Exception-IT

Exception-IT Exception IT is an institution where empowering the community for excellent standard of learning is

05/11/2021

Job Vacancy: 02
Job Requirement:
*Must be know Programming language C,C++, C # Python JAVA, Graphics Design, Computer Hardware Related
*Education qualification: Diploma (Computer Technology or Computer Science and Engineering )
*Must be Hardworking
Send CV: [email protected]

26/09/2021

BCI Engineering Institute, Dhaka
Education Qualification: Diploma or B.Sc. (Electrical)
Job Vacancy: 01
Requirement:
Must be know Practical Skill (Electrical)
Must be hardworking
Duty: 9 AM To 3 PM

বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি সময় সূচি ২০২০
24/11/2020

বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি সময় সূচি ২০২০

 #করোনার মধ্যেশিক্ষা-ব্যবস্থার অবস্থা তো খুবই খারাপ. বিশেষ করে ডিপ্লোমা-ইন ইঞ্জিনিয়ারিং  ছাত্রছাত্রীদের। তাই এই সময়টাকে ...
23/11/2020

#করোনার মধ্যে
শিক্ষা-ব্যবস্থার অবস্থা তো খুবই খারাপ. বিশেষ করে ডিপ্লোমা-ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্রছাত্রীদের। তাই এই সময়টাকে কাজে লাগিয়ে অনলাইন ঘরে বসে আমাদের Exception-IT Institute কোর্স গুলো করতে পারেন..!
আগামী ১০.১২.২০২০ থেকে কোর্স নিম্নে গুলো চালু হবে.. ইনশাআল্লাহ।
Ms-office Application
Hardware and Basic Networking
CCNA
Graphic Design
Video Editing

যারা যারা কোর্স করতে চান তারা নিম্নে ফর্মটা পূরণ করুন..!

Welcome to Our ExceptionIT (EXCIT) institute

জনপ্রিয় ৫টি অপারেটিং সিস্টেম।চাহিদা ও ব্যবহারকারীদের মানের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন কম্পিউটারে বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেম ব্...
06/11/2020

জনপ্রিয় ৫টি অপারেটিং সিস্টেম।
চাহিদা ও ব্যবহারকারীদের মানের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন কম্পিউটারে বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়। নিম্নে কয়েকটি অপারেটিং সিস্টেমের নাম ও সংক্ষিপ্ত বর্ননা তুলে ধরা হলো। এই টিটোরিয়াল থেকে জানতে কোন অপারেটিং সিস্টেম আপনার জন্য উপযোগী। তাহলে চলুন জেনেনি ৫টি জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম সম্পর্কে।

১. ডস (DOS-Disk Operating Systen)
৭০ এর দশকে মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের তৈরি করা এমএস ডস (MS DOS) এবং আইবিএম (IBM) কোম্পানির তৈরি করা পিসি ডস (PC DOS) ছিল সর্বাধিক জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম। ডস এর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি বৈশিষ্ট্য হলোঃ

