WebMingle Design Hub

WebMingle Design Hub I'm Nur Mohammad Anas, a friendly Full Stack Web Developer, Senior Graphics Designer, and SEO Expert. Hi, I'm Nur Mohammed Anas. Thank you.

Feel free to contact me for any assistance or if you want to chat about web development, graphic designing or SEO. I am an experienced Graphic Designer. I do any kind of work related to Adobe Photoshop and Adobe Illustrator such as vector tracing, Business cards, Flyer design, Logo design, Brochure design, Banner design, Back ground removal, Products color changing, T-shirt design, Icon Design, Po

ster Design and many more... I always try to achieve customer satisfaction and good quality work. If you have questions about my service, then please send me a message at any time. I will contact you as soon as possible. 100% satisfaction is guaranteed.

গতকাল মাইক্রোসফট এক নোটিশে ৯ হাজার এমপ্লয়িকে লে-অফ করেছে। গত মাসে করেছিলো ৬ হাজার, সব মিলিয়ে গত দুইমাসে শুধুমাত্র মাইক্র...
05/07/2025

গতকাল মাইক্রোসফট এক নোটিশে ৯ হাজার এমপ্লয়িকে লে-অফ করেছে। গত মাসে করেছিলো ৬ হাজার, সব মিলিয়ে গত দুইমাসে শুধুমাত্র মাইক্রোসফট থেকেই লে-অফ হলো ১৫ হাজার!
সফটওয়্যার ডেভলাপার আর আইটি পিপলের স্বপ্নের সিলিকন ভ্যালিতে এখন হাহাকার, চাকরির বাজার খেয়ে দিচ্ছে এআই! এইটা আর গল্প না, ভবিষ্যত না, একদম নিরেট বাস্তবতা এখানে।
AI Revolution-এর যুগে কোন দশটা টেকনিক্যাল জব ঠিকঠাক টিকে থাকবে? আমি নিজেও এ প্রশ্নটার উত্তর খুজতেছি। কারন, আমি জানি সময়ের স্রোতের সাথে সমগতিতে আমাকে চলা শিখতে হবে, না হলে যেখানে আমি থামবো, সেখানে কেবল আমি একাই থামবো, আর কেউ থামবে না, আর সেখান থেকেই হয়ত শুরু হবে আমার তলিয়ে যাওয়ার শুরু।
নিজেকে আপস্কিল করার রিসার্চ করতে যেয়ে আমি মোটামুটি একটা উত্তর পেয়েছি। কিছুটা রিসার্চ আর ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে আমি মোটামুটি দশটা পজিশনকে আইডেন্টিফাই করেছি যাদের চাহিদা এআই-এর যুগেও টিকে থাকবে বলে আশা করা যায়।
আজ পাঁচটি নিয়ে লিখি, একদম প্রথম পাঁচ!

