TimeiT

TimeiT https://dhbdwebs.com/
a Complete iT solutions

সেল বাড়াতে এই ৩টি টেকনিক এক্ষুণি ব্যবহার করুন! 💰🚀আপনার ব্যবসার সেল বাড়ানোর সহজ উপায় জানেন? 🤔স্রেফ কয়েকটি হ্যাক ব্যবহার ক...
16/02/2025

সেল বাড়াতে এই ৩টি টেকনিক এক্ষুণি ব্যবহার করুন! 💰🚀

আপনার ব্যবসার সেল বাড়ানোর সহজ উপায় জানেন? 🤔
স্রেফ কয়েকটি হ্যাক ব্যবহার করেই আপনি আপনার মার্কেটিং কৌশলকে নতুন মাত্রা দিতে পারেন!

🔥 এই ৩টি ডিজিটাল মার্কেটিং হ্যাক ট্রাই করুন:

✅ 💡 Retargeting Ad চালান:
একজন কাস্টমার ওয়েবসাইটে আসার পর যদি কিছু না কিনে চলে যায়, তাহলে তাকে পুনরায় টার্গেট করুন। Facebook Pixel ব্যবহার করলে আপনার এড খরচ ৮০% কমবে!

✅ 📢 FOMO (Fear of Missing Out) ব্যবহার করুন:
কাস্টমারদের মনে করুন তারা যদি এখনই না কেনে, তাহলে দারুণ কিছু মিস করবে! টাইম-সেনসিটিভ অফার দিন, যেমন "মাত্র ২৪ ঘণ্টার জন্য ৫০% ছাড়!"

✅ 🎯 Irresistible Offer দিন:
একটি এমন অফার তৈরি করুন, যা কাস্টমারকে না বলার উপায় থাকবে না! ফ্রি ট্রায়াল, মানি-ব্যাক গ্যারান্টি, এক্সক্লুসিভ বোনাস – এইসব দারুণভাবে কাজ করে!

👉 এখনই এই স্ট্র্যাটেজি প্রয়োগ করুন এবং সেল বাড়ান! 🚀
📌 আপনার পছন্দের হ্যাক কোনটি? কমেন্টে জানান! 💬
📢 এমন আরও মার্কেটিং হ্যাক পেতে আমাদের পেজ ফলো করুন!

🔥প্রতিযোগীদের বিজ্ঞাপন কৌশল জানুন – বিনামূল্যে! 🎯আপনি কি জানেন, আপনার প্রতিযোগীরা কীভাবে ফেসবুকে এড চালাচ্ছে? 🤔তাদের বাজ...
16/02/2025

🔥প্রতিযোগীদের বিজ্ঞাপন কৌশল জানুন – বিনামূল্যে! 🎯

আপনি কি জানেন, আপনার প্রতিযোগীরা কীভাবে ফেসবুকে এড চালাচ্ছে? 🤔
তাদের বাজেট, কন্টেন্ট স্ট্র্যাটেজি, এবং টার্গেটিং পদ্ধতি আপনি একদম বিনামূল্যে দেখে নিতে পারেন! 😱

🚀 শুধু এই ২টি হ্যাক ফলো করুন:

✅ Facebook Ad Library: এখানে গিয়ে প্রতিযোগীদের কোম্পানির নাম লিখে সার্চ করুন। তাদের সব এড দেখতে পাবেন!
✅ "Why am I seeing this ad?": আপনার নিউজফিডে যেসব স্পন্সরড এড আসে, সেটার উপরে ক্লিক করে এই অপশন সিলেক্ট করুন। এতে বুঝতে পারবেন, কাদের টার্গেট করে বিজ্ঞাপন চালানো হচ্ছে।

👉 এখনই আপনার প্রতিযোগীদের স্ট্র্যাটেজি বিশ্লেষণ করুন এবং নিজের মার্কেটিং আরও শক্তিশালী করুন!

📢 7 ডিজিটাল মার্কেটিং হ্যাক যেগুলো আপনার ব্যবসার সেল বাড়াবে! 🚀💰আপনার ব্যবসার গ্রোথ ধীরগতির? 🧐 চিন্তার কিছু নেই! আজ আমি শ...
16/02/2025

📢 7 ডিজিটাল মার্কেটিং হ্যাক যেগুলো আপনার ব্যবসার সেল বাড়াবে! 🚀💰
আপনার ব্যবসার গ্রোথ ধীরগতির? 🧐 চিন্তার কিছু নেই! আজ আমি শেয়ার করছি ৭টি সুপার এফেক্টিভ ডিজিটাল মার্কেটিং হ্যাক, যা আপনাকে মিনিমাম ইনপুট, ম্যাক্সিমাম আউটপুট এনে দেবে! 🔥

💡 Hack #1: Spy on Your Competitors Like James Bond!
আপনার কম্পিটিটরদের কীভাবে ফেসবুক এড চালাচ্ছে তা জানতে Facebook Ad Library ও "Why am I seeing this ad?" অপশন ব্যবহার করুন। এতে আপনি জানতে পারবেন, তারা কীভাবে টার্গেট করছে! 🎯

💡 Hack #2: Know Your Customers with Customer Avatar
আপনার আদর্শ কাস্টমারের প্রোফাইল তৈরি করুন। তাদের বয়স, আগ্রহ, পছন্দ সম্পর্কে জানলে সহজেই তাদের মন জয় করতে পারবেন।

💡 Hack #3: A License to Print Money: Your List!
আপনার ব্যবসার জন্য ইমেইল ও ফোন লিস্ট তৈরি করুন। "Own your audience" নীতিতে কাজ করুন, যেন সারাজীবন ফ্রি মার্কেটিং করতে পারেন!

💡 Hack #4: Save 80% Ad Cost by Retargeting
আপনার ওয়েবসাইট ভিজিটরদের Facebook Pixel ও Custom Audience ব্যবহার করে পুনরায় টার্গেট করুন, এতে এড কস্ট ৮০% কমবে!

