Islamic World

Islamic World আস্সালামুয়ালাইকুম
এই পেজে প্রতিদিন নিত্যনতুন ইসলামিক ভিডিও আপলোড করা হবে. ইনশাআল্লাহ

17/03/2026
প্রেগন্যান্ট মায়েদের জন্য লাইলাতুল কদর প্ল্যান (পর্ব ১) ১. প্রথমেই নিজের অবস্থা মেনে নিনগত রমাদান হয়তো আপনি অত্যন্ত কা...
09/03/2026

প্রেগন্যান্ট মায়েদের জন্য লাইলাতুল কদর প্ল্যান (পর্ব ১)

১. প্রথমেই নিজের অবস্থা মেনে নিন

গত রমাদান হয়তো আপনি অত্যন্ত কার্যকরভাবে এবং মনমতো লাইলাতুল কদর কাটাতে পেরেছেন। এই রমাদানে আপনার সে শারীরিক সক্ষমতা থাকবে না, সেটা প্রথমেই নিজেকে বুঝিয়ে নিন। তাহলে আপনার কাজ অর্ধেক সহজ হয়ে যাবে। মনে রাখবেন, এই যে প্রেগন্যান্সিতে আপনি একটা প্রাণ ধারণ করছেন নিজের ভেতর, এটাও একটা ইবাদত। গর্ভাবস্থায় শরীরে অনেক পরিবর্তন আসে - ক্লান্তি, ব্যথা এসব স্বাভাবিক।

আল্লাহ আপনার অবস্থা, সক্ষমতা সবই দেখছেন এবং আপনার অবস্থার ব্যাপারে তিনি সম্যক অবগত। তিনি আপনার সাধ্যের বাইরে কিছু চান না।

আল্লাহ তায়ালা বলেছেন:"আল্লাহ কাউকে তার সাধ্যের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেন না।"* (সূরা বাকারা: ২৮৬)

২. নিয়ত ঝালাই করুন

আপনি যাই করুন আগে নিয়ত ঠিক করে নিন। প্রত্যেকটা কাজ করার আগে বারবার নিয়ত ঠিক করে নিন যে আপনি এটা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করছেন।

যেমন: ইবাদতে ক্লান্ত হয়ে গেলে তখন যে রেস্ট নিচ্ছেন সেখানে নিয়ত করুন -

"হে আল্লাহ! আপনি আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন, আমার গর্ভে যে সন্তান দিয়েছেন তার জন্য, তার কল্যাণের জন্য আমার এই বিশ্রাম। আমার এই বিশ্রামের মাধ্যমে আমার শক্তি বৃদ্ধি করে দিন যাতে আমি আরো বেশি আপনাকে ডাকতে পারি।"

৩. কুরআন তিলাওয়াত করুন যথাসম্ভব

মাগরিবের পর থেকেই যেহেতু লাইলাতুল কদর শুরু হয়ে যায় তাই মাগরিবের পর থেকেই যথাসম্ভব কুরআন তিলাওয়াত করার চেষ্টা করুন। টেইলর সিটিং পজিশনে বা হেলান দিয়ে বসে তিলাওয়াত করতে পারেন। টানা বসে না থেকে কিছুক্ষণ পরপর উঠে হাঁটাহাঁটি করুন। এতে শরীরের রক্ত সঞ্চালন ভালো থাকবে।

- তিলাওয়াত করা কষ্টকর হলে শুনুন
- কুরআনের কোনো দুয়া, ছোট ছোট সূরা বারবার পড়তে থাকুন
- এতেও তিলাওয়াতের সওয়াব যুক্ত হবে

✅ মনে রাখবেন:

নিজের উপর অতিরিক্ত প্রত্যাশা করবেন না। আল্লাহ আপনার চেষ্টা দেখবেন, ফলাফল নয়। আপনি যে পাঁচ পাতা পড়ার চেষ্টা করেছেন আল্লাহ সেটাই দেখবেন। এক পারা পড়তে না পারলে হতাশ হবেন না।

