A Theory

A Theory A Theory সারা দেশে যুবকদের জন্য বিজ্ঞান-ভি?

🎙 সাবধান! বাঁচতে হলে জানতে হবে!যতই দিন যাচ্ছে, নৃশংসভাবে আপনার যাবতীয় ডিজিটাল সিস্টেম ছিনতাই করার নতুন নতুন আর অভাবনীয় ক...
18/03/2023

🎙 সাবধান! বাঁচতে হলে জানতে হবে!

যতই দিন যাচ্ছে, নৃশংসভাবে আপনার যাবতীয় ডিজিটাল সিস্টেম ছিনতাই করার নতুন নতুন আর অভাবনীয় কৌশল তৈরি হচ্ছে। কয়টা জানেন আপনি?

কিছুদিন আগে ফেসবুক পেজ ভ্যারিফাই করে দেওয়ার লোভনীয় কিছু বিজ্ঞাপন ছড়িয়ে পড়ে। পেজ ভ্যারিফাই করার জন্য আপনাকে একটি সফটওয়্যার ইনস্টল দিতে বলে তারা। সজ্ঞানে আপনি-আমি কখনই ওই বিজ্ঞাপন বিশ্বাস করব না। কিন্তু আপনিই যখন কমেন্ট সেকশনে দেখবেন অসংখ্য পেজ তাদের সার্ভিস অনুসরণ করে ভ্যারিফাই হয়ে ব্লু টিক নিয়ে কমেন্টে কৃতজ্ঞতার জয়জয়কার শুরু করেছে, তখন আপনি একটু হলেও ভাববেন, "আসলেই কি ভুয়া?"

এবার আপনি কমেন্টে খুঁজবেন, আপনার মত কোনো সাধারণ ইউজার এই পদ্ধতি অ্যাপ্লাই করেছে কি-না। আপনি তাদের টাইমলাইনে চোখ রাখবেন, "দেখি কী হয়"। অপ্রত্যাশিতভাবে ৬-৭ ঘন্টার মাথায় তাদের পেজটিও ভ্যারিফাই হয়ে যাবে! আনন্দে আত্নহারা হবেন আপনি। ভেবে বসবে, "ধুর, সবই কি স্ক্যাম হয় নাকি?"

—পর্দার আড়ালে কী হলো?

এরা যে সফটওয়্যারটি ইনস্টল দিতে বলে, তা মূলত ট্রোজান হর্স বা ট্রোজান ম্যালওয়্যার। ইনস্টল দিলে, এটি কম্পিউটার সিস্টেমে বৈধ সফটওয়্যারের ছদ্মবেশে প্রবেশ করবে। এরপর আপনার সোশ্যাল মিডিয়ার অ্যাক্সেস নিয়ে তা থার্ড-পার্টি পদ্ধতিতে ভ্যারিফাই করে আপনার পেজ দিয়েই পুনরায় একই বিজ্ঞাপনের প্রচারণা শুরু করে। (যারা বলেন, থার্ড-পার্টি পদ্ধতিতে ফেসবুক পেজ ভ্যারিফাই করা যায় না, তাদের জন্য সমবেদনা)।

আপনার সিস্টেমে কোন সফটওয়্যারে এই ভাইরাস প্রোগ্রামটি আছে, তা আপনি জানবেনও না। এটি আপনার ডাটা এনক্রিপশন, ডাটা চুরি তো বটেই, এমনকি ডাটা ইচ্ছেমত পরিবর্তন পর্যন্ত করতে পারে। আপনার ব্যাংক ডিটেইল থেকে শুরু করে মোবাইল ফিনানশিয়াল সার্ভিস (বিকাশ, নগদ তথ্য)—সহ সমস্ত সোশ্যাল মিডিয়া ও জিমেইল অ্যাকাউন্টের তথ্য তারা স্ক্রিনে দেখতে পাবে। এক কথায়, যেই মুহূর্তে আপনি এই সফটওয়্যার ইনস্টল দেবেন, তখন থেকে আপনার নিজের আর কোনো ডিজিটাল অস্তিত্ব থাকবে না, আপনি সবকিছু থেকে 'কিক-আউট' হবেন।

