RadioChacha.Com

RadioChacha.Com This Is Official Page By Online Radio Station Of RadioChaCha.com

24/09/2023

ঝুম বৃষ্টি,,

24/07/2019

DhakaFM 90.4 : এক Nation, এক Station

01/05/2019

একজন প্রকৌশলীর লেখা...
জীবনে পাওয়া দশ টি সেরা লজ্জা
১) ক্লাস ফাইভে পড়ি, পাশের বাড়ির আমার বয়েসি এক ছেলের
সাথে ওর বিদেশী লেগো সেট নিয়ে খেলা করি। একদিন ওর
সেটের একটা পার্টস খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। আমি ও খুজলাম। আমি
ওর বাসা থেকে বের হবার সময় ওর মা আমার শার্ট প্যান্টের
পকেট চেক করলো।
২) আমার এক কাজিন একটা দূর্দান্ত আই,বি,এম পিসি কিনলো। মানে
ওর বাবা কিনে দিয়েছিলো। উনি তখন ইন্টার পড়তেন। সবাই কে
দাওয়াত করে এনে কম্পিউটার দেখাচ্ছে। আমি ওই পিসি র মাউস টা
একটু নাড়ানোর অপরাধে কষে থাপ্পড় খেলাম।
৩) কুরবানি ঈদের পরের দিন আমি বাড়িওয়ালার বাসায় দেখা করতে
যাই। উনারা কথা বার্তা বললেন। আমি টেবিলে বসে আছি। পরিচারিকা
পোলাও মাংস, কাবাব নিয়ে এলো। আমি হাত ধুতে বাথরুমে
গেলাম। এসে দেখি কিছুই নেই। সে তাদের আত্মীয় কে
খাবার দেবার পরিবর্তে ভুল করে আমাকে দিয়েছে। পরে
সেমাই খেয়ে চলে এলাম।
৪) পাড়ার সবাই একটা রেস্টুরেন্ট এ খেতে গিয়েছি। এক ভাইয়ার
বাবা গাড়ি কিনেছেন সেই সেলিব্রেশনে। আসার সময় দামী
মাইক্রোবাস এ সবার যায়গা হলো। আমার হলো না। এক বড় ভাই
বল্লো, তুমি একটা রিকশা করে চলে আসো। আমি গাড়ি থেকে
নেমে গেলাম। একটা মেয়ে ফিক করে হেসে ফেল্লো।
৫) আমার ক্যালকুলেটর নষ্ট, বন্ধু কে বললাম এক্সাম চলছে
কলেজে, দুই/তিন দিনের জন্য ক্যালকুলেটর টা ধার দে। ওর
ক্যালকুলেটর টা এক্সপেনসিভ। ও দিলো না। হেসে হেসে
বল্লো, এইটা হারায়া ফেললে তোর আব্বাও এইটা কিনে দিতে
পারবে না।
৬) স্কুল লাইফে একটা মেয়ে কে অনেক পছন্দ করতাম।
তাকে বলার সাহস কখনো হয়নি। একদিন সাহস করে ওর বার্থডে
তে একটা গোলাপ দিয়ে ওকে বললাম, হ্যাপি বার্থডে।
ওর গোলাপ টা ছুড়ে ফেলে আমাকে বল্লো, যেমন ফকিন্নি
মার্কা চেহারা তেমন ফকিন্নি ছাত্র। এতো সাহস ক্যান তোমার!!
পাশে ওর অনেক বান্ধবী ছিলো, সবাই হো হো করে
হেসে ফেল্লো।
বাংলায় বিজ্ঞানচর্চা
৭) ক্রিকেট ম্যাচ হবে। পাশের পাড়ার সাথে। চ্যালেঞ্জ ম্যাচ।
আমি খুব ই এক্সাইটেড। আগের দিন ব্যাট মুছে রেডি করলাম।
সকালে আমার মা আমাকে আদর করে দোয়া পড়ে দিলেন।
মাঠে গিয়ে দেখি আমাদের টিমে ১৪ জন। আমি ওপেনিং বোলিং
করবো। হালকা প্র্যাক্টিস করছি। ক্যাপ্টেন বড় ভাই ১১ জন
সিলেক্ট করে দুই জন এক্সট্রা রাখলেন। আমি রিকশা করে মাথা
নিচু করে বাড়ি ফিরে এলাম। ১৪তম লোক টা আমি।
৮) নাইনে অংকে পেলাম ৩৯। ক্লাস টেনে রোল নাম্বার
পিছিয়ে ৬০। আমার আত্মীয় স্বজন আমাকে নিয়ে হাসাহাসি করে।
একবার আমার মামার বাসায় বেড়াতে গেলাম। ক্লাস থ্রি তে পড়া
মামাতো বোন আমার কাছে একটা অংক নিয়ে এলো। সুন্দর
করে বুঝিয়ে দিলাম। আমার মামী বল্লো, যাও সুমনের (আমার
আরেক কাজিন) কাছে বুঝো। ও অংক বুঝে নাকি?
যথারীতি সবাই হেসে ফেল্লো।
ক্লাস থ্রি এর অংক ও আমি বুঝি না।
৯) ছোট্ট বেলায় খুব রোগা ছিলাম। দেখতেও ভালো ছিলাম না।
