Enter Gedget

Enter Gedget "Enter: Your digital destination for tech excellence! Quality is the first priority!

২০০৭ সালে গুগলের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যাত্রা শুরু। নিজ সামর্থ্যের পরিচয় দিয়ে ২০১৯-এ প্রিন্সিপাল ইঞ্জিনিয়ার ও পরিচ...
16/05/2024

২০০৭ সালে গুগলের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যাত্রা শুরু। নিজ সামর্থ্যের পরিচয় দিয়ে ২০১৯-এ প্রিন্সিপাল ইঞ্জিনিয়ার ও পরিচালক হিসেবে গুগলের জুরিখ অফিসে যোগদান! স্বপ্নের মতো এই যাত্রা বাংলাদেশি প্রকৌশলী জনাব জাহিদ সবুরের।

বাবার চাকুরি সূত্রে সৌদি আরবে জন্ম হলেও আট বছর বয়সে চলে আসেন স্থায়ী নিবাস পটুয়াখালীতে। ঢাকার এআইইউবি থেকে স্নাতক সম্পন্ন করা এই মেধাবীর নাম ভেসে উঠেছে সম্প্রতি Google I/O ইভেন্টে। গুগল কর্তৃপক্ষ পরিচয় করিয়ে দেয় Gemini mobile app - এ কাজ করা ইঞ্জিনিয়ার লীড জাহিদ সবুর ও তার দলকে। উল্লেখ্য জাহিদ সবুর গুগলে কাজ করা প্রথম বাংলাদেশি প্রিন্সিপাল ইঞ্জিনিয়ার।

💥 গুগল ড্রাইভ কি ও কিভাবে ব্যবহার করব?গুগল এর অনলাইন স্টোরেজ সার্ভিস, গুগল ড্রাইভ পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্লাউড স্টোরে...
04/09/2023

💥 গুগল ড্রাইভ কি ও কিভাবে ব্যবহার করব?

গুগল এর অনলাইন স্টোরেজ সার্ভিস, গুগল ড্রাইভ পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিস বলা চলে। আজকের দিনে আমাদের প্রায় সবারই গুগল একাউন্ট রয়েছে। সেক্ষেত্রে জেনে বা অজানায় আমরা গুগল ড্রাইভ ব্যবহার করে আসছি।

✔️ আপনি যদি প্রশ্ন করে থাকেন যে গুগল ড্রাইভ কি, তাহলে আপনার এ সংক্রান্ত প্রশ্নগুলোর উত্তর আমাদের পোস্টে পাবেন।

আপনি আগে থেকে ক্লাউড স্টোরেজ সেবার সাথে পরিচিত না হলেও গুগল ড্রাইভ সম্পর্কে জেনে বেশ উপকৃত হতে পারেন।

⭐ এই পোস্টে আমরা জানবোঃ
✔️ গুগল ড্রাইভ কি?
✔️ গুগল ড্রাইভের ফ্রি ও পেইড প্ল্যান!
✔️ কি ধরনের ফাইল গুগল ড্রাইভে রাখা যায়
✔️ ড্রাইভে ফাইল আপলোড করার নিয়ম
✔️ ড্রাইভ থেকে ফাইল ডাউনলোড করার নিয়ম
✔️ ড্রাইভে ফাইল সাজিয়ে রাখার নিয়ম
✔️ ড্রাইভে থাকা ফাইল ডিলিট করার নিয়ম
✔️ ড্রাইভ থেকে ফাইল শেয়ার করার নিয়ম

⭐ গুগল ড্রাইভ কি?
গুগল ড্রাইভ একটি ক্লাউড স্টোরেজ সল্যুশন, এই তথ্য আমরা ইতিমধ্যেই জেনেছি। মিডিয়া ও ডকুমেন্টস অনলাইনে জমা রাখতে গুগল ড্রাইভ ব্যবহার করা হয়। এই ফাইলসমুহ মূলত গুগল এর সার্ভারে জমা থাকে ও যেকোনো ডিভাইস থেকেই ইন্টারনেট এর সাহায্যে অ্যাকসেস করা যায়। গুগল ড্রাইভ ব্যবহার করতে হলে অবশ্যই দরকার পড়বে একটি গুগল একাউন্ট (সাধারণভাবে, জিমেইল এড্রেস) এর। এই গুগল একাউন্ট অর্থাৎ জিমেইল এড্রেস যদি আপনার থাকে, তাহলে ড্রাইভের পাশাপাশি ইউটিউব, জিমেইল, ফটোস, প্লে স্টোর ইত্যাদি সেবাও ব্যবহার করতে পারবেন একই একাউন্ট ব্যবহার করে।
ড্রাইভ ব্যবহার করা যাবে যেকোনো ব্রাউজার থেকে drive.google.com ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে কিংবা ড্রাইভ কম্পিউটার সফটওয়্যার এর মাধ্যমে। এছাড়া অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস চালিত ডিভাইসে ড্রাইভ অ্যাপ থেকেও সেবাটি ব্যবহার করা যাবে।

🐾 গুগল ড্রাইভ কি ফ্রি? গুগল ড্রাইভ এর খরচ কেমন?
গুগল ড্রাইভ কি ও কিভাবে ব্যবহার করব?

আপনি হয়ত প্রশ্ন করতে পারেন গুগল ড্রাইভ কি ফ্রি? উত্তর হলো, গুগল অ্যাকাউন্ট এর সাথে ১৫জিবি গুগল ড্রাইভ স্টোরেজ ফ্রি পাওয়া যায়। এই স্টোরেজ ড্রাইভ, জিমেইল ও ফটোস এর জন্য সম্মিলিতভাবে ব্যবহৃত হয়। যদি এই ফ্রি ১৫জিবি আপনার জন্য যথেষ্ট না হয়, তাহলে চাইলে গুগল ওয়ান এর মাসিক বা বার্ষিক সাবস্ক্রিপশন কিনতে পারেন। এছাড়াও শুধুমাত্র গুগল ড্রাইভ এর স্টোরেজ আলাদাভাবে কেনার সুযোগ রয়েছে। ১০০জিবি গুগল ড্রাইভ স্টোরেজ এর জন্য প্রতিমাসে ২ মার্কিন ডলার গুণতে হবে। প্রতি মাসে ৩ মার্কিন ডলারের বিনিময়ে কেনা যাবে ২০০জিবি স্টোরেজ প্ল্যান। এছাড়াও মাসিক ১০ ডলার এর বিনিময়ে ১টিবি ড্রাইভ স্টোরেজ পাওয়া যাবে। ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে খুব সহজে কেনা যাবে গুগল ড্রাইভ এর স্টোরেজ।