1.ডস একটি বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম বলে কী-বোর্ড দিয়ে কমান্ড লিখে লিখে কাজ করতে হয়।
2.সিরিয়াল প্রসেসিং অপারেটিং সিস্টেম অর্থাৎ এক সাথে একাধিক প্রোগ্রাম পরিচালনা করা যায় না।
3.কেবলমাত্র একক ইউজার এবং একক প্রসেসর সমর্থন করে।
4.আর একটি বড় অসুবিধা হচ্ছে ডস কেবলমাত্র ৬৪০ কিলোবাইট ০.৬৪ মেগাবাইট র‌্যাম (RAM) মেমোরি সাপোর্ট করে। যেখানে আজকের কম্পিউটারগুলোতে অনেক বেশি পরিমাণ র‌্যাম থাকে।
5.গ্রাফিক্স, মাল্টিমিডিয়া, এনিমেশন, ওয়েব ডিজাইন এসব নিয়ে কাজ করার সুবিধা কম।
২.ম্যাকিনটোশ অপারেটিং সিস্টেম বা ম্যাক ওএস (MAC OS)
এটি অ্যাপল কোম্পানির তৈরি মেকিনটোশ কম্পিউটার পরিচালনাকারী অপারেটিং সিস্টেম। এজন্য সংক্ষেপে ম্যাক ওএস বলা হয়। চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে ম্যাক ওএস প্রথমে বাজারে আসে এবং জনপ্রিয়তা লাভ করে। এতে মাউস, পুলডাউন মেনুসহ এমন সহজ গ্রাফিক্যাল বা চিত্রভিত্তিক ইউজার ইন্টারফেস আছে যার সাহায্যে কম্পিউটার বিষয়ে অতি সাধারণ জ্ঞান নিয়ে যে কেউ কম্পিউটারে কাজ করতে পারবে। এজন্য প্রকাশনা শিল্পে ম্যাক ওএস পরিচালিত ম্যাকিনটোশ কম্পিউটারের ব্যবহার জনপ্রিয়। ম্যাক ওএস এর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি বৈশিষ্ট্য হলোঃ
1.ম্যাক ওএস এ গ্রাফিক্স ও রঙের ব্যবহার অত্যন্ত চমৎকার।
2.চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম হওয়ায় এর ব্যবহার করা খুব সহজ।
3.ম্যাক ওএস কেবল অ্যাপল কম্পিউটারে ব্যবহার করা যায়।

৩. ইউনিক্স (UNIX)
সবচেয়ে পুরাতন অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে ইউনিক্স পরিচিত। ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেল ল্যাবরেটরিতে কিন টমসন এবং Dennis Ritchie প্রথম ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেম রচনা করেন। মূলত অগ্রসর গবেষণা ও উন্নয়ন কাজের জন্য ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করা হয়। বাণিজ্যিক ভিত্তিতে প্রচার না করে বেল ল্যাবরেটরি থেকে ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেমকে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয় এর আরও উন্নয়নের জন্য। নেটওয়ার্ক সিস্টেমে ব্যবহার করার জন্য প্রথম থেকেই ইউনিক্স একটি শক্তিশালী ও কার্যকরি অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে পরিচিত। টেলিকমিউনিকেশন শিল্পের বিকাশে ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেম কার্যকর ভূমিকা রেখেছে। ইউনিক্স প্রায় সবধরনের কম্পিউটারেই চলে। ইউনিক্স এর উল্লেখযােগ্য কয়েকটি বৈশিষ্ট্য হলোঃ
1.সুপার কম্পিউটার থেকে শুরু করে পিসি পর্যন্ত সকল কম্পিউটারেই ইউনিক্স ব্যবহার করা যায।
2.মাল্টিটাস্কিং এবং মান্টিইউজার এপ্লিকেশনের জন্য এটি খুবই উপযােগী।
3.ইউনিক্স একটি সিঙ্গেল সিপিইউ এর সাথে একাধিক কী-বোর্ড এবং মনিটর সংযােগ করে অনেক ব্যবহারকারীকে একত্রে কাজ করার সুযোগ দেয়।
৪. লিনাক্স (LINUX)
ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেম নিয়ে কাজ করার সময় ফিনল্যান্ডের যুবক লিনাস টারভোল্ডাস লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম উদ্ভাবন করেন। লিনাক্সের কোনো একক মালিক নাই। এটি বিনামূল্যে পাওয়া যায়। একে ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম বলে। ফ্রি বা নামমাত্র মূল্যে পাওয়া যায় বিধায় দিন দিন এর ব্যবহার এতটাই বৃদ্ধি পাচ্ছে যে এটি অচিরেই জনপ্রিয় হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে সাধারণ পিসি দিয়ে সার্ভার পিসির কাজ করা যায়। Linux লিনাক্স এর বৈশিষ্ট্যঃ
1. লিনাক্সের কোন একক মালিক নেই। একে ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম বলে। শত শত প্রোগ্রামারদের নিবেদিত প্রচেষ্টার ফসল হিসেবে লিনাক্স আজ সুপ্রতিষ্ঠিত।
2.লিনাক্সের সোর্সকোড উন্মুক্ত বলে একজন দক্ষ কম্পিউটার প্রোগ্রামার এর সংশোধন এবং উন্নয়ন ঘটাতে সক্ষম যা অন্য কোন অপারেটিং সিস্টেমে সম্ভব নয়।
3.লিনাক্সের ডকুমেন্টেশন বেশ সমৃদ্ধ। লিনাক্স ইনস্টল করা থেকে শুরু করে পেরিফেরাল সংযোজনসহ যাবতীয় বিষয়ের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ রয়েছে।
4.লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে সাধারণ পিসি দিয়ে সাভার পিসির কাজ করা যায়।

