Graphics Hub Noakhali

Graphics Hub Noakhali Freelancing info is a non-profit organization. Our goal is to provide proper guidelines to interested people who want to develop their career in this sector.

শিক্ষার্থীদের জন্য কাজের ১০ সফটওয়্যারশিক্ষাজীবনে ভালো করতে চাইলে কিংবা কর্মক্ষেত্রের প্রস্তুতি হিসেবে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়...
03/07/2018

শিক্ষার্থীদের জন্য কাজের ১০ সফটওয়্যার
শিক্ষাজীবনে ভালো করতে চাইলে কিংবা কর্মক্ষেত্রের প্রস্তুতি হিসেবে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কম্পিউটার জ্ঞান ও দক্ষতা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। নিজেকে এগিয়ে রাখতে ছাত্রাবস্থায়ই কিছু কিছু সফটওয়্যারের কাজ শেখা শুরু করা উচিত। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, কোন কোন সফটওয়্যার সম্পর্কে কেন জানা ও শেখা জরুরি
১. লেখালেখির জন্য
মাইক্রোসফট ওয়ার্ড না শিখে, না জেনে বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি পার হওয়াই নাকি বৃথা, এমনটাই বললেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির মার্কেটিং বিভাগের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক বিপাশা মতিন। তিনি বলেন, ‘যে বিষয়েই পড়ি না কেন, মাইক্রোসফট ওয়ার্ড সম্পর্কে খুব ভালো ব্যবহারিক জ্ঞান থাকা জরুরি। দ্রুত টাইপিং আর লেখা সম্পাদনা থেকে শুরু করে বিভিন্ন গ্রাফিক্যাল ডেটাও মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা যায়।’
২. প্রেজেন্টেশনের জন্য
বিজ্ঞান, বাণিজ্য বা মানবিক যে বিভাগেই পড়ুন না কেন, মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে প্রেজেন্টেশন তৈরি ও উপস্থাপন আপনাকে জানতেই হবে। ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসনের প্রভাষক বুশরা হুমায়রা জানান, এখন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় সব বিষয়ের কোনো না কোনো কোর্সে প্রেজেন্টেশন বাধ্যতামূলক থাকে। মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট নিজে না জানলে পরবর্তী সময়ে কর্মক্ষেত্রেও সমস্যায় পড়তে হতে পারে।
৩. হিসাব-নিকাশে উপকারী
মাইক্রোসফট এক্সেল সফটওয়্যারটির ব্যবহার ও প্রয়োগ জানা এখন বেশ গুরুত্বসহকারে দেখা হয়। একটা সময় ধারণা ছিল, মাইক্রোসফট এক্সেল শুধু ব্যবসা-বাণিজ্যপড়ুয়া শিক্ষার্থীদের জানা থাকলেই হলো। সময় এখন অনেক বদলেছে। বিজ্ঞান কিংবা বাণিজ্য যা-ই পড়ুন না কেন, তথ্য-উপাত্ত সঠিকভাবে সাজিয়ে উপস্থাপনের জন্য মাইক্রোসফট এক্সেল শেখা খুব জরুরি। মাইক্রোসফট এক্সেলের কাজ জানা থাকলে আপনি সেটি সিভিতেও যোগ করতে পারবেন।
৪. বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের জন্য
বিজ্ঞান, প্রকৌশল কিংবা গণিতে পড়ুয়াদের জন্য এমএটিল্যাব বা ম্যাটল্যাব সফটওয়্যার সম্পর্কে জানা গুরুত্বপূর্ণ। ডেটা বিশ্লেষণ, অ্যালগরিদম তৈরি কিংবা গাণিতিক মডেল তৈরির জন্য ম্যাটল্যাব খুব কাজের। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব অ্যালাবামা অ্যাট বার্মিংহামের সহযোগী অধ্যাপক ও কম্পিউটার বিজ্ঞানী রাগিব হাসান বলেন, ‘এখন বিশ্লেষণধর্মী পড়াশোনা ও গবেষণার গুরুত্ব বাড়ছে, কর্মক্ষেত্রেও তথ্য বিশ্লেষণ-অ্যালগরিদম নিয়ে কাজের ক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে। বিজ্ঞানের সব শিক্ষার্থীরই ম্যাটল্যাব সম্পর্কে জানা উচিত।’