একসাথে পাড়ার সব ছেলেরা যখন খেলতাম, কোনো সুন্দর
মেয়ে আশেপাশে এলে অন্য রা আমাকে আব্দুল আব্দুল
করে ডাকতো। একবার আমি শুনতে পেরেছিলাম একটা ছেলে
বলছিলো, ওর নাম ও আব্দুল, দেখতে ও আব্দুলের মতো।
১০) কলেজ লাইফে একটা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উপস্থাপনা আমার
করার কথা, কিন্তু উপস্থাপিকা আমার সাথে উপস্থাপনা করতে চায় নি।
কারন, আমি ওর লেভেলের স্মার্ট নই। আমাকে অনুষ্ঠানের দিন
রিহার্সেল সত্ত্বেও দর্শক সারি তে বসতে হলো, যদিও
বেশীক্ষণ থাকা লাগেনি, অন্য ছাত্র ছাত্রী র হাসাহাসির কারনে
বাধ্য হয়ে বাসায় চলে এসেছিলাম।
এই ঘটনা গুলো প্রতি টা ই আমার সাথে ঘটা। আমি নিজের ব্যাপারে
সত্যিই কনফিডেন্ট ছিলাম না। খুব কষ্ট হতো। মাঝে মাঝে মনে
হতো মরে যাই না কেনো?
আমি বড়লোক নই, সুদর্শন নই, স্মার্ট নই, কথা বলতে পারি না, খারাপ
ছাত্র। কি দরকার আমার পৃথিবী তে থাকার? অনেক সময় শিক্ষক
দের বকা খেতাম, মার খেতাম। কিন্তু আমি বেচে রইলাম, মরতে
ভয় হয়। আমি চেষ্টা করে গেলাম।
আমার ভালো কোনো গুন না থাকলে ও একটা শক্তি ছিলো।
স্বপ্ন কে বাস্তবতার রূপ দেবার জন্য সাহস। একা একাই যুদ্ধ
করেছি। পাশে পেয়েছি আমার মা আর বাবা কে। আমার উপর
তাদের অনেক বিশ্বাস ছিলো।
মানুষের সব অপমান, লাঞ্ছনা সহ্য করে, সেখান থেকে শিক্ষা
নিয়ে আমি নিজেকে পরিবর্তন করেছি। I always forgive, but
never forget.
আমার জীবন টা খুব সহজ সুন্দর ছিলো না। আমাকে জীবনে
অনেক অনেক ধাক্কা খেতে হয়েছে। আর আমি শিখেছি -
"জীবনে তোমার সব চেয়ে বিশ্বস্ত বন্ধু তুমি নিজেই।"
চোখের পানি কেউ মুছে দেয় না, নিজেকেই মুছতে হয়।
ঘুরে দাঁড়াতে হয়। যখন কোনো আশা থাকেনা, আশা তৈরী
করে নিতে হয়। লজ্জা পেয়ে মাথা নিচু করে চলে যাবার পর ও
সেখানে যাবার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে হয় মাথা উচু
করে সবার মাঝে নিজেকে আলোকিত করতে।
আমি কষ্ট করেছি, সবাই যখন আনন্দ করতো, আমি তখন পারতাম না।
কিন্তু একদিন পেরেছি। এবং সেই জয়ের তৃপ্তি যে কত খানি, আমি
জানি।
আজ আমাকে যে কোনো প্রোগ্রামে সন্মান করা হয়।
আমাকে লজ্জা পেতে হয় না। মোটামুটি সফল একজন
প্রকৌশলী বলা চলে।
আমার যে পরিমান লেগো সেট আছে, অনেকেই ঈর্ষান্বিত
হবে। আমি যে কম্পিউটার ব্যবহার করি ওই ভ্যালু তে সাধারন মানের
দশ টা কম্পিউটার কেনা যাবে। অনেক অনেক ইলেকট্রনিক
গেজেট আমি কিনি। অপচয় হয়তো, কিন্তু তৃপ্তি পাই।
প্রতি টা লজ্জার, চড়ের, লাঞ্ছনার হিসাব আদায় করি।
অসুন্দর বলে অনেক অপমানিত হয়েছি, এখন হইনা বরং সবাই বেশ
হ্যান্ডসাম ই বলে কথা না বলতে পেরেও এখন ভালো বক্তা।
আনস্মার্ট হয়েও এখন অফিসে স্মার্টনেসের রেফারেন্স।
ঘুরে দাঁড়ানো খুব কষ্টের কিছু না। প্রয়োজন শুধু সাহস আর
দমের। বুকে দম থাকলে হারতে চাইলেও হারা যায় না। আর আশা,
সুন্দর একটা স্বপ্ন। যা পূরন করা একমাত্র লক্ষ্য হতে হবে।
Don't expect help.... help yourself. আমি যখন ভেঙ্গে
পড়েছিলাম, তিন টা ওষুধ, আমার কাজে লেগেছিলো...
Self motivation
Self Confidence
Self Coaching
# Collected
Mízånür Râhmån MëHédi

