Web Office

Web Office Get 360° IT � Based Solution.

We provide content to through your mind for grow your IT Carrie.*Web Design and Development.*Digital Marketing.*Graphic Design.*Freelancing Instruct.*Information Technology and All kind of Teck World Updateds.

 # **একজন ওয়েব ডিজাইনার কী ধরনের কাজ করেন?**প্রতিষ্ঠান অনুযায়ী ওয়েব ডিজাইনারের কাজ আলাদা হয়ে থাকে। এছাড়া ওয়েবসাইট ও অ্যা...
07/08/2022

# **একজন ওয়েব ডিজাইনার কী ধরনের কাজ করেন?**

প্রতিষ্ঠান অনুযায়ী ওয়েব ডিজাইনারের কাজ আলাদা হয়ে থাকে। এছাড়া ওয়েবসাইট ও অ্যাপ্লিকেশনের ধরনও একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্ণায়ক।

সাধারণত যে ধরনের কাজ ওয়েব ডিজাইনরা করে থাকেন, তার মধ্যে রয়েছে –

ক্লায়েন্টের চাহিদাগুলো সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা নেয়া ও পুরো কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ ব্যাপারে যোগাযোগ রাখা;

ওয়েবপেইজ/ওয়েবসাইট/অ্যাপ্লিকেশনের প্রাথমিক লেআউট তৈরি করা;

প্রজেক্টের জন্য গ্রাফিক্স, অ্যানিমেশন কিংবা ডিজিটাল ফটোগ্রাফি ডিজাইন করা;

ক্লায়েন্টের কাছে প্রাথমিক ডিজাইন উপস্থাপন করা;

প্রয়োজনীয় কোড লেখা;

দরকার হলে কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম নিয়ে কাজ করা;

প্রজেক্ট বা প্রতিষ্ঠানের সাথে ওয়েবসাইট/অ্যাপ্লিকেশনের ডিজাইনের সামঞ্জস্য বজায় রাখা;

ওয়েবপেইজ/অ্যাপ্লিকেশনের বিভিন্ন কন্টেন্ট এডিট করা ও বারবার এর কার্যকারিতা যাচাই করা;

কাজ শেষ হবার পর ক্লায়েন্টের কাছে প্রজেক্ট হস্তান্তর করা;

প্রয়োজন হলে পরবর্তীতে ক্লায়েন্টকে টেকনিক্যাল সহায়তা দেয়া।

**কী ধরনের যোগ্যতা থাকতে হয় একজন ওয়েব ডিজাইনারের?**

ওয়েব ডিজাইনে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার চেয়েও কাজের দক্ষতা ও জ্ঞান থাকা জরুরি। এরপরও নিচের বিষয়গুলোতে ডিগ্রি থাকলে প্রাথমিক পর্যায়ে আপনার যোগ্যতা নিয়ে একজন চাকরিদাতা ভালো ধারণা পেতে পারেন –
> কম্পিউটার সায়েন্স;
> ওয়েব ডিজাইন;
> গ্রাফিক ডিজাইন;
> মাল্টিমিডিয়া ডিজাইন;
> ডিজিটাল মিডিয়া প্রোডাকশন;
> ইনফরমেশন টেকনোলজি;
> সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং।

প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতা থাকুক বা না থাকুক, কাজের পোর্টফোলিও থাকলে একজন ওয়েব ডিজাইনারের গ্রহণযোগ্যতা অনেক বেড়ে যায়। আপনি যদি বিভিন্ন ছোট কোর্সের মাধ্যমে বা নিজে নিজে ওয়েব ডিজাইনের কাজ শেখেন, তাহলে আপনার জন্য পোর্টফোলিও থাকা খুব গুরুত্বপূর্ণ। অবশ্য ডিগ্রিধারী ডিজাইনারদের ক্ষেত্রেও একই ব্যাপার প্রযোজ্য।

**একজন ওয়েব ডিজাইনারের কোন কোন দক্ষতা ও জ্ঞান থাকতে হয়?**

প্রজেক্টের উপর টেকনিক্যাল জ্ঞানের ধরন নির্ভর করে। এরপরও সাধারণ উদাহরণ হিসাবে নিচের স্কিলগুলোর কথা বলা যায় –

কোডিং: HTML, CSS, JavaScript, jQuery, Dreamweaver

ডিজাইন ও গ্রাফিক্স: Photoshop, Illustrator, InDesign

কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম: WordPress, Drupal, Joomla

 # ই-কমার্স ওয়েবসাইট-ঘরে বসে ব্যবসা।**একজন ই-কমার্স বা যেকোন ব্যবসায়ীর জন্য ওয়েবসাইট কতটা জরুরী?**আপনার ব্যবসাকে সহজে সব...
30/06/2022

# ই-কমার্স ওয়েবসাইট-ঘরে বসে ব্যবসা।

**একজন ই-কমার্স বা যেকোন ব্যবসায়ীর জন্য ওয়েবসাইট কতটা জরুরী?**

আপনার ব্যবসাকে সহজে সবার কাছে পৌছে দেওয়ার সহজ মাধ্যম হচ্ছে ওয়েবসাইট। আপনার পন্যের বা সার্ভিসের বিস্তারিত খুব সহজেই আপনি অন্যের কাছে তুলে ধরতে পারবেন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে। আপনার ব্যবসার পরিধি প্রসারন এবং ব্যবসার উন্নতিতে ওয়েবসাইট এর গুরুক্ত অবর্ননীয়।

**ব্যবসায়ীদের ওয়েবসাইট খোলার কিছু কারনঃ**

**আপনার পন্যের বা সার্ভিসের বিজ্ঞাপনের সহজ মাধ্যম ওয়েবসাইট। আপনি খুব সহজে আপনার পন্যের বা সার্ভিসের বিস্তারিত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তুলে ধরতে পারবেন। এর মাধমে খুব সহজেই আপনার পন্য বা সার্ভিস সম্পর্কে মানুষ অবহিত হবে।

**আপনার ওয়েবসাইট হবে আপনার পন্য বা সার্ভিস বেচাকেনা এবং যোগাযোগের সহজ মাধ্যম। এখান থেকেই আপনি কাস্টমারের মতামতও নিতে পারবেন।

**এখন ইন্টারনেটের যুগ। মানুষ ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিশ্বকে জয় করেছে। একটি ওয়েবসাইট বানিয়ে আপনি খুব সহজেই ইন্টারনেটের মাধ্যমে তা ছড়িয়ে দিতে পারেন বিশ্বব্যাপী।

**ওয়েরসাইটের মাধ্যমে আপনার পন্যের ছবি এবং মূল্য প্রকাশ করতে পারেন। এই ক্ষেত্রে কাস্টমার আপনার পন্য এবং পন্যের দাম সম্পর্কে অবগত থাকবে।

**ব্যবসা ছোট পরিসরে অথবা বড় পরিসরে যেভাবেই শুরু করেন না কেন, আপনার ব্যবসায়ের জন্য ওয়েবসাইট অপরিহার্য। আপনার ব্যবসাকে একটি আদর্শ রূপ দিতে এবং একটি ব্যান্ডে পরিনত করতে ওয়েবসাইট খুবই গুরুক্তপূর্ন।

ই-কমার্স ওয়েবসাইট বানাতে সাধারন কিছু প্রশ্ন থেকে থেকেই যায়। যেমনঃ-

১) ই-কমার্স ওয়েবসাইট বানাতে কি কি লাগে?
২) কতটুকু কম্পিউটারে দক্ষ হতে হবে?
৩) কেমন খরচ হতে পারে খরচ?