✔️ Google Drive pricing - গুগল ড্রাইভ প্রাইসিং
সাপোর্টেড ফাইল ফরম্যাট!
গুগল ড্রাইভ প্রায় বেশিরভাগ প্রচলিত ফাইল ফরম্যাট সাপোর্ট করে। তবে কিছু ফাইলের সাইজের ক্ষেত্রে লিমিট রয়েছে। যেমনঃ ১.০২মিলিয়ন ক্যারেক্টার পর্যন্ত ডকুমেন্ট গুগল ড্রাইভে আপলোড করা যায়, যা গুগল ডকস দিয়ে ওপেন করা যায়। এই ডকুমেন্ট এর ফাইল সাইজ ৫০এমবি পর্যন্ত হতে পারবে। আবার স্প্রেডশিটস এর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৫মিলিয়ন সেলস পর্যন্ত সাপোর্ট করে গুগল ড্রাইভ। স্প্রেডশিটসমুহ গুগল শিটস দিয়ে ওপেন করা যায় ড্রাইভে আপলোডের পর। আবার প্রেজেন্টেশন আপলোড করলে সেগুলো গুগল স্লাইডস দিয়ে দেখতে, এমনকি এডিট করতে পারবেন। প্রেজেন্টেশন এর সাইজ সর্বোচ্চ ১০০ মেগাবাইট হতে পারে। উল্লিখিত ফাইল ফরম্যাটসমূহ ব্যতীত অন্য যেকোনো ধরনের সিংগেল ফাইলের সাইজ ৫টিবি পর্যন্ত সাপোর্ট করে গুগল ড্রাইভ। এছাড়াও প্রায় সকল ধরনের ফাইল আপলোড করে সংরক্ষণ করে রাখা যায় গুগল ড্রাইভে।

✔️ ফাইল আপলোড করার নিয়ম:
যেকোনো কম্পিউটার বা মোবাইল থেকে ব্রাউজার কিংবা অ্যাপ ব্যবহার করে ড্রাইভে ফাইল আপলোড করা যাবে। কম্পিউটার ব্রাউজার থেকে গুগল ড্রাইভে ফাইল আপলোড করতে drive.google.com এ প্রবেশ করুন।
এরপর যেকোনো ফাইল গুগল ড্রাইভ পেজে ড্রাগ করে এনে ছেড়ে দিলে উক্ত ফাইল ড্রাইভে আপলোড হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে। এছাড়াও গুগল ড্রাইভ লোগোর নিচে থাকা NEW বাটনে ক্লিক করে File Upload এ ক্লিক করে ফাইল অথবা Folder Upload এ ক্লিক করে ফোল্ডার আপলোড করা যাবে গুগল ড্রাইভে। মোবাইল থেকেও ড্রাইভে ফাইল আপলোড করা বেশ সহজ। গুগল ড্রাইভ অ্যাপে প্রবেশ করে প্লাস (+) আইকনে ক্লিক করে Upload সিলেক্ট করে যেকোনো ধরনের ফাইল আপলোড করতে পারবেন ড্রাইভে।

✔️ ফাইল ডাউনলোড করার নিয়ম:
গুগল ড্রাইভ থেকে ফাইল ডাউনলোড করাও বেশ সহজ। কম্পিউটারের ব্রাউজার থেকে যেকোনো ফাইল বা ফোল্ডার ডাউনলোড করতে উক্ত ফাইল না ফোল্ডারের উপর রাইট-ক্লিক করে Download এ ক্লিক করুন। মোবাইল থেকেও প্রায় একই নিয়মে ড্রাইভে থাকা ফাইল ডাউনলোড করা যাবে। তবে মোবাইল অ্যাপ থেকে ফোল্ডার ডাউনলোড করা যায়না। যেকোনো ফাইল ডাউনলোড করতে থ্রি-ডট মেন্যুতে ট্যাপ করে Download এ ট্যাপ করুন। এছাড়াও একসাথে একাধিক ফাইল সিলেক্ট করেও ডাউনলোড করা যাবে।

👉 ফাইল সাজানোর নিয়ম:
মোবাইল বা কম্পিউটারে আমরা যেভাবে ফাইল ফোল্ডার আকারে বিভিন্নভাবে সাজিয়ে রাখি, গুগল ড্রাইভে একই ধরনের সুবিধা থাকছে। অর্থাৎ সহজ কথায় বললে গুগল ড্রাইভকে অনেকটা মোবাইল বা কম্পিউটারে থাকা ফাইল ম্যানেজার এর সাথে তুলনা করা চলে। কম্পিউটার থেকে ড্রাইভ ফোল্ডার তৈরী করতে NEW বাটনে ক্লিক করে Folder এ ক্লিক করুন। মোবাইল অ্যাপ থেকে ফোল্ডার তৈরী করতে প্লাস (+) বাটনে ট্যাপ করে Folder সিলেক্ট করুন। কোনো ফাইল কোনো ফোল্ডারে মুভ করতে ব্রাউজারে ড্রাগ করে ড্রপ করলেই হবে। আবার মোবাইলে কোনো ফাইল কোনো ফোল্ডারে মুভ করতে থ্রি-ডট মেন্যু থেকে Move সিলেক্ট করতে হয়।

👉 ফাইল ডিলিট করার নিয়ম:
অপ্রয়োজনীয় ফাইলে গুগল ড্রাইভের স্টোরেজ পূর্ণ হয়ে যেতে পারে। তাই মাঝেমধ্যে গুগল ড্রাইভে থাকা ফাইল ডিলিট করার প্রয়োজন পড়তে পারে। গুগল ড্রাইভ থেকে যেকোনো ফাইল বা ফোল্ডার ডিলিট করতে ব্রাউজার থেকে উক্ত ফাইল বা ফোল্ডারে রাইট ক্লিক করে Remove এ ক্লিক করুন। একইভাবে মোবাইল থেকে অ্যাপে প্রবেশ করে থ্রি-ডট মেন্যু থেকে Remove এ ট্যাপ করে ড্রাইভে থাকা ফাইলডিলিট করা যাবে। উল্লেখ্য, যেকোনো ফাইল Remove এ ক্লিক করে ডিলেট করার পর তৎক্ষণাৎ উক্ত ফাইল ড্রাইভ থেকেডিলিট হয়ে যায়না।ডিলিট করা ফাইল ড্রাইভের Bin/Trash ফোল্ডারে জমা হয়। কম্পিউটার থেকে বামপাশে থাকা Bin অপশনে ক্লিক করে ডিলিটকৃত ফাইলসমুহ দেখা যাবে। আপনি চাইলে সেগুলো রিকভারও করতে পারেন। বিন বা ট্র্যাশ এ থাকা ফাইলগুলো ৩০ দিন পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে চিরতরে মুছে যায়। ডিলিট হওয়া সকল ফাইল ট্র্যাশ/বিন থেকে চিরতরে মুছে ফেলতে Empty Bin এ ক্লিক করুন। এছাড়াও যেকোনো নির্দিষ্ট ফাইলে রাইট ক্লিক করে Delete Forever এ ক্লিক করেডিলিট করা যাবে।ৎঅন্যদিকে মোবাইল থেকে বামদিকের টপে থাকা হ্যামবার্গার মেন্যুতে ট্যাপ করে Trash এ প্রবেশ করে ফাইলডিলিট করা যাবে। কোনো ফাইলডিলিট করতে উক্ত ফাইলের থ্রি ডট মেন্যু থেকে Delete Forever এ ক্লিক করুন। এছাড়াও একাধিক ফাইল সিলেক্ট করে অপশন থেকে Delete Forever এ ট্যাপ করেও একবারে একাধিক ফাইল রিমুভ করা যাবে।