💡 Hack #5: 10x Your Reach With Micro Influencers!
বড় ইনফ্লুয়েন্সারদের চেয়ে ছোট Micro-Influencers অনেক বেশি এফেক্টিভ হতে পারে। কারণ, তাদের এনগেজমেন্ট বেশি থাকে!

💡 Hack #6: Double Your Revenue with FOMO
📢 Limited Offer Ending Soon! এই ধরনের টেকনিক ব্যবহার করে সেল দ্রুত বাড়ান! কাস্টমার যেন মনে করে, সুযোগ হাতছাড়া হলে তারা বিশাল কিছু মিস করবে! 😱

💡 Hack #7: Make Your Customers an Offer They Can't Refuse!
একটি Irresistible Offer দিন, যা তারা না বলতে পারবে না! 🤩 ফ্রি ট্রায়াল, মানি-ব্যাক গ্যারান্টি, এক্সক্লুসিভ বোনাস – এগুলোই সেলের গেমচেঞ্জার!

📌 আপনার ফেভারিট হ্যাক কোনটি? কমেন্টে জানান! 💬
📢 আরো এমন দারুণ মার্কেটিং হ্যাক পেতে আমাদের পেজ ফলো করুন! 🚀

ইমেজ তৈরির জন্য নির্দেশনা:
পেজের সাইজ অনুযায়ী ফেসবুক পোস্টের জন্য ইমেজ তৈরি করতে হবে (1200x1200px বা 1080x1080px)।
ব্যাকগ্রাউন্ডে হ্যাকিং বা হ্যাকার সম্পর্কিত ভিজ্যুয়াল থাকবে, যা ডিজিটাল মার্কেটিং হ্যাকের থিমের সাথে যায়।
"7 Digital Marketing Hacks" লেখা থাকবে বড় ফন্টে, যেন স্ক্রল করার সময় চোখে পড়ে।
কিছু ছোট আইকন বা গ্রাফিক্স থাকতে পারে, যেমন স্পাইগ্লাস (🔍), গ্রোথ বার (📈), টাকা বা ডলার সাইন ($) ইত্যাদি।

get Elementor pro Be Smart 😍
17/11/2024

get Elementor pro Be Smart 😍

সস্তা হোস্টিং-এর লুকানো ফাঁদ: যা জানা জরুরি !!অনেকেই ফেসবুকে কম দামে হোস্টিং সেবার দিকে আকৃষ্ট হয়, কিন্তু এই সেবাগুলোর ...
22/10/2024

সস্তা হোস্টিং-এর লুকানো ফাঁদ: যা জানা জরুরি !!

অনেকেই ফেসবুকে কম দামে হোস্টিং সেবার দিকে আকৃষ্ট হয়, কিন্তু এই সেবাগুলোর সাথে প্রায়ই লুকানো সমস্যা থাকে। প্রাথমিকভাবে দাম আকর্ষণীয় মনে হলেও, গভীরে গেলে দেখা যায় বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় যেমন হিডেন চার্জ,সার্ভার কমদামি,সি-প্যানেল না দিয়ে ক্লাউড সার্ভার প্রদান ইত্যাদি ইত্যাদি। এসব কিছু আপনার ওয়েবসাইটের পারফরম্যান্স এবং নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেলে।

সস্তা হোস্টিং-এর সাধারণ সমস্যাগুলো হলো:

১. ভুল সার্ভার লোকেশন
অনেক সময় এই হোস্টিং প্রোভাইডাররা দাবি করে যে তারা US-ভিত্তিক সার্ভার দিচ্ছে, কিন্তু বাস্তবে তারা অন্য দেশের সার্ভার ব্যবহার করে। এর ফলে আপনার সাইটের লোডিং টাইম বেড়ে যেতে পারে, বিশেষ করে যদি আপনার ভিজিটররা উত্তর আমেরিকা বা ইউরোপ থেকে আসে।

২. C-Panel এর অভাব
C-Panel একটি স্ট্যান্ডার্ড এবং ব্যবহারবান্ধব কন্ট্রোল প্যানেল, যার মাধ্যমে হোস্টিং অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করা যায়। অনেক সস্তা হোস্টিং প্রোভাইডার C-Panel দেয় না, অথবা এর জন্য বাড়তি চার্জ নেয়, যা ব্যবহারকারীদের ওয়েবসাইট ব্যবস্থাপনায় সমস্যা তৈরি করে।

৩. স্লো ক্লাউড সার্ভার
যদিও ক্লাউড হোস্টিং সাধারণত প্রিমিয়াম সেবা হিসেবে পরিচিত, অনেক কমদামি হোস্টিং কোম্পানি নিম্নমানের ক্লাউড সার্ভার অফার করে। এর ফলে আপনার ওয়েবসাইটের গতি খুবই ধীর হয়ে যায়, যা ব্যবহারকারীদের জন্য বিরক্তির কারণ হতে পারে।

৪.হিডেন চার্জ
অনেক হোস্টিং প্রোভাইডার কম দাম দেখিয়ে আকৃষ্ট করে, কিন্তু কেনার সময় অতিরিক্ত চার্জ চাপিয়ে দেয়। যেমন SSL সার্টিফিকেট, ব্যাকআপ বা ডোমেইন নবায়নের জন্য গোপন ফি থাকতে পারে, যা আগে থেকে জানানো হয় না।

৫.অনিয়মিত আপটাইম এবং দুর্বল সাপোর্ট
সস্তা হোস্টিং প্রোভাইডাররা প্রায়ই ৯৯% আপটাইমের প্রতিশ্রুতি দেয়, কিন্তু বাস্তবে আপনার ওয়েবসাইট বারবার ডাউন হতে পারে। এছাড়া, গ্রাহক সেবা খুবই দুর্বল হয়, যার ফলে সমস্যার মুখোমুখি হলে আপনি সাহায্য পান না।