**ই-কমার্স ওয়েবসাইট বানাতে কি কি লাগেঃ
**১। ডোমেইন
২। ওয়েব হোস্টিং
৩। প্ল্যাটফর্ম (কাস্টম ডিজাইন অথবা সিএমএস)
৪। অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে
৫। ওয়েবসাইট এর নিরাপত্তা

**ডোমেইন ও হোস্টিংঃ**

আপনার একটি ব্যবসা, অর্গানাইজেশন, ব্যক্তিগত, নিউজ পোর্টাল বা অন্য কোন সার্ভিস এর জন্য একটি ওয়েবসাইট বানাতে হলে প্রথমে আপনার একটি ডোমেইন প্রয়োজন হবে। ডোমেইন টি হোস্ট করার জন্য একটি ভাল মানের হোষ্টিং প্রয়োজন হবে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মত আমাদের দেশেও এখন ভাল মানের অনেক ডোমেইন হোস্টিং কোম্পানি আছে। এই সব কোম্পানি বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে ভাল সার্ভিস প্রদান করছে। তবে আপনাকে ভাল মানের ডোমেইন হোস্টিং যাচাই বাচাই করে ভাল মানের কোম্পানি থেকে আপনার ডোমেইন ও হোস্টিং কিনতে হবে। ভাল মানের কোম্পানি থেকে ডোমেইন হোস্টিং না কিনলে আপনি নানা রকম সমস্যার সন্মুখীন হতে পারেন।

**আসুন প্রথমে জানি ডোমেইন কি?**

আপনি একটি ওয়েবসাইট বানাতে চাইলে ইন্টারনেটে আপনাকে একটি এড্রেস বা ডোমেইন কিনতে হবে। ডোমেইন একটা নাম যা আপনার ওয়েবসাইট কে আইডেন্টিফাই করে। ডোমেইন নেম মানুষের নামের মতই। একটি মানুষের নাম তার পরিচয় বহন করে, তেমনি একটা ডোমেইন নেম একটা ওয়েবসাইট এর পরিচয় বহন করে। পার্থক্য হল একটি নাম একাধিক মানুষের হতে পারে, তবে ডোমেইন নেম ইউনিক, একটি ডোমেইন পৃথিবীতে দ্বিতীয়টি নেই। ডোমেইন হচ্ছে একটি ওয়েবসাইট এড্রেস যার মাধ্যমে বাবহারকারীরা আপনার ওয়েবসাইট টি খুজে পাই। যেমন, skilluper.com , arhostbd.com ইত্যাদি।

**ডোমেইন কেনার আগে যে ব্যাপার গুলো খেয়াল করা উচিতঃ**

**কোন ধরনের ওয়েবসাইট বানাবেন সেটা আগে নিশ্চিত হতে হবে। তবে বাংলাদেশের মানুষ .COM ডোমেইন সবচেয়ে পছন্দ করে। তাই ডোমেইন কেনার ক্ষেত্রে .COM আগে বিবেচনায় রাখা উচিৎ তারপর অন্যগুলো।

**প্রোভাইডের কাছ থেকে ডোমেইন কেনার আগে জেনে নিবেন কন্টোল প্যানেল দিবে কিনা। না দিলে তার কাছ থেকে নিবেন না।

**ডোমেইন নেম সহজে মনে থাকে এবং অল্প অক্ষরের হয় সেই দিকে খেয়াল রাখবেন। ডোমেইন নেম সুন্দর না হলে মানুষ মনে রাখবেনা, তাই উদ্ভট ডোমেইন নেম পরিহায্য।

**কোন প্রতিষ্ঠিত কোম্পানী বা ইন্টারন্যাশনাল ব্যান্ডের কোম্পানির সাথে ওয়েবসাইটের সাথে আপনার ডোমেইন না মিলে সেইদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

**লোভনীয় অফারে ডোমেইন কেনার আগে অফার সম্পর্কে ভালভাবে বিস্তারিত জেনে নিবেন।

**এবার জানি হোস্টিং কি?**

কোন তথ্যকে অন্যের কাছে তুলে ধরার সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সহজ মাধ্যম হচ্ছে ওয়েবসাইট। আপনার ওয়েবসাইট সম্পর্কে বিস্তারিত ভিজিটরকে জানাতে হলে, ওয়েবসাইট সম্পর্কে বিস্তারিত লিখতে হবে, প্রয়োজনীয় ছবি আপলোড করতে হবে, প্রয়োজনে ভিডিও আপলোড করতে হবে। এই তথ্য গুলো আপলোড করার জন্য একটি নিদিষ্ট জায়গার প্রযোজন হয়, এই জায়গার নামই হল হোষ্টিং।

**হোস্টিং কেনার আগে যে ব্যাপার গুলো মনে রাখা উচিতঃ**

**প্রথমে খেয়াল করবেন যে কোম্পানী থেকে হোস্টিং কিনবেন সেই কোম্পানী মার্কেটে নতুন কিনা। তাদের সামগ্রিক অবস্থা কেমন। তাদের কাস্টমারদের রিভিউ দেখবেন।

** হোস্টিং এর প্যাকেজ গুলো ভাল্ভাবে দেখে নিন।

** হোস্টিং রিনিউ খরচ কত সেটা ভাল্ভাবে জেনে নিবেন।

**ওয়েবসাইট বানানোর পূর্বে আপনার হোস্টিং এর বাজেট করতে হবে। আপনার ওয়েবসাইট এর জন্য কতটুকু স্পেস দরকার, প্রতিমাসে কেমন ট্রাফিক থাকবে মানে কতটুকু ব্যান্ডউইথ দরকার এই গুলো হিসেব করে আপনার হোস্টিং বাজেট করতে হবে।

**হোস্টিং কেনার ক্ষেত্রে অবশ্যই আপটাইম দেখে নিতে হবে। কারন আপনার সাইট কত সময় লাইফ থাকবে তা আপটাইমের উপর নির্ভর করে। হোস্টিং এর ক্ষেত্রে আপটাইম খুবই গুরুক্তপূর্ন ব্যাপার।

**ভাল সাপোর্ট দেখে হোস্টিং নিবেন। ২৪/৭ সাপোর্ট দেই এমন কোম্পানী থেকে হোস্টিং নেওয়ার চেষ্টা করবেন।

**আপনার লিনাক্স বা উইন্ডোজ কোন ধরনের হোস্টিং লাগবে সেটা বুঝে নিবেন।

**মানি ব্যাক গ্যারান্টি দিবে কিনা ভালভাবে জেনে নিবেন। অনেক কোম্পানী ৩০ দিনের মানি ব্যাক গ্যারান্টি দেয়।

**সার্ভারের ওভারলোড এমন কোন কোম্পানী থেকে হোস্টিং নিবেন না। এতে আপনার ওয়বসাইট লোড হতে বেশি সময় লাগবে।

** ওয়েবসাইট এর সর্বাধিক নিরাপত্তা দিবে এমন কোম্পানি থেকে কিনবেন।

**প্ল্যাটফর্মঃ
**আপনি কেমন ওয়েবসাইট বানাতে চান তার উপর নির্ভর করে আপনার ওয়েবসাইট কোন প্লাটফর্মে বানাতে হবে। সিএমএস এ টেম্পলেট প্রি বিল্ড থাকে। এখান থেকে পছন্দনীয় টেম্পলেট দিয়ে সিএমএস ওয়েবসাইট বানানো হয়। আর যদি নিজের পছন্দ মত টেম্পলেট বানিয়ে ওয়েবসাইট বানান তাইলে কাস্টম ডিজাইন করতে হবে।

**অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়েঃ
**যদি ক্যাশঅন ডেলিভারি দেন তাহলে অনলাইন পেমেন্ট দরকার নেই। তবে অনলাইন পেমেন্ট নিতে হলে অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে নিতে হবে। কিছু কোম্পানি অনলাইন পেমেন্ট মেথড গেটওয়ে প্রদান করে। যেমনঃ easypayway.com, sslcommerz.com.bd, shurjopay.com

**কতটুকু কম্পিউটারে দক্ষ হতে হবেঃ
**ওয়েবসাইট মেইন্টেন এর জন্য আপনাকে কম্পিউটারে খুব বেশি অভিজ্ঞ হওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে কম্পিউটার ও ইন্টারনেটের বেসিক ব্যবহার জানতে হবে। তাছাড়া অনেক ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি আপনাকে স্বল্প পরিসরে ওয়েবসাইট মেইন্টেন প্রশিক্ষন দিবে।

**কেমন খরচ হতে পারে খরচঃ
**ওয়েবসাইট বানানোর খরচ নির্ভর করে আপনি কেমন ওয়েবসাইট বানাতে চান, অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে রাখতে চান কিনা, হোস্টিং স্পেস কতটুকু লাগবে ইত্যাদি বিষয়ের উপর নির্ভর করে। ডোমেইন প্রতিবছর ৯০০-১০০০ টাকা, হোস্টিং ২০০০ টাকা থেকে শুরু(আপনার স্পেস কত টুকু লাগবে এর উপর নির্ভরশীল) হোস্টিং শুরুতে কম লাগলেও পরে যখন প্রডাক্ট এড হবে আস্তে আস্তে বাড়তে থাকবে, ওয়েবসাইট ২০০০০ টাকা থেকে শুরু (আপনার কেমন ওয়েবসাইট চান তার ওপর নির্ভরশীল), অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে ৮০০০-২০০০০ টাকা।

ফ্রন্ট-এন্ড ডেভেলপারদের জন্য প্রয়োজনীয় লিঙ্কযারা ফ্রন্ট-এন্ড ডেভেলপমেন্ট নিয়ে কাজ করেন, তাদের জন্য কিছু প্রয়োজনীয় ওয়েবসা...
29/06/2022

ফ্রন্ট-এন্ড ডেভেলপারদের জন্য প্রয়োজনীয় লিঙ্ক
যারা ফ্রন্ট-এন্ড ডেভেলপমেন্ট নিয়ে কাজ করেন, তাদের জন্য কিছু প্রয়োজনীয় ওয়েবসাইট লিঙ্ক। যেগুলো কাজ করার সময় সবসময় লাগে। আশাকরি সবার উপকার হবে। এই পোস্ট নিয়মিত আপডেট করা হবে। আপনার প্রয়োজনে বুকমার্ক করে রাখতে পারেন।
সিএসএস ফ্রেমওয়ার্ক
Bootstrap 5 - https://getbootstrap.com/
Foundation - https://get.foundation/
Bulma - https://bulma.io/
Reflexgrid - https://reflexgrid.com/
আইকন
ওয়েবসাইট ডিজাইন করার সময় আমাদের বিভিন্নরকম আইকন ব্যবহার করতে হয়। যেগুলা ওয়েবসাইট এর সৌন্দর্য আরও বৃদ্ধি করে। এখানে জনপ্রিয় কিছু আইকন ওয়েবসাইটের লিঙ্ক দেওয়া হল। আপনি আপনার ডিজাইনের চাহিদা মত আইকন ব্যবহার করতে পারেন।
Font Awesome - https://fontawesome.com/
Line Awesome - https://icons8.com/line-awesome
Icon Finder - https://www.iconfinder.com
Material Icon - https://fonts.google.com/icons?selected=Material+Icons
ফন্টস
যেকোনো ওয়েবসাইট ডিজাইনের একটু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ভালো একটি ফন্ট পছন্দ করা। আপনার ফন্ট যত সুন্দর হবে, সাইটের সৌন্দর্য আরও বৃদ্ধি পাবে। ফ্রী ফন্টের মধ্যে অন্যতম ফন্ট হচ্ছে গুগলের নিজস্ব ফন্ট। যদি এর মধ্যে আপনি আপনার পছন্দ মত ফন্ট খুঁজে না পান তাহলে কাস্টম ফন্টের জন্য অন্যান্য সাইট ব্যবহার করতে পারেন।
Google Fonts - https://fonts.google.com
Custom Fonts - https://www.dafont.com/
ফ্রি ছবি
ডিজাইনের প্রয়োজনে প্রচুর ছবি ব্যবহার করতে হয়। আপনি যদি সরাসরি গুগল থেকে ডাউনলোড করেন তাহলে কপিরাইট এর সমস্যা হতে পারে। আবার মনমত ছবি নাও পেতে পারেন। আবার ছবি পছন্দ হলে দেখা গেল অনেক বড় সাইজ। এইরকম অনেক সমস্যা। এর জন্য ছবির বিভিন্ন ওয়েবসাইট আছে যেখান থেকে আপনি ফ্রী ছবি ডাউনলোড করতে পারবেন ইচ্ছা মত আর কোন কপিরাইট এর ঝামেলা নেই।
Unsplash - https://unsplash.com
Pexels - https://www.pexels.com
কোড ভ্যালিদেশন
কোড শুধু লিখলেই হয় না। কোডটা প্রোপারলি ভ্যালিড হতে হয়। নাহলে সকল ব্রাউজারে সাপোর্ট করবে না। এছাড়া এর সমস্যা হয়। কোড অনেক বড় হয়ে গেলে ম্যানুয়ালি চেক করা অনেক ঝামেলার। এইজন্য বিভিন্ন ওয়েবসাইট আছে যেখানে আপনার কোড আপলোড করে দেখতে পারেন কোড ভ্যালিড কি না। কোডের কোন জায়গায় সমস্যা, কি কি ঠিক করতে হবে সব বলে দিবে।
HTML - https://validator.w3.org
CSS - https://jigsaw.w3.org/css-validator
কোড ফরম্যাট
আমরা অনেক সময় কোড এলোমেলো ভাবে লিখি। যদিও কাজ ঠিকই করে। একজন ভালো কোডারের একটা অন্যতম গুণ হচ্ছে সুন্দর করে কোড লিখা। ইচ্ছা সত্ত্বেও অনেক সময় কোড এলোমেলো হয়ে যায়। কোড যদি খুব বেশি হয় তাহলে একটা একটা করে ঠিক করা অনেক ঝামেলার। এই কারনে বিভিন্ন ওয়েবসাইট আছে যেখানে আপনি কোড ফরম্যাট ঠিক করতে পারবেন।
HTML - https://www.freeformatter.com/html-formatter.html**
CSS - https://www.freeformatter.com/css-beautifier.html
JS - https://www.freeformatter.com/javascript-beautifier.html
রেস্পন্সিভ / মোবাইল ফ্রেন্ডলি চেক
বর্তমানে ওয়েব সাইটের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল সকল প্রকার ডিভাইসে যাতে ভালোভাবে দেখা যায়। বিভিন্নরকম মোবাইল, ট্যাবলেট, ল্যাপটপ বা বিভিন্ন সাইজের মনিটর আছে। ডিজাইন এমনভাবে করতে হবে যাতে সব ডিভাইস থেকে ভালোকরে দেখা যায়। সমস্যা হল এতোগুলা ডিভাইস সবার কাছে থাকা সম্ভব না। এই জন্য বিভিন্ন ওয়েবসাইট আছে যেখানে আপনি আপনার ওয়েবসাইট বিভিন্ন ডিভাইস কিরকম দেখাবে, তা সহজেই দেখতে পারবেন।
Google - https://search.google.com/test/mobile-friendly
Responsive Checker - https://www.responsivedesignchecker.com
ওয়েবসাইট স্পীড
ওয়েবসাইটের স্পীড খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যেহেতু ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীদের একটা বড় অংশ মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন। এই জন্য ওয়েবসাইটের স্পীড যত দ্রুত হয় , তাহলে মোবাইল ফোন থেকে ওয়েবসাইট লোড হতে কম সময় আর কম ডাটা প্রয়োজন হয়। ওয়েবসাইট স্পীড পরীক্ষা করার জন্য কিছু ওয়েবসাইট আছে
Google - https://developers.google.com/speed/pagespeed/insights
Tools Pingdom - https://tools.pingdom.com
Gtmetrix - https://gtmetrix.com/
Favicon Generator
https://realfavicongenerator.net/
https://www.favicon-generator.org/
https://favicon.io/
Deployment
GitHub Pages - https://pages.github.com
Netlify - https://www.netlify.com/
Vercel - https://vercel.com/
Surge - https://surge.sh/
Others
Shape Divider - https://www.shapedivider.app/
Carbon - https://carbon.now.sh/
Wappalyzer https://www.wappalyzer.com/

