It Solutions

It Solutions Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from It Solutions, Computer repair service, chittagong, Chittagong.

13/01/2014

ফ্রিল্যান্সিং ধারাবাহিক : অনলাইনে আয়ের ১০০ উপায়

(পর্ব-৮)
ফরেক্সের মাধ্যমে উপার্জন করুন
ফরেক্স অথবা স্পট ফরেক্স হচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রার ক্রয়-বিক্রয়। ফরেক্স মার্কেটে আপনি একটি দেশের কারেন্সি বিক্রি করে আরেকটি দেশের কারেন্সি ক্রয় করতে পারবেন। উদাহরণস্বরূপ, ইউএসএ বা আমেরিকার কারেন্সি হছে ডলার, ব্রিটেন বা ইউকের কারেন্সি হচ্ছে পাউন্ড। ফরেক্স মার্কেটে আপনি ডলার বিক্রি করে পাউন্ড অথবা পাউন্ড বিক্রি করে ডলার কিনতে পারেন। ডলার অথবা পাউন্ড ছাড়াও আর বিভিন্ন দেশের কারেন্সি আছে, যা ফরেক্স মার্কেটে আপনি ক্রয়-বিক্রয় করতে পারেন।
বিভিন্ন দেশের মুদ্রা সর্বদাই পরিবর্তনশীল। আপনি জানেন, কখনও কখনও ডলার টাকার বিপরীতে শক্তিশালী হয়, আবার কখনও টাকা ডলারের বিপরীতে শক্তিশালী হয়। এরকম পৃথিবীর অধিকাংশ মুদ্রার বিপরীতেই হয়। সুতরাং আপনার যদি ডলার কেনা থাকে, ডলারের বিপরীতে ইউরোর দাম পড়ে গেলে আপনি ডলার বিক্রি করে ইউরো কিনে রাখতে পারেন। আবার ইউরো ডলারের বিপরীতে শক্তিশালী হলে, ইউরো বিক্রি করে অধিক ডলার পেতে পারেন। হয়তো আপনার কাছে ১০০ ডলার ছিল, যা বিক্রি করে আপনি ৮০ ইউরো ক্রয় করেছিলেন। পরে ইউরোর দাম বাড়ার পর তা বিক্রি করে ১২০ ডলার পেলেন। এভাবে আপনি আয় করতে পারেন। শেয়ার মার্কেটে শুধু শেয়ারের দাম বাড়ালেই (নুঁ) আমরা প্রফিট করতে পারি। কিন্তু ফরেক্স মার্কেটে কোনো কারেন্সি শক্তিশালী অথবা দুর্বল হোক, দুই ক্ষেত্রেই আমাদের প্রফিট করার সুযোগ আছে, যেটা ফরেক্স মার্কেটের সবচেয়ে বড় সুবিধা।

ফরেক্স ট্রেড করার সুবিধা
— একসময় শুধু বিশাল ধনী অথবা ব্যাংকগুলো ফরেক্স মার্কেটে ট্রেড করার সুযোগ পেত। কিন্তু বর্তমানে সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন ফরেক্স ব্রোকারের আবির্ভাব ও প্রতিযোগিতা বাড়ায় যে কেউই পৃথিবীর যে কোনো দেশ থেকে ফরেক্স মার্কেটে ট্রেড করতে পারে।
— মাত্র এক ডলার দিয়ে ফরেক্স ট্রেড শুরু করা সম্ভব। তাছাড়া প্রায় সব ব্রোকারই আপনাকে ফ্রি ডেমো ট্রেড করার সুবিধা দেবে, অর্থাত্ ভার্চুয়াল মানি দিয়ে। তাই প্রথমে আপনি বিনা খরচে ডেমো ট্রেড করে নিজেকে প্রস্তুত করে নিতে পারেন এবং ডেমো ট্রেড করে সাফল্য ফেলে ডিপোজিট করে রিয়েল ট্রেড শুরু করতে পারেন।
— ফরেক্স মার্কেট পরিধি অনেক বড় এবং এই মার্কেটকে ম্যানিপুলেট করা সম্ভব নয়। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় স্টক মার্কেট হচ্ছে নিউইয়র্ক স্টক মার্কেট এবং ফরেক্স মার্কেটের আকার তার থেকেও ২৫ গুণ বেশি। মনে রাখবেন, ডলার বা ইউরোর মূল্য কোনো দেশের সরকার নির্ধারণ করে দেয় না। বিভিন্ন দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ও আর্থিক ঘটনাবলির প্রেক্ষিতে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার মূল্য নিজে নিজেই পরিবর্তিত হয়। আপনি যে দামে ডলার বা ইউরো কিনবেন, সেই একই দামে পৃথিবীর সব দেশে ডলার বা ইউরো ক্রয়-বিক্রয় হবে।
— ফরেক্স মার্কেটে ট্রেড করার ক্ষেত্রে বড় ধরনের লিভারেজ বা লোন সুবিধা পাওয়া যায়, আর তাই খুব অল্প মার্কেট মুভমেন্ট থেকেই আপনি ভালো প্রফিট করতে পারবেন।
— স্ক্যালপিং ফরেক্সে খুব জনপ্রিয় একটি শব্দ। এর মানে হচ্ছে খুব অল্প সময়ের জন্য খোলা ট্রেড। ফরেক্স মার্কেটের খুব অল্প পরিবর্তনেও ভালো লাভ করা সম্ভব। অনেকেই ১০ বা ১৫ সেকেন্ডের জন্য একটি ট্রেড ওপেন করে এবং প্রফিট পেলে তা নিয়ে ট্রেড থেকে বের হয়ে যায়।
— ফরেক্স মার্কেট সোমবার থেকে শুক্রবার—সপ্তাহের ৫ দিনই দিনরাত ২৪ ঘণ্টার জন্য খোলা থাকে। আর তাই আপনি ব্যাবসায়ী হোন বা চাকরিজীবী হোন, ফরেক্স মার্কেটে আপনি সুবিধামত ট্রেড করতে পারবেন।
— ফরেক্স ট্রেডিং আপনি বাসায় বসেই করতে পারবেন, বাইরে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
— ফরেক্স মার্কেটে ট্রেড করার জন্য আপনাকে সবকিছু অনলাইনে করতে হবে আর অ্যাকাউন্ট ওপেনিং থেকে শুরু করে অ্যাকাউন্টে ডিপোজিট বা উইথড্র করাও অনেক সহজ।
উল্লেখ করা বাঞ্ছনীয়, একজন দক্ষ ও সফল ট্রেডার হতে হলে আপনাকে ফরেক্স মার্কেট সম্পর্কে প্রচুর পড়াশোনা করতে হবে। মনে রাখবেন, ফরেক্স মার্কেট স্টক মার্কেটের মতোই চ্যালেঞ্জিং। না জেনে হয়তো প্রাথমিকভাবে সফল হওয়া যাবে, যেটা স্টক মার্কেটও অনেকে অনেক সময় হয়। তবে দীর্ঘসময়ের জন্য টিকে থাকতে হলে, এক্সপার্ট হওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। আরেকটি কথা, ফরেক্স মার্কেটে মন্দা বলে কিছু নেই। কারণ স্টক মার্কেটে আপনি শুধু নুঁ করতে পারেন, ফরেক্স মার্কেটে buy বা sell উভয়ই করতে পারবেন।
লাইক দিতে ভুলবেন না।