১। ডেটা সিকিউরিটি ইঞ্জিনিয়ার

২। সাইবার সিকিউরিটি ইঞ্জিনিয়ার

৩। ডেভঅপস ইঞ্জিনিয়ার

৪। AI/Machine Learning Engineer

৫। প্রিসেলস/ টেকনিক্যাল সেলস ইঞ্জিনিয়ার

একদম শুরুতেই আমি ডেটা সিকিউরিটি ইঞ্জিনিয়ারটা এজন্য রাখলাম যে, এআই আমাদের সোশাল মিডিয়া, ব্যাক্তিগত মোবাইল ফোন থেকে শুরু করে করপোরেটের ডিভাইস পর্যন্ত পৌছে গেছে। আপনার আমার ব্যাক্তিগত হোক বা অফিসিয়াল তথ্য, সমস্ত গোপন তথ্যকে আমরা এআই এর হাতে তুলে দিচ্ছি। বিষয়টা এমন না যে, এআই নিজে এসে আপনার আমার তথ্য নিয়ে নিচ্ছে, না, বরং আমরা নিজেরাই আমাদের তথ্যকে এআই এর হাতে তুলে দিচ্ছি। এইটা জন্মতারিখ, জন্মের স্থান, ছোট বড় সমস্ত তথ্য। এই যে পাবলিকলি এভেইলেবল ডোমেইনগুলাতে নিজের তথ্য দিয়ে দিচ্ছি, এআই সেসবকে স্টোর করছে, তার মডেলকে আরও বেশি ইনফরমেশন দিয়ে ট্রেইনআপ করছে, এই ইনফরমেশন কিন্তু আপনার আমার ব্যাক্তিগত ও করপোরেট ইনফরমেশ থেকেই নিচ্ছে!
যদি জিজ্ঞেস করি, এআই এর খাদ্য কি? এককথায় উত্তর হলো, এআই এর খাদ্য হচ্ছে তথ্য বা ইনফরমেশন, যে যত বেশি খাবে, তার আউটপুট ততো ভালো, ততো সুনিপুন হবে, তরতাজা হবে, স্বাস্থ্যবান হবে। আপনি ২০২৩ সালের শেষ দিকের চ্যাটজিপিটি আর আজকের চ্যাটজিপিটির রেস্পন্সে তথ্যের ডিফারেন্সিয়েশনটা দেখেন, আশ্চর্য হচ্ছেন না? হওয়া উচিত! এ সবকিছু সে একা একা পেয়ে যায়নি, তাকে আপনি আমি ফিড করিয়েছি! আর সেজন্যই কোম্পানিগুলো এখন বাধ্যতামূলক ডেটা সিকিউরিটি ইঞ্জিনিয়ার খুঁজছে। তারা তাদের কর্পোরেট ডেটাকে সিকিউরড রাখতে চায়! কারন যেকোন একটা ছোট্ট ভুল, ট্রিলিয়ন ডলারের জায়ান্টকে নামিয়ে দিতে পারে একদিনে। আমি যখন ডেটা সিকিউরিটি নিয়ে কাজ শুরু করেছিলাম, ২০২১ এর শেষদিকে, তখন হার্ডলি একটা পজিশন পাওয়া যেতো। বাংলাদেশে তো ছিলোই না, আজও নেই হয়ত! কিন্তু আজকাল যতোগুলা লিংকডইনে নক পাই, তার ৭০ ভাগই ডেটা সিকিউরিটি ইঞ্জিনিয়ার বা আর্কিটেক্ট পজিশনের জন্য!
২য় স্থানে রাখছি সাইবার সিকিউরিটি ইঞ্জিনিয়ার পজিশনটা। এ নিয়ে ডিটেইলে যাবো না, কেননা আমরা জানি সাইবার সিকিউরিটি ইঞ্জিনিয়ার কি এবং কেন প্রয়োজন। যদিও এআই এসে সমস্ত এটাককে অটোমেশনে নিয়ে আসছে, হিউম্যান রেইজড থ্রেট বা এটাক আজকাল খুব একটা নাই, বেশির ভাগই সিস্টেম জেনারেটেড। এখন প্রশ্ন আসতে পারে, এটাক যেহেতু এআই বেইজড হচ্ছে, সিকিরিটি প্রিভেনশন ম্যাজার্সগুলোও এআই বেইজড হচ্ছে, তাই না? উত্তর হচ্ছে ইয়েস! কিন্তু সাইবার সিকিউরিটিতে আজীবন মানুষের চাকরি থাকবে, কেননা এখানে মানুষের সরাসরি ডিসিশান নিতে হবে, এডভান্সড সক টুলসগুলো আপনাকে এটাক সম্পর্কে হয়ত ধারনা দিবে, কিন্তু রেন্সপন্স এর ডিসিশানটা আজীবনই মানুষকেই নিতে হবে!
