Alternative Skills Development

Alternative Skills Development Strong suffix-bright possibilities
ALTERNATIVE SKILLS DEVELOPMENT
"Alternative Skills Development"

21/05/2025

Hallo, mein Name ist Maruf Hossain. Ich bin 31 Jahre alt. Ich komme aus Bangladesch. Ich wohne in Dhaka. Ich spreche Bengalisch, Englisch und ein bisschen Deutsch. Ich bin Softwareingenieur von Beruf. Meine Hobbys sind Reisen, Kochen und Fußballspielen.

12/10/2024

Here’s a list of 60 common English idioms and phrases with their Bangla meanings:

1. A blessing in disguise – বিপদের ভেতরেই মঙ্গল লুকিয়ে থাকা।

2. A penny for your thoughts – কী ভাবছো তা জানাতে চাই।

3. A piece of cake – খুব সহজ কাজ।

4. Actions speak louder than words – কাজ কথার চেয়ে বেশি শক্তিশালী।

5. Add fuel to the fire – আগুনে ঘি ঢালা।

6. An arm and a leg – খুব বেশি খরচ।

7. Barking up the wrong tree – ভুল ব্যক্তিকে দোষারোপ করা।

8. Beat around the bush – মূল বিষয়ে না আসা।

9. Bite off more than you can chew – বেশি কাজ নিয়ে ফেলা।

10. Break the ice – প্রথমে কথা শুরু করা।

11. Burn the midnight oil – রাত জেগে পড়াশোনা বা কাজ করা।

12. Caught between a rock and a hard place – দুই দিক থেকেই বিপদে থাকা।

13. Cost an arm and a leg – অনেক ব্যয়বহুল।

14. Cross that bridge when you come to it – সমস্যা হলে তখনই তার সমাধান করা।

15. Cry over spilt milk – যা চলে গেছে তার জন্য দুঃখ করা অর্থহীন।

16. Cut corners – কোন কাজ সঠিকভাবে না করা।

17. Don’t count your chickens before they hatch – কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত ফল আশা করা ঠিক নয়।

18. Every cloud has a silver lining – প্রতিটি খারাপ পরিস্থিতির ভেতরেও ভালো কিছু থাকে।

19. Give the benefit of the doubt – অন্যকে সন্দেহ না করে বিশ্বাস করা।

20. Hit the nail on the head – সঠিকভাবে কোন কিছু ব্যাখ্যা করা।

21. Ignorance is bliss – না জানা ভালো।

22. It takes two to tango – দুই পক্ষই দায়ী।

23. Jump on the bandwagon – জনপ্রিয় বা চলমান কোন কিছুতে অংশগ্রহণ করা।

24. Kill two birds with one stone – এক ঢিলে দুই পাখি মারা।

25. Let the cat out of the bag – গোপন কিছু ফাঁস করে দেওয়া।

26. Make a long story short – সংক্ষেপে বলা।

27. Miss the boat – সুযোগ হারিয়ে ফেলা।

28. No pain, no gain – কষ্ট ছাড়া অর্জন নেই।

29. On the ball – সতর্ক থাকা।

30. Once in a blue moon – খুব বিরল ঘটনা।

31. Piece of cake – খুব সহজ।

32. Pull someone's leg – কাউকে মজা করে ধোঁকা দেওয়া।

33. Put all your eggs in one basket – সব কিছু এক জায়গায় বিনিয়োগ করা।

34. Rain on someone's parade – কারো আনন্দ নষ্ট করা।

17/05/2021
06/04/2021

করোনায় আরো ৬৬ জনের মৃত্যু; মোট প্রাণহানি ৯,৩৮৪ জন
নমুনা পরীক্ষা ৩৪,৩১১; নতুন রোগী ৭,২১৩।

31/01/2021

muri

19/01/2021

ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসের পরিসংখ্যান ,

চাকরির আবেদন খরচ ৫ টা - ১৫০০ টাকা
৪ বার ঢাকা আসা যাওয়া খরচ ১২,০০০টাকা
বই ও শীট ফটোকপি ৬৫০০/-
মানে ২০,০০০/- টাকা। এছাড়া যারা পরিবারের বাইরে থাকে তাদের বাসা ভাড়া, খাবার ও ব্যক্তিগত খরচ তো আছেই!

কোচিং কিংবা অনলাইন ক্লাসের ফি টা বাদ ই দিলাম।

একটা বেকার ছেলে যদি একটা ভাল চাকুরি পেতেই প্রতি মাসে অন্তত ১২,০০০ টাকার উপরে খরচ করে এবং এর বোঝা এই বয়সে তার পরিবার কে টানতে হয়, সেই হিসেবে দেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখনো অনেক ভাল আছে মনে করি আমি।

২৬ লক্ষ বেকারের এই বাড়তি খরচ যোগাতে দেশে দিনে দুপুরে কি করবে!

আচ্ছা একটি ৯ম গ্রেডের চাকরির প্রিলিমিনারি ফি কেন ৫০০/৭০০/৯০০/১০০০ টাকা বলতে পারেন???

১ ঘন্টার চাকরির পরীক্ষার জন্য দেশের বিভিন্নপ্রান্ত থেকে ৮/১০ ঘন্টা ও অর্থ ব্যয় করে আমি ঢাকা কেন যাব??? তাহলে বিভাগীয় শহর করার প্রয়োজন কি ছিল???