৪. জিহ্বাকে সারাক্ষণ যিকিরে সিক্ত রাখার চেষ্টা করুন

তিলাওয়াত বা শারীরিক ইবাদত করতে না পারলেও চেষ্টা করুন আপনার জিহবাকে যিকিরে সিক্ত রাখতে। পাশাপাশি বিশ্রামের সময়গুলো যিকির করে কাটান। এতে শারীরিক পরিশ্রম ছাড়াই খুব সহজেই অনেক সওয়াবের অংশীদার হতে পারবেন।

✅ যিকির টিপস:

যিকিরগুলো এভাবে ব্লক ভাগ করতে পারেন:

🔸মাগরিবের পর থেকে ইশা পর্যন্ত: লাইলাতুল কদরের দোয়া

اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي
হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আপনি ক্ষমাশীল, ক্ষমা করা পছন্দ করেন, তাই আমাকে ক্ষমা করে দিন।

🔸ইশা থেকে ঘুমাতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত: দরুদ। সহজ একটি দরুদ:
اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ
🔸তাহাজ্জুদ থেকে ফজর পর্যন্ত: ইস্তিগফার

أَسْتَغْفِرُ الله
অথবা
أَسْتَغْفِرُ اللهَ رَبِّي مِنْ كُلِّ ذَنْبٍ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ

ফাঁকে ফাঁকে এই যিকিরগুলোও করতে পারেন:

• সুবহানাল্লাহ
• আলহামদুলিল্লাহ
• আল্লাহু আকবার
• সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহী

আমাদের “Nurtured Motherhood” 4-Week One-on-One Personalized Pregnancy & Post-partum Care Plan তৈরি করা হয়েছে সেই সব মায়েদের জন্য, যারা প্রেগন্যান্সি ও ডেলিভারির পরের সময়টাতে নিরাপদ, সঠিক ও ব্যক্তিগত সাপোর্ট চান—ইন শা আল্লাহ।

আমরা আপনাদের জন্য তিনটি প্যাকেজ নিয়ে এসেছি।

🔹 Package A (Essential Care):

এই প্যাকেজে থাকছে Childbirth Educator ও Doula-এর সাথে One-on-One সাপোর্ট, লাইফস্টাইল গাইডেন্স, childbirth preparation ও নিয়মিত মনিটরিং।

🔹 Package B (Essential Plus Care):

Package A-এর সব সুবিধার সাথে এই প্যাকেজে যুক্ত হচ্ছে Nutritionist-এর পার্সোনালাইজড ডায়েট ও নিউট্রিশন গাইডেন্স—আপনার ও আপনার শিশুর সুস্থতার জন্য আরও মজবুত ভিত্তি তৈরি করতে।

🔹 Package C (Complete Care):

প্যাকেজ এ ও প্যকেজ বি এর পাশাপাশি এই প্যাকেজে থাকছে Medical Doctor-এর সরাসরি কনসালটেশন—যাতে আপনি পান একটি পূর্ণাঙ্গ medical oversight ও প্রফেশনাল দিকনির্দেশনা।

এই একটি কেয়ার প্ল্যানই, ইন শা আল্লাহ, আপনার প্রেগন্যান্সি ও পোস্ট-পার্টাম জার্নিকে আরও সহজ, নিরাপদ ও সাপোর্টিভ করে তুলবে।

এছাড়াও আমাদের Nurtured Motherhood প্রোগ্রামের যে কোনো একটি প্যাকেজ (Package A, B বা C) নিলে সাথে সাথে একবছরের জন্য সম্পূর্ণ ফ্রি পাচ্ছেন Pregnancy Wellness Crash Course এর রেকর্ডিং! 🎉

শেষ মুহূর্তে উঠলেও লাইলাতুল কদর ধরার উপায়..ধরুন ঘুম থেকে উঠে দেখলেন সেহরির সময় আর মাত্র ২০ মিনিট বাকি আছে। তাও এখন হয়...
08/03/2026

শেষ মুহূর্তে উঠলেও লাইলাতুল কদর ধরার উপায়..

