Elozaa Digi Tech

Elozaa Digi Tech Elozaa.com is the largest online shopping store in Bangladesh and Elozaa Digi Tech is a part of Eloazz.com.
(1)

Elozaa Digi Tech is an online educational web portal you can learn Computer basics, word, excel, PowerPoint etc. Looking for a reliable and efficient Windows software solution? Our platform offers a wide range of software options to enhance your productivity, streamline your workflow, and optimize your system's performance. From essential applications like antivirus and file management to advanced

tools for data analysis and design, we've got you covered. Discover the best software solutions for your Windows device today.

Microsoft Office একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং, স্প্রেডশিট, প্রেজেন্টেশন, ডাটাবেজ এবং ইমেইল নিয়ে তৈরি করা একটি প্যাকেজ প্রোগ্রাম।...
29/10/2025

Microsoft Office একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং, স্প্রেডশিট, প্রেজেন্টেশন, ডাটাবেজ এবং ইমেইল নিয়ে তৈরি করা একটি প্যাকেজ প্রোগ্রাম। মাইক্রোসফট কর্পোরেশন এই প্রোগ্রাম প্যাকেজটি ডেভেলপ করেছে। সর্বপ্রথম ১৯৯০ইং সনের দিকে তারা এটি রিলিজ করে। এইভাবে পরবর্তীতে এই প্রোগ্রাম প্যাকেজটির আরো অনেক নিত্যনতুন ফিচার নিয়ে নতুন ভার্সন হিসেবে আপডেট আসে। এই পোস্টটি লেখা পর্যন্ত এই প্রোগ্রাম প্যাকেজটির সর্বশেষ ভার্শন হচ্ছে Microsoft Office – 2021 যা ২০২১ইং সনের ৫ই অক্টোবর রিলিজ করা হয়। আমরা আজকে এই প্রোগ্রামটির সর্বশেষ ভার্সন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব যে, এতে পূর্বের ভার্সনগুলি থেকে নতুন করে কী কী ফিচার বা সুবিধা যোগ করা হয়েছে।

অফিসিয়াল কাজের জন্য বিশ্বব্যাপি মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের তৈরি করা মাইক্রোসফট অফিস প্রোগ্রাম প্যাকেজটি বেশ জনপ্রিয়। প্যাকেজের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ারপয়েন্ট ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এছাড়াও অনেকে অ্যাক্সেস ব্যবহার করে থাকেন। মাইক্রোসফট বিশ্বব্যাপি তাদের এই ব্যবহারকারীর কথা মাথায় রেখেই এইগুলোতে নিত্যনতুন ফিচার যোগ করে থাকে। এছাড়াও মাইক্রোসফট তাদের ব্যবহারকারীদের ক্যাটাগরি অনুযায়ী ভাগ করেও তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।

Microsoft Office 2021এর সংস্করণ :
প্রতিটি আপডেট ভার্সনেই মাইক্রোসফট কর্তৃপক্ষ তাদের ক্যাটাগরি ভিত্তিক ব্যবহারকারীদের জন্য আলাদা আলাদা সংস্করণ তৈরি করে থাকে। যা আপনারা একটু লক্ষ্য করলে বুঝতে পারবেন। যেমন: হোম এন্ড স্টুডেন্ট, হোম এন্ড বিজনেস ও প্রফেশনাল। এইগুলোর সংস্করণ বেধে মূল্য কমবেশী হয়ে থাকে।

মাইক্রোসফট অফিস প্রোগ্রাম ২০২১ ভার্সনে নতুন একটি সংস্করণ যোগ করা হয়েছে যার নাম হচ্ছে এলটিএসসি। যা বলতে গেলে প্রায় প্রফেশনাল সংস্করণ এর মতই। মাইক্রোসফট ঘোষণা দিয়েছে যে এটিতে লম্বা একটা সময় ধরে সাপোর্ট দিয়ে যাবে। এছাড়াও এটির সুলভ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। যারা ক্রয় করতে চান আরকি। আর চিন্তা করবেন না। আমি আপনাদের এটি ফ্রিতে দিয়ে দিব।

Microsoft Office 2021 এর সংস্করণগুলো:
>> Microsoft Office Home and Student 2021
>> Microsoft Office Home and Business 2021
>> Microsoft Office Professional 2021
>> Microsoft Office LTSC 2021

ডাউনলোড লিংক এন্ড লাইসেন্স কী পেতে যোগাযোগ করতে পারেন ঃ https://elozaa.com/category/digital-products-mcx7n

>> Microsoft Office Home and Business 2021
>> Microsoft Office Professional 2021
>> Microsoft Office LTSC 2021

এই ভার্সনটির নতুন ফিচারসমূহ :
এই ভার্সনটিতে নিত্যনতুন অনেক ধরনের ফাংশন যুক্ত করা হয়েছে। যা পূর্বের ভার্সনগুলিতে ছিল না। পুরো প্যাকেজের পারফরমেন্সের উন্নতি করা হয়েছে এবং স্টাইলেরও কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়েছে। প্রধান পরিবর্তনগুলি হচ্ছে OpenDocument ফরম্যাট (ODF), নতুন এক্সেল টুল XMATCH ফাংশন, নতুন পেজেন্টেশন রেকর্ডিং, লেজার পয়েন্টার রেকর্ডিং, মাইক্রোসফট টিম ইন্টিগ্রেশন, অনুসন্ধান এর উন্নতি সহ আউটলুক এর ভাষা অনুবাদ করার সিস্টেম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়াও অফিস প্রোগ্রামগুলিতে একটি নতুন স্মার্ট মাইক্রোসফ্ট অনুসন্ধান বাক্স থাকবে যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা আরও সহজে অনুসন্ধান করতে পারবে।

উইন্ডোজ 11 অপারেটিং সিস্টেম এর মধ্যে এটি ব্যবহার করে ভালো পারফরমেন্স উপভোগ করতে পারবেন। এটির সাথে অপারেটিং সিস্টেমের উইন্ডো, কালার সবকিছুর সামঞ্জস্যতা থাকবে। এক কথায় আপনি একজন ছাত্র, একজন কর্মকর্তা বা ব্যবসার মালিক হোন না কেন, সর্বশেষ এই সংস্করণটি আপনার জন্য উপযুক্ত।

এই ভার্সনে আপনি একই সময় একসাথে ইন্টারনেট কানেকশনের মাধ্যমে একটি ফাইল বা ডকুমেন্টে অন্যের সাথে শেয়ার করে কাজ করতে পারবেন। অর্থাৎ একসাথে কয়েকজন মিলে এক ফাইলের উপর কাজ করতে পারবেন। এতে কোন কমেন্ট বা নোট লেখা লাগবে না। কারণ আপনি যখন কোনকিছু যুক্ত করবেন বা পরিবর্তন করবেন তার আপডেট অন্যদের বা সহ-লেখকের কাছে অ্যালার্ট আকারে জানিয়ে দেওয়া হবে বা চলে যাবে।