09/01/2014

ফ্রিল্যান্সিং ধারাবাহিক : অনলাইনে আয়ের ১০০ উপায়


আমার দেশ ‘বিজ্ঞান ও কম্পিউটার’ বিভাগে নিয়মিত ছাপা হচ্ছে—‘অনলাইন আয়ের ১০০ টিপস’ শীর্ষক ধারাবাহিক। নিয়মিত লিখছেন— আন্তর্জাতিক অনলাইন মার্কেটপ্লেসে সফল ফ্রিল্যান্সার, বিভিন্ন কর্মশালা
ও প্রশিক্ষণ পরিচালনাকারী ও ব্লগার—মো. মনির।
যারা ফ্রিল্যান্সিংয়ে ক্যারিয়ার গড়তে চান, চোখ রাখুন প্রতি মঙ্গলবার।

পর্ব (৭)
ছবি, ই-বুক অথবা ভিডিও হতে পারে মূলধন
গত পর্বে আলোচনা করেছিলাম বিড করে কাজ পাওয়ার ব্যাপারে। আজ অন্য এক মজার কাজের কথা বলব। আমরা অনেক সময় কথাপ্রসঙ্গে টাকার গাছের কথা বলি। আজ অনলাইনে টাকার গাছের কথা বলব। গাছ যে রকম একবার রোপণ করলে সারাজীবন ফল দেয়, সে রকম অনলাইনেও ইনকামের ব্যবস্থা আছে। কষ্ট করবেন একবার, ফল পাবেন সারাজীবন। আপনি যা জানেন, তা দিয়েই আপনি এখানে আয় করতে পারবেন। আবার কিছু না জানলেও আয় করতে পারবেন। আপনার নিজের ক্যামেরায় তোলা কোনো ছবি অথবা কোনো ই-বুক, অথবা কোনো এক্সক্লুসিভ ভিডিও এখানে আপনার ইনকামের মূলধন হতে পারে।
এবার সে জায়গার নাম জানা যাক। http://www.freelancer.com/marketplace-এ একবার ঢুকুন, পেয়ে যাবেন কথার প্রমাণ। এখানে আপনি কোনো প্রোডাক্টস বিক্রির জন্য দিয়ে রাখলে সারাজীবন ধরে এটা ডাউনলোড হতে থাকবে। যখনই কেউ এখান থেকে আপনার প্রোডাক্টস ডাউনলোড করবে, আপনার অ্যাকাউন্টসে তখনই ডলার জমতে থাকবে। যদি এখানে ঢোকেন, তাহলে দেখবেন আপনার সামনে অনেক প্রোডাক্টস দেখা যাচ্ছে। যে কোনো একটিতে ক্লিক করে ঢুকলে দেখবেন, ডানপাশে দেয়া আছে কতবার এটি ডাউনলোড হয়েছে।
আপনি এখানে দু’ধরনের কাজ বিক্রি করতে পারবেন। কোনো প্রোডাক্টস অথবা কোনো সার্ভিসের অফার করতে পারেন। ফেসবুকে ১০০ লাইক বানিয়ে দেবেন অথবা ২০০ সোশ্যাল বুকমার্ক সাইটে লিংক শেয়ার দেয়ার অফার করতে পারেন অথবা আরও যা ইচ্ছা আপনি অফার করতে পারবেন।
আপনি যখন লগইন করবেন, তখন ২টি জিনিস দেখতে পাবেন—Sell your files, sell your services| Sell your files-এ ঢুকলে আবার ২টি অপশন পাবেন—sell exclusively, sell same items। যে জিনিস আগে কোথাও বিক্রি হয়নি, এখানেই প্রথমে বিক্রি হচ্ছে, সেটা বিক্রির জন্য sell exclusively-এ ঢুকতে হবে। আর অন্যগুলো বিক্রির জন্য sell same items-এ ঢুকতে হবে।
এবার আসি sell your services অপশনে। আগের কোনো এক পর্বে fiverr.com-এর কথা বলেছিলাম। যারা পড়েননি, তারা এ ধারাবাহিকের আগের পর্বগুলো পড়লে সে ব্যাপারে জানতে পারবেন। যা-ই হোক, আপনি যদি sell your services অপশনে যান, সেখানে fiverr.com-এর মতো সব অপশন পাবেন। সেখানে আপনি কোনো সার্ভিসের অফার দিতে পারবেন। আপনার অফার ৬ মাসের জন্য লিস্টিং করতে পারবেন, এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।
আপনার পণ্য অথবা সার্ভিসের অফার লিস্টিং শেষ। এবার চিন্তা শেষ। এখন সারাজীবন এখান থেকে ডলার পেতে থাকবেন। যখনই কেউ ফাইল ডাউনলোড করবে, আপনার অ্যাকাউন্টে ডলার জমবে। যখন ইচ্ছা সে ডলার পেপ্যাল অথবা মানিবুকারসের মাধ্যমে তুলতে পারবেন। আজ এ পর্যন্তই। তাই শুরু করে দিন অনলাইন থেকে আয়।