ফেসবুক বিজ্ঞাপন ছাড়াও, কিছু বৈধ সফটওয়্যার যেমন অ্যাডোবির দরকারি প্রোগ্রামগুলোর ক্র‍্যাক ও ফ্রি ভার্সনগুলোতে গণহারে ট্রোজান হর্স ধরা পড়ছে ইদানিং। সম্প্রতি 'Projukti' নামের একটি ইউটিউব চ্যানেলের কনটেন্ট ক্রিয়েটর এভাবেই কেবল একটি Adobe Reader ইনস্টল করে তাঁর ডিজিটাল সত্তার সর্বস্ব হারিয়েছিলেন। যাদের ডেস্কটপে ভালো কোনো সাইবার সিকিউরিটি, পেইড অ্যান্টি-ভাইরাস প্রোগ্রাম রয়েছে, তাদের সিস্টমে এসব ইনস্টলের ক্ষেত্রে ট্রোজানের উপস্থিতি সনাক্ত করে অ্যালার্ট দেয়। কিন্তু 'বিশেষ প্রয়োজনের' কাছে এসব অ্যালার্ট ফিকে হয়ে যায়।

—ট্রোজান হর্স কী, কীভাবে এটি থেকে আরো বেশি নিরাপদ থাকা যায়, এ নিয়ে পরবর্তী কোনো পোস্টে আলোচনা করা যাবে। চোখ কান খোলা রাখুন, সাবধানে থাকুন।

তথ্য অনুসন্ধান: শাহরিয়ার হিমেল, আইআইটি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।

সম্প্রতি তুরস্কের আকাশে দেখা গেছে এমন UFO বা এলিয়েন মহাকাশযানের মত দেখতে বস্তুটির৷ অনেক জল্পনা-কল্পনা থাকলেও এটি আসলে এক...
21/01/2023

সম্প্রতি তুরস্কের আকাশে দেখা গেছে এমন UFO বা এলিয়েন মহাকাশযানের মত দেখতে বস্তুটির৷ অনেক জল্পনা-কল্পনা থাকলেও এটি আসলে একটি প্রাকৃতিক ঘটনা৷ এটি একটি বিশেষ ধরণের মেঘ যাকে বিজ্ঞানের ভাষায় লেন্টিকুলার ক্লাউড বলা হয়৷

মূলত লেন্টিকুলার মেঘের সৃষ্টি হয় পাহাড়ের ওপরে৷ যখন বায়ুপ্রবাহের তীব্র ওঠানামা দেখা যায় এবং বাতাস স্থিতিশীল এখন আদ্র থাকে তখন এই ধরণের মেঘের সৃষ্টি হয়। তুরস্কের বুরসা অঞ্চলে মূলত এই মেঘের দেখা পাওয়া গিয়েছিল এবং যা সূর্যদয়ের আগ দিয়ে সৃষ্টি হয় এবং স্থানীয়দের মতে প্রায় ১ ঘন্টার মত স্থায়ী ছিল এটি। এই অঞ্চলটিতে পাহাড় থাকার কারণে মূলত লেন্টিকুলার মেঘের দেখা পাওয়া গিয়েছিল৷

আন্তর্জাতিক ম্যানগ্রোভ ফটোগ্রাফি অ্যাওয়ার্ডে বাংলাদেশি আলোকচিত্রী মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমানের তোলা 'হানি হান্টারস' নাম...
30/11/2022

আন্তর্জাতিক ম্যানগ্রোভ ফটোগ্রাফি অ্যাওয়ার্ডে বাংলাদেশি আলোকচিত্রী মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমানের তোলা 'হানি হান্টারস' নামের সুন্দরবনের মৌয়ালদের এই ছবি 'ম্যানগ্রোভ এবং ব্যক্তি' শাখায় পুরস্কৃত হয়েছে। ৬৮ দেশ থেকে মোট ২১৮৮টি জমা পরেছিল এবার প্রতিযোগিতার জন্য!