পরীক্ষার হলে ব্যাগ- মোবাইল ঢুকাতে দেন না। যাদের ঢাকায় কেউ নাই তারা মূল্যবান জিনিস কোথায় রাখবে??? সাধের পরীক্ষা দিতে এসে সখের মোবাইল হারিয়েছেন অনেকেই।

ছাত্রদের অধিকার নিয়েই যদি না ভাববে তবে দেশের এত ছাত্রসংগঠনের, অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের, ডাকসু, চাকসু, হাবিজাবির প্রয়োজন কি????

প্রিলি হলে রিটেন হয় না, রিটেন হলে ভাইবা বোর্ডে উনাদের পছন্দ হয় না, উনাদের অপছন্দের কারনে চাকরি হয় না।

আর এই বয়সে ভাল চাকরি না হলে কি হয় তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। অনেকের বৃদ্ধ মা বাবা শান্তিতে মরতেও পারেনা ছেলে মেয়ের একটা ভাল অবস্থান দেখে যেতে না পারার কারনে।

কয়েকদিন আগে খবরে পড়েছি,ভারতে উচ্চশিক্ষিত ছেলে ফুড ডেলিভারির কাজ করায় অবসাদে আত্নহত্যা করেছেন বৃদ্ধ পিতা মাতা!

আমাদের ২৪-৩০ বছরের ছেলে মেয়েরা মানসিক দিক থেকে অনেক স্ট্রং যার কারনে এখানে আত্নহত্যার রেট নাই বললেই চলে।

আর ৩০ বছর পার হলেই চাকরির বাজারে আপনার খেলা শেষ! আপনি আবেদনের অযোগ্য! অথচ অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে পোস্ট গ্রাজুয়েশন শেষ করতেই ২৭/২৮/২৯ বছর লেগে যাচ্ছে সেশন জট সহ নানা প্রতিকূলতার কারনে।

৩০ বছর পার হলে যে পড়াশোনার দাম দেশে নাই, সে পড়াশুনায় জীবনের ২৯ টি বছর আমি কেন অতিবাহিত করব বলতে পারেন????

এত আজাইরা সময় নষ্ট না করে১৮ বছর বয়সে ইউরোপ- আমেরিকার কিংবা মধ্যপ্রাচ্যে কামলা দিলেও বাড়ি, গাড়ি ও কোটি টাকার মালিক হতে পারতাম।

কি লাভ বলেন তো ভাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাল সাবজেক্ট এ 1st Class/2nd class পেয়ে...!!

(সংগৃহীত)

20/11/2020

যারা নতুন প্রোগ্রামিং শিখতে শুরু করছে তাদের জন্য এক ডজন টিপস

১. এনজয় করো বা না করো লেগে থাকো
প্রোগ্রামিং শেখা শুরু করলে প্রথম প্রথম কিছুদিন মজা লাগবে। বিশেষ করে যখন সব ঠিকমতো কাজ করবে। তখন ঠিকই ভালো লাগবে। তবে প্রোগ্রামিং শিখতে গেলে সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং সময় হচ্ছে-- যখন কোন কিছু কাজ করছে না। তখনও লেগে থাকতে পারা। যে লেগে থাকবে সে প্রোগ্রামার হয়েই যাবে।

সবকিছুই যে একবার বা দুইবার দেখেলে সবাই বুঝে ফেলবে এমনটা আশা করার কোন দরকার নাই। বরং কিছু জিনিস যদি দুই-তিনবার দেখার পরেও তুমি ২০% বুঝতে পারবে না। তখন ছেড়ে না দিয়ে হয় অন্য টিউটোরিয়াল খুঁজে বের করো। বা সেই জিনিসটা কিছু দিনের জন্য সাইডে রেখে অন্য জিনিস দেখতে থাকো


২. প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ চেইঞ্জ করবে না।
সব প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজই ভালো। সব প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ এরই ডিমান্ড আছে। তবে তুমি যেটা শিখতে শুরু করেছো। মিনিমাম এক বছর সেই প্রোগ্রমিং ল্যাঙ্গুয়েজ এর সাথে লেগে থাকতে হবে। এই ডাল থেকে আরেক ডালে লাফালাফি করতে যেও না। তেমন সলিড কিছু তৈরি হবে না।


৩. পার্টনার খুঁজে বের করো
আশেপাশে কাউকে খুঁজে না পেলেও, বিভিন্ন ফেইসবুক গরূপে খুঁজে বের করো। যাতে তুমি কোথাও আটকে গেলে প্রশ্ন করতে পারবে। বা সাজেশন পেতে পারবে। আর শেখার জন্য সবচেয়ে ইফেক্টিভ সিস্টেম হচ্ছে আরেকজনকে শেখানো। কারণ কাউকে বুঝাতে গেলেই তোমার কাছে জিনিসগুলো আরেকটু ক্লিয়ার হয়ে উঠবে। বা কোন একটা গরূপে কেউ একটা প্রব্লেম এর কথা বললো তুমি গুগল এ সার্চ দিয়ে হলেও যদি সেটার উত্তর খুঁজে বের করে দাও। তাহলে তার উপকারে লাগুক বা না লাগুক। এই উছিলায় তোমার কিছুটা শেখা হয়ে গেলো।


