Ishraque ICT Unit

Ishraque ICT Unit ইশরাক হোসেন
'নির্বাচিত মেয়র' ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনীত প্রার্থী।

আমরা আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, ‘ইশরাক আইসিটি ইউনিট’ এখন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করেছে।

🎯 এই ইউনিটের মূল দায়িত্ব:

১. প্রযুক্তিগত ও কমিউনিকেশন সংক্রান্ত সকল কার্যক্রম পরিচালনা করা

২. সাইবার সিকিউরিটি নিশ্চিত করা

৩. সাইবার বুলিং প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ

৪. ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট চিহ্নিত করে প্রতিরোধে ভূমিকা রাখা

‘ইশরাক আইসিটি ইউনিট’ তথ্য প্রযুক্তিকে ইতিবাচক ও জনকল্যাণমূলক উপা

য়ে ব্যবহারের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা বিশ্বাস করি, তথ্যপ্রযুক্তির ন্যায়সংগত ও সচেতন ব্যবহার দেশবাসীর নিরাপত্তা ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

📍 চলুন, আমরা সবাই মিলে গড়ি একটি নিরাপদ, তথ্যসচেতন এবং প্রযুক্তিবান্ধব বাংলাদেশ।

ইশরাক হোসেনকে মেয়র হিসেবে শপথ পড়াতে বাধা নেই- হাইকোর্ট
22/05/2025

ইশরাক হোসেনকে মেয়র হিসেবে শপথ পড়াতে বাধা নেই

- হাইকোর্ট

20/05/2025
20/05/2025

সোশ্যাল মিডিয়ার রাজনীতি

বর্তমান যুগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মানুষের মতপ্রকাশ, গণতান্ত্রিক চর্চা এবং তথ্য বিনিময়ের এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হয়ে উঠেছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে, বাংলাদেশে এই মাধ্যমটি আজ রাজনৈতিক স্বার্থে, ঘৃণা ছড়াতে এবং জনমত বিকৃত করতে ব্যবহৃত হচ্ছে। বিশেষত বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার রূপ নিয়েছে ঘৃণা, বিভ্রান্তি ও প্রতিহিংসার এক ভয়ংকর প্ল্যাটফর্মে। প্রতিনিয়ত ছড়ানো হচ্ছে ভুল ও বানোয়াট তথ্য, তৈরি হচ্ছে সাজানো গল্প, যার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বিরুদ্ধমতের মানুষকে হেয় করা ও সামাজিকভাবে কোণঠাসা করা।

বিএনপি, জামায়াতে ইসলামি, এনসিপি কিংবা কোনো বিরোধী রাজনৈতিক মতাবলম্বী ব্যক্তি সোশ্যাল মিডিয়ায় তাদের মতামত প্রকাশ করলেই, শুরু হয়ে যায় এক ধরনের ডিজিটাল হামলা। শত শত ট্রল কমেন্ট, ‘হা হা’ রিয়েক্ট এবং চরিত্র হননের মত কর্মকাণ্ড চালানো হয়, যার পেছনে স্পষ্ট পরিকল্পনা ও নির্দেশনার ছাপ থাকে। এই প্রতিক্রিয়াগুলো মতভেদকে সম্মান না করে তাকে দমন করার অস্ত্রে পরিণত হয়েছে। এটি গণতান্ত্রিক চর্চার পরিপন্থী।

সবচেয়ে দুর্ভাগ্যজনক বিষয় হলো, তরুণদের একটি অংশ—যারা একসময় স্বাধীনভাবে চিন্তা করত—আজ বিভ্রান্তির ফাঁদে আটকে যাচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাবশালী ট্রেন্ড, বট-নেটওয়ার্ক, এবং উসকানিমূলক রাজনৈতিক কনটেন্ট তাদের যৌক্তিক চিন্তা ও মূল্যবোধকে বিপন্ন করছে। অন্ধ দলীয়তা ও ডিজিটাল হামলায় জড়িয়ে পড়ছে তারা নিজেরাও, যা দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের জন্য এক বড় হুমকি।

আমরা লক্ষ্য করছি, এই হিংসাত্মক ডিজিটাল চর্চার পেছনে রয়েছে কিছু নির্দিষ্ট গ্রুপ বা চক্র, যারা কিছু মহল থেকে নির্দেশনা পায়। তারা নির্দিষ্ট সময়, ঘটনা ও ব্যক্তিকে টার্গেট করে দলবদ্ধভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় আক্রমণ চালায়। এই চক্রের কার্যকলাপ মনিটরিং এবং তাদের উৎস চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। এদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া এখন সময়ের দাবি।