👉 ফাইল শেয়ার করার নিয়ম:
ড্রাইভের একটি অসাধারণ ফিচার হলো অন্যদের সাথে ফাইল শেয়ারিং এর সুবিধা। যেকোনো ফাইল বা ফোল্ডার একটি লিংকের মাধ্যমে যেকারো সাথেই শেয়ার করা যায় ড্রাইভ থেকে। কম্পিউটারে ব্রাউজার থেকে যেকোনো ফাইল বা ফোল্ডার শেয়ার করতে উক্ত ফাইল বা ফোল্ডারে রাইট ক্লিক করে Get Link এ ক্লিক করুন। এরপর উক্ত ফাইল শেয়ার করার লিংক পাবেন। সেই লিংক পাঠিয়ে অন্যদের সাথে উক্ত ফাইল শেয়ার করতে পারবেন। উল্লেখ্য, যে যেকোনো ফাইল ডিফল্টভাবে শেয়ার করার সময় Restricted মোডে শেয়ার হয়। এই ক্ষেত্রে যখনই কেউ উক্ত লিংকে ক্লিক করবে তখনই উক্ত ব্যক্তির ওই ফাইলে অ্যাকসেস এপ্রুভাল এর জন্য আপনি মেইল পাবেন। আপনি এপ্রুভ করার পরই উক্ত ব্যক্তি ওই ফাইল দেখতে পাবেন। তবে আপনি Get Link এ ক্লিক করার পর Restricted এর পাশে থাকা ড্রপ ডাউনে ক্লিক করে Anyone with the link অপশন সিলেক্ট করলে ওই লিংকে প্রবেশ করা যেকেউ সাথে সাথে উক্ত ফাইল দেখতে পাবে। এই পদ্ধতিতে প্রতিবার কাউকে অ্যাকসেস প্রদানে আপনাকে এপ্রুভ করতে হবেনা। শেয়ারিং সেটিং এর পাশে আরেকটি আলাদা অপশন পাবেন, যার ড্রপ ডাউনে Viewer, Commenter, Editor এ তিনটি অপশন পাবেন। এখান থেকে Viewer সিলেক্ট করলে লিংকে প্রবেশ করে যেকেউ উক্ত ফাইল দেখতে পাবে ও ডাউনলোড করতে পারবে। আবার Editor সিলেক্ট করলে লিংকে প্রবেশ করে যেকেউ উক্ত ফাইল এডিট করতে পারবে। মোবাইল থেকে যেকোনো ড্রাইভ ফাইল বা ফোল্ডার শেয়ার করতে উক্ত ফাইল বা ড্রাইভ থ্রি ডট মেন্যু তে ট্যাপ করে Share সিলেক্ট করুন। এরপর নির্দিষ্ট কারো ইমেইল এড্রেস প্রদান করে শুধুমাত্র উক্ত ব্যক্তিকে ফাইল বা ফোল্ডার পাঠাতে পারেন। এছাড়াও নিচে থাকা Who has access এ ক্লিক করলে আরো অপশন দেখতে পাবেন। এরপর কম্পিউটারের মত প্রায় একই ধরনের সেটিংস দেখতে পাবেন। Change এ ট্যাপ করে ফাইল শেয়ার সেটিংস পরিবর্তন করা যাবে। এছাড়াও Link Settings লেখার বিপরীত দিকে থাকা আইকনে ক্লিক করে উক্ত ফাইল বা ফোল্ডার শেয়ার এর লিংক পাওয়া যাবে।

আপনি কি প্রায়ই গুগল ড্রাইভ ব্যবহার করেন? আপনার অভিজ্ঞতা কমেন্টে জানান!

সর্বশেষ প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য জানতে ফলো করুন আমাদের এই পেইজটি! Enter IT

তথ্য সূত্র: google

03/10/2022

১। Internet আবিষ্কৃত হয় 1969 সালে।
২। Email আবিষ্কৃত হয় 1971 সালে।
৩। Hotmail আবিষ্কৃত হয় 1996 সালে।
৪। Google আবিষ্কৃত হয় 1998 সালে।
৫। Facebook আবিষ্কৃত হয় 2004 সালে।
৬। Youtube আবিষ্কৃত হয় 2005 সালে।
৭। Twitter আবিষ্কৃত হয় 2006 সালে।
৮। বিশ্বে ইন্টারনেট চালু হয় ১৯৬৯সালে
৯। বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার চালু হয়
১৯৯৩ সালে।
১০। বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার সবার
জন্য উন্মুক্ত হয় ১৯৯৬ সালে।
১১। বাংলাদেশে 3g চালু হয় 14
OCTOBER,2012।
১২। বাংলাদেশে স্থাপিত প্রথম
কম্পিউটার "IBM-1620 ‘ যা স্থাপিত হয়
বাংলাদেশ পরমানু শক্তি কমিশনে ১৯৬৪
সালে।
১৩। ২১মে ২০০৬ সালে কক্সবাজারের
ঝিলংজা-তে ল্যান্ডিং স্টেশন স্থাপনের
মাধ্যমে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলে
যুক্ত হয়।
১৪। বাংলাদেশর বিজ্ঞানীরা
প্রথমাবারের মতো ‘জীবনরহস্য‘ উন্মোচন
করেছেন মহিষের।
১৫। ২০১৩সালে দেশি পাটের জীবন রহস্য
উন্মোচনে নেতৃত্ব দেন ড মাকসুদুল আলম।
১৬। ১৯৮১ এপসন কোম্পানি সর্বপ্রথম
ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রচলন করেন তার
নামঅসবর্ন-১।
১৭। বিশ্বের একমাত্র কম্পিউটার জাদুঘরটি
অবস্থিতযুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায়।
১৮। বাংলা সামাজিক মাধ্যম ‘‘বেশত‘‘ চালু
হয় ২৮ ফ্রেব্রু ২০১৩।
১৯। বাংলাদেশের ‘টেলিফোন শিল্প
সংস্থা লিমিটেড(টেশিস) কর্তৃক তৈরী
প্রথম ল্যাপটপ --এর নামদোয়েল।
২০। জাতিসংঘ রেডিও বাংলা যাত্রা শুরু
করে ২১ ফ্রেব্রু:২০১৩।
২১। বাংলাদেশের প্রথম সার্চ ইঞ্চিন
‘‘পিপীলিকা‘‘ উদ্ধোধন করা হয় ১৩এপ্রিল,
২০১৩।
২২। বাংলাদেশে দ্রুত গতির ইন্টারনেট
‘‘ওয়াইম্যাক্স‘ চালু হয় >>June,2009, Banglalion।
২৩। বাংলাদেশে কবে , কোথায় সাইবার
ক্যাফে চালু হয় ১৯৯৯ সালে,বনানীতে।
২৪। বাংলাদেশের প্রথম মোবাইল ফোন
কোম্পানীর সিটিসেল ডিজিটাল, ১৯৯৩
সাল।
২৫। বাংলাদেশে প্রথম ডিজিটাল
টেলিফোন ব্যবস্থা চালূ হয় ৪ জানুয়ারী,
১৯৯০।
২৬। বাংলাদেশে কখন থেকে কার্ড ফোন
চালূ হয় ১৯৯২ সালে।
২৭। প্রথম ডিজিটার জেলা যশোর।
২৮। প্রথম ওয়াই ফাই নগর সিলেট।
২৯। সাইবার সিটি সিলেট।
৩০। প্রথম ডিজিটাল টেলিফোন এক্সচেঞ্জ
মিঠাপুকুর ,রংপুর।
=> GIF এর পূর্ণরূপ — Graphic Interchangeable
Format
=> BMP এর পূর্ণরূপ — Bitmap
=> JPEG এর পূর্ণরূপ — Joint Photographic Expert
Group
=> PNG এর পূর্ণরূপ — Portable Network
=> Wi-Fi র পূর্ণরূপ — Wireless Fidelity
=> HTTP এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer
Protocol
=> HTTPS এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer
Protocol Secure
=> URL এর পূর্ণরূপ — Uniform Resource Locator
=> IP এর পূর্ণরূপ— Internet Protocol
=> VIRUS এর পূর্ণরূপ — Vital Information
Resource Under Seized
=> UMTS এর পূর্ণরূপ — Universal Mobile
Telecommunication System
=> RTS এর পূর্ণরূপ — Real Time Streaming
=> AVI এর পূর্ণরূপ — Audio Video Interleave
=> SIS এর পূর্ণরূপ — Symbian OS Installer File
=> AMR এর পূর্ণরূপ — Adaptive Multi-Rate Codec
=> JAD এর পূর্ণরূপ — Java Application Descriptor
=> JAR এর পূর্ণরূপ — Java Archive
=> MP3 এর পূর্ণরূপ — MPEG player lll
=> 3GPP এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation
Partnership Project
=> 3GP এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation Project
=> MP4 এর পূর্ণরূপ — MPEG-4 video file
=> SIM এর পূর্ণরূপ — Subscriber Identity Module
=> 3G এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation
=> GSM এর পূর্ণরূপ — Global System for Mobile
Communication
=> CDMA এর পূর্ণরূপ — Code Divison Multiple
Access
=> AAC এর পূর্ণরূপ — Advanced Audio Coding
=> SWF এর পূর্ণরূপ — Shock Wave Flash
=> WMV এর পূর্ণরূপ — Windows Media Video
=> WMA এর পূর্ণরূপ — Windows Media Audio
=> WAV এর পূর্ণরূপ — Waveform Audio
1) GOOGLE : Global Organization Of Oriented
Group Language Of Earth
2) YAHOO : Yet Another Hierarchical Officious
Oracle
3) WINDOW : Wide Interactive Network
Development for Office work Solution
4) COMPUTER : Common Oriented Machine
Particularly United and used under Technical and
Educational Research
5) VIRUS : Vital Information Resources Under
Siege
6) UMTS : Universal Mobile Telecommunications
System
7) AMOLED: Active-matrix organic light-emitting
diode