৬. ওভারসেলিং এবং ওভারলোডেড সার্ভার
অনেক কমদামি হোস্টিং প্রোভাইডার তাদের সার্ভারের সক্ষমতার বেশি গ্রাহক যুক্ত করে, ফলে পারফরম্যান্সের মান কমে যায়। আপনার ওয়েবসাইট অন্যদের সাথে সার্ভার রিসোর্স ভাগাভাগি করতে হয়, যার কারণে সাইট ধীর হয়ে যায় বা ক্র্যাশ করতে পারে।

যে কারনে এগুলো গুরুত্বপূর্ণ:

যদি আপনি আপনার ওয়েবসাইটের পারফরম্যান্স নিয়ে সিরিয়াস হন এবং একটি ব্যবসা বা কমিউনিটি গড়ে তুলতে চান, এই সমস্যাগুলো আপনার সফলতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। সস্তা হোস্টিং হয়তো প্রথমে টাকা বাঁচাবে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে আপনার ওয়েবসাইটের গতি, নিরাপত্তা, এবং ব্যবহারকারীর বিশ্বাস অর্জন করতে বেশি ক্ষতি হতে পারে। এ ক্ষেত্রে আমরা https://dhbdwebs.com/ দিচ্ছি আপনাকে শতভাগ নিশ্চয়তা। পাবলিক ও প্রাইভেটের একঝাঁক তারুণ্য ২০২৪ সালের বিজয়ে আপনাকে সেই আই,টি নিরাপত্তা দিতে কমিটেড।

আপনাদের যতো প্রশ্ন ও জিজ্ঞাসা VS আমাদের উত্তর

প্রশ্ন ১: আমি কীভাবে নিশ্চিত হবো আমার হোস্টিং প্রোভাইডার সঠিক সার্ভার লোকেশন দিচ্ছে?
উত্তর: DNS Checker বা Pingdom এর মতো টুল ব্যবহার করে আপনি সার্ভারের আইপি ঠিকানা এবং লোকেশন যাচাই করতে পারেন।

প্রশ্ন ২: C-Panel কেন গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: C-Panel একটি ব্যবহারবান্ধব ইন্টারফেস যা হোস্টিং পরিচালনা করতে সাহায্য করে। ইমেইল সেটআপ, ডোমেইন ম্যানেজমেন্ট, এবং ব্যাকআপ নেওয়ার মতো কাজগুলো সহজে করা যায়।

প্রশ্ন ৩: হোস্টিং প্রোভাইডারদের মধ্যে লুকানো চার্জ কি সাধারণ?
উত্তর: হ্যাঁ, অনেক সস্তা হোস্টিং সার্ভিস কম দাম দেখিয়ে আকর্ষণ করে, কিন্তু SSL, ব্যাকআপ বা ডোমেইন নবায়নের মতো সেবার জন্য অতিরিক্ত চার্জ চাপিয়ে দেয়।

প্রশ্ন ৪: ক্লাউড হোস্টিং কি সবসময় ভালো?
উত্তর: না। যদিও ক্লাউড হোস্টিং অনেক সুবিধা দেয়, সস্তা প্রোভাইডাররা প্রায়ই অতিরিক্ত গ্রাহক যুক্ত করে রিসোর্স কমিয়ে দেয়, যার ফলে পারফরম্যান্স কমে যায়।

প্রশ্ন ৫: ভালো হোস্টিং প্রোভাইডারের কী কী বৈশিষ্ট্য থাকা উচিত?
উত্তর: পরিষ্কার মূল্য তালিকা, ভালো গ্রাহক সেবা, নির্ভরযোগ্য আপটাইম গ্যারান্টি এবং C-Panel বা Plesk এর মতো প্রয়োজনীয় টুলস থাকা উচিত।

তাই সংক্ষেপে বলতে গেলে, সস্তা হোস্টিং প্রাথমিকভাবে লাভজনক মনে হতে পারে, তবে এর প্রকৃত মূল্য এবং সেবার গুণমান যাচাই করা জরুরি। আপনি যদি আপনার ওয়েবসাইটের বিষয়ে সিরিয়াস হন, নির্ভরযোগ্য হোস্টিং প্রোভাইডারে বিনিয়োগ করাই উত্তম হবে।

নতুন ডোমেইন হোস্টিং কিনতে চান? জানুন  বিস্তারিত! **ডোমেইন হোস্টিং কী?**ধরুন আপনি আপনার বাড়ির ঠিকানা দিয়ে অন্যকে আপনার ...
15/10/2024

নতুন ডোমেইন হোস্টিং কিনতে চান? জানুন বিস্তারিত!

**ডোমেইন হোস্টিং কী?**

ধরুন আপনি আপনার বাড়ির ঠিকানা দিয়ে অন্যকে আপনার বাড়ি খুঁজে পেতে সাহায্য করেন। একইভাবে, একটি ওয়েবসাইটের ঠিকানা হল তার ডোমেইন নাম। আর হোস্টিং হল সেই জায়গা যেখানে আপনার ওয়েবসাইটের সব ফাইল সংরক্ষিত থাকে। যেমন, আপনার বাড়ির সব জিনিস আপনার বাড়িতেই রাখা হয়।

**কেন ডোমেইন হোস্টিং দরকার?**

* **আপনার নিজস্ব ওয়েবসাইট:** আপনার ব্যবসা বা ব্লগের জন্য একটি নিজস্ব ওয়েবসাইট থাকলে আপনি স্বাধীনভাবে তা পরিচালনা করতে পারবেন।
* **ব্র্যান্ডিং:** একটি ডোমেইন নাম আপনার ব্যবসাকে একটি অনন্য পরিচয় দেয়।
* **বিশ্বাসযোগ্যতা:** নিজস্ব ওয়েবসাইট থাকলে গ্রাহকরা আপনার ব্যবসাকে আরো বিশ্বাস করবে।
* **অনলাইন উপস্থিতি:** আজকের ডিজিটাল যুগে একটি ওয়েবসাইট থাকা অত্যন্ত জরুরি।

