রবি জানায়, দেশের টেলিকম খাতের ইতিহাসে এ ধরনের যৌথ ব্র্যান্ডের কার্ড এই প্রথম।
বিবৃতিতে জানানো হয়, রবি উদয় পোস্ট পেইডের গ্রাহকেরা এ সেবা উপভোগ করতে পারবেন, যা গ্রাহক, ইবিএল ও রবির মধ্যে একটি সেতুবন্ধন তৈরি করবে। গ্রাহকদের সুবিধা দেওয়ার জন্য রবির উদ্যোগের পাশে দাঁড়িয়েছে ইবিএল।
গ্রাহকেরা প্লাটিনাম ও গোল্ড—এ দুই ধরনের রবি-ইবিএল যৌথ ব্র্যান্ডের ভিসা কার্ড ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। এই কার্ড ব্যবহারকারীরা লোকাল ভয়েস কলের পোস্টপেইডের মাসিক বিলে ৫ শতাংশ ছাড় ও বিনা মূল্যে আন্তর্জাতিক রোমিং সেবা উপভোগ করতে পারবেন। রবি-ইবিএল কার্ডের কোনো ইস্যু ফি নেই ও গ্রাহকরা বছরে ১৮টি ট্রানজেকশনের মাধ্যমে বার্ষিক ফি মওকুফের সুযোগ পাবেন।
রবি-ইবিএল প্লাটিনাম কার্ড ব্যবহারকারীরা হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বলাকা লাউঞ্জে প্রবেশের অনুমতি পাবেন এবং শিগগিরই বিমানবন্দরটিতে ইবিএল স্কাই লাউঞ্জ চালু করা হবে। এ ছাড়া তাঁরা বিনা মূল্যে ইবিএল স্কাই মাইলস প্রোগ্রামে যোগ দেওয়ার সুযোগ পাবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কার্ডের নতুন গ্রাহকদের বিনা মূল্যে একটি রবি উদয় পোস্ট পেইড সংযোগ দেওয়া হবে। এ ছাড়া তাঁরা দেশের ১০০টিরও বেশি শীর্ষস্থানীয় আউটলেটে এবং বিশ্বজুড়ে ২০০টি গলফ ক্লাব ও ৩ হাজার ৫০০টি হোটেলে মূল্য ছাড় উপভোগ করতে পারবেন। এ ছাড়া রবি-ইবিএল কার্ড ব্যবহারকারীরা বৃহত্তম অনলাইন হোটেল বুকিং সাইট অ্যাগোডাতে অনলাইনে বুকিং দেওয়ার সুযোগ গ্রহণ ও মূল্য ছাড় উপভোগ করতে পারবেন।

মেয়েদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
22/12/2013

মেয়েদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

ক্রেডিট কার্ড হ্যাক হলে কী করবেন$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারকারীরা সাইবার আক্রমণের শিকার হচ্ছেন দীর্ঘ...
22/12/2013

ক্রেডিট কার্ড হ্যাক হলে কী করবেন
$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$

ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারকারীরা সাইবার আক্রমণের শিকার হচ্ছেন দীর্ঘদিন ধরেই। পশ্চিমা বিশ্বে ক্রিসমাস, নিউ ইয়ার উপলক্ষ ক্রেডিট/ডেবিট কার্ড দিয়ে কেনাকাটার যে ধুম পড়ে, তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাড়তেই থাকে ক্রেডিট/ডেবিট কার্ড চুরি বা হ্যাক হওয়ার ঘটনা। ক্রেডিট কার্ডের তথ্য চুরি হয়ে গেলে তার পরিপ্রেক্ষিতে অতি প্রয়োজনীয় ৩ করণীয় বাতলে দিয়েছে বার্তা সংস্থা সিএনএন।

১. চোখ রাখুন ব্যাংক ব্যালান্সের উপর

ক্রেডিট/ডেবিট কার্ড হ্যাক হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপটি হচ্ছে ব্যাংক ব্যালান্সের উপর নজর রাখা। হ্যাকাররা অনেকসময়ই কার্ডের যথেষ্ট তহবিল আছে কি না তা নিশ্চিত হতে কয়েক সেন্ট পরিমাণের ছোট ছোট লেনদেন করে দেখে। ব্যাংক স্টেটমেন্টে ৬-১১ সেন্টের কোনো লেনদেন হলে ধরে নিতে হবে বেহাত হয়ে গেছে কার্ডের গোপন তথ্য।

২. কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করুন

ক্রেডিট/ডেবিট কার্ড চুরি হয়ে গেছে, বা হ্যাক হয়ে গেছে নিশ্চিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যোগাযোগ করুন ব্যাংক এবং ক্রেডিট কার্ড প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে। সাধারণত প্রতারণামূলক লেনদেন ঠেকাতে ক্রেডিট কার্ড কোম্পানি এবং ব্যাংক উভয়েরই নিজস্ব নিরাপত্তাব্যবস্থা থাকে। তবে ওই প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে কোনো খবর পাওয়ার অপেক্ষা না করেই নিজে থেকেই প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করাই শ্রেয়।

৩. পাল্টে নিন ক্রেডিট কার্ড এবং পিন

কার্ড হ্যাক হয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পাল্টে ফেলুন পুরনো ক্রেডিট কার্ড এবং পুরনো পিন নম্বর। নতুন কার্ড হাতে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যেসব প্রতিষ্ঠানে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রতিমাসে লেনদেন করেন সেই প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিজের অ্যাকাউন্টটি আপডেট করে নিতে হবে।

শিক্ষামূলক সাইটও ব্লক করছে পর্নো ফিল্টার
21/12/2013

শিক্ষামূলক সাইটও ব্লক করছে পর্নো ফিল্টার

যাই লিখুন, সব দেখছে ফেইসবুক$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক তাদের সাইটে পাঁচ অক্ষরে চেয়ে বেশি লেখা ...
20/12/2013

যাই লিখুন, সব দেখছে ফেইসবুক
$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক তাদের সাইটে পাঁচ অক্ষরে চেয়ে বেশি লেখা যে কোনো পোস্ট দেখতে ও ট্র্যাক করতে পারে।

এক হয়ে গেল ওডেস্ক ও ইল্যান্স================       ইল্যান্স ও ওডেস্ক একজোটঅনলাইন মার্কেটপ্লেস ওডেস্ক ও ইল্যান্স একজোট হল...
19/12/2013

এক হয়ে গেল ওডেস্ক ও ইল্যান্স
================

ইল্যান্স ও ওডেস্ক একজোট

অনলাইন মার্কেটপ্লেস ওডেস্ক ও ইল্যান্স একজোট হল। এই দুটি প্রতিষ্ঠান একসঙ্গে কাজ করবে এবং নতুন একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলবে যা অনলাইনে বৃহত্তর মার্কেটপ্লেস হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। আজ ইল্যান্স এবং ওডেস্ক সংযুক্ত হয়ে নতুন কোম্পানি গঠনের ঘোষণা দিয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই দুটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ১৮০ টি দেশের এক কোটির বেশি ফ্রিল্যান্সার কাজ করছেন। প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট অল থিংস ডিজিটাল এ তথ্য জানিয়েছে। বাংলাদেশে ইল্যান্সের কান্ট্রি ম্যানেজার সাইদুর মামুন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বর্তমানে বিশ্বে ইল্যান্স ও ওডেস্ক প্রথম সারির দুটি অনলাইন মার্কেটপ্লেস হিসেবে পরিচিত। একজোট হয়ে এই দুটি কোম্পানি অনলাইন কাজের ক্ষেত্রে বর্তমান সুবিধাগুলোর মান উন্নয়নসহ নতুন ধরনের আরও কিছু সেবা আনার বিষয়ে একসাথে কাজ করবে। এতে ফ্রিল্যান্সার এবং ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানগুলো কাজের ক্ষেত্রে আরও সুবিধা পাবেন। অবশ্য কোম্পানি দুটি এক হয়ে নতুন কোম্পানি গঠন করলেও আপাতত ইল্যান্স ডটকম ও ওডেস্ক ডটকম আলাদা প্ল্যাটফর্ম হিসেবেই কাজ চালিয়ে যাবে।

ইল্যান্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অনলাইন কাজের ক্ষেত্রে নতুন প্রতিষ্ঠানটি উন্নত ফিচার যুক্ত করবে। একটি একক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিশ্বের এক কোটি ফ্রিল্যান্সারের প্ল্যাটফর্ম হবে এটি। নতুন প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব পাচ্ছেন বর্তমানে ইল্যান্সের প্রধান নির্বাহী ফাবিও রোসাটি এবং বোর্ডের নির্বাহী চেয়ারম্যান হিসেবে থাকছেন ওডেস্কের বর্তমান নির্বাহী চেয়ারম্যান থমাস লেয়টন। ওডেস্কের বর্তমান সিইও গ্যারি সোয়ারট কৌশলগত উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। নতুন কোম্পানির নাম সংযুক্তি বিষয়ক সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর ঘোষণা করা হবে।

