Abdullah Ether

Abdullah Ether আমি টেকনোলোজি, ধর্ম, সমাজ-সমস্যা, ফ্রিল্যান্সিং ও মার্কেটিং সহ নানা টপিকের উপরে লেখালেখি ও ভিডিও করি

📌 সম্মানিত ভাই ও বোনেরা, আসুন আমাদের অবসর সময়কে দ্বীনের দাওয়াতের কাজে লাগাই বিনা কোন বাড়তি কষ্ট ছাড়া হালাল উপায়ে ইনকাম ক...
14/02/2025

📌 সম্মানিত ভাই ও বোনেরা, আসুন আমাদের অবসর সময়কে দ্বীনের দাওয়াতের কাজে লাগাই বিনা কোন বাড়তি কষ্ট ছাড়া হালাল উপায়ে ইনকাম করি। ✨ কিভাবে?
📌 একদম সহজ,
আমি নিচে কতগুলো ভালো ইসলামিক ইউটিউব চ্যানেলের লিংক দিচ্ছি যে সব চ্যানেলের ভিডিও কপিরাইট মুক্ত। এই সব চ্যানেলের হাজারো ভিডিও থেকে ইচ্ছা মত ভিডিও ডাউনলোড করে এরপরে আপনার নিজের খোলা এক বা একাধিক ইউটিউব, ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম ইত্যাদি প্লাটফর্মে রি-আপলোড করে একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির নিয়্যাতে দ্বীনের প্রচারে এগিয়ে আসুন। এর বিনিময়ে আখিরাতে অসংখ্যা নেকি ও কল্যাণ লাভ করুন। পাশাপাশি দুনিয়াতেও কিভাবে দাওয়ায়ের কাজ করে হালাল ইনকামের একটা সোর্স তৈরি করবেন সেটার গাইড লাইন আমি আপনাদের দিয়ে দিব।
📌 (চোখ রাখুন আগামী মে-জুন ২০২৫ মধ্যে ইংশাআল্লাহ এর উপরে আমার চ্যানেলে এই সম্পর্কিত বিস্তারিত কোর্স আপলোড করবো।)

তাই দেরি না করে নিচের লিংকগুলো থেকে এখন-ই ভিডিও গুলো ডাউনলোড করে আপনার চ্যানেলে রি-আপলোড করে দ্বীনের খেদমত ও প্রচার শুরু করে দিন ও নতুন চ্যানেল গ্রো করতে থাকুন।

📌 মনে রাখবেন,
একদিন আপনি-আমি কেউ থাকবো না কিন্তু আমাদের এই দাওয়াতি কাজের কারণে যত মানুষ যতদিন উপকৃত হবে ততদিন আমরা এই সাওয়াব ফ্রি ফ্রি পেতে থাকবো। বিশ্বাস করুন, হাশরের ঐ কঠিন দিনে একটা নেকি দান করে কেউ আমাদের হেল্প করবে না। তাই এখন-ই সময় নিজের নেকির জন্য নিজেই কাজ শুরু করে দিন।
🔴আব্দুল্লাহ ইথার (১৪ই ফেব্রুয়ারী ২০২৫)

─── ⋆⋅☆⋅⋆ ─── ⋆⋅☆⋅⋆ ─── ⋆⋅☆⋅⋆ ─── ⋆⋅☆⋅⋆ ─── ⋆⋅☆⋅⋆ ─── ⋆⋅☆⋅⋆ ─── ⋆⋅☆⋅⋆ ─── ⋆⋅☆⋅⋆ ───

👉 বাংলা ভাষার চ্যানেলেঃ
1️⃣ শাইখ আহমাদুল্লাহ
https://www.youtube.com/
🔴চ্যানেলটির বর্তমান সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা প্রায় ৩০ লক্ষ ও ভিডিও সংখ্যা ২২০০ এর অধিক।

2️⃣ ডঃ মোহাম্মদ মানজুর-ই ইলাহী
https://www.youtube.com/
🔴চ্যানেলটির বর্তমান সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা প্রায় ১ লক্ষ ও ভিডিও সংখ্যা ১৬০০ এর অধিক।

3️⃣ ইয়ামিন বিন ইমদাদ
https://www.youtube.com/
চ্যানেলটির বর্তমান সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা প্রায় ২.৫ লক্ষ ও ভিডিও সংখ্যা কয়েকশো ।
উনার আরেকটা চ্যানেল
https://www.youtube.com//
🔴চ্যানেলটির বর্তমান সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা প্রায় ১৭ লক্ষ ও ভিডিও সংখ্যা কয়েকশো ।

4️⃣ প্রফেসর ডঃ আবু বকর জাকারিয়া
https://www.youtube.com/
🔴চ্যানেলটির বর্তমান সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা প্রায় ১ লক্ষ ২৫ হাজার ও ভিডিও সংখ্যা ২৭০০ ।

5️⃣ আব্দুল হাই মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ
https://www.youtube.com/
🔴চ্যানেলটির বর্তমান সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা প্রায় ৩ লক্ষ ৮২ হাজার ও ভিডিও সংখ্যা ১১০০ ।

6️⃣ https://www.youtube.com/ (যদিও উনার চ্যানেলের ভিডিও ডেসক্রিপশনে ‘ক্রিয়েটিভ কমোন’ দেওয়া নেই কিন্তু কয়েকটা দিক বিবেচনায় আমার মনে হয় উনার ভিডিও রি-আপলোড দিলে সমস্যা হবে না, আমি কয়েক বছর যাবত উনার ভিডিও আমার চ্যানেলে আপলোড দিয়েছি, কোন কপিরাইট স্ট্রাইক বা অন্য কোন সমস্যা 🔴আজ পর্যন্ত হয়নি। তারপরেও রিক্স নিবেন কি নিবেন না সেটা আপনাদের ইচ্ছা)
চ্যানেলটির বর্তমান সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা প্রায় ৭ লক্ষ ৫০ হাজার ও ভিডিও সংখ্যা ১৩০০ ।

👉 অন্যান্য ভাষার চ্যানেলঃ
7️⃣ ডাঃ জাকির নায়েক (যদিও উনার চ্যানেলের ভিডিও ডেসক্রিপশনে ‘ক্রিয়েটিভ কমোন’ দেওয়া নেই কিন্তু উনি নিজে বলেছেন যে উনার চ্যানেলের ভিডিও কপিরাইটমুক্ত)
https://www.youtube.com/
🔴 চ্যানেলটির বর্তমান সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা প্রায় ৪২ লক্ষ ৩০ হাজার ও ভিডিও সংখ্যা ৪৮০০ ।

8️⃣ দি ডেইলি রিমাইন্ডার
https://www.youtube.com/
🔴 চ্যানেলটির বর্তমান সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা প্রায় ১৫ লক্ষ ৫০ হাজার ও ভিডিও সংখ্যা ১৮০০ ।

9️⃣ https://www.youtube.com/ (যদিও উনার চ্যানেলের ভিডিও ডেসক্রিপশনে ‘ক্রিয়েটিভ কমোন’ দেওয়া নেই কিন্তু উনার কন্টেন্ট যেহেতু অনেক পুরাতন এছাড়াও আর কয়েকটা দিক বিবেচনায় আমার মনে হয় উনার ভিডিও রি-আপলোড দিলে সমস্যা হবে না। তারপরেও রিক্স নিবেন কি নিবেন না সেটা আপনাদের ইচ্ছা)
🔴 চ্যানেলটির বর্তমান সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা প্রায় ১৮ লক্ষ ৮০ হাজার ও ভিডিও সংখ্যা ১০০০।