**ডোমেইন হোস্টিং কেনার আগে জানা জরুরি বিষয়গুলো:**

* **ডোমেইন নাম:** আপনার ওয়েবসাইটের ঠিকানা যেমন: www.আপনারওয়েবসা[ভুল URL সরানো হয়েছে]

* **হোস্টিং প্ল্যান:** আপনার ওয়েবসাইটের আকার ও ট্রাফিকের উপর নির্ভর করে বিভিন্ন ধরনের হোস্টিং প্ল্যান পাওয়া যায়।

* **স্টোরেজ:** আপনার ওয়েবসাইটের ফাইল কতটা জায়গা নেবে তা দেখে স্টোরেজ স্পেস নির্বাচন করুন।
* **ব্যান্ডউইথ:** আপনার ওয়েবসাইটে কত পরিমাণ ডাটা ট্রান্সফার হবে তা দেখে ব্যান্ডউইথ নির্বাচন করুন।

* **ইমেইল:** অনেক হোস্টিং প্ল্যানে ফ্রি ইমেইল অ্যাকাউন্ট দেওয়া হয়।

* **কাস্টমার সাপোর্ট:** যদি কোন সমস্যা হয় তাহলে কাস্টমার সাপোর্টের মাধ্যমে সহায়তা পাওয়া যাবে।

**ডোমেইন হোস্টিং কেনার ধাপ:**

1. **ডোমেইন নাম নির্বাচন করুন:** সহজ, মনে রাখার মতো এবং আপনার ব্যবসার সাথে সম্পর্কিত একটি নাম বেছে নিন।
2. **হোস্টিং প্রোভাইডার নির্বাচন করুন:** গুগল সার্চ করে বিভিন্ন হোস্টিং প্রোভাইডারের তালিকা পাবেন।
3. **হোস্টিং প্ল্যান নির্বাচন করুন:** আপনার ওয়েবসাইটের প্রয়োজন অনুযায়ী প্ল্যানটি বেছে নিন।
4. **পেমেন্ট করুন:** নির্বাচিত প্ল্যানের জন্য পেমেন্ট করুন।
5. **ওয়েবসাইট তৈরি করুন:** আপনার পছন্দের ওয়েবসাইট বিল্ডার বা কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (CMS) ব্যবহার করে আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করুন।

* **ডোমেইন হোস্টিং কত টাকা লাগে?**
হোস্টিং প্ল্যানের উপর নির্ভর করে দাম ভিন্ন হতে পারে। সাধারণত মাসিক বা বার্ষিক ভিত্তিতে পেমেন্ট করা হয়। তবে বাংলাদেশে সবচে কম দামে ডোমেন বিক্রি করে https://dhbdwebs.com/
* **কোন হোস্টিং প্রোভাইডার ভালো?**
https://dhbdwebs.com/, গুগল, Hostinger, Bluehost, GoDaddy ইত্যাদি জনপ্রিয় হোস্টিং প্রোভাইডার।
* **আমি নিজে ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবো?**
হ্যাঁ, অনেক ওয়েবসাইট বিল্ডার (যেমন: Wix, WordPress) ব্যবহার করে আপনি নিজেই সহজেই ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন।

**আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাকে ডোমেইন হোস্টিং সম্পর্কে একটি ভাল ধারণা দিয়েছে।**

ধন্যবাদ।
Time iT

27/01/2023

𝐖𝐨𝐫𝐝𝐏𝐫𝐞𝐬𝐬 𝐆𝐏𝐋 𝐓𝐡𝐞𝐦𝐞𝐬 𝐚𝐧𝐝 𝐏𝐥𝐮𝐠𝐢𝐧𝐬সবগুলো পাবেন মাত্র ১৫০ টাকায়𝐅𝐫𝐞𝐪𝐮𝐞𝐧𝐭𝐥𝐲 𝐀𝐬𝐤𝐞𝐝 𝐐𝐮𝐞𝐬𝐭𝐢𝐨𝐧𝐬ওয়ার্ডপ্রেস জিপিএল কি?ওয়ার্ডপ্রে...
12/01/2023

𝐖𝐨𝐫𝐝𝐏𝐫𝐞𝐬𝐬 𝐆𝐏𝐋 𝐓𝐡𝐞𝐦𝐞𝐬 𝐚𝐧𝐝 𝐏𝐥𝐮𝐠𝐢𝐧𝐬
সবগুলো পাবেন মাত্র ১৫০ টাকায়

𝐅𝐫𝐞𝐪𝐮𝐞𝐧𝐭𝐥𝐲 𝐀𝐬𝐤𝐞𝐝 𝐐𝐮𝐞𝐬𝐭𝐢𝐨𝐧𝐬
ওয়ার্ডপ্রেস জিপিএল কি?
ওয়ার্ডপ্রেস হল একটি জনপ্রিয় ওপেন সোর্স কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (CMS) যা PHPপ্রোগ্রামিং ভাষায় লেখা। এটি GNU জেনারেল পাবলিক লাইসেন্স (জিপিএল) এর অধীনে লাইসেন্সপ্রাপ্ত, যা একটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত বিনামূল্যের সফ্টওয়্যার লাইসেন্স যা শেষ ব্যবহারকারীদের সফ্টওয়্যার চালানো, অধ্যয়ন, ভাগ এবং পরিবর্তন করার স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেয়।

এটা কি nulled?
জি না।

কোনরকম ভাইরাস আছে কি?
জি না এটি Exploit Scanner, WordFence, Acunetix WP Security, Antivirus, Virus Total দ্বারা চেক করা হয়েছে ১০০% নিরাপদ

