Shakhawat Saalehin

Shakhawat Saalehin Traveler • Visualizer • Creator I understand that every project is unique and requires a personalized approach.

As a professional graphic designer with 8 years of on-field experience, I bring a wealth of expertise and passion to every project I work on. With a focus on logo design, stationery design, book cover design, and social media banner ad design, I have honed my skills to become a specialist in these areas, producing work that is both visually stunning and strategically effective. This is why I take

the time to understand my client's needs and goals, ensuring that each design I create accurately reflects their brand message. I am committed to delivering projects on time and within budget, and I always strive to exceed my client's expectations. Whether working on a complex design project or a simple logo design, I approach each task with dedication and a commitment to producing the best possible results. My passion for design is evident in everything I do. I am constantly seeking out new design trends and techniques, and I never stop learning. This allows me to bring fresh perspectives and innovative ideas to my projects, and it keeps me at the forefront of the design industry. I have a strong eye for detail, and I take pride in ensuring that every project I work on meets the highest standards of quality. I am a team player who works well under pressure and can handle multiple projects simultaneously. I am able to communicate my ideas effectively and I am always willing to listen to the perspectives and ideas of others. I believe that collaboration is key to producing the best possible results, and I am always eager to work with others to achieve common goals. In conclusion, as a dedicated professional graphic designer with 8 years of experience, I bring a wealth of expertise, passion, and dedication to every project I work on. Whether working on a complex design project or a simple logo design, I am committed to producing work that is both visually stunning and strategically effective, and I always strive to exceed my client's expectations.

💙 জীলান সূর্যের হাতছানি 🧡 চেরাগে চিশতি 💚 কালিয়ারের কুতুবলেখক: মোহাম্মদ মামুনুর রশীদপ্রচ্ছদ: সাখাওয়াত সালেহীনবাংলা ইসলাম...
22/04/2026

💙 জীলান সূর্যের হাতছানি
🧡 চেরাগে চিশতি
💚 কালিয়ারের কুতুব

লেখক: মোহাম্মদ মামুনুর রশীদ
প্রচ্ছদ: সাখাওয়াত সালেহীন

বাংলা ইসলামী আধ্যাত্মিক সাহিত্যের অঙ্গনে মোহাম্মদ মামুনুর রশীদের কলম যেন এক নিভৃত দীপশিখা—যার আলো মৃদু, কিন্তু গভীর। অলীয়ায়ে কেরামের পবিত্র জীবন, তাঁদের অসীম ত্যাগ, নিঃস্বার্থ প্রেম এবং আধ্যাত্মিক প্রভাবের কথা এই তিনটি গ্রন্থে উঠে এসেছে এক অপূর্ব শ্রদ্ধা ও সাহিত্যিক সৌন্দর্যে।

দুঃখের বিষয়, এত মূল্যবান এই বইগুলো আজ বাজারে প্রায় অলভ্য। তবু পাঠকের হৃদয়ে এদের প্রতি আকর্ষণ এতটুকু ম্লান হয়নি—বরং দুর্লভতাই যেন এদের প্রতি ভালোবাসাকে আরো গাঢ় করে তুলেছে।

সেই ভালোবাসা থেকেই জন্ম নিয়েছে এই ছোট্ট প্রয়াস—তিনটি বইয়ের রিডিজাইন প্রচ্ছদ কনসেপ্ট।

✦ জীলান সূর্যের হাতছানি 💙
নীল গম্বুজের ছায়ায় ঢাকা, কুয়াশাচ্ছন্ন দিগন্তে অস্তগামী সূর্যের সোনালি আলো—এই দৃশ্যকল্পকে ধারণ করে তৈরি হয়েছে একটি স্বপ্নময়, নরম ভিজ্যুয়াল। ডিজাইনটি একটি আধ্যাত্মিক আহ্বানের অনুভূতি জাগায়—শান্ত, প্রশান্ত, অন্তর্মুখী। যেন কেউ দূর থেকে ডাকছে, আর পথিক নিঃশব্দে এগিয়ে চলেছে সেই ডাকের দিকে।

✦ চেরাগে চিশতি 🧡
মাঝখানে একটি জ্বলন্ত চেরাগ। সেখান থেকে নূরের মতো ধোঁয়া উঠে আস্তে আস্তে আকাশে মিলিয়ে যাচ্ছে। মিনিমাল অথচ শক্তিশালী এই কনসেপ্টে প্রতীকীভাবে ধরা পড়েছে জ্ঞান, তাসাওউফ ও আধ্যাত্মিক আলোর সেই চিরন্তন বার্তা—যে আলো একবার জ্বললে আর নেভে না।

✦ কালিয়ারের কুতুব 💚
সবুজ প্রকৃতির কোলে একটি সুফি দরগাহ। মাথার উপর প্রশান্ত আকাশ, চারপাশে নির্জন সৌন্দর্য। স্থির অথচ জীবন্ত এই দৃশ্যে সরলতা, পবিত্রতা ও আধ্যাত্মিকতা মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে—যেন মাটি ও আকাশের মধ্যবর্তী এক নিঃশব্দ সংলাপ।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই ডিজাইনগুলো সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা থেকে করা—মূল বইয়ের অফিসিয়াল প্রচ্ছদ নয়, বরং একটি সম্মানজনক রিডিজাইন কনসেপ্ট।

