Arnaprism

Arnaprism Arnaprism is an one-stop online solution agency. we provide web design & development, WordPress The

28/06/2023
একটি নিজস্ব ওয়েবসাইট আপনার ব্যবসা বা সার্ভিস এর ব্র্যান্ড ভ্যালু অনেকাংশেই বৃদ্ধি করে।আপনার প্রতিষ্ঠানের জন্য অথবা ব্যক্...
22/01/2023

একটি নিজস্ব ওয়েবসাইট আপনার ব্যবসা বা সার্ভিস এর ব্র্যান্ড ভ্যালু অনেকাংশেই বৃদ্ধি করে।
আপনার প্রতিষ্ঠানের জন্য অথবা ব্যক্তিগত একটি পোর্টফোলিও এর জন্য কি একটি ডায়নামিক ওয়েবসাইট প্রয়োজন?
��� ��� ���
� আপনি পাবেনঃ
� প্রফেশনাল ও ডায়নামিক ওয়েবসাইট
� প্রিমিয়াম থিম
� কাস্টমাইজেবল ফিচার
� ডাইনামিক কন্টাক্ট ফর্ম
� সহজে সাইট পরিচালনার সুবিধা
� পর্যাপ্ত ট্রেনিং এর ব্যবস্থা
� অনলাইন/অফলাইন সাপোর্ট
� ফ্রি ডোমেইন & হোস্টিং (১ম বছর)
��� ��� ���
� ডেভেলপমেন্ট ফিঃ ১৪,৯৯৯ টাকা। (১ম বছরের ডোমেইন হোস্টিং চার্জ সহ)
� অফার টি চলবে ৩১শে মার্চ, ২০২৩ পর্যন্ত।
��� ��� ���
� ডেভেলপমেন্ট টাইমঃ ১০-১৫ কার্যদিবস।
� ডেভেলপমেন্ট টেকনোলজিঃ ওয়ার্ডপ্রেস।
��� ��� ���
� মোবাইল : 019 737 44777 OR 017 587 44 777
[email protected]

HAPPY NEW YEAR
30/12/2021

HAPPY NEW YEAR

Digital Marketing কি ? Digital Marketing এর জন্য সেরা ৮ টি মাধ্যম।Digital Marketing definationঃবর্তমান যুগ ইন্টারনেটের য...
28/12/2021

Digital Marketing কি ? Digital Marketing এর জন্য সেরা ৮ টি মাধ্যম।

Digital Marketing definationঃ

বর্তমান যুগ ইন্টারনেটের যুগ। এখন ঘরে বসে মানুষ বিশ্বের সব খবরাখবর রাখতে পারছে । বলা যায় পৃথিবী এখন হাতের মুঠোয়।

ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে অল্প সময়ে ব্যবসায় সফলতার জন্য আগে আমাদেরকে জানতে হবে
Digital Marketing কি?
অল্প কথায় Digital Marketing হল ইলেকট্রনিক মিডিয়াকে ব্যবহার করে ইন্টারনেট দুনিয়ায় পণ্য, প্রতিষ্ঠান বা ব্র্যান্ডের প্রচারনা বা বিজ্ঞাপন দেয়া।

বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতে বিজ্ঞাপন দেয়ার হার বর্তমানে সবচেয়ে বেশি। এর কারণ বিশ্বে ৫৫.০৮ শতাংশ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছে তার মধ্যে ৭৫ শতাংশ মানুষ নিয়মিত সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে।

তাই Social Media ও Digital মাধ্যমগুলো কে কাজে লাগিয়ে ব্যবসার পথ আরো সমৃদ্ধ হচ্ছে। আজকে আমরা এমন ৮ টি মাধ্যম সম্পর্কে আলোচনা করবে। যা ব্যবসার ক্ষেত্রে এনে দিতে পারে বৈপ্লবিক পরিবর্তন।

এক নজরে Digital Marketing এর সেরা ৮ টি মাধ্যম।

১.Search engine optimization (SEO)
২.Search Engine Marketing (SEM)
৩.Content marketing
৪.Social Media
Marketing(SMM)
৫. Digital Display Marketing
৬.Mobile Marketing
৭.Email Marketing
৮.Affiliate Marketing
Search engine optimization (SEO)

Search engine optimization (SEO)
Search engine optimization (SEO)

Search engine optimization বা (SEO) হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যে কোন ওয়েব সাইটের কিওয়ার্ডকে সার্চ ইঞ্জিনে র‍্যাংক করানো হয় । খুব সহজে যদি একটি উদাহরন দিয়ে বলিঃ আমরা সবাই কম বেশি google.com এ সার্চ করি আর গুগলে যখন কোন কিছু লিখে সার্চ করা হয় তখন গুগোল আমাদেরকে কিছু সার্চ রেজাল্ট দেখায় নিচের ছবিগুলোর মত ।