ইল্যান্স ডট কমের সিইও ফাবিও রোসাটি জানিয়েছেন, ‘আমরা এমন দুটি প্ল্যাটফর্মকে এক করতে যাচ্ছি, যারা কাজের মাধ্যমে বিশ্বকে এক জায়গায় নিয়ে আসতে বিশ্বাসী এবং সবসময়ই আর্থিক ও সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে যেতে চায়। ইল্যান্স ও ওডেস্কের একজোট হওয়া মানে বিশ্বে অনলাইনে কাজ খোঁজা ফ্রিল্যান্সারদের ও কাজ দাতা বায়ারদের নানা সুবিধা হবে।

এ প্রসঙ্গে ওডেস্ক সিইও গ্যারি সোয়ারট জানিয়েছেন, ‘এই সংযুক্তি অনলাইন কাজের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। এই মুহূর্তে সারা বিশ্বে প্রায় ২.৭ বিলিয়ন মানুষ অনলাইনে যুক্ত আছে, যাঁরা মুক্তভাবে একটি পেশা বেছে নেয়ার জন্য এবং নানা জায়গা থেকে একসঙ্গে হওয়ার জন্য ক্ষুধার্ত হয়ে আছে। ৪২২ বিলিয়ন ডলারের আন্তর্জাতিক কাজের বাজার এখন নতুনভাবে তৈরি হওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়ে আছে। অন্যান্য কাজের ক্ষেত্রের তুলনায় প্রায় ১০ গুণ বেশি গতিতে এগিয়ে যাওয়া অনলাইন কাজের ক্ষেত্রে আরও দ্রুত গতিতে পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে ইল্যান্সের সাথে যুক্ত হতে পেরে ওডেস্ক কর্তৃপক্ষও রোমাঞ্চিত।’



ইল্যান্স পরিচিতি

ইল্যান্স হচ্ছে জনপ্রিয় অনলাইন মার্কেটপ্লেস যেখানে মানুষ বিভিন্নভাবে কাজ করতে পারে। ইল্যান্স ফ্রিল্যান্স কাজের জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস। ইল্যান্স বর্তমানে ১৭০টি দেশের ৮ লাখ বায়ার এবং ৩০ লাখ ফ্রিল্যান্সারদের ব্যবহার করে থাকেন। প্রতি বছর ১৩ লাখেরও বেশী কাজ ইল্যান্সে পোস্ট হয়।



ওডেস্ক পরিচিতি

অনলাইন কাজের ওডেস্ক জনপ্রিয় একটি প্ল্যাটফর্ম। ওডেস্কে প্রায় ১০ লাখ ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান ও প্রায় ৫০ লাখ ফ্রিল্যান্সার রয়েছে। ২০১৩ সালে তথ্য অনুযায়ী, সবমিলিয়ে ১০০ কোটি ডলারের বেশি কাজ সম্পন্ন হয়েছে ওডেস্ক প্ল্যাটফর্ম থেকে।



বাংলাদেশ প্রেক্ষাপট

অনলাইনে কাজের ক্ষেত্রে ওডেস্ক ও ইল্যান্স বাংলাদেশে জনপ্রিয় দুটি মার্কেটপ্লেস। ইল্যান্সের কান্ট্রি ম্যানেজার জানিয়েছেন, এই দুটি প্ল্যাটফর্মে আড়াই লাখের বেশি দেশি ফ্রিল্যান্সার কাজ করেন। ইল্যান্স ও ওডেস্কের সংযুক্তির ফলে নতুন যে ফিচার আসবে তা দক্ষ ফ্রিল্যান্সারদের জন্য অপূর্ব সুযোগ তৈরি করতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

অনলাইনে পাসপোর্ট>>>>লাইনে দাঁড়িয়ে দীর্ঘ অপেক্ষার সময়ও কমতে শুরু করেছে। পাসপোর্টের জন্য অনলাইনে আবেদনের সংখ্যা বাড়ছে।শিক্...
17/12/2013

অনলাইনে পাসপোর্ট
>>>>

লাইনে দাঁড়িয়ে দীর্ঘ অপেক্ষার সময়ও কমতে শুরু করেছে। পাসপোর্টের জন্য অনলাইনে আবেদনের সংখ্যা বাড়ছে।