বর্তমানে Abdullah Al MaMun ভাইয়ের উদ্যোগে ব্যক্তিগত সংগ্রহের জন্য বইগুলো পুনরায় মুদ্রণের পরিকল্পনা (অব্যবসায়িক) চলছে। সেই স্বপ্নকে সামনে রেখেই এই ভিজ্যুয়াল এক্সপ্লোরেশনের যাত্রা শুরু হতে পারে।

✨ ভবিষ্যতে এমন আরও বহু মূল্যবান, কিন্তু হারিয়ে যেতে বসা বইয়ের প্রচ্ছদ নতুনভাবে রিডিজাইন করার ইচ্ছা রয়েছে। আর যদি কোনো প্রকাশনী এই বইগুলো পুনরায় আলোর মুখ দেখাতে আগ্রহী হন—তাহলে পেশাদারভাবে কাজ করার জন্য সর্বদা প্রস্তুত আছি।

আপনাদের কেমন লেগেছে এই ডিজাইন তিনটি?
আপনাদের ফিডব্যাক, মতামত—সবকিছুই আমার জন্য অনেক মূল্যবান।

অনেকদিন পর আবার একটি ডিজাইন ব্রিফ নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হলাম। প্রতিদিনের কাজের ভিড়ে এমন কিছু কাজ থাকে—যেগুলো শুধু “ডি...
31/03/2026

অনেকদিন পর আবার একটি ডিজাইন ব্রিফ নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হলাম। প্রতিদিনের কাজের ভিড়ে এমন কিছু কাজ থাকে—যেগুলো শুধু “ডিজাইন” না, বরং এক ধরনের অনুভব, ইতিহাস আর আত্মিক সংযোগ। আজকের কাজটিও তেমনই—দেশ, ইতিহাস এবং ঈমানি উত্তরাধিকারের এক অনন্য দলিলকে ঘিরে।

আজকের আলোচনার বই—
চট্টগ্রামে মুসলমান
লেখক: সোহেল মোহাম্মদ ফখরুদ-দীন
প্রচ্ছদ: সাখাওয়াত সালেহীন

চট্টগ্রাম—শুধু পাহাড়, সমুদ্র আর সবুজের শহর নয়; এটি এক ইতিহাসের শহর, এক আধ্যাত্মিকতার ভূমি। “বার আউলিয়ার শহর” নামে পরিচিত এই অঞ্চল বহু আগে থেকেই ইসলামের আলোয় আলোকিত।

ইতিহাস বলে—হিজরী সপ্তম শতকে, প্রিয় নবী ﷺ-এর যুগেই সাহাবী হযরত সাদ ইবনে আবু ওয়াক্কাস (রা.) সমুদ্রপথে এখানে আগমন করেন। সেই আগমন ছিল কেবল ভ্রমণ নয়—ছিল এক নূরের যাত্রা, এক দাওয়াতের শুরু। তাঁদের পদচিহ্নের পরপরই এই ভূমিতে ছড়িয়ে পড়ে ইসলাম, সুফিবাদ, আধ্যাত্মিক সাধনা এবং মানবতার বার্তা।

এই বইটি সেই গল্পই বলে—একটি শহরের, একটি ইতিহাসের, একটি নূরের ধারা কিভাবে শতাব্দীর পর শতাব্দী প্রবাহিত হয়েছে।

৬৫টিরও বেশি গ্রন্থের রচয়িতা ইতিহাসবেত্তা সোহেল মুহাম্মদ ফখরুদ-দীনের এই কাজটি নিছক একটি বই নয়—এটি চট্টগ্রামের মুসলিম ইতিহাসের এক শক্ত দলিল, এক আত্মপরিচয়ের আয়না।

প্রচ্ছদের ভাবনা
এই প্রচ্ছদের মূল ধারণাটি গড়ে উঠেছে একটি প্রতীকী যাত্রার উপর—সমুদ্র থেকে ভূমিতে, অন্ধকার থেকে আলোর দিকে, ইতিহাস থেকে আধ্যাত্মিকতার গভীরে এক প্রবাহমান রূপান্তর। পুরো কম্পোজিশনটি এমনভাবে নির্মিত হয়েছে, যাতে এটি শুধুমাত্র একটি ভিজ্যুয়াল দৃশ্য না হয়ে একটি গল্প হয়ে ওঠে—ইসলামের আগমনকে একটি আলোকধারা হিসেবে দেখানো হয়েছে, যা ধীরে ধীরে একটি ভূখণ্ডকে পরিবর্তন করছে। এই ধারণার মাধ্যমে বোঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে—ইসলাম কেবল একটি আগমন নয়, বরং এক transformative force, যা হৃদয়, সমাজ ও ভূখণ্ড—সবকিছুকে আলোকিত করে।

কভারের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা সোনালি আলোর প্রবাহটি এই ডিজাইনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভিজ্যুয়াল এলিমেন্ট। এটি একটি living line—সমুদ্রের বুক থেকে উঠে এসে ফাটলধরা ভূমির উপর দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। এই flowing light represent করে হেদায়াত, দাওয়াত এবং সাহাবীদের মাধ্যমে ইসলামের বিস্তার। বাম পাশে থাকা জাহাজগুলোকে মিনিমাল সিলুয়েট আকারে রাখা হয়েছে, যা সেই ঐতিহাসিক আগমনের ইঙ্গিত দেয়—without over-detailing, keeping the narrative clean and focused। এগুলো presence দিয়ে গল্প বলে, detail দিয়ে নয়।