🔟 আব্দুল্লাহ ইথার
https://www.youtube.com/
🔴 এটা মূলত আমার চ্যানেল। সব রকম আপডেট পেতে এই চ্যানেলের সাথে থাকুন। আর হ্যাঁ আমার চ্যানেলের ভিডিও গুলো ও কপিরাইট মুক্ত। চাইলে রি-আপলোড দিতে পারেন।

─── ⋆⋅☆⋅⋆ ─── ⋆⋅☆⋅⋆ ─── ⋆⋅☆⋅⋆ ─── ⋆⋅☆⋅⋆ ─── ⋆⋅☆⋅⋆ ─── ⋆⋅☆⋅⋆ ─── ⋆⋅☆⋅⋆ ─── ⋆⋅☆⋅⋆ ───

📌 বিঃদ্রঃ আমার সরল জ্ঞানে যা জানিঃ-
# আমার জানা মতে উপরের এ সকল চ্যানেলের ভিডিও গুলো ক্রিয়েটিভ কমোন লাইসেন্স করা অর্থাৎ এই চ্যানেলের কন্টেন্ট গুলো কপি করে নিজের চ্যানেলে আপলোড দিলে কোন কপিরাইট স্ট্রাইক আপনার চ্যানেলকে দেওয়া হবে না। কারণ এই ভিডিওগুলো জনকল্যাণের জন্য ফ্রি করা হয়েছে। অর্থাৎ ক্রিয়েটিভ কমোন লাইসেন্স এর আন্ডারে এই ভিডিওগুলো।

🔺 সুতরাং দ্বীনের দাওয়াত প্রদান করার ক্ষেত্রে এ সব ভিডিও গুলো আপনি আপনার চ্যানেলে শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের নিয়্যাতে আপলোড দিতে পারেন। ভিডিওতে গুগল অ্যাডসেন্স বা অন্য কোন হারাম অ্যাড মনিটাইজেশন করা ও এর মাধ্যমে ইনকাম করাকে আমরা হারাম বলেই জানি। সুতরাং আমরা বরাবর-ই এই ইনকামের বিপক্ষে।
(তবে সামনে আমি এই কাজের উপরে যে কোর্স নিয়ে আসছি সেখানে হালাল ইনকামের নানা ওয়ে নিয়ে প্রক্টিক্যাল দেওয়া থাকবে।)

💥 আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ঃ
উপরের দেওয়া চ্যানেল গুলোর ব্যাপারে আমি যদিও ক্রিয়েটিভ কমোন বলেছি (দেখে ও খোঁজ নিয়ে) তারপরেও যে কোন সময় যে কোন চ্যানেল তার মত বদলে ফেলে লাইসেন্স চেঞ্জ করলেও করতে পারেন তাই আপনার উচিত হবে ভিডিও গুলো যখন আপনি আপনার ফোনে বা কম্পিউটারে প্রথমে ডাউনলোড করবেন (পরে আপলোড দেবার জন্য) তখন-ই ভিডিওর ডেসক্রিপশনের একদম নিচে লাইসেন্স অপশনে মাঝে মাঝে একটু চেক করে নিবেন। ভিডিওর লাইসেন্স এর জায়গায় CREATIVER COMMONS (REUSE ALLOWED) এই লেখাটি আছে কিনা।

💥 এত সাবধানতার পরেও যদি আপনার চ্যানেলে কখনো কপিরাইট স্ট্রাইক এর মেসেজ আসে ভয় পাবেন না। আজকাল অনেক সয়তান লোক নিজ স্বার্থের জন্য অযথা এসব (ফেক কপিরাইট বাণিজ্য) কাজ করে টাকা বা চাঁদা দাবি করে। আবার অনেকে ইসলাম যাতে প্রচারিত হতে বাঁধাগ্রস্থ হয় সে লক্ষে এ সব অন্যায় কাজ করে।
এমন টা হলে প্রথমেই মেসেজে কি লিখা আসছে এবং এই স্ট্রাইক কোন চ্যানেলের পক্ষ থেকে দেওয়া সেটা ভালোভাবে পড়ে যাচাই করে নিন। যদি সত্যিকার মুল চ্যানেল থেক কপিরাইট দেওয়া হয় (যা দেয়ার সম্ভাবনা একেবারেই নেই) তাহলে নিজের বুদ্ধি অনুযায়ী যা ভাল মনে হয় করুন।অথবা একান্ত অপারগ হলে আমাকে জানাবেন (আমি ব্যাস্ত মানুষ অযথা নক দিবেন না)। আমি চেষ্টা করবো ব্যাপারটা ভালোভাবে বোঝার ও আপনার চ্যানেলের পক্ষ নিয়ে যেটা করা দরকার করার। আর যদি দেখেন ফেক স্ট্রাইক তাহলে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিন যে, ‘এই কন্টেন্ট তো আপনার নিজের চ্যানেলের না, আপনি কপিরাইট স্ট্রাইক দেয়ার কে’- (কিভাবে কপিরাইট স্ট্রাইক এর মোকাবেলা করতে হয় এর উপরে ইউটিউবে অনেক টিউটোরিয়াল আছে। সে গুলো দেখে শিখে নিন।)

💥 এত এত ভিডিও সহজে ডাউনলোড করবেন যেভাবেঃ কোন সফটওয়্যার দিয়ে সহজেই ডাউনলোড করবেন সেটার টিউটোরিয়াল লিংক শীঘ্রই আসছে।

08/09/2024

----------------
----------------
পৃথিবীটা সুন্দর।
এখানে 'মা' আছে।
আর খ-'মা'।
----------------
----------------

অহংকারী জাস্টিস 'সাইকো মানিক' ধরা খেয়েছেন। আলহামদুলিল্লাহ।ভারতে পালাবার সময় পাবলিক নাকি তাকে মেরে ধুরে তার টাকা পয়সা কেড়...
23/08/2024

অহংকারী জাস্টিস 'সাইকো মানিক' ধরা খেয়েছেন। আলহামদুলিল্লাহ।
ভারতে পালাবার সময় পাবলিক নাকি তাকে মেরে ধুরে তার টাকা পয়সা কেড়ে নিয়ে গিয়েছে।
বেচারা মানিক-কে 'ন্যায় বিচার' দেয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি।
যেভাবে উনিও ন্যায় বিচার এর মডেল স্থাপন করেছিলেন।

সত্যিই লজ্জা ও দুঃখজনক এ সব পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে আমাদের যেতে হয়েছে। বিশ্বাস হয় না যে এদের মত মানুষ রুপি অমানুষদের কিভাবে বিচার ব্যবস্থার মত পবিত্র জায়গায় এদের স্থান হয়।

জুলুমের-বিগ্রহের কারণে ন্যায়ের সব দরজা যখন বন্ধ হয় তখন মানুষ ন্যায় বিচারের আশায় কাদের কাছে যেত। এদের মত হায়নাদের কাছে।

আল্লাহ এদের বিচার করুন অথবা তওবা ও হেদায়েতের পথ খুলে দিন।
আমি বরাবর-ই দেশের এই একটা সেক্টর নিয়ে হতাশায় থাকতাম।

- আলহামদুলিল্লাহ ইয়া আল্লহ - (আল্লহ আল-কাদির - সর্বশক্তিমান ও মহাক্ষমতাধর)- এক আল্লাহর ক্ষমতার বাইরে আর কোন ক্ষমতাই চিরস...
05/08/2024