ধরুন ঘুম থেকে উঠে দেখলেন সেহরির সময় আর মাত্র ২০ মিনিট বাকি আছে। তাও এখন হয়তো রমাদানের শেষ ১০ রাত চলছে এবং আপনাকে কদরের রাত তালাশ করতে হবে! এখন কী উপায়?
আমি কি সেহরি রেডি করব? খাব? নাকি লাইলাতুল কদরের জন্য নামাজে দাঁড়াব? কোনটা রেখে কোনটা করব?
যদি এমন হয়ও যায়, তবুও কিছু আপনি লাইলাতুল কদর ধরার জন্য অবশ্যই করবেন। যদি ঘুম থেকে উঠে দেখেন, হাতে মাত্র ১৫-২০ মিনিট বাকি আছে, তাহলে নিচের পয়েন্টগুলো ফলো করুন ইনশাআল্লাহ—

➤ ঘুম থেকে উঠেই অবশ্যই অজু সাথে সাথে করে ফেলবেন।

➤ খাবার গরম করতে করতে মৌখিক জিকির করতে থাকুন সারাক্ষণ
“আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিব্বুল আফওয়া ফা’ফু আন্নি” (১০ মিনিট ধরে টানা বললেও কিছু অনেকবার বলা হয়ে যায় আলহামদুলিল্লাহ)। আনুষঙ্গিক কাজ করতে করতে সারাক্ষণ মুখ ব্যস্ত রাখুন জিকিরে।

➤ ৩ বার সূরা ইখলাস পড়ে ফেলুন। ৩ মিনিটেও কম সময় লাগবে। আল্লাহ কবুল করলে সম্পূর্ণ একবার কুরআন খতম করার সওয়াব জমা পড়বে অ্যাকাউন্টে! আর লাইলাতুল কদর হলে তো আরও ভালো আলহামদুলিল্লাহ!

➤ ২ মিনিটে সূরা বাকরার শেষ দুই আয়াত পড়ে ফেলুন। যে বান্দা সূরা বাকরার শেষ ২ আয়াত পড়ল, এটুকু তার পুরো রাতের জন্য যথেষ্ট হবে, সুবহানাল্লাহ!

➤ সময় একেবারে কম থাকলে একটি খেজুর, এক গ্লাস পানি এবং এক গ্লাস দুধ খেয়ে সেহরি সেরে ফেলুন।
আর ৫ মিনিটে আল্লাহর কাছে আপনি আগামী বছর তাকদীরে যা যা কল্যাণ দেখতে চান, সেগুলো আন্তরিকভাবে চাইতে থাকুন। যেমন: হে আল্লাহ! আপনি আমাকে ২০২৬ সালে সুন্দরভাবে হজ পালন করার তাওফিক দান করুন।
আপনি লাইলাতুল কদরে আমার ভাগ্য নির্ধারণের সময় আগামী বছর ২০২৬ সালে আমার নামে হজ লিখে দিন! আগামী বছর আমার জন্য একটি ভালো বিবাহ লিখে দিন, আগামী বছরের মধ্যে আমার ভাগ্যে নেককার সন্তান লিখে দিন, আগামী বছর আমাদের রিজিকের সমস্ত দুঃখ কষ্ট উঠিয়ে নিন, আমাদের ঋণ মুক্তি দান করুন ইত্যাদি ইত্যাদি...
বড় করে দুআ করার সময় না থাকলেও ৫ মিনিটে ঝটপট চেয়ে ফেলুন, নিশ্চয়ই আমাদের রব সর্বশ্রোতা এবং সর্বজ্ঞ!