ডান পাশে থাকা ফাটলধরা ভূমি একটি শক্তিশালী রূপক—pre-Islamic spiritual dryness-এর প্রতিচ্ছবি। এই শুষ্ক ভূমির উপর দিয়ে যখন আলোর রেখা প্রবাহিত হয়, তখন সেটি এক ধরনের revival বা পুনর্জাগরণের অনুভূতি সৃষ্টি করে। ব্যাকগ্রাউন্ডে ব্যবহৃত deep greenish-teal tone পুরো দৃশ্যকে একটি historical depth এবং spiritual mood দেয়, সাথে subtle map-inspired texture যোগ করে চট্টগ্রামের ভৌগোলিক উপস্থিতিকে নীরবে ফুটিয়ে তোলে—without making it visually loud।

টাইপোগ্রাফি ও overall composition রাখা হয়েছে clean, bold এবং balanced। শিরোনামটি কেন্দ্রস্থলে স্থাপন করে একটি strong visual authority তৈরি করা হয়েছে, যাতে এটি পুরো দৃশ্যের সাথে harmonize করেও নিজের presence বজায় রাখে। পুরো ডিজাইনটি একটি cinematic painterly finish-এ তৈরি—minimal distraction, strong focal flow এবং story-driven layout-এর মাধ্যমে একটি immersive visual experience তৈরি করাই ছিল মূল উদ্দেশ্য।

আপনাদের কেমন লেগেছে এই ডিজাইনটি?
আপনাদের ফিডব্যাক, মতামত—সবকিছুই আমার জন্য অনেক মূল্যবান 🤍

দেশ মানে শুধু মানচিত্রে আঁকা কিছু রেখা নয়—দেশ মানে ভোরের আজান ভেসে আসা নরম আলো,দেশ মানে মানুষের বুকের ভেতর লুকানো অদেখা ...
17/02/2026

দেশ মানে শুধু মানচিত্রে আঁকা কিছু রেখা নয়—দেশ মানে ভোরের আজান ভেসে আসা নরম আলো,
দেশ মানে মানুষের বুকের ভেতর লুকানো অদেখা স্বপ্ন, দেশ মানে জীবন—যেখানে প্রতিটি শ্বাসে মিশে থাকে স্রষ্টার অদৃশ্য ডাক।

জীবনও তেমনই—দৃশ্যমানের আড়ালে এক অন্তহীন যাত্রা, নীরবতার ভেতর উচ্চারিত এক মহাসংলাপ,
আর হৃদয়ের গভীরে জেগে থাকা এক প্রশ্ন—আমি কে, কোথা থেকে, কার দিকে?

আজকে আমার পেইজে যে বইটির প্রচ্ছদ নিয়ে লিখছি, সেটি হলো—

বই: কুন-ফায়াকুন | আসমাউল হুসনার দর্শন, ধ্যান ও সাধনা
লেখক: খাজা ওসমান ফারুকী
প্রচ্ছদ: সাখাওয়াত সালেহীন

এই গ্রন্থ কেবল একটি বই নয়; এটি সৃষ্টির আদিম ধ্বনি থেকে মানুষের আত্মার অন্তর্গত জাগরণ পর্যন্ত এক আধ্যাত্মিক সেতুবন্ধন। “কুন”—আহ্বান, আর “ফায়াকুন”—তাৎক্ষণিক সাড়া; এই দুই শব্দের ভেতরেই লুকিয়ে আছে অস্তিত্বের রহস্য, প্রেমের মহিমা এবং নূরের অনন্ত প্রবাহ। সংক্ষেপে, বইটি পাঠককে আহ্বান জানায় নিজের ভেতরের আলোকে চিনে নিতে, আসমাউল হুসনার দরজা দিয়ে আত্মাকে পুনর্গঠনের পথে হাঁটতে।

প্রচ্ছদ ভাবনা
এই প্রচ্ছদে প্রথম দর্শনেই যে বিষয়টি চোখে পড়ে, তা হলো—নূরকেন্দ্রিক কম্পোজিশন। পুরো ভিজ্যুয়াল ভাষা নির্মিত হয়েছে “দিব্য আহ্বান” ধারণাকে কেন্দ্র করে।

✦ ভিজ্যুয়াল এলিমেন্ট:
কভারটির কেন্দ্রবিন্দুতে উজ্জ্বল আলোকবিস্ফোরণের ভেতর “আল্লাহ” নামের উপস্থিতি—যা প্রতীকীভাবে “কুন” এর ঐশী নির্দেশ এবং “ফায়াকুন” এর তাৎক্ষণিক সৃষ্টিকে ভিজ্যুয়াল রূপ দিয়েছে। চারপাশে ছড়িয়ে থাকা আসমাউল হুসনার নামগুলো মহাবিশ্বের নক্ষত্রবিন্যাসের মতো সাজানো—যেন প্রতিটি নাম এক একটি কসমিক তরঙ্গ।