উইন্ডোজ (WINDOWS)
ম্যাকওএস একটি চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম এবং এর জনপ্রিয়তার কারণে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে আশির দশকের মাঝামাঝি মাইক্রোসফট কর্পোরেশন চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম তৈরির পরিকল্পনা করে এবং ১৯৮৫ সালে উইন্ডােজ ১.০ ভার্সন বাজারে ছাড়ে। তাদের বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম ডস এসময়ে বহুলভাবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। তাদের প্রথম ও দ্বিতীয় ভার্সন তেমন জনপ্রিয় হয়ে উঠতে না পারলেও ১৯৯০ সালে উইন্ডােজ ৩.০ ভার্সন কিছুটা জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। আইবিএম কম্পিউটারের জন্য উইন্ডােজ নিজেকে আদর্শ করে উপস্থাপন করতে পারে এর পরবর্তী ভার্সন উইন্ডােজ ৩.১ থেকে। এরপর বাজারে আসে উইন্ডােজের পরবর্তী ভার্সন উইন্ডােজ ৩.২ এবং তার পরের বছর উইন্ডােজ ৩.৩।

উইন্ডোজ ৯৫ (Windows 95)
Windows 95 হচ্ছে একটি ৩২ বিটের স্বয়ংসম্পূর্ণ অপারেটিং সিস্টেম। ১৯৯৫ সালের ২৪ আগস্ট এটি বাজারে আসে এবং সারা বিশ্বজুরে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। উইন্ডােজ ৯৫ তে সর্বপ্রথম Start menu বা Start Button ব্যবহার করা হয়।

উইন্ডোজ ৯৮ (Windows 98)
উইন্ডোজ ৯৮ অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ ৯৫ অপারেটিং সিস্টেমের একটি আপগ্রেড বা উন্নত ভার্সন। উইন্ডোজ ৯৫ অপারেটিং সিস্টেমের সবকিছুই উইন্ডোজ ৯৮ অপারেটিং সিস্টেমে আছে এবং আরও কিছু নতুন বৈশিষ্ট্য তার সাথে যুক্ত হয়েছে।

উইন্ডোজ এনটি/২০০০ সার্ভার
১৯৯৩ সালে মাইক্রোসফট কর্পোরেশন উইন্ডোজ এনটি বাজারে ছাড়ে। এনটি (NT) কথাটির অর্থ হচ্ছে নতুন টেকনোলজি (New Technology)। মাইক্রোসফট কর্পোরেশন একে সার্ভার ও ওয়ার্কস্টেশনে ব্যবহারের জন্য রূপান্তর করে। এর নাম হয় উইন্ডোজ এনটি সার্ভার। উইন্ডোজ ২০০০ সার্ভার মাইক্রোসফটের আরেকটি সার্ভার ভার্সন অপারেটিং সিস্টেম। উইন্ডোজ এনটি সার্ভারের মতো এটিও ছোট ও মাঝারি ক্ষেত্রে নেটওয়ার্ক করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উইন্ডোজ ২০০০ প্রফেশনাল ও মিলেনিয়ামঃ উইন্ডোজ ৯৮ এর পর মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ২০০০ প্রফেশনাল ও মিলেনিয়াম বা ‘এমই’ নামের দুটি ভার্সন বের করে। এমই ভার্সনটি স্বল্পকাল স্থায়ী হয় এবং এর পরই এক্সপি বাজারে আসে। কিন্তু এনটি এর টেকনোলজিতে তৈরি উইন্ডোজ ২০০০ প্রফেশনাল নেটওয়ার্কিং এর ক্ষেত্রে এখনও জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম।