★OLED : Organic light-emitting diode
9) IMEI: International Mobile Equipment Identity
10) ESN: Electronic Serial Number
11) UPS: uninterrupted power supply
12) HDMI: High-Definition Multimedia Interface
13) VPN: virtual private network
14) APN: Access Point Name
15) SIM: Subscriber Identity Module
16) LED: Light emitting diode
17) DLNA: Digital Living Network Alliance
18) RAM: Random access memory
19) ROM: Read only memory
20) VGA: Video Graphics Array
21) QVGA: Quarter Video Graphics Array
22) WVGA: Wide video graphics array
23) WXGA: Wide screen Extended Graphics Array
24) USB: Universal serial Bus
25) WLAN: Wireless Local Area Network
26) PPI: Pixels Per Inch
27) LCD: Liquid Crystal Display
28) HSDPA: High speed down-link packet access
29) HSUPA: High-Speed Uplink Packet Access
30) HSPA: High Speed Packet Access.

©️ সংগৃহীত

Antivirus কি? আপনার কি একটি Paid Antivirus নেয়া উচিৎ?Technology বর্তমানে আমরা Web 2.0 যুগে আছি। কিছু দিনের মধ্যেই আমরা W...
09/08/2022

Antivirus কি? আপনার কি একটি Paid Antivirus নেয়া উচিৎ?
Technology বর্তমানে আমরা Web 2.0 যুগে আছি। কিছু দিনের মধ্যেই আমরা Web 3.0 প্রজন্মে প্রবেশ করবো। Web 2.0 এর আবির্ভাবের সাথে সাথে সম্প্রতি অনলাইন সামাজিকতা বৃদ্ধি পেয়েছে। আমাদের অল্প বয়সী বেশিরভাগ সদস্য Social Media Platform, Blog এবং Wiki এর সাথে Connected। এইসব ওয়েবসাইটগুলিতে আমরা আমাদের তথ্য শেয়ার করি। কিন্তু এদের নিরাপত্তার ত্রুটি রয়েছে। Cyber Criminal রা এই ত্রুটিগুলোর দিকে নজর রাখে তাদের স্বার্থে। এই সম্পর্কে এখনই আমাদের সচেতন হতে হবে।
আমরা যদি এসব Cybercriminal দের থেকে নিজেদেরকে রক্ষা করতে চাই, তাহলে অ্যান্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার টপ প্রায়োরিটি তে থাকা উচিৎ। আমাদের ব্যক্তিগত বা গোপনীয় তথ্য আমরা অরক্ষিত রাখতে পারি না। একটি সঠিক অ্যান্টিভাইরাস সমাধান ছাড়া, আমরা এইসব Malware এবং Cyber Criminal দের ভিকটিম হতে পারি।
একটি অ্যান্টিভাইরাস কিভাবে কাজ করে?
ইনস্টলেশনের পর থেকেই অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রামগুলি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকে। এটি আমাদের তাৎক্ষণিক ভাইরাল আক্রমণ থেকে রক্ষা করে।
বর্তমানে বেশিরভাগ অ্যান্টি-ভাইরাসের Malware Protection দেয়ার সক্ষমতা রয়েছে। অ্যান্টিভাইরাস সফ্টওয়্যারে একটি অ্যান্টিভাইরাস ইঞ্জিন থাকে। এই অ্যান্টিভাইরাস ইঞ্জিন কম্পিউটার ভাইরাস দমনে কাজ করে। অ্যান্টিভাইরাস প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলি বিভিন্ন ধরণের অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে হুমকিগুলি আবিষ্কার করতে, সনাক্ত করতে এবং ধ্বংস করতে সক্ষম।
নীচে আমরা অ্যান্টিভাইরাস সফ্টওয়্যারের উপকারিতা গুলো নিয়ে কথা বলবো।
কেন আমাদের একটি Paid অ্যান্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার প্রয়োজন?
এটি ভাইরাসের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা দেয়
ধরুন, আপনার কম্পিউটারে একটি Bad Software ইনস্টল করা আছে। আপনি তা জানেন না। কোনরকম বার্তা ছাড়াই আপনার কম্পিউটারের ডেটা Corrupt হয়ে গেলো। এখন একটি বার্তা দেখতে পাচ্ছেন যে কেউ একজন আপনার কাছে টাকা চাচ্ছে। হ্যাকাররা Ransomware দিয়ে অ্যাপ্লিকেশনটিকে সংক্রমিত করেছে। একটি Paid অ্যান্টিভাইরাস আপনার অজান্তেই এগুলো থেকে আপনাকে Protection দিবে। ডেটাকে সুরক্ষিত রাখতে আপনার একটি নির্ভরযোগ্য অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রামে বিনিয়োগ করার বিষয়ে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা উচিত।
অবাঞ্ছিত স্প্যাম এবং বিজ্ঞাপনগুলিকে ব্লক করে
Cybercriminal রা প্রায়ই আপনার ডিভাইস কে সংক্রমিত করতে স্প্যাম বা বিজ্ঞাপন ব্যবহার করে।
ধরুন, আপনি Web Browsing এর সময় হঠাৎ একটি বিজ্ঞাপন দেখতে পেলেন যে এক জায়গায় বড় Sale চলছে। কৌতূহলবশত আপনি বিজ্ঞাপনে ক্লিক করলেন আর আপনার কম্পিউটার Hang করলো।
আপনি অজান্তেই একটি কম্পিউটার ভাইরাসকে সক্রিয় করে দিয়েছেন যা আপনার System কে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
এখন একটি Paid অ্যান্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার এর কথা ভেবে দেখুন। কারণ বিজ্ঞাপনগুলি আপনার স্ক্রিনে প্রদর্শিত হওয়ার আগেই এটি দ্রুত তাদের প্রতিরোধ করত। আপনি জেনে অবাক হতে পারেন যে বেশিরভাগ হ্যাকাররা অন্যান্য উপায়ের পরিবর্তে স্প্যাম এবং Pop-Up Ad বেশি ব্যবহার করে।
হ্যাকারদের থেকে ডেটা রক্ষা করা
আপনি একটি প্রোগ্রাম খুঁজছিলেন যা আপনার কাজকে সহজ করে তুলবে। আপনি তা খুজে পেলেন এবং এটি ডাউনলোড হওয়ার পরে সেট আপ করলেন। হঠাৎ আপনার পুরো পিসির ডাটা নষ্ট হয়ে গেছে। সফ্টওয়্যারটি আপনার কম্পিউটারকে ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত করেছে।
একটি Paid Antivirus শুরুতেই আপনাকে সতর্ক করে দিত এই ক্ষেত্রে।
ফিশিং এবং স্পাইওয়্যার প্রতিরোধ করার জন্য রয়েছে Firewall
Firewall হল নেটওয়ার্কের জন্য একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। Firewall Incoming এবং Outgoing উভয় ডেটার ট্র্যাক রাখে।
মনে করুন, আপনার বন্ধু আপনাকে একটি লিঙ্ক প্রদান করেছে। এর পরে, আপনি সাইটে পৌঁছেছেন। আপনি Facebook লগইন এর মত একটি পেজ পেলেন। আপনি Login এর জন্য ইমেল এবং পাসওয়ার্ড উভয়ই দিয়েছেন। আপনি পরে জানতে পারলেন যে আপনার অ্যাকাউন্ট আর Access যোগ্য নয়। এটি ফিশিং নামে পরিচিত। হ্যাকাররা আপনার ব্যক্তিগত তথ্য পেতে এই ধরনের প্রতারণামূলক ওয়েবসাইট ব্যবহার করে। এমন কি আপনি কার্ড দিয়ে Atm থেকে টাকা তুলার সময় এইরকম Screen পেতে পারেন যা আপনার পাসওয়ার্ড হ্যাকার এর কাছে পৌছে দিতে পারে। এটিও এক প্রকার ফিশিং। Paid অ্যান্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার এই সাইটগুলি সনাক্ত করে অ্যাক্সেস করতে বাধা দেয়৷
USB ফাইল স্থানান্তর জন্য নিরাপত্তা