নিচের সোনালি পাতা মোটিফটি বৃদ্ধি, পুনর্জাগরণ ও আত্মিক বিকাশের সূক্ষ্ম ইঙ্গিত বহন করে—যা বইয়ের মূল থিমের সঙ্গে গভীরভাবে সংযুক্ত।

✦ কালার প্যালেট:
গাঢ় নেভি ব্লু ব্যাকগ্রাউন্ড ব্যবহার করা হয়েছে গভীরতা, ধ্যান এবং আধ্যাত্মিক নীরবতার অনুভূতি তৈরি করতে। এর ওপর উজ্জ্বল সোনালি নূর—দিব্য মহিমা, পবিত্রতা ও ঐশী শক্তির প্রতীক। এই নীল–সোনালি কনট্রাস্ট চোখে আরাম দেয়, আবার একই সঙ্গে মিস্টিক আবহ তৈরি করে—যা বইয়ের দর্শনের সঙ্গে অত্যন্ত সামঞ্জস্যপূর্ণ।

✦ টাইপোগ্রাফি:
টাইটেল টাইপটি ক্যালিগ্রাফিক ভাবধারায় নির্মিত—যেখানে ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মেলবন্ধন স্পষ্ট। অক্ষরের বাঁকগুলোতে আছে আধ্যাত্মিক কোমলতা, আবার গঠনে আছে দৃঢ়তা—যা বইয়ের দার্শনিক গভীরতাকে সমর্থন করে। সাবটাইটেল পরিষ্কার, পাঠযোগ্য এবং ভারসাম্যপূর্ণ—প্রফেশনাল প্রকাশনার মান বজায় রেখেছে।

✦ কম্পোজিশন ও ব্যালান্স: পুরো কভারটি সিমেট্রিক্যাল অথচ জীবন্ত। কেন্দ্র থেকে বাইরে ছড়িয়ে পড়া আলোর রেডিয়াল ফ্লো পাঠকের চোখকে স্বাভাবিকভাবে ভেতরের দিকে টেনে নেয়—এটি মনস্তাত্ত্বিকভাবে “ধ্যানমুখী ফোকাস” তৈরি করে, যা বইয়ের বিষয়বস্তুর সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত।

✦ কনসেপ্ট ও বইয়ের সাথে সম্পৃক্ততা: প্রচ্ছদটি কেবল অলংকারমূলক নয়—এটি কনসেপ্ট চালিত।

“কুন-ফায়াকুন” → কেন্দ্রীয় নূর বিস্ফোরণ
আসমাউল হুসনা → চারপাশের রবের পবিত্র নামমালা
আত্মিক বিকাশ → নিচের সোনালি পাতা
ধ্যানময়তা → গাঢ় নীল স্পেস
অর্থাৎ, ভিজ্যুয়াল ও কনটেন্টের মধ্যে একটি সুস্পষ্ট সুফি তথা আধ্যাত্মিক সংলাপ তৈরি হয়েছে।

প্রচ্ছদ ডিজাইনটি মার্জিত, ক্লাটার-ফ্রি এবং দীর্ঘস্থায়ী নান্দনিকতার দিকে ঝোঁকানো—যা ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক বইয়ের পাঠকদের রুচির সঙ্গে মানানসই। এটি যেমন দৃষ্টি কাড়বে, আবার হাতে নিলে এক ধরনের নীরব মর্যাদার অনুভূতি দেবে—এটাই এই কভারের শক্তি।

আমার কাছে এই প্রচ্ছদটি মনে হয়েছে—নীরব কিন্তু দীপ্ত, সংযত কিন্তু গভীর অর্থবহ।

আপনাদের কাছে কেমন লাগলো “কুন-ফায়াকুন” বইটির প্রচ্ছদ?
কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না—আপনাদের অনুভূতিই আমার পরবর্তী যাত্রার প্রেরণা। 💬🖤

Designing a school brand is never just about colors or a logo.It is about shaping trust, defining identity, and influenc...
14/02/2026

Designing a school brand is never just about colors or a logo.
It is about shaping trust, defining identity, and influencing the environment where young minds grow every day.

For Golden Gate English School, the visual identity was carefully crafted to reflect clarity, discipline, and aspiration—while maintaining warmth and child-friendly accessibility.

A calm blue foundation symbolizes knowledge, stability, and confidence. Golden accents represent excellence, growth, and a hopeful future. Together, they form a balanced visual language that feels structured yet inspiring.

From architectural applications to stationery, uniforms, and print materials, every touchpoint was developed as part of a cohesive branding system. The objective was to build a brand that is premium yet approachable, modern yet timeless, and adaptable enough to evolve with the institution.

Strong educational branding does more than create recognition—it inspires students, reassures parents, and strengthens institutional identity from the very first impression.

