18/05/2026
প্রেস রিলিজ
বাংলাদেশের ৮৫ কিউবিটের Kepler Q-Max V3.0 মডেল উন্মোচন করলো
ঢাকা, বাংলাদেশ — বাংলাদেশের উদীয়মান কোয়ান্টাম গবেষণা প্রতিষ্ঠান আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের নতুন প্রজন্মের কোয়ান্টাম মেশিন লার্নিং সিস্টেম Kepler Q-Max V3.0 উন্মোচন করেছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি অনুযায়ী, এটি একটি ৮৫ কিউবিট ভিত্তিক QAOA (Quantum Approximate Optimization Algorithm) চালিত উন্নত কোয়ান্টাম এআই মডেল, যা বাস্তব IBM Quantum হার্ডওয়্যারে সফলভাবে পরিচালিত হয়েছে।
সাম্প্রতিক প্রকাশিত বৈজ্ঞানিক অডিট রিপোর্ট অনুযায়ী, Kepler Q-Max V3.0 মডেলটি IBM-এর ibm_marrakesh কোয়ান্টাম ব্যাকএন্ডে পরিচালিত হয়েছে এবং এতে IBM Heron r2 কোয়ান্টাম প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে। গবেষণা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে মডেলটি ৪৫৫,৭৪০ স্যাম্পল বিশিষ্ট একটি বৃহৎ ডেটাসেট বিশ্লেষণ করেছে এবং পরীক্ষামূলক পর্যায়ে ৯৫.৭৮% টেস্ট একুরেসি অর্জন করেছে। একইসাথে মডেলটির ট্রেনিং একুরেসি ছিল ৯৯.৪৩%।
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, Kepler Q-Max V3.0 শুধুমাত্র একটি পরীক্ষামূলক সফটওয়্যার নয়; বরং এটি একটি পূর্ণাঙ্গ Hybrid Quantum Machine Learning Framework, যেখানে Quantum Optimization, Variational Circuits এবং Classical Optimization একত্রে কাজ করে। পুরো সিস্টেমটি QAOA ভিত্তিক একটি বহুপদী কোয়ান্টাম আর্কিটেকচারের উপর নির্মিত।
গবেষণা প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয় যে, মডেলটিতে মোট ৮৫টি কিউবিট ব্যবহার করা হয়েছে এবং সার্কিট ডেপথ ছিল ১১। পাশাপাশি ২,৮০৫টি ট্রেইনেবল প্যারামিটার ব্যবহৃত হয়েছে। কোয়ান্টাম সার্কিটের Fidelity 0.9987 এবং Measurement Fidelity 0.9991 রিপোর্ট করা হয়েছে, যা বাস্তব কোয়ান্টাম হার্ডওয়্যারে একটি উচ্চমানের কার্যকারিতা নির্দেশ করে।
-এর গবেষণা বিভাগ জানায়, এই প্রকল্পের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল Quantum Artificial Intelligence-কে বাস্তব শিল্প ও গবেষণামূলক ব্যবহারের দিকে এগিয়ে নেওয়া। বিশেষভাবে, বড় আকারের ডেটাসেটের উপর Quantum Optimization প্রয়োগ এবং Real Quantum Processing Unit (QPU)-এ কার্যকর এক্সিকিউশন নিশ্চিত করাই ছিল প্রকল্পটির মূল ফোকাস।
প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী Hussain Billah বলেন,
> “বাংলাদেশ থেকে Quantum AI গবেষণায় আন্তর্জাতিক মানের অবদান রাখার লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করছি। Kepler Q-Max V3.0 আমাদের জন্য শুধু একটি প্রযুক্তিগত অর্জন নয়, বরং এটি প্রমাণ করে যে উন্নয়নশীল দেশ থেকেও বাস্তব Quantum Infrastructure ব্যবহার করে উচ্চমানের গবেষণা পরিচালনা সম্ভব।”
তিনি আরও জানান, দলটি শুধুমাত্র মডেল তৈরি করেই থেমে থাকছে না; বরং Quantum Verification, Hardware Integrity এবং Reproducibility-এর মতো বিষয়গুলোকেও গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। গবেষণা প্রতিবেদনে ব্যবহৃত SHA-256 ভিত্তিক Verification Hash, IBM Job Reference এবং Hardware Validation Section-কে এই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
Kepler Q-Max V3.0-এর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো এর Multi-Platform Compatibility। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মডেলটি Qiskit, PennyLane এবং PyTorch-এর সাথে সমন্বিতভাবে কাজ করতে সক্ষম। এছাড়াও AWS Braket এবং Azure Quantum-এর মতো প্ল্যাটফর্মেও এর সম্ভাব্য সমর্থন রয়েছে।
প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, দক্ষিণ এশিয়ায় Quantum Machine Learning নিয়ে বাস্তব হার্ডওয়্যার ভিত্তিক গবেষণা এখনও সীমিত। সে বিবেচনায় -এর এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে আঞ্চলিক প্রযুক্তি খাতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে Quantum Optimization, Drug Discovery, Financial Modeling, Cybersecurity এবং Advanced AI Systems-এর মতো ক্ষেত্রে এই ধরনের গবেষণার ব্যবহারিক সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির গবেষণা দলে কর্মরত বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন, Kepler Q-Max সিরিজের ভবিষ্যৎ সংস্করণে আরও উন্নত Quantum Error Mitigation, Dynamic Circuit Optimization এবং Large-Scale Quantum Neural Architecture সংযুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি Quantum-Classical Hybrid Computing-এর উপর একটি পূর্ণাঙ্গ গবেষণা প্ল্যাটফর্ম তৈরির কাজও চলছে।
এদিকে, গবেষণা সংশ্লিষ্ট মহলে ইতোমধ্যে Kepler Q-Max V3.0 নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ভবিষ্যতে তারা আন্তর্জাতিক গবেষণা জার্নালে পূর্ণাঙ্গ গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ, arXiv প্রিপ্রিন্ট সাবমিশন এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি সম্মেলনে অংশগ্রহণের পরিকল্পনা করছে।
মনে করছে, Quantum Computing আগামী দশকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি হিসেবে বিশ্ব অর্থনীতি, চিকিৎসা গবেষণা, প্রতিরক্ষা, মহাকাশ প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে। আর সেই ভবিষ্যৎ প্রযুক্তিগত রূপান্তরের অংশ হিসেবেই তারা বাংলাদেশ থেকে একটি শক্তিশালী Quantum Innovation Ecosystem গড়ে তুলতে চায়।
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, Kepler Q-Max প্রকল্পের আরও বিভিন্ন গবেষণা ফাইল, Hardware Ex*****on Verification, Benchmarking Data এবং Quantum Workflow Documentation ভবিষ্যতে ধাপে ধাপে প্রকাশ করা হবে।
অফিসিয়াল তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে Quantum Machine Learning, Hybrid AI Infrastructure এবং Advanced Computational Research নিয়ে কাজ করছে এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণের দিকেও অগ্রসর হচ্ছে।
North South University Mejbah Ahammad Varendra University MD Hussain Billah Centrist Nation TV
আরও তথ্যের জন্য:
Sonicium Quantum Lab Official
Website https://soniciumquantumlab.com
যোগাযোগ:
[email protected]
Dhaka, Bangladesh