21/06/2022

it's an helpful organization

Enterprise Centre for Larne and Ballyclare
Supporting People, Businesses and Communities
Established for 40 Years
Workspace Solutions
Free Business Support
Conferencing Facilties

ইউটিউব মার্কেটিং কি? কিভাবে করবেন ইউটিউব মার্কেটিং?অনলাইন মার্কেটিং জগতের ধারণা পাল্টে দিয়েছে ইউটিউব। কয়েক বছর আগে যদি ব...
15/06/2022

ইউটিউব মার্কেটিং কি? কিভাবে করবেন ইউটিউব মার্কেটিং?
অনলাইন মার্কেটিং জগতের ধারণা পাল্টে দিয়েছে ইউটিউব। কয়েক বছর আগে যদি বলা হতো টিভিতে বিজ্ঞাপনই পণ্য প্রচারের অন্যতম সেরা মাধ্যম তখন তা বিশ্বাসযোগ্য ছিল। বর্তমান ডিজিটাল দুনিয়াতে মার্কেটিং এর জন্য ইউটিউব বরং অন্যসব মাধ্যমকে পেছনে ফেলে দিয়েছে। তাই এই সময়ে ইউটিউব মার্কেটিং ব্যবসা প্রচার ও প্রসারের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
পূর্বের মার্কেটিং ধারণায় গ্রাহকের ফিডব্যাক পাওয়ার ব্যাপার ছিলো খুবই সময় সাপেক্ষ। কিন্ত ইউটিউব মার্কেটিং এর ফলাফল খুবই কম সময়ে পা্ওয়া যায়। গ্রাহকের সাথে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করেছে ইউটিউব মার্কেটিং। ইউটিউব মার্কেটিং এর মাধ্যমে যে কেউ চাইলেই কিছু সঠিক নিয়ম অনুসরণের মাধ্যমে তার ব্যবসা বা পণ্যের মার্কেটিং করতে পারে।
ইউটিউব মার্কেটিং কি?
সাধারণত মার্কেটিং হলো কোন পণ্যের প্রচারণা। ইন্টারনেট তথা অনলাইনে যে মার্কেটিং করা হয় তা ডিজিটাল মার্কেটিং নামে পরিচিত। আর ডিজিটাল মার্কেটিং এর অন্যতম শাখা হলো ইউটিউব মার্কেটিং।
অতএব এ কথা বলা যায় যে, ইউটিউব চ্যানেল এ ভিডিও আপলোড এর মাধ্যমে কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পণ্য অথবা সেবার প্রচারণা করার নামই হলো ইউটিউব মার্কেটিং।
এটি দুই ধরণের হতে পারে। নিজে পণ্য বা সেবা সম্পর্কে ভিডিও তৈরি করে আপলোড দিয়ে প্রচার করা অথবা অন্য কারো দ্বারা টাকার বিনিময়ে চাহিদা মাফিক প্রচারণা করানো। সরাসরি ইউটিউব এ টাকা প্রদানের মাধ্যমে ইউটিউব মার্কেটিং করা যায়।
কিভাবে করবেন ইউটিউব মার্কেটিং?
এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, ইউটিউব মার্কেটিং কি জানা হয়ে গেলেও কিভাবে করবেন ইউটিউব মার্কেটিং তার ব্যাপারে সঠিক ধারণা না থাকলে ইউটিউব মার্কেটিং করা সম্ভব হবে না। ইউটিউব মার্কেটিং করার জন্য আপনাকে কতগুলো ধাপ পার হতে হবে। আর তা হলো,
নিজের ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করুন
ইউটিউব গুগলের একটি প্রতিষ্ঠান। তাই প্রথমে একটি গুগল অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। যা আমাদের কাছে জিমেইল অ্যাকাউন্ট নামে পরিচিত। এই জিমেইল অ্যাকাউন্ট দিয়ে আপনি সরাসরি ইউটিউব এ সাইন ইন করতে পারবেন। আপনার ব্যবসার ধরণ অনুযায়ী আপনার জিমেইল অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে পারেন।
আপনার ইউটিউব চ্যানেলটি সেটাপ করুন-
গুগল অ্যাকাউন্ট এ সাইন ইন করার পর আপনি ইউটিউব এ আপনার ব্র্যান্ড অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে পারেন। ব্র্যান্ড অ্যাকাউন্ট এর মাধ্যমে আপনি চাইলে পরবর্তীতে চ্যানেলের ইউজার নেম, ব্র্যান্ড নেম ইত্যাদি এডিট করতে পারবেন।
অতপর মাই চ্যানেল অপশনে ক্লিক করুন। তারপর আপনার পছন্দমত বা প্রয়োজনমত নাম দিয়ে ক্রিয়েট চ্যানেল এ ক্লিক করুন। তখন আপনি ব্র্যান্ড অ্যাকাউন্ট করার অনুমতি পাবেন। এরপর আপনি ব্র্যান্ড নেম দিয়ে অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন।
তারপর আপনার ব্র্যান্ড অ্যাকাউন্টকে আপনার ব্যবসার ধরণ মতো করে সাজাতে পারেন। আপনি চ্যানেল আইকন ও চ্যানেল আর্ট এর মাধ্যমে আপনার ব্র্যান্ড সম্পর্কে ধারণা দিতে পারবেন। যাতে অন্য ইউজাররা আপনার চ্যানেল ও ব্র্যান্ড সহজে চিনতে ও মনে রাখতে পারে।
আপনার ব্যবসা সম্পর্কিত ভিডিও তৈরি করুন
আপনার ইউটিউব চ্যানেল তৈরি ও ব্র্যান্ড সেটাপ করার পরবর্তী ধাপ হচ্ছে আপনার ব্যবসা সম্পর্কিত ভিডিও তৈরি করা। মূলত এই ভিডিও তৈরির মাধ্যমে ইউটিউব মার্কেটিং এর প্রথম ধাপ শুরু হয়। ভিডিও তৈরিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কারণ, এই ভিডিও’র মাধ্যমে গ্রাহকের সামনে আপনার পণ্য বা সেবাটি উপস্থাপন করবেন।
ভিডিও তৈরির ক্ষেত্রে আপনাকে প্রথমেই পরিকল্পনা সাজাতে হবে। ভিডিও এমনভাবে তৈরি করতে হবে যাতে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দর্শক আগ্রহ নিয়ে আপনার আপলোড করা ভিডিও দেখে। তারপর পণ্য বা সেবা ক্রয়ের ব্যাপারে আগ্রহী হয়ে থাকে।
মনে রাখতে হবে, স্বল্প সময়ের ভিডিওর মধ্যে যেন সবাই আপনার ব্যবসা তথা পণ্যের ব্যাপারে বিস্তারিত ধারণা লাভ করতে পারে সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে। গবেষণায় দেখা গেছে, ইউটিউব ভিডিওর ক্ষেত্রে কম দৈর্ঘের ভিডিও সর্বাধিক জনপ্রিয়।