➤ কম করে সেহরি খেয়ে যদি দেখেন হাতে আরও ৫-৭ মিনিট বাকি আছে, তাহলে জায়নামাজ বিছিয়ে দাঁড়িয়ে যান। দুই রাকাত হলেও নফল নামাজ পড়ে ফেলুন। ফজরের আযান দেওয়ার আগেই এজন্য বলেছিলাম ঘুম থেকে উঠেই সাথে সাথে অজু করে নিন, সময় বেশি থাকলে টট করে দুই রাকাত এক্সট্রা নামাজ পড়ে ফেলা যায়।
লাইলাতুল কদর ইবাদত করার একটা মুহূর্তও হারাবেন না।
একটা সেকেন্ডও না!
হাতে যদি ১৫ মিনিটও পাওয়া যায়, এই ১৫ মিনিটের সর্বোত্তম ব্যবহার করে এমন আমল করা যায়, যেটা আল্লাহ কবুল করলে ১০০০+ মাস ধরে ইবাদত করার থেকেও উত্তম হয়ে কবুল হবে, বি-ইজনিল্লাহ!

হে আল্লাহ, আপনি আমাদের সবাইকে লাইলাতুল কদর পর্যন্ত পৌঁছে দিন,আমীন ইয়া রব।

বই : একটি সফল রমাদানের ডায়েরি

সাওয়াবের নিয়তে পৌঁছে দিন সবার কাছে

#লাইলাতুল_কদর

সালাতুত তাসবিহ নামাজ।সালাতুত তাসবিহ ৪ রাকাতে সর্বমোট ৩০০ বার নিম্নের দোয়াটি পড়তে হয়।(سبحان الله، والحمدُ لله، ولا إِلَهَ...
04/03/2026

সালাতুত তাসবিহ নামাজ।

সালাতুত তাসবিহ ৪ রাকাতে সর্বমোট ৩০০ বার নিম্নের দোয়াটি পড়তে হয়।

(سبحان الله، والحمدُ لله، ولا إِلَهَ إِلَّا اللهُ، وَالله أكبر)

উচ্চারণঃ- সুবহানাল্লাহ, ওয়াল'হামদুলিল্লাহ, ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, ওয়াল্লাহু আকবার।

- এই নামাজ যেকোনো সময় পড়া যায়, তবে জুম্মার রাত (শুক্রবার রাত) ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ রাতগুলোতে পড়া মুস্তাহাব (পছন্দনীয়)।

- সামনে রমজান আসতেছে রমজান মাসে এই নামাজ কেউ মিস করবেন না।

সালাতুত তাসবিহ হলো ৪ রাকাত সুন্নত নামাজঃ-যেখানে প্রতি রাকাতে বিশেষ একটি তাসবিহ পড়া প্রয়োজন।

(সুবহানাল্লাহ, ওয়াল হামদুলিল্লাহ, ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, ওয়াল্লাহু আকবার)

মোট ৭৫ বার পড়া হয়, যার ফলে ৪ রাকাতে মোট ৩০০ বার তাসবিহ পড়া হয়ে থাকে; এটি সূরা ফাতিহা ও অন্য সূরা পাঠের পর এবং রুকু, সিজদাসহ বিভিন্ন ধাপে নির্দিষ্ট সংখ্যায় পড়তে হয়।

নামাজের নিয়ম:-

★ নিয়ত: ৪ রাকাত সালাতুত তাসবিহের নিয়ত করুন।

প্রথম রাকাত:- 'আল্লাহু আকবার' বলে নামাজ শুরু করুন।

প্রথমে 'ছানা' পড়ুন (সুবহানা...)-এর পর, সূরা ফাতিহা ও অন্য একটি সূরা পড়ুন, এরপর ১৫ বার তাসবিহ পড়ুন:

◆ সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার (15 বার)।

◇রুকুর তাসবিহ (সুবহানা রাব্বিয়াল আযীম) পড়ার পর, ১০ বার তাসবিহ পড়ুন (সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার)