এখানে আপনি পাচ্ছেন ৬০+ ওয়ার্ডপ্রেস থিম এবং প্লাগিন যেখানে থাকছে
1. AmyMovie - Movie and Cinema WordPress Theme
2. Astra full lifetime
3. Avada Full Pack
4. Booknetic - Appointment booking plugin for WordPress websites
5. book-your-travel
6. Book Your Travel - Online Booking WordPress Theme
7. Cartzilla - Digital Marketplace & Grocery Store WordPress Theme
8. Classiads - Classified Ads WordPress Theme
9. genarate press
10. colormag-pro-latest
11. Digits : WordPress Mobile Phone Number OTP Signup and Login Form
12. DIVI
13. dokan-pro
14. Eduma | Education WordPress Theme
15. Electro Electronics Store WooCommerce Theme
16. eCademy - Education LMS & Online Coaching Courses WordPress Theme
17. elementor-pro
18. Ewebot - SEO Marketing Digital Agency
19. Elessi - WooCommerce AJAX WordPress Theme - RTL support
20. Fundrize | Responsive Donation & Charity WordPress Theme
21. Flatsome | Multi-Purpose Responsive WooCommerce Theme
22. hbook-hotel-booking-system-wordpress-plugin
23. indeed-affiliate-pro
24. indeed-membership-pro
25. interlinks-manager
26. ithemes-security-pro
27. Jannah
28. jet-engine
29. jet-woo-builder
30. jnews
31. jobmonster
32. js-composer
33. ListingPro - WordPress Directory & Listing Theme
34. Mailpoet Pro
35. Masterstudy - Education WordPress Theme
36. neve-pro-addon
37. OceanWP-Bundle
38. online-exam-management
39. newsmag
40. newspaper
41. quiz-maker
42. rehub
43. Rank Math Pro
44. Seocify
45. service-finder
46. social-auto-poster
47. w3-total-cache
48. Streamit 2.0 | Video Streaming WordPress Theme
49. whatsapp-for-wordpress
50. woocommerce-memberships
51. woocommerce-currency-switcher
52. woocommerce-checkout-field-editor-pro
53. woocommerce-food-restaurant
54. woocommerce-product-addons
55. woocommerce-ultimate-pdf-invoices
56. woocommerce-variation-prices
57. Wood Mart
58. Yoast Seo Pro
59. wp-all-import-pro
60. wp-automatic
61. wpforms Pro
62. wp-rocket
63. wp-smush-pro
64. xstore
65. wp-user-frontend-pro

আমরা ওপেন সোর্স সফ্টওয়্যার অফার করি। আপনি আমাদের ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করেন এমন যেকোনো পণ্য আপনার দ্বারা পরীক্ষা করা যেতে পারে যে এটি ক্ষতিকারক কোড, ভাইরাস বা বিজ্ঞাপন মুক্ত।

24/05/2020
08/05/2020

‘প্রতিটি সমস্যাই, তার সমান অথবা তার চেয়ে বেশি পরিমাণ সুযোগ নিয়ে আসে।’ নেপোলিয়ন হিলের এই বিখ্যাত উক্তির মাধ্যমে আমাদের আজকের আলোচনা শুরু।

ভয়ঙ্কর করোনাভাইরাস নানান খারাপ সংবাদের সাথে আমাদের ব‌্যক্তি জীবন ও ব্যবসা জগতের জন্য কিছু সুখবরও বয়ে নিয়ে এসেছে। শুনে হয়তো অবাক হচ্ছেন- কিন্তু এটাই সত্য।

করোনাভাইরাস সম্ভবত আরো কিছুদিন বা কয়েকমাস বা আরো বেশি সময় ধরে বিরাজ করবে। এটি আমাদের জীবনযাত্রা এবং কিছু ব্যবসায়ীক পদ্ধতির উপরে প্রভাব ফেলতে যাচ্ছে। তবে আশার বিষয় হলো, বাঙ্গালী জাতি বীরের জাতি। আমরা খুবই সহিষ্ণু, আমরা যেকোনো ধরনের পরিবর্তনের সাথে সহজে খাপ খাইয়ে নিতে অভ্যস্ত।

সরকার করোনাভাইরাস মোকাবেলায় সমস্ত শক্তি নিয়ে কাজ করছে। জনগণ আন্তর্ভিাবে সাহায‌্য করলে আশা করি করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধে আমরা অবশ্যই জিতব।

এখন দেখা যাক, এই করোনাভাইরাস কীভাবে আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য এবং জীবনের উপরে প্রভাব রাখতে যাচ্ছে-

সবাই দুর্যোগ তহবিল তৈরিতে মনোযোগী হবে : আমাদের দেশে সাধারণত নিম্নবিত্ত এবং মধ্যবিত্ত শ্রেণির উপার্জন কম হওয়ায় অধিকাংশ মানুষ দুর্যোগকালীন কোনো সঞ্চয় রাখতে পারে না। কিন্তু এই করনার বিপদগ্রস্ত সময় পার হওয়ার পরে, সবাই তাদের নিজেদের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার জন্য টাকা সঞ্চয় করে রাখবে। সবাই ন্যূনতম তিন মাসের জন্য টাকা সঞ্চয় করে রাখার চেষ্টা করবে।

কথাটি শুধুমাত্র নিম্নবিত্ত এবং মধ্যবিত্ত শ্রেণির জন্যই প্রযোজ‌্য নয়, বরং ব্যবসায়ী এবং অন্যান্য শ্রেণির লোকজন চেষ্টা করবে দুর্যোগকালীন সঞ্চয়ের জন‌্য। যেটা তাদের খারাপ সময়ে সাপোর্ট হিসেবে কাজ করবে। এই টাকা জমানোর প্রবণতা আমাদের ভিতরে এক ধরনের শক্ত মানসিকতা তৈরি করবে। যাতে আমরা সামনের বিপদগুলোকে আরো শক্তভাবে মোকাবেলা করতে পারি।