উপরের ছবিতে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে “SEO কি” এইটা লিখে সার্চ করার পরে গুগুল আমাদেরকে কিছু সার্চ রেজাল্ট দেখিয়েছে । এখন আপনাকে যদি আমি জিজ্ঞাসা করি আপনি সবচেয়ে আগে কোন রেজাল্টে ক্লিক করবেন ? প্রায় নিশ্চিতভাবে বলা যায় আপনি সবচেয়ে উপরের রেজেল্টটাতে ক্লিক কবেন অধিকাংশ ইউজারদের মত। অর্থাৎ গুগোল এর টপ পজিশনে থাকার করণে প্রথন লিংকটাতে সবচেয়ে বেশি ক্লিক পরবে। আর গুগোল সহ প্রতিটি সার্চ ইঞ্জিনের টপ পজিশনে আপনার Website যেকোন Keyword কে র‍্যাং করানোর প্রক্রিয়াই হল SEO । SEO করে টপ পজিশনে থাকা website এ সবচেয়ে বেশি ভিজিটর যাবে এটা আশা করি আপনি ইতিমধ্যেই বুঝে গেছেন । বাংলাদেশে SEO সার্ভিস প্রোভাইড করে এমন অনেক কোম্পানি রয়েছে যাদের সাথে তাল মিলিয়ে IMBD Agency এর SEO Service এই ইন্ড্রাস্ট্রিতে সফলতার সাথে বিচরন করছে ।

SEO সাধারণত তিন ধরণের হয়ে থাকে-
White hat SEO
Gray Hat SEO
black hat SEO
Search Engine marketing (SEM)
Search Engine marketing (SEM) হলো একটি ব্যাপক মার্কেটিং কৌশল যা প্রাথমিকভাবে আপনার ব্যবসায় ট্রাফিক ড্রাইভ করবে । যাকে আমরা Paid সার্চ মার্কেটিং বলে থাকি। আপনার ব্যবসার গঠনশৈলীর উপর ভিত্তি করে সাধারনত এ ধরনের মার্কেটিং করা হয়। এক্ষেত্রে PPC (পে-পার-ক্লিক করুন) অথবা CPC (ক্লিক পার ক্লিক ) মডেল ইত্যাদি মডেল নির্বাচন করা হয় । SEM সাধারনত বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে হয়ে থাকে। এর মধ্যে – Google Ads এবং বিং বিজ্ঞপ্তি (গুগল নেটওয়ার্কে), ইয়াহু বিং নেটওয়ার্ক বিজ্ঞপ্তি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। SEM বর্তমান Digital Marketing এর সব চেয়ে সাশ্রয়ী Onliine Marketing যা কিনা আপনার রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট বাড়াতে সাহায্য করবে।

অনলাইনে ব্যবসা হোক নিজের ডোমেইনে নিজের পরিচয়ে. (পর্ব- ০১)অনলাইনে ব্যবসা করার জন্য ইন্টারনেটের মহাসাগরে চাই নিজের একটি স্...
25/04/2021