ধরুন, আপনি একটি পুরনো মুভি খুঁজছিলেন। আপনার বন্ধুর কাছে সেটি খুঁজে পেয়েছেন। একটি Usb ড্রাইভ দিয়ে আপনি তা নিতে নিবেন। Usb ডিভাইসটি সংযুক্ত করার সাথে সাথে আপনার কম্পিউটার ধীর হতে শুরু করেছে।আসলে ড্রাইভে ভাইরাস ছিল। ভাইরাসগুলি আপনার সিস্টেমকে ধীর করে দিয়েছে।
একটি Paid অ্যান্টিভাইরাস Usb ড্রাইভগুলি ব্যবহার করার আগে চেক করে এবং শুরুতেই বিপজ্জনক বিষয়বস্তু প্রতিরোধ করে৷
আরো উন্নত ওয়েব Security
আপনি যদি শুধুমাত্র পরিচিত ওয়েবসাইট ব্যবহার করেন এবং আপনার পিসি এর খেয়াল রাখেন তবে আপনার অ্যান্টিভাইরাস সফ্টওয়্যারের প্রয়োজন নেই। আপনি যদি Secured Website সম্পর্কে না জানেন তবে আপনি বিপজ্জনক ওয়েবসাইটগুলিতে প্রবেশ করতে পারেন৷ একটি Paid অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রাম এই পরিস্থিতিতে অপরিহার্য।
Unauthorised ওয়েবসাইটগুলি প্রায়শই এমন লিঙ্ক বা প্রোগ্রাম সরবরাহ করে যা আপনার ডেটার ক্ষতি করতে পারে।
একটি Cost-Effective Solution
সাধারণত অ্যান্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার সস্তা। অ্যান্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার নির্মাতারা সাশ্রয়ী মূল্যের মাসিক বা বার্ষিক লাইসেন্স সরবরাহ করে। আপনি যদি তাদের পরিষেবা বিবেচনা করেন তবে খরচটি যুক্তিসঙ্গত। এমনকি আপনার কাছে অনেক টাকা না থাকলেও আপনি একটি বিনামূল্যের অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রাম পেতে পারেন।
আমরা পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে অ্যান্টিভাইরাসের গুরুত্বকে উপেক্ষা করতে পারি না
অনলাইন হুমকি প্রতিদিন নতুন আকারে হাজির হচ্ছে। এছাড়াও, অ্যান্টিভাইরাস টেস্ট ইনস্টিটিউট প্রতিদিন 350,000+ নতুন ম্যালওয়্যার এবং সম্ভাব্য অবাঞ্ছিত অ্যাপ্লিকেশন (PUA) লগ করে। দিন দিন ম্যালওয়্যার সাধারণভাবে Pua-এর তুলনায় একটি বড় সমস্যা হয়ে উঠছে।
অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেম এর তুলনায় উইন্ডোজ সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ। 25 জানুয়ারী 2021-এ, Managed Service Providers বলেছিল যে ৮৭ শতাংশ Ransomware উইন্ডোজ কম্পিউটারগুলিতে আক্রমণ করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল।
আপনার কম্পিউটারে উইন্ডোজ ডিফেন্ডার থাকার পরে আপনার কি অ্যান্টিভাইরাস দরকার?
উইন্ডোজ ডিফেন্ডার ক্রমাগত ভাইরাস, স্পাইওয়্যার এবং ম্যালওয়্যার থেকে Protection প্রদান করে।
উল্লিখিত সাইবার হুমকিগুলি উইন্ডোজ ডিফেন্ডার দ্বারা ইমেল, অনলাইন ব্রাউজার, ক্লাউড এবং অ্যাপগুলিতে অনুসন্ধান করা হয়।
উইন্ডোজ ডিফেন্ডারের ত্রুটির সংখ্যা অসংখ্য। উইন্ডোজ ডিফেন্ডারের Endpoint Protection, Reaction, Automatic Inquiry, And Correction এর অভাব রয়েছে। Endpoint Security মূলত আপনার Endpoint Device কে অনলাইন হুমকি এবং আক্রমণ থেকে রক্ষা করে। একটি আদর্শ সমাধান হচ্ছে Third Party থেকে উইন্ডোজের জন্য অ্যান্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার।
Manufacturer দের মতে, Paid Antivirus সফ্টওয়্যার Windows Defender এর চেয়ে কম Ram ব্যবহার করে।
অবশেষে, অ্যান্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার কিছু সীমাবদ্ধতা আছে যা বেশিরভাগ সময়ে Free Antivirus এ পরিলক্ষিত। চিন্তার কিছু নেই, এই ত্রুটিগুলোর বেশিরভাগের ই Solution রয়েছে।
অ্যান্টিভাইরাস সফ্টওয়্যারগুলোর ত্রুটি সম্পর্কে এখন আমরা জেনে নিবো
অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যারের ব্যবহার প্রতিদিনই বাড়ছে। বর্তমান সময় Data Protection বিবেচনা করার দিন। প্রিমিয়াম অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহারকারীরা মূলত অনেকটাই সমস্যা-মুক্ত।
নীচে আমরা Antivirus এর কয়েকটি Negative Aspect দেখব।
সিস্টেমের ধীরগতি
সবচেয়ে সাধারণভাবে জিজ্ঞাসা করা প্রশ্ন হচ্ছে ‘অ্যান্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার কি আমাদের কম্পিউটারকে ধীর করে দেয়?’। উত্তর হচ্ছে ‘না’। কটি কম্পিউটারে যখন অ্যান্টিভাইরাস ইনস্টল করা হয়, তখন এটি কম্পিউটারের Ram ব্যবহার করে। আপনি যখন আপনার কম্পিউটার বুট করেন, অ্যান্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার স্বয়ংক্রিয়ভাবে মেমরিতে লোড হয়। এখানেই মূলত সমস্যা টি। কম মেমরির পিসিগুলি Slow হয়ে যায়। আপনার কম্পিউটার থেকে সর্বাধিক সুবিধা পেতে আপনাকে মেমরি আপডেট করতে হবে। আধুনিক পিসিতে যথেষ্ট পরিমানে মেমরি থাকে। এছাড়াও স্ক্যান করার সময়, পিসি আরও Slow হয়ে যায়। আপনি এই স্ক্যান নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। আপনি চাইলে স্ক্যান বন্ধ করতে পারেন বা আপনার পিসিকে ধীর করা বন্ধ করতে এর সময়কাল পরিবর্তন করতে পারেন। এটি একটি সমাধান সহ একটি সীমাবদ্ধতাও।
কোন Absolute Protection নেই
বিনামূল্যের অ্যান্টিভাইরাস গুলির নিরাপত্তার স্তর প্রাথমিক লেভেলের। তাদের ভাইরাস সনাক্তকরণ ডাটাবেস সংকীর্ণ। তারা সব ধরনের ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার হুমকি সনাক্ত করতে পারেনা।
গ্রাহক সহায়তার অভাব
অ্যান্টিভাইরাস কোম্পানি বিনামূল্যে ব্যবহারকারী্দের গ্রাহক সেবা দেয় না। এমনকি মাইক্রোসফ্টও তাদের উইন্ডোজ ডিফেন্ডারের বিনামূল্যের সংস্করণের গ্রাহকদের Service দেয় না। কোন সমস্যার মুখোমুখি হলে সমস্যাটি সমাধান করতে আপনাকে Knowledge থ্রেড ব্যবহার করতে হবে।
বিজ্ঞাপন
ফ্রি অ্যান্টিভাইরাস হল অ্যান্টিভাইরাস নির্মাতাদের জন্য আরেকটি আয়ের উৎস। বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে তারা কভারেজ প্রদান করে। আপনি যদি একজন Free ব্যবহারকারী হন তবে আপনি প্রচুর বিজ্ঞাপন দেখতে পাবেন যা আপনার অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহারের অভিজ্ঞতা কে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।
Loopholes
আপনার নেটওয়ার্ক বা অপারেটিং সিস্টেম ইতিমধ্যেই ত্রুটিপূর্ণ থাকলে একটি Paid অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রাম আপনাকে নিরাপদ রাখতে সক্ষম নাও হতে পারে। আপনার অপারেটিং সিস্টেম এবং নেটওয়ার্ক সফ্টওয়্যার অবশ্যই আপডেট করতে হবে আপনার নিজের জন্যই৷ সফ্টওয়্যার নিরাপত্তা বাড়াতে Software Developer রা Update প্রদান করে। আপনার তথ্যের সুরক্ষার জন্যই আপনার Software Update করে নেয়া উচিৎ।