ভবিষ্যতের জন্য খাদ্য সংরক্ষণ : গোলাভরা ধান, গোয়াল ভরা গরু, পুকুর ভরা মাছ এটাই ছিল আমাদের বাংলাদেশের প্রকৃত চিত্র। এখনকার সময়ে গ্রামে গোলা খুঁজে পাওয়াই দুষ্কর। বাংলাদেশের মানুষ অতীতকাল থেকেই খাদ্য সংরক্ষণ করতে অভ্যস্ত। কিন্তু এখনকার শহুরে জীবনে অভ্যস্ত মানুষ খাদ্য সংরক্ষণ করতে চায় না। কিন্তু করোনাভাইরাসের প্রভাব আমাদেরকে খাদ্য সংরক্ষণে আবারও উদ্দীপ্ত করবে। দীর্ঘ সময় বাড়িতে সংরক্ষণ করা যায় এমন খাবার মানুষজন আবারো সংরক্ষণ করা শুরু করবে। ন্যূনতম দুই মাসের জন্য হলেও খাদ্য সংরক্ষণ করবে। সেটা হতে পারে চাল, চিড়া, মুড়ি, খই এবং দীর্ঘমেয়াদে সংরক্ষণ করা যায় এমন খাবার। এই খাদ্য সংরক্ষণের যে প্রবণতা তৈরি হবে, এটা মানুষের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে।

মানুষ ঘরে তৈরি খাবারের দিকে বেশি আগ্রহী হবে : বর্তমানে মানুষ রেস্টুরেন্টে খেতে পছন্দ করে। শুধু তাই নয়, তারা সামাজিক অনুষ্ঠান- যেমন জন্মদিন এবং অন্যান্য অনুষ্ঠান রেস্টুরেন্টে পালন করতে পছন্দ করে। করোনাভাইরাস আমাদেরকে এ সমস্ত কমার্শিয়াল খাদ্য এবং বাইরে জনসমাগম থেকে দূরে রাখবে। সেটা সীমিত সময়ের জন্য হলেও। শহরের ব্যস্ত জীবনে মানুষ ঘরে তৈরি খাবারের প্রতি বেশি করে আকৃষ্ট হবে এবং সামাজিক অনুষ্ঠানগুলো সীমিত আকারে করার চেষ্টা করবে।

শুকনো, এবং প্রক্রিয়াজাত খাদ্যের শিল্প বিকাশের সম্ভাবনা তৈরি হবে : মৌসুমী ফলের জন্য বাংলাদেশে খুবই বিখ্যাত। বাংলাদেশের আম শুধু দেশেই না, দেশের বাইরেও অনেক দেশে বিখ্যাত।

আমাদের দেশে অনেক ধরনের ফল উৎপন্ন হয়। যেমন- আম, কাঁঠাল, আনারস, লিচু, তরমুজ প্রভৃতি। মৌসুম এলে এসব ফল সস্তায় পাওয়া যায়। এ কারণে অধিকাংশ সময় বাংলাদেশের কৃষকরা উৎপাদিত পণ্যের সঠিক দাম পান না। এতে অনেকসময় প্রচুর ফল নষ্ট হয়, অপচয় হয়।

আমরা এই ফলগুলো অন্যান্য দেশের মতো শুকনো ও প্রক্রিয়াজাত করে রেখে দিতে পারি। তাহলে বছরব্যাপী এগুলো খাওয়া, বিক্রি বা বিপণন করা সম্ভব। ফল ছাড়াও আমাদের দেশে প্রচুর মাছ, মাংস উৎপন্ন হয়। আমরা উন্নত দেশের মতো প্রক্রিয়াজাত করে রাখতে পারি। এর মাধ্যমে আমাদের খাদ্যের অপচয় অনেক রোধ হবে।

কোল্ডস্টোরেজ এবং খাদ্য সংরক্ষণের সক্ষমতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা বাড়বে : বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে প্রচুর কোল্ডস্টোরেজ দেখতে পাই। এটা মূলত আলু সংরক্ষণের জন্য। কিন্তু আমাদের এই সংরক্ষণের সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে এবং সারাদেশে এটাকে ছড়িয়ে দিতে হবে। যাতে আলুর সাথে অন্যান্য খাদ্য সংগ্রহ এবং তার সংরক্ষণ এর পরিপূর্ণ ব্যবস্থা তৈরি করতে পারি।

এর মাধ্যমে আমরাই যে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে পারব শুধু তা নয়, আমরা বিদেশেও রপ্তানী করতে পারব। এর মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব হবে। আমাদের খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা আসবে এবং আমরা বৈদেশিক বাজার উন্নয়ন করতে পারব।

করোনাভাইরাস থেকে আমরা এই শিক্ষা নিতে পারি যে, খাদ্য সংরক্ষণ করা এবং সেটা থেকে উন্নততর পদ্ধতি তৈরি করা- যার মাধ্যমে আমরা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারি। আশাকরি বেসরকারি খাত থেকেও প্রচুর পরিমাণে বিনিয়োগ আসবে খাদ্য সংরক্ষণ এবং খাদ্যের নতুন বাজার খুঁজে বের করা জন্য।

কৃষক থেকে বিক্রেতা পর্যন্ত সরবরাহের মাধ্যমের পরিবর্তনের সম্ভাবনা : আমরা বাংলাদেশের সাধারণত যে সরবরাহ চেইন দেখি। তা মূলত মধ্যস্বত্বভোগীদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। করোনাভাইরাসের এই তাণ্ডবের পর আমরা এই সাপ্লাই চেইনেও পরিবর্তন দেখব। আশা করা যায়, এখানে একটি পাইকারি অনলাইন বাজার মাধ্যম তৈরি হবে। যদি অনলাইনে কোনো পাইকারি বিক্রয়ের মাধ্যম তৈরি হয়, তার মাধ্যমে মধ্যস্বত্বভোগী কমিয়ে আনা যাবে এবং কৃষকরা তাদের ন্যায্য মূল্য পাবেন। আমি ব্যক্তিগতভাবে আশা করি, কৃষি সাপ্লাইতে একটা বড় পরিবর্তন আসবে যেটা অনলাইন ভিত্তিক হবে।