অন্য কারো মতো ফাইলে কাজ করার সময়, সহ-লেখকরা প্রতিটি অংশগ্রহণকারীর মধ্যে মন্তব্য পাঠাতে নতুন ধারাবাহিক মন্তব্য করার পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারবেন। এটি Word, Excel, PowerPoint, এবং আরও অন্যান্য অ্যাপের মধ্যেও দলভিত্তিক একে অপরকে সহযোগিতা করে একটি ফাইলের কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন। মনে রাখবেন অফিস এলটিএসসি সংস্করণে একই সময়ে একে অপরের সাথে এক ফাইলে কাজ করার সুবিধাটি কাজ করবে না। এছাড়াও গ্রাফিক্স এর কাজ সহ মাইক্রোসফট টিমের সাথে কাজ করার নতুন নতুন অনেক ফিচার যুক্ত হয়েছে।

Microsoft Office 2021-এ যেসব অ্যাপস অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে:
চিরস্থায়ী প্রকাশের লাইনআপের মধ্যে রয়েছে Word, Excel, PowerPoint, OneNote এবং আরও অনেক ধরনের অ্যাপ। সবকটি সংস্করণে তিনটি সর্বাধিক জনপ্রিয় অফিস অ্যাপ্লিকেশনের পাশাপাশি আপনি কোন সয়স্করণটি ব্যবহার করবেন সেই সংস্করণের উপর নির্ভর করে বিভিন্ন ধরণের অতিরিক্ত প্রোগ্রামগুলি রয়েছে। ব্যবহার করার আগে, আপনাকে আগে জেনে নিলে ভালো হবে যে কোন কোন অ্যাপ উক্ত সংস্করণে যুক্ত করা আছে।

Word 2021:
কম্পিউটারে লেখালেখির জন্য এটি সেরা অ্যাপ। যা মাইক্রোসফট অফিস প্রোগ্রাম এর শুরু থেকে এই পর্যন্ত প্রত্যেকটি ভার্সনেই অন্তর্ভুক্ত হয়ে আসছে। নতুন মাইক্রোসফ্ট ওয়ার্ড একটি শক্তিশালী ওয়ার্ড প্রসেসর যা লেখালেখির যেকোন কাজে ব্যবহার করতে পারবেন। ব্লগিং থেকে শুরু করে বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রেও। এটি আগের ভার্সনের তুলনায় আরো অনেক উন্নত করা হয়েছে।

ওয়ার্ড ২০২১ এর নতুন ফিচার:
ডার্ক মুডের উন্নয়ন

>> টেক্সট টু স্পিস অপশন এর ন্যাচারাল কণ্ঠ যুক্ত করা হয়েছে
>> আধুনিক মন্তব্যের পদ্ধতি
>> ডকুমেন্ট ফরমেট থেকে ওয়েবসাইট তৈরি করা
>> নতুন Draw নামক ট্যাব বা মেনুবার যুক্ত করা হয়েছে
>> এছাড়াও আরও অনেককিছু যুক্ত করা হয়েছে

Excel 2021:
কম্পিউটারের মাধ্যমে ছোট বড় সব ধরনের হিসাব নিকাশ করার জন্য মাইক্রোসফট অফিস প্রোগ্রামের প্রতিটি ভার্সনে মাইক্রোসফ্ট এক্সেল অন্তর্ভুক্ত হয়ে আসছে। এটি এমন একটি অ্যাপ যা আপনাকে আপনার দৈনন্দিন কাজ, আর্থিক এবং ডেটা পরিচালনা করতে সহায়তা করে। আমরা সকলেই জানি এক্সেল একটি জটিল অ্যাপ। তবে এর মাধ্যমে আপনি বড় বড় যেকোন হিসাব নিকাশের ডাটা সহজেই বিশ্লেষণ করতে পারবেন। ওয়ার্ডের মত এটিও আগের ভার্সনগুলির তুলনায় আরো অনেক উন্নত করা হয়েছে।

এক্সেল ২০২১ এর নতুন ফিচার:
>> নতুন অনেক সূত্র যোগ
>> স্ট্যাবিলিটির উন্নতি
>> ডিজিটাল লিংকিং এর উন্নতি
>> নতুন কমান্ড যোগ
>> এছাড়াও আরও অনেককিছু যুক্ত করা হয়েছে

PowerPoint 2021:
চাকুরি ক্ষেত্রে বা ছাত্রজীবনে অথবা অন্য যেকোন জায়গায় কোন বিষয় নি্রযে কম্পিউটারের মাধ্যমে উপস্থাপন করার জন্য মাইক্রোসফট অফিস প্রোগ্রাম এর পাওয়ারপয়েন্ট অন্যতম। যা মাইক্রোসফট অফিস প্রোগ্রামের শুরু থেকে এই পর্যন্ত প্রত্যেকটি ভার্সনে অন্তর্ভুক্ত হয়ে আসছে। অন্যান্য অ্যাপগুলির মত এটিও আগের ভার্সনগুলির তুলনায় উন্নয়ন করা হয়েছে।

পাওয়ারপয়েন্ট ২০২১ এর নতুন ফিচার:
>> নতুন অনেক টেম্পলেট যুক্ত করা হয়েছে
>> নতুন ট্রাঞ্জিশন এবং টুল যুক্ত করা হয়েছে
>> নতুন ভেক্টর ও থ্রিডি মডেল যুক্ত করা হয়েছে
>> ডিজিটাল পেন্সিল কেস এবং রংয়ের বৈশিষ্ট্য উন্নয়ন
>> এছাড়াও আরও অনেককিছু যুক্ত করা হয়েছে

Outlook 2021:
ইমেইল করার জন্য মাইক্রোসফট এর নিজেদের একটি মেইল সিস্টেম। যেমন আমরা জিমেইল এবং ইয়াহু মেইল ব্যবহার করে দেখি। যদিও আমরা এটি তেমন ব্যবহার করি না। তবে এটিও প্রত্যেকটি ভার্সনে অন্তর্ভুক্ত হয়ে আসছে। এই ভার্সনেও পূর্বের ভার্সনের চেয়ে নতুন কিছু ফিচার যুক্ত করা হয়েছে।

আউটলুক ২০২১ এর নতুন ফিচার:
>> জেনারেল অ্যাপ এর উন্নয়ন
>> নতুন মাইক্রোসফট অনুসন্ধান বক্স
>> পরিমার্জিত ইন্টারফেস

>> এছাড়াও আরও অনেককিছু যুক্ত করা হয়েছে
মাইক্রোসফট অফিস প্রোগ্রামে আরো কয়েকটি অ্যাপ রয়েছে যেমন এক্সেস, প্রজেক্ট ও পাবলিশার সহ আরো অনেককিছু। সেগুলোরও এই আপডেট ভার্সনে অনেক অনেক নতুন নতুন ফিচার যুক্ত করা হয়েছে। আপনি যদি মাইক্রোসফট অফিস ব্যবহারকারী হোন তাহলে আপনার উচিত এখনই পূর্বের ভার্সন থেকে নতুন ভার্সনে সুইচ করার। তাহলেই আপনি নিত্যনতুন ফিচারগুলির সুবিধা ভোগ করতে পারবেন এবং এগুলোর ব্যবহার জানতে পারবেন।