৪. প্রোগ্রামিং শেখাকে প্রায়রিটি দাও
একদিন ১০ ঘন্টা প্রোগ্রামিং করলাম। আর তারপরের দেড় মাস কোন খোঁজ রাখলাম না। তাহলে তোমাকে দিয়ে প্রোগ্রামিং হবে না। বরং রেগুলার হতে হবে। পরীক্ষা বা অন্য কোন সমস্যা না থাকলে প্রতিদিন তিন থেকে চার ঘন্টা সময় দেয়ার চেষ্টা করো। কোনদিন গ্যাপ গেলে সেটাকে পুষিয়ে দেয়ার চেষ্টা করো। ছুটির দিনগুলিতে (শুক্রবার বা শনিবার )বা পরীক্ষা শেষ হলে যে গ্যাপ পাবে তখন ফাটিয়ে প্রোগ্রামিং করবে।


৫. টিউটোরিয়াল শুধু দেখলে হবে না প্রাকটিস করতে হবে
শুধু ভিডিও দেখলে কোন লাভ হবে না। বরং ভিডিও দেখতে দেখতে ভিডিও pause করে নিজেকেও প্রাকটিস করতে হবে। ভিডিওতে যা যা করে দেখাচ্ছে সেটা তোমাকেও করতে হবে। আবার চোখ বন্ধ করে টাইপ করে গেলে হবে না। কখন কোন জিনিস টাইপ করছো। সেটা কেন টাইপ করছো সেটা চিন্তা করতে হবে। এবং যেটা টাইপ করতেছো সেই কাজটাই অন্য কোনভাবে করা যেতো কিনা সেটা চিন্তা করতে হবে।


৬. টিউটোরিয়াল চেইঞ্জ করে নিজের প্রজেক্ট বানিয়ে শিখো
কোথাও টিউটিরিয়াল দেখে দেখে হুবহু টাইপ করলে তোমার আসল শেখা হবে না। বরং তোমার আসল শেখা হবে যখন তুমি টিউটিরিয়াল টা ৭০-৮০% চেইঞ্জ করে দিয়ে নিজের মতো করে করার চেষ্টা করবে। আর চেইঞ্জ করে প্রজেক্ট করার সময় একটাই শর্ত-- কোথাও আটকে গেলে, যে ভিডিও দেখে মেইন জিনিসটা শিখছো সেটা দেখা যাবে না। বরং সেটা করা অন্য যেকোন ভিডিও দেখতে পারবে। গুগলে সার্চ দিতে পারবে। তাহলেই তুমি তোমার নিজের প্রজেক্ট করতে গিয়ে যখন স্ট্রাগল করবে। যখন কনফিউজড হবে যে এইখানে while লুপ দিবো না for লুপ দিবো। বা এইখানে দুইটা ক্লাস বানানো উচিত নাকি একটা ক্লাস বানানো উচিত এই রকম কনফিউশনে যখন পড়বে তখনই তোমার আসল শেখা হবে।


৭. ডাটা স্ট্রাকচার ভালো করে শিখো
প্রোগ্রাম চলার সময় বিভিন্ন তথ্য বা ডাটা কিভাবে রাখতে হবে সেটা বুঝার জন্য কয়েকটা ডাটা স্ট্রাকচার (data structure) শিখতে হবে। তার মধ্যে হ্যাশ টেবিল (hash table) বা ডিকশনারি মাস্ট শিখতে হবে। তারপরে Stack এবং Queue সম্পর্কে কিছু আইডিয়া নিতে হবে। বেশি তেল থাকলে linked list, Tree নিয়ে গুতাগুতি করতে পারেন।


৮. অল্প হলেও কিছু এলগরিদম শিখো
একটা array এর মধ্যে নির্দিষ্ট কোন একটা উপাদান খুঁজে বের করা পদ্ধতিতে বলা হয় search। মিনিমাম linear search এবং binary search এর কোড নিজ হাতে লিখে প্রাকটিস করতে হবে। একটা array এর উপাদানগুলিকে ছোট থেকে বড় বা বড় থেকে ছোট সাজানোর পদ্ধতিকে প্রোগ্রামিং এর ভাষায় sorting বলে। কমপক্ষে bubble sort নিজ হাতে প্রোগ্রামিং করতে পারতে হবে। অন্যসব sorting যেমন, merge sort, selection sort, insertion sort নিজে নিজে প্রোগ্রামিং করতে পারলে আপনি এগিয়ে যাবেন।


৯. অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং শিখো
প্রোগ্রামিং কনসেপ্ট সম্পর্কে ধারনা থাকতে হবে। তারমধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে Object Oriented Programming যেটাকে সংক্ষেপে OOP বলা হয়। OOP তে প্রোগ্রাম এর বিভিন্ন জিনিসকে বাস্তব দুনিয়ার বস্তু বা অবজেক্ট হিসেবে চিন্তা করা হয়। OOP এর তিনটা প্রধান অংশ- Inheritance, Encapsulation এবং Polymorphism সম্পর্কে ক্লিয়ার ধারণা থাকতে হবে।