ফ্রিজ বিক্রয়ের ঊর্ধ্বমুখী সূচক : শহরে এবং শহর ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষেত্রে মানুষের মধ্যে খাদ্য সংরক্ষণে প্রবণতা বাড়বে। সেজন্য দরকার হবে নিজের ব্যক্তিগত পর্যায়ে ফ্রিজের। এ কারণে ফ্রিজের বিক্রি অনেক বেশি হবে।

মানুষ যখন খাদ্য সংরক্ষণ করতে চাইবে, ফ্রিজ হলো সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি, যার মাধ্যমে খাদ্য সংরক্ষণ করা যায়। এ কারণে ফ্রিজের চাহিদা বাড়বে এবং খুব শিগগিরই আমরা এই চাহিদার একটা ঊর্ধ্বমুখী সূচক দেখতে পাব।

বাংলাদেশের মানুষ ব্যক্তিগত সুরক্ষার সরঞ্জামের ব্যাপারে আরও বেশি আগ্রহী হবে : মানুষজন তার ব্যক্তিগত সুরক্ষা এবং নিরাপত্তার ব্যাপারে আরও বেশি আগ্রহী হবে। ভাইরাস থেকে বাঁচতে ব্যক্তিগত সুরক্ষার জন্য যেসমস্ত সরঞ্জাম পাওয়া যায় যেমন- সাবান, হ্যান্ডওয়াশ, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, পিপিই প্রভৃতি সরঞ্জামের প্রতি মানুষজন আরো বেশি আগ্রহী হবে।

করোনাভাইরাস আমাদেরকে ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা শিখিয়ে দিতে সাহায্য করেছে। এই সমস্ত সরঞ্জাম তৈরির যে ইন্ডাস্ট্রিগুলো আছে তাদের বিকাশের একটা ভালো সুযোগ তৈরি হবে। মাস্ক তৈরি বা অন্যান্য যে সমস্ত সরঞ্জাম আমরা এখনো পুরোপুরি বিদেশিদের উপর নির্ভরশীল, সেটা বাংলাদেশের উৎপাদন হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে।

ব্যক্তিগত পর্যায়ে, অফিস, ফ্যাক্টরিতে মানুষজন অনেক বেশি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন এবং দূরত্ব বজায় রাখার চেষ্টা করবে। আমাদের ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার সরঞ্জাম এবং প্রটেক্টিভ ইউনিট-এর ব্যাপারে মানুষজন আরো বেশি সচেতন হবে। সেজন্য এই সেক্টরের শিল্প বিকাশের সুযোগ ও সম্ভাবনা তৈরি হবে ।

সামাজিক দূরত্ব স্বাভাবিক অভ্যাসে পরিণত হবে : করোনাভাইরাস আমাদের যেটা সবচেয়ে বড় শিক্ষা দিয়েছে, সেটা হলো সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা। মানুষ এ ব‌্যাপারে অনেক বেশি আগ্রহী হবে। ভিড় এড়িয়ে চলার চেষ্টা করবে এবং একজন আরেকজনের থেকে দূরত্ব বজায় রাখার চেষ্টা করবে। বাঙালি হিসেবে আমাদের যে সহজাত স্বভাব আছে যেমন- হ্যান্ডসেক করা এবং কোলাকুলি করা। এটা থেকেও মানুষজন আস্তে আস্তে সরে আসার চেষ্টা করবে।

ভাইরাসের প্রভাবে আমাদের ব্যবসা ক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে কর্পোরেট অফিসগুলোতে। সিটিং অ্যারেঞ্জমেন্ট চেঞ্জ হতে পারে, একজন থেকে আরেকজনের দূরত্ব তৈরি হবে, মেশিন থেকে মেশিনের দূরত্ব তৈরি হবে। এতে করে মানুষ দূরে দাঁড়িয়ে কাজ করতে পারবে। সার্ভিস ইন্ডাস্ট্রির জন্য যদিও এটা খুবই কষ্টসাধ্য, তারপরও কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমাদের চিন্তা ভাবনার উন্নতি এবং সামাজিক দূরত্ব দেখা যাবে।

টেলিমেডিসিন এবং মোবাইল হসপিটাল সময়ের দাবি : টেলিমেডিসিন এবং মোবাইল হসপিটালের মাধ্যমে দূরত্ব বজায় রেখে মানুষের চিকিৎসা সেবা প্রদান করা সম্ভব। বিশেষ করে সংক্রামক রোগের ক্ষেত্রে আমরা এর বিশেষ প্রয়োগ দেখতে পাই। টেলিমেডিসিন এবং মোবাইল হসপিটাল আমাদের দেশে এখন পর্যন্ত জনপ্রিয় হয়নি। কিন্তু করোনাভাইরাস পরবর্তী সময়ে এটি জনপ্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে আশাবাদি, এ ব‌্যাপারে প্রাইভেট সেক্টরগুলো এগিয়ে আসবে। যেটা এই সেক্টরের উন্নয়নের জন্য অনেক বেশি প্রভাব রাখবে।

ই-কমার্স ব্যবসা বাড়ার সম্ভাবনা : এস এ আর এস (সাস্) পরবর্তী সময়ে আমরা অন্য দেশগুলোতে ই-কমার্সের একটি উন্নয়ন দেখেছি। ছোঁয়াচে এই ধরনের ভাইরাসের জন্য মানুষের কেনাকাটা করার প্রবণতা এবং অভ্যাসে পরিবর্তন আসবে। মানুষজন বাজারে যাবে কম। আর এ কারণেই ই-কমার্স এর চাহিদা এবং প্রচলন বাংলাদেশের শুরু হওয়ার একটা সম্ভাবনা আছে। এটি আমাদের খুচরা বিক্রির উপর একটি ভাল প্রভাব বিস্তার করবে।

হোম অফিসের সম্ভাবনা তৈরি হবে : আমাদের দেশে কর্পোরেট অফিসগুলোতে এমন কিছু চাকরি আছে, যেগুলোতে প্রতিদিন অফিসে যাওয়ার দরকার হয় না । এই চাকরিগুলোর ক্ষেত্রে আমরা একটা ব্যাপক পরিবর্তন দেখতে পাবো। হতে পারে তারা বাসা থেকেই অফিসের কাজ করবে।