সিস্টেমের প্রয়োজনীয়তা:
মাইক্রোসফট অফিস প্রোগ্রাম ২০২১ ভার্সনটি আপনার পিসিতে ব্যবহার করার জন্য আপনার পিসি সিস্টেমে কী কী থাকা লাগবে তা আমরা নিচে থেকে দেখে নেই।

CPU: 1GHz dual-core প্রসেসর
GPU: DirectX 9 অথবা WDDM 2.0 অথবা এর উচ্চতর
Memory: 4GB RAM
Storage: 4GB এর মত খালি থাকতে হবে
Display: 1280×768 স্ক্রিন রেজুলেশন
Browser: সর্বশেষ ভার্সনের ইন্টারনেট ব্রাউজার। যেমন Internet Explorer, Microsoft Edge, Safari, Chrome অথবা Firefox
Dot NET version: কিছু ফিচারের জন্য .NET 4.6 অথবা এর উপরের ভার্সন
Other: আউটলুক এর কিছু ফিচারের জন্য Microsoft Edge ব্রাউজারের প্রয়োজন পড়বে এছাড়াও মাইক্রোসফট অ্যাকাউন্টের প্রয়োজন পড়বে

২০০৩ সালের ২৬ মার্চ মেহদী হাসান খানের হাত ধরে জন্ম নেওয়া এই সফটওয়্যারটি শুধু একটি টাইপিং টুল নয়, এটি বাংলা ভাষার ডিজিটাল...
18/05/2025

২০০৩ সালের ২৬ মার্চ মেহদী হাসান খানের হাত ধরে জন্ম নেওয়া এই সফটওয়্যারটি শুধু একটি টাইপিং টুল নয়, এটি বাংলা ভাষার ডিজিটাল প্রসারে এক অনন্য দৃষ্টান্ত।

২২ বছর পরে এসে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মাননা পেলো অভ্র। আজ বৃহস্পতিবার অভ্রর স্রষ্টা মেহদী ও তার দলের হাতে একুশে পদক তুলে দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

তবে যতটা সহজ ভাবছেন, এই কিবোর্ডের পথচলা কিন্তু মোটেই সহজ ছিল না।

অভ্র কিবোর্ড যেভাবে কাজ করে

অভ্র কিবোর্ড একটি ইউনিকোডভিত্তিক বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার। এর মূল বৈশিষ্ট্য হলো ফোনেটিক টাইপিং পদ্ধতি। ব্যবহারকারী ইংরেজি অক্ষরে বাংলা শব্দের উচ্চারণ লিখলে, সফটওয়্যারটি তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাংলা বর্ণে রূপান্তর করে।

উদাহরণস্বরূপ, ইংরেজিতে 'ami' লিখলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে 'আমি' হয়ে যায়। এ ছাড়া, অভ্রতে বিভিন্ন কিবোর্ড লেআউট (যেমন: প্রভাত, মুনীর অপটিমা, অভ্র ইজি) রয়েছে, যা পছন্দ অনুযায়ী বেছে নিতে পারেন ব্যবহারকারীরা। উইন্ডোজ, লিনাক্স, ম্যাক, অ্যান্ড্রয়েড, আইওএস—সব অপারেটিং সিস্টেমে সমানভাবে কাজ করে অভ্র।

বাংলা ভাষাকে সহজতর করতে অভ্র যেভাবে কাজ করেছে

অভ্র কিবোর্ডের আগে বাংলা টাইপিং ছিল জটিল ও সময়সাপেক্ষ। ২০০৩ সালের আগে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে বাংলা টাইপিংয়ের প্রধান মাধ্যম ছিল বিজয় কিবোর্ড, যেটি ইউনিকোড সমর্থন করত না। ফলে ইন্টারনেটে বাংলা লেখা প্রায় অসম্ভব ছিল। এ সংকট থেকেই জন্ম নেয় অভ্র।

মেহদী হাসান খান নিজের উদ্যোগে ভিজ্যুয়াল বেসিক ডটনেট ব্যবহার করে ইউনিকোডভিত্তিক বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার তৈরি করেন। এর ফোনেটিক পদ্ধতি নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য বাংলা টাইপিংকে সহজলভ্য করে তোলে। ২০০৩ সালের ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে অভ্রর প্রথম সংস্করণ মুক্তি পায়। অভ্র ওপেন সোর্স এবং বিনামূল্যে ব্যবহারযোগ্য হওয়ায় এটি দ্রুত জনপ্রিয়তা পায়।

অন্যদিকে বিজয় একটি বাণিজ্যিক সফটওয়ার। টাকা খরচ না করে আপনি বৈধভাবে এই এই সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারেন না।

বিজয়ের আগ্রাসন

'বিজয়' সফটওয়্যারের সত্ত্বাধিকারী আনন্দ কম্পিউটার্সের প্রধান নির্বাহী আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। ২০১০ সালে প্রথম প্রকাশ্যে অভ্রকে ব্যবসায়িক হুমকি হিসেবে দেখতে শুরু করেন তিনি। বাধা দিতে শুরু করেন এর প্রসারে।

বিবিসি বাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, সে বছর এপ্রিলে একটি সংবাদপত্রের নিবন্ধে অভ্রকে ইঙ্গিত করে জব্বার অভিযোগ করেন, হ্যাকাররা তার 'বিজয়' সফটওয়্যারটি চুরি করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিচ্ছে। অভ্র কিবোর্ডকে পাইরেটেড সফটওয়্যার হিসেবে অভিহিত করেন তিনি।

অভ্র কিবোর্ডের বিরুদ্ধে একাধিকবার আইনি ব্যবস্থা নিয়েছেন মোস্তাফা জব্বার। অভ্রকে 'পাইরেটেড সফটওয়্যার' দাবি করার পাশাপাশি এর ইউনিবিজয় লে-আউটকে তার প্যাটেন্টকৃত বিজয় কিবোর্ডের নকল বলে অভিযোগ করেন।

এ নিয়ে ২০১০ সালে তিনি কপিরাইট অফিসে অভিযোগ করেন। যার ফলে মেহদী হাসান খানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। পরে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির নিষ্পত্তি হয় এবং অভ্র থেকে ইউনিবিজয় লে-আউট সরিয়ে নেওয়া হয়। জব্বারের কপিরাইট ভঙ্গের অভিযোগের ভিত্তিতে ২০১৫ সালে গুগল প্লে স্টোর থেকে অভ্রভিত্তিক অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ রিদমিক কিবোর্ড সরিয়ে দেওয়া হয়। যদিও পরে নতুন লেআউট নিয়ে এটি আবার প্লে স্টোরে ফিরে আসে।

ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ২০১৮ সালের মন্ত্রীসভায় টেকনোক্রেট মন্ত্রী হিসেবে যোগ দেন মোস্তাফা জব্বার। তথ্য ও প্রযুক্তি এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয় তাকে। অভ্রর জনপ্রিয়তাকে বাধাগ্রস্ত করতে ২০২৩ সালে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) সব অ্যান্ড্রয়েড ফোনে বিজয় কিবোর্ড বাধ্যতামূলক করে।