মানবশিশু জন্মগত বিশ্বাসী এটা আমরা জানি। কিন্তু মানব "শিশু জন্মগত ভাবে ঈশ্বরের প্রতিও বিশ্বাসী"- এটা আমার দাবী নয়, অক্সফো...
16/11/2022

মানবশিশু জন্মগত বিশ্বাসী এটা আমরা জানি। কিন্তু মানব "শিশু জন্মগত ভাবে ঈশ্বরের প্রতিও বিশ্বাসী"- এটা আমার দাবী নয়, অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির প্রাক্তন প্রফেসর জাস্টিন ল.ব্যারেটের দাবি। তিনি এবং তার সহযোগী নিকোলা নাইট এই বিষয় নিয়ে দীর্ঘ গবেষণার পর তাদের থিসিস পেপারের পরিশুদ্ধিত অংশ দিয়ে " Born believers" নামক বই এই প্রফেসর ব্যারেট প্রকাশ করেন (২০১২)।

এমন দাবির কারণ ও যুক্তি নিয়ে তিনি অক্সফোর্ডের এক ডকুমেন্টারিতে বেশ খোলামেলা আলোচনা করেন। সেখানে তিনি বলেন, উন্নয়নমুলক সাইকোলজি, ক্রস কালচার এবং অন্যান্য বিভিন্ন এক্সপেরিমেন্টগুলোতে দেখা যাচ্ছে প্রায় সমস্ত মানুষ, বেশির ভাগই আমরা বিশ্বাস করি যে এই সমস্ত কিছু, যা কিছু আমাদের চারপাশে আছে এগুলো কারো দ্বারা তৈরি ব্যতীত সম্ভব না। আর এই বিশ্বাস এমন না যে আমরা প্রকৃতি বা চারপাশ থেকে প্রভাবিত। যদি আমাদের পরিবেশ এবং অবস্থার পরিবর্তন করে দেয়া হতো শুরু থেকেই তারপরও আমরা এমন বিশ্বাসই নিয়ে বড় হতাম।

তিনি আরও বলেন, বাচ্চারা প্রায় ৩ বছর বয়স থেকেই যে সমস্ত সুপারন্যাচারাল অস্তিত্বে বিশ্বাস করে প্রায় বেশির ভাগ সংস্কৃতিতে প্রায় একই। যদিও প্রাপ্ত বয়স্করা মনে করে না তারা ওতোটাও বুদ্ধিমান। এবং এটা খুবই সুন্দর ভাবে ফুটে উঠেছে আমার এবং নিকোলা নাইটের "মায়া" শিশুদের উপর করা স্টাডি থেকে। আমরা শুধু মাত্র ক্যাথেলিক সৃষ্টিকর্তার সম্পর্কে মতামত চাইনি সেই সাথে সূর্য দেবতা, বন জঙ্গলের অতিপ্রাকৃত, এবং অন্যান্য মাইনর বিষয়বস্তু সম্পর্কে তাদের ধারণা বড়দের মতো নয়। বরং তারা এই সব কিছুকে 'সুপার স্মার্ট' বলে আখ্যায়িত করেছে,যেনো তারা সব জানে! তারপর বয়স ৭ এর কাছাকাছি এসে তারা সব কিছুকে পৃথক করতে চেষ্টা করে যে কোনটি বেশি জানতে পারে,কোনটি কম জানতে পারে (এখানে বুঝানো হয়েছে বাচ্চারা চারপাশের প্রকৃতি জগতের বিভিন্ন উপাদানকে সবজান্তা বা সুপিরিয়র কিছু ভেবে থাকে)। এরপর তাদের মধ্যে ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হতে থাকে, না সেখানে সুপার পাওয়ারফুল ক্রিয়েটর কেউ আছে যে সব কিছু বানিয়েছেন। কিন্তু এইখানে আরো দেখা যায় শিশুরা এটা কখনো ধরে নেয় না এখানে একটাই প্রভু আছে বা খ্রিস্টান মতোবাদ যা বলে (যেহেতু ব্যারেট খ্রিস্টান তাই তিনি নিজ ধর্মের কথা বলেছেন)। তাদের প্রভুর প্রতি বিশ্বাসের ভিত্তিটা আগে থেকেই প্রতিষ্ঠিত আছে শুধু সেখানে নিজ নিজ কালচারের বিশ্বাস পরে অভিভাবক স্থাপন করে দেয়। এই বিশ্বাস করার ভিত্তিটা তাদের মধ্যে অরো আগে থেকেই তৈরি হয়ে থাকে।