আমাদের দেশে যে অফিস টুলগুলো ভালোভাবে পরিচিত, সেগুলোর ব্যাপক প্রচলন শুরু হওয়ার সম্ভবনা তৈরি হবে। এমন হতে পারে- কেউ একজন চোখে সানগ্লাস দেওয়ার সাথে সাথে সে একটা মিটিং রুমে ঢুকে পড়লো অথবা একটা বোর্ড রুমে মিটিংয়ে জয়েন করলো। এটা তার জন্য খুবই আনন্দদায়ক এবং সময়কে সুষ্ঠুভাবে ব্যবহার করার একটা সুযোগ তৈরি হবে। হোম অফিসের সুযোগ যদি তৈরি হয়, সে ক্ষেত্রে একটা সামাজিক দূরত্ব তৈরি করার সুযোগ সৃষ্টি হবে। সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এটা একেবারেই সহজ নয়, তারপরেও আমরা দেখব এসব ক্ষেত্রেও কিছু গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন হবে।

অর্থ লেনদেনের ডিজিটাল যুগ : বাংলাদেশে এখন বিকাশ, নগদ, রকেট বা অন্যান্য প্লাটফর্মের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন হচ্ছে। কিন্তু কেনাকাটার ক্ষেত্রে আমরা নগদ অর্থের ব্যবহারই বেশি দেখি। কেনাকাটা এবং বিক্রির ক্ষেত্রে ডিজিটাল অর্থের লেনদেন এখনো সেভাবে বাংলাদেশ জনপ্রিয়তা পায়নি।

করোনাভাইরাসের প্রভাবে মানুষজন ডিজিটাল অর্থের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠবে। মোবাইল ওয়ালেট জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করবে। অর্থের ডিজিটাল লেনদেনের মাধ্যমে জনগণ নিজেকে অনেক বেশি নিরাপদ মনে করবে এবং স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবে।

বাংলাদেশে যদিও এটা প্রচলন হতে সময় লাগবে। কারণ, বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ এই ডিজিটাল টাকার সাথে পরিচিত নয়। এটার পরিচয় করানো সময়ের দাবি হলেও সেটা বেশিরভাগ মানুষের জন‌্য কঠিন হতে পারে। তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি, মানুষজন ডিজিটাল ট্রানজেকশনে অনেক বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবে।

অনলাইনে লেখাপড়া : লেখাপড়ার একটা অংশ যদি অনলাইনে ট্রান্সফার হয়, তাহলে প্রত্যেকেই যে কোনো যায়গা তেকে তার এডুকেশনের সুবিধা নিতে পারবে। ইউটিউবের মত একটা প্লাটফর্ম হতে পারে যেখানে সমস্ত ক্লাসের ভিডিও আপলোড করা থাকবে। যে কোনো ক্লাসে যে কোনো গ্রেডের স্টুডেন্ট লগইন করে দেখতে পারবেন।

অনলাইন ক্লাস এবং অনলাইন অ‌্যাসিসটেন্ট এর মাধ্যমে এবং অনলাইন ক্লাসের ম্যাটারিয়াল জমা রাখার মাধ্যমে আমরা বহুসংখ্যক ছাত্রদের সাহায্য করতে পারি। এই মাধ্যমে আমাদের খুব বেশি মানুষের সংস্পর্শে আসার দরকার নেই। সামাজিক দূরত্ব মেনেই আমরা শিক্ষা গ্রহণ করতে পারব।

আমরা যদি অনলাইন এডুকেশনাল সুবিধা পুরোপুরি নাও নিতে পারি, তবে আমরা একটা সুবিধা পাওয়ার জন্য এখন থেকেই বড় প্ল্যাটফর্ম ক্লাউড সিস্টেম এবং অন্যান্য ধরনের সুযোগ-সুবিধা ডেভলপ করতে পারি। যার মাধ্যমে অদূর ভবিষ্যতে আমাদের শিক্ষার্থীরা সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন।

করোনাভাইরাস আমাদের জীবন এবং আমাদের অভ্যাসগুলো পরিবর্তনের একটা মাধ্যম হয়ে এসেছে। শতভাগ গ্যারান্টি দেওয়া যাবে না যে এই পরিবর্তনগুলো হবেই। তবে সম্ভবনা আছে, এর অধিকাংশ পরিবর্তনই আমরা সামনের দিনগুলোতে দেখতে পাব।

করোনাভাইরাস সহজে আমাদের ছেড়ে যাবে না। আমাদেরকে করোনাভাইরাসের সাথে যুদ্ধ করে টিকে থাকতে হবে এবং আমাদের পরিবর্তনগুলো দ্রুত হতে হবে। যার মাধ্যমে আমরা এই পরিবর্তনকে সহজেই আয়ত্ত করতে পারি।

আমি আশা করি খুব শিগগিরই করোনার ওষুধ এবং ভ্যাকসিন চলে আসবে। ভবিষ্যতে আমরা হয়তো পাড়ার মোড়ের দোকান থেকে করোনাভাইরাসের ওষুধ কিনতে পারব।

বাঙ্গালী বীরের জাতি, আমরা অতীতেও যেকোনো সমস্যা সাহসের সঙ্গে মোকাবিলা করেছি, এই সমস্যা ও আমরা অতিক্রম করব। এটা আমাদের নিজেদের উপর নির্ভর করে- আমরা কত দ্রুত এই পরিবর্তনগুলোর সাথে নিজেদের খাপ খাইয়ে নিতে পারব এবং সামনের দিকে এগিয়ে যাব।

লেখক : আনোয়ার সাদাৎ কবির, সেলস অ‌্যাডভাইজার, ভিভো মোবাইল ফোন কোম্পানি।

Address

Dhaka

Telephone

+8801842256622

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when TimeiT posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to TimeiT:

Share