তারপরে রাখছি ডেভঅপস ইঞ্জিনিয়ার, অনেকে ভাবতে পারেন সটওয়্যার ডেভলাপার না রেখে আমি ডেভঅপ্সকে রাখলাম কেন? ডেভলাপার যদি প্রোডাক্ট না বানায়,ডেভঅপস ইঞ্জিনিয়ার এসে কি করবে? দেখেন মূল পার্থ্যক্যটা এখানেই, ডেভলাপারের কাজ হলো নতুন সফটওয়্যার/অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করা, কোড লেখা, ফিচার তৈরি করা, এবং বাগ ফিক্স করা ইত্যাদি, যেটা এআই করে দিচ্ছে অল্রেডি, অন্তত ৪০ থেকে ৫০% ইতোমধ্যেই করে তো দিচ্ছেই! এখন সমস্ত কোম্পানিগুলো সামনে আরও বেশি অটোমেশনে যাবে, যেখানে কোডারের চেয়ে ইন্টিগ্রেট করতে পারা ইঞ্জিনিয়ারের প্রয়োজন পড়বে বেশি, তাই যেখানেই অটোমেশন, সেখানেই ডেভঅপস ইঞ্জিনিয়ার। এ জায়গাটাতে বর্তমানে যারা সটওয়্যার ডেভলাপার হিসেবে আছেন, তারা নিজেদেরকে মাইগ্রেট করে নিবে বলে ধারনা করি!
চার নাম্বারে রাখছি, AI/Machine Learning Engineer। খুব দ্রুতই এমন একটা সময় আসতে যাচ্ছে, যেখানে আপনি মেশিন বা টুলসকে ইনস্ট্রাকশন দিবেন শুধু, যেটাকে এআই এর ভাষায় আমরা Prompt Engineering বলি, এআই যেহেতু ইনস্ট্রাকশন ফলো করে, তাই প্রয়োজন পড়বে এমন মানুষের যে প্রপার ইনস্ট্রাকশন দিয়ে এআই টুলসের মাধ্যমে ডিজেয়ার্ড আউটপুট নিয়ে আসবে। তাছাড়া এআই মডেলগুলো যেহেতু ইনফরমেশন ফিড করে বেঁচে থাকে, সেক্ষেত্রে ডেটার পরিমাণ বেড়ে যাবে অত্যাধিক, মেশিন লার্নিং ইঞ্জিনিয়ারদের চাহিদা এখানেই বাড়বে ডেটাকে প্রসেস করতে। কেননা এই বিশাল ডেটা থেকে ইনসাইট বের করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য AI/ML ছাড়া আর কোনো উপায় নাই!
পঞ্চমটা প্রিসেলস/ টেকনিক্যাল সেলস ইঞ্জিনিয়ার, খুবই ট্রেডিশনাল। পৃথিবী যতই এগিয়ে যাক না কেন, সেলস হবে মানুষে মানুষে হিউম্যান ইন্টারেকশন দিয়ে। এ জায়গাতে টেকনিক্যাল সেলসের চাহিদা আজ যেমন আছে, তেমনি থাকবে। তবে শুধু প্রি-সেলস না, আগামীর ডিরেক্ট সেলসে টিকে থাকতে হলেও এআই টুলসগুলোর ব্যবহার জানতে হবে, কারন মার্কেট ইনসাইট তখন টিপিক্যাল ব্যবসা প্রশাসনের লোকদের চেয়ে টেকলোজি জানা সেলস পার্সনদের চাহিদা বাড়বে। পৃথিবী যত দ্রুত এগুচ্ছে, আমরা মানুষরা সমগতিতে হয়ত এগুতে পারছি না।
এআই এর এ এক্সপোনেন্সিয়াল গ্রোথ, আমাদের সাতশ কোটি মানুষকে নিয়ে একটা রিয়েলটাইম স্কুইড গেম খেলছে, যেখানে আপনি জানেন, 'জেতা'র চেয়ে 'এলিমিনেটেড' হওয়া এখানে সবচে সহজ!
সো ডেয়ার প্লেয়ার্স, গেট রেডি!