- আলহামদুলিল্লাহ ইয়া আল্লহ - (আল্লহ আল-কাদির - সর্বশক্তিমান ও মহাক্ষমতাধর)
- এক আল্লাহর ক্ষমতার বাইরে আর কোন ক্ষমতাই চিরস্থায়ী না। আর তিনিই উত্তম পরিকল্পনাকারী।
- অত্যাচার, নিপীড়ন, হত্যা, জুলুম, প্রপাগান্ডা সব কিছুই এই সরকার করেছিল অন্যায়ভাবে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য।

- পারেনি, আমাদের সহ সারা দেশবাসীকে আর বন্দুকের ভয়ে দমিয়ে রাখাতে পারেনি, আমরা জুলুমের প্রতিবাদে এক হয়ে লড়েছি। আহত-নিহত হয়েছি। তবুও দেশের স্বার্থে, দেশ বাঁচাতে এটা আমাদের করতেই হত। এটা যে আমাদের অস্তিত্বের ও অন্তরের দাবি। ইনসাফ - তথা 'ন্যায় বিচার'।

- আর কত অত্যাচার সইবো। নিরীহ মানুষের জীবনের চেয়ে এই বিনা ভোটের ফ্যাসিস্ট সরকারের কাছে তার অহংকারী আচরণ ও গদিটা-ই প্রিয় ছিল। যেন দেশটা উনার বাবার। আর সবাই উনার গোলাম। বিরুদ্ধে কিছু বললেই 'দেশদ্রোহী' ট্যাগ।

- 'দেশ প্রেমের' ঠিকাদারি যেন উনার একলার নেয়া। আমরা তো সব রাজাকারের সন্তান।

- এক নাম্বারের মিথ্যাবাদী আর এত কিছুর পরেও নিজেকে নির্ভুল দাবি করা দল কানা যতসব সাইকো নিয়ে গঠিত এই সরকারের যন্ত্রণায় আমরা অতিষ্ঠ ছিলাম এতটা বছর। দেশটাকে মগের মুল্লুক বানিয়ে ছেড়েছে।

- যাক অবশেষে আন্দোলন এর ভয়াবহতা দেখে সময় থাকতে দেশ ছেড়েছে। - আশা করা যায় এক অহংকারী ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন হয়ত হল।

- কিন্তু এখন দেখার বিষয় হল আদৌ 'এত রক্তস্নাত' ত্যাগের বিনিময়ে আনা অর্জন আসলে কোন দিকে শেষ পর্যন্ত অতিবাহিতে হয়।

- এখন একনিষ্ঠ দেশ প্রেমিক একদল নেতা দরকার যারা দেশকে সঠিকভাবে পরিচালিত করবে ও সত্যিকার ভাবে দেশের জনগণকে ভালবাসবে ও অন্যায় জুলুমবাজ হবে না।

- তবে আফসোস - সে রকম সৎ সাহসওয়ালা মানুষ এই দেশে আদৌ আছে তো। অভিজ্ঞতা বলে; অতীতের সব সরকারী ছিল মুদ্রার এ-পিঠ আর ও-পিঠ। সব ক্ষমতালোভী - মুনাফেক।

- সর্বশেষ চাওয়া একতাই।
- ন্যায়ের পক্ষে আমাদের এতদিনের নিঃস্বার্থ আন্দোলন ও নিরীহ মানুষের জীবনের বিনিময়ে যে অর্জন সেটা যেন বিফলে না যায়।

- আমরা রাজাকারে সন্তান না আমরা এ দেশকে অনেক ভালোবাসি, আমরা এ যুগের মুক্তিকামী ও স্বাধীনতাকামী সৈনিক।

- ইয়া আল্লহ - আপনি আমার দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণের জন্য একজন ন্যায় পরায়ণ বাদশাদ দান করুন যিনি এ দেশে সুশাসন ফিরিয়ে আনবেন ও মজলুমের পাশে দাঁড়াবেন।

- আমিন।
- আব্দুল্লাহ ইথার। আগস্ট ০৫, ২০২৪
Abdullah Ether

06/06/2024

সফল তো সেই যে নিজেকে শুধরে নেয় ও তার সকল কাজকর্ম হয় একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য।

‘জনগণ-ই সকল ক্ষমতার উৎস’ এই কথা যে বা যারা বলে; সে হোক কোন প্রতিষ্ঠান, সিস্টেম বা সরকার। তাদের এই আক্বিদার (বিশ্বাসের) ব...
07/01/2024

‘জনগণ-ই সকল ক্ষমতার উৎস’
এই কথা যে বা যারা বলে; সে হোক কোন প্রতিষ্ঠান, সিস্টেম বা সরকার। তাদের এই আক্বিদার (বিশ্বাসের) বিরুদ্ধে আমার স্পষ্ট অবস্থান। একজন মুসলমান হিসাবে এটা আমার মৌলিক ঈমান যে ‘সকল ক্ষমতার মালিক একমাত্র আল্লাহ সুবহান ওয়া তায়ালা’।

সুতরাং,
যে প্রতিষ্ঠান, সিস্টেম বা সরকার এই আকিদ্বা লালন করে বা প্রচার করে এবং এদের-কে জনগণ যদি ভোট দিয়ে বা যে কোন নির্বাচন পদ্ধতি প্রয়োগ করে এই সমাজের নেতা বা নীতিনির্ধারক হিসাবে বেছে নেয় সেক্ষেত্রে একজন মুসলিম ভাই হিসাবে তাদের ঈমানের এই দুর্বলতার জন্য তাদের প্রতি আমার দুয়া ও সমবেদনা।

আমি নির্বাচন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে নই, এটা ইসলাম স্বীকৃত একটি ব্যবস্থা।
কেননা রসূল সাঃ এর ওফাতের আগে তিনি খলিফা হিসাবে কাউকে নির্বাচিত করে যাননি না গেলেও পরবর্তীতে কিন্তু খেলাফত যুগে ‘কে খলিফা হবেন’ সেটা নির্ধারণের জন্য জনমত জরিপ করা ও বিশেষ যোগ্য ব্যক্তিদের দ্বারা সিলেকশন পদ্ধতির মাধ্যমে খলিফা নির্বাচিত করা হত।

আফসোস!
আজ আমি সেই খিলাফত যুগের নির্বাচন এর মূল উদ্দেশ্য ‘আল্লাহর বিধি-বিধান বাস্তবায়ন ও সকলের জন্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার’ মাধ্যমে সমাজের সকল স্তরে শান্তি ও নিরাপত্তা বাস্তবায়নের কোন ছিটে-ফোঁটা দেখছি না।
বরং,
দেখছি এই প্রতিষ্ঠান, সিস্টেম বা সরকার যারা-ই ক্ষমতায় এসেছে তারাই কম-বেশী ‘আল্লাহর আইনের ও কুরান-সুন্নাহ বিরোধী নানা কাজ ও আইন পাশ করে সমাজের সকল শান্তি বিনষ্ট করে চলেছে।