সংগৃহীতঃ

গুগল ড্রাইভ কি ? গুগল ড্রাইভ এর সুবিধা কি ? কিভাবে গুগল ড্রাইভ ব্যবহার করবেন ?অনেকেই হয়তো গুগল ড্রাইভ সম্পর্কে জানেন , ক...
22/04/2022

গুগল ড্রাইভ কি ? গুগল ড্রাইভ এর সুবিধা কি ? কিভাবে গুগল ড্রাইভ ব্যবহার করবেন ?

অনেকেই হয়তো গুগল ড্রাইভ সম্পর্কে জানেন , কিন্তু অনেকেই আছে গুগল ড্রাইভ সম্পর্কে জানে না বা জানলেও এ ব্যাপারে অনেক বেশি জ্ঞান নেই। তাই তারা এই সুবিধা টি ব্যবহার করা থেকে বঞ্চিত হয়। আজকে আপনাদের জানাবো গুগল ড্রাইভ এর ব্যবহার সম্পর্কে।
যা জানা থাকলে নিঃসন্দেহে আপনার কাজে আসবে।

👉 গুগল ড্রাইভ কি ?
“Google drive” হচ্ছে Google এর একটি সার্ভিস। গুগলের এ সার্ভিস আপনার অনেক কাজে লাগতে পারে। মূলত গুগল ড্রাইভ একটি ক্লাউড-ভিত্তিক স্টোরেজ সলিউশন, যা আপনাকে আপনার ফাইল গুলো অনলাইন এ সেভ করতে ও এবং নিরাপদে ফাইলগুলি আপলোড করতে দেয় ও তার পর যে কোনো সময় যে কোনো স্মার্টফোন, ট্যাবলেট বা কম্পিউটার থেকে যে কোনও জায়গায় অ্যাক্সেস করতে দেয়।
আপনি আপনার কম্পিউটার বা মোবাইল ডিভাইসে গুগল ড্রাইভ ব্যবহার করতে পারেন। আপনি কম্পিউটার এ কাজ করে মোবাইল এ দেখতে পারবেন কিংবা মোবাইল এ কাজ করে কম্পিউটার দিয়ে দেখতে পারবেন। যা ব্যবহার করা খুব সহজ। আপনাকে এক্সট্রা করে সেভ করার ঝামেলা করতে হবে না। আপনি লিখলেই বা আপলোড করলেই তা অটোমেটিক্যালি আপনার ড্রাইভ এ সেভ হয়ে যাবে।
১৯১২ সালের ২৪ এপ্রিল গুগল এটি চালু করেন। এককথায় একে গুগল এর অনলাইন ফাইল স্টোরেজ সার্ভিস বলা যায়। এখানে প্রয়োজনীয় ফাইল, ইমেজ, ভিডিও, ডকুমেন্টস, অ্যাপ ইত্যাদি আপলোড করে স্টোর করে রাখা যায়। গুগল ড্রাইভ এর মাধ্যমে অনলাইন ফাইল স্টোর করে যেকোনো সময় যেকোনো কম্পিউটার বা মোবাইলে Google drive app বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপলোড করা সেই ফাইলগুলো পুনরায় ডাউনলোড করা যায়। এটি ব্যবহার এ আপনার প্রয়োজনীয় ছবি বা ফাইল সব সময় নিরাপদ থাকে আপনার মোবাইল বা কম্পিউটার খারাপ হয়ে গেলেও আপনি ফাইল বা ছবি পুনরায় গুগল ড্রাইভ থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। যেহেতু এটি Google এর একটি সার্ভিস তাই এটি ব্যবহার করার জন্য আপনার একটি Google Account বা Gmail Account প্রয়োজন। আমরা সাধারণত গুগল ক্রোম ব্রাউজার ব্যবহারের সময় জিমেইল আইডি ব্যবহার করে থাকি। তার মানে অলরেডি আপনার একটি গুগল ড্রাইভ রয়েছে। শুধু আপনাকে এটির ব্যবহার জানতে হবে।