এইতো গেলো প্রফেসর ব্যারেটের বক্তব্য, এখন দেখি অন্যান্য গবেষণা ও রিসার্চ কি বলে।

Genius Science জুলাই সংখ্যায় প্রকাশিত, নিবন্ধটি এমন ফলাফল উপস্থাপন করে যা দেখায় যে অতিপ্রাকৃত বিষয়ে শিশুদের বিশ্বাস মূলত তাদের শিক্ষার ফলাফল। আরও, গবেষকরা যুক্তি দেন, "ধর্মীয় ধারণাগুলির এক্সপোজার শিশুদের বাস্তবতা এবং কল্পকাহিনীর মধ্যে পার্থক্যের উপর একটি শক্তিশালী প্রভাব ফেলে।" অন্য কথায়, গবেষণার অন্যতম সহ-লেখক ক্যাথলিন করিভিউ বলেছেন, গবেষণায় দেখা গেছে যে শৈশবকালে ধর্মীয় ধারণার সংস্পর্শ শিশুদের "আসলে কী ঘটতে পারে সেই ধারণাকে" প্রভাবিত করতে পারে। তিনি আরও বলেছিলেন যে তার গবেষণা থেকে বোঝা যায় যে ব্যারেটের জন্মগত বিশ্বাসীদের থিসিস ভুল - যে শিশুদের ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রতি "জন্মগত পক্ষপাত" নেই।
ক্যাথিলিন করিভিউ ও তার সহকর্মীরা একটি কিন্ডারগার্টেনে ৬৬টি শিশুর উপর এক্সপেরিমেন্টাল শিক্ষা প্রদান করেন ৩টি বিষয়ের উপর। ১.ধর্মীয় ২.ঐতিহাসিক এবং ৩.মিস্ট্রি।

সমস্ত বোর্ড জুড়ে, শিশুরা ভেবেছিল ঐতিহাসিক আখ্যানগুলি সত্য। যখন ধর্মীয় গল্পের কথা আসে, অনুমান করা যায় যে ধর্মীয় পরিবেশে বেড়ে ওঠা শিশুরা সেগুলিকে সত্য হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ করে, যখন ধর্মনিরপেক্ষ পরিবেশে বেড়ে ওঠা শিশুরা তাদের কাল্পনিক হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ করে। করিভিউর কাছে সবচেয়ে মজার বিষয় ছিল, কীভাবে শিশুরা মিস্ট্রি গল্পকে শ্রেণীবদ্ধ করে: যখন ধর্মনিরপেক্ষ শিশুরা এটিকে ৮৭ শতাংশ রুপকথা হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ করেছিল, তখন ধর্মীয় শিশুরা প্রায় ৪০ শতাংশ সময় তা করেছিল।করিভিউ এটি পরামর্শ দেয় যে "ধর্মীয় শিশুদের আসলে কী ঘটতে পারে সে সম্পর্কে একটি বিস্তৃত ধারণা রয়েছে।" অন্য কথায়, তিনি বলেছিলেন, "ধর্মীয় এক্সপোজার এমনভাবে প্রভাবিত করতে পারে যেভাবে শিশুরা বাস্তব এবং কাল্পনিকের মধ্যে সীমানা চিহ্নিত করে, যা অবিশ্বাসের সম্ভাবনা স্থগিত করার অনুমতি দেয়।"
অর্থাৎ এক কথায় ধর্মীয় পরিবেশে বেড়ে ওঠা শিশুরা কল্পনা এবং বাস্তবতা আলাদা করতে অনেক ক্ষেত্রেই সক্ষম না।
এখন অনেকেই এজন্য ভাবতে পারেন যে, শিশুদের তাহলে ছোট থেকে ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়া ক্ষতিকর বা অপ্রয়োজনীয়, এই নিয়ে করিভিউ আরও বলেন, "ভালো বা খারাপ নয়।ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি বাস্তবসম্মত জ্ঞানও উচিত।"