সোশ্যাল মিডিয়ার অপব্যবহার বন্ধ করতে হবে। ঘৃণার রাজনীতি, ট্রোলিং সংস্কৃতি, এবং ডিজিটাল নিপীড়ন বন্ধ করতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়া যেন যুক্তিভিত্তিক আলোচনা ও তথ্যভিত্তিক মতপ্রকাশের একটি নিরাপদ স্থান হয়, সেটিই আমাদের সকলের লক্ষ্য হওয়া উচিত।

-ইশরাক আইসিটি ইউনিট

20/05/2025

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩। খুব বেশিদিন আগের কথা না।
হাসিনা পতনের ১ বছরেরও কম সময়। ডিসেম্বর/জানুয়ারীর নির্বাচন ও গনতন্ত্র আদায়ে ইশরাকরা যখন জেলখানায়, আমরা বিশ্ব সম্মতি ও হাসিনার অপশাসনের বিরুদ্ধে কথা বলতে বলতে প্রায় শক্তি নি:শেষ হওয়ার পথে, তখন লেখা। হাসিনাতো ৭/৮ মাসে ফ‍্যাসিস্ট হয় নাই। হয়েছে ৭/১০ বছরে।

ইশরাক হোসেনরা শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে লড়াই করে যখন রাজপথে রক্তাক্ত হচ্ছে, জেলখানায় বন্দী, তখনও জামাত বিএনপি নিধনে সম্মতি উৎপাদন করছে যারা, আজও তারা এই ক্ষমতার রাজনীতিটাই করে খাচ্ছে।

এগুলো প্রতিহিংসার কথা নয়, এগুলো অতীত কে স্বরণ করিয়ে দেয়ামাত্র। কাচের দেয়ালের অভ‍্যন্তরে বসে বাইরে ঢিল ছুড়তে গেলে, ঘরটাই ভেঙে যায়। ঘর ভাঙার দায় ( যদি ভাঙে) কেবল কোন একক রাজনৈতিক দলের হবে না।

হাসিনার প্রেতাত্মা আমরা আমাদের মনন থেকে দুর করতে পারি নাই। তবুও যদি রাজনীতির নৈতিকতার পথটা যদি তারা বেছে নিত! এত সমস‍্য আসতো না হয়তো!

20/05/2025
19/05/2025
19/05/2025

***মেয়র ফেওর কিছু না***

মেয়র ফেওর কিছু না; অন্তর্বর্তী সরকারের কতিপয় ব্যক্তির অন্তরে ক্ষমতার লোভ ও এটি চিরস্থায়ী করার কুৎসিত সত্যটা বের করে আনাটাই ছিলো মুখ্য উদ্দেশ্য।

সোমবার দুপুরে ফেসবুক পোস্টে ইশরাক হোসেন এসব কথা লেখেন।
তিনি লিখেছেন, অনেক সমালোচনা মাথা পেতে নিয়েছি, পিতা মাতা তুলে গালি গলাজও চুপ করে সহ‍্য করে গিয়েছি। কারণ একটাই, এদের চেহারা উন্মোচন করতে হবে গণতন্ত্রের স্বার্থে, জনগণের ভোটার অধিকারের স্বার্থে। সর্বশক্তি দিয়ে এরা ঢাকায় বিএনপির মেয়র আটকানোর চেষ্টার মধ্য দিয়ে আগামী জাতীয় নির্বাচনে কি ভূমিকা পালন করবে তা ক্লিন কাট বুঝিয়ে দিল।

কোনো কথা চলবে না উল্লেখ করে তিনি আরো লেখেন, 'যারা নিরপেক্ষতা শুধু বিসর্জন দিয়েছে নয়, বরঞ্চ একটি দলের প্রতিনিধির কাজ করেছে তাদের অবিলম্বে পদত‍্যাগ করতে হবে। এরা হাসিনার মতোই বিচারকদের হুমকি দিয়েছে। নির্বাচন কমিশনকে চ্যালেঞ্জ করছে। উচ্চ আদালতে হস্তক্ষেপ করেছে। এবং আমলাতন্ত্র হাসিনার দোসরদের সাথে নিয়ে লম্বা কুচক্র পরিকল্পনা করছে। একদিন এদের সবার নাম পরিচয় প্রকাশ পাবে।'

তিনি লেখেন, 'হাসিনাকেও বলছিলাম কবরটা ঠিক করাই আছে আল্লাহর হুকুম থাকলে সেখানেই হবে ইনশাআল্লাহ। লড়াই শেষ হয় নাই। হয় দাবি আদায় করবো নাহয় আল্লাহর নির্ধারিত স্থানে মাটির নিচে শায়িত হব। গণতন্ত্রের স্বার্থে, জনগণের ভোটার অধিকারের স্বার্থে এক চুল ছাড় হবে না।'

Address

4/1 Gopibagh, 2nd Lane
Motijheel
1207

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ishraque ICT Unit posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share