👉 গুগল ড্রাইভের এর ব্যবহার করার সুবিধা গুলো কি কি ?
যারা গুগল ড্রাইভ ব্যবহার করে থাকেন তারা জানেন এর সুবিধা গুলো কেমন।
মোবাইল এ গুগল ড্রাইভ এর ব্যবহার এর সুবিধা সবচেয়ে বেশি। যে কোনো স্মার্ট ফোন আপনি এটি ব্যবহার করতে পারবেন।

🔸 গুগল ড্রাইভের কিছু সুবিধা নিচে উল্লেখ করা হলো –

১। গুগল ড্রাইভ এ আপনার প্রয়োজনীয় ফাইল, ইমেজ, ভিডিও, ডকুমেন্টস, অ্যাপ ইত্যাদি আপলোড করে স্টোর করে রাখতে পারবেন।

২। গুগল ড্রাইভে আপলোড করা ছবি বা ফাইল যেকোন স্মার্টফোন বা কম্পিউটার বা গুগল ড্রাইভের ওয়েবসাইট ব্যবহার করে যেকোনো সময় পুনরায় ডাউনলোড করতে পারবেন।
৩। যত দিন আপনি নিজে আপনার ফাইল গুলো ডিলেট না করবেন তত দিন আপনার গুগল একাউন্টে স্টোর হয়েই থাকবে।

৪। আপনার মোবাইল বা কম্পিউটার খারাপ বা চুরি হয়ে গেলেও আপনার আপলোড করা ছবি বা ফাইল নিরাপদভাবে সেখানেই থাকবে।

৫। গুগল ড্রাইভে ১৫ জিবি (GB) পর্যন্ত Free storage space দেয়া হয়। আপনি চাইলে এক্সট্রা storage space আলাদা করে কিনতে পারবেন।

৬। আপনি চাইলে যে কোনো ছবি বা ফাইল নিজের একাউন্ট থেকেই যাকে ইচ্ছে বিভিন্ন মাধ্যমে শেয়ার করতে পারবেন।

৭। আপনার শেয়ার করা সেই লিংকের মাধ্যমে তারা সেই ফাইল বা ছবি ডাউনলোড করতে পারবে।

৮। গুগল ড্রাইভ (Google drive) অ্যাপ যেকোনো ডিভাইসের (যেমন- Mobile, Computer বা Laptop) জন্য ফ্রীতেই ডাউনলোড করতে পারবেন।

৯। গুগল ড্রাইভ অনলাইন এবং অফলাইন দু মাধ্যমেই ব্যবহার করা যায়।

১০। গুগল ড্রাইভে বিভিন্ন রকমের Presentation file, Document files, Excel sheet files ইত্যাদি তৈরি করা যায় ও সহজে ব্যবহার করা যায়।

১১। আপনি যদি একজন ব্লগার বা কন্টেন্ট রাইটার হন তবে আপনার ব্লগের Full Automatic backup গুগল ড্রাইভে রাখতে পারবেন যা যে কোনো সময় যে কোনো ভাবে ব্যবহার করতে পারবেন।

১২। আপনি চাইলে গুগল ড্রাইভের ড্যাশবোর্ডে ফোল্ডার বানাতে পারবেন এবং ফোল্ডারের ভেতরে বিভিন্ন ফাইল বা ছবি আপলোড রাখতে পারবেন। যার ফলে আপনার স্মার্টফোনের অনেক Storage space বেঁচে যাবে।

👉কিভাবে গুগল ড্রাইভ ব্যবহার করবেন ?
গুগল ড্রাইভ ব্যবহার করা খুব সহজ। দুটি পদ্ধতি তে গুগল ড্রাইভ ব্যবহার করতে পারবেন :

১। Google drive website ব্যবহার করে।
২। গুগল ড্রাইভ এপস (app) ব্যবহার করে।

এপস (app) ব্যবহার করে গুগল ড্রাইভ ব্যবহার করার নিয়ম অনেক সোজা এবং সেরা। Windows, Android, IOS সব OS এর জন্যই এর app রয়েছে। গুগল ড্রাইভ এপস দ্বারা সবটাই অটোমেটিক্যালি আপনারা করতে পারবেন।
চলুন নিচে দেখেনেই কিভাবে।
প্রথমে Google drive apps টি আপনার কম্পিউটার বা মোবাইল এ ডাউনলোড করে নিন। তাপর আপনার জিমেইল দিয়ে লগইন করুন। Google drive এ আপনার একাউন্ট লগইন করার সাথে সাথে আপনি নিজের একাউন্ট ড্যাশবোর্ড দেখতে পাবেন। আপনার ড্যাশবোর্ড এর বামপাশে থাকা “New” অপশন থেকে নতুন ফাইল বা ছবি একাউন্টে আপলোড করতে পারবেন। আপনি চাইলে পুরো ফোল্ডার ও আপলোড করতে পারবেন। আলাদা আলাদা ফাইল এর জন্য আলাদা আলাদা ফোল্ডার বানাতে পারবেন।

🔸 গুগল শিট (Google Sheets)
গুগল ড্রাইভ ব্যবহার করলে আপনাকে এক্সেলে কাজ করার জন্য কম্পিউটারে মাইক্রোসফট অফিস ইনস্টল করার দরকার নেই। গুগল ড্রাইভের গুগল শিট থেকে অনলাইনে, কোনো সফটওয়্যার ইনস্টল ছাড়াই সহজেই ব্যবহার করতে পারবেন।

🔸 গুগল ডক্স (Google Docs)
ওয়ার্ড ফাইল নিয়ে কাজ করার জন্য কোনো সফটওয়্যার ছাড়াই করতে গুগল ডক্সের ব্যবহার করতে পারেন। যেকোনো কন্টেন্ট লিখতে পারবেন মাইক্রোসফট ওয়ার্ড সফটওয়্যার ছাড়া।

🔸 গুগল স্লাইড (Google Slides)
স্লাইডশেয়ার নিয়ে কাজ করার জন্য গুগল স্লাইডের ব্যবহার করতে পারেন খুব সহজে । এটি ব্যবহার করে আপনি পাওয়ারপয়েন্ট এর মতো প্রেসেন্টেশন তৈরি করতে পারবেন। যার জন্য আপনাকে আলাদা পাওয়ারপয়েন্ট সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে না।

🔸 Forms: বিভিন্ন ডাটা কালেক্ট করার জন্য ফর্ম তৈরি করতে পারবেন।
আর সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো এ কাজ গুলো আপনি চাইলে আপনার মোবাইল দিয়ে করতে পারবেন।

👉 গুগল ড্রাইভ কি নিরাপদ ?
গুগল ড্রাইভ যেহেতু গুগল এর একটি সার্ভিসে তাই এটি নিশ্চিন্তে ব্যবহার করতে পারেন। গুগল ড্রাইভ থেকে আপনার তথ্য চুরি হবে না কোনো দিন। গুগল অ্যাকাউন্ট এর নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য আপনাকে যে কাজগুলো অবশ্যই করতে হবে তা হলো: শক্তিশালী পাসওয়ার্ড , রিকভারি ইমেইল বা ফোন নাম্বার ,টু স্টেপ ভেরিফিকেশন,
লগইন এলার্ট ,ডিভাইস অ্যাপ্রুভাল ইত্যাদি একটিভ থাকলে আপনার গুগোল অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার সুযোগ থাকবে না।