আমার সবিনয় অনুরোধ;
যার আজকের নির্বাচন বা যে কোন নির্বাচনে অংশ নিয়ে সমাজের নেতা ও নীতিনির্ধারক নির্বাচিত এর জন্য ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন তারা একবার ভেবে দেখবেন যে আপনি যে প্রতিষ্ঠান, সিস্টেম বা সরকার নির্বাচিত করতে চাচ্ছেন সেটা কি, ……… নিচের এই দোষগুলো থেকে মুক্ত কিনা। যদি মুক্ত থাকে আলহামদুলিল্লাহ্ আর যদি যুক্ত থাকে তাহলে অবশ্যই আপনি আপনার বিবেক অনুযায়ী কাজ করবেন। কেননা ইসলাম ধর্মে একটা বিষয় খুব-ই পরিষ্কার। সেটা হচ্ছে অন্যায়ের পক্ষ নিলে আপনাকে আল্লাহর দরবারে এই কাজের জন্য অবশ্যই একদিন জবারদিহিতার সম্মুখীন হতে হবে এবং সেদিন বুঝবেন অন্যায় না করেও শুধুমাত্র অন্যায়ের পক্ষ নেওয়ার জন্য আপনাকে ও সেই অন্যায়ের জন্য কম বা বেশী শাস্তি পেতে হবে।

কেন এই প্রতিষ্ঠান, সিস্টেম বা সরকার এর এই বিষয়গুলোর বিরুদ্ধে আমার অবস্থানঃ
# কারণ এরা সংসদে বসে আল্লাহর আইনের বিরুদ্ধ আইন পাশ করেন।
# এরা অশ্লীলতা ও জেনা-ব্যাভিচারকে বড় কোন অন্যায় মনে করে না এগুলো করার ওপেন লাইসেন্স দেয় এমন কি
# দেশী বিদেশী ডিশ চ্যানেল, সিনেমা হলের অনুমোদন দিয়ে এসবের এক রকম প্রমোশন চালায়,
# নাইট ক্লাব, পতিতালয়, সহ নগ্ন অনুষ্ঠানের অনুমোদন দেয় - আয়োজন করে - কখনো বা নিজেরা-ই এসবের মালিক থাকেন।
# মদ গাজা, বিড়ি সিগারেট ইত্যাদি ব্যবসার লাইসেন্স বিক্রি করে এসব হারাম কাজকে বৈধতা দেয় দেশের ট্যক্স বাড়াবার নামে।
# সুদকে খারাপ কিছু মনে করে না, নিজেই সুদী ব্যাংকের মালিক বৈধতা প্রদানকারী।
# ওদিকে জনগণের টাকায় নানা মহা মহা দুর্নীতি করে; অনাগত কয়েক প্রজন্মকে জন্মগত ভাবে ঋণী করে তোলে।
# চাঁদাবাজি বা ক্ষমতার অপপ্রয়োগ, মাস্তান পালন ও নানা চুরি-জোচ্চুরির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়া।
# নির্লজ্জ মিথ্যাবাদীতা, ওয়াদার বরখেলাপী, দলকানা ও নানা অনিয়ম করে হলেও ক্ষমতায় আজীবন থাকার লিপ্সা।
# কোন সরকারী প্রতিষ্ঠানে ঘুষ ছাড়া কোন কাজ হয়না এবং সরকারী সকল প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম-দুর্নীতিতে নীরব ভূমিকা পালন করা।
# ইচ্ছামত সুদে বৈদেশিক ঋণ করা ও দেশের সম্পদ বিদেশে পাচার করা।
# কখনো ধর্মকে বা পাবলিক সেন্টিমেন্টকজে পুঁজি করে দাঙ্গা হাঙ্গামা সৃষ্টি করে ভোট ব্যাংক বৃদ্ধি।
# সর্বোপরি; দ্বীন ইসলাম এর বিধান দূরে থাক যে প্রতিষ্ঠান, সিস্টেম বা সরকার জনগণের জন্য নুন্যতম মানবিক সেবা দিতে ব্যর্থ অর্থাৎ খাদ্য-বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ও সুশিক্ষার সর্ব ক্ষেত্রে ব্যর্থ। দরিদ্ররা যেখানে নিপীড়িত-নির্যাতিত, ক্ষুধার তাড়নায় অনাহারে অর্ধাহারে যাদের প্রতিদিন কাটে, যে সমাজে ন্যায় বিচার এর বানী নীরবে নিভৃতে কাঁদে। তাদের পক্ষে আমি কিভাবে অবথান নিতে পারি।

সুতরাং,
সমাজের এত এত অন্যায় অবিচার দেখে অন্তত কিছু করতে না পারি অন্তত এর পক্ষ নেব না বা আমি এই অন্যায়ের পক্ষের শক্তিকে সাপোর্ট করবো না। যেদিন দ্বীনের ও দশের কল্যাণে নির্বাচন হবে সেদিন অবশ্যই আমি আমার মত ন্যায়ের পক্ষে প্রয়োগ করে সমাজ গঠনে অবদান রাখবো।

বিঃদ্রঃ – আলেম সমাজের এক পক্ষ মনে করেন; এদেশে নির্বাচন যেহেতু ‘মন্দের ভালো’ একটি স্বীকৃত পদ্ধতি সুতরাং একেবারে নির্বাচন বর্জন না করে বরং মন্দের ভালো যে পক্ষ আছে তাকে নির্বাচিত করা। যাতে করে বেশী অযোগ্য ব্যাক্তিরা অন্তত ক্ষমতায় না আসতে পারে। তবে আমি এই মতের ভিন্নমতকে বেশী শক্তিশালী ও নিরাপদ মনে করি।

- আব্দুল্লাহ ইথার।
- ৭ই জানুয়ারি ২০২৪।
- দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এর দিন।

💌 ২০০৯ সালে বাঙলা কলেজ থেকে সবেমাত্র HSC পরীক্ষা দিয়ে বাসায় বলে দিয়েছি জেনারেল লাইনে আর পড়বো না, কওমি লাইনে পড়বো। (যদিও ...
19/01/2023

💌 ২০০৯ সালে বাঙলা কলেজ থেকে সবেমাত্র HSC পরীক্ষা দিয়ে বাসায় বলে দিয়েছি জেনারেল লাইনে আর পড়বো না, কওমি লাইনে পড়বো।
(যদিও সিদ্ধান্তটা নিয়ে আগে থেকেই ভেবছি) ইচ্ছা আলেম হওয়ার।
দ্বীন মত জীবন পরিচালনা করার ও দ্বায়ী (ফ্রি-এজেন্ট) হিসাবে দাওয়াতি কাজ করার। 💌

💌 শর্ত জুড়ে দেওয়া হল আলেম হতে চাও ভালো কথা কিন্তু জেনারেল লাইন ছাড়া যাবেনা।
অতঃপর; নিজের কিছু জমানো টাকা দিয়ে বই-পত্র কিনে আবাসিক ভাবে ভর্তি হলাম ৬-৭ বছরের কওমী সর্ট কোর্সে। ফ্যামিলি এ ব্যাপারে কোন হেল্প করলো না। তাদের ধারনা আমার মাথা গিয়েছে। (ব্রেন ওয়াশড) 💌

💗 এদিকে কওমি মাদ্রাসায় পড়াশোনা চলছে ওদিকে কয়মাস পরে,
HSC'র রেজাল্টে হল ও কিছু দিন পরে ঢাকা কলেজে অনার্স ভর্তি পরীক্ষা দিলাম। সাবজেক্ট পছন্দ করলাম আরবি এন্ড ইসলামিক স্ট্যাডিস।
( কৈ-য়ের তেলে কৈ ভাঁজবো সমস্যা কি, পড়া তো অনেকটা একই :) )।