শিক্ষা, ভ্রমণ, প্রশিক্ষণ, কনফারেন্স, ব্যবসা, চিকিৎসা যে কোনো প্রয়োজনে বিদেশ যাওয়ার জন্য দরকার একটা বৈধ পাসপোর্ট। আগে পাসপোর্ট তৈরির জন্য আবেদন ফর্ম সংগ্রহ করতে আঞ্চলিক অফিসে যেতে হত। ফর্ম পূরণ করার পর আবার যেতে হত পাসপোর্ট অফিসে। তারপর লাইনে দাঁড়িয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা, জমা দেওয়া। এই চিত্র দিনদিন কমতে শুরু করেছে। হাতে পূরণ করা পাসপোর্টের আবেদন ফর্ম জমা দেওয়ার লাইনের পাশাপাশি এখন অনলাইনে ফর্ম জমাদানকারীদের লাইনও চোখে পড়বে।

অনলাইনে আবেদন ফর্ম পূরণের সুবিধা সম্পর্কে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড পাসপোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. সিরাজ উদ্দিন বিডিনিউজকে বলেন, “অনলাইনে যেসব আবেদন জমা পড়ে সেগুলোতে ভুল কম হয়। ফর্ম জমা দেওয়ার আগে সব তথ্য আবেদনকারী নিজেই যাচাই করে নেন। এতে নিজেই ভুলগুলো শনাক্ত করতে পারেন। তথ্যগুলো কেন্দ্রীয় সার্ভারে জমা হয়। তাছাড়া এই পদ্ধতিতে হাতে পূরণ করা ফর্মের মতো তথ্যগুলো হালনাগাদ করতে সার্ভারে নতুন করে ইনপুট করতে হয় না। এতে সময় ও শ্রম বাঁচে। ভুলভ্রান্তিও কম হয়।”

অনলাইনে আবেদন পূরণ করতে প্রথমেই http://www.passport.gov.bd/ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন। এখানে আবেদন ফর্ম পূরণ সম্পর্কিত নির্দেশনাগুলো আগে পড়ে নিন। পড়া শেষ হলে I have read the above information and the relevant guidance notes যুক্ত স্থানে টিক চিহ্ন দিন।

এবার কনটিনিউ টু অনলাইন এনরোলমেন্ট-এ ক্লিক করুন। অনলাইনে আবেদনের জন্য প্রথম পৃষ্ঠা দেখাবে। এখানে ব্যক্তিগত বিভিন্ন তথ্য, স্থায়ী ও অস্থায়ী ঠিকানা, আপনার উচ্চতা, জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বরসহ আরও কিছু তথ্য পূরণ করতে হবে।

নাম লেখার সময় নামের সংক্ষিপ্তরূপের পরিবর্তে যেমন— মোঃ/MD.-এর স্থলে মোহাম্মদ/MOHAMMAD লিখা অপরিহার্য। তাছাড়া পিতা, মাতা, স্বামী, স্ত্রী— মৃত হলে তাদের নামের আগে মৃত/মরহুম/LATE ব্যবহার করা যাবে না।

এ নিয়ম সম্পর্কে সিরাজ বলেন, “অনেকের সার্টিফিকেটে নামের সংক্ষিপ্ত রূপ লেখা থাকে। এছাড়া পাসপোর্টে নামের আগে কোনো পদবি বা নামের সংক্ষিপ্ত রূপ থাকলে কিছু দেশের ভিসা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে সমস্যা হয়। তবে কেউ চাইলে সার্টিফিকেট অনুযায়ী নিজের নাম ব্যবহার করতে পারেন।”

প্রথম পৃষ্ঠা আংশিক বা পূর্ণাঙ্গ পূরণ করার সময় ইমেইল অ্যাড্রেস দিয়ে সেইভ করলে পরে যেখানে শেষ করেছেন সেখান থেকেই আবার শুরু করতে পারবেন। ইমেইলে একটি অ্যাকাউন্ট নম্বর ও পাসওয়ার্ড সরবরাহ করা হবে।

তৃতীয় পৃষ্ঠা পূরণের সময় পাসপোর্টের জন্য ফি জমা সংক্রান্ত তথ্য পূরণ করতে হবে। এখানে ব্যাংক বা বাংলাদেশ মিশনের যে শাখায় আবেদন ফি জমা দিয়েছেন সে তথ্য, জমা দেওয়ার তারিখ ও রসিদ নম্বর পূরণ করতে হবে।