Project: Golden Gate English School (GGES)
Category: School Branding · Education
Scope: Visual Identity, Print Design, Environmental Branding
Visualizer & Designer: Shakhawat Saalehin
Year: 2026

আজকের প্রচ্ছদ—একটি নীরব স্মৃতির মুখ।বইয়ের নাম: কবি’দালেখক: মাহ্দী গালিবপ্রচ্ছদ: সাখাওয়াত সালেহীনকিছু বই প্রকাশের জন্য লে...
05/02/2026

আজকের প্রচ্ছদ—একটি নীরব স্মৃতির মুখ।

বইয়ের নাম: কবি’দা
লেখক: মাহ্দী গালিব
প্রচ্ছদ: সাখাওয়াত সালেহীন

কিছু বই প্রকাশের জন্য লেখা হয় না। লেখা হয়—থাকার জন্য। স্মৃতির ভাঁজে রেখে দেওয়ার জন্য। ‘কবি’দা’ ঠিক তেমনই একটি বই।

এই গ্রন্থ কোনো প্রচলিত জীবনী নয়, কোনো ঘটনাপ্রবাহের ধারাবিবরণও নয়। এটি মূলত লেখকের সঙ্গে কবি আবদুল গফুর হালী–র সাক্ষাৎ, তাঁর সান্নিধ্য, তাঁর নীরব সোহবতে বসে থাকার অভিজ্ঞতার একটি আত্মিক আখ্যান। এখানে কথার চেয়ে উপস্থিতি বেশি, ব্যাখ্যার চেয়ে অনুভব গভীর। কবি’দা এখানে একজন কবি হিসেবে নয়—একজন মানুষ হিসেবে, একজন পথচিহ্ন হিসেবে, একজন নীরব শিক্ষক হিসেবে ধরা দেন।

এই বইয়ে দীক্ষা কোনো আনুষ্ঠানিকতা নয়। দীক্ষা মানে—কাছে থাকা। চুপ থাকা। দেখতে শেখা।

এই বোধ থেকেই প্রচ্ছদের ভাবনা নির্মিত হয়েছে।

প্রচ্ছদে আমরা দেখি—একজন প্রবীণ মানুষ, একাকী বসে আছেন। হাতে লাঠি। পায়ে মাটি। শরীরের ভঙ্গিতে ক্লান্তি নেই, আছে স্থিরতা। ইনিই কবি'দা। ইনিই আবদুল গফুর হালী। চারপাশে কোনো কোলাহল নেই—রঙ, আলো ও টেক্সচারের ভেতর একটি দীর্ঘ নীরবতা কাজ করে। ব্যাকগ্রাউন্ডের উষ্ণ মাটিরঙ যেন সময়ের স্তর, স্মৃতির জমে থাকা পরত। এটি কোনো মুহূর্ত নয়—এটি একটি জীবনভঙ্গি।

এই প্রচ্ছদে আমি চেয়েছি কবি’দা’কে দেখাতে নয়, অনুভব করাতে। তাঁকে মহান করে তোলার চেষ্টা করিনি; বরং তাঁকে যেভাবে তিনি ছিলেন—সেভাবেই রেখে দিতে চেয়েছি।

টাইপোগ্রাফিতে রেখেছি সংযম। রঙে রেখেছি স্থিরতা। কম্পোজিশনে রেখেছি ফাঁক—যেন পাঠক নিজের অনুভূতি সেখানে বসাতে পারেন।

এই বইটির হার্ডকপি প্রকাশ হয়নি। ভবিষ্যতে হবে কি না, তাও নিশ্চিত নয়। হয়তো এটি লেখকের নিজের স্মৃতির খাতাতেই থেকে যাবে। হয়তো একদিন পাঠকের হাতে পৌঁছাবে। কিন্তু প্রচ্ছদ হিসেবে এই নকশাটি ছিল—একটি শ্রদ্ধার প্রয়াস, একটি নীরব সালাম।

আপনাদের চোখে এই প্রচ্ছদ কেমন লাগলো?
এই নীরবতা কি কিছু বলছে?
আপনাদের অনুভূতি জানালে ভালো লাগবে।

আজকের প্রচ্ছদটি কথা বলে জ্ঞান আর আত্মার মাঝখানে যে নীরব পথ—সেই পথে হাঁটার সাহস নিয়ে।বই: আত্মার বিজ্ঞান লেখক: খাজা ওসম...
04/02/2026

আজকের প্রচ্ছদটি কথা বলে জ্ঞান আর আত্মার মাঝখানে যে নীরব পথ— সেই পথে হাঁটার সাহস নিয়ে।

বই: আত্মার বিজ্ঞান
লেখক: খাজা ওসমান ফারুকী
প্রচ্ছদ ডিজাইন: সাখাওয়াত সালেহীন

আধ্যাত্মিকতা এখানে কোনো আবেগী উচ্চারণ নয়, বরং এক সচেতন অনুসন্ধান— আমি কে, আমার আত্মা কোথা থেকে এসেছে, আর আমি কীভাবে ফিরে যাব নিজের ভেতরে— এই মৌলিক প্রশ্নগুলোর দিকে ফেরার যাত্রা।

এই বই সেই জায়গাতেই দাঁড়ায় যেখানে কুরআনের আলো, সুফি প্রজ্ঞা এবং আধুনিক বিজ্ঞানের ভাষা একটি অভিন্ন সত্যের দিকে ইঙ্গিত করে।

এই ভাবনাকেই ভিজ্যুয়ালে ধরতে গিয়ে প্রচ্ছদে ব্যবহার করেছি গভীর নীল-সবুজ টোন— যা জ্ঞান, ধ্যান ও অন্তর্লোকের প্রশান্তির প্রতীক। এই রঙ বাহ্যিক কোলাহল থেকে আলাদা এক মানসিক পরিসর তৈরি করে, যেখানে চিন্তা ধীরে চলে, অনুভব গভীর হয়।