এই নিয়ে ব্যারেটকে প্রশ্ন করা হলে তার প্রতিক্রিয়া ছিলো, "যদি এখানে আসল গল্পটি হয় যে অ-ধর্মীয় শিশুরা অদ্ভুত হয়।" ব্যারেট মনে করেন যে এটা উল্লেখ করা গুরুত্বপূর্ণ যে করিভিউ-এর গবেষণার জন্য গবেষণাটি ম্যাসাচুসেটসে পরিচালিত হয়েছিল, যেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অ-বিশ্বাসীদের সর্বোচ্চ ঘনত্ব রয়েছে। ব্যারেট ভাবছেন যে ধর্মনিরপেক্ষ শিশু করিভিউ পাওয়া গেছে তারা কি সত্যিই গড় আমেরিকান শিশুর প্রতিনিধি? "এই বাচ্চাদের [এই গবেষণায়] সম্ভবত একটি খুব অদ্ভুত উপায়ে বড় করা হচ্ছে, বেশিরভাগ বাচ্চাদের থেকে আলাদা।"
বাস্তবতাকে বিবেচনা করার জন্য কল্পনা একেবারেই গুরুত্বপূর্ণ"

তবে ২জনের দৃষ্টিভঙ্গি এবং যুক্তি ভিন্ন হলেও তারা উভয়েই একটি বিষয়ে নিশ্চিত যে, শিশুদের চিন্তা ধারার একটা বড় অংশ তার পরিবার, সংস্কৃতি এবং পারিপার্শ্বিকতার মাধ্যমে ব্যাপক ভাবে প্রভাবিত হয়।

শুনুন! হ্যাঁ আপনাকেই বলছি। নিচের ছবিতে হলুদ রং দেখতে পাচ্ছেন? হ্যাঁ পাওয়ারই কথা৷ কিন্ত যদি বলি নিচের ছবিতে কোনো হলুদ রং ...
11/11/2022

শুনুন! হ্যাঁ আপনাকেই বলছি। নিচের ছবিতে হলুদ রং দেখতে পাচ্ছেন? হ্যাঁ পাওয়ারই কথা৷ কিন্ত যদি বলি নিচের ছবিতে কোনো হলুদ রং নেই?

না মাথা নষ্ট করবার দরকার নেই৷ আসলেই নিচের ছবিতে কোনো হলুদ রং নেই। এটি একটি ইলুশন বা দৃষ্টিভ্রম। আর এটি তৈরি করেছেন আকিওশি কিটাওকা নামে একজন এক্সপেরিমেন্টাল সাইকোলজিস্ট। তিনি এই ধরণের বিভিন্ন ইলিউশনাল ছবি তৈরি করে থাকেন। যদি এখনও রং এর ব্যাপারটি বিশ্বাস না হয় তাহলে ছবিটি জুম করে দেখুন। তাহলে হলুদ অংশে সাদা রংটি খুজে পাবেন। অথবা কালার পিকার এর ফিচার যুক্ত যেকোনো ফটো এডিটিং সফটওয়্যার বা অ্যাপ খুলে ছবির ওই অংশের কালার নির্বাচন করুন। সেখানেও সাদা রং ই দেখাবে।

05/11/2022

সম্প্রতি একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে যেটি দেখে মনে হচ্ছে বুঝি আকাশে একসাথে দুইটি সূর্য অথবা পাশাপাশি চাঁদ আর সূর্য অবস্থান করছে। ভিডিওটি ধারণ করেছেন আশিক চৌধুরী নামে এক ব্যক্তি। তবে এডিট করা কিংবা আসলে অতি প্রাকৃতিক কোনো ঘটনা মনে হলেও ভিডিওতে দেখানো দ্বিতীয় সূর্যটি রিফ্লেকশন বা প্রতিফলম বাদে আর কিছুই না।

মূলত আশিক চৌধুরী ভিডিওটি ধারণ করেছেন আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্স দিয়ে। এবং তার ভাষ্যমতে তার ক্যামেরার ওপর লেন্স প্রটেকটর লাগানো ছিল। মূলত মাঝেমধ্যে ফোনের ক্যামেরার ওপর প্রটেকটর থাকার কারণে এমন আলোর প্রতিফলন লক্ষ্য করা যায়৷ এই ধরণের রিফ্লেকশনকে অফসেট লেন্স রিফ্লেকশন বলে।