অনলাইনে ব্যবসা হোক নিজের ডোমেইনে নিজের পরিচয়ে. (পর্ব- ০১)
অনলাইনে ব্যবসা করার জন্য ইন্টারনেটের মহাসাগরে চাই নিজের একটি স্বতন্ত্র পরিচয়। চাই নিজের একটি স্বাচ্ছ্যন্দ গৃহকোণ। কাব্যিক করে বললে হয়তো এরকমই শুনায় কিন্তু আসলে আমরা এখানে কথা বলছি বেশ টেকনিক্যাল কিছু ব্যাপার স্যাপার নিয়ে। নিজের পরিচয় হল আপনার ব্যবসার Domain Name আর গৃহকোণ হল আপনার ওয়েবসাইটের Hosting। ঠিকঠাক ডোমেইন নেম সিলেক্ট করা নিয়ে শুধু নতুন উদ্যোক্তাদের যে সমস্যায় পড়তে হয় তা ভাবলে ভুল হবে। এমন অনেক ঘটনা দেখা যায় যেখানে ব্যবসা ভালো ভাবে দাঁড় করানোর পর ব্যবসায়ী নিজেদের ওয়েবসাইট তৈরির সিদ্ধান্তটা গ্রহণ করেন। এর কারণগুলো হতে পারেঃ
বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে আপনার পণ্য বেশ ভালো বিক্রি হচ্ছে এবং আপনি আপনার ব্যবসার রেঞ্জ আরো বাড়াতে চাচ্ছেন। আপনি চান নিজের নামে পরিচিত হতে।
আপনার একটি সফল Business to Business অর্থাৎ বিভিন্ন ব্যবসার মধ্যে সমন্বয়কারী একটি কোম্পানি আছে এবং আপনি নিজের একটি অনলাইন প্লাটফর্ম চাচ্ছেন।
আপনার স্টার্ট-আপের জন্য আপনার হাতে ভালো পুঁজি আছে এবং আপনি চাচ্ছেন একটি অনলাইন শপ খুলে ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে।
আপনার হয়ত একটি ব্র্যান্ড নেম অলরেডি আছে আর আপনি ঐ নামটি ব্যবহার করতে চাচ্ছেন ডোমেইনের নাম হিসেবে। বুদ্ধিটা খারাপ নয় কিন্তু এখানে কিছু জিনিস হয়ত আপনি চিন্তা করেননি। আপনার কি সুনির্দিষ্ট কোন স্ট্র্যাটেজি আছে অনলাইনে ব্যবসাটি সফলভাবে চালানোর জন্য? অনলাইন ট্রাফিক আর অফলাইন ট্রাফিক কিন্তু একেবারেই আলাদা। রাস্তায় হেঁটে যেতে আপনার দোকান বা বিলবোর্ড পোস্টার আমাদের নজরে আসবে, অনলাইনে আপনাকে পাওয়ার জন্য আপনার ওয়েবসাইটকে খুঁজতে হবে সার্চ ইঞ্জিনের ভিতর দিয়ে। এক্ষেত্রে আপনার র‍্যাঙ্ক যদি ভাল না হয় তাহলে আপনাকে খুজে পাওয়া কষ্টসাধ্য হয়ে যাবে। আপনার যদি অনলাইন ট্রাফিককে নিজের দিকে আনার ইচ্ছে থাকে তাহলে আপনার ব্র্যান্ড নেমটি অবশ্যই SEO-friendly হতে হবে।(SEO-Search Engine Optimization; সার্চ ইঞ্জিনের সার্চ রেজাল্টে ফ্রিতে নিজের ওয়েবসাইট শুরুর দিকে রাখার কৌশল).
আসুন “US Paint Service” এর গল্পটি শুনি। পারিবারিক নামে ব্যবসা শুরু করে লাভজনক অবস্থানে পৌঁছে “US Paint Service” এর মালিক সিদ্ধান্ত নেন অনলাইনে স্টোর খোলার। কিন্তু তিনি নামটি পালটে “US Paint Service” করায় তার লাভ বেড়ে গিয়ে দাঁড়ায় ২৪০০%। শুধু নাম পালটানোর জন্য সার্চ ইঞ্জিনের র‍্যাঙ্কিংএ কোম্পানিটি অনেক উপরে উঠে আসে। ভেবে দেখুন, আমি যদি রঙ কিনতে চাই অনলাইনে, আমি কি Paint Service লিখে সার্চ করব না আপনার নিজের দেয়া একটি নাম লিখে করব?
আপনার ডোমেইনের নাম সুচিন্তিতভাবে বেছে নেয়া একটি দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত বিনিয়োগ। এই জায়গায় কোন ভুল করা চলবে না। আপনার হাতে যদি একটি সফল অফলাইন ব্যবসা থাকে, অনলাইনেও সেটিকে সফলভাবে শুরু করার জন্য আমাদের পক্ষ থেকে কিছু টিপসঃ
আপনার ডোমেইন নেম ব্র্যান্ড নেমেরই সমার্থক
আপনি যে নাম-ই সিলেক্ট করুন না কেন, আপনার লোগো আর সাইটের সাথে তার সামঞ্জস্য থাকা আবশ্যক। এখন ভাবুন আপনি টাইপ করলেন www.dinajpurmistanno.com, সাইটে গিয়ে দেখা গেল সেখানে বিক্রি হচ্ছে সেন্ডো গেঞ্জি আর কোন এক বলিউড অভিনেতা সেটা পরে আপনার দিকে তাকিয়ে হাসছে। ঘটনাটি খুব এক্সট্রিম মনে হলেও এমনটি ঘটে এবং এরকম ঘটনা অনলাইন ট্রাফিককে আপনার পণ্য এবং আপনার সম্পর্কে একটি বিরূপ ধারণা দেবে। কাস্টমার যদি আপনার ব্র্যান্ডের উপর আস্থা হারিয়ে ফেলে, আপনার ব্যবসায় ধস নামবে।
কাজেই আপনার ব্র্যান্ডের সাথে সামঞ্জন্স্য রেখেই ডোমেইন নেমটি বেছে নিতে হবে।
নজর কাড়ুন ছোট নামেই
এক মাস বা এক বছর পর আপনার ডোমেইনটি আপনি কিভাবে ব্যবহার করবেন সেটা মাথায় রেখেই নামটি ঠিক করুন। বড় বড় ব্র্যান্ডগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায় তারা ছোট ছোট নাম ব্যবহার করছে। এর কারণ হিসেবে বলা যায় ছোট নাম সহজেই মনে থাকে,আপনার পণ্যের উপর প্রিন্ট করতে জায়গা এবং খরচ কম পড়বে। আরেকটি বড় কারণ হল, মানুষের ধৈর্য অতিশয় কম। আপনার ডোমেইনের নাম যদি বিশাল সাইজের হয় -“www.besteggfrombestchickenfrombestchickenfarm”, অনেকেই শুধু একবার চোখ বুলিয়ে সরে যাবে। আপনি যদি এমনটা রাখতেন “www.BestEggsInTown“ তাহলে ডোমেইনটি সহজেই নজর কাড়তো। চেষ্টা করবেন ২০ ক্যারাক্টারের ভিতর নামটি রাখার।