৫. ছবি সম্পাদনা
প্রেজেন্টেশনে ভালো ছবি উপস্থাপনের জন্য কিংবা কর্মক্ষেত্রেও হঠাৎ ছবি সম্পাদনার কাজ প্রয়োজন হতে পারে। প্রেজেন্টেশনে আপনি যা বোঝাতে চাইছেন, ঠিক আপনার মনের মতো ছবি হয়তো গুগলে পাবেন না। অ্যাডোব ফটোশপের কাজ জানা থাকলে ছবিগুলো একটু সাজিয়ে নিতে পারবেন। এতে আপনার প্রেজেন্টেশন আরও আকর্ষণীয় হবে।
৬. ভিডিও সম্পাদনাও জরুরি
এখন শখের কাজ থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক অ্যাসাইনমেন্ট বা প্রজেক্টেও শিক্ষার্থীরা ভিডিওচিত্রের সাহায্য নেন। ভিডিও সম্পাদনা আর দৃষ্টিনন্দন ভিডিও ক্লিপ তৈরির জন্য প্রাথমিকভাবে মাইক্রোসফট মুভি মেকার দিয়ে কাজ চালানো যায়। আরেকটু ভালো মানের কাজের জন্য অ্যাডোব প্রিমিয়ারের মতো সফটওয়্যার শিখে নিতে পারেন।
৭. আঁকাআঁকি, নকশা ও গ্রাফিকস
টুকটাক নকশার কাজ নানা প্রয়োজনেই আমাদের করতে হয়। নিজের প্রয়োজনে অ্যাডোব ইলাস্ট্রেটরের কাজ শিখে নিলে গ্রাফিকস-সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজ বেশ সহজ হয়ে যায়। বিজ্ঞান ও স্থাপত্য বিষয়ে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের কম্পিউটার এইডেড ডিজাইন বা সিএডি সম্পর্কে ধারণা থাকা জরুরি। কর্মক্ষেত্রে নানান প্রজেক্ট আর গবেষণায় সিএডি ধরনের সফটওয়্যারগুলোর বিভিন্ন প্রয়োগ দেখা যায়। অটোক্যাড আর ভেক্টরওয়ার্কসও শিখে রাখতে পারেন।
৮. তথ্য গবেষণার জন্য
বাজার বিশ্লেষণ, গবেষণা ব্যাখ্যা কিংবা তথ্য বিশ্লেষণের জন্য এসপিএসএস স্ট্যাটিস্টিকস সফটওয়্যার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের প্রভাষক সাবরিনা রহমানের বক্তব্য, ‘এসপিএসএস স্ট্যাটিসটিকস সফটওয়্যারটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার শুরু থেকেই জানার চেষ্টা করা উচিত। এই সফটওয়্যারটির বহুমাত্রিক ব্যবহার শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় নয়, যেকোন ব্যবসা-বাণিজ্যে প্রয়োগ করা হয়।’
৯. ব্যবসা-বিপণনে যা প্রয়োজন
যাঁরা ব্যবসা-বাণিজ্যে পড়ছেন কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শেষে নিজের উদ্যোগে ব্যবসা শুরু করবেন, তাঁদের জন্য হিসাববিজ্ঞান ও গ্রাহক সেবাসম্পর্কিত সফটওয়্যার জানা থাকা ভালো। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্সের শিক্ষক ও উদ্যোক্তা সাইমুম হোসেন বলেন, ‘এখন ব্যবসা-বাণিজ্য পুরোটাই অনলাইনে চলে এসেছে। এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স সফটওয়্যার এসএপি, গ্রাহক সেবাসম্পর্কিত সফটওয়্যার সেলসফোর্স এবং অ্যাকাউন্টিংয়ের জন্য ট্যালি সফটওয়্যার সম্পর্কে ব্যবহারিক জ্ঞান থাকলে খুব ভালো।’
১০. আরও যা জানা জরুরি
বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা ও রেফারেন্সিংয়ের জন্য এন্ডনোট সফটওয়্যারটি শিখে নিতে পারেন। নিজের পোর্টফোলিও বা জীবনবৃত্তান্ত নিখুঁতভাবে তৈরির জন্য অ্যাডোব অ্যাক্রোব্যাট রিডার-এডিটর ও ফক্সিট পিডিএফ এডিটরের কাজ শিখলে তা আপনার উপকারে আসবে।
গ্রন্থনা: জাহিদ হোসাইন খান
সূত্রঃ প্রথম আলো

25/06/2017

We wish you ALL a very happy and peaceful Eid. May Allah accept your good deeds, forgive your transgressions and ease the suffering of all peoples around the globe.