তবে এর কারণ হিসেবে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ জানায়, বিজয় কি-বোর্ড 'বাংলা লেখার জাতীয় মান' হয়ে যাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগ সব ধরনের অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোনে বিজয় অ্যান্ড্রয়েড প্যাকেজ কিট বা এপিকে ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক করে—অর্থাৎ নতুন ফোন ব্যবহারকারীর হাতে যাওয়ার আগেই সেখানে থাকতে হবে বিজয় কিবোর্ড।

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি

অভ্রকে ইউনিকোড কনসোর্টিয়াম, মাইক্রোসফট এবং সফটপিডিয়া স্বীকৃতি দিয়েছে।

অভ্রর বৈশিষ্ট্য ও জনপ্রিয়তা

অভ্র মূলত ওপেন সোর্স এবং বিনামূল্যে ব্যবহারযোগ্য একটি সফটওয়্যার। এর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো-

১. ফোনেটিক টাইপিং: ইংরেজি অক্ষর দিয়ে বাংলা উচ্চারণ লিখলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাংলায় পরিবর্তিত হয়।

২. বিভিন্ন লেআউট: অভ্রতে প্রভাত, মুনীর অপটিমা, অভ্র ইজি, জাতীয়সহ বিভিন্ন বাংলা কী-বোর্ড লেআউট রয়েছে।

৩. প্ল্যাটফর্ম স্বাধীনতা: এটি উইন্ডোজ, লিনাক্স, ম্যাক, অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস প্ল্যাটফর্মে কাজ করে।

৪. ফ্রি ও ওপেন সোর্স: অভ্রর সোর্স কোড উন্মুক্ত, তাই এটি সহজেই উন্নয়ন করা সম্ভব।

এ সফটওয়্যার দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করে। বিশেষ করে ফেসবুক, ব্লগ এবং বিভিন্ন ওয়েবসাইটে বাংলা লেখার সুবিধা থাকায় তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এটি ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পায়।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, অভ্র শুধু একটি সফটওয়্যার নয়, এটি একটি আন্দোলন—বাংলা ভাষাকে মুক্ত করার আন্দোলন। এটি প্রমাণ করেছে, প্রযুক্তি শুধু ব্যবসার জন্য নয়, ভাষা ও সংস্কৃতির প্রসারের জন্যও ব্যবহার করা যেতে পারে।

মেহদী হাসান খান ও তার দলের প্রচেষ্টা বাংলা ভাষার ডিজিটাল রূপান্তরে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। 'ভাষা হোক উন্মুক্ত'—এ দর্শন নিয়েই অভ্র এগিয়ে চলেছে ভবিষ্যতের পথে।

All Of Your Digital Products Are available At Elozza.com

স্মার্টফোনে ভালোমানের ছবি তুলবেন যেভাবে:বর্তমানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের তৈরি হালনাগাদ স্মার্টফোনে শক্তিশালী ক্যামেরা যুক্ত...
19/04/2025

স্মার্টফোনে ভালোমানের ছবি তুলবেন যেভাবে:

বর্তমানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের তৈরি হালনাগাদ স্মার্টফোনে শক্তিশালী ক্যামেরা যুক্ত থাকায় অনেকেই ভাবেন, ছবি তুললেই সেগুলোর মান ভালো হবে। কিন্তু তা নয়, ভালোমানের ছবি তোলার জন্য ফোনের ক্যামেরার পাশাপাশি বেশ কিছু কৌশলও জানা থাকা দরকার। স্মার্টফোনে ভালোমানের ছবি তোলার কৌশলগুলো জেনে নেওয়া যাক।

আলোর ব্যবহার
একটি ছবিকে আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য আলোর সঠিক ব্যবহার অত্যন্ত জরুরি। আর তাই ছবি তোলার সময় প্রথমেই প্রাকৃতিক আলো ব্যবহারের চেষ্টা করতে হবে। সম্ভব না হলে ফ্ল্যাশলাইট ব্যবহার করে ছবির উজ্জ্বলতা বাড়াতে হবে। ফ্ল্যাশলাইট শুধু ছবির নির্দিষ্ট স্থানকে বেশি ফোকাস করে, আর তাই ছবির বিষয়বস্তু অর্থবহ এবং আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করতে আশপাশে যথেষ্ট আলোর ব্যবস্থা করতে হবে।

সঠিকভাবে ক্যামেরা ফোকাস
ছবির বিষয়বস্তু স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তুলতে সঠিকভাবে ক্যামেরা ফোকাস করতে হবে। এ জন্য ছবি তোলার আগে ফোনের পর্দায় ছবির প্রধান বিষয়ের ওপর আলতো করে ট্যাপ করে ফোকাস পয়েন্ট নির্ধারণ করতে হবে।

ফ্রেমের ভিন্নতা
একই ধরনের ফ্রেম বা অ্যাঙ্গেল বারবার ব্যবহার না করে ভিন্নতা আনার চেষ্টা করতে হবে। এ জন্য নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুর ছবি একই স্থান থেকে না তুলে বিভিন্ন কোণ থেকে একাধিকবার তুলতে হবে। বর্তমানে ফোনের ক্যামেরায় বিভিন্ন ধরনের সেন্সরযুক্ত লেন্স থাকায় ভিন্ন ভিন্ন অবস্থানের ছবি ভালো হয়ে থাকে।

ব্যাকগ্রাউন্ড ঝাপসা
পেশাদার ফটোগ্রাফিতে বিষয়বস্তুকে হাইলাইট করতে ব্যাকগ্রাউন্ড ব্লার করা একটি পরিচিত কৌশল। আর তাই স্মার্টফোনের পোর্ট্রেট মোড ব্যবহার করে প্রয়োজন অনুযায়ী পেছনের দৃশ্য ঝাপসা করে ছবি তুলতে হবে।

জুম ব্যবহার না করা
কোনো ছবি সামনে থেকে নেওয়ার জন্য ক্যামেরার জুম সুবিধা ব্যবহার না করাই ভালো। এতে ছবির গুণগত মান নষ্ট হয়। সমস্যা সমাধানে নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুর কাছাকাছি গিয়ে ছবি তুলতে হবে।

সম্পাদনা অ্যাপের সীমিত ব্যবহার
ভালো মানের সম্পাদনা অ্যাপ ব্যবহার করে একটি ছবির মানের পরিবর্তন করা যায়। তাই ছবি তোলার পর অ্যাপের মাধ্যমে ছবির ফ্রেম, আলো, অনুপাত ইত্যাদি পরিবর্তন করার পাশাপাশি বিভিন্ন ফিল্টার ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে সম্পাদনা অ্যাপের বিভিন্ন ফিল্টার অতিরিক্ত ব্যবহার করলে ছবির স্বাভাবিক সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যায়। আর তাই সম্পাদনা অ্যাপের সীমিত ব্যবহার করতে হবে।

ট্রাইপড ব্যবহার
স্মার্টফোনে ছবি তোলার সময় হাত কেঁপে যাওয়ার কারণে অনেকে সময় ছবি ঝাপসা হয়ে যায়। এ সমস্যা সমাধানে ট্রাইপড ব্যবহার করে ছবি তুলতে হবে।

‘র’ ফরম্যাটে ছবি তোলা
বর্তমানে অনেক ফোনেই ‘র’ ফরম্যাটে ছবি তোলার সুবিধা রয়েছে। ‘র’ ফরম্যাটে তোলা ছবিগুলো মূলত প্রক্রিয়াজাত হয়ে জেপিইজি ফাইলে রূপান্তরের আগের অবস্থায় দেখা যায়, এর ফলে ছবি ইচ্ছেমতো সম্পাদনা করা সম্ভব।

Powered By www.elozaa.com

স্ক্রিনশট আসল নাকি নকল, বোঝার উপায় কী?বর্তমানে স্ক্রিনশটের নকল তৈরি করা অত্যন্ত সহজ বিষয়। অনলাইনে বিনামূল্যের টুল ব্যবহা...
10/02/2025

স্ক্রিনশট আসল নাকি নকল, বোঝার উপায় কী?