ভাষার খেলা, লেখার ভাষা
বানানের ব্যপারে সতর্ক থাকা আবশ্যক, দরকার ছাড়া হাইফেন এবং নাম্বার ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। আপনার ব্র্যান্ডটি যদি প্রতিষ্ঠিত না হয়(যেমন- Nike, Adidas, Mozilla) তাহলে ভুল বানান খারাপ ইম্প্রেশন ফেলবে।সাধারণ মানুষ বোঝে এমন শব্দ ব্যবহার করাই শ্রেয়। আপনার শব্দচয়নের সাথে সাইকোলজির গভীর সম্পর্ক আছে। এই সম্পর্কটি আপনার একটি ধারালো অস্ত্র হতে পারে। কিছু শব্দ আপনাকে যেমন ভাল ধারণা দেয় আবার এর উল্টোটাও কিন্তু হয়। ইংরেজিতে এক বলে Word Connotation.
“তিনি ব্যবসায়ে সফল” আর “তিনি দোকানদারিতে সফল”- এখানে দুটি বাক্য কাছাকাছি অর্থ বহন করলেও প্রথম বাক্যটি পড়ার সময় আপনার মনে যা চলছে, দ্বিতীয়টি পড়ার সময়ও কি একই জিনিস চলছে? অবশ্যই না। দ্বিতীয়টি খানিকটা নেতিবাচক।
সবসময় যে আপনাকে Positive Connotation ব্যবহার করতে হবে এমনটি নয়। আপনাকে এমন কৌশল নিতে হবে যেন আপনার ডোমেইনের নামটি পড়ার পর পাঠকের অবচেতন মনে নামটির একটি ছাপ রয়ে যায়।
মাথায় রাখুন SEO এর খুঁটিনাটি
ফ্রি ট্রাফিক আপনার সাইটে আনার জন্য SEO সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আপনার ডোমেইনের নামটি যত বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে SEO তত বাড়বে। Keywords আর Sub-Folder ব্যবহার করতে ভুলবেন না।
সামঞ্জস্যতাঃ নির্দিষ্ট একটি সার্চ কোয়েরির সাথে আপনার সাইটটি যতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ, সার্চ রেজাল্টে সাইটটি ঠিক ততটাই উপরে থাকবে। আপনি যদি ক্যামেরা বিক্রয়য়ের একটি সাইট খুলে থাকেন, আপনার সাইট ডেসক্রিপশনে “ক্যামেরা” শব্দটি অনেকবার আসবে। আপনার ডোমেইন নেমে যদি “ক্যামেরা” থেকে থাকে সেটাও এক্ষেত্রে সহায়ক হবে। কিন্তু সবসময় এমনটা করলে চলবে না। আপনি যদি ফ্যাশন বিজনেসের জন্য সাইট খুলে থাকেন আর এর নাম দেন “www.clothesshoesbagsjeans.com” তাহলে খুব বাজে দেখায়। এক্ষেত্রে এমন একটি শব্দ ব্যবহার করুন যেটা আপনার পুরো বিজনেসটা একবারে তুলে ধরবে।
কি-ওয়ার্ডঃ আপনার পণ্যের নামটি আপনার সাইটের কি-ওয়ার্ড হিসেবে থাকবে। বুঝতেই পারছেন আপনার ডোমেইন নেমে যদি পণ্যের নাম থাকে তাহলে এটা ভাল প্রভাব ফেলবে SEO তে। আপনার ব্যবসাটি যদি কোন একটি নির্দিষ্ট পণ্যের হয়ে থাকে(Niche Business) তাহলে ডোমেইন নেমে অবশ্যই নামটি রাখার চেষ্টা করবেন। অনেক রকম পণ্যের হলে একটি Holistic Brand Name ডোমেইন নেমের সাথে ব্যবহার করতে পারেন। কিন্তু ডোমেইন নেম আবার লম্বা করতে যাবেন না।
সাব-ডোমেইনের পরিবর্তে সাব-ফোল্ডারঃ ধরুন একটি কোম্পানির নাম PortableHDD. সাব ডোমেইন অনেকটা এরকমঃ
blog.PortableHDD.com
store.PortableHDD.com
resources.PortableHDD.com
সাব-ফোল্ডার একইরকম হলেও আলাদা
PortableHDD.com/blog
PortableHDD.com/store
PortableHDD.com/resources
দেখতে একইরকম হলেও গুগল এদের খুবই আলাদা নজরে দেখে। সাব-ডোমেইনকে গুগল একেকটি আলাদা ওয়েবসাইট হিসেবে দেখে আর সাব-ফোল্ডার গুলোকে ডোমেইনের অংশ হিসেবেই বিবেচনা করে।সাব-ফোল্ডার ব্যবহার করলে আপনার SEO সক্ষমতা অনেক বেড়ে যাবে কেননা গুগল মনে করবে আপনি একেকটি কি-ওয়ার্ডের জন্য আলাদা করে লাইব্রেরি তৈরি করছেন।
পরিশেষে
এই কথাটি বারবার যদি বলি তাহলেও এর গুরুত্ব ঠিকভাবে তুলে ধরা হবে নাঃ “ডোমেইনের নাম সিলেক্ট করা একটি দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ”। কমপক্ষে পাঁচ বছরের জন্য ডোমেইনটি কিনে নেবেন। আপনার সাইটটিকে র‍্যাঙ্ক করার জন্য আলোচিত জিনিসগুলোই মাপকাঠি হিসেবে কাজ করবে।
তাড়াহুড়ো করবেন না। কি-ওয়ার্ড নিয়ে ইন্টারনেটে একটু ঘাঁটুন। সার্চ ইঞ্জিনগুলোর এলগোরিদম ঘন ঘন পালটানো হয়, আপগ্রেড করা হয়, যাতে আরো ইউজার-ফ্রেণ্ডলি হতে পারে। আপনার উচিত হবে এই ইউজারদের মতামত গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করা। ডোমেইনের কয়েকটি সম্ভাব্য নাম সিলেক্ট করে কাস্টমারদের সাথে আলোচনা করুন, আমরা যে টিপসগুলো দিলাম সেগুলো মাথায় রেখে খুলে ফেলুন আপনার ওয়েবসাইট আর হয়ে উঠুন সফল একজন অনলাইন উদ্যোক্তা।