এই দুইটি সূর্যের মধ্যে যেটি একটু কম আলোকিত সেটি মূলত সূর্যের আকার এবং আকৃতি নির্দেশ করছে। অপরদিকে উজ্জ্বল সূর্যটি সূর্যের প্রকৃত অবস্থান নির্দেশ করছে। অফসেট রিফ্লেকশন মোবাইল টিল্ট বা বাঁকা করার সাথে সাথে মূল সূর্যের সাথে নিদিষ্ট কোণে বেকে যায়৷ কিন্তু এখানে ভিডিও করার সময় ক্যামেরা না বাঁকানোর ফলে বা এক অক্ষে থাকার কারণে রিফ্লেকশন সোজাই লাগছে৷ তবে ভালো করে লক্ষ্য করলে কম আলোকিত সূর্যটি ( মূলত যেটি রিফ্লেকশন) সেটিকে হালকা নড়তে লক্ষ্য করবেন।

পাশাপাশি জনাব আশিকের তথ্যমতে ক্যামেরায় দুইটি সূর্য দেখা গেলেও বাস্তবে বা খালি চোখে ওই মূহুর্তে এমন কিছু দেখা যাচ্ছিল না। পাশাপাশি তিনি আইফোনটি বাদে অন্য ফোন দিয়েও সূর্যের ভিডিও করার চেষ্টা করেন। কিন্তু সেখানেও এমন কোনো দ্বিতীয় সূর্যের দেখা পাননি। এছাড়া একেবারে শেষে লক্ষ্য করলে দেখবেন মূল সূর্যের প্রতিবিম্ব পানিতে দেখা গেলেও পাশের সূর্যটির কোনো প্রতিবিম্ব পানিতে সৃষ্টি হয়নি। তাই মোটামুটি এটাই ধারণা করা যায় এটি অফসেট রিফ্লেকশন, কোনো অতিপ্রাকৃতিক ঘটনা নয়!

ভিডিও ক্রেডিটঃ Ashik Chowdhury

⭕ রাসূল (ﷺ) প্রবল বেগে বায়ু প্রবাহিত হতে দেখলে বলতেন—اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِهَا وَخَيْرِ مَا فِيهَا وَ...
24/10/2022

⭕ রাসূল (ﷺ) প্রবল বেগে বায়ু প্রবাহিত হতে দেখলে বলতেন—

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِهَا وَخَيْرِ مَا فِيهَا وَخَيْرِ مَا أُرْسِلَتْ بِهِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّهَا وَشَرِّ مَا فِيهَا وَشَرِّ مَا أُرْسِلَتْ بِهِ

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা মিন খাইরিহা, ওয়া খাইরি মা ফীহা, ওয়া খাইরি মা উরসিলাত্ বিহী, ওয়া আঊযু বিকা মিন শাররিহা, ওয়া শাররি মা ফীহা, ওয়া শাররি মা উরসিলাত্ বিহী।

অনুবাদ : হে আল্লাহ! তোমার নিকট আমি এ বাতাসের মঙ্গল, এর মাঝে নিহিত মঙ্গল এবং যে মঙ্গলসহ এটা পাঠানো হয়েছে তা প্রার্থনা করি। আর এর ক্ষতিকর দিক, এর মাঝে নিহিত ক্ষতি এবং যে ক্ষতিসহ এটা পাঠানো হয়েছে তা হতে তোমার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করি।

[আত-তিরমিজি : ৩৪৪৯]

16/10/2022

সময় টিভি—র ১৭ মিলিয়ন সাবস্ক্রাইবার বিশিষ্ট ইউটিউব চ্যানেলটি হ্যাক করা হয়েছে। সম্প্রতি চ্যানেলটির নাম পরিবর্তন করে 'Ethereum 2.0' দেওয়া হয়েছে।

BREAKING NEWS The Royal Swedish Academy of Sciences has decided to award the 2022 Nobel Prize in Physics to Alain Aspect...
04/10/2022

BREAKING NEWS
The Royal Swedish Academy of Sciences has decided to award the 2022 Nobel Prize in Physics to Alain Aspect, John F. Clauser and Anton Zeilinger “for experiments with entangled photons, establishing the violation of Bell inequalities and pioneering quantum information science.”