আপনার ব্যবসা সম্পর্কিত ভিডিও তৈরিতে সৃজনশীলতার সাথে ভিডিও তৈরি করতে হবে। যাতে ভিডিও কনটেন্ট ইউনিক ও এভারগ্রীন হয়ে থাকে।
আপনার ভিডিওগুলো এসইও অপ্টিমাইজড করুন
যত বেশি আপনার ভিডিও ভিউ হবে ততবেশি লাভ আসবে আপনার ইউটিউব চ্যানেল তথা ভিডিও থেকে। এই বিষয়টি সব সময় খেয়াল রাখতে হবে।
এসইও হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। আপনার ওয়েবসাইট অথবা ভিডিও কে প্রথম দিকে আনার জন্য যে কৌশল অবলম্বন করা হয় তাই এসইও।
সাধারণত আমরা গুগল বা ইউটিউব এ কোন বিষয়ে জানতে চাইলে টপিক লিখে সার্চ দিয়ে থাকি। যার কনটেন্ট বা ভিডিও যতবেশি টপিক সম্পর্কিত হয় সে সব আর্টিকেল অথবা ভিডিওগুলো আমাদের সামনে সবার আগে আসে। আর এই সামনে আসার প্রক্রিয়াই হলো এসইও তথা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। তাই আপনার ইউটিউব ভিডিওগুলো এসইও অপ্টিমাইজড করতে হবে।
আপনার ভিডিওগুলো এসইও অপ্টিমাইজ করার জন্য সঠিক ভাবে টাইটেল, ডেসক্রিপশন, ক্যাটাগরি, থাম্বনেইল, ট্যাগ, কীওয়ার্ড ইত্যাদি নির্বাচন করতে হবে। এর ফলে আপনি ন্যাচারাল ও ইউনিক দর্শক পাবেন। পাশাপাশি খুব দ্রুত সময়ে আপনার ভিডিওটি অধিক সংখ্যক ভিউ করবে। আপনার ভিডিওগুলো এসইও অপ্টিমাইজ করার জন্য ইউটিউব এসইও সম্পর্কে আরো জেনে নিতে পারেন।
ভিডিওগুলো ইন্টারনেটে প্রমোট করুন
যে কোন ব্যবসার পণ্য বা সেবার উৎপাদন করার পর আপনাকে প্রচারণার দিকে মনোযোগী হতে হবে। তেমনি আপনার ইউটিউব চ্যানেল ভিডিও তৈরি ও আপলোড করার পর আপনাকে অধিকতর মার্কেটিং এ নজর দিতে হবে। যেহেতু আপনার ব্যবসার চ্যানেল অনলাইন তথা ইন্টারনেটকেন্দ্রিক, তাই ভিডিওগুলো ইন্টারনেটে প্রমোট করুন। এ জন্য আপনাকে কিছু অনলাইন প্লাটফর্ম ব্যবহার করতে হবে।
যেমন: ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম, টুইটার, ব্লগ, ওয়েবসাইট ইত্যাদি।
এই সব মাধ্যমগুলো ব্যবহার করে আপনি ভিডিওগুলো ইন্টারনেটে প্রমোট করতে পারেন। আপনার ভিডিও ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম, টুইটার, ব্লগ, ওয়েবসাইট এ শেয়ার দিতে পারেন। যাতে করে এইসব মাধ্যম থেকে আপনার চ্যালেনে দর্শক আসে। এভাবেই আপনার ভিডিওগুলো ইন্টারনেটে প্রমোট করুন। তখন খুব দ্রুত সময়ে আপনার চ্যানেল এ সাবস্ক্রাইবার এবং ভিডিওর দর্শক বৃদ্ধি পাবে।
ইউটিউব অ্যাডস এর ব্যবহার করুন
ইউটিউব এ ভিডিও দর্শক বাড়ানোর অন্যতম মাধ্যম হলো ইউটিউব অ্যাডস। কম সময়ে কম খরচে সুনির্দিষ্ট দর্শক পেতে আপনি ইউটিউব অ্যাডস এর ব্যবহার করুন।
সাধারণত ইউটিউব এ কোন ভিডিও দেখার সময় মাঝে মাঝে বিভিন্ন অ্যাডস দেখতে পাই। ইউটিউব এ টাকার বিনিময়ে আপনার চ্যানেল ও ভিডিওগুলো অ্যাড আকারে প্রমোট করতে পারেন। ইউটিউব অ্যাডস এর ব্যবহার করে আপনি খুব দ্রুত সময়ে কাঙ্খিত দর্শক পেতে পারেন।
ইউটিউব মার্কেটিং করে কি লাভ হবে?
ইউটিউব মার্কেটিং করে কি লাভ হবে এই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর পা্ওয়ার আগে আপনি কিছু তথ্য জেনে নিতে পারেন।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী প্রায় দুই বিলিয়ন ইউজার প্রতিমাসে কমপক্ষে একবারের জন্য হলেও ইউটিউব এ ভিডিও দেখে।
ইউটিউব হচ্ছে দ্বিতীয় স্যোশাল মিডিয়া প্লাটফর্ম যাতে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের প্রায় ঊনআশি ভাগের ইউটিউব এ অ্যাকাউন্ট রয়েছে।
গুগলের পর ইউটিউব হচ্ছে সর্বাধিক জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন।
ইউটিউবে পৃথিবীর একশো এর অধিক দেশের প্রায় আশিটি ভাষার কনটেন্ট রয়েছে।
প্রতিদিন প্রায় এক বিলিয়নের বেশি লোক ইউডিটউব এ ভিডিও দেখে।
প্রায় ষাট ভাগ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ইউডিটউব চ্যানেল ও ভিডিওর মাধ্যমে তাদের মার্কেটিং পরিচালনা করে।
প্রায় সত্তর ভাগের বেশি ইউজার মোবাইল ডিভাইস থেকে ইউটিউবে ভিডিও দেখে।
প্রায় নব্বই ভাগ লোক ব্যবসার ব্র্যান্ড ও পণ্য সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা ইউটিউব থেকে পেয়ে থাকে।
প্রতি মিনিটে প্রায় তিনশত ঘণ্টার ভিডিও আপলোড হয় ইউটিউবে।
প্রায় ষাট ভাগ লোক তথ্য প্রাপ্তির জন্য আর্টিকেল পড়ার চাইতে ভিডিও দেখাকে প্রাধান্য দিয়ে থাকে।
তাই বুঝা গেল বর্তমানে ইউটিউব মার্কেটিং করে অবশ্যই লাভ হবে।
আপনারা যদি খেয়াল করে দেখেন, পত্রিকা, টিভিতে বিজ্ঞাপনের মতো এখন ইউটিউব, ফেসবুক, গুগলে বিজ্ঞাপন দেয়া হচ্ছে। আমরা পত্রিকা, টিভির বিজ্ঞাপন গুলোই অনলাইন প্লাটফর্ম এ দেখছি। তাই এ কথা বলা যায় যে, আগামির পৃথিবীতে ব্যবসার পণ্য প্রচার-প্রসার ও বিক্রিতে ইউটিউব মার্কেটিং করে লাভ হবে।