21/10/2024

দয়া করে আপনার
নন-ট্যাকনিক্যাল বন্ধু বান্ধব বা আত্মীয় স্বজনের সামনে ট্যাকনিক্যাল আলোচনা করবেন না...
কারণ
সে না PHP বুঝে...
না Laravel বুঝে....
না react/vue সম্পর্কে তার নূন্যতম কোন আইডিয়া আছে.. !!!
দেখা যায় দুইদিন পর সে একটা কোম্পানী খুলে বসে আর লারাভেল+রিয়েক্ট এর ERP বা ecommerce কিনতে লাফালাফি করে...
তাও আবার বাজেট ১০K... 😆
ভাই,
তার আসলে প্রয়োজন এর প্রয়োজন Wordpress সাইট...
বাট আপনার কাছে লারাভেল বা রিয়েক্ট বা rest API এর নাম শুনে সে ভাবে, ১০ হাজারে লারাভেল সাইট পাওয়া যাবে..... 😑😑😑

30/09/2024

চাকরি আপনাকে খুঁজবে
রাজা আহমেদ
প্রকাশ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৪,
স্কুলের গন্ডি পার হতে না হতেই কমবেশি সবারই টনক নড়ে এই ভেবে ‘অনেক তো হলো ক্লাসে ফার্স্ট হওয়ার প্রতিযোগিতা, এবার না হয় ফিউচার ক্যারিয়ার নিয়ে একটু সময় দিই। দেশে দিন দিন বেকারের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে যাচ্ছে। শিক্ষার্থীরা স্নাতক পাস করার পরেও চাকরি খুঁজে পাচ্ছে না। কিন্তু আসলেই কি চাকরির এত অভাব? বর্তমানে দেখা যায় যে সব চাকরির ক্ষেত্রেই যোগ্যতার প্রয়োজন হয়। শিক্ষার্থীদের মধ্যে সেই পরিমাণ যোগ্যতা না থাকার কারণে তারা তাদের মনমতো চাকরি খুঁজে পান না। কারণ শিক্ষার্থীরা জানেন না একজন চাকরি প্রার্থীর মধ্যে কী কী যোগ্যতা থাকা উচিত। একজন শিক্ষার্থী হিসেবে সবার প্রথমে আমাদের জানা উচিত যে কোন কোন যোগ্যতা থাকলে সহজেই চাকরি পাওয়া যাবে। যোগ্যতার সঙ্গে কিছু ছোট ছোট পন্থাও অবলম্বন করতে হবে।
সিজিপিএ বা রেজাল্ট ভালো রাখতে হবে
এই সময়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রচলিত ধারনা হলো, পড়াশুনার চেয়ে এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া। হ্যাঁ, এটা সত্য যে আজকের চাকরির বাজারে টিকে থাকতে হলে পড়াশুনার পাশাপাশি এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটি অনেক বেশি জরুরি। তবে কোনো সাবজেক্টকেই ছোট করে দেখার অবকাশ নেই। নিজের পছন্দমতো সাবজেক্ট পাননি বলে শুধুমাত্র ন্যূনতম গ্রেডের পেছনে ছোটা অনর্থক। তার চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের চারটা বছর কষ্ট করে ভালো রেজাল্ট নিয়ে বের হতে পারলে নানা দিকে ক্যারিয়ার করার অনেক সুযোগ আপনা-আপনিই সামনে চলে আসবে। জেনে রাখা ভালো বাংলাদেশে সিজিপিএ ৩.০ এর নিচের যেকোনো গ্রেডের ট্যাগলাইন সঙ্গে নিয়ে স্বনামধন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরির আবেদন করাটা অনেক বেশি বিপজ্জনক।
ভাষার দক্ষতা