১০. ডাটাবেজ শিখো
কোন একটা সফটওয়্যার এপ্লিকেশনের ডাটা দীর্ঘ মেয়াদে সংরক্ষণ করার জন্য ডাটাবেস ব্যবহার করা হয়। ডাটাবেস গুলার মধ্যে MySQL এবং
Mongodb জনপ্রিয়। এই দুইটার যেকোনো একটাতে কিভাবে ডাটা রাখতে হয়, বের করে আনতে হয় সেটা জানতে হবে। আরো একটু বেশি জানতে চাইলে, কোন একটা স্কুলের বিভিন্ন ক্লাসের স্টুডেন্টদের নাম, সাবজেক্ট, পরীক্ষার নম্বর সহ যাবতীয় তথ্য সংরক্ষণের জন্য ডাটাবেজে কি কি টেবিল লাগবে সেটা শিখতে হবে।


১১. যত পারো প্রজেক্ট করো
যত ডিফারেন্ট ডিফারেন্ট প্রজেক্ট করবে। প্রোগ্রামিং এর বিভিন্ন লজিক, বিভিন্ন টেকনিক যতভাবে এপ্লাই করার চেষ্টা করবে। তোমার স্কিল তত বেশি পোক্ত হবে। কনফিডেন্স তত বেশি হবে।


১২. নেটওয়ার্কিং করো, নিজের এবিলিটি প্রকাশ করো
প্রোগ্রামিং শিখে চৌকির তলায় লুকিয়ে থাকলে কেউ তোমাকে খুঁজে বের করে চাকরি দিবে না। তাই এক দেড় বছর ভালো করে প্রোগ্রামিং শেখার পর তোমার কাজ হবে, তুমি যেই লাইনের প্রোগ্রামিং শিখতেছো সেই লাইনে যারা জব করতেছে তাদের সাথে যোগাযোগ করা। তারা কিভাবে ক্যারিয়ার শুরু করছে তাদের কাছ থেকে টিপস নেয়া। তুমি কি কি প্রজেক্ট করছো সেগুলা শেয়ার করো। নিজের সিভি/রেজুমি বানাও। লিংকডইন প্রোফাইল আপডেট করো।

প্রোগ্রামিং শিখতে কষ্ট হবে। মাঝে মধ্যেই আটকে থাকবে। ছেড়ে দিতে ইচ্ছে করবে। এর মধ্যেও যারা লেগে থাকবে তারা ঠিকই প্রোগ্রামার হয়ে উঠবে। আর যারা ছেড়ে দিবে তারা হারিয়ে যাবে।

আর লাস্ট কথা মনে রাখবে। প্রোগ্রামিং এমন একটা জগৎ যেখানে খুব ভালো প্রোগ্রামার হলেও যেমন ডিমান্ড আছে। একটু কম ভালো প্রোগ্রামার হলেও ডিমান্ড আছে। আবার অনেক কম ভালো প্রোগ্রামার হলেও QA, টেকনিক্যাল সাপোর্ট, প্রজেক্ট ম্যানেজার, সফটওয়্যার মার্কেটিং টাইপের চাকরিও আছে। সো, এই লাইনে লেগে থাকলে কিছু না কিছু ঠিকই হয়ে যাবে।

07/11/2020

িটার্ন_দাখিল করার ১০টি প্রয়োজনীয় টিপস্ঃ

আমাদের দেশে আয়কর রিটার্ন দাখিল করাকে অনেকে খুব ঝামেলা ঝক্কির বিষয় বলে মনে করে থাকেন। আমাদের মাঝে অনেকেরই বদ্ধমূল ধারণা এই যে, রিটার্ন দাখিল করলেই ট্যাক্স অফিসের নজরে পড়ে যাবে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে যে, রিটার্ন দাখিল না করলেই বরঞ্চ ট্যাক্স অফিসের নজরে পড়বে। তাই, করযোগ্য আয় থাকুক বা না থাকুক টিন নিলেই রিটার্ন দাখিল করাই শ্রেয়। পাশাপাশি যদি একটু কৌশলী হওয়া যায় তাহলে তো কথাই নেই, উল্টো আরও কর ছাড়ও পাওয়া যাবে। নিম্নে রিটার্ন দাখিল করার ১০টি প্রয়োজনীয় টেকনিক নিয়ে আলোচনা করা হলঃ

🔹টেকনিক-১- পুরুষদের ৩ লাখ ও ৬৫ বৎসরের বেশী বয়ষ্ক পুরুষ এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় হলে কোন কর দিতে হবে না। সুতরাং যারা করমুক্ত সীমার নিচে আয় করেছেন তারা নির্ভয়ে রিটার্ন জমা দিন। কিন্তু যাদের বেতন করমুক্ত সীমা অতিক্রম করেছে, খেয়াল করলে দেখা যাবে যে, তাদের প্রত্যেকেরই বেতন দেয়ার সময় অফিস থেকে ট্যাক্স কেটে রাখে এবং তারা যদি সরকার নির্ধারিত খাতে বিনিয়োগ করার ফলে তারা যে রিবেট(কর ছাড়) পাবে এরপর আর কোন আর ট্যাক্স দিতে হচ্ছে না, শুধু রিটার্ন দাখিল করলেই যথেষ্ট।