অনলাইনে ব্যবসা : মার্কেটিং এর A টু Zধরুন আপনার অসাধারণ কিছু প্রোডাক্ট আছে। খুব সুন্দর করে কন্টেন্ট তৈরী করে নিজের ওয়েবসা...
25/04/2021

অনলাইনে ব্যবসা : মার্কেটিং এর A টু Z

ধরুন আপনার অসাধারণ কিছু প্রোডাক্ট আছে। খুব সুন্দর করে কন্টেন্ট তৈরী করে নিজের ওয়েবসাইট সাজিয়েছেন। পণ্যের ছবি এবং বর্ণনা খুব ভাল করে তুলে ধরেছেন। এখন শুধু পণ্য বিক্রির অপেক্ষায়! কিন্তু অনলাইন ব্যবসায় সব ধরনের প্রস্তুতি থাকার পরও নিজের ওয়েবসাইটে ট্রাফিক জেনারেট করা এবং নিয়মিত বিক্রির সম্ভাবনার ব্যাপারটি অনেকাংশে নির্ভর করে আপনার ওয়েবসাইট তথা পণ্যের সঠিক এবং কার্যকরী মার্কেটিং এর উপরে। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য ব্যাপারটি বরং আরও কঠিন। তাদের ক্ষুদ্র পুঁজির ব্যবসার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জই হল পণ্যের বিপণন এবং প্রচারণার অংশটি।
এই পোস্টে আমরা চেষ্টা করেছি কি কি উপায়ে নিজের ওয়েবসাইটের মার্কেটিং করতে পারেন এবং পণ্যের বিক্রির হার বৃদ্ধি করতে পারেন, সেই বিষয়গুলো তুলে ধরতে। আসুন পড়ে ফেলি ঝটপট।