আমাদের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হলো ইংরেজিতে ভয়। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে লক্ষ করবেন চাকরির ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইংরেজিতে নিজেদের ভালো করে তোলা। আপনি বাংলা এবং ইংরেজি স্পোকিং রাইটিং-এ সব দুর্বলতা দূর করা ছাড়াও তৃতীয় কোনো ভাষাও শিখতে পারেন। যা আপনার সিভিকে বাকিদের তুলনায় অনেক এগিয়ে রাখবে। অনেক কোম্পানি আছে যারা বাংলাদেশ ছাড়াও বিশ্বের অনেক দেশেই কাজ করে থাকে। এই সব মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে দেখা যায় যে লিঙ্গুইস্ট মানুষদের জন্য আলাদা সুবিধা রয়েছে। স্প্যানিশ, ফ্রেঞ্চ, ল্যাটিন হলো এমন কিছু ভাষা যা অল্প দিনে সহজেই শিখে নেওয়া সম্ভব এবং এগুলো কিছুটা ইংলিশ ভাষার সঙ্গে সংগতিপূর্ণও। এগুলো ছাড়াও আপনি প্রোগ্রামিংয়ের ভাষা শিখতে পারেন যেমন জাভা-সি ল্যাংগুয়েজ। বর্তমান টেকনোলজির এই বিশ্বে এই সব ভাষা চাকরির ক্ষেত্রে আপনাকে অনেক বেশি এগিয়ে রাখবে। বর্তমানে আপনি একটু খোঁজ নিয়ে দেখতে পাবেন অনেক কোম্পানিতেই এমন চাকরি প্রার্থী খুঁজছে যারা এই সব ভাষাতে দক্ষ।
ভুলে যাবেন না সাধারণ ভুলগুলো
আমরা চাকরি পাওয়ার জন্য সব গুণাবলি অর্জন করলাম। কিন্তু তীরে এসেও কিন্তু তরী প্রতিনিয়তই ডুবে। সারা দিন হাজারো পড়াশুনা করে, হাজারো অভিজ্ঞতা, দক্ষতা অর্জন করে দিনশেষে যদি আপনি নিজের সিভিটা ঠিকমতো শর্টিং করতে না পারেন তাহলে হয়তো সহানুভূতি দেওয়ার মানুষও খুঁজে পাওয়া দায় হয়ে পড়বে। অনেক সময় চাকরি পেতে এই সব খুঁটিনাটি বিষয়কেই মানদ- ধরা হয়। একটু সতর্কতা আর সামান্য নির্দেশনা পেলেই কিন্তু আপনি সহজেই আপনার কাক্সিক্ষত চাকরির এক্সেপ্টেন্স লেটারটা সঙ্গে করে নিয়ে আসতে পারবেন। তার জন্য আজই শিখে নেওয়া উচিত সিভি ও কভার লেটার লেখার পরিপূর্ণ নিয়মাবলি, ইন্টারভিউ রুমের আদবকেতা, বিভিন্ন সাধারণ শুভেচ্ছাবাচক বাক্যের উত্তরে সঠিক জবাব প্রদান, ইমেইল লেখার সঠিক দিকনির্দেশনা, নিজস্ব আচার-আচরণে প্রফেশনালিজমের পরিচয়।
আনুষঙ্গিক প্রস্তুতি
একজন চাকরি প্রার্থী হিসেবে আপনার প্রথম কাজ থাকবে একটি সুগঠিত সিভি তৈরি করা। যেটা সম্পূর্ণ কোনো ধরনের কপি পেস্ট ছাড়া আপনার নিজের হাতে তৈরি করতে হবে। সিভি ও কভার লেটার লেখার পরিপূর্ণ নিয়মাবলি আপনাকে জানতে হবে। ইমেইল লেখার সঠিক নিয়ম আপনাকে জানতে হবে। কারণ আমরা অনেকেই ফর্মাল ইমেইল লিখতে পারি না। এমনও অনেক শিক্ষার্থী আছেন যারা চাকরির আবেদনে নিজেদের ইমেইল ভুল করেন। চাকরির ভাইভাতে আপনাকে যখন ডাকবে তখন সেখানকার আদবকেতা সম্পর্কে আপনাকে জানতে হবে। বিভিন্ন সাধারণ শুভেচ্ছাবাচক বাক্যের উত্তরে সঠিক জবাব দেওয়ার মতো যোগ্যতাটুকু যেন আপনার থাকে সেই দিকে অবশ্যই নজর রাখবেন। দিন দিন বিভিন্ন ধরনের নতুন নতুন চাকরির সৃষ্টি হচ্ছে।
দেশ-দেশান্তর JIB Officials ☑️