24/03/2019

জয়নাল সাহেব কানে কম শোনেন। হেয়ারিং এইড কিনতে তিনি গেলেন দোকানে।
জয়নাল: ভাই, হেয়ারিং এইডের দাম কত?
দোকানদার: পাঁচ টাকা দামের আছে, পাঁচ হাজার টাকা দামেরও আছে।
জয়নাল: আমাকে পাঁচ টাকারটাই দেখান।
দোকানদার জয়নালের কানে একটা প্লাস্টিকের খেলনা হেয়ারিং এইড গুঁজে দিলেন। জয়নাল আশ্চর্য হয়ে বললেন, এটার ভেতর তো কোনো যন্ত্রপাতিই নেই। এটা কাজ করে কীভাবে?
দোকানদার: সত্যি বলতে, এটা কোনো কাজ করে না। তবে আপনার কানে এই জিনিস দেখলে লোকজন এমনিতেই আপনার সঙ্গে প্রয়োজনের চেয়ে উঁচু গলায় কথা বলবে!

08/11/2017

কেয়ামতের দিন হাশরের ময়দানে যখন সবাই 'ইয়া নাফসী, ইয়া নাফসী' বলে ডাকবে তখন একজন ই থাকবেন যে স্বার্থহীন পরম আপনজন আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) ।।
যখন 'সব নবী ,শহীদ,মুজাহিদ, মা-বাবা ,ভাই বোন, স্বামী স্ত্রী, সন্তান কেউ আর আপন থাকবে না।
*** সবার হবে একই সুর 'ইয়া নাফসী ***
>তখন একজন যিনি হবেন সবার চেয়ে ব্যতিক্রম.........
>যার প্রার্থনা সবার চেয়ে ভিন্ন সুরের........
> যার কান্না সবার চেয়ে আলাদা........
> যার দোয়া হবে ভিন্ন রকম.........
> তিনি দুহাত দুদিকে প্রসারিত করে বলবেন না "" ইয়া নাফসী' "" তিনি হলেন প্রিয় নবী মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ (সঃ) , যিনি শূধু বলবেন ঃ
*** ইয়া উম্মতি ,ইয়া উম্মতি '' ''হে আল্লাহ ! আমার উম্মত ! আমার উম্মত ! আমার উম্মতকে বাঁচান। *** (বুখারী, মুসলিম) ''
এত বড় হৃদয়ের নবী (সঃ) তাঁর দয়া কত বড়,যিনি দুনিয়ায় ও উম্মতের জন্য কেঁদেছেন হাশরের কঠিন সময়ে ও কাঁদবেন।
আসুন নিয়ত করি জীবনের চলাফেরা ,খাওয়া দাওয়া, লেনদেন ,লেবাস পোশাক যাবতীয় সবকিছু নবীজীর সুন্নাহ অনুযায়ী পালন করার চেষ্টা করব ,ইনশাআল্লাহ ।
আল্লাহ আমাদের নিয়ত কবুল করুন। আমিন।