উইন্ডোজ এক্সপিঃ উইন্ডোজ পরিবারের সর্বশেষ ভার্সন হিসেবে উইন্ডোজ এক্সপি অপারেটিং সিস্টেম বাজারে ছাড়ার আগে মাইক্রোসফট অনেক প্রচার প্রচারণা করে। এনটি টেকনোলজি ব্যবহার করে তৈরি করা হয় উইন্ডোজ এক্সপি। উইন্ডোজ এক্সপিতে গ্রাফিক্স ও রঙের ব্যবহার চমৎকার। এতে নেটওয়ার্ক ও অনলাইনের মাধ্যমে আপগ্রেডের ব্যবস্থা আছে। এক্সপিতে একসাথে একাধিক ইউজার তৈরি করে রাখা যায় এবং প্রত্যেক ইউজারের ফাইল, ফোল্ডার ও ডকুমেন্ট আলাদা আলাদা করে সংরক্ষণ করা যায়।

উইন্ডোজ ভিসতাঃ উইন্ডোজ এক্সপি এর পরে মাইক্রোসফট কর্পোরেশন রিলিজ করে অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ ভিসতা। কাঁচের মতো স্বচ্ছ আর অভিজাত গ্রাফিক্সের সমন্বিত ইন্টারফেস, উচ্চতর সার্চিং ও ফাইল অর্গানাইজেশন টুল, সম্পূর্ন মাল্টিমিডিয়া নির্ভর কোলাবোরেশন স্যুট এবং সর্বোপরি আপাদমস্তক নিরাপত্তা বেষ্টনিতে আবদ্ধতা নতুন উইন্ডোজ ভিস্তা অপারেটিং সিস্টেমের স্বাভাবিক স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য। উইন্ডোজ ভিস্তা অপারেটিং সিস্টেমে মাইক্রোসফট ইউজারের সিস্টেমের নিরাপত্তা দেবার ব্যাপক ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

উইন্ডোজ ৭ঃইন্টারফেসে বিশাল পরিবর্তন ছাড়াও একে আগের সব ভার্সন থেকে সহজ করা হয়েছে। উইন্ডোজ ভিসতায় যে উচ্চতর সিকিউরিটি সিস্টেম মাইক্রোসফটের ডেভেলপাররা যুক্ত করেছিলেন তা সেভেনে এসে আরও শক্তিশালী করা হয়েছে। উইন্ডোজ সেভেনে একটি নতুন ভিউ ফাইল স্টোরেজ স্ট্র্যাকচার ডেভেলপ করা হয়েছে যার নাম দেয়া হয়েছে লাইব্রেরি। এর মাধ্যমে একই উইন্ডো হতে বিভিন্ন স্টোরেজ লোকেশনে অ্যাকসেস করা যায়।

উইন্ডোজ ৮ঃ উইন্ডোজ ৭ এর পরবর্তী ভার্সন হলো উইন্ডোজ ৮। এটি হোম এবং বিজনেস ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, মাইক্রোসফট ট্যাবলেট পিসি এবং হোম থিয়েটার পিসির জন্য এক সারি অপারেটিং সিস্টেম। এতে মাইক্রোসফটের মেট্রো ডিজাইন ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করে মাল্টিপল ইনপুট অপশন যেমন উইন্ডোজ ফোন এবং এক্সবক্স এর মতো টাচস্ক্রিন ইনপুট ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এ ভার্সনের নাম দেয়া হয়েছে Windows RT এবং এতে ARM প্রসেসর আর্কিটেকচার যুক্ত করা হয়েছে।

আমরা যখন একটি কম্পিউটার কেনার চিন্তা ভাবনা করি তখনই আমরা কনফিউশনে পড়ে যাই যে ল্যাপটপ(Laptop)নিব নাকি ডেক্সটপ(Desktop)  ...
06/11/2020