Eid Mubarak.

24/05/2017

জীবনের গল্প

মাত্র ১৬ টাকা পুঁজি নিয়ে ১৩ বছর বয়সে
গলায় ঝুড়ি ঝুলিয়ে কমলালেবুর ফেরিওয়ালা
হিসেবে ব্যবসা শুরু। এরপর ১৯৫২ সালে বিড়ির
ব্যবসার মধ্য দিয়ে ব্যবসার গতি-প্রকৃতি
একেবারে জাদুর মতো বদলে যেতে থাকে।
পরবর্তী সময়ে যে ব্যবসায় হাত দিয়েছেন,
সেখানেই সাফল্য পেয়েছেন তিনি। একে
একে তিনি দেশের উল্লেখযোগ্য ২৩টি
শিল্প-কারখানা প্রতিষ্ঠা করে ব্যবসার
জাদুকরে পরিণত হন।
এতক্ষণ বলছিলাম আকিজ গ্রুপ ও আদ্-দ্বীনের
প্রতিষ্ঠাতা শেখ আকিজ উদ্দীন জীবনের
গল্প।
খুলনার ফুলতলা থানার মধ্যডাঙ্গা গ্রামে
১৯২৯ সালে জন্ম নেন শেখ আকিজ উদ্দীন।
শৈশব কেটেছে কঠিন দারিদ্র্যের মধ্যে।
স্বপ্ন দেখতেন দারিদ্র্য জয় করে একদিন
মাথা উঁচু করে দাঁড়াবেন। কিন্তু
জীবনসংগ্রামের শুরুতে পদে পদে বাধার মুখে
পড়েন। সেই বাধা পেরোতে শেখ আকিজ
উদ্দীনের সম্বল ছিল সাহস, সততা আর কঠোর
পরিশ্রম। এই তিনটি জিনিসকে পুঁজি করেই শুরু
হয় উদ্যোক্তা আকিজ উদ্দীনের উত্থান পর্ব।
তিনি দেশের উন্নয়ন ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা রেখে লাখো মানুষের নিয়োগকর্তা
হিসেবে ইতিহাসে নাম লেখান। কিভাবে শুরু
হলো তার উত্থান।
ব্যবসা শুরুর পদে পদে বাধা : আকিজ
উদ্দীনের বাবা শেখ মফিজ উদ্দিন ছিলেন
ক্ষুদ্র ব্যবসয়ী। তিনি খুলনার ফুলতলা থানার
মধ্যডাঙ্গা গ্রামে ফল ও ফসলের মৌসুমি
ব্যবসা করতেন। আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে
মা-বাবার একমাত্র সন্তান হয়েও আকিজ
লেখাপড়া করার সুযোগ পাননি। তিনি খুব কাছ
থেকে দারিদ্র্য দেখেছেন। আর গভীরভাবে
বাবার ব্যবসা পর্যবেক্ষণ করেছেন। স্বপ্ন
দেখেছেন। কিন্তু স্বপ্নের কোনো কিনারা
করতে না পেরে ১৯৪২ সালে মাত্র ১৬ টাকা
হাতে নিয়ে জীবিকার সন্ধানে কিশোর শেখ
আকিজ উদ্দিন খুলনার মধ্যডাঙ্গা গ্রাম থেকে
বের হন। ট্রেনে চেপে তিনি কলকাতায় যান।
কলকাতার শিয়ালদহ রেলস্টেশনের
প্ল্যাটফর্মে তিনি রাত কাটাতেন। ওখানেই
পাইকারি বাজার থেকে কমলালেবু কিনে
ফেরি করে বিক্রি করেছেন।
কিছু দিন কমলালেবুর ব্যবসা করার পর তিনি
একটি ভ্রাম্যমাণ দোকান দেন। কিন্তু একদিন
পুলিশ অবৈধভাবে দোকান দেওয়ার
অভিযোগে তাঁকে ধরে নিয়ে যায়। কয়েক
দিন জেল খেটে মুক্ত হয়ে আকিজ উদ্দিন
উদ্ভ্রান্তের মতো কলকাতা শহর ঘুরেছেন।
কলকাতায় তাঁর সঙ্গে পাকিস্তানের
পেশোয়ারের এক ফল ব্যবসায়ীর পরিচয় হয়।
আকিজ ওই ব্যবসায়ীর সঙ্গে পেশোয়ারে
গিয়ে ফলের ব্যবসা শুরু করেন। দুই বছর ব্যবসা