🔹টেকনিক-২- বাড়ীওয়ালারা যারা মাসিক ২৫ হাজার টাকার বেশী ভাড়া পেয়ে থাকেন তারা যদি বাড়ী ভাড়ার জন্য আলাদা ব্যাংক একাউন্ট পরিচালনা করে এবং বাড়ী ভাড়ার রশিদ, চুক্তি পত্র ও খাতা পত্র সংরক্ষণ করে সেক্ষেত্রে, তাদের আয়করের ক্ষেত্রে, আবাসিক হলে ভাড়ার ২৫% মেরামত বাবদ বাদ দিতে সুবিধা হবে এবং কোন প্রশ্নের সম্মুখীন হবে না। বাড়ির উপর হোম লোন নিয়ে থাকলে লোনের কাগজপত্র নিশ্চিন্তে জমা দিন, লোনের উপর কোন ট্যাক্স দিতে হয় না উল্টো আরও লোনের সুদ বাড়ী ভাড়ার আয় থেকে বাদ দেয়া যায়। পাশাপাশি সময়মত পৌড়কর পরিশোধ করুন যা বাড়ী ভাড়ার আয় থেকে বাদ দিতে পারবেন এবং ট্যাক্স এর ক্ষেত্রে সুবিধা নিতে পারবেন।

🔹টেকনিক-৩- যারা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আছেন তারা যদি ব্যাংকের মাধ্যমে লেনদেন করে অর্থাৎ তাদের ব্যবসার নামে আলাদা ব্যাংক একাউন্ট থাকে তাহলে সেক্ষেত্রে রিটার্ন করার ক্ষেত্রে ব্যাংক একাউন্টকে প্রাধান্য দেয়া উচিৎ। এক মালিকানা ব্যবসার ক্ষেত্রে অবশ্যই একটি Income Statement ও Balance Sheet তৈরি করে দিতে হবে।

🔹টেকনিক-৪- যারা পেশাজীবী তারা খাতাপত্র সংরক্ষণ করলে তাদের জন্য ট্যাক্স দিতে সুবিধা হয়। যেমন ধরুন, ডাক্তারের আয়ের ক্ষেত্রে, একজন ডাক্তার কতজন নতুন রোগী দেখেছেন ও কতজন পুরাতন রোগী দেখেছেন এবং কত টাকা ফি নিয়েছেন তার একটি হিসাব রাখলে ট্যাক্স দিতে সুবিধা হয় তাছাড়াও পরবর্তীতে আয় নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করলে আয়ের প্রমাণস্বরূপ নথিপত্র দাখিলের সুযোগ থাকে।

🔹টেকনিক-৫- সঞ্চয়পত্রের সুদের ট্যাক্স আলাদা গননা করতে হবে। এই সুদের উপর পুনরায় কোন ট্যাক্স দিতে হয় না। যেমন ধরুন, রহিম এর বেতন থেকে আয় ২লাখ ৯০হাজার টাকা এবং সঞ্চয়পত্রের সুদ থেকে আয় ১লাখ টাকা। তথাপি, রহিমের মোট আয় ৩লাখ টাকার উপরে কিন্তু তাকে আর পুনরায় ট্যাক্স দিতে হবে না। কারণ, রহিমের নিয়মিত আয় ৩লাখ টাকার নিচে এবং সঞ্চয়পত্রের সুদের আয় থেকে ট্যাক্স কেটে রাখা হয়েছে, যা চূড়ান্ত করদায় হিসেবে গণ্য। কিন্তু, রহিমকে ট্যাক্স রিটার্ন দাখিল করতে হবে।

🔹টেকনিক-৬- পার্টনারশিপ ফার্মের ক্ষেত্রে আলাদা রিটার্ন দাখিল করতে হয় এবং মজার বিষয় হচ্ছে, পার্টনারশিপ ফার্মের যে ট্যাক্স আমরা পরিশোধ করব তা ব্যক্তিগত রিটার্নে রিবেট(কর ছাড়) নেয়া যায়। একটি উদাহরণের সাহায্যে বিষয়টি তুলে ধরা হল। যেমন ধরুন, রহিম ও করিম দুই বন্ধু মিলে একটি পার্টনারশিপ ব্যবসা চালু করল (রহিমের ও করিমে প্রত্যেকের শেয়ার ৫০ শতাংশ করে) এবং পার্টনারশিপ ব্যবসা থেকে আয়ের উপর ট্যাক্স পরিশোধিত হওয়ার কারণে সেই টাকা ব্যক্তিগত ট্যাক্স ফাইলে অন্যান্য আয়ের সাথে সমন্বয় করে রিবেট(কর ছাড়) নিতে পারবে। সেক্ষেত্রে, রহিম ও করিমের ব্যক্তিগত ট্যাক্স ফাইল দাখিল করার পূর্বে পার্টনারশিপ ফার্মের ট্যাক্স রিটার্ন আগে দাখিল করতে হবে, অর্থাৎ মোট ৩টি ট্যাক্স রিটার্ন দাখিল করতে হবে।

🔹টেকনিক-৭-কোন সম্পত্তি(জমি বা ফ্ল্যাট) হস্তান্তর করে মুনাফা হলে তা রিটার্নে মূলধনী আয় হিসেবে দেখাতে হবে। জমি বা ফ্ল্যাট বিক্রি করে আয় হলে উক্ত আয় মূলধনী আয় হিসেবে গণ্য হবে। আমাদের মধ্যে অনেক করদাতা আছেন যারা ব্যক্তি পর্যায়ে জমি বা ফ্ল্যাট বিক্রি করে আয় গোপন রাখে। ধারণা করেন যে, জমি বা ফ্ল্যাট বিক্রির আয় রিটার্নে প্রদর্শন করলে আলাদা ট্যাক্স দিতে হবে। এটি একটি ভুল ধারণা। জমি বা ফ্ল্যাট বিক্রি করার সময় রেজিস্ট্রি অফিস ট্যাক্স কেটে রেখে দেয়। এর পর আর কোন ট্যাক্স দিতে হয় না। এই ট্যাক্স চূড়ান্ত করদায় হিসেবে গণ্য হবে।