আপনার কম্পিউটার কি স্লো ? তাহলে দেখে নিন কিভাবে কম্পিউটার এর স্পিড বাড়াবেন ?আমরা  অনেক সময় দেখি যে নতুন কিনা কম্পিউটার এ...
21/04/2022

আপনার কম্পিউটার কি স্লো ? তাহলে দেখে নিন কিভাবে কম্পিউটার এর স্পিড বাড়াবেন ?
আমরা অনেক সময় দেখি যে নতুন কিনা কম্পিউটার এ অনেক স্পিড থাকে কিন্তু কিছু দিন ব্যবহার করার পর কমে যায়। কম্পিউটার এ কোন প্রোগ্রাম ওপেন করলে ওপেন হতে দেরি হয়, শুধু লোডিং হতে থাকে, মনে হয় যেন ঝিমাচ্ছে! 😀 এক সাথে অনেক প্রোগ্রাম ওপেন করা যায় না, অনেক সময় ধরে হ্যাং হয়ে থাকে, যা খুবই বিরক্ত কর।
অনেকেই সমাধান ভেবে বার বার রিস্টার্ট করেন। এতে সাময়িক স্পিড বাড়লেও কিছু ক্ষন পর যেই সেই স্লো। তাই আজকে আপনাদের জানাবো কম্পিউটার এ স্পিড বাড়ানোর কিছু টিপস। যা ফলো করলে আপনাদের কিছুটা হলেও উপকারে আসবে।

তাহলে চলুন দেখে নেই কিভাবে কম্পিউটার এর স্পিড বাড়াবেন:

🔸 Tend file রিমুভ করুন:
আমাদের কম্পিউটার এ প্রতিদিন কাজ করার ফলে অনেক টেন্ড ফাইল জমা হয়। যার ফলে আপনার কম্পিউটার স্লো হয়ে যেতে পারে। আপনার কম্পিউটার এর Windows বাটন চেপে ধরে R এ ক্লিক করুন। এখন ডেস্কটপ এর নিচে একটি সার্চ বক্স আসবে সেখানে temp লিখে Enter ক্লিক করুন। এবার contrl A চেপে সবগুলো file সিলেক্ট করুন, এর পর মাউস এর ডান বাটন এ ক্লিক করুন এর পর সেখান থেকে সব ফাইল ডিলিট করে দিন। একই নিয়মে prefetch, %temp%, recent লিখে Enter দিন এবং সব কিছু Delete করুন। এতে আপনার কম্পিউটার এর স্পিড বাড়বে। ভয় পাবার কিছু নাই এগুলো অপ্রয়োজনীয় ফাইল। এগুলো ডিলিট করলে কোনো সমস্যা হবে না।
🔸Disk cleanup:
প্রতিদিন কম্পিউটার ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারে অনেক অপ্রয়োজনীয় ফাইল জমা হয়ে থাকে যার ফলে কম্পিউটারের গতি কমে যায় । Disk cleanup টুলস ব্যবহার করে এসব অপ্রয়োজনীয় ফাইল ডিলিট করতে পারেন, অথবা c- cleaner সফটওয়্যারটি ব্যবহার করতে পারেন।
আপনার কম্পিউটার এর Windows start> Disk cleanup থেকে একে একে সকল ড্রাইভ ক্লিক করুন। C ড্রাইভ এ Disk ক্লিনআপ করা টা বেশি জরুরি। এটি মাঝে মাঝে করতে পারেন ।
Automatic Update অপশন বন্ধ করুন এখন ই :
আপনার কম্পিউটার এর Windows এর Automatic Update অপশন Enable থাকলে Disable করে দিন।কোন ড্রাইভার বা সফটওয়্যারের Automatic Update হচ্ছে কি না Check করে দেখুন।
Antivirus, Firewall ব্যবহার করতে পারেন :
পিসি যদি Virus, Mal-ware, Spyware ইত্যাদি Malicious Tools বা ক্ষতিকারক টুল দ্বারা আক্রান্ত হয় তাহলে এগুলো আপনার কম্পিউটার এ আপনার অজান্তে বা গোপনে কাজ করে। তাই আপনার উচিত আপনার পিসি বা ল্যাপটপ এ শক্তিশালী Antivirus, Firewall ব্যবহার করা এছাড়া এগুলো নিয়মিত Update করতে হবে এবং মাঝে মাঝে পিসি স্ক্যান করে দেখতে হবে।

🔸লাইসেন্স ছাড়া সফট্ওয়ার ব্যবহার না করা:
আপনার কম্পিউটার বা পিসিতে লাইসেন্স করা বা অরজিনাল সফট্ওয়ার ব্যবহার করা হলে পারফরম্যান্স বেড়ে যাই এবং কোন ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার ভয় থাকে না। তাই লাইসেন্স ছাড়া কোনো সফটওয়্যার ব্যবহার করবেন না। এছাড়া পঅপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার আনইন্সটল করে দিন।
Browsing history এবং Cooky ডিলেট করুন :
Browsing History এবং Cooky সমূহ র‍্যামে জমা হয়ে র‍্যামের গতি কমিয়ে দেয় যার ফলে স্পিড কমে যায়। তাই প্রতিদিন Browsing history এবং Cooky ডিলিট করুন। এজন্য যেকোনো Browser খুলে Shift+ Ctrl+ Delete চেপে সবকিছু Delete করেন। এতে কোনো ভয় পাবার কিছু নেই। আপনার কোনো প্রয়োজনীয় ফাইল ডিলিট হবে না। Cookies কি এ বিষয় এ অন্য এক দিন বিস্তারিত আলোচনা করবো।

🔸 মাউস স্পিড বৃদ্ধি করুন:
আপনি চাইলে আপনার মাউস এর স্পিড বাড়িয়ে নিতে পারেন, যদি মাউস ধীরগতিতে চলে। Control Panel > USER > CURRENT > HKEY মাউসে ডাবল ক্লিক করলে মাউসের গতি বেড়ে যাবে।

🔸 কম্পিউটারে বেশি RAM যোগ করুন:
কম্পিউটারে গতি বাড়ানোর জন্য উচ্চ গতি সম্পন্ন র‍্যামের বিকল্প নেই।
উচ্চ গতিসম্পন্ন র‍্যাম বেশি যোগ করলে অনেকগুলো প্রোগ্রাম অনায়েসে রান করা যায়। যার ফলে কম্পিউটার এর স্পিড বেড়ে যায়।

🔸 Recycle Bin Folder খালি রাখুন:
যখন আমরা কম্পিউটার বা ল্যাপটপের কোন ফাইল ডিলিট করি, সেগুলো Recycle Bin Folder এ গিয়ে জমা হয়। এভাবে অনেক ফাইল জমা হওয়ার কারণে কম্পিউটারের গতি কমে যায়। তাই কম্পিউটার বা ল্যাপটপ ফার্স্ট রাখার জন্য Recycle Bin folder খালি রাখুন। প্রতিদিন ফাইল গুলো ডিলিট করে ক্লিন করে রাখুন।

Address

248, Shahi Mosjid Road, Aynusbag, Dakshinkhan
Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Enter Gedget posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Enter Gedget:

Share