এক নজরে বিস্তারিত

1 সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় উপস্থিতিঃ অনলাইনেই ঘর, অনলাইনেই বসতি
2 কন্টেন্ট মার্কেটিংঃ কন্টেন্ট কথা বলে
3 অনলাইনে পেইড বিজ্ঞাপনঃ ফেলো কড়ি মাখো তেল
4 সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিংঃ বিনি সুতা মালা গাঁথিছে নিতুই
5 পাবলিক রিলেশনসঃ মানুষের মুখ ক্ষয়, মানুষের মুখে জয়
6 অফলাইন মার্কেটিংঃ বাস্তবের চৌকাঠেও পা রাখা চাই
7 প্রচলিত মার্কেটিংঃ ওল্ড ইজ অলওয়েজ গোল্ড
8 আরও যা আছে করার বাকি

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় উপস্থিতিঃ অনলাইনেই ঘর, অনলাইনেই বসতি
Facebook Account & Facebook Fan Page: নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এবং আপনার ব্যবসার ফেসবুক পেজে বন্ধু বা ফলোয়ার বাড়ানোর চেষ্টা করুন। ফেসবুকে নিয়মিত আপনার ওয়েবসাইটের বিভিন্ন পণ্যের লিঙ্ক শেয়ার করুন।
LinkedIn: লিঙ্কডইনে নিজের ব্যক্তিগত এবং ব্যবসার প্রোফাইল খুলুন এবং সব ধরণের তথ্য সহ হালনাগাদ রাখুন। নিয়মিত পণ্যের লিঙ্ক শেয়ার করুন।
Youtube: ইউটিউবে ব্যবসার চ্যানেল খুলতে পারেন। সেখানে আপনার পণ্যের রিভিউ, ব্যবহারবিধি, কাস্টমার ফিডব্যাক ইত্যাদির ভিডিও কন্টেন্ট আপলোড করতে থাকুন এবং নিয়মিত অন্যান্য যোগাযোগ মাধ্যমে সেগুলো শেয়ার করুন।
Twitter: টুইটারে নিজের এবং কোম্পানির অ্যাকাউন্টে ফলোয়ার বাড়ানোর চেষ্টা করুন এবং নিয়মিত পণ্যের লিঙ্ক শেয়ার করুন। হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে নিজের পণ্যকে আরো নির্দিষ্ট করে ভিজিটরদের কাছে তুলে ধরুন।
Instagram: ইনস্টাগ্রাম ইদানিং খুব জনপ্রিয়। নিজের এবং ব্যবসার অ্যাকাউন্ট থেকে নিয়মিত পণ্যের ছবি এবং লিঙ্ক শেয়ার করতে পারেন। আর এখানে যেহেতু ছবির গুণগত মান বেশ সমৃদ্ধ তাই আকর্ষণীয় ছবি আপলোড করুন আপনার পণ্যের।
কন্টেন্ট মার্কেটিংঃ কন্টেন্ট কথা বলে
গেস্ট পোস্ট এবং কমেন্টঃ বিভিন্ন ফোরামে বা ব্লগে আপনার ব্যবসার সাথে সম্পর্কিত কোন আলোচনায় গেস্ট হিসেবে নিজের ওয়েবসাইট বা নির্দিষ্ট পণ্যের লিঙ্ক শেয়ার করুন এবং সেখানে এনগেজমেন্ট তৈরী করুন।
ভাইরাল ভিডিওঃ নিজের পণ্যের সাথে সম্পর্কিত ইন্টারেস্টিং, চমক জাগানো যে কোন বিষয় নিয়ে ভিডিও তৈরী করতে পারেন যা আপামর ভিজিটরদের মধ্যে একটি পজেটিভ চাঞ্চল্য সৃষ্টি করতে পারে। লক্ষ্য রাখবেন ভিডিও যেন দুই আড়াই মিনিটের বেশি লম্বা না হয়!
ব্লগে লেখালেখিঃ নিজের বা ব্যবসা সম্পর্কিত ব্লগে পণ্যের রিভিউ বা গুনাগুন, পণ্য তৈরীর পেছনের গল্প ইত্যাদি সম্পর্কে নিয়মিত লিখুন। ব্যবসা বা পণ্যের সাথে সম্পর্কিত অন্যান্য ব্লগেও কমেন্ট করুন, এনগেজমেন্ট বাড়ান। ব্লগের সাবস্ক্রাইবারদের নিয়মিত আপডেট পাঠান।