বর্তমানে স্ক্রিনশটের নকল তৈরি করা অত্যন্ত সহজ বিষয়। অনলাইনে বিনামূল্যের টুল ব্যবহার করেই এসব করতে পারেন অনেকে। এখন অনেক বিশ্বাসযোগ্য স্ক্রিনশট স্ক্যাম বেড়িয়েছে। ফলে, অনেকেই পড়ে যান ফাঁদে। একটি স্ক্রিনশট আসল না নকল সেটি বোঝার জন্য একটি নির্দেশনামূলক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে প্রযুক্তিবিষয়ক সাইট হাও-টু গিক। চলুন জেনে নেওয়া যাক বিস্তারিত।

ডেস্কটপে নেওয়া স্ক্রিনশট

ডেস্কটপে নেওয়া স্ক্রিনশটের বিষয়ে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করুন। ক্রোম, ফায়ারফক্স, ও অন্যান্য অনেক ব্রাউজার সহজেই ওয়েব পেইজের কোড এডিট করতে দেয়। ফলে অনেকেই অল্প থেকে বিনা পরিশ্রমে, সহজেই ওয়েব পৃষ্ঠার যে কোনো উপাদান পরিবর্তন করতে পারেন। এটিকে ‘ইন্সপেক্ট এলিমেন্ট’ বলা হয়। ব্রাউজার কন্টেক্সট মেনু খুলতে ওয়েবসাইটের যেকোনো জায়গায় মাউস দিয়ে রাইট-ক্লিক করুন। এর নিচে ‘ইনস্পেক্ট’ অপশন পাবেন। ফোন স্ক্রিনের বিষয়টি কিছুটা ভিন্ন। বেশিরভাগ সময়, সরাসরি প্রযুক্তিগত টুল ব্যবহার না করেই বোঝার উপায় থাকে।

পিক্সেল অসঙ্গতি

জাল স্ক্রিনশট তৈরির সবচেয়ে সাধারণ উপায় হল ছবির ওপরে অন্য উপাদান কপি করে পেস্ট করা। এটি পিক্সেলের ছোট প্যাচ বা অসঙ্গতি তৈরি করে যা বাকি ছবির সঙ্গে ঠিকঠাক মেলে না। এ ক্ষেত্রে যে জিনিসের ওপর বাড়তি নজর দেবেন তা হল সংখ্যা বা অক্ষর। ছবিটি জুম করে সূক্ষ্ম অসঙ্গতিগুলো খুঁজে বের করুন। অনেক সময়ই কিছু অস্পষ্টতা বা তীক্ষ্ণতার অভাব খুঁজে পাবেন। আসল স্ক্রিনশটের সব জায়গায় একই রেজোলিউশন থাকবে। অস্বাভাবিক রং ও শ্যাডো বা ছায়ার পরিবর্তনও জাল স্ক্রিনশটের লক্ষণ হতে পারে।

ফন্ট ও স্পেসিং ভুল হতে পারে

সবার পক্ষে নির্দিষ্ট ফন্ট শনাক্ত করা কঠিন কাজ। একদম দক্ষ গ্রাফিক ডিজাইনারদেরও স্ক্রিনশটের ফন্ট খুঁজে পেতে সমস্যা হতে পারে। ফোন অ্যাপগুলো এরিয়াল বা টাইমস নিউ রোমানের মতো সাধারণ ফন্ট কমই ব্যবহার করে থাকে। ফলে, কেউ সঠিক ফন্ট খুঁজে না পেলে এমন সাধারণ চেহারার ফন্ট বসিয়ে এডিট করতে পারে। ফন্টের মতোই, এগুলো সঠিক সাইজ ও স্পেসিং নিয়েও সমস্যায় পড়তে হবে। নকল স্ক্রিনশটে নির্ভুলভাবে এসব মিলিয়ে ফেলা খুবই কঠিন কাজ। তাই এ ধরনের অসঙ্গতির দিকেও নজর রাখুন।

অপ্রাসঙ্গিক বস্তু থাকতে পারে

বেশিরভাগ ফোন অ্যাপ যখন আপডেট করা হয় সেগুলোর ইন্টারফেইস সব সময় সূক্ষ্ম বা ক্ষেত্র বিশেষে বড় আকারে পরিবর্তিত হয়। নকল স্ক্রিনশটে অনেক সময় একই অ্যাপের বিভিন্ন সংস্করণের ইন্টারফেইস মিলে যেতে পারে। আর কেউ কোনো নির্দিষ্ট অ্যাপ ইন্টারফেইস ভালোভাবে চিনে থাকলে সেখানকার অসঙ্গতিগুলো ধরে ফেলতে পারবেন।

রিভার্স সার্চ করুন

এখন কিছুটা টেকনিকাল দিকে যাওয়া যাক। যে নকল স্ক্রিনশট তৈরি করছে, হতে পারে সে ইন্টারনেট থেকেই আসল স্ক্রিনশট ডাউনলোড করে পরে পরিবর্তন করেছে। এ কারণেই সন্দেহ হলে স্ক্রিনশটের বিষয়ে অনলাইনে সার্চ করে নেওয়া ভালো অপশন। গুগল ইমেজেস বা টিনআই ব্যবহার করে স্ক্রিনশটটি অনলাইনে সার্চ করে দেখুন।

মেটাডেটা পড়ুন

মেটাডেটা হল একটি ছবির ফাইলের আইডির মত। ছবিটি কখন এবং কোন ডিভাইসে নেওয়া সেসব তথ্য দেখায় মেটাডেটা৷ ফোনের স্ক্রিনশট প্রায়ই মেটাডেটার মধ্যে ফোনের নাম যুক্ত করে। আর কেউ ছবিটি পরিবর্তন করলে এ মেটাডেটায় পরিবর্তন আসবে। কোনো ছবির মেটাডেটা দেখার জন্য, পিসি থেকে ফাইলের ওপর রাইট ক্লিক করুন। ‘প্রোপার্টিজ’ অপশনটি বেছে নিন। ‘ডিটেইলস’ ট্যাব থেকে মেটাডেটা দেখতে পারবেন। অনেক সময় বিভিন্ন মেসেজিং অ্যাপও ছবির মেটাডেটায় পরিবর্তন আনতে পারে। ফলে, ডিভাইসের নাম মেটাডেটায় না থাকলেই যে সেটি নকল এমন ভাবার কারণ নেই। বিষয় হল, মেটাডেটায় ছবি প্রেরকের ডিভাইসের নাম অক্ষত অবস্থায় থাকলে সেটি ভালো চিহ্ন।

Purchased Your Digital Products From www.elozaa.com

হোয়াটসঅ্যাপ কাজ না করলে কী করবেন?প্রযুক্তিগত ত্রুটি বা ফোনের সমস্যার কারণে মাঝেমধ্যে হোয়াটসঅ্যাপ কাজ করা বন্ধ করে দিতে প...
09/02/2025

হোয়াটসঅ্যাপ কাজ না করলে কী করবেন?

