09/01/2022
ই-সিম কী? বাংলাদেশে কখন এর যাত্রা শুরু হয়?
ই-সিম নামটা অনেকেই হয়তো নতুন শুনতেছেন যদিও এটা বের হয়েছে অনেক আগেই। বিভিন্ন দেশেও এই সিম সেবা চালু রয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশেও এই সিম সেবা চালু করেছে। গত ১৬ ডিসেম্বর (বিজয় দিবস এর দিন) ই-সিম নামে নতুন আরেকটি সিম সেবার যাত্রা শুরু হয় বাংলাদেশে।
ই-সিম সম্পর্কে জানার পূর্বে আমাদেরকে প্রচলিত সিম কার্ড সম্পর্কে জানতে হবে?
সিম কার্ড কি?
একটি সিম সাধারণত ফোনের একটি স্পেশাল ট্রে তে ইনসার্ট করা থাকে। মূলত কোনো টেলিকম অপারেটর এটি সরবরাহ করে। এটি একটি ডিভাইসের ইউনিক সিরিয়াল নাম্বার, আইএমইআই, আইসিসিআইডি, অথেনটিকেশন কি, ডিভাইস পিন, এসএমএস, ইত্যাদি তথ্য সংরক্ষণ করে।
সিম কার্ড সাধারণত ছোট একটি প্লাস্টিকের কার্ড, যার এক কোণায় নচ থাকে। এছাড়াও একটি সোনালী দেখতে সার্কিট থাকে সিম কার্ডে যা মূলত সিমের মাদারবোর্ড ও এটি গুরুত্বপূর্ণ সকল তথ্য বহন করে। প্রতিটি সিমের একটি নাম্বার থাকে, যা রবি, জিপি এর মত টেলিকম কোম্পানী প্রদান করে। সিম এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে ব্যবহার করা সম্ভব।
ই-সিম কি?
সিম কি ও কিভাবে কাজ করে এর ধারণা তো আমরা জানলাম। এবার প্রশ্ন হচ্ছে ই-সিম কি?
ই-সিম হচ্ছে এক ধরণের উন্নত প্রযুক্তির সিম বা এমবেডেড সিম । তবে সিম এর মত ই-সিম রিমুভ করা যায়না, বা অন্য ফোনে প্রবেশ করানো যায়না। এটি সরাসরি ফোনের মধ্যে এমবেডেড, অর্থাৎ যুক্ত থাকে।
এমবেডেড সিম যদিও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে কিন্তু এর মূল কাজ প্রচলিত সিমকার্ডের মতই । সেই হিসেবে আমরা থাকে প্রচলিত সিমকার্ডের প্রতিস্থাপক বা আপগ্রেড ভার্সন বলতে পারি । তবে এর মধ্যে সব থেকে বড় পার্থক্য হচ্ছে প্রচলিত সিমকার্ডের মতো আলাদা করে খোলা বা লাগানোর কোন সুযোগ নেই।
নতুন ই-সিম এটি প্রচলিত ব্যবহৃত ন্যানো সিমের চেয়েও আরো অনেক ছোট। এটি অন্যান্য সিমের মত নয় এটা একধরণের কানেক্টিং চিপ হিসেবে এটি সাপোর্টেড ডিভাইসের মাদারবোর্ডের সাথে সংযুক্ত করা হয় ডিভাইস তৈরীর সময়ই। তাই এটা খুলা বা লাগানোর কোন সুযোগ থাকছে না। সেই হিসেবে এটাকে সম্পূর্ণ ডিজিটাল সিমকার্ডও বলা যেতে পারে।
আজকে এই পর্যন্তই। ই-সিম সম্পর্কে আরোও কিছু জানার থাকলে আমাদেরকে কমেন্ট করে জানাতে পারেন।