07/11/2017

বল্টু আজ বিয়ে করেছে
বল্টুর বউ ট্রাফিক পুলিশ
তো বাসর রাত শেষে সকালে
বউ : ১০০০ টাকা দাও
বল্টু : কেন?
বউ : জরিমানা।
বল্টু : কিসের জরিমানা?
বউ : নিয়ম ভঙ্গ করার জন্য ৩০০ টাকা,
হেলমেট ছাড়া
ড্রাইভিং করার জন্য ৩০০ টাকা আর
ওভার স্পিডে
গাড়ি
চালানোর জন্য ৪০০ টাকা মোট
১০০০ টাকা।
বল্টু : সবই বুঝলাম কিন্তু শেষেরটার জন্য
৪০০ টাকা
কেন?
বউ : কারন, তোমার বোঝা উচিত
ছিল নতুন গাড়ি, একটু
যত্নসহকারে আস্তে আস্তে চালাই।
যাতে কোন
স্পট না পরে। কিন্তু তুমি সেটা
বোঝনি। না বুঝেই
জোড়ে জোড়ে চালাইছো। আর
হেডলাইটাও দাগ
পরাই দিছো। তাই ১০০ টাকা বেশি
ধরা হয়েছে।

07/11/2017

শিক্ষক:তুমি কি কোন লোহার দোকানে গিয়েছো? ছাত্রী:জি, গিয়েছি।
শিক্ষক:তা কিভাবে রাখা হয়?
ছাত্রী :খোলা মেলা।
শিক্ষক:তুমি কি রুপার দোকানে গিয়েছো?
ছাত্রী :হ্যাঁ গিয়েছি।
শিক্ষক:তা কিভাবে রাখা হয়?
ছাত্রী :সংরক্ষণ করে রাখা হয়।
শিক্ষক:তুমি কি স্বর্ণের দোকানে গিয়েছো?
ছাত্রী :জি হ্যাঁ গিয়েছি।
শিক্ষক:তা কিভাবে রাখা হয়?
ছাত্রী :তা রুপার চেয়েও বেশী সংরক্ষণ করে রাখা হয়।
শিক্ষক:তুমি কি হীরার দোকানে গিয়েছো?
ছাত্রী :হ্যাঁ গিয়েছি।
শিক্ষক:তা কেমনে রাখা হয়?
ছাত্রী :তা স্বর্ণের চেয়েও বেশী গুরুত্ব সহকারে ঢেকে রাখা হয়।
শিক্ষক:কেন জান?
ছাত্রী :কেননা তার দাম অত্যন্ত বেশী তাই।যেন তাতে ময়লা না লাগে।
শিক্ষক মুচকি হেঁসে বললেন: ইসলামে মহিলাদের মান ও সম্মান হীরার চেয়েও অনেক অনেক বেশী। তাই তুমি পর্দায় থাকবে।
ছাত্রী :সর্ট ড্রেসে সমস্যা কি স্যার?!
শিক্ষক:যারা তোমাকে সর্ট ড্রেস পরতে বলছে, তারা তোমাকে লোহার মত ব্যবহার করতে চাচ্ছে।তারা তোমার শরীরে দাগ দেবে, ময়লা লাগাবে, মরিচা ফেলবে। তারপর ছুড়ে ফেলে দেবে ডাস্টবিনে।ওরা কোনদিন তোমাকে সৌন্দর্যময় হীরা ভাববে না, বরং ভাববে ব্যবহারেরর লোহা। যা সাময়িক ব্যবহারের পর ফেলে দেবে। তাই একটু বিবেক বুদ্ধি দিয়ে ভেবে দেখ, তোমার মান সম্মান ও ভবিষ্যৎ এর কথা । মনে রাখবে এই দুনিয়াই কিন্তু শেষ নয়, আখিরাত বলেও কিছু একটা আছে।