টার্গেট ও রি-টার্গেট অর্ডিয়েঞ্চ কে স্থায়ী কাস্টমার বানানোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপায় হলো ওয়েবসাইট।🎯 একটি ওয়েবসাইট আপনার...
20/05/2024

টার্গেট ও রি-টার্গেট অর্ডিয়েঞ্চ কে স্থায়ী কাস্টমার বানানোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপায় হলো ওয়েবসাইট।🎯
একটি ওয়েবসাইট আপনার ব্র্যান্ডিং পরিচয় গড়ে তোলার পাশাপাশি কাস্টমারকে স্থায়ীভাবে ধরে রাখতে সহযোগিতা করে।🥰
তাই বিশ্বজুড়ে ব্যবসা ছড়িয়ে দিতে ওয়েবসাইট বানান এখনই।

তাই আর দেরি না করে আপনার প্রতিষ্ঠানের জন্য অথবা আপনার জন্য আজই তৈরী করে নিন আপনার পছন্দমত ওয়েবসাইট 🥰

আপনার প্রয়োজনে আমরা দিচ্ছি :
◼ কোম্পানী ওয়েবসাইট
◼ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট
◼ ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট
◼ ব্লগ ওয়েবসাইট
◼ ট্রেইনিং প্রতিষ্ঠান ওয়েবসাইট
◼ কোচিং সেন্টার ওয়েবসাইট
◼ নিউজপেপার ওয়েবসাইট
◼ ট্যুর/ভিসা ফার্ম/রিসোর্ট ওয়েবসাইট
◼ হোটেল ও পর্যটন ওয়েবসাইট
◼ ফার্নিচার কোম্পানী ওয়েবসাইট
◼ রিয়েল এস্টেট কোম্পানী ওয়েবসাইট
◼ ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়েবসাইট
◼ কন্সট্রাকশন কোম্পানী ওয়েবসাইট
◼ বায়িং হাউজ ওয়েবসাইট
◼ গার্মেন্টস ওয়েবসাইট
◼ ইন্টেরিয়র ডিজাইন কোম্পানী ওয়েবসাইট
◼ মার্কেটিং ফার্ম ওয়েবসাইট
◼ ল-ফার্ম ওয়েবসাইট
◼ হাসপাতাল ওয়েবসাইট
◼ ক্লিনিক ওয়েবসাইট
◼ ইন্ডাস্ট্রিয়াল কোম্পানি ওয়েবসাইট

আমাদের সার্ভিস সমূহঃ
√ ওয়েবসাইট ডিজাইন
√ ডেভেলপমেন্ট ।
√ গ্রাফিক্স ডিজাইন।
√ ডোমেইন এবং হোস্টিং।

আর সুপারফাস্ট ওয়েবসাইট বানাতে আসুন আমাদের অফিসে বা কল করুন অনলাইন এ
What's app :- +880 1796-299607

03/04/2024

বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল) নিয়ন্ত্রিত তিনটি ডোমেইন সার্ভারে হঠাৎ করেই দেখা দিয়েছে ত্রুটি। ফলে মঙ্গলবার রাত থেকেই এসব ডোমেইন সার্ভার নিয়ন্ত্রিত কোনো সরকারি-বেসরকারি ওয়য়েবসাইটে প্রবেশ করতে পারছেন না ব্যবহারকারীরা।

যেসব ওয়েবসাইটের শেষে ডট গভ ডট বিডি, ডট বাংলা বা ডট কম ডট বিডি রয়েছে সেগুলো বিটিসিএলের সার্ভার থেকে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। দেশের প্রায় সবগুলো মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এসব ডোমেইন দিয়ে বানানো। ফলে সেগুলোতে প্রবেশ করতে পারছেন না ব্যবহারকারীরা। এ ছাড়া ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান দারাজ, ইভ্যালি ও সংবাদ সংস্থা ইউএনবিসহ বহু বেসরকারি ওয়েবসাইট এসব ডোমেইন দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করায় সেগুলোতেও প্রবেশ করা যাচ্ছে না।

জানা যায়, মঙ্গলবার রাত থেকে বিটিসিএল নিয়ন্ত্রিত তিনটি ডোমেইন সার্ভারে ত্রুটি দেখা দিয়েছে। এর ফলেই ব্যবহারকারীরা সরকারি-বেসরকারি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে পারছেন না।

কচ্ছপ আর খরগোশের গল্পটা আমরা সবাই জানি। কিন্তু মজার বিষয় হল আমরা গল্পের শুধু প্রথম অংশটাই পড়েছি।আপনি কি জানতেন যে, এই গ...
02/03/2024

কচ্ছপ আর খরগোশের গল্পটা আমরা সবাই জানি। কিন্তু মজার বিষয় হল আমরা গল্পের শুধু প্রথম অংশটাই পড়েছি।

আপনি কি জানতেন যে, এই গল্পের আরো ৩ টি অধ্যায় আছে! যা হয়তো আমরা কেউ কেউ পড়েছি বা শুনেছি, কিন্তু বেশিরভাগ মানুষই পড়িনি।

গল্পের বাকি অংশটুকু এবার জেনে নিন🥰🥰

🔰১ম অংশ:
এই অংশটা আমরা ছোটবেলায় বইয়ে পড়ছি। এখানে খরগোশ ঘুমিয়ে যায়, আর কচ্ছপ জিতে যায়। প্রথমবার হেরে যাওয়ার পর খরগোশ বিশ্লেষণ করে দেখল তার পরাজয়ের মূল কারণ 'অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস।' তারমানে অতি আত্মবিশ্বাস যে কারো জন্যই ক্ষতিকর। আর কচ্ছপ বুঝল, লেগে থাকলে সাফল্য আসবেই!