কন্ট্রোভার্সিয়াল কন্টেন্টঃ ব্লগে বা সামাজিক মাধ্যমে ব্যবসা সম্পর্কিত একটু আক্রমনাত্তক, তুলনামূলক বা নেগেটিভ কিছু নিয়ে আলাপ জুড়ে দিতে পারেন। সাধারণত বিতর্কিত বিষয়ে পাবলিক এনগেজমেন্ট বেশি হয়। তবে এক্ষেত্রে খুব কৌশলী হতে হবে, উপস্থাপনায় শালিনতা থাকতে হবে।
ইমেইল এবং ফোন নাম্বারের ডেটাবেইজঃ যেখান থেকে যেভাবে পারেন ইমেইল এবং এসএমএস মার্কেটিং এর জন্য পাবলিক ইমেইল এবং ফোন নাম্বার জোগাড় করে একটি ডেটাবেইজ তৈরী করুন। ইমেইল মার্কেটিং খুবই কার্যকরী একটি মার্কেটিং টুল।
অনলাইনে পেইড বিজ্ঞাপনঃ ফেলো কড়ি মাখো তেল
ফেসবুকে বিজ্ঞাপনঃ ফেসবুকে সম্ভাবনাময় ক্রেতার আনাগোনা বেশি থাকে। মাঝেমাঝে আপনার পণ্যের টার্গেট অডিয়েন্স সেট করে পোস্ট বা ওয়েবসাইট বুস্ট করুন। অল্প সময়েই কিছু সেল করে নিতে পারবেন। বিভিন্ন উৎসব উপলক্ষ্যে ফেসবুকে পেইড বিজ্ঞাপণ ব্যবহার করতে পারেন।
গুগল অ্যাডওয়ার্ডসঃ গুগল অ্যাওয়ার্ডসের মাধ্যমে খুব সহজেই নিজের ওয়েবসাইট এবং পণ্যের বিজ্ঞাপণ দিতে পারেন। এর মাধ্যমে আপনি দ্রুত গুগল সার্চ ইঞ্জিনে উঠে আসবেন এবং ওয়েবসাইটেও ভিজিটর পাবেন।
বিভিন্ন সাইটে বিজ্ঞাপনঃ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠিত চালু সাইট, জব সাইট মার্কেটপ্লেস, ক্রয় বিক্রয় অ্যাডভার্টাইজিং সাইট, প্রাইস কম্পেয়ারিং সাইটে ব্যানার বা কলাম হিসেবে নিজের ওয়েবসাইটের পেইড বিজ্ঞাপণ দিতে পারেন।
সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিংঃ বিনি সুতা মালা গাঁথিছে নিতুই
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO)ঃ ইন্টারনেট মার্কেটিং এর অন্যতম উপাদান এসইও। আপনার ওয়েবসাইট এবং পণ্যের এসইও করুন মেটা টাইটেল, মেটা ট্যাগ এবং ডেস্ক্রিপশনের মাধ্যমে। এর মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিনে আপনার ওয়েবসাইটের র‍্যাঙ্ক বৃদ্ধি পাবে এবং সার্চে আপনার পণ্যের লিঙ্ক আগে দেখাবে।
ওয়েব অ্যানালাইটিক্সঃ গুগল অ্যানালাইটিক্সের মাধ্যমে আপনার ভিজিটররা ওয়েবসাইটে কে কি করছে তা মনিটর করতে পারবেন। ওয়েবসাইটে ভিজিটরের ট্রেন্ড এবং প্যাটার্ন ফলো করে সেই অনুযায়ী তাদেরকে ট্রিট করতে পারবেন।
কম্পারিজন শপিং ইঞ্জিনঃ যে সব কম্পারিজন শপিং সাইট বিভিন্ন সাইট থেকে পণ্য তুলে এনে তুলনামূলক বিচার করে থাকে সেসব সাইটে কিভাবে আপনার পণ্য তুলে ধরা যায় সেটি নিয়ে কাজ করুন। সম্ভাবনাময় অনেক ক্রেতাই এই ধরণের সাইটের শরণাপন্ন হয়।
মোবাইল ফ্রেন্ডলি ওয়েবসাইটঃ আপনার ওয়েবসাইট যেন মোবাইল ফ্রেন্ডলি হয় সেটি নিশ্চিত করুন। কাস্টমার যেন যে কোন ডিভাইস থেকে ওয়েবসাইট পরিপূর্ণভাবে ব্রাউজ করতে পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন।
পাবলিক রিলেশনসঃ মানুষের মুখ ক্ষয়, মানুষের মুখে জয়