'সামিআল্লাহ লিমান হামিদাহ' বলার পর, ১০ বার তাসবিহ পড়ুন (সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার) 10 বার।

প্রখম সিজদায় গিয়ে তাসবিহ (সুবহানা রাব্বিয়াল আলা) পড়ার পর, ১০ বার তাসবিহ পড়ুন (সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার) 10 বার।।

দুই সিজদার মাঝে বসে ১০ বার তাসবিহ পড়ুন (সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার) 10 বার।।

দ্বিতীয় সিজদায় গিয়ে তাসবিহ (সুবহানা রাব্বিয়াল আলা) পড়ার পর, ১০ বার তাসবিহ পড়ুন (সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার) 10 বার।।

দ্বিতীয় সেজদার তাজবীদ শেষ করে ১০ বার তাসবিহ পড়ুন (সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার) 10 বার।।

দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ রাকাত: একই নিয়মে প্রত্যেক রাকাতে এভাবে ৭৫ বার করে তাসবিহ পাঠ করুন।

* মোট তাসবিহ: ৪ রাকাতে মোট ৩০০ বার তাসবিহ পড়া হবে (৭৫ বার × ৪ রাকাত)।

গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা:- গণনা: জোরে জোরে বা আঙুল গুনে তাসবিহ পড়া অনুচিত; মনে মনে বা আঙুল চেপে গণনা করতে পারেন।

ভুলে গেলে: কোনো ধাপে তাসবিহ পড়া বাদ গেলে, পরের ধাপে সেই সংখ্যা যোগ করে নিন অথবা পরের রাকাতের শুরুতে তা পরণ করে নিন।

ফজিলত:- এই নামাজে জীবনে সব গুনাহ মাফের বড় ফজিলত রয়েছে, নেক আশা পূরণের ফজিলত রয়েছে এবং এটি প্রতিদিন, প্রতি সপ্তাহে, প্রতি মাসে বা জীবনে অন্তত একবার পড়ার জন্য উৎসাহিত করা হয়েছে।

সাওয়াবের নিয়তে পৌঁছে দিন সবার কাছে

#সালাতুত_তাসবিহ_নামাজ

⛔সিজারে বাচ্চা হওয়ার কত দিন পর মাসিক হয়।⁉️➡️সিজারে বাচ্চা হওয়ার পর সাধারণত ৬ থেকে ৮ সপ্তাহের মধ্যে (নিফাস বা রক্তস্রাব...
08/02/2026

⛔সিজারে বাচ্চা হওয়ার কত দিন পর মাসিক হয়।⁉️

➡️সিজারে বাচ্চা হওয়ার পর সাধারণত ৬ থেকে ৮ সপ্তাহের মধ্যে (নিফাস বা রক্তস্রাব শেষ হওয়ার পর) মাসিক শুরু হতে পারে [৬]। তবে, মা যদি নিয়মিত ও একান্তভাবে বুকের দুধ খাওয়ান, তবে হরমোনের (প্রোল্যাকটিন) প্রভাবে মাসিক শুরু হতে আরও দেরি হতে পারে, এমনকি কয়েক মাস থেকে ১ বছর পর্যন্ত বা বুকের দুধ খাওয়ানো বন্ধ না করা পর্যন্ত মাসিক না-ও হতে পারে।

🔴সিজারের পর মাসিক সম্পর্কে মূল বিষয়সমূহ:
বুকের দুধের ওপর নির্ভরশীলতা: নিয়মিত বুকের দুধ খাওয়ালে মাসিক দেরি করে হয়।

⭕প্রথম দিকের মাসিক: প্রসবের পর প্রথম কয়েক মাস মাসিক অনিয়মিত, খুব ভারী বা হালকা হতে পারে।