💗 এর মধ্যেই একটা রোড এক্সিডেন্টে বাবার হাত ভেঙ্গে গেল। অগত্যা সংসারের একমাত্র ছেলে হিসাবে আবাসিক থেকে বাসায় আসতে হল। কেননা সংসারের বিভিন্ন কাজে-কর্মে তো একজন ছেলে মানুষ লাগে।

💗 এদিকে ভোরে ফজর পড়েই রওনা দিতাম কওমি মাদ্রাসায়। ক্লাস শেষে আবার বাসায়। কিছুদিনের মধ্যেই বুঝলাম এত দিক সামলে মাদ্রাসার পড়া মুখস্ত করা যাচ্ছে না। অল্প ক'দিনেই ক্লাসমেট সবার থেকে পিছিয়ে পড়তে থাকলাম।

💗 কিছুদিন বাদেই;
দেখি অনেক পড়ার চাপ কিন্তু আমি ব্রেনে নিতে পারছি না। গ্যাপ হয়ে যাচ্ছে। এ মনের যুদ্ধে যে পরাজয় এক প্রকার নিশ্চিত সেটা আঁচ করতে পারলাম।
💗 তাই কোন একদিন, ক্লাস শেষে একরাশ কষ্ট আর একবুক হতাশা নিয়ে চুপচাপ লাইব্রেরিতে গেলাম। ওটাই একমাত্র নিরিবিলি জায়গা। কেউ নেই। শুরু করলাম আল্লাহর সাথে অন্তরে-অন্তরে কথোপকথন। মুখে কোন শব্দ নেই, চোখ জলে সিক্ত। মনের ব্যাকুলতা বাঁধা মানছে না।

💌 ''হে আল্লাহ! আমি চাচ্ছি দ্বীনের খেদমত করতে, দ্বীন শিখতে কিন্তু সম্ভবত আমি আর এখানে কন্টিনিউ করতে পারবো না। অনেক পিছিয়ে পড়েছি। পড়া মুখস্ত হচ্ছে না। কিন্তু আমি আর আগের জাগতিক জীবনে ফিরে ফিরে যেতে চাই না। যে পুরনো জীবন ছেড়ে এখানে এসেছি সেই পুরনো ধর্মহীন জীবনে আবার ফিরে যেতে চাইনা।''

💌 ''হে আল্লাহ! আমি দ্বীনের পথে চলতে চাই। দ্বীন শিখতে চাই। গুনাহ থেকে বেঁচে থাকতে চাই। একজন দ্বায়ি হতে চাই। আমি যদি এখন পুরনো জীবনে ফিরে যাই তাহলে আমার ভবিষ্যৎ কি হবে আমি জানিনা।''

💌 ''হে আল্লাহ! আপনি আমাকে সাহায্য করুন। ইসলামের বাসে যদি সিট না-ও পাই অন্তত হ্যান্ডেল্টা ধরে ঝুলে হলেও যেন ইসলামের সাথে থাকতে পারি সেই সাহায্য আপনার কাছে ভিক্ষা চাচ্ছি। আমি আর আমার আগের গুনাহের জীবনে ফিরে যেতে চাইনা।''
এভাবে অনেকক্ষণ মহান আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি করে দোয়া চাইতে থাকলাম।

💗 আমার স্পষ্ট মনে আছে, সেদিন দোয়ার সময় কাঁদতে কাঁদতে আমি লাইব্রেরির কার্পেটে গড়াগড়ি খাচ্ছিলাম। চোখের পানি বাঁধ মানছিল না। অন্তরের সবটুকু দিয়ে আল্লাহর সাহায্য চাচ্ছিলাম। কষ্টে আমার সারা শরীর নিস্তেজ হয়ে যাচ্ছিলো।

💗 জীবনে এত আকুতি নিয়ে, এত মিনতি নিয়ে আল্লাহর কাছে খুব কম ক্ষেত্রেই চেয়েছি।

💗 যা হোক! ওখানে আমার আর আমার কন্টিনিউ হল না! মাদ্রাসা থেকে চলে আসলাম পুরনো পরিবেশে। মনের সেই অজানা ভয় বাসের সিট ভাগ্যে জোটেনি হ্যান্ডেল্টা ধরে হলেও যেন ইসলামের সাথে থাকতে পারি।

💗 কিছু দিন পরে ঢাকা কলেজে ''আরবি ও ইসলামিক গবেষণা'' সাবজেক্ট নিয়ে দ্বীন শিক্ষার নতুন যাত্রা শুরু। কোন নোট বই কিনতাম না শুধু বই কিনতাম। পরীক্ষায় বেশী নাম্বারের দরকার নেই। বেশি পড়া ও জানাটাই ছিলো আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। এরপর ঢাকা ইউনিভার্সিটির আন্ডারে মাস্টার্স শেষ করলাম। আলহামদুলিল্লাহ্‌ রেজাল্ট ও খারাপ হল না।

💗 তবে এই শিক্ষা ব্যাবস্থায় নরমাল ইসলামি শিক্ষার থেকে গবেষণা মূলক পড়াশোনাই বেশি ছিলো। যার ফলে দ্বীন শিখতে আমাকে আরো অন্যান্য বইও নিয়মিত পড়তে হয়েছে।

💗 বাইরের শিক্ষা ক্ষেত্রে আমার অন্যতম শিক্ষক হচ্ছেন
💞 ডাঃ জাকির নায়েক স্যার,
💞 ডঃ আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর স্যার রহঃ
💞 ডঃ ঈসরার আহমেদ রহঃ
💞 মাওলানা তারিখ জামিল
💞 সালিহ আল উসাইমিন রহঃ
💞 আব্দুল হামিদ ফাইজি
💞 আয়েজ আল কারনি
💞 মুহাম্মাদ হবলোস সহ
আরও অনেকেই।

কিছু অনলাইন দেশী-বিদেশী ও সৌদি সালাফি পন্থী শিক্ষকগণ।
আলহামদুলিল্লাহ! উনাদের ছাত্র হয়ে দারুণ উপভোগ করছিলাম ইসলামের পড়াশোনা ও বিধানগুলো। মহান আল্লাহ আমার সকল শিক্ষককে সম্মানিত করুন। আমিন।

💗 যেহেতু অনলাইনে দ্বীন শিখেছি ও নানা ইসলামি লেখকের বই পড়েছি তাই সে সুবাদেই অনলাইনে নিয়মিত যে ইসলামিক ভিডিওগুলো ভালো লাগতো সেগুলোই আবার আপলোড দিয়ে ফেলতাম সবার শেখার জন্য।
এছাড়া পছন্দ মত ভিডিও কন্টেন্ট তৈরির ও কাজ শুরু করলাম।

💗 এই তো এভাবেই দ্বিনি পড়াশোনা ও দাওয়াতের সূত্রপাত।

❤️ ১২ বছর পরে এসেও ২০০৯ সালের সেই 'আকুতি ও কান্নায় ভাসা' দোয়ার ঘটনাটা খুব মনে পড়ে। মনে হয় সেদিনের সেই দোয়াটা সম্ভবত আল্লাহ কবুল করেছিলেন। অন্তরের বিশ্বাস বলে!! আজ তার ফল হাতে হাতে দেখতে পাচ্ছি। এক্সট্রা হিসাবে আরও যা পেয়েছি তা হচ্ছে,
এ দেশের শুধু হানাফি মতধারার পড়াশোনায় আটকে না থেকে একই সাথে সালাফি ও হানাফি মানহাজ এর সমন্বয় করা পড়াশোনা শেখার সুযোগ হয়েছে। পাশাপাশি তাজকিয়ার (আত্মশুদ্ধি) মত এত বড় একটা বিষয়ের উপরে নিজেকে ধরে রাখতে পারছি।