করে তাঁর পুঁজি দাঁড়ায় ১০ হাজার টাকা।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আকিজ বাড়ি ফিরে
আসেন।
উত্থানের গল্প : ১৯৫২ সালের দিকে বন্ধুর
বাবা বিড়ি ব্যবসায়ী বিধু ভূষণের
সহযোগিতায় আকিজ উদ্দিন বিড়ির ব্যবসা শুরু
করেন। পাশাপাশি তিনি গ্রামগঞ্জ ঘুরে ধান,
পাট, নারকিল ও সুপারি কিনে আড়তে আড়তে
বিক্রি করেছেন। সামান্য কিছু টাকা জমিয়ে
বাড়ির পাশে বেজেরডাঙ্গা রেলস্টেশনের
কাছে একটি দোকান দেন। কিন্তু দোকানটি
আগুনে পুড়ে যায়। আকিজ সর্বস্বান্ত হয়ে
পড়েন। পরবর্তীতে তিনি এলাকাবাসীর
সহায়তায় ফের দোকান দেন। পাশাপাশি শুরু
করেন ধান, পাট, চাল ও ডালের ব্যবসা। এরপর
তিনি সুপারির ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হন। রাত
জেগে সেই সুপারি ছিলে দিতেন তাঁর
সহধর্মিণী। এই সুপারি তিনি কলকাতায়
পাঠাতেন। সুপারির ব্যবসায় তাঁর বেশ লাভ
হয়। এরপর তিনি বিধু বিড়ির মালিক বিধু
ভূষণের পরামর্শে বিড়ির ব্যবসায় যুক্ত হন।
নাভারণের নামকরা ব্যবসায়ী মুজাহার
বিশ্বাসের সহায়তায় তিনি ছোট্ট একটি
বিড়ি তৈরির কারখানা গড়ে তোলেন। শুরু হয়
আকিজের উত্থান পর্ব।
বিড়ি ফ্যাক্টরির পর ১৯৬০ সালে অভয়নগরে
অত্যাধুনিক চামড়ার কারখানা এসএএফ
ইন্ডাস্ট্রিজ, ১৯৬৬ সালে ঢাকা টোব্যাকো,
১৯৭৪ সালে আকিজ প্রিন্টিং, ১৯৮০ সালে
আকিজ ট্রান্সপোর্ট, নাভারণ প্রিন্টিং, ১৯৮৬
সালে জেস ফার্মাসিউটিক্যাল, ১৯৯২ সালে
আকিজ ম্যাচ, ১৯৯৪ সালে আকিজ জুট মিল,
১৯৯৫ সালে আকিজ সিমেন্ট, আকিজ
টেক্সটাইল, ১৯৯৬ সালে আকিজ পার্টিকেল,
১৯৯৭ সালে আকিজ হাউজিং, ১৯৯৮ সালে
সাভার ইন্ডাস্ট্রিজ, ২০০০ সালে আকিজ ফুড
অ্যান্ড বেভারেজ, একই বছর আকিজ অনলাইন,
নেবুলা ইন্ক, ২০০১ সালে আকিজ করপোরেশন,
আকিজ কম্পিউটার, আকিজ ইনস্টিটিউট
অ্যান্ড টেকনোলজি, ২০০৪ সালে আফিল
এগ্রো, ২০০৫ সালে আফিল পেপার মিলস
প্রতিষ্ঠা করেন। ২০০৬ সালের ১০ অক্টোবর
মৃত্যুর আগ পর্যন্ত শেখ আকিজ উদ্দিন অসংখ্য
ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। এ ছাড়া
তিনি আদ্-দ্বীন ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট
প্রতিষ্ঠা করে স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা রাখেন। তাঁর মৃত্যুর পর সন্তানরা আরো
অনেক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন।
আকিজ উদ্দিনের ১৫টি সন্তান। ১০ ছেলে পাঁচ
মেয়ে। বড় ছেলে ডাক্তার শেখ মহিউদ্দিন
আদ্-দ্বীনের নির্বাহী পরিচালক ও আকিজ
বিড়ির চেয়ারম্যান, অন্য সন্তানদের মধ্যে
শেখ মোমিন উদ্দিন এসএএফ চামড়া
ফ্যাক্টরির এমডি, শেখ আফিল উদ্দিন সংসদ