⭕বুকের দুধ না খাওয়ালে: যারা বুকের দুধ খাওয়ান না, তাদের ক্ষেত্রে ৬-৮ সপ্তাহের মধ্যেই মাসিক শুরু হয়ে যেতে পারে।

⭕গর্ভাবস্থার ঝুঁকি: মাসিক শুরু না হলেও কিন্তু ওভুলেশন (Ovulation) বা ডিম্বস্ফোটন হতে পারে, তাই কনডম বা অন্য গর্ভনিরোধক ব্যবহার করা প্রয়োজন।

⭕ব্যতিক্রম: যদি ১ বছরের বেশি সময় ধরে মাসিক না হয়, তবে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

✅বিশেষ দ্রষ্টব্য: এটি সাধারণত একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, তবে শরীর সুস্থ হতে সময় নেয়। যদি অতিরিক্ত ব্যথা বা রক্তপাত হয়, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

06/02/2026

ইসলামের বিজয় হবেই

হযরত আবান বিন আবদুল্লাহ বাজালী (রহ.) বর্ণনা করেন, "আমাদের এক প্রতিবেশী মা|রা গেলেন। আমরা তার দাফনের জন্য কবর খনন করলাম। ...
25/01/2026

হযরত আবান বিন আবদুল্লাহ বাজালী (রহ.) বর্ণনা করেন, "আমাদের এক প্রতিবেশী মা|রা গেলেন। আমরা তার দাফনের জন্য কবর খনন করলাম। কিন্তু হঠাৎ কবর থেকে বিড়ালের মতো দেখতে একটি অদ্ভুত প্রাণী বেরিয়ে এল। আমরা ওটাকে তাড়ানোর অনেক চেষ্টা করলাম কিন্তু সে নড়ল না। এমনকি গোরখোদক কুড়াল দিয়ে সেটির কপালে আঘাত করল, তবুও সে সরলো না।"

অগত্যা তারা সেই কবরটি ছেড়ে দ্বিতীয় আরেকটি কবর খনন করলেন। কিন্তু বিস্ময়করভাবে সেই কবরেও একই প্রাণী দেখা দিল। এরপর তৃতীয়বার আরেকটি কবর খনন করা হলো, কিন্তু সেই কবরের ভেতরেও সেই একই প্রাণী বসে ছিল। বাধ্য হয়ে সকলে সেই কবরেই মৃত ব্যক্তিকে দাফন করার সিদ্ধান্ত নিলেন।

দাফন শেষে যখন আমরা কবরের ওপর বাঁশের চাটাই বা ইট বিছিয়ে সমান করে দিলাম, তখন আমরা কবরের ভেতর থেকে হাড়গোড় মড়মড় করে ভাঙার এক বিকট শব্দ শুনতে পেলাম। এই শব্দ আমাদের আতঙ্কিত করে তুলল।"

উপস্থিত লোকজন ওই ব্যক্তির স্ত্রীর কাছে গিয়ে পুরো ঘটনা খুলে বললেন এবং জানতে চাইলেন তার স্বামী কী এমন কাজ করতেন যার কারণে এমন ভয়াবহ দৃশ্য দেখতে হলো। তার স্ত্রী বললেন,

"সে ফরজ গোসল করত না।" অর্থাৎ সে নাপাক অবস্থাতেই চলাফেরা করত এবং ইবাদতে অবহেলা করত।

(সূত্র: শরহুস সুদুর বিশরহে হালিল মাওতা ওয়াল কুবুর)

পবিত্রতা ঈমানের অঙ্গ। ইচ্ছাকৃতভাবে ফরজ গোসল ত্যাগ করা মারাত্মক গুনাহ। দুনিয়ার সামান্য অবহেলা কবরের জীবনে বড় বিপদের কারণ হতে পারে।

25/01/2026

24/08/2025

20/08/2025

18/08/2025

Address

Khulna
Khulna
9252

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic World posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Islamic World:

Share