Join us for get more :
https://www.facebook.com/groups/316580600584837/?ref=share

নেক্সট ১০ বছরে কোন স্কিল গুলো টিকে থাকবেঃআমার মনে হয় নেক্সট ১০ বছরে বিশাল চেঞ্জ হচ্ছে। ২০০৯ সালে আমি নরমাল HTML এর সাইত ...
14/06/2022

নেক্সট ১০ বছরে কোন স্কিল গুলো টিকে থাকবেঃ
আমার মনে হয় নেক্সট ১০ বছরে বিশাল চেঞ্জ হচ্ছে। ২০০৯ সালে আমি নরমাল HTML এর সাইত বিক্রি করে ৫০০-১০০০ ডলার কামাইতাম। এরপর আসলো জুমলা, জুমলাকে খেয়ে দিলো ওয়ার্ডপ্রেস এখন ওয়ার্ডপ্রেস কে খেয়ে দিতে পারে উইক্স বা ওয়েবফ্লো। আমি এক সময় ম্যাজেন্টোতে ই-কমার্স সাইট বানাইতাম কয়েক বছর পর দেখলাম উকমার্স যাকে আমরা কোন দাম ই দিতাম না সে ম্যাজেন্টোকে খেয়ে দিলো। এখন আমার মনে হচ্ছে শপিফাই উকমার্স কে খেয়ে দিতে পারে। সো আপনারা ওয়েবফ্লো এবং শপিফাই শিখলে আপাতত নেক্সট ৫-১০ বছর ভাতের চিন্তা করতে হবেনা।

এইবার আসুন ল্যাংগুয়েজ। আমি যখন প্রগ্রামিং শিখি তখন. Net এর মার্কেট ছিলো তুংগে। এর পর তখন তুলনামূলক নতুন ল্যাংগুয়েজ আসলো PHP আমরা যারা তখন PHP শিখি তখন আমাদের দরিদ্র ডেভলপার বলা হইত। এর পর কয়েকবছরের ভিতর আমরা হয়ে গেলাম হিরো। মানে PHP এর ডেভলপারের জয় জয়কার। কিন্তু এখন কেনো যেনো মনে হচ্ছে পাইথন আর MERN ডেভলপার রা নেক্সট ৫-১০ বছর পর হিরো হবে।

এর পর আসুন টেকনোলজি। আমাদের আমলে ওয়েব ডেভলপার মানে ভালো প্রফেশন। ওয়েব এপ মানে ওয়েব ভিত্তিক বিভিন্ন সফটওয়্যার যেমন একাউন্টিং সফটওয়্যার ডেভলপার মানে তো বিশাল ব্যাপার। আর মোবাইল এপ ডেভলপার রা তো এলিট শ্রেনীর লোক।

কিন্তু আমার মনে হচ্ছে নেক্সট ১০ বছরে মেশিন লার্নিং, ডেইটা এনালাইটিক্স, ব্লকচেইন ডেভলপার রা হবে এলিট শ্রেনীর। এছাড়া অটোমেশন এর সাথে জড়িত টেকনোলজি গুলো হবে হাই ডিমান্ডিং ফিল্ড।

এর পর আসুন সার্ভারে। আমাদের সময় ওয়েব ডেভলপাররাই সার্ভারে সিপ্যানেলে ফাইল আপলোড করে ডেপ্লয় করতো। পরে আসলো গিট ও গিঠাব, গিট বাকেট ইত্যাদি। এখন ডেভলপার রা সরাসরি ডেপ্লয় করেনা। নতুন প্রফেশন আসলো। নাম হইল DevOps। এইটা আগামীতে চরম ডিমান্ডিং একটা ফিল্ড হবে।

এর পর আসেন ইনফ্রাসটাকচার ইঞ্জিনিয়ার। আপনি যদি লিনাক্স জানেন আর যেকোন একটা ক্লাউড সিস্টেম পুরোপুরি জানেন লাইক আজুর বা AWS তাহলে আপনার নেক্সট ১০ বছর ভাতের অভাব হবেনা।

অনেকক্ষণ প্যাচাল পাড়লাম টেকনিক্যাল ব্যাপার নিয়ে। এইবার আসুন ডিজাইনে।
আচ্ছা যদি একটা মার্সিটিজ গাড়ীতে যা যা কমফোর্ট থাকার কথা যা যা কাটিং এজ টকনোলজি থাকার কথা তা সব যদি থাকে শুধু গাড়ীটার কালার মরিচা পড়া আর মার্সিটিজ লোগো থাকবেনা তাহলে কি আপনি গাড়িটা কিনবেন?
৯৯% উত্তর আসবে না।
তাহলে কি দাড়ালো দেখতে ভালো না লাগলে টেকনোলজির দাম নাই। মানে সায়েন্সের সাথে আর্ট না থাকলে সেটির দাম নাই।

