24/05/2026
বাংলাদেশে এখন অনেক কোম্পানি AI adoption নিয়ে এতটাই ব্যস্ত যে তারা ভাবছে, খুব দ্রুতই OpenAI, Claude বা Gemini ব্যবহার করেই পুরো engineering team lean করে ফেলা যাবে।
যে জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ারকে গতকালও ২৫ হাজার টাকা বেতন দিতে গিয়ে তাদের কষ্ট হতো, আজ সেই একই কোম্পানি proudly বলছে — “আমরা AI-first।”
কিন্তু একটা বিষয় অনেকেই বুঝতে চাইছে না।
বাংলাদেশের ecosystem-এ এখনও অসংখ্য junior engineer ২০-৩০ হাজার টাকার মধ্যে কাজ করে। Mid-level বা senior engineer-দেরও অনেক জায়গায় ৮০-১০০ হাজার টাকার বেশি যেতে বছরের পর বছর লাগে।
এখন অনেক কোম্পানি ভাবছে, মাসে ২০০ ডলারের subscription কিনে ২-৩ জন developer replace করে ফেলা যাবে।
হয়তো short-term এ এটা কাজও করবে।
কারণ AI কোম্পানিগুলো এখন market capture phase-এ আছে। Investor money ঢালছে, competition চলছে, তাই সবাই friendly আচরণ করছে — যেন পুরো humanity বাঁচানোর মিশনে নেমেছে।
কিন্তু Internet-এর history বলে, monopoly তৈরি হওয়ার পরে কোনো subscription কখনোই সস্তা থাকে না।
আজ যে service ২০০ ডলারে পাওয়া যাচ্ছে, enterprise dependency তৈরি হয়ে গেলে আগামী ২-৩ বছরে সেটাই ২০০০-৩০০০ ডলার per seat হয়ে যাওয়া অসম্ভব কিছু না।
তখন vendor-এর auto reply আসবে:
> “Your API limit has been exceeded.”
আর আসল tragedy অন্য জায়গায়।
যদি সবাই junior hiring বন্ধ করে দেয় কারণ AI দ্রুত code লিখতে পারে, তাহলে ৫ বছর পরে senior engineer আসবে কোথা থেকে?
Senior engineer আকাশ থেকে পড়ে না।
একজন irritating junior-কেই বছরের পর বছর bug করতে দিতে হয়, production ভাঙতে দিতে হয়, mentorship দিতে হয় — তারপরই সে mature engineer হয়ে ওঠে।
বাংলাদেশ এখন খুব dangerous একটা game খেলছে।
Junior hiring কমে যাচ্ছে, mentorship কমে যাচ্ছে, training culture হারিয়ে যাচ্ছে — আর তার জায়গায় তৈরি হচ্ছে “AI prompt engineer” circus।
এভাবে চলতে থাকলে এমন একটা সময় আসবে, যখন দেশ নিজে skilled engineer তৈরি করতে পারবে না; কিন্তু বিদেশি AI tool-এর monthly bill ঠিকই দিতে হবে।
অবস্থা হবে নিজের জমিতে চাষ বন্ধ করে imported চাল খাওয়ার মতো।
বাংলাদেশে আমরা সবকিছু short-term profit-এ convert করতে করতে profession-কেও এখন instant noodles বানিয়ে ফেলছি।
তারপর ৫ বছর পরে founder-রাই পোস্ট দিবে:
> “দেশে ভালো engineer পাওয়া যায় না কেন?”