❤️ কোন ক্ষেত্রেই এ অর্জন আমার জন্য কম না। দিন যত যাচ্ছে ঈমানের দৃঢ়টা বেড়ে চলছে ও আখলাক পূর্ণতা লাভ করছে, অন্তরে দ্বীনের জ্ঞানের গভীরতা স্পষ্ট হচ্ছে।

❤️ ভবিষ্যতে কি হবে আমি জানিনা। তবে আমি খুব খুশি যে আজ অবধি বাসের হ্যান্ডেল টা অন্তত আল্লাহ ধরে রাখার তাওফিক দিয়েছেন।

❤️ আল্লাহ গো, বেশী কিছু চাইনা। দ্বীনের বাসের হ্যান্ডেলটা যেন অন্তত আজীবন ধরে রাখতে পারি সেই করুণাটুকু আমার প্রতি করবেন প্লিজ।

❤️ ধন্যবাদ প্রিয় আল্লাহ।
আমার একমাত্র আশ্রয় স্থল আমার একমাত্র মাবুদ।

Abdullah Ether
January 19, 2023

🌼 একটা সময়; আমার জীবনে খুব দৃঢ়টার সাথেই একটা কথা বলতাম। (এখন ও বলি)''আমাকে কেউ লক্ষ লক্ষ টাকা দিলেও বা উন্নত দেশে ভালো জ...
06/01/2023

🌼 একটা সময়;
আমার জীবনে খুব দৃঢ়টার সাথেই একটা কথা বলতাম। (এখন ও বলি)
''আমাকে কেউ লক্ষ লক্ষ টাকা দিলেও বা উন্নত দেশে ভালো জব অফার করলেও; আমার দেশ ও আমার পরিবার ছেড়ে কোথাও যাবো না।''

কোনদিন-ই আমার কাছে সম্পর্কের ও ভালোবাসার চেয়ে টাকার দাম বেশী ছিলোনা। অল্প খাব, অল্প পরবো, তাও ভালো। আলহামদুলিল্লাহ্‌ !

আমি ভালোবাসার কাঙ্গাল। পরিবার রেখে দূর-পরবাসে একা জীবন কাটানো আমার পক্ষে ইম্পসিবল !!

🌼 আর এই উপলব্ধিটা আমি তখন-ই হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছি, যখন ছোট বেলায় BKSP তে (ক্যাডেট জীবন) চার বছর কাটাই। বছরে মাত্র দুই বার পরিবারের সাথে কিছু দিন কাটাতে পারতাম। আর সারা বছর বন্দী জীবন।

আর আমার দেশ যত গরীব হোক; খারাপ হোক; আমার স্বত্বায় এর আলো-বাতাস-পানি মিশ্রিত। আমার শেকড়, আমার সৃতি, আমার ছোট বেলা, বড় বেলা এই দেশেই।

🌼 চোখ বুজলেই তো সব শেষ। এত কিছু দিয়ে কি হবে?
তাই সর্বদাই চেয়েছি পরিবার ও আপনজনদের সাথে সম্পর্কগুলো ধরে রাখতে। বড়দের দু'আ ও ভালোবাসা নিয়ে চলতে।

🌼 কিন্তু,
মানুষের চাওয়া ও প্রাপ্তি দুটি ভিন্ন বিষয়।
আমরা শুধু চাইতে পারি কিন্তু দেবার মালিক আসলে মহান আল্লাহ।
তিনি যাকে ইচ্ছা বরকত দান করেন যার থেকে ইচ্ছা বরকত ছিনিয়ে নেন।

🌼 তিনি তার বান্দাকে ভালোবেসে পরীক্ষা নিতে পছন্দ করেন এবং ফেরেশতাদের কাছে পরীক্ষিত বান্দার ঈমান নিয়ে গর্ব (প্রশংসা) করেন।
ঐ দেখ! আমার অমুক বান্দা আজ ও কষ্টে দিন কাটিয়েছে। কঠিন ঈমানের পরীক্ষা দিয়ে ঘরে ফিরেছে খালি হাতে। তারপরেও সে বলে কিনা 'আলহামদুলিল্লাহ্‌' !!
ওর কি দরকার? ওর কি পেরেশানি?
শুনে রাখ; ও যা চায় তার চেয়েও ওকে আমি বেশী দিবো।
আল্লাহ কত-ই না মহান।।

🌼 আজ ১১ বছর হল বাবা আমাদের ছেড়ে চলে গিয়েছেন না ফেরার জগতে।
'মা'-ও আলহামদুলিল্লাহ্‌ জীবনটাকে নতুন করে শুরু করেছেন কয়েক বছর হল। মাঝে মাঝে এসে আমার সাথেও থাকেন/থাকার চেষ্টা করেন।
আজ একমাত্র বোনটাও চলে গেল তার স্বামীর বাড়ি; (সুদূর ইন্ডিয়া, মহারাষ্ট্র, পুনে'তে)
এই তো! সবাই যে যার মত নিজ নিজ সংসার নিয়ে ব্যস্ত।

এই সংসারে এখন শুধু আমি আর আমার একাকীত্বের বসবাস। ছোট বেলা চাইতাম কবে বড় হব? কবে এমন দিব আসবে; যেদিন কাউকে কোন কাজের জবাবদিহিতা করতে হবে না।

🌼 আজ সেই দিন চলে এসেছে। কিন্তু আমি তো একটু ও খুশি হতে পারছি না। এমন জীবন তো আমি চাইনি। এই স্বাধীনতা দিয়ে আমি কি করবো?

জীবনের অংকের হিসাবে যে, ভুল হয়ে গিয়েছে তা পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছি। কিন্তু জীবন অংকে তো CTRL + Z নেই যে এক ক্লিকে আগের অবস্থানে ফিরে যাবো।
কি আর করা। এর মাঝেই হয়ত আল্লাহ আমার জন্য মঙ্গল রেখেছেন।

🌼 নক নক।
কে ?
আমি আল্লাহর পরীক্ষা !
তাই নাকি! তাড়াতাড়ি ঢোক ভাই!!
আমি ও নাছোড় বান্দা; ঈমানের পরীক্ষায় সহজে টলি না।
আল্লাহর পরীক্ষা আসলে; সবর করতে পিছ পা হই না। জানি এ জীবনটা পরীক্ষার। হাঁসি মুখে মেনে নিয়ে সবর করলেই মহা সাফল্য।
এ দুনিয়া! দুই দিনের দুনিয়া, বড্ড মায়ার দুনিয়া।
তবে আসল দুনিয়া; একদম-ই না।
এখানে কোন কিছুই স্থায়ী না!! না কোন সম্পর্ক। না কোন সম্পদ।

🌼 মহাম আল্লাহ বলেন;
'' তোমরা কি ভেবেছ যে,
তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করবে,
অথচ আল্লাহ এখন পর্যন্তও পরখ করেননি তোমাদের মধ্যে কে জিহাদ করেছে আর কারা ধৈর্যশীল। ''
- সূরা আলে ইমরান ১৪২।

আল্লাহর পরীক্ষা অবধারিত, শয়তানের ধোঁকায় পড়ে হতাশ হলে চলবে না। .....