🔹টেকনিক-৮-অন্যান্য সূত্রের আয় যেমনঃ FDR এর সুদ প্রাপ্ত হলে রিটার্নে দেখানো উচিৎ। কেননা, ব্যাংক থেকে মুনাফা দেয়ার সময় ট্যাক্স কেটে রাখা হয়। যেমন ধরুন, রহিম এর একমাত্র আয়ের উৎস FDR এর মুনাফা বাবদ ২লাখ ৮০হাজার টাকা পেয়েছে যা করযোগ্য আয় সীমার নিচে এবং ব্যাংক এই ২লাখ ৮০হাজার টাকা থেকে ২৮ হাজার টাকা ট্যাক্স হিসেবে কেটে রাখেছে, সেক্ষেত্রে রহিম ট্যাক্স রিটার্ন দাখিল করলে তাকে ট্যাক্স দিতে হবে না এমনকি পরের বছরগুলোতে ২৮হাজার টাকা প্রত্যার্পণ বা স্বমন্বয় করতে পারবেন।

🔹টেকনিক-৯- ট্যাক্স রিটার্নে শুধুমাত্র ট্যাক্সের হিসাবই নয়, আয়-ব্যয়, সম্পত্তি-ঋণ, দান ইত্যাদি সবকিছুর তথ্য অন্তর্ভুক্ত করতে হয়। তাই, সকল বৈধ সম্পত্তি ট্যাক্স রিটার্নে উল্লেখ করলে করদাতার জন্যই সুবিধা। প্রয়োজনে রিটার্ন জমা দেয়ার পূর্বে একটি চেকলিস্ট তৈরি করে নিন।

🔹টেকনিক-১০- আয়কর পরিপত্র ভালোভাবে পড়ুন। ট্যাক্স রিটার্ন দাখিল করাকে অনেকে হালকা ভাবে নেয়। কিন্তু, আমাদের মতে, ট্যাক্স রিটার্ন দাখিল করার সময় একবার নয়, বেশ কয়েকবার আয়কর অধ্যাদেশ, ১৯৮৪, আয়কর রিটার্ন, আয়কর পরিপত্র ইত্যাদি বইগুলো ভালোভাবে পড়া উচিৎ। তথ্য সমৃদ্ধ না হয়ে আয়কর রিটার্ন পূরণ না করাই শ্রেয়।

পরিশেষে বলতে হয়, যদিও ৩০ নভেম্বর আয়কর রিটার্ন জমা দেয়ার শেষ সময়, তথাপি, শেষ সময়ের জন্য অপেক্ষা না করে আগেই রির্টাণ দাখিলের কাজ সম্পন্ন করা উচিত।
এক্ষেত্রে প্রয়োজনে আইনি পরামর্শের জন্য আয়কর আইনজীবীর পরামর্শ নেয়া যেতে পারে।

পরিমার্জনায়ঃ
মোঃ সুলতান উদ্দিন
ইষ্টার্ণ ম্যানশান, লেভেল-০৫, রুম নং- ০৩,
৬৭/৯, পাইওনিয়ার রোড, কাকরাইল, ঢাকা
[email protected]

04/11/2020

শয়তানের একটি লক্ষ্য সেটি হলো আপনাকে জাহান্নামের আগুনে নিয়ে ফেলা।আপনি যদি এই পৃথিবীকে ভালোবাসেন তবে তার কাজটি সহজ হয়ে যায়।
-মেনক🍂

 #চলমান_নিয়োগ_বিজ্ঞপ্তিঃআবেদন করতে না পারলে আমি হেল্প করব ইনশাআল্লাহ, ।।।।।।।।।।।।।। ১। পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর।পদসমূহ...
03/11/2020

#চলমান_নিয়োগ_বিজ্ঞপ্তিঃ
আবেদন করতে না পারলে আমি হেল্প করব ইনশাআল্লাহ, ।।।।।।।।।।।।।।

১। পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর।
পদসমূহঃ ৩৬ ক্যাটাগরির ১৫৬২টি পদ।
আবেদন ফিঃ ১১২ টাকা, ৫৬ টাকা।
আবেদনের সময়সীমাঃ ০৯-১১-২০২০ থেকে ৩০-১১-২০২০ ইং।
অনলাইনে আবেদনঃ
http://dgfp.teletalk.com.bd

২। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
পদের নাম ও পদসংখ্যাঃ সহকারী শিক্ষক- ৩২,০০০+ টি পদ।
আবেদনের সময়সীমাঃ ২৪-১১-২০২০।
আবেদন ফিঃ ১১০ টাকা।
অনলাইনে আবেদনঃ
https://dpe.teletalk.com.bd