প্রচ্ছদের মাঝখানে থাকা খোলা বই এখানে শুধু জ্ঞানের প্রতীক নয়— এটি এক আহ্বান। যেন কুরআনের আয়াতগুলো নিজেই পাঠককে ডাকছে— পড়ো, কিন্তু শুধু চোখ দিয়ে নয়, পড়ো হৃদয় ও চেতনা দিয়ে।

বই থেকে উঠে আসা আলোকিত সরল পথটি ইঙ্গিত করে আত্মার যাত্রার দিকে— যা এক সরল রেখা নয়, বরং ধীরে বয়ে যাওয়া এক অনুসন্ধান। এই পথ জ্ঞান থেকে উপলব্ধির দিকে নিয়ে যায়, তথ্য থেকে অভিজ্ঞতার দিকে।

শিরোনামের টাইপোগ্রাফি রাখা হয়েছে স্পষ্ট, দৃঢ় ও ভারসাম্যপূর্ণ। কারণ এই বই অলংকারে মোড়া কোনো দর্শন নয়— এটি যুক্তিসংগত, বিজ্ঞানসম্মত এবং গভীরভাবে হৃদয়সংলগ্ন।

পর্যাপ্ত নেগেটিভ স্পেস ব্যবহার করে প্রচ্ছদটিকে শ্বাস নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে— যেন প্রথম দেখাতেই পাঠক থেমে যেতে পারে, একটু নীরব হতে পারে।

এই প্রচ্ছদ কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেয় না। এটি প্রশ্ন রেখে যায়। আর সেই প্রশ্ন থেকেই শুরু হয় আত্মার বিজ্ঞান।

আপনাদের কাছে এই প্রচ্ছদটি কেমন লেগেছে?
বইয়ের আধ্যাত্মিক ও দার্শনিক ভাবনার সঙ্গে ভিজ্যুয়াল ভাষাটি কি সংযোগ তৈরি করতে পেরেছে বলে মনে হয়?

আজকের বইয়ের প্রচ্ছদটি এমন এক নীরবতায় দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে শব্দের আগে আসে অনুভব—আর উচ্চারণের আগে আসে উপস্থিতি।বই: অস্তিত্ব...
02/02/2026

আজকের বইয়ের প্রচ্ছদটি এমন এক নীরবতায় দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে শব্দের আগে আসে অনুভব—আর উচ্চারণের আগে আসে উপস্থিতি।

বই: অস্তিত্বের আদিম সুর
লেখক: খাজা ওসমান ফারুকী
প্রচ্ছদ: সাখাওয়াত সালেহীন

অস্তিত্ব—এই শব্দটি আমরা প্রতিদিন ব্যবহার করি, কিন্তু খুব কমই তার আদিম স্পন্দন শুনতে পারি। এই বই সেই শব্দ শোনার অনুশীলন। যেখানে কবিতা গল্প বলে না, বরং নীরবতার ভেতর দিয়ে প্রশ্ন রেখে যায়।

এই ভাবনাকে ভিজ্যুয়ালে রূপ দেওয়ার সময় আমি চেয়েছি একটি আদি ধ্বনি—যা শব্দ নয়, অথচ শব্দের উৎস। প্রচ্ছদের কেন্দ্রে ব্যবহৃত আরবি ক্যালিগ্রাফি “هُو” (হু)—এখানে এটি কোনো আলংকারিক উপাদান নয়। এটি উপস্থিতির প্রতীক। যিনি আছেন, কিন্তু চোখে ধরা পড়েন না। যার নাম উচ্চারণের চেয়েও অনুভব গভীর।

গাঢ় কালো ব্যাকগ্রাউন্ড রাখা হয়েছে নীরবতার রূপ হিসেবে—যেখানে আলো নিজেই কথা বলে। ক্যালিগ্রাফির ভেতরে রাখা হালকা, প্রায় ধোঁয়ার মতো টেক্সচার ইঙ্গিত করে সেই আদিম সুরের দিকে—যা দৃশ্যমান নয়, অথচ অনুভবযোগ্য।

টাইপোগ্রাফি রাখা হয়েছে সংযত ও ভারসাম্যপূর্ণ। কারণ এই বই পাঠককে কিছু বোঝাতে চায় না—শুধু পাশে বসে থাকতে চায়। নেগেটিভ স্পেস এখানে শূন্যতা নয়, বরং শ্বাস নেওয়ার জায়গা।

এই প্রচ্ছদ কোনো দৃশ্য আঁকে না, কোনো কাহিনি বলে না—এটি কেবল একটি দরজা খুলে দেয়, যার ভেতরে প্রবেশ করতে হয় নিজের মধ্য দিয়েই।

এই প্রচ্ছদটি আপনাদের কেমন লেগেছে?
বইয়ের ভাবনার সঙ্গে ভিজ্যুয়াল ভাষাটি কি মিল খুঁজে পেয়েছে বলে মনে হয়?