আর এইখানেই আপনার মার্কেট। আপনি যদি ভালো ডিজাইনার হিয়ে থাকেন তাহলে আপনার ভাতের অভাব কিয়ামত পর্যন্ত হবেনা। আপনি যদি নিচের যে কোন একটা স্কিল শিখে ফেলতে পারেন তাহলে কোন চিন্তা নাই।
১. ফোটোশপ, ইলাস্ট্রেটর দিয়ে ভালো মানের ডিজাইন
২. ভিডিও এডিটিং
৩. এক্সপ্লেনার ভিডিও ক্রিয়েটর
৪. এনিমেটর
৫. থ্রিডি মডেলিং এন্ড ডিজাইনিং
৬. থ্রিডি এনিমেশন।

তাহলে আপাতত বলবো আপনার ভাতের অভাব হবেনা।

এর পর আসুন মার্কেটিং।
ভাই ওয়েব বানান আর ডিজাইন বানান সব কিছুই বিক্রি করার জন্য। আপনি যদি হিউম্যান সাইক্লোজি ভালো বুঝেন এবং বর্তমান বিভিন্ন মার্কেটিং টুলের ইউজ বুঝেন তাহলে আপাতত আপনার ভাতের অভাব হবেনা।

এই স্কিল গুলো টেকনোলজি মার্কেটে আপনার নেক্সট ১০ বছর টিকে থাকতে হেল্প করবে।

তবে যায় করুন আপনাকে কয়েকটা জিনিস শেখা খুবই গুরুত্বপূর্ণঃ
১. সফট স্কিল
২. হার্ড স্কিল
৩. কমিউনিকেশন স্কিল
৪. ইথিক্স

এই ৪ টা গুন না থাকলে আগামীতে আপনার জন্য ভয়াবহ দিন অপেক্ষা করতেছে।

বিঃদ্রঃ আপ্পনি যদি উপরের কোন টার্ম না বুঝেন তাহলে সোজা ঐ কিওয়ার্ড টা কপি করে ইউটিউবে বা গুগলে পেস্ট করে সার্স দিবেন হাজার হাজার লেখা ও ভিডিও পাবনে। যা দিয়ে আপনি ইজিলি সব বুঝে যাবেন

Join us for get more :
https://www.facebook.com/groups/316580600584837/?ref=share

06/06/2022

Face Dark Spot Remove Technique in Adobe Photoshop

লিনাক্সের প্রতিষ্ঠাতা লাইনাসকে যখন জিজ্ঞেস করা হয়েছিলো, আপনিকি সি এর পরিবর্তে অন্য কোনও ল্যাংগুয়েজকে ব্যবহার করবেন অপারে...
06/06/2022

লিনাক্সের প্রতিষ্ঠাতা লাইনাসকে যখন জিজ্ঞেস করা হয়েছিলো, আপনিকি সি এর পরিবর্তে অন্য কোনও ল্যাংগুয়েজকে ব্যবহার করবেন অপারেটিং সিষ্টেম ডেভলপ করতে?
তখন উনি বললেন, উনি সি এর ধারের কাছেও কোনও ল্যাংগুয়েজকে আসতে দেখেন না। এর কারণ হল যখন উনি সি ল্যাংগুয়েজের কোড পড়েন, তখন উনি স্পষ্ট বুঝতে পারেন যে corresponding, assembly code এবং machine instruction দেখতে কেমন হবে। এমনটা অন্য কোনও প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজে উনি দূর-দূরান্ত পর্যন্ত দেখতে পান না।




Join us for get more :
https://www.facebook.com/groups/316580600584837/?ref=share

এই বিষয় নিয়ে আমি অনেক চিন্তা ভাবনা করলাম!!ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরকে আমরা যতটা সম্ভাবনাময় সেক্টর ভাবতেছি এর কিন্তু একটা বিপর...
06/06/2022

এই বিষয় নিয়ে আমি অনেক চিন্তা ভাবনা করলাম!!
ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরকে আমরা যতটা সম্ভাবনাময় সেক্টর ভাবতেছি এর কিন্তু একটা বিপরীত প্রভাবও আছে যা ভবিষ্যৎ এডুকেশনাল সিস্টেমের উপর আরো বড় ইম্পেক্ট ফেলবে।
ইদানীং অনেককে দেখতেছি ইন্টারমেডিয়েট থাকা অবস্থায়ই ফ্রিল্যান্সিং শুরু করে ইনকামও করতেছে, সত্যি বলতে একবার যার মধ্যে টাকার নেশা ঢুকে পড়ে তার দ্বারা আর যাই হোক পড়া হয় না,একান্ত খুব বেশি পড়ার প্রতি ডেডিকেটেড না হলে।।।
আবার অনেক তো আরো এক্সপার্ট, এসএসসি দেয় নাই শুরু করে দিচ্ছে অনলাইন ডলার কামলা হওয়ার চিন্তা☹️☹️☹️
অনেককে অনেক পোস্ট দিতে দেখছি জব ছেড়ে ফ্রিল্যান্সিং এ আসতে চায়(ভাই এই ডিসিশন নেওয়ার আগে সহস্রবার ভাববেন) জব হচ্ছে আপনার একটা নিশ্চিত ইনকাম, কেনো শুধু শুধু ডলার দেখে ফ্রিল্যান্সিং এ ঢুকবেন,তবে এক্ষেত্রে এক কাজ করা যায় জবের পাশাপাশি সময় পেলে স্কিলসেট তৈরি করতে পারেন।
এখন আসি মূল কথায়, যারা ইন্টারমেডিয়েট ল্যাভেলে আছেন এখনই কি টাকার চিন্তা করা খুব জরুরি?
বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ডলার মাখানো এড দেখে আপনি পড়াশোনা বাদ দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং এ আসছেন,একবার কি ভেবে দেখেছেন,আপনি যদি ইন্টারমেডিয়েট ভালো ভাবে কম্পলিটই না করেন তাহলে ভালো কোনো সাবজেক্ট নিয়ে গ্র‍্যাজুয়েটেড হতে পারবেন না,
গ্র‍্যাডুয়েশনের পর ফ্রিল্যান্সিং এর মতো আপনার পুরো ক্যারিয়ারটা দেখতে অনিশ্চিত মনে হবে,তখন চোখে অন্ধকার দেখা ছাড়া আসলেই কোনো উপায় নাই!!!
ডলারের কথা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে দিয়ে ইন্টারমেডিয়েট এট লিস্ট খুব ভালোভাবে কম্পলিট করুন,এর পর যখন ভার্সিটি ল্যাভেল উঠবেন তখন না হয় পড়ার পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিং করবেন,কিন্তু ভুলেও পড়াশোনাকে পাশে ঠেলে ফ্রিল্যান্সিং কর‍তে যাবেন না,এতে আপনি আপনার ক্যারিয়ারের অনিশ্চয়তার পথকে আরো সুগম করে দিবেন!!
পড়াশোনা হোক ফার্স্ট প্রায়োরিটি এর পর না হয় ফ্রিল্যান্সিং ❣️❣️❣️



Join us for get more :
https://www.facebook.com/groups/316580600584837/?ref=share

💡যারা পাহার দেখে ভয় পেয়ে যায় তারা কখনো পাহাড়ের উপরে উঠে রেকর্ড তৈরি করতে পারেনা,যারা হেরে যাওয়ার ভয়ে রেসেই নামে না তারা ...
04/06/2022

💡যারা পাহার দেখে ভয় পেয়ে যায় তারা কখনো পাহাড়ের উপরে উঠে রেকর্ড তৈরি করতে পারেনা,
যারা হেরে যাওয়ার ভয়ে রেসেই নামে না তারা কখনো Race জিতে ১ম হতে পারে না