৩। রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক।
পদের নাম ও পদসংখ্যাঃ ০৬ ক্যাটাগরির ৩১৬টি পদ।
(i) কম্পিউটার অপারেটর - ৩২টি পদ
(ii) ক্যাশিয়ার- ১২২টি পদ
(iii) ডাটা এন্ট্রি অপারেটর - ১৪৬ টি পদ।
আবেদন ফিঃ ১১২ টাকা।
আবেদনের সময়সীমাঃ ২০-১১-২০২০ ।
অনলাইনে আবেদনঃ http://rakub.teletalk.com.bd/home.php

৪। পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।
পদের নাম ও পদসংখ্যাঃ ক্যাশ সহকারী -৪৮ টি পদ (কম/ বেশি)।
শুধুমাত্র 'আমার বাড়ি আমার খামা্র' প্রকল্পের মাঠ-সহকারীদের জন্য প্রযোজ্য।
আবেদন শেষ তারিখঃ ০৫-১১-২০২০ ।
অনলাইনে আবেদনঃ http://202.40.191.122/rr/Pages/ApplicationForm.aspx

৫/ NRB Commercial Bank.
পদসমুহঃ
(i) ১৫০টি পদঃ PROBATIONARY OFFICER, TRAINEE ASSISTANT OFFICER, TRAINEE JUNIOR OFFICER.

৬। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।
পদসমূহঃ ২৮ ক্যাটাগরির ৪০৩২টি পদ।
আবেদন ফিঃ ১১২ টাকা।
আবেদনের সময়সীমাঃ ৩০-১১-২০২০ ।
অনলাইনে আবেদনঃ http://dshe.teletalk.com.bd

৭। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ইন্সটিটিউট।
পদের নাম ও পদসংখ্যাঃ
(i) বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (এস ও) - ০৭ টি পদ
(ii) সহকারী পরিচালক- ০৪ টি পদ
(iii) টেকনিশিয়ান (কম্পিউটার) – ০১ টি পদ
(iv) সহকারী (হিসাব) – ০১ টি পদ
(v) সহকারী (লাইব্রেরি) – ০১ টি পদ
আবেদনের সময়সীমাঃ ১৬-১১-২০২০।
অনলাইনে আবেদনঃ
http://bpi.teletalk.com.bd

০৮। নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানী বাংলাদেশ লিমিটেড।
পদসমূহঃ ১৯ ক্যাটাগরিতে ৩৬৮টি পদ।
আবেদনের সময়সীমাঃ ১৫-১১-২০২০ ইং।
অনলাইনে আবেদনঃ
http://npcbl.teletalk.com।

০৯। শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট; প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
পদের নাম ও পদসংখ্যাঃ
(i) হিসাব রক্ষক -১টি পদ
(ii) সহকারী শিক্ষক -৪৪টি পদ
(iii) অফিস সহায়ক -১ টি পদ
আবেদন ফিঃ ১১২টাকা, ৫৬ টাকা।
আবেদনের সময়সীমাঃ ১২-১১-২০২০ ।
অনলাইনে আবেদনঃ
http://skt.teletalk.com.bd

১০। কর কমিশনারের কার্যালয়, কর অঞ্চল ১৫, ঢাকা।
পদ সমূহঃ ৯ ক্যাটাগরির পদ।
আবেদন ফিঃ ১১২ টাকা, ৫৬ টাকা।
আবেদনের সময়সীমাঃ ১০-১১-২০২০।
অনলাইনে আবেদনঃ
http://tax15.teletalk.com.bd

১১। তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিষ্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড।
পদের নামঃ বিভিন্ন পদ।
আবেদনের সময়সীমাঃ ০৫-১১-২০২০।
আবেদন ফিঃ ২৫০ টাকা।
অনলাইনে আবেদনঃ
http://
# সংগ্রিহিত