Abdullah Ether
৬ই জানুয়ারি ২০২৩।

আমার সব থেকে ভালো লাগা ও কুরআন মাজিদের অন্যতম সুন্দর একটি আয়াত হলঃ৩৪. যে ব্যক্তি মানুষকে আল্লাহর পথে ডাকে, সৎকর্ম করে আর...
30/12/2022

আমার সব থেকে ভালো লাগা ও কুরআন মাজিদের অন্যতম সুন্দর একটি আয়াত হলঃ

৩৪. যে ব্যক্তি মানুষকে আল্লাহর পথে ডাকে, সৎকর্ম করে আর বলে, ‘আমি তো আল্লাহতে সমর্পিতদের একজন’,

তার চেয়ে উত্তম আর কে হতে পারে?

(হে নবী!) ভালো ও মন্দ কখনো সমান হতে পারে না।

মন্দকে প্রতিহত করো ভালো কাজ, ভালো আচরণ দিয়ে।

তা হলে তুমি দেখতে পাবে—শত্রু হয়ে যাবে মিত্র।

৩৫. এই গুণের অধিকারী হয় তারাই, যারা বিপদে ধৈর্যধারণ করে।

এই গুণের অধিকারী হয় তারাই, যারা অত্যন্ত ভাগ্যবান।

৩৬. আর শয়তান যদি তোমাকে উত্তেজিত (রাগান্বিত হয়ে বিবাদে জড়িত) হতে প্ররোচিত করে,

তবে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করো। তিনি সব শোনেন, সব জানেন।

- সূরা হা-মিম-সেজদা। আয়াত ৩৪ - ৩৬

অন্তর আত্মশুদ্ধির জন্য এই আয়াতের ব্যাপকতা যেমনি বিশাল তেমনি গভীর।
আমরা অনেকেই দাবি করি বা মনে মনে বিশ্বাস করি যে আমি ধৈর্যশীল, আমি সৎ, আমি নম্র-ভদ্র,
আমার সাথে কারো দুশমনি নেই, কোন ঝগড়া-বিবাদ নেই, কারো সাথে মন কষাকষি নেই ইত্যাদি।

কিন্তু আসল পরীক্ষা নিলে দেখা যাবে আমাদের এই দাবি কতটা ভিত্তিহীন।
আসলে আমাদের সাথে কারো লেনদেন নেই, এ জন্য কারো সাথে দুষমনি নেই।
আসলে আমাদের তেমনি পদ-পদবি নেই, যে একাটা সিগনেচারের মূল্য লক্ষ টাকা তাই আমরা সৎ।
আসলে আমাদের সাথে কারো সাথে মেলামেশা নেই, তাই কোন ঝগড়া বিবাদ নেই।

যদি অবস্থা এমন হয় !
রিক্সা ওয়ালা আপনার পায়ের উপরে চাক্কা তুলে দিয়েছে;
অমনি আপনার রাগ উঠে গিয়ে মুখে গালি আসবে।
কিন্তু; পরক্ষনেই সামলে নিয়ে স্বাভাবিক সুরে বললেন ''আরে ভাই একটু দেখে শুনে চালান''।
দিলেন তো পা'টা থেঁতলে।

রিক্সা ওয়াল ওপাশ থেকে বলে উঠলো ''সরি''।
আপনি বললেন ''আচ্ছা ঠিক আছে, যান ! ''

অথবা,
সংসারে অর্থের অভাব, ছেলে-মেয়েকে একটা সাধারণ স্কুলে, স্ত্রীর জন্য সাদা-মাটা জীবন ও টানাটানির সংসার।
যাকে বলে বিলাসিতাহীন এক সুদীর্ঘ ও কমিটেড জীবন।
কিন্তু তারপরেও কোন দিন সততার সাথে আপস করেন নি।
অন্যের হ্বকের টাকায় কোন দিনে নিজের সুখ কিনতে মনে চায়নি।

অথবা,
পাওনাদার টাকা নিয়ে গায়েব, ফোন ধরে না। আজ দিবো কাল দিবো ইত্যাদি।
কিন্তু আপনি তাকে প্রতিদিন নরম সুরে টাকা চান, আপনি ও যে ভালো নেই সেটা বলেন
কিন্তু কোন গালিগালাজ নেই, কোন দুর্ব্যবহার নেই।
এমনটা কয়জনে করতে পারে।

অথবা,
অফিসের বড় অফিসার আপনি অথবা ঘরের গৃহকর্তা,
কর্মচারী-স্ত্রী-সন্তানদের প্রায়শই টুকটাক ভুল দেখে ক্ষমা করে দেন।
সংশোধনের জন্য বার বার বলেন।
কিন্তু এর বাইরে স্ত্রী'কে ঘর থেকে বা কর্মচারীকে চাকরী থেকে বের করে দেয়ার ভয় দেখান না
বা তাদের কাছে নিজেকে বাঘ বানিয়ে রাখেন না।

অথবা,
স্ত্রী'র, বাবা মায়ের, সন্তানদের খিটপিট - বকবক শুনতে শুনতে বিরক্ত।
মনে চায় প্রতিটা কথার প্রতি উত্তর দেই।
কিন্তু না ! আপনার মুখে তালা।
রাগে মেজাজ গরম কিন্তু চেহারায় তার ছাপ নেই বা আচরণে তার প্রকাশ নেই।

এমনি করে জীবনের প্রতিটা ক্ষেত্রে আপনি আপনার নফসকে কন্ট্রোলে রাখেন।
জানি এটা করা বড্ড কঠিন এক ইবাদাত।
তবে অনুরোধ ! রাগের মাথায় বা ইমোশনে পড়ে সয়তানের হাতে নিজের নফসকে তুলে দিয়ে নিজেকে হারতে দিবেন না।

কথায় বলে ''রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন।''
আর রাগের মাথায় প্রায়শই মানুষ যা করে পরে আজীবন সেই কাজের জন্য মানুষ পস্তায়।
ঐ ১ মিনিটের ভুল বা ১ মিনিটের রাগ আপনার আজীবনের পস্তাবার কারণ হয় বা অনুশোচনার কারণ হয়।
আহারে !! সেদিন যদি ওভাবে তাকে বকা না দিতাম, হাত না উঠাতাম, আপমান না করতাম, আজ তাহলে কতই না ভালো হত।

অনেকে বলে এভাবে চুপ থাকলে সবাই আমার সরলতার সুবিধা নিবে।
হাহাহা। এটাই তো সয়তানের সূক্ষ্ম ধোঁকা! যুক্তির আড়ালে সব থেকে বড় ধোঁকা।

আমার আল্লাহ সুবাহান ওয়া তায়ালা যা পছন্দ করেন;
আমার নবীজি সাঃ আজীবন যা করে দেখিয়েছেন;
সেটা করতে গিয়ে যদি মনে এই প্রশ্ন জাগে; তাহলে তো মুশকিল।
তবে যদি খারাপের আশংকা থাকে বা প্রশ্রয় পেয়ে মাথায় ওঠে অখন অবশ্যই সেটার জন্য একশন নিবেন।
অর্থাৎ মাঝে মাঝে একটু আকটু বুদ্ধিবৃত্তিক ভাবে (রাগে বেহুশ হয়ে নয়) বরং (অভিনয় করে) সব কন্ট্রোলে আনবেন।

মুসলিম ভেতরে ভেতরে হবে স্মার্ট। তবে তার বাইরের রূপটা হবে সরলতাপূর্ণ।
একদম ভেজা বেড়ালের মত আর কি ! হাহাহা।