আপনাদের অনুভব, মতামত ও পাঠ আমার কাছে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ।

আজ যে কাজটি শেয়ার করছি, সেটি আমার পছন্দের কাজগুলোর একটি—তবুও এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে এক ধরনের নীরব মনখারাপ।বইয়ের নাম: দ্য ফরট...
01/02/2026

আজ যে কাজটি শেয়ার করছি, সেটি আমার পছন্দের কাজগুলোর একটি—তবুও এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে এক ধরনের নীরব মনখারাপ।

বইয়ের নাম: দ্য ফরটি রুলস অফ লাভ
লেখক: ড. আনিসুর রহমান ফারুক
প্রচ্ছদ ডিজাইন: সাখাওয়াত সালেহীন

এই বইটি ভালোবাসাকে দেখেছে দর্শনের চোখে—যেখানে ভালোবাসা মানে কেবল অনুভূতি নয়, বরং আত্মার শুদ্ধি, প্রশ্ন আর পথচলার নাম। এলিফ শাফাকের The Forty Rules of Love–এর আলোকে গড়ে ওঠা এই বইয়ে চল্লিশটি সূত্র একেকটি দরজার মতো—যেগুলো খুললে ভেতরে অপেক্ষা করে উপলব্ধি, নীরবতা আর আত্মিক সংলাপ।

এই ভাবনাকে ভিজ্যুয়ালে রূপ দেওয়ার সময় আমি চেয়েছি একটি মুহূর্তকে ধরে রাখতে—দুই মানুষ, একটি দরজা, মাঝখানে নীরব সম্মান ও বিনয়। প্রচ্ছদের কেন্দ্রে থাকা দরজাটি এখানে কেবল স্থাপত্য নয়—এটি প্রতীক। সূত্রগুলো যেন দরজার মতো—কিছু খুলে যায় সহজে, কিছু খুলতে হয় মাথা নত করে।

রঙের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়েছে মাটি ও সবুজের সংযত টোন—যা স্থিরতা, ধৈর্য আর আধ্যাত্মিক প্রশান্তির ইঙ্গিত দেয়। ইলাস্ট্রেশন স্টাইল ইচ্ছাকৃতভাবে নরম ও জলরঙের মতো রাখা হয়েছে, যেন গল্পটা চোখে পড়ে কিন্তু শব্দ করে না। টাইপোগ্রাফি রাখা হয়েছে শান্ত ও ভারসাম্যপূর্ণ—কারণ এই বই চিৎকার করে কিছু বলে না, বরং ধীরে কাছে ডাকে।

এই প্রচ্ছদটি প্রাথমিকভাবে কনফার্ম হয়েছিল।
কিন্তু প্রোডাকশনের সময় জানা যায়—বইটির জন্য অন্য একটি প্রচ্ছদ ব্যবহৃত হচ্ছে। সত্যি বলতে, তখন মনটা একটু খারাপ হয়েছিল। যদিও ব্যবহৃত প্রচ্ছদটিও সুন্দর—তবুও এই ভাবনাটি আর পাঠকের হাতে পৌঁছাবে না, সেটুকু আক্ষেপ থেকে যায়।

আজ এটি শেয়ার করছি একটি প্রকাশিত না-হওয়া ভাবনা হিসেবে—একটি দরজা, যা ছাপা বইয়ে খোলেনি, কিন্তু হয়তো আপনাদের অনুভবে খুলবে।

এই প্রচ্ছদটি আপনাদের কেমন লাগলো?
বইয়ের ভাবনার সঙ্গে ভিজ্যুয়ালটি কি সংযোগ তৈরি করতে পেরেছে বলে মনে হয়?

সোশ্যালি এক্টিভ থাকা আমার জন্য এখন অনেকটাই কঠিন হয়ে উঠেছে—যদিও এই বদ-অভ্যাস আজকের নয়। তবুও, সবকিছুর মাঝেই রেগুলার থাকার ...
31/01/2026

সোশ্যালি এক্টিভ থাকা আমার জন্য এখন অনেকটাই কঠিন হয়ে উঠেছে—যদিও এই বদ-অভ্যাস আজকের নয়। তবুও, সবকিছুর মাঝেই রেগুলার থাকার একটা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আজকের পোস্টে সেই চেষ্টারই অংশ হিসেবে একটি মিনিমাল বইয়ের প্রচ্ছদ ডিজাইন নিয়ে কথা বলছি।

বই: আত্মার নকশা
লেখক: খাজা ওসমান ফারুকী
প্রচ্ছদ ডিজাইন: সাখাওয়াত সালেহীন

আধুনিক সভ্যতার অবিরাম কোলাহল, প্রযুক্তির চাপ, তথ্যের অতিভার আর মানসিক ক্লান্তির ভেতর দিয়ে মানুষের রূহ ও অন্তর ধীরে ধীরে অবসন্ন হয়ে পড়ে। নিউরোসায়েন্স যেখানে মস্তিষ্কের ক্লান্তির ভাষা খোঁজে, সুফি দর্শন সেখানে আরও গভীরে গিয়ে আত্মার বিচ্ছিন্নতার কথা বলে। আত্মার নকশা সেই বিস্মৃত অন্তর্জগতের দিকেই পাঠককে ফিরিয়ে নিতে চায়—যেখানে প্রশ্ন, শূন্যতা ও অনুসন্ধান এক হয়ে যায় আত্মার ভাষায়।