03/11/2020

আজকে থেকেই চাকরির জন্য পড়াশুনা শুরু করতে চান, তাহলে আপনার করনীয় কি....?
১) প্রথমেই চাকরির প্রশ্ন সম্বলিত একটি জব সল্যুশন বা গাইড কিনে নিন। গাইডটিতে বিগত সালের প্রশ্ন দেখতে থাকুন। পড়াশুনার আইডিয়া পেয়ে যাবেন। বাজারে প্রাইম/হক/পারফেক্ট প্রকাশনীর জব সল্যুশন পাবেন। বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান করলে (২০১৫-২০১৯) ৫০% প্রস্তুতি হয়ে যায়। প্রশ্ন সমাধান করলে কি কি আপনার পড়তে হবে বুঝে যাবেন। পিএসসির ৩ধাপের নিয়োগের জন্য প্রকাশনীগুলোর আলাদা বই পাবেন ২টিঃ প্রিলি এবং লিখিত। ভাইভার কোন গাইড নেই। অর্থ্যাৎ আপনাকে ৩টি বই কিনতে হবেঃ জব সল্যুশন, ননক্যাডার প্রিলি প্রশ্নব্যাংক, ননক্যাডার লিখিত প্রশ্নব্যাংক। মুল পাঠ্যবই ও গাইড কিনে ৫-৬হাজার টাকা খরচ করতে হবে।
২) পরীক্ষার কেন্দ্রভেদে (বুয়েট, মিস্ট, IBA, KUET, PSC) প্রশ্নের ধরন ও মানবণ্টন ভিন্ন হয়। আমাদের গ্রুপের ফাইল সেকশানে Exam Pattern ফাইল পাবেন। ফাইলটি প্রিন্ট করে নিন। সাধারণত বুয়েট এবং পিএসসি; ২টি প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার আলোকে প্রস্তুতি নিলেই যথেষ্ট। কেন্দ্রভদে বর্তমানে ২০-২৫% সিলেবাস চেঞ্জ হয়। শুধুমাত্র পরীক্ষার পূর্বে ১০-১৫দিন প্যাটার্ন অনুসরন করুন। পরীক্ষার কেন্দ্র অনুযায়ী কয়েকটি সাবজেক্টে জোর দিতে হয়, তাই প্যাটার্ন বুঝতে গ্রুপের Exam Pattern ফাইলের সাথে মিলিয়ে প্রতিটি সেন্টারের অন্তত ২টি করে প্রশ্ন জব সল্যুশন থেকে সমাধান করুন।
৩) প্রতিটি সাবজেক্টের নোট বানান। পরীক্ষায় বড় প্রশ্ন তেমন আসে না। তাই বড় বড় প্রশ্ন নোট না করে; গুরুত্বপূর্ণ সুত্র, ম্যাথ, টিকা এবং সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন নোট করুন। যে যে টপিক/ম্যাথ/সুত্র বুঝবেন না; একটা নোটে লিখে রাখুন। ১৫/৩০দিন পর-পর যে বুঝিয়ে দিতে পারবে এমন বড় ভাই, শিক্ষক, সহপাঠী, জুনিয়রের হেল্প নিন। কোন কোন সাবজেক্ট ও টপিক অনুশীলন করবেন, সেই সাজেশান আমাদের গ্রুপে পাবেন। একটু কষ্ট করে গ্রুপে EEE/CSE/Electrical Suggestion লিখে সার্চ দিয়ে বের করতে হবে।
৪) বাংলা, সাধারন জ্ঞান, আন্তর্জাতিক, বাংলাদেশ- বিসিএসের প্রিলিমিনারী গাইড সিরিজ (প্রফেসরস/ওরাকল/MP3 প্রকাশনী) অনুসরন করুন রুটিন অনুযায়ী টানা ১মাস। পাশাপাশি কনফিডেন্স রিসার্স গ্রুপ এর “বিসিএস প্রিলি ডাইজেস্ট”টি কিনুন। ১০-১৫দিনে পুরো সিলেবাস কাভার করতে বইটি অতুলনীয়।
৫) মানসিক দক্ষতা দ্রুত সমাধান করা শিখতে প্রফেসরস প্রকাশনীর মানসিক দক্ষতা গাইড কিনে অনুশীলন করুন। গণিতের জন্য যেকোন বিসিএস প্রিলি বই যথেষ্ট। ভারতের Indiabix ওয়েবসাইট, GATE পরীক্ষার বিগত সালের প্রশ্ন, Saifur's MBA Math কিনেও পড়তে পারেন।
৬) বর্তমানে আবেদন করার জন্য শুধু ছবি, সিগনেচার এবং একটা টেলিটক সিম হলেই চলে। প্রতিটি জবের সার্কুলার গ্রুপ থেকেই জেনে যাবেন। তাই কবে, কখন, কি-কি নিয়োগ আসবে এইসব চিন্তা বাদ দিন। সপ্তাহে একদিন গ্রুপের ছবিগুলো চেক করলেই সব সার্কুলার দেখতে পাবেন। যেসকল সার্কুলারে আবেদন করেছেন, ডায়েরীতে লিখে রাখুন। পড়ার জন্য রাতের ঘুম নষ্ট করুন। আবেদন প্রক্রিয়া, নিয়োগ পদ্ধতি, জয়েনিং পদ্ধতি, জব সার্কুলার, ডকুমেন্টস নিয়ে সমস্যার সমাধান গ্রুপে পেয়ে যাবেন।
৭) প্রস্তুতির শুরুতে আশে-পাশের সরকারি চাকুরীজীবি ভাই-বন্ধুকে বিরক্ত না করে, ধৈর্য্য নিয়ে গ্রুপের ২-৩মাসের পোস্ট দেখুন। উপরের নিয়মগুলো অনুসরন করুন। মনে রাখবেন- কেউ একদিনের পড়াশুনা দিয়ে চাকরি পায় না। প্রস্তুতি দ্রুত বেগে নিতে থাকুন উপরের নিয়ম অনুসরন করে। বাকিসব সময়ের সাথে জেনে যাবেন। কিংবা না জানলেও সমস্যা নাই। ছোটখাটো জিঘাংসা মনে চেপে রাখুন, সময়ের সাথে জেনে যাবেন।
শুভকামনা সকল নবাগত চাকুরীপ্রত্যাশীদের।

01/11/2020

কোন কাজে সফলতার সবচেয়ে অব্যর্থ সুত্র কি?
লক্ষ্য স্থির করুন এবং ধাপে ধাপে প্রতিদিন সেদিকে এগিয়ে যান। যতদিন পর্যন্ত না লক্ষ্য অর্জন হবে ততদিন হাসি মুখে লেগে থাকুন। যত বাঁধা আসুক, কস্ট আসুক, ব্যর্থতা আসুক শুধু নিজেকে প্রতিদিন মনে করিয়ে দেবেন এটিও সাফল্যের একটি অংশ- সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন অংশ।

Address

The Eden House #37, Road#07 Sector #10 Uttara, Dhaka-1230(Lift/05)
Dhaka
1200

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Alternative Skills Development posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share