যদি প্রতিটা পরীক্ষার সময়ে বা কঠিন মুহূর্তে আপনি এভাবে নিজেকে ধরে রেখে চলতে পারেন তাহলে অন্তত আপনি দাবি করতে পারেন যে আপনি আসলেই রসূল সাঃ এর সুন্নতের রঙ্গে রাঙ্গানো একজন প্রকৃত মনের মানুষ। (অনুসারী)

সারা শরীরে রক্ত ঝরানো কওমকে উদ্দেশ্য করে যিনি বলেছিলেন,
'' ওরা আমাকে চেনে নাই। ওরা অবুঝ। ওদের প্রতি আমার কোন খেদ নেই। আল্লাহ ওদের ক্ষমা করুন।''

যিনি পদে পদে নিজে হেরে ইসলামকে জিতিয়েছেন।
ক্ষুধার্ত থেকে, জরা-জীর্ণ থেকে ও নিজের নফসকে দমন করেছেন।

যিনি রাজ্যের কস্ট বুকে নিয়ে ইসলামকে সমুন্নত রেখে আমাদের জন্য রোল মডেল হয়েছিলেন।

মহান আল্লাহ কুরআনে যার চরিত্রের মাধুর্যের সার্টিফিকেট দিয়েছেন।

উল্টো চিত্রঃ (হায়রে, আমাদের অবস্থা! একটু দেখুন।)
আমরা ঈদে মিলাদুন্নবি পালন করা আর
মিলাদে জিলাপী ভাগভাগি নিয়ে ঝগড়া করা জাতি।
যদি এখন রসুলের সাঃ প্রিয় উম্মাহ দাবি করি; তাহলে কি আর বলার আছে আমার।
এগুলো কি আমাদের রসূল সাঃ কে ভালোবাসার মানদণ্ড?
রসূল সাঃ কি আমাদের এগুলো শেখাতে এত কস্ট সহ্য করেছিলেন?
আজ আমরা সামান্য কিছু হলেই বিভক্তি পোষণ ও শত্রুতায় লিপ্ত একটা জাতি।
আমাদের স্ত্রী সন্তানদের মাঝে না আছে ধর্মীয় ভাব, না আছে মাদের মাঝে এর জন্য অনুশোচনা।

ভাবলে খারাপ লাগে। বড্ড আফসোস লাগে।
সমাজে ইনসাফ-আদল (ন্যায় বিচার) ও সত্য প্রতিষ্ঠার জন্য
শত-সহস্র সাহাবাদের রক্ত ও তাদের পরিবারের ত্যাগ এর বিনিময়ে পাওয়া এই ইসলাম।

কিন্তু আজ আমরা এই ইসলাম কে কোথায় নিয়ে ছেড়েছি।
বছরে একবার লোক দেখানো গরু খাওয়া,
ত্রিশ দিন উপোষ থাকা,
আর টুপি আলখেল্লা কার কত বড় এই নিয়ে বাড়াবাড়ি।
এই কি ইসলামের আসল শিক্ষা?

আজ কোথায় গেল সেই ইসলাম!!
যেখানে ইসলামের ঈমান ও মূল স্তম্ভের পাশাপাশি!!
ওজনে কম দেয়াকে, মিথ্যা বলাকে, সুদ-ঘুষ গ্রহ করাকে,
জুলুম করাকে, লোক ঠকানোকে, অন্যায় বিচার করাকে,
জেনা-ব্যাভিচার করাকে, অশ্লীলতাকে, বেপর্দা চলাফেরাকে,
মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়া, নির্লজ্জ-বেহায়াপনা, একে অন্যের ক্ষতি ও অমঙ্গল চাওয়াকে
স্ত্রী-পরিবার, সন্তান, বাবা-মা সহ বান্দার হ্বক রক্ষা না করাকে
ভয়ংকরতম গুনাহ মনে করা হয়।

আসলে আমাদের সফলতা কিসে?
আমাদের তো কস্টের পথে হাসিভরে পাড়ি দিতে হবে।
আমাদের তো মন্দকে বিলীন করতে হবেসুন্দর আচরণের দ্বারা।
আগেও বলেছি, আবার ও বলছিঃ
হাশরের কঠিন দিনে আমলের দিক থেকে সব থেকে ভারি নামাজ-রোজা-দান এর কোনটাই হবে না।
বরং হাশরের দিনে সব থেকে ভারী হবে আপনার আচরণ-আপনার আখলাক, আপনার ক্ষমা, আপনার ধৈর্য, আপরের প্রতি আপনার মনোভাব।
যতদূর পড়াশোনা বা বুঝি; এটাই হয়ত! কুরআনের এই আয়াতের সারমর্ম।

আপনাকে দেখে বা অল্প সময় আপনার সাথে কেউ মিশলে
যেন সে সব মানুষের মনে একটা প্রশ্ন আসে, যে;
এই লোকটা কে?
এই লোকটার আচরণ এত অমায়িক কেন।
মনে মনে সে আপনাকে ফলো করে, সে নিজেকে আপনার মত বানাতে চায়।

দাওয়াত কি শুধু মুখে মুখে দেয়ার জিনিষ।
মূলত; জীবনের সকল ক্ষেত্রে আপনি কিভাবে সকল সমস্যার মোকাবেলা করেন,
কিভাবে; কোন নীতির উপরে রেখে নিজেকে সর্বদা পরিচালনা করেন।
এ সব-ই দাওয়াতের একটা বড় পার্ট। আই মিন ''সাইলেন্ট দাওয়াত''।
আফসোস ! আমাদের মাঝে আজ এমন লোকের বড়ই অভাব, এ জন্য এখন আমাদের রোল মডেল
রাসুল সাঃ এর সুন্নাহ না হয়ে নায়ক নায়িকা বা খেলোয়াড়রা হয়ে গিয়েছেন।

সর্বশেষ,
আমার একটা পুরনো কথা মনে পড়ে গেল এটা বলেই আজকে থামবো।
আমার এক কাছে মানুষ ছিল অনেক চালাক! নিজেকে সে পণ্ডিত মনে করতো। আমি দেখতাম সে চালাক হলে ভেতরে ভেতরে সে আসলে একজন স্বার্থপর মানুষ। আমি এরপর থেকে তার সাথে মিশি না। কারণ সময় হলে ও আমাকে ও ঠকাতে ছাড়বে না।

আরে ভাই !
আপনি চালাক ! আপনাকে সহজে কেউ বোকা বানাতে পারেনা। আপনাকে কেউ কথা বা কাজে হারাতে পারেনা। এ জন্য আপনার অনেক গর্ব। কিন্তু বাস্তবতা হল এমন মানুষকে আমরা বিশ্বাস করি না, কারণ সুযোগ পেলেই এ বেচারা পল্টি মারবে। এরা সুবিধা ভোগী, বসন্তের কোকিল।

আর আপনি সরলমনা মানুষ। কথায় কাজে; সরল। যদিও চালাক কিন্তু সেটা আপনার সরলতাকে ছাপিয়ে যায় না।
দিন শেষে আপনাকে বিশ্বাস করার মত ও বন্ধুর অভাবে হবে না। ইনশাআল্লাহ।
তাই আবারো বলছি '' একজন মুসলিম ভেতরে ভেতরে হবে স্মার্ট। তবে তার বাইরের রূপটা হবে সরলতাপূর্ণ। একদম ভেজা বেড়ালের মত আর কি ! হাহাহা।

ভালো থাকবেন।

আব্দুল্লাহ ইথার।
Abdullah Ether
ডিসেম্বর ১৮, ২০২২

Address

Mirpur 2
Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Abdullah Ether posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Abdullah Ether:

Share