🔰২য় অংশ:
হেরে যাওয়ার পর এবার খরগোশ আবারো কচ্ছপকে দৌড় প্রতিযোগিতায় চ্যালেঞ্জ করল আর কচ্ছপও রাজী হল।

এবার খরগোশ না ঘুমিয়ে দৌড় শেষ করল এবং জয়ী হল। খরগোশ বুঝল, মন দিয়ে নিজের সামর্থের পুরোটা দিয়ে কাজ করলে দ্রুত সফল হওয়া যায়।

আর কচ্ছপ বুঝল, ধীর স্থির ভাবে চলা ভালো, তবে কাজে উপযুক্ত গতি না থাকলে প্রতিযোগীতা মূলক পরিবেশে জয়ী হওয়া অসম্ভব!

🔰৩য় অংশ:
কচ্ছপ এবার খরগোশকে আরেকবার দৌড় প্রতিযোগিতার আমন্ত্রন জানালো। খরগোশও নির্দিধায় রাজী হয়ে গেল। তখন কচ্ছপ বলল, "একই রাস্তায় আমারা ২ বার দৌড়েছি, এবার অন্য রাস্তায় হোক।" খরগোশও রাজী। অতএব নতুন রাস্তায় দৌড় প্রতিযোগিতা শুরু হল।

যথারীতি খরগোশ জোরে দৌড় শুরু করে দিল। কচ্ছপও তার পিছন পিছন আসতে শুরু করল। কচ্ছপ যখন খরগোশ এর কাছে পৌঁছাল, দেখল খরগোশ দাঁড়িয়ে আছে, কিন্তু দৌড়ের শেষ সীমানায় যেতে পারেনি।

কারণ দৌড়ের শেষ সীমানার আগে একটি খাল আছে। কচ্ছপ খরগোশ এর দিকে একবার তাকালো, তারপর তার সামনে দিয়ে পানিতে নেমে খাল পার হয়ে দৌড়ের শেষ সীমানায় পৌছে প্রতিযোগিতা জিতে গেল।

খরগোশ বুঝল, শুধু নিজের শক্তির উপর নির্ভর করলেই হবে না, পরিস্থিতি আর বাস্তবতা অনুধাবন করাও ভীষণ প্রয়োজনীয়! আর কচ্ছপ বুঝল, প্রথমে প্রতিযোগীর দূর্বলতা খুজে বের করতে হবে, তারপর সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা করতে হবে।

গল্প কিন্তু এখানেই শেষ নয়‼️

🔰চতুর্থ অংশ:
এবার খরগোশ কচ্ছপকে আরেকটি দৌড় প্রতিযোগিতার জন্য আহবান জানালো এই একই রাস্তায়। কচ্ছপ ও রাজী। কিন্তু এবার তারা ঠিক করল, প্রতিযোগী হিসেবে নয়, বরংএবারের দৌড়টা তারা দৌড়াবে সহযোগী হিসেবে!

শুরু হল প্রতিযোগিতা। খরগোশ কচ্ছপকে পিঠে তুলে দৌড়ে খালের সামনে গিয়ে থামলো।এবার কচ্ছপ খরগোশ এর পিঠ থেকে নেমে খরগোশকে নিজের পিঠে নিয়ে খাল পার হল।তারপর আবার কচ্ছপ খরগোশ এর পিঠে উঠে বাকী দৌড় শেষ করল আর এবার তার দু জনই একসাথে জয়ী হল।

📚এখান থেকে আমরা আসলে কি শিখলাম?

আমরা শিখলাম, ব্যক্তিগত দক্ষতা থাকা খুবই ভালো। কিন্তু দলবদ্ধ হয়ে একে অপরের দক্ষতাকে কাজে লাগাতে পারলেই আসে সত্যিকারের সাফল্য যেখানে সবাই বিজয়ীর হাসি হাসতে পারে।

আপনি কি এই গল্পটার পুরোটা আগে জানতেন? মজার এই গল্পটি শেয়ার করে সবাইকে পড়ার সুযোগ করে দিতে পারেন🥰🥰

26/07/2023
Shortcut keys
20/03/2023

Shortcut keys





Winter collection poster degin.
09/11/2022

Winter collection poster degin.

Address

Mirpur/10
Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when WebMingle Design Hub posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to WebMingle Design Hub:

Share