সদস্য ও আফিল গ্রুপের এমডি, শেখ বশির
উদ্দিন আকিজ গ্রুপের এমডি। এ ছাড়া শেখ
নাসির উদ্দিন, শেখ আমিন উদ্দিন, জামিন
উদ্দিন, শেখ আজিজ উদ্দিন, শেখ জামিল
উদ্দিন সবাই আকিজ গ্রুপের সঙ্গে জড়িত।
বাবার স্মৃতিচারণা করে ডাক্তার শেখ
মহিউদ্দিন বলেন, ‘আমার বাবা আমাদের
বলতেন, আগুন হয়তো মনের শক্তি দিয়ে হাতে
চেপে রাখা যায়। কিন্তু ক্ষমতা ও সম্পদ ধরে
রাখা তার চেয়ে আরো অনেক কঠিন। বাবার
এই বাণী ধারণ করে তাঁর আদর্শে উজ্জীবিত
হয়ে ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি
সমাজসেবার হাল ধরে রেখেছি।’
শেখ বশির উদ্দিন বলেন, ‘বাবার নামাজ-
কালামের পরই ছিল ফিন্যানশিয়াল
ডিসিপ্লিনের স্থান। এ ছাড়া তাঁর সময়জ্ঞান
ছিল উল্লেখ করার মতো। তিনি কোনো
মিটিংয়ে এক মিনিট পরে আসেননি। আমি
তাঁর এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় দুটি অনুসরণ করে
লাভবান হয়েছি।’
শেখ আফিল উদ্দিন বলেন, ‘বাবার মধ্যে
কোনো আত্ম-অহমিকাবোধ ছিল না। তিনি সব
কিছু গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করে সিদ্ধান্ত
গ্রহণ করতেন। তাঁর দূরদর্শিতার কারণেই
আকিজ গ্রুপ সমপ্রসারিত হয়েছে।’
শেখ মোমিন উদ্দিন বললেন, ‘বাবার কোনো
প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল না।
কিন্তু তাঁর শিক্ষার প্রতি প্রেম ছিল। তিনি
আমাদের উচ্চশিক্ষা দিয়ে ব্যবসার
পাসপোর্ট দিতেন। তাঁর সততা, ধৈর্যশীলতা,
মেধা, সহনশীলতার কারণেই আকিজ গ্রুপ
সাফল্যের শিখরে উঠেছে।’
মধ্যডাঙ্গা গ্রামের শেখ আকিজ উদ্দিনের
নিকটতম প্রতিবেশী আলী আকবর বলেন,
‘আকিজ উদ্দিনের সংসারে সব সময় অভাব
লেগেই থাকত। আকিজ বাড়িতে থাকতেন না,
মাঝেমধ্যে গ্রামে আসতেন। তিনি এসে স্ত্রী
সকিনা খাতুনকে সংসার চালানোর জন্য কিছু
টাকা দিতেন। কিন্তু তাতে সংসার ১৫ দিনও
চলত না। আকিজ উদ্দিন বাড়িতে এলে তাঁর
কাছ থেকে টাকা নিয়ে ধার শোধ করতেন।’
তিনি বলেন, ‘আকিজ উদ্দিন আমাদের বলতেন,
কারো কোনো দেনা রাখব না। আমি রাতদিন
ব্যবসার পেছনে ছুটছি। আল্লাহ আমাকে লাভ
দেবেন। সেই লাভের টাকা দিয়ে তোমাদের
দেনা শোধ করে দেব।’
আকিজ উদ্দিন ২০০৬ সালে মারা যান। তার
রেখে যাওয়া ব্যবসা ও আদর্শ এখনো তার
স্ত্রী-সন্তানেরা ধরে রেখেছেন।

লিখাটি লেটেষ্ট বিডি নিউজ এর সৌজন্যে

#উদ্যোক্তা তথ্য

Address

Main Road, Maijdee Court
Noakhali Sadar Upazila
3800

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Graphics Hub Noakhali posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Graphics Hub Noakhali:

Share