08/01/2014

ফ্রিল্যান্সিং ধারাবাহিক

ডিজাইন ও মাল্টিমিডিয়া: এই বিভাগের মধ্যে আছে গ্রাফিক ডিজাইন, লোগো ডিজাইন, ইলাস্ট্রেশন, প্রিন্ট ডিজাইন, থ্রিডি মডেলিং, ক্যাড, অডিও ও ভিডিও প্রোডাকশন, ভয়েস ট্যালেন্ট, অ্যানিমেশন, প্রেজেন্টেশন, প্রকৌশল ও কারিগরি ডিজাইন ইত্যাদি।
কাস্টমার সার্ভিস: এর মধ্যে আছে কাস্টমার সার্ভিস ও সাপোর্ট, টেকনিক্যাল সাপোর্ট, ফোন সাপোর্ট, অর্ডার প্রসেসিং ইত্যাদি।
বিক্রয় ও বিপণন: এর মধ্যে আছে বিজ্ঞাপন, ই-মেইল বিপণন, এসইও (সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন), এসইএম (সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং), এসএমএম (সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং), জনসংযোগ, টেলিমার্কেটিং ও টেলিসেল্স, বিজনেস প্ল্যানিং ও মার্কেটিং, মার্কেট রিসার্চ ও সার্ভেস, সেলস ও লিড জেনারেশন ইত্যাদি।
বিজনেস সার্ভিসেস: এর মধ্যে আছে অ্যাকাউন্টিং, বুককিপিং, এইচআর/পে-রোল, ফাইনানসিয়াল সার্ভিসেস অ্যান্ড প্ল্যানিং, পেমেন্ট প্রসেসিং, লিগ্যাল, প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট, বিজনেস কনসাল্টিং, রিক্রুটিং, পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ ইত্যাদি। এগুলো সম্পর্কে পরে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।
কাজ পাবেন যেখানে: আউটসোর্সিংয়ের কাজ পাওয়া যায় এমন অনেক ওয়েবসাইট আছে। আবার ভুয়া সাইটও বের হয়েছে। ফলে সতর্ক হয়েই কাজ শুরু করতে হবে। আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত এবং নির্ভরযোগ্য কয়েকটি সাইটের ঠিকানা দেওয়া হলো— http://www.odesk.com, http://www.freelancer.com, http://www.elance.com, http://www.getacoder.com, http://www.guru.com, http://www.vworker.com, http://www.scriptlance.com ইত্যাদি। সবগুলো মোটামুটি একই রকম। বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হলো ওডেস্ক (odesk)। গত বছর (২০১১) সারা বিশ্বের মধ্যে আউটসোর্সিং কাজ করার ভিত্তিতে ওডেস্কে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল চতুর্থ। তার আগের বছর (২০১০) ওডেস্কে ঢাকা শহরের অবস্থান ছিল সারা বিশ্বের মধ্যে তৃতীয়।

08/01/2014

valo lagle ei page ta share korben

Alexa provides information about websites including Top Sites, Internet Traffic Stats and Metrics, Related Links, Online Reviews Contact Information and Search Analytics for SEM and SEO optimization. The Alexa Toolbar is a browser add-on that shows data about sites as you surf the web

08/12/2013

Odesk Spelling Test পাস করার সহজ কৌশল।

প্রথমে আমার সালাম নিবেন। আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজকে আমি আপনাদের সাথে Odesk test এর বেপারে কথা বলভো। আমরা যারা নতুন Odesk এ Account registration করি।তখন আমাদের Profile ১০০% করতে হয়। আর তা Complete করতে না পারলে weakly বেশী কাজ এর জন্য Application করা যাইনা।আর তখন ১০০% Profile এর দরকার হয়।Profile ১০০% করার জন্য প্রথমেই আসে Odesk Readiness test।এটার মদ্দে পাস করলেও তখন Skill test চাই।তখন অনেকেই Odesk skill test নিয়ে অনেক problem face করি। আজকে তেমন একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো। প্রথমে সবার আগে আশে Odesk Readiness test এর নাম।আর এটা তে ১০০% পাস করতে হবে। আর এটা যতবার ইচ্ছা exam দিয়া যায় ফেল করলে।But আর যে exam গুলু আছে স গুলু আকবার ফেল করলে আবার ১ মাস পরে Exam দিতে হবে। আর আজকে আপনাদের সাথে আরও একটি Exam এর বেপারে আলচনা করবো আর সেটা হলো Odesk Spelling test. এই Exam এর জন্য এক্ টা কৌশল অবলমবন করলে অতি সহজ়েই পাস করা যাই।আর এটা পাস করলে আপনার Odesk profile ১০০% হবে।পাস করার পরে আপনি ইচ্ছা করলে weakly ১৫ টা কাজ এর জন্য বিড করতে পারবেন।
আমরা এখন কিভাবে odesk spelling test এ সহজেই পাস করতে পারি তার কৌশল নিয়ে আলোচনা করবো।
আপনি Exam Start করার আগেই MS office Word open kore নিবেন।
প্রথমেই যখন Question আসা শুরু করবে।
তখন আপনি Question টা কে Ctrl+A Click করবেন।তারপর Ctrl+C চেপে means copy করে MS office এ গিয়ে paste করে দিবেন। তখন দেখবেন যে Answer গুলু ভুল সে গুলোর নিচে লাল দাগ পরবে। আর যেটা সঠিক তার নিচে কোন লাল দাগ পরবে না তখন আপনি জার নিচে লাল দাগ পরবে না সেতা সঠিক।আবার অনেক সময় ভুল Answer ও চাই। তাই সেটা খেয়াল রাখবেন।
আর আপ্নারা এভাবেই এই exam এ পাস করে যেতে পারবেন।