31/10/2017

প্রশ্ন: উত্তর আমেরিকার আয়তন কত ?
২,১৩,৯৩,৭৬২ বর্গ কি.মি. ।
প্রশ্ন: উত্তর আমেরিকা পৃথিবীর মোট আয়তনের কত অংশ ?
১৪.৮% ।
প্রশ্ন: উত্তর আমেরিকা কোন গোলার্ধে অবস্থিত ?
পশ্চিম গোলার্ধে ।
প্রশ্ন: আয়তনে উত্তর আমেরিকার বৃহত্তম দেশ কোনটি ?
কানাডা (৯০,৯৩,৫৭০ বর্গ কি.মি. )
প্রশ্ন: লোকসংখ্যায় উত্তর আমেরিকার বৃহত্তম দেশ কোনটি ?
যুক্তরাষ্ট্র ।
প্রশ্ন: আয়তনে উত্তর আমেরিকার ক্ষুদ্রতম দেশ কোনটি ?
বারমুডা; (৫২ কি.মি.)।
প্রশ্ন: লোকসংখ্যায় উত্তর আমেরিকার ক্ষুদ্রতম দেশ কোনটি?
গ্রানাডা ।
প্রশ্ন: উত্তর আমেরিকা কে আবিস্কার করেন ?
ইটালির বিখ্যাত নাবিক কলম্বাস ।
প্রশ্ন: কলম্বাস কবে আমেরিকা আবিস্কার করেন ?
১৪৯২ ।
প্রশ্ন: উত্তর আমেরিকার অধিকাংশ অধিবাসি কাদের বংশধর ?
ইউরোপিয়দের ।
প্রশ্ন: এস্কিমোরা কোথায় বসবাস করে ?
তুন্দ্রা অঞ্চলে ।
প্রশ্ন: উত্তর আমেরিকা তথা পৃথিবীর বৃহত্তম সুপেয় পানির হ্রদ কোনটি ?
সুপিরিয়র (৩১,৭০০ বর্গ মাইল ) ।
প্রশ্ন: উত্তর আমেরিকার দীর্ঘতম নদী কোনটি ?
মিসিসিপি-মিসৌরী (৬০২০ কি.মি.)।
প্রশ্ন: উত্তর আমেরিকার দীর্ঘতম (একক) নদী কোনটি ?
ম্যাকেঞ্জি (৪২৪১ কি.মি.) ।
প্রশ্ন: উত্তর আমেরিকার আদি অধিবাসিদেও নাম কি ?
রেড ইন্ডিয়ান ও এস্কিমো ।
প্রশ্ন: উত্তর আমেরিকা তথা পৃথিবীর বৃহত্তম দ্বীপ কোনটি ?
গ্রীনল্যান্ড (২১,৭৫,৬০০ বর্গ কি.মি.) ।
প্রশ্ন: উত্তর আমেরিকার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কোনটি ?
ম্যাককিনলি, যুক্তরাষ্ট্র (উচ্চতা-৬১৯৪ মিটার) ।
প্রশ্ন: উত্তর আমেরিকার সর্বনিম্ন বিন্দু কোনটি ?
ডেথ ভ্যালি, যুক্তরাষ্ট্র (গভীরতা-৮৫.৯ মিটার) ।
প্রশ্ন: উত্তর আমেরিকার বৃহত্তম আগ্নেয়গিরি কোনটি ?
পোক্যাটেপেটল, মেক্সিকো (৫৪৫২ মিটার) ।
প্রশ্ন: মিসিগান, ইরি ,সুপিরিয়র, হিউরন ওঅন্টারিও হ্রদগুলোর একত্রে নাম কি ?
গ্রেটলেকস ।
প্রশ্ন: মধ্যে আমেরিকা হতে মিসিসিপি অববাহিত পর্যন্ত সমভূমিকে কি বলে ?
পৃথিবীর রুটির ঝুড়ি ।Mnb Mahabub...

Address

Sorail Poschimpara Tower Road #House Number 11
Kalai
5930

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when RadioChacha.Com posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to RadioChacha.Com:

Share

Category