প্রচ্ছদ ভাবনা এই বইয়ের প্রচ্ছদ নকশা গড়ে তোলা হয়েছে মানব আত্মার নীরবতা, প্রশ্নবোধ এবং অন্তর্গত মানচিত্রের ধারণাকে কেন্দ্র করে। গাঢ় বেগুনি ব্যাকগ্রাউন্ড ব্যবহার করা হয়েছে গভীরতা, ধ্যান ও রহস্যের প্রতীক হিসেবে—যা বাহ্যিক কোলাহল থেকে বিচ্ছিন্ন এক অন্তর্জগতের ইঙ্গিত দেয়।

প্রচ্ছদের কেন্দ্রে ব্যবহৃত বিমূর্ত ফর্মটি আত্মার এক প্রতীকী উপস্থিতি—স্পষ্ট নয়, অথচ অনুপস্থিতও নয়। এটি একদিকে সুফি দরবেশের আত্মসমর্পণের আকৃতি, অন্যদিকে নিছক এক অনুভব—যেমন আত্মা নিজেই। এখানে ব্যবহৃত ফর্মটি আরবি ‘মিম’ (م) হরফ থেকে অনুপ্রাণিত। সুফি দর্শনে ‘মিম’ একটি রহস্যময় হরফ—যা মানব আত্মার গভীরতা ও অদৃশ্য সত্তার ইঙ্গিত বহন করে। আত্মার নকশার এই রহস্যময়তাকে ভিজ্যুয়ালি প্রকাশ করতেই ‘মিম’ এসেছে মূল প্রতীকে।

সুফি ফর্মে টুপি হিসেবে ব্যবহৃত লাল রঙের ক্ষুদ্র এলিমেন্টটি চেতনাজাগরণ, ব্যথা কিংবা আত্মোপলব্ধির সূক্ষ্ম সংকেত—যা নীরবতার ভেতরেও প্রশ্ন ছুঁড়ে দেয়। এই ‘মিম’ ও লাল টুপির সম্মিলনে তৈরি হয়েছে সুফি মানব আত্মার এক নীরব চিহ্ন।

টাইপোগ্রাফিতে রাখা হয়েছে সংযম ও দৃঢ়তা। শিরোনামের লেটারফর্ম সরাসরি ও স্পষ্ট—কিন্তু অলংকারহীন। কারণ এই বই চিৎকার করে কথা বলে না; এটি ধীরে, গভীরে প্রবেশ করে। পর্যাপ্ত নেগেটিভ স্পেস ও মিনিমাল এলিমেন্ট পুরো প্রচ্ছদকে দিয়েছে শ্বাস নেওয়ার অবকাশ—যেন পাঠক প্রথম দেখাতেই থেমে যেতে পারে, একটু ভাবতে পারে।

এই প্রচ্ছদ কোনো দৃশ্য বর্ণনা করে না— বরং একটি প্রশ্ন রেখে যায়।

✨ আপনার কাছে এই মিনিমাল বইয়ের প্রচ্ছদ ডিজাইন কেমন লেগেছে? মতামত জানাতে রিয়েক্ট, কমেন্ট ও শেয়ার করতে ভুলবেন না—সাথেই থাকুন।

🌿 আলহামদুলিল্লাহ!শারীরিকভাবে কিছুদিন ধরে অসুস্থ থাকলেও মন মানেনি—কোনোভাবেই চাইনি এবারের ঐতিহাসিক ১৫০০তম ঈদে মিলাদুন্নবী ...
03/09/2025

🌿 আলহামদুলিল্লাহ!

শারীরিকভাবে কিছুদিন ধরে অসুস্থ থাকলেও মন মানেনি—কোনোভাবেই চাইনি এবারের ঐতিহাসিক ১৫০০তম ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ হাতছাড়া হয়ে যাক। গতবারের টাইপোগ্রাফি আলহামদুলিল্লাহ অনেক সাড়া ফেলেছিল। তাই অসুস্থতা ও সময় সল্পতার মাঝেই চেষ্টা করেছি নতুন কিছু করার।

এই ভাবনা থেকেই জন্ম নিয়েছে এবারের বিশেষ টাইটেল—
✨ “নূর শুভাগমনের দেড় সহস্রাব্দ” ✨

বাংলা টাইপোগ্রাফিটি তৈরি করেছি একেবারে নতুন রূপে। এবারে এটি সাজানো হয়েছে ৯টি ভিন্ন রঙে-সাজে, ব্যাকগ্রাউন্ডসহ এবং ট্রান্সপারেন্ট ফরম্যাটে। সব ফাইল আগের লিংকেই যুক্ত করা আছে, শুধু নতুন ফোল্ডার 1447/2025 নামের অধীনে।

📌 ইনশাআল্লাহ, ধীরে ধীরে এখানে ভেক্টর মূল ফাইল এবং প্রোফাইল ব্যবহারের জন্য আরও কিছু ছবি আপডেট করে দেওয়া হবে।
👉 তবে এবার অসুস্থতা ও সময় সল্পতার কারণে কোনো এনিমেশন ভিডিও তৈরি করা সম্ভব হয়নি।

সব ফাইল উন্মুক্ত, বিনামূল্যে ব্যবহারের জন্য। 🌸
লিংক কমেন্ট বক্সে দেওয়া থাকবে। 👇

Address

Bashundhara R/A, No 7 Mayor Road, No 4 Lain, Halishahar
Chittagong
4228

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shakhawat Saalehin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Shakhawat Saalehin:

Share