22/05/2026
রামিসার মতো নিষ্পাপ শিশুদের নির্মম পরিণতি দেখে মানুষ ক্ষুব্ধ হয়, কাঁদে, বিচার চায়। কিন্তু বাস্তবতা হলো বছরের পর বছর মামলার শুনানি চলে, অপরাধীরা আইনের ফাঁক খুঁজে নেয়, প্রভাবশালীরা জামিনে বের হয়ে আসে, আর কিছুদিন পর নতুন আরেকটি ঘটনায় পুরোনো ঘটনাগুলো চাপা পড়ে যায়।
এটাই আধুনিক সেক্যুলার বিচারব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা, যেখানে অপরাধীর অধিকার নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়, কিন্তু ভুক্তভোগীর পরিবার বছরের পর বছর ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় থাকে।
পৃথিবীর বহু গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে কঠোর শাস্তির দাবি উঠলেও আন্তর্জাতিক আইন, মানবাধিকার নীতিমালা এবং সাংবিধানিক কাঠামোর কারণে প্রকাশ্য ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি কার্যকর করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে ভয় হারিয়ে যাচ্ছে, অপরাধ বাড়ছে, আর সমাজ ধীরে ধীরে অসাড় হয়ে পড়ছে।
পক্ষান্তরে ইসলামিক শরীয়াহভিত্তিক বিচারব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য শুধু শাস্তি দেওয়া নয় বরং অপরাধ সংঘটিত হওয়ার আগেই সমাজে ভয়, নৈতিকতা ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করা। ইসলামে বিচার বিলম্বিত নয়, প্রভাবমুক্ত এবং সামাজিক নিরাপত্তাকেন্দ্রিক।
ইসলামী শাসনব্যবস্থা মানুষকে শেখায়,
একটি নিষ্পাপ প্রাণের মর্যাদা পুরো মানবজাতির সমান।
একজন অপরাধীকে প্রশ্রয় দেওয়া মানে পুরো সমাজকে ঝুঁকির মুখে ফেলে দেওয়া।
আজ প্রশ্ন একটাই,
আমরা কি এমন একটি ব্যবস্থা চাই, যেখানে বিচার বছরের পর বছর ঝুলে থাকবে?
নাকি এমন একটি সমাজ চাই, যেখানে কঠোর ন্যায়বিচারের ভয়েই অপরাধ করার সাহস কমে যাবে?
ন্যায়বিচার শুধু আদালতের রায় নয়,
ন্যায়বিচার হলো এমন একটি সমাজ গড়ে তোলা, যেখানে রামিসাদের আর হারিয়ে যেতে না হয়।
রাসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, কোন বিবাহিত পুরুষ ধ*র্ষণ (যিনা) করলে তাকে ইট, ঢেল, পাথর নিক্ষেপ করে, করে মে*রে ফেলতে হবে। তার বাঁচার কোন পথ নাই!