আর এই কৌশলটা শুদু Mozilla Firefox browser এর জন্য অন্য browser এ হবে না।
আর আপনারা এই page এ এসে আরও অনেক Information পেতে পারেন।
তার জন্য আপনাদের এখানে আসতে হবে।

08/12/2013

(পর্ব ৬)
আপনি যা পারেন এমন কাজেই বিড করুন
কোনো কাজ যদি ফুলটাইম না করে চুক্তিভিত্তিকভাবে সম্পন্ন করা হয়, কাজ অনুযায়ী পেমেন্ট দেয়া হয়, তাহলে তাকে ফ্রিল্যান্সিং বলে। অনেক কোম্পানি তাদের প্রতিষ্ঠানের কাজের কোনো একটা অংশ করার জন্য বাইরে থেকে ফ্রিল্যান্সার ভাড়া করে। সেক্ষেত্রে সেই কোম্পানির স্টাফদের মাসিক বেতনের যে বাজেট তা বাড়াতে হয় না, বা কাউকে বসিয়ে বসিয়ে বেতন দিতে হয় না। এজন্য অনেক কোম্পানি ফ্রিল্যান্সার খুঁজে থাকে। অন্য দেশের কোম্পানিগুলো এক্ষেত্রে অনুন্নত দেশগুলোকে পছন্দ করে থাকে। কারণ সেসব দেশের শ্রমের মূল্য অনেক কম।
ফ্রিল্যান্সিং ইন্টারনেট থেকে টাকা আয়ের একটি সুন্দর পথ বাংলাদেশীদের জন্য। মনে করুন, একটি ৫০০ ডলারের কাজ বাংলাদেশীরা ৪০০ থেকে ৪৫০ ডলারে সহজেই করতে পারবে। আমাদের দেশের সাধারণ একটি পরিবার ৩০০ ডলারে এক মাস স্বচ্ছন্দে চলতে পারে। তাই বিড করে কাজ পাওয়া কঠিন কিছু নয়। তবে কাজ ধরলে শুধু হবে না, কাজটি নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করতে হবে, নইলে ক্লায়েন্টের কাছে নিজের ও দেশের মান ক্ষুণ্ন হবে এবং আপনার কাজের রেকর্ড খারাপ হবে। তাই আপনি করতে পারবেন এমন কাজ ধরার চেষ্টা করবেন।
ফ্রিল্যান্সিং হলো ইন্টারনেটে স্বাধীনভাবে কাজ করার একটি পেশা। এখানে অফিস, গ্রাফিক্স, ওয়েব ডিজাইন, এসইও, আর্টিকেল রাইটিং ইত্যাদি বিষয়ের কাজ পাওয়া যায়। ভয় নেই, আপনি সাধারণভাবে এমএস ওয়ার্ড, এক্সেল জানলেও ডাটা এন্ট্রির কাজ করার সুযোগ পেতে পারেন। এই সাইটগুলোতে প্রতিদিন হাজার হাজার কাজ জমা হয়। তবু আপনাকে প্রথম দিকে কাজ পেতে কিছুটা বেগ পেতে হবে। চেষ্টা করলে একসময় ফল পাবেন। অনেকে এক সপ্তাহ চেষ্টা করে কাজ না পেয়ে আশা ছেড়ে দেন। এমন করলে সামনে এগুতে পারবেন না।
কাজের বিডের ক্ষেত্রে অনেক বেশি কৌশলী হতে হবে। বিডের ক্ষেত্রে অন্যদের চেয়ে কম বিড করলেই যে কাজ পেয়ে যাবেন, এই ধারণা ভুল। তখন বায়ার আপনার ব্যাপারে ভুল ধারণা পেয়ে থাকতে পারে। বিডের ক্ষেত্রে আগে কাজটা ভালোভাবে বুঝতে হবে। অন্যদের বিডগুলো ভালোভাবে দেখতে হবে। ভালো বায়ারের সঙ্গে যোগাযোগের সময় বায়ারকে যেকোনোভাবে হোক অনুপ্রাণিত করতে হবে। সেজন্য আপনি বিড করার পাশাপাশি প্রাইভেট মেইলে আপনার অভিজ্ঞতার বর্ণনাসহ আবেদন করতে পারেন। যেহেতু বায়ার বাইরের দেশের। সুতরাং তার সঙ্গে যোগাযোগের জন্য ইংরেজিতে কথা বলা, লিখতে পারা, বোঝার ক্ষমতা থাকতে হবে।
ফ্রিল্যান্সিং করতে গিয়ে বিভিন্ন সাইট সম্পর্কে কোনো তথ্য জানতে বা সমস্যা বোধ করলে অথবা আপনার মনে কোনো প্রশ্ন জাগলে সেই ওয়েবসাইটের ভধয় দেখতে পারেন। সেখানে সাধারণত অনেক সাধারণ প্রশ্নের উত্তর পেতে পারেন। তারপরও যারা অনলাইন থেকে নিজে নিজে শিখতে অভ্যস্ত নন, তারা কোনো ভালো ট্রেনিং সেন্টার থেকে প্রশিক্ষণ নিতে পারেন। না শিখে কাজ শুরু করলে ভালো ফলাফল আশা করতে পারবেন না।

(পর্ব-৫)এই পর্বে একটি মজার ও সহজভাবে অনলাইনে আয়ের উপায় নিয়ে আলোচনা করব। ফ্রিল্যান্সিং বলতে আমরা মনে করি www.odesk.com, w...
04/12/2013

(পর্ব-৫)