আমরা যখন একটি কম্পিউটার কেনার চিন্তা ভাবনা করি তখনই আমরা কনফিউশনে পড়ে যাই যে ল্যাপটপ(Laptop)
নিব নাকি ডেক্সটপ(Desktop) নিব আপনার জন্য এখন কোনটা ভালো কোনটা নিলে আপনার জন্য সুবিধা হবে
সেসব নিয়ে বিস্তারিত জানতে পারবো এখন । তো ডেক্সটপ এবং ল্যাপটপ কাদের জন্য কোনটা ? । আপনি যদি গেম খেলতে চান এবং গ্রাফিক্স এবং Animation, নিয়ে কাজ করতে চান বা আরো অনেক বড় বড় সফটওয়্যার নিয়ে কাজ করতে চান তাহলে তাদের জন্য হচ্ছে ডেক্সটপ । আর যারা ছোট ছোট কাজ যেমন ইন্টারনেট ব্রাউজিং অফিস ওয়ার্ড এবং ছবি দেখা গান শোনা ইত্যাদি ইত্যাদি এগুলো করতে চান তাহলে তাদের জন্য ল্যাপটপ নেওয়াটাই ভালো হবে আসলে ল্যাপটপে গ্রাফিক্স এবং বড় বড় সফটওয়্যার গুলোতে কাজ করতে চাুইলে একটু Slow কাজ করবে এবং কম্পিউটার হ্যাং করতে ও পারে নিচে ডেক্সটপ এবং ল্যাপটপ এর পার্থক্য সম্পর্কে জানবো...!
Desktop
১। কম্পিউটারের যে কোন কাজে পারফরম্যান্স এর দিক থেকে ল্যাপটপের তুলনায় ডেক্সটপে দ্বিগুণ পরিমাণ পারফরম্যান্স পাওয়া যাবে.
২। ডেক্সটপে যেকোনো ধরনের ভারী কাজ করা করতে পারবেন ।
৩। ডেক্সটপের বড় সমস্যা হল বিদ্যুৎ ছাড়া ব্যবহার করা সম্ভব না ।
৪। ডেক্সটপ যেকোনো জায়গায় বহন করা অনেক কষ্টকর ।
৫। ডেক্সটপে অনেকক্ষণ ধরে কাজ করলেও কোন ধরনের গরম হয় না তাই এর কাজের পারফরম্যান্স অনেক ভালো থাকে ।
৬। ল্যাপটপের তুলনায় ডেক্সটপে কম খরচে ভাল কনফিগারেশন(Configuration) পাওয়া যায় ।
৭। ডেক্সটপে এর বিভিন্ন এক্সেসরিজ সমূহ খুব সহজেই চেঞ্জ(Change) করানো যায় যেমন: মাদারবোর্ড, প্রসেসর, র‌্যম, হার্ডডিস্ক, মনিটর, ইত্যাদি ।
Laptop
১। কম্পিউটারের যে কোন কাজে পারফরম্যান্স এর দিক থেকে ডেক্সটপের তুলনায় ল্যাপটপের কম পরিমাণ পারফরম্যান্স পাওয়া যাবে
২। ল্যাপটপে যেকোনো ভারী কাজ করা ‍যায় না করলে ল্যাপটপ Slow বা হ্যাং করতে পারে।
৩। ল্যাপটপের বড় সুবিধা হল বিদ্যুৎ ছাড়া ব্যবহার করা যায় ।
৪। ল্যাপটপ যেকোনো জায়গায় খুব সহজেই বহন করা যায় ।
৫। ল্যাপটপে অনেকক্ষণ ধরে কাজ করলেও একটু গরম হয় । তাই এর কাজের পারফরম্যান্স একটু কমে যায়।
৬। এটি ডেক্সটপের তুলনায় ব্যয়বহুল । ভাল কনফিগারেশন(Configuration) পাওয়ার জন্য খরচ বেশি লাগে ।
৭। ল্যাপটপে এর বিভিন্ন এক্সেসরিজ সমূহ খুব সহজেই চেঞ্জ(Change) করানো যায় না । যেমন: মাদারবোর্ড, প্রসেসর, মনিটর, ইত্যাদি ।

গ্রাফিক্স ডিজাইন (পর্ব-১)গ্রাফিক্স ডিজাইন কী?গ্রাফিক্স ডিজাইন শব্দটি গ্রাফিক্স এবং ডিজাইন দুটি আলাদা শব্দ নিয়ে গঠিত। গ্র...
03/11/2020

গ্রাফিক্স ডিজাইন (পর্ব-১)

গ্রাফিক্স ডিজাইন কী?