তাই পাসপোর্ট তৈরির জন্য নির্ধারিত ফি আগে জমা দিয়ে তারপর ফর্ম পূরণ করতে বসুন।

পুরোটা পূরণ করার পর আপনার ইমেইলে ফর্মের একটা কপি চলে আসবে। এখান থেকে ২ কপি প্রিন্ট করে ছবিসহ জমা দিতে হবে পাসপোর্ট অফিসে। এ সময় টাকা জমা দেওয়ার রশিদের কপিও জমা দিতে হবে।

“পাসপোর্টের জন্য ছবি তুলতে আবেদনকারীকে সশরীরে উপস্থিত হতে হবে। এখানে আবেদনকারীর ২ হাতের আঙুলের ছাপও সংগ্রহ করা হয়। এতে কেউ পরপর ২টি মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট তৈরি করতে গেলে সহজেই ধরা পড়ে যাবেন।” বললেন সিরাজ।

আবেদনপত্রের সঙ্গে যা সংযুক্ত করতে হবে

পাসপোর্টের আবেদন করার সময় জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি/জন্ম নিবন্ধন সনদের ফটোকপি/ সরকারি আদেশের (জিও) ফটোকপি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)/ ছাড়পত্রের ফটোকপি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)/ বিদ্যমান পাসপোর্টের ফটোকপি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)/টেকনিক্যাল সনদের ফটোকপি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)/ টিআইএন সনদের ফটোকপি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)/পিডিএস বা অবসর তারিখের প্রমাণপত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) জমা দিতে হবে।

ছবি তোলার সময়

সাদা পোশাক, চশমা ও মাথায় টুপি পরে ছবি তোলা যাবে না।
পাসপোর্টের প্রকৃতি

পাসপোর্ট ৩ ধরনের হয়। সাধারণ, অফিসিয়াল ও কূটনৈতিক। সবুজ, নীল ও লাল রংয়ের পাসপোর্টগুলোর একেকটি একেক ধরনের পেশাজীবীদের জন্য। যেমন, সাধারণ নাগরিকদের দেওয়া হয় সবুজ রংয়ের পাসপোর্ট।

সরকারি চাকুরিজীবীদের আবেদনপত্রের ধরন হবে অফিসিয়াল। তাদের নীল রংয়ের পাসপোর্ট দেওয়া হবে। যদিও এ পাসপোর্ট তিনি সাধারণ পাসপোর্টের মতোই ব্যবহার করতে পারবেন।

কূটনীতিকদের দেওয়া হয় লাল রংয়ের পাসপোর্ট। এ জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের অনুমতির প্রয়োজন হয়।

খরচাপাতি

আবেদন ফর্ম পূরণ করার সময় আপনাকে নির্দিষ্ট করে দিতে হবে পাসপোর্টটি কী ধরনের হবে।

সাধারণ হলে আবেদন ফর্ম জমা দেওয়ার ১৫-২৫ দিনের মধ্যে পাসপোর্ট সংগ্রহ করা যাবে। জরুরি পাসপোর্ট সাতদিনের মধ্যেই হাতে পাওয়া যায়।

এক্ষেত্রে সাধারণ আবেদনের জন্য ফি ৩ হাজার টাকা। জরুরি পাসপোর্টের জন্য ৬ হাজার টাকা।

এখন সারাদেশে ৩৪টি আঞ্চলিক অফিস আছে। সেখান থেকে পাসপোর্ট সম্পর্কিত বিভিন্ন সেবা পাওয়া যাবে। আগামী ৩ মাসের মধ্যে আরও ৩৩টি আঞ্চলিক অফিস চালু হবে বলেও জানালেন ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. সিরাজ উদ্দিন।

আঞ্চলিক অফিসগুলোর ঠিকানা ও ফোন নম্বর পেতে নিচের ওয়েবসাইটের সাহায্য নিতে পারেন।

http://www.dip.gov.bd/?q=node%2F29

আরও তথ্যের জন্য হোম পেইজের Online MRP Instruction ক্লিক করুন। পুরো দিক নির্দেশিকা ডাউনলোড করে একাই পূরণ করুন নিজের পাসপোর্টের তথ্য।

আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে কোনো সমস্যায় বা অনুসন্ধানে কর্তব্যরত সেনাবাহিনীর সহায়তা নিতে পারেন।

Address

Dhanmondi
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Linear ICT posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share