এই পর্বে একটি মজার ও সহজভাবে অনলাইনে আয়ের উপায় নিয়ে আলোচনা করব। ফ্রিল্যান্সিং বলতে আমরা মনে করি www.odesk.com, www.Freelancer.com, www.scriptlance.com ইত্যাদি সাইটগুলোকে, যেখানে একজন বায়ার নির্দিষ্ট কোনো কাজ পোস্ট করেন। ওই কাজে ফ্রিল্যান্সাররা বিড/আবেদন করেন। তার মধ্যে বায়ার সাধারণত একজনকে নির্বাচিত করেন। কাজ পেতে এসব সাইটে নূতন ফ্রিল্যান্সারদের যথেষ্ট প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হতে হয়। আজ আমি একটি ভিন্ন ধারার ফ্রিল্যান্সিং সাইটের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেব, যার নাম www.fiverr.com। সাইটটির বয়স খুব বেশি দিন হয়নি। তবে এরই মধ্যে সাইটটি যথেষ্ট সুনাম অর্জন করেছে। কয়েক লাখ ভিজিটর নিয়ে সাইটটি এগিয়ে চলেছে। তবে একই ধরনের আরও কয়েকটি ওয়েবসাইট আছে। সেগুলোর মধ্যে মরমনঁপশং.পড়স অন্যতম।

কাজের পদ্ধতি
সাইটটিতে মূলত ফ্রিল্যান্সাররা কোনো কাজের অফার দিয়ে থাকে। যার মূল্য (নির্দিষ্ট) ৳৫। এখানে বায়ার আপনার কাজকে খুঁজে নেবে। যেমন ধরুন, আপনি গ্রাফিক ডিজাইনে দক্ষ, ভালো বিজনেস কার্ড ডিজাইন করতে পারেন। আপনি এভাবে অফার লিখতে পারেন—ও will create a simple & professional business card design only $5. অথবা আপনি লিংক বিল্ডিংয়ের কাজে দক্ষ হলে এভাবে লিখতে পারেন—ও will sign up & create 100+ account on various high PR site for $5.
অথবা আপনি যদি Social Networking-এ দক্ষ হন, যদি থাকে ২/৩ হাজার ফেসবুক ফ্রেন্ডস, আপনি বায়ারের ওয়েবসাইট প্রমোটের জন্য এভাবে অফার দিতে পারেন—ও will promote your website on 2000 friends page. মজার ব্যাপার হচ্ছে, আপনার কাজ বা সার্ভিস যতবার বিক্রি হবে ততবার পাবেন আপনি নির্ধারিত প্রাপ্য টাকা। প্রতিবার বিক্রির ওপর আপনি পাবেন ৪ ডলার আর সাইট কর্তৃপক্ষ নেবে ১ ডলার। অর্থাত্, আপনার কোনো প্রজেক্ট যদি ২০ বার বিক্রি হয়, তবে আপনি পাবেন ৮০ ডলার। আবার এখানে র্যাংক সিস্টেম আছে। যদি আপনি ১০টা অর্ডার সফলভাবে শেষ করতে পারেন, তাহলে আপনার র্যাংক হবে ১। তখন আপনি ১০ ডলারে কাজের অফার দিতে পারবেন। এভাবে র্যাংক বাড়তে বাড়তে একটা পর্যায় আপনি ৫০ ডলার পর্যন্ত অফার করতে পারবেন। এছাড়া আপনি কোনো ক্রেতাকে মানিয়ে নিয়ে একটা কাজের জন্য একের অধিক কাজের পরিমাণ পেমেন্ট নিতে পারবেন। তখন আপনার আয় অনেক বেড়ে যাবে। সাইটটি ভিজিট করে ফ্রিল্যান্সারদের পোস্ট করা কাজগুলো পর্যবেক্ষণ করলে আরও আইডিয়া পেয়ে যাবেন। সাইটটির ঠিকানা—www.fiverr.com. একবার ঢুকলেই বুঝতে পারবেন, এখানে কত রকম কাজের অফার দেয়া সম্ভব। এখানে আপনার কাজ যদি জনপ্রিয় হয়, তাহলে মাসে ২০০ থেকে ৪ হাজার ডলার আয় করতে পারবেন।

পেমেন্ট সিস্টেম
সাইটটি আপাতত শুধু পেপ্যালের মাধ্যমে পেমেন্ট করে থাকে। বাংলাদেশে এখনও পেপ্যাল চালু না হওয়ায় অনেকেই হয়তো সাইটটিতে কাজ করতে পারবেন না। তবে বাংলাদেশে অনেকে নিজেদের ভেরিফাইড পেপ্যাল দিয়ে এই সার্ভিস দিয়ে থাকেন। গুগল সার্চ দিয়ে তাদের নাম বের করে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। আশা করা যায়, শিগগিরই বাংলাদেশে চালু হবে আমাদের কাঙ্ক্ষিত পেপ্যাল।

oDesk is where the world goes to work! We are the world's largest online workplace, where savvy businesses hire, manage, and pay an on-demand workforce of talented freelancers.