Alain Aspect, John Clauser and Anton Zeilinger have each conducted groundbreaking experiments using entangled quantum states, where two particles behave like a single unit even when they are separated. Their results have cleared the way for new technology based upon quantum information.

The ineffable effects of quantum mechanics are starting to find applications. There is now a large field of research that includes quantum computers, quantum networks and secure quantum encrypted communication.

One key factor in this development is how quantum mechanics allows two or more particles to exist in what is called an entangled state. What happens to one of the particles in an entangled pair determines what happens to the other particle, even if they are far apart.

For a long time, the question was whether the correlation was because the particles in an entangled pair contained hidden variables, instructions that tell them which result they should give in an experiment. In the 1960s, John Stewart Bell developed the mathematical inequality that is named after him. This states that if there are hidden variables, the correlation between the results of a large number of measurements will never exceed a certain value. However, quantum mechanics predicts that a certain type of experiment will violate Bell’s inequality, thus resulting in a stronger correlation than would otherwise be possible.

John Clauser developed John Bell’s ideas, leading to a practical experiment. When he took the measurements, they supported quantum mechanics by clearly violating a Bell inequality. This means that quantum mechanics cannot be replaced by a theory that uses hidden variables.

BREAKING NEWSThe Nobel Assembly at the Karolinska Institutet has today decided to award the 2022 Nobel Prize in Physiolo...
03/10/2022

BREAKING NEWS
The Nobel Assembly at the Karolinska Institutet has today decided to award the 2022 Nobel Prize in Physiology or Medicine to Svante Pääbo “for his discoveries concerning the genomes of extinct hominins and human evolution.”

Humanity has always been intrigued by its origins. Where do we come from, and how are we related to those who came before us? What makes us, Homo sapiens, different from other hominins?

Through his pioneering research, Svante Pääbo accomplished something seemingly impossible: sequencing the genome of the Neanderthal, an extinct relative of present-day humans. He also made the sensational discovery of a previously unknown hominin, Denisova. Importantly, Pääbo also found that gene transfer had occurred from these now extinct hominins to Homo sapiens following the migration out of Africa around 70,000 years ago. This ancient flow of genes to present-day humans has physiological relevance today, for example affecting how our immune system reacts to infections.

Pääbo’s seminal research gave rise to an entirely new scientific discipline; paleogenomics. By revealing genetic differences that distinguish all living humans from extinct hominins, his discoveries provide the basis for exploring what makes us uniquely human.

Learn more
Press release: https://bit.ly/3R3zFP3
Advanced information: https://bit.ly/3r3Obvy

৫০ বছর পর আজ চাঁদের উদ্দেশ্য যাত্রা শুরু করবে নাসার ওরিয়ন মহাকাশযান । আর মাত্র কয়েক ঘন্টা বাকি। আজ সোমবার বাংলাদেশ সময় ...
29/08/2022

৫০ বছর পর আজ চাঁদের উদ্দেশ্য যাত্রা শুরু করবে নাসার ওরিয়ন মহাকাশযান । আর মাত্র কয়েক ঘন্টা বাকি। আজ সোমবার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যে ৬টা ৩৩ মিনিটে রকেটটি উৎক্ষেপণ করা হবে। এই পুরো মিশনটির নাম আর্টেমিস। যদিও এই রকেটে করে কোন মানুষ পাঠানো হচ্ছে না। তবে ২০২৫ সালে প্রথমবারের মত কোনো নারী নভোচারি চাঁদের মাটিতে পা রাখবে আর্টেমিস মিশনের মধ্য দিয়েই।

তথ্য ও ছবিঃ NASA,BBC News,VOA বাংলা।

এতদিন বৃহষ্পতির বাকি ছবিগুলো হলদেটে  ছিলো। কিন্ত সম্প্রতি প্রকাশিত ছবি নীল কেন??🙄🙄(বিস্তারিত আসছে শীঘ্রই😉😉 .........)
26/08/2022

এতদিন বৃহষ্পতির বাকি ছবিগুলো হলদেটে ছিলো। কিন্ত সম্প্রতি প্রকাশিত ছবি নীল কেন??🙄🙄
(বিস্তারিত আসছে শীঘ্রই😉😉 .........)

Address

Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when A Theory posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share