গ্রাফিক্স ডিজাইন শব্দটি গ্রাফিক্স এবং ডিজাইন দুটি আলাদা শব্দ নিয়ে গঠিত। গ্রাফিক্স শব্দটি আর্ট, কল্পনা ও প্রকাশ দ্বারা গঠিত উদাহরন স্বরুপ বলাযায় অংকন করা, খোঁদায় করা নকশা, লেখনি ইত্যাদি গ্রাফিক্সের অন্তর্ভূক্ত।
ডিজাইনঃ যখোন কোন কাল্পনিক আর্টকে আমরা কোন সার্ফেস বা তলে লাইন, সেপ, টেক্সার, ফর্ম, টাইপোগ্রাফি ইত্যাদির মাধ্যমে প্রকাশ করি তখন সেটাকে ডিজাইন বলে।
অর্থাৎ ডিজাইন হলঃ যখোন আমরা কোন কাল্পনিক আর্টকে সার্ফেস, পৃষ্ঠে বা তলে লাইন, সেপ, টেক্সার, ফর্ম, টাইপোগ্রাফি ইত্যাদির মাধ্যমে বাস্তব রুপ প্রদান করি তখন তাকে গ্রাফিক্স ডিজাইন বলে। সহজ ভাষায় গ্রাফিক্ শব্দটির অর্থ হচ্ছে ড্রইং বা রেখা (আঁকা) আর যদি ডিজাইন শব্দের অর্থ বুঝি তাহলে দাড়ায় নকশা বা পরিকল্পনা। আমরা আরো জানি যে, গ্রাফিক অর্থের নানা অর্থ যেমন চিত্র গ্রাফিক শব্দটি জার্মান শব্দ থেকে এসেছে। আমরা খুব সহজে জানতে চাই যে, চিত্র দ্বারা নকশা তৈরি করাকে বুঝায় গ্রাফিক্স ডিজাইন।

ডিজাইন এর মৌলিক বিষয়:
কিভাবে নকশা বা ডিজাইন করবো তা জানতে হলে প্রথমেই মৌলিক বিষয়গুলো সম্পর্কে ধারণা নিতে হবে। কারণ যেকোনো কিছুর ক্ষেত্রেই প্রাথমিক জ্ঞান সবচেয়ে জরুরি। গ্রাফিক্স ডিজাইন বলতে বোঝায় রং, আকার, আকৃতির সমন্বয়। এই ক্ষুদ্র বিষয়গুলো সুন্দরভাবে করেই একটি ডিজাইনের মুখ্য বিষয় ফুটিয়ে তোলা হয়। অর্থাৎ একটি ক্রিয়েটিভ প্রসেস বা আইডিয়া আর্ট ও টেকনোলজির সমন্বয়ে প্রকাশ করাই হচ্ছে গ্রাফিক্স ডিজাইন।

ডিজাইনে ২ ধরনের জিনিস প্রয়োজন হয়।
(ক) এলিমেন্টস
(খ) ইকুইপমেন্ট

ক. ডিজাইনে এলিমেন্টসঃ
১। রং
২। রেখা
৩। আকৃতি বা গঠন
৪। গঠন বিন্যাস
৫। স্থান

১) রং:
একটি ডিজাইনের ক্ষেত্রে রংয়ের প্রভাব অনেক বেশি। এটি কেমন রূপ বা আকৃতি ধারণ করবে তা অনেকটাই নির্ভর করে রংয়ের উপর। যেমন লাল রং খুব কঠিন ও কড়া একটি প্রভাব বিস্তার করে যা ভালোবাসা, রাগ এবং উত্তেজনাকে বোঝায়। নীল ও সাদা রংয়ের ডিজাইনটির মধ্যে এক ধরনের শান্ত, শান্তিপ্রিয়, সুশীল এবং শুভ্রতা প্রকাশ পায়।
২) রেখা:
ডিজাইনের ক্ষেত্রে এর লাইন বা রেখাটি কেমন হবে সোজা না চিকন বা পুরু ও সরু তা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এর প্রকার বা প্রকৃতি কেমন দাঁড়াবে তা অনেকটাই লাইনের উপর নির্ভর করে। একটি পুরু রেখা বালক বা কিশোরদের মনোভাব ফুটিয়ে তোলে আবার একটি সোজা বা চিকন লাইন অনেক বেশি পরিশুদ্ধ ও বোধশক্তি সম্পূর্ণ। দুটি লাইনের মধ্যে কিভাবে পরস্পর ক্রিয়া প্রতিক্রিয়া হবে তাও গুরুত্বপূর্ণ।