13/10/2013

ফ্রিল্যান্সিং ধারাবাহিক

অ্যাফিলিয়েশনের মাধ্যমে আয়
অনলাইনে আয়ের মাধ্যমগুলোর মধ্যে এক অনন্য ও বিশ্বস্ত নাম হচ্ছে অ্যাফিলিয়েশন। অনলাইন থেকে আয়ের বিভিন্ন ট্রেডের মধ্যে অন্যতমই বলব এটাকে। এখান থেকে আয়ের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা যে কোনো ব্যবসার ক্ষেত্রে সাধারণত বিভিন্ন ডিলার/পাইকারি ব্যবসায়ীকে দেখেছি যারা কোনো নির্দিষ্ট নামকরা কোম্পানির বিভিন্ন প্রোডাক্টস কমিশনের (% আকারে) ভিত্তিতে বিক্রি করে দেন। এইসব ব্যবসার ক্ষেত্রে বিক্রি করে দেয়ার শর্তে ডিলার/পাইকাররা কোম্পানি থেকে নির্দিষ্ট মাত্রায় (% হারে) কমিশন নিয়ে থাকে। যেমন ধরুন, স্যামসাং কোম্পানি তাদের মনিটর বিক্রি করবে। সেটা তারা নিজেরা সরাসরি বিক্রি করে না, বিভিন্ন পাইকারের মাধ্যমে বিক্রি করে। পাইকাররা এই মনিটর বিক্রি করে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন পেয়ে থাকেন। যে কোনো ব্যবসা এভাবেই ঘটে থাকে। ই-কমাসের্র এই যুগে সেটাই হয়ে থাকে অনলাইনে। আর ব্যবসার এই অনলাইন রূপটাকেই Affiliate বলে।
অ্যাফিলিয়েশন হচ্ছে এমনই একটি প্রোগ্রাম, যার মাধ্যমে কোনো ওয়েবসাইট যারা নিজের ওয়েবসাইটে কোনো কোম্পানির বিভিন্ন প্রোডাক্টস অ্যাডস হিসেবে ব্যবহারের মাধ্যমে ওই কোম্পানিকে বিভিন্ন প্রোডাক্টস অনলাইনে বিক্রি করে দেয়ার শর্তে কমিশন ভিত্তিতে কাজ করে থাকে। এই সাইট থেকে রেফারেল হয়ে যদি কোম্পানির প্রোডাক্টস কেউ কেনে তবে কোম্পানি তাদের দেয়া শর্ত অনুযায়ী তাকে কমিশন দিতে বাধ্য থাকে। আর এটাই হচ্ছে অ্যাফিলিয়েশন। বর্তমানে বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন কোম্পানির বিভিন্ন প্রোডাক্টস নিয়ে অ্যাফিলিয়েশন করতে দেখা যায়। যেমন : বিভিন্ন খেলার লাইভ ওয়াচ, মুভি লাইভ ওয়াচ, কলিং কার্ড, আরও বিভিন্ন নিত্যদিনের প্রোডাক্টস। এটাকে আমরা এমন প্রোগ্রাম বলতে পারি, যা দিয়ে পরোক্ষ মাধ্যমে ইন্টারনেটে বাজার পরিচালনা করা হয়। বর্তমানে ওয়েবসাইট অ্যাফিলিয়েশন ইন্টারনেট মার্কেটিংকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। সঙ্গে সঙ্গে উন্মুক্ত করে দিয়েছে অনলাইনে আয়ের বিশাল এক সম্ভাবনাকে।
ওয়েবসাইট অ্যাফিলিয়েশন সম্পর্কে আরও কিছু তথ্য
বিশ্বে ১৯৯০ সালের দিকে সর্বপ্রথম ওয়েবসাইট অ্যাফিলিয়েশন প্রোগ্রাম চালু হয়। এখানে অ্যাফিলিয়েশন প্রোগ্রামগুলোতে কোনো একটি কোম্পানি তার পণ্যের বিজ্ঞাপন লিংক বা ব্যানার আকারে অন্য একটি ওয়েবসাইটে অ্যাড হিসেবে দিয়ে থাকে। এই ব্যানার অ্যাডের মাধ্যমে ওই কোম্পানির পণ্যের যে পরিমাণ বিক্রি হয়, তার ভিত্তিতে কোম্পানি ওই ওয়েবসাইটকে তাদের নির্দিষ্ট হারে কমিশন দিয়ে থাকে। কিন্তু এই কমিশন অধিকাংশ ক্ষেত্রে ৭৫ শতাংশেরও বেশি হয়, যা আসলে খুবই ভালো একটা আয় হয়ে দাঁড়ায়। এটির মাধ্যমে অনেকে প্রতি মাসে এক লাখ টাকা থেকে আমার দেখা সর্বোচ্চ ৭ লাখ টাকাও আয় করছেন। প্রযুক্তি ও মার্কেট নিয়ে গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান ফরেস্টার রিসার্চের মতে, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে কার্যকর অনলাইন মার্কেটিং পদ্ধতি। তবে এটাও মানতে হবে যে, এখানে হিউজ আয়ের একটা সম্ভাবনা রয়েছে। অ্যাফিলিয়েশন বর্তমান সময়ে অনলাইন আয়ে বড় একটা পথ উন্মোচন করছে।
এখানে কিছু অ্যাফিলিয়েট সাইট আছে, যেখান থেকে আপনি তাদের অ্যাফিলিয়েট মেম্বার হিসেবে কাজ করতে পারবেন। আসুন দেখে নিই সাইটগুলো—
www.amazan.com, www.marketbay.com
www.clickbank.com, www.linkshare.com
www.plimus.com, www.sellhealth.com
আপনাকে এই পদ্ধতিতে আয় করতে হলে SEO, internet marketing ভালোভাবে জানতে হবে। আপনি যেই প্রোডাক্টসের অ্যঅফিলিয়েশন করছেন, কেউ যদি সেই প্রোডাক্টস গুগলে সার্চ দেয় এবং তখন যদি আপনার ওয়েবসাইট সার্চ ফলাফলে আগে দেখা যায়, তাহলে আপনার কাছ থেকে সেই প্রোডাক্টস বিক্রি হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যাবে। আর পণ্য বিক্রি হলে কমিশন পাবেন। সুতরাং বেশি বেশি পণ্য বিক্রি করার জন্য আপনার ওয়েবসাইটকে ঝঊঙ-এর মাধ্যমে গুগলের সার্চ ফলাফলের ওপরের দিকে আনতে হবে।

