26/02/2026
বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট করার প্রক্রিয়া এখন অনেক সহজ এবং ডিজিটাল। আপনি মূলত ৫ বছর বা ১০ বছর মেয়াদের জন্য আবেদন করতে পারেন। নিচে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং ২০২৬ সালের সম্ভাব্য খরচের তালিকা দেওয়া হলো:
১. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (Documents Needed)
পাসপোর্টের আবেদনের জন্য মূল ভিত্তি হলো আপনার NID বা জন্ম নিবন্ধন।
প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য (২০ বছরের বেশি): জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) এর মূল কপি এবং অনলাইন ভেরিফাইড ফটোকপি।
অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য (২০ বছরের কম): অনলাইন ভেরিফাইড ১৭ ডিজিটের জন্ম নিবন্ধন সনদ (English version)। সাথে বাবা-মায়ের NID-এর ফটোকপি।
আবেদনপত্রের কপি: অনলাইনে আবেদন করার পর যে 'Application Summary' এবং 'Online Registration Form' পাওয়া যায়, তার প্রিন্ট কপি।
পেমেন্ট স্লিপ: ব্যাংক বা অনলাইনে (এ-চালান) টাকা জমা দেওয়ার রসিদ।
পুরানো পাসপোর্ট (যদি থাকে): যদি আগে পাসপোর্ট করা থাকে, তবে তার মূল কপি এবং ডাটা পেজের ফটোকপি।
অন্যান্য (প্রয়োজন সাপেক্ষে): পেশার প্রমাণপত্র (যেমন- স্টুডেন্ট আইডি কার্ড বা সরকারি চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে NOC/GO), বিবাহিতদের ক্ষেত্রে কাবিননামা (যদি নাম পরিবর্তন বা স্পাউসের নাম যোগ করতে চান)।