প্রযুক্তিগত ত্রুটি বা ফোনের সমস্যার কারণে মাঝেমধ্যে হোয়াটসঅ্যাপ কাজ করা বন্ধ করে দিতে পারে। তবে চিন্তার কিছু নেই! সমস্যার সমাধান করে দ্রুত অ্যাপটি সচল করার ৬টি কার্যকর উপায় এখানে দেওয়া হলো।

১. হোয়াটসঅ্যাপ সার্ভার ডাউন কিনা যাচাই করুন

প্রযুক্তিগত কারণে কখনও কখনও হোয়াটসঅ্যাপ-এর সার্ভার ডাউন হয়ে যেতে পারে। এই সমস্যা আপনার ফোনে নয়, বরং অ্যাপ্লিকেশনে হতে পারে। এটি যাচাই করতে ডাউনডিটেক্টরে গিয়ে দেখে নিন হোয়াটসঅ্যাপ-এর সার্ভার চালু আছে কিনা।

২. অ্যাপ বন্ধ করে পুনরায় চালু করুন

ক্ষুদ্র প্রযুক্তিগত ত্রুটি এড়াতে অ্যাপটিকে দ্রুত রিস্টার্ট করুন। শুধু ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে বন্ধ করলেই হবে না, সম্পূর্ণ রিফ্রেশ করে পুনরায় চালু করুন।

৩. হোয়াটসঅ্যাপ আপডেট করুন

মেটা নির্দিষ্ট সময় অন্তর হোয়াটসঅ্যাপ-এর নতুন ভার্সন লঞ্চ করে। এতে নতুন ফিচার তো যোগ হয়ই, পাশাপাশি আগের ভার্সনের নিরাপত্তা ত্রুটিও সমাধান করা হয়। প্লে স্টোর বা অ্যাপ স্টোরে গিয়ে নিশ্চিত করুন যে আপনার অ্যাপটি সর্বশেষ ভার্সনে আপডেট করা আছে।

৪. ফোন রিস্টার্ট করুন

ফোন রিস্টার্ট করলে অপারেটিং সিস্টেম রিফ্রেশ হয় এবং অনেক অস্থায়ী ত্রুটি মিটে যায়। হোয়াটসঅ্যাপ-এ সমস্যা হলে এটি একবার চেষ্টা করে দেখুন।

৫. ইন্টারনেট কানেকশন পরীক্ষা করুন

হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারের জন্য ভালো ইন্টারনেট সংযোগ অত্যন্ত জরুরি। মোবাইল ডাটা বা ওয়াই ফাই কানেকশন ঠিকঠাক কাজ করছে কিনা তা যাচাই করুন। প্রয়োজনে রাউটার রিস্টার্ট বা মোবাইল ডেটা টগল করুন।

৬. অ্যাপ ক্যাশে ডিলিট করুন

অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য হোয়াটসঅ্যাপ-এর ক্যাশে ডিলিট করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমে Settings > Apps > WhatsApp > Storage এর যান। সেখান থেকে Clear Cache অপশনে ক্লিক করুন। এর মাধ্যমে অস্থায়ী ফাইলগুলো ডিলিট হবে, যা অনেক সময় সমস্যার কারণ হতে পারে।

Purchased Your Digital Products From www.elozaa.com

স্মার্টফোনে ১০০ শতাংশ চার্জ করা কি ঠিক?দিনের বেশিরভাগ সময়ই কাটছে স্মার্টফোন নিয়ে। কারো সঙ্গে যোগাযোগ করা, শপিং করে বিল ম...
08/02/2025

স্মার্টফোনে ১০০ শতাংশ চার্জ করা কি ঠিক?

দিনের বেশিরভাগ সময়ই কাটছে স্মার্টফোন নিয়ে। কারো সঙ্গে যোগাযোগ করা, শপিং করে বিল মেটানো থেকে শুরু করে বাস-ট্রেনের টিকিট কাটা, সিনেমা দেখা সবই সম্ভব এক স্মার্টফোনে। তাই তো বলা যায়, সঙ্গে স্মার্টফোন থাকলে আর কিছুই লাগে না। এজন্য ফোন সর্বদা সম্পূর্ণ চার্জ থাকাও প্রয়োজন। কিন্তু অনেকেই জানেন না যে, ফোনের ব্যাটারি কতটা চার্জ দেওয়া ভালো এবং কতটা চার্জ দিলে ফোনের ব্যাটারির ক্ষতি হতে পারে।

সাধারণত ২৪ ঘণ্টা ফোন ব্যবহার করতে ফোনের ব্যাটারি সম্পূর্ণরূপে চার্জ করা হয়। যখন ফোনের ব্যাটারি ১০০ শতাংশ পর্যন্ত চার্জ করা হয় তখন ফোনের ব্যাটারি দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। মোবাইলের ব্যাটারি লিথিয়াম আয়ন দিয়ে তৈরি। এই ব্যাটারি ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ চার্জিং হলে ভালো কাজ করে। কেউ যদি সব সময় এটি ১০০ শতাংশ চার্জ করে, তাহলে এটি সেই ফোনের ব্যাটারির ক্ষতি করতে পারে।

বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ সম্পর্কে কথা বলতে গেলে, একটি লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারির জীবনকাল দুই থেকে তিন বছর বলে মনে করা হয়। একটি স্মার্টফোনের ব্যাটারিতে ৩০০ থেকে ৫০০ চার্জ সার্কল থাকে। এর মানে হলো ফোনের ব্যাটারি শূন্য থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত ৩০০ থেকে ৫০০ বার চার্জ করা যাবে। ব্যাটারি চার্জ করার সর্বোত্তম উপায় হলো ব্যাটারির চার্জ যতটা সম্ভব মধ্যম পরিসরে রাখা। ব্যাটারির মাত্রা ০ শতাংশ বা ১০০ শতাংশের মতো হলে ফোনের ব্যাটারি দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। সবচেয়ে ভাল ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ চার্জ দিয়ে বন্ধ করা।

Purchased Your Digital Products From www.elozaa.com

এআইয়ের মাধ্যমে হ্যাক হচ্ছে জিমেইল অ্যাকাউন্ট, সতর্ক করল গুগল:ব্যক্তিগত, ব্যাবসায়িক কিংবা দাপ্তরিক বিভিন্ন কাজে জিমেইল আম...
05/02/2025

এআইয়ের মাধ্যমে হ্যাক হচ্ছে জিমেইল অ্যাকাউন্ট, সতর্ক করল গুগল:

ব্যক্তিগত, ব্যাবসায়িক কিংবা দাপ্তরিক বিভিন্ন কাজে জিমেইল আমাদের দৈনিন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। তবে ভাইরাস অ্যাটাক, হ্যাকিং, স্প্যাম সবমিলিয়ে ইমেইল অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখাও বেশ কঠিন হয়ে উঠেছে।

ইদানিং আবার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির মাধ্যমে জিমেইল ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করছে প্রতারকরা।

সম্প্রতি গুগল সতর্ক করে জানিয়েছে, ব্যবহারকারীদের বোকা বানাতে গুগলের নাম ব্যবহার করে এআইয়ের মাধ্যমে ভুয়া ফোনকল করার পাশাপাশি ই–মেইলও পাঠাচ্ছে তারা। এছাড়া “জিমেইল অ্যাকাউন্ট রিকভারি”র নামে সাইবার প্রতারণা শুরু হয়েছে। যার মাধ্যমে খুব সহজেই জিমেইল অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে নিচ্ছে প্রতারকরা।

যেভাবে হ্যাক করা হচ্ছে জিমেইল অ্যাকাউন্ট
অনেক জিমেইল ভ্যাবহারকারীর মেইলে অথবা ফোনে নোটিফিকেশন আসছে। সেখানে লেখা থাকছে, যে জিমেইল অ্যাকাউন্ট হ্যাকড হয়ে গিয়েছে। অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধার করতে একটি লিংকে ক্লিক করতে বলা হচ্ছে। গুগল জানিয়েছে, গ্রাহক যদি সেই লিংকে ক্লিক না করেন, তাহলে কল আসছে গ্রাহকের ফোন নম্বরে। সেখানে একেবারেই পেশাগতভাবে গ্রাহককে বোঝানো হচ্ছে কীভাবে তার জিমেইল অ্যাকাউন্ট হ্যাকড হয়েছে এবং সেখানে নানা রকম সন্দেহজনক কাজকর্ম চলছে।

হ্যাকারেরা নিজেদের গুগলের কর্মী বলে পরিচয় দিচ্ছে। এমনভাবে গ্রাহককে বোঝানো হচ্ছে যে, অনেকেই সেই ফাঁদে পা দিয়ে ফেলছেন। জিমেইল অ্যাকাউন্ট রিকভারি-র নামে সেই ভুয়ো লিংক ক্লিক করলেই গ্রাহকের জিমেল অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ হ্যাকারদের হাতে চলে যাচ্ছে। এরপর বলা হচ্ছে, অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধারের আবেদনে সম্মতি দিতে। সেখানে ক্লিক করতেই গ্রাহকের জিমেইল তো বটেই, জিমেইল আইডি দিয়ে খোলা যাবতীয় অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণও চলে যাচ্ছে প্রতারকদের দখলে।

নিরাপদ থাকতে যা করবেন
এই ফাঁদ থেকে বাঁচতে হলে কোনো অজানা লিংকে ক্লিক করা যাবে না। প্রতারক যতই অনুরোধ করুন না কেন, কোনোভাবেই সেই লিংকে ক্লিক করবেন না।

কেউ যদি ফোন করে জানায়, সে গুগলের অফিস থেকে ফোন করছে, তাহলে সে কথায় বিশ্বাস করবেন না। গুগল জানিয়েছে, কখনওই সংস্থা থেকে ফোন করা হয় না। একমাত্র গুগ‌ল বিজনেস সার্ভিসের সঙ্গে যোগ রয়েছে বা পেশাগতভাবে গুগলের সঙ্গে যুক্ত, এমন লোকজনকেই সংস্থার তরফে ফোন করা হতে পারে।

প্রতারণা থেকে বাঁচতে নির্দিষ্ট সময় অন্তর জিমেইল অ্যাকাউন্টের সিকিউরিটি সেটিংসে গিয়ে পরিবর্তন করতে হবে। প্রয়োজনে নির্দিষ্ট সময় পরপর পাসওয়ার্ডও বদলে নিন।

গুগলের নামে কোনো মেইল এলে সেটি আদৌ গুগলের অফিশিয়াল সাইট থেকে এসেছে কি-না, তা যাচাই করে নিন। গুগল সব সময়ে তাদের নিজস্ব ডোমেইন থেকেই মেইল পাঠায়। নিজে যাচাই করতে না পারলে অভিজ্ঞ কারও সাহায্য নিন।

সাইবার হামলা থেকে বাঁচতে দুই স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু রাখুন। এই সুবিধা চালু থাকলে পাসওয়ার্ড লেখার পর ব্যবহারকারীর ফোনে বার্তা বা কোড পাঠানো হয়। কোডটি ব্যবহার করেই শুধু অ্যাকাউন্টে ঢোকা যায়। এর ফলে হ্যাকারেরা পাসওয়ার্ড হ্যাক করে নিলেও জিমেইল অ্যাকাউন্ট নিরাপদ থাকে।

Purchased Digital Products From WWW.ELOZAA.COM

জিমেইলে যুক্ত হচ্ছে ‘শিল্ডেড ই-মেইল’ ফিচার:ব্যবহারকারীদের সুবিধার্থে নিত্যনতুন ফিচার নিয়ে আসছে গুগল। এবার তারই ধারাবাহিক...
04/02/2025

জিমেইলে যুক্ত হচ্ছে ‘শিল্ডেড ই-মেইল’ ফিচার:

ব্যবহারকারীদের সুবিধার্থে নিত্যনতুন ফিচার নিয়ে আসছে গুগল। এবার তারই ধারাবাহিকতায় জিমেইলে “শিল্ডেড ই-মেইল” সুবিধা যুক্ত করতে যাচ্ছে গুগল। নতুন এ ফিচারে ব্যবহারকারীরা ব্যক্তিগত ই-মেইল ঠিকানা গোপন রাখার পাশাপাশি অনাকাঙ্ক্ষিত বার্তা থেকে রক্ষা পাবেন।

বর্তমানে ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক কাজে প্রায় সবাই ই-মেইল ব্যবহার করে। তবে ই-মেইলে অনাকাঙ্ক্ষিত বার্তা জমা হওয়ায় প্রয়োজনীয় বার্তা খুঁজে পেতে কষ্ট হয়। আবার সাইবার অপরাধীরা এই স্প্যাম কলের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতারণাও করে থাকে। এ সব সমস্যা থেকে বাঁচতেই নতুন ফিচার নিয়ে আসছে গুগল।
অ্যান্ড্রয়েড কর্তৃপক্ষের এক নতুন প্রতিবেদন অনুসারে, গুগল প্লে সার্ভিসের সর্বশেষ সংস্করণ ২৪.৪৫.৩৩ বিশ্লেষণ করে জিমেইলের অটোফিল সেটিংসে শিল্ডেড ই-মেইল সুবিধা উপস্থিত হয়েছে। শিল্ডেড ই-মেইল সুবিধার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা চাইলে কোনো ওয়েবসাইটে নিবন্ধন বা অনলাইন সেবা নেওয়ার সময় তাদের ব্যক্তিগত ই-মেইল ঠিকানা গোপন রেখে বিকল্প ই-মেইল ঠিকানা ব্যবহার করতে পারবেন। এর ফলে বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পাঠানো স্প্যাম বার্তাগুলো বিকল্প ই-মেইল ঠিকানায় জমা হবে। বিকল্প ঠিকানায় আসা ই-মেইলগুলো পড়ার পাশাপাশি উত্তরও দিতে পারবেন ব্যবহারকারীরা।