11/10/2013

ফ্রিল্যান্সিং ধারাবাহিক

It Solutions ‘বিজ্ঞান ও কম্পিউটার’ নিয়মিত ভাবে post হচ্ছে— অনলাইন আয়ের ১০০টি টিপস শীর্ষক টিউটোরিয়াল পর্ব।
(পর্ব ৩)
গুগল থেকে আয় করুন সারাজীবন
গুগলের ব্যাপক জনপ্রিয়তার কারণে সারা বিশ্ব থেকে হাজার-হাজার প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্য ও সেবা বিক্রি করার জন্য গুগল অ্যাডওয়ার্ডসের মাধ্যমে অনেক অর্থের বিনিময়ে বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে। এই বিজ্ঞাপনগুলোকে মানুষের খুব কাছে পাঠানোর জন্য গুগল যে পদ্ধতি অবলম্বন করে, সেই প্রোগ্রামের নামই হলো গুগল অ্যাডসেন্স। অ্যাডসেন্সের মাধ্যমে গুগল বিভিন্ন ওয়েবসাইট, ব্লগসাইট, ফোরাম, কমিউনিটি ইত্যাদি সাইটের মালিকদের অর্থ আয় করার সুযোগ করে দেয় কিছু সহজ শর্তের মাধ্যমে।
অ্যাডসেন্স হলো অনলাইনে আয়ের সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি। অ্যাডসেন্স হলো গুগলের একটি অ্যাডভার্টাইজিং প্রোগ্রাম। গুগল অ্যাডসেন্স যদিও বহুদিন আগে থেকেই সারা বিশ্বে একটি নির্ভরযোগ্য ও দীর্ঘমেয়াদি উপার্জনের পদ্ধতি হিসাবে স্বীকৃত, কিন্তু বাংলাদেশে বিষয়টি অনেকের কাছেই নতুন।
অ্যাডসেন্সের মাধ্যমে যে কোনো ধরনের ওয়েবসাইটের থেকে উপার্জন সম্ভব। শর্ত হচ্ছে, সেই সাইটকে জনপ্রিয় করতে হবে। সাইটে প্রচুর ভিজিটর ঢুকতে হবে, ভালো কনটেম্লটস থাকতে হবে। ভিজিটর একবার সাইটে প্রবেশ করে আবার প্রবেশ করার আগ্রহ থাকে—এ ধরনের কনটেম্লটস প্রতিনিয়ত আপডেট রাখতে হবে। সাইটে ভিজিটর প্রবেশ করানো এবং তাদের ধরে রাখতে পারলে ভিজিটরদের একটি অংশ স্বাভাবিকভাবেই গুগলের বিজ্ঞাপনে ক্লিক করবে। মনে রাখতে হবে, যত বেশি ভিজিটর আপনার সাইটে থাকবে তত আপনার উপার্জনের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে। হিসাব করে দেখা গেছে, প্রতিদিন গড়ে এক হাজার ভিজিটর সাইটে প্রবেশ করলে গড়ে ১০ শতাংশ ভিজিটর গুগল প্রদর্শিত বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে। এতে গড়ে প্রতিদিন ১০ ডলার উপার্জন হবে। অর্থাত্ মাসে ৩০০ ডলার বা ২০ হাজার টাকা উপার্জন করা সম্ভব।
তবে বেশি ইনকামের লোভে নিজেরা বসে বসে ক্লিক করলে নিজেরই সর্বনাশ হবে। গুগল PTC, Add Click, MLM-এর মতো বাটপার কোম্পানি নয়। Fake Click করলে গুগল তার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেবে। যেহেতু সাইটের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল রেখে গুগল বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে, সেহেতু ভিজিটর যদি সাইটের contents দেখার পাশাপাশি গুগলের অ্যাডে ক্লিক করে, ওই বিজ্ঞাপনদাতার সাইটে স্বাভাবিকভাবে প্রবেশ করে (এক্ষেত্রে ভিজিটর কিন্তু ঋধশব ক্লিক করেনি, বরং তার নিজস্ব আগ্রহে ওই বিজ্ঞাপনদাতার সাইটে প্রবেশ করেছে) তবেই হবে সত্যিকারের ক্লিক। এ ধরনের স্বাভাবিক ক্লিক করলেই আপনার উপার্জন হবে। গুগল তার অ্যাডসেন্স প্রোগ্রামের জন্য এমন টেকনোলজি ব্যবহার করেছে যে, কেউ Fake ক্লিক করলে তা ধরে ফেলতে সক্ষম। অতএব এ ধরনের অসাধু চিন্তা মাথা থেকে ঝেরে ফেলতে হবে।
মনে রাখতে হবে, অ্যাডসেন্স একটি দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসা। এর পুঁজি হচ্ছে, আপনার ব্লগিং পরিকল্পনা ও সঠিকভাবে তার ব্যবহার। গুগল অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট পেতে হলে আপনার একটি ইমেইল, ওয়েবসাইট/ব্লগ থাকতে হবে। তারপর আপনাকে অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট করতে হবে। গুগল আপনার সাইট দেখে পছন্দ হলে আপনাকে গ্রহণ করবে। তাই আপনাকে খুব সুন্দর ও তথ্যবহুল সাইট করে রিকোয়েস্ট করতে হবে। পরিশ্রম করে একটা ভালো মানের ব্লগ সাইট তৈরি করতে পারলে, পর্যাপ্ত ভিজিটর সাইটে প্রবেশ করাতে পারলে, মাসে হাজার ডলার উপার্জন করা সম্ভব—এটা কল্পনা নয়, বাস্তব।
যারা অ্যাডসেন্স ব্যবহার করে দীর্ঘমেয়াদি উপার্জন করতে চান তাদের জন্য নিচে কিছু গাইডলাইন প্রদত্ত হলো—
১. যে ধরনের ব্লগিং সাইট করতে চান, তা ভেবেচিন্তে নির্বাচন করুন, অর্থাত্ যেসব সাইটে ভিজিটর বেশি প্রবেশ করে সে ধরনের সাইট তৈরি করুন।
২. সাধারণত শিক্ষামূলক (কম্পিউটারের বিভিন্ন বিষয়সহ অন্যান্য শিক্ষা), সাধারণ জ্ঞান, খেলাধুলা, স্বাস্থ্যসম্পর্কিত, ফিটনেস টিপস্, ইত্যাদি বিষয়ের সাইটে ভিজিটর বেশি হয়ে থাকে। এ ধরনের ভালো মানের সাইটকে ফলো করে আপনিও অনুরূপ ব্লগিং সাইট তৈরি করতে পারেন।
৩. প্রথমেই টাকা উপার্জনের চিন্তা মাথায় না এনে যথেষ্ট সময় নিয়ে সাইটকে সমৃদ্ধ করতে চেষ্টা করুন।
৪. কখনোই কোনো সাইটের উপাদান কপি করে আপনার সাইটে পোস্ট করবেন না। অবশ্য ভালো কোন ব্লগিং সাইটকে অনুকরণ করে নুতন আর্টিকেল, টিউটোরিয়াল, টিপস্ ইত্যাদি পোস্ট করতে পারেন।
৫. সাইট পরিপূর্ণভাবে তৈরি হলে ভিজিটর বাড়ানোর জন্য মনোযোগী হন। এক্ষেত্রে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইওর প্রাথমিক বিষয়গুলো প্রয়োগ করুন। (ব্যাকলিংক তৈরি, ফোরামে পোস্ট, বুকমার্কিং ইত্যাদি)
৬. সবশেষে অ্যাডসেন্সের জন্য আবেদন করুন।
৭. বাংলা ব্লগে খুব সহজে অ্যাডসেন্স সুবিধা পাবেন না, সেক্ষেত্রে ইংরেজি হলে ভালো হবে।
অ্যাডসেন্স করতে www.google.com/adsense এখানে যাবেন।