প্রোডাক্ট রিভিউঃ পিআর ব্যবহার করে আপনার কাস্টমার বা বিভিন্ন চালু প্রোডাক্ট রিভিউ ওয়েবসাইট থেকে আপনার পণ্যের রিভিউ লিখিয়ে নিতে পারেন। ভাল কাজে দিবে আশা করা যায়।
প্রেস রিলিজঃ নিজের ব্যবসার একটি প্রেস রিলিজ করুন, মিডিয়াকে জানান। ওয়েবসাইটে দেখবেন ভিজিটরের ভিড় জমে গেছে।
ব্যতিক্রম এবং সাড়া জাগানো পণ্যঃ গতানুগতিকের বাইরে ভিন্ন কিছু পণ্য নিয়ে কাজ করুন যেগুলো আপামর জনসাধারণের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলতে পারে। মানুষের মুখে মুখে তখন আপনার পণ্যের বিপনন চলবে।
প্রভাবশালীদের সাক্ষাতকারঃ আপনার ব্যবসা সংক্রান্ত ইন্ডাস্ট্রির প্রভাবশালী এবং সফল মানুষদের সাক্ষাৎকার নিতে পারেন। ব্লগে এধরণের সাক্ষাৎকার ছাপালে ওয়েবসাইটে ভিজিটর তুলনামূলক বৃদ্ধি পায়।
ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সাফল্যের গল্পঃ পিআর ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যবসার ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সফল হবার গল্প তুলে ধরুন। তাদের সংগ্রাম এবং সফল হওয়ার পেছনের গল্প ব্লগে লিখুন। সাধারণ মানুষ এই ধরণের লেখায় অনুপ্রাণিত হয়। আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিট বাড়াতে সাহায্য করবে।
অফলাইন মার্কেটিংঃ বাস্তবের চৌকাঠেও পা রাখা চাই
লোকাল বিজনেস নেটওয়ার্কঃ আপনার ব্যবসার লোকাল নেটওয়ার্কে অ্যাক্টিভিটি বাড়ান। অন্যান্য ব্যবসায়ীদের সাথে সুসম্পর্ক রাখুন। সুযোগ বুঝে সেখানে নিজের পণ্য উপস্থাপন করুন।
মেলায় অংশগ্রহনঃ ছোট বা বড় সুবিধাজনক বিভিন্ন মেলায় অংশ নিন। আপনার সকল পণ্যের সমাহার নিয়ে মেলায় দর্শক ক্রেতা সাধারণের মাঝে নিজেকে উপস্থাপন করুন।
সভা সেমিনারে অংশগ্রহনঃ আপনার ব্যবসা সংক্রান্ত বিভিন্ন সভা সেমিনার কনফারেন্স ইত্যাদিতে অংশ নিন। সক্রিয় ভূমিকা রাখুন সেখানের কার্যকলাপে। প্রয়োজনীয় লিঙ্ক তৈরী করার ভাল সুযোগ পাবেন।
পাইকারী বিক্রিঃ খুচরা বিক্রির পাশাপাশি সম্ভব হলে পাইকারী বিক্রিরও চেষ্টা করুন। খুচরা বিক্রেতাদেরকে পণ্য সাপ্লাইয়ের চেষ্টা করুন। এগুলোর মাধ্যমে আপনি অধিক সংখ্যক ব্যবসায়ীর সাথে লিঙ্ক তৈরী করতে পারবেন এবং বিক্রি চলতে থাকবে।
সেলস টিমঃ পরিকল্পনা অনুযায়ী ছোট বা বড় সেলস টিম বানাতে পারেন। প্রয়োজনে কমিশনের ভিত্তিতে পণ্য বিক্রয়ের চুক্তি করুন। তবে সেলস টিমকে আগে প্রশিক্ষিত করে নেয়া উচিৎ। এই ধরণের সেলস টিমের মাধ্যমে ভাল সেল পাওয়া যায়।
প্রচলিত মার্কেটিংঃ ওল্ড ইজ অলওয়েজ গোল্ড
ফেরি করে বিক্রিঃ প্রয়োজনে এলাকায় মানুষের বাড়ি বাড়ি যান, আপনার পণ্যটি তাদেরকে হাতে নিয়ে পরখ করতে দিন। আপনার পণ্যের গুনাগুন বা ভিন্নতা তুলে ধরুন। কিছু সেল যে পাবেন তা নিশ্চিত।
পত্রিকায় বিজ্ঞাপনঃ বহুল প্রচারিত পত্রিকায় বাজেট অনুযায়ী ছোট বড় বিজ্ঞাপণ দিতে পারেন। অবশ্