৩) আকৃতি বা গঠন:
কোন একটি ডিজাইনের গঠন অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কারণ এর দ্বারা বোঝা যায় যে নকশাটির আলোচ্য বিষয় কি নিয়ে। কোনযুক্ত যেমন চারকোণা বা ত্রিভুজ আকৃতির ডিজাইন পুং জাতীয় বিষয়কে বোঝায়। আবার সমতল বা বক্র রেখাগুলো স্ত্রী জাতীয়। চারকোণা আমাদের কাছে খুবই পরিচিত একটি আকার ফলে এটা অনেক বেশি বিশ্বাসযোগ্য ও স্থায়ী। আর গোলাকৃতির ডিজাইন আহলাদিত, শান্তিপ্রিয় ও ঐক্যতার রূপ তুলে ধরে।

৪) গঠন বিন্যাস:
টেক্সচারের মাধ্যমে ডিজাইনের বাস্তবতা ফুটিয়ে তোলা হয়। চাক্ষুস সৌন্দর্য্য তুলে ধরতে এর কার্যকরী অনেক। এটি একটি ডিজাইনকে অনেক বেশি সুলভ ও তুলনাহীন করে তোলে।

৫) স্থান:
গ্রাফিক্সের ক্ষেত্রে স্থান মূলত একটি সুশীল ও সমৃদ্ধ বিষয়কে বোঝায়। ডিজাইনের যে অংশটি দেখলে চোখের শান্তি হবে যা দৃষ্টিসুলভ। যে নকশা যত হালকা তার ব্যাপ্তি তত বেশি। জায়গার অসৎ ব্যবহার একটি ডিজাইনকে কুৎসিত ও অসুভ করে তুলতে পারে। আবার ডিজাইনের ক্ষেত্রে অনেক বেশি খালি জায়গা থাকলে তা অসম্পূর্ণ মনে হতে পারে। ফলে ভেবেচিন্তে জায়গার যথাযথ ব্যবহার করা উচিত।

খ. ডিজাইনে ইকুইপমেন্ট:
৩. রুলার
১. পেন্সিল
২. রাবার

👉গ্রাফিক্স ডিজাইনের উদ্দেশ্য:
গ্রাফিক্স ডিজাইনের প্রধান উদ্দেশ্য হলো যোগাযোগ বা সমন্বয়। একটি নকশা সম্পূর্ণ হওয়ার পর যদি আমরা নিজেকে প্রশ্ন করি যে কিভাবে প্রতিটি উপাদান ব্যবহার করা হলো বা কোন রং কেন ব্যবহার হলো, তাহলে এর উদ্দেশ্য জানা যাবে। আপনার আশেপাশের বস্তুগুলো ভালোভাবে লক্ষ্য করুন দেখুন তাতে একটি ডিজাইন আছে এবং তা একটি অর্থও প্রকাশ করছে এবং তার একটি প্রয়োজনও আছে। মূলত এ বিষয়গুলোর জন্যই গ্রাফিক্স ডিজাইন।

গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে ক্যারিয়ারের সুযোগ সমূহঃ
1. Logo designer হিসেবে।
2. বিভিন্ন advertisement company তে।
3. Web designer হিসেবে।
4. Digital marketing agency তে।
5. Magazine এবং news paper কোম্পানি তে।
6. Application and game development কোম্পানি তে।
7. Media publishing কোম্পানি।
8. Brand identity designer.
9. Animation designer etc.

Address

Mohammadpur
Dhaka
1207

Telephone

+8801302248471

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Exception-IT posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Exception-IT:

Share