,,আপনি ঘরে বসে বৈধভাবে অন্য দেশ থেকে ইনকাম করতে চান অথচ বলেন ফ্রিতে Freelancing শিখানোর কথা,😄
আপনি ব্যাক্তিটা 15 বছর লেখা পরা করার পর ৫ লাখ টাকা নিয়ে বসে থাকেন অন্যের অধিনে থেকে মাসে ১৫ হাজার টাকার চাকরির জন্য, অথচ অল্প কিছু টাকা ইনভেস্ট করতে পারেন না নিজের স্কিল ডেভেলপের জন্য,,,সফলতা কখনো ফ্রিতে পাওয়া যায় না, শ্রম ও মেধার মাধ্যমে অর্জন করে নিতে হয়, আপনি যদি ভেবে থাকেন আপনাকে কেউ ফ্রিতে Graphic design শিখাবে যেটার মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন কোম্পানি তে ( পোশাক ডিজাইন, লোগো তৈরি, বিভিন্ন আসবাবপত্রের ডিজাইন, বিভিন্ন পণ্য ডিজাইন করবেন,সেই কাজ আপনাকে" ফ্রি"তে শিখানো হবে তাহলে বলবো Freelancing ক্যারিয়ার টা আপনার জন্য না❌
আপনি যদি ভাবেন কেউ আপনাকে( web developing) যার মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি তে software তৈরি করবেন, বিভিন্ন ব্যাক্তি বা প্রতিস্ঠান এর জন্য ওয়েব সাইট বানাবেন সেই কাজগুলো আপনাকে ফ্রিতে শেখানো হবে তাহলে এই প্লাটফর্ম টা আপনার জন্য না,❌
আপনি যদি ভাবেন কেউ আপনাকে ডিজিটাল মার্কেটিং ফ্রিতে শিখায় দেবে যার মাধ্যমে আপনি সারা বিশ্বে ব্যাবসা করবেন তাহলে বলবো ভাই আপনি কোনো দোকানে গিয়ে মালা বিক্রি করেন সেটা ফ্রিতে পেলেও পেতে পারেন,,,,
Freelancing এমন একটা ক্যারিয়ার যেখানে ধৈর্য্য থাকলে ৯৯% মানুষই সফল হয়,, আপনি যদি ভেবে থাকেন শুধু শারিরীক ভাবে নয় অনলাইনেও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে তাহলে যোগাযোগ করুন আমরা আপনার পাশে আছি ইনশাআল্লাহ 🌺



Join us for get more :
https://www.facebook.com/groups/316580600584837/?ref=share

আপনি যদি সত্যি উদ্যোক্তা হতে চান, তাহলে কাউকে তেল দিয়ে নিজের বিজনেস বাড়ানোর পরিকল্পনা বাদ দেন।১) ফেসবুককে কন্ট্রোল করতে ...
31/05/2022

আপনি যদি সত্যি উদ্যোক্তা হতে চান, তাহলে কাউকে তেল দিয়ে নিজের বিজনেস বাড়ানোর পরিকল্পনা বাদ দেন।

১) ফেসবুককে কন্ট্রোল করতে চাইলে, বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ফেসবুক মার্কেটার জন লুমার এর ব্লগের লিখাগুলো নিয়মিত পড়ুন।
ব্লগ লিংক: https://www.jonloomer.com/
২) যদি ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের উপর নলেজ বাড়াতে চান, তাহলে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ডিজিটাল মার্কেটাল নীল প্যাটেল এর ব্লগের লিখা নিয়মিত পড়ুন।
ব্লগ লিংকঃ https://neilpatel.com/blog/
এই দুইজনের লিখাগুলো পড়ুন, কেউ আপনাকে ভুয়া তথ্য দিয়ে প্রতারিত করতে পারবেন না।
*** ইংরেজি কিন্তু খুব সহজ পড়ে বুঝার মত ইংরেজিতে লিখেন। যেটুকু বুঝবেন, ততটুকুতেই চলবে।
সেটুকু বুঝলেই আপনার কাছে যারা পীর, তাদেরকে পীর হিসেবে সম্মানটুকু করতে চাইবেন না।

আস্সালামুআলাইকুম Noob Coders!! আশা করছি সবাই ভালো আছেন ! এখন দেখাবো Tipping এর সেই কাঙ্খিত চ্যালেঞ্জ আপনি কিভাবে নিবেন। ...
30/05/2022

আস্সালামুআলাইকুম Noob Coders!!

আশা করছি সবাই ভালো আছেন !

এখন দেখাবো Tipping এর সেই কাঙ্খিত চ্যালেঞ্জ আপনি কিভাবে নিবেন। 🥰

আপনারা আমাদের সম্পূর্ন সাপোর্ট পাবেন। তো দেরি কিসের শুরু করা যাক ।

চ্যালেঞ্জ-:: টাইপিং স্পিড 25
(সময় দিবা ৩ দিন )
তুমি যদি প্রোগ্রামার/ওয়েব ডেভেলপার/চ্যাটিং মাস্টার/ বা অন্য কোন চাকুরীজিবি হতে চাও না কেনো; টাইপিং তোমাকে করতেই হবে। তাই টাইপিং রিলেটেড একটা চ্যালেঞ্জ তোমাকে নিতেই হবে। সেটা হচ্ছে টাইপিং স্পিড মিনিমাম 25 wpm (word per minute) করা। প্রথমেই চেষ্টা করবে কিবোর্ডে না দেখে দেখে টাইপিং প্রাকটিস করা। আর একদম বিগিনার হলে শিখার জন্য https://www.typing.com এ গিয়ে টাইপিং প্রাকটিস করা শুরু করে দাও। জাস্ট Signup now > Student Signসিলেক্ট করে সিরিয়াল মতো টিউটোরিয়াল দেখে দেখে প্রাকটিস করো।
আর যারা একটু আধটু টাইপিং পারো তারা নিচের লিংকে গিয়ে Start Now তে ক্লিক করে তারপর HTML, CSS বা JavaScript এ ক্লিক করে টাইপিং প্রাকটিস করতে থাকো https://www.speedcoder.net/
তারপর https://www.typingtest.com/ এ গিয়ে একটা ৩ মিনিটেড টেস্ট দিয়ে দাও। তারপর তোমার টাইপিং স্পিড টেস্টের রেজাল্ট স্ক্রিনশর্ট নিয়ে এই পোষ্ট এ কমেন্ট করো। ইচ্ছা করলে পোস্ট করতেও পারো।দেখি কে কত স্পিড দেখাতে পারে। জাস্ট তিনদিন দুই তিন ঘন্টা করে সময় দিলেই কাজ হয়ে যাবে। সেখানে তোমার স্পিড 25 wpm এর উপরে হলে ভালো হয়। ২৫ হলেও চলবে। তবে কিবোর্ডের দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে টাইপিং একদম বন্ধ করতে হবে।

Page-এ সবাইকে ইনভাইট দেও আর ফটাফট কাজে লেগে পর সময় নস্ট করা যাবে না ।

Address

Dania Road
Dhaka
DHAKA-1236

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Web Office posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share