এ বিষয়ে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলেন, অ্যাপলের ‘‘হাইড মাই ই–মেইল’’ সুবিধার আদলে তৈরি শিল্ডেড ই–মেইল সুবিধাটি জিমেইল ব্যবহারকারীদের গোপনীয়তা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারবে। তবে এ সুবিধা বিনা মূল্যে না-কি অর্থের বিনিময়ে ব্যবহার করা যাবে, তা এখনো স্পষ্টভাবে জানানো হয় নি। ধারণা করা যাচ্ছে, গুগল শিগগিরই নতুন এই ফিচারটি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য জানাবে।

Purchased Your Digital Products From

আর অপরিচিত নম্বর থেকে আসবে না হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ:আট থেকে আশি, এখন প্রায় সকলেই হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করেন। তারা সকলেই অপরিচি...
03/02/2025

আর অপরিচিত নম্বর থেকে আসবে না হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ:

আট থেকে আশি, এখন প্রায় সকলেই হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করেন। তারা সকলেই অপরিচিত নম্বর থেকে আসা মেসেজের কারণে সমস্যার সম্মুখীনও হন। অনেকেক্ষেত্রেই এহেন মেসেজ বিভ্রান্তি ছড়ায়। জালিয়াতির ঘটনাও ঘটে বহু। এই সমস্যা এবার সমাধানের পথ। অপরিচিত নম্বর থেকে আর আসবে না হোয়াটসঅ্যাপ। ব্যাপারটা কী?



বর্তমানে প্রায় সকলেই সোশাল মিডিয়ায় সক্রিয়। শুধু বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে আড্ডা দিতে নয়, অধিকাংশই হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করেন অফিসিয়াল কাজে। সেই সবদিক মাথায় রেখে ব্যবহারকারীদের সুবিধার্থে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন ফিচার আনার চেষ্টা করে সংস্থা। পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলতেই থাকে। এবার অপরিচিত নম্বর থেকে আসা মেসেজ রুখতে মরিয়া হোয়াটস অ্যাপ। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, এবার এমন এক ফিচারে এসেছে যা অপরিচিত নম্বরের মেসেজ নিজে থেকেই ব্লক করে দেবে। ফলে কোনও বিভ্রান্তি বা বিরক্তির জায়গাই থাকবে না। কিন্তু কীভাবে এই ফিচারের সুবিধা পাবেন?



১. প্রথমে প্লে স্টোরে গিয়ে অ্যাপটি আপডেট করুন।
২. বিটা টেস্টার যারা অ্যান্ড্রয়েডের সর্বশেষ ভার্সন ব্যবহার করছেন তারা হোয়াটসঅ্যাপের ‘থ্রি ডট’ মেনুতে যান।
৩.এর পর যান সেটিংসে।
৪. বেছে নিন প্রাইভেসি অপশন।
৫.এবার যান ‘অ্যাডভান্সড’ অপশনে।
৬. এবার দেখতে পাবেন ‘ব্লক আননোন অ্যাকাউন্ট মেসেজ।’ এটিতে ক্লিক করলেই অপরিচিত নম্বর থেকে আর কোনও হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ আসবে না আপনার কাছে।

Purchased Your Digital Products From www.elozaa.com

ভুয়া থার্ড পার্টি অ্যাপস চিনবেন যেভাবে:আমরা হামেশাই বিভিন্ন অ্যাপস ডাউনলোড করে থাকি। কিন্তু সেক্ষেত্রে ফেক থার্ড পার্টি ...
02/02/2025

ভুয়া থার্ড পার্টি অ্যাপস চিনবেন যেভাবে:

আমরা হামেশাই বিভিন্ন অ্যাপস ডাউনলোড করে থাকি। কিন্তু সেক্ষেত্রে ফেক থার্ড পার্টি অ্যাপস এবং অ্যান্টি ভাইরাস সফটওয়্যার কী ভাবে বুঝতে পারব?

প্রথমেই যে অ্যাপস ডাউনলোড করতে চান তার ডেভেলপারের নাম দেখে নিতে হবে। অনেক সময়ে কোনো অ্যাপস সার্চ করার ক্ষেত্রে একই নামে একাধিক অ্যাপস দেখা যায়। সে ক্ষেত্রে অ্যাপের নাম ও ডেসক্রিপশনও দেখে নেওয়া প্রয়োজন। প্লে স্টোর থেকে যে কোনো অ্যাপস ডাউনলোডের আগে তার রিভিউ, রেটিং ও ডাউনলোড কাউন্ট মিলিয়ে নিলে একটা সম্ভাব্য ধারণা পাওয়া যাবে।

কোন অ্যাপস কবে পাবলিশ হয়েছে, তাও জানা প্রয়োজন। সেখানে সন্দেহজনক কিছু চোখে পড়লে অ্যাপস থেকে দূরে থাকুন। এ ছাড়া যে কোনো অ্যাপস আপনার ফোনে কী কী পারমিশন চাইছে, তা দেখেও আপনি ভুয়ো অ্যাপস চিনতে পারবেন। কোনো অ্যাপস আপনার ফোনে অপ্রয়োজনীয় ক্যামেরা, অডিও, লোকেশন, ফোন কল অথবা অন্য যে কোনো পারমিশন চাইলে তা ভুয়া অ্যাপস হতে পারে।

সেগুলি দিয়ে সাইবার প্রতারণার সম্ভবনা থাকে। গুগল প্লে প্রোটেক্টের সাহায্যে অ্যাপস এবং ডিভাইসকে ম্যালওয়ারের হুমকি থেকে রক্ষা করতে পারেন। সে জন্য প্লে স্টোর অ্যাপে প্রোফাইল আইকনে যান এবং প্লে প্রোটেক্টে ট্যাপ করুন, সেটিংসে প্লে প্রোটেক্ট দিয়ে স্ক্যান অ্যাপস চালু করুন।

আপনার ডিভাইসটি ভেরিফাই সার্টিফাইড করে নিতে পারেন। এজন্য গুগল প্লে স্টোর অ্যাপস খুলুন। উপরের ডানদিকে প্রোফাইল আইকনে ক্লিক করুন। সেটিংসের যান এবং আপনার ডিভাইসটি প্লে প্রোটেক্ট সার্টিফাইড কি না, পরীক্ষা করুন। কোনো অ্যাপে প্রচুর বানান বা ব্যাকরণগত ভুল খুঁজে পেলে তা ভুয়া অ্যাপস হতে পারে। কোনো বিশ্বস্ত ডেভেলপার এমন ভুল করবে না।

Purchased Your Digital Products License From WWW.ELOZAA.COM

Address

Rainbow Valley, Faser Tek Road
Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Elozaa Digi Tech posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Elozaa Digi Tech:

Share