balo lagle like diven

08/10/2013

মোট ৬ ধরণের প্যাকেজ আনছে গ্রামীনফোন !!!

*** Speed : 512 kbps

Plan-1 : 1 GB @460 tk with VAT
Plan-2 : Heavy Internet Browsing @1092.5 tk with VAT
Plan-3 : Smart Plan Heavy @920 tk with VAT

*** Speed : 1 mbps

Plan-1 : 1 GB @805 tk with VAT
Plan-2 : Heavy Internet Browsing @1437.5 tk with VAT
Plan-3 : Smart Plan Heavy @1265 tk with VAT

*** Network বর্তমানে শুধুমাত্র Bashundhara, Baridhara, Banani and Gulshan এলাকায় আছে ।

বিস্তারিত জানতে আমাদের সাথেই থাকুন।

07/10/2013

অনেকের অনেকের হয়তো মাথায় ঘুরপাক
খাচ্ছে 3G, 3.5g, 3.9G এসব কি,
আসলে আমাদের দেশে 2G থেকে 3G প্রথম
তো তাই ঘুরপাক খাওয়া স্বাভাবিক
তবে জেনে অবাক হবেন পৃথিবীর
কয়েকটি দেশে ইতি মধ্য 4G বা LTE চালু
হয়ে গিয়েছে, যাহোক 2G, 3G, 4G, LTE
প্রযুক্তি ও এর গতিসীমা নিয়ে কিছু তথ্য
আপনাদের সামনে তুলে ধরা হল ।
3g :
► 2G = GSM (Global System for
Mobile) গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল
► 2.5G = GPRS (General Packet Radio
Service) জেনারেল প্যাকেট রেডিও সার্ভিস
* জিপিআরএস প্রতি সেকেন্ডে 56-114 kbit
ডাটা প্রদান করতে সক্ষম
► 2.75G = EDGE (Enhanced Data Rate
for GSM Evolution) উন্নত ডাটা রেট GSM
বিবর্তনের জন্য
EDGE : প্রতি সেকেন্ডে 400kbit পর্যন্ত
ডাটা প্রদান করতে সক্ষম ।
► 3G = (Third Generation) তৃতীয়
প্রজন্মের ইন্টারনেট সেবা ।
যা WCDMA-(UMTS) প্রযুক্তির
মাধ্যমে পরিচালনা করা হয়,
WCDMA = (Wideband Code Division
Multiple Access) ওয়াইডব্যান্ড কোড
ডিভিশন মাল্টিপল অ্যাকসেস
* যার গতি EDGE চেয়ে বেশী
► 3.5G
HSDPA (High Speed Downlink Packet
Access) হাই স্পিড ডাউনলিংক প্যাকেট
অ্যাক্সেস ,
HSDPA এর মাধ্যমে প্রতি সেকেন্ডে 7.2 Mbit
ডাটা পাওয়া সম্ভব
HSUPA (High Speed Uplink Packet
Access) হাই স্পিড আপলিংক প্যাকেট
এক্সেস
HSUPA প্রতি সেকেন্ডে 5.8 mbit আপলোড
স্পীড পাওয়া যায় ।
► 3.75G
HSPA (High Speed Packet Access) হাই
স্পিড প্যাকেট এক্সেস
HSPA
প্রযুক্তিতে প্রতি সেকেন্ডে 21থেকে 28
mbit স্পিড পাওয়া সম্ভব
Lte :
► 3.8G, 3.85G, 3.9G (Pre-4G)
HSPA+ (Evolved High Speed Packet
Access) প্রসূত হাই স্পিড প্যাকেট এক্সেস
HSPA+ প্রযুক্তিতে প্রতি সেকেন্ডে 168mbit
পর্যন্ত স্পিড পাওয়া সম্ভব ।
► 4G = (Fourth Generation) চতুর্থ
প্রজন্ম
LTE (Long Term Evolution) দীর্ঘ
মেয়াদী বিবর্তন
LTE প্রযুক্তিতে প্রতি সেকেন্ডে 299.6 Mbit
পর্যন্ত গতি পাওয়া সম্ভব .
আপনি যদি 3G নেটওয়ার্ক এলাকায় অবস্থান
করেন তবে আপনার মোবাইলে 3g
লেখা দেখাবে,
আপনি যদি 3.5g বা 3.75G নেটওয়ার্ক
এলাকায়
অবস্থান করেন তবে আপনার মোবাইলে H
লেখা দেখাবে, আর আপনি যদি 3.8G বা 3.9G
নেটওয়ার্ক এলাকায় অবস্থান করেন
তবে আপনার
মোবাইলে H+ লেখা দেখাবে!

Address

Chittagong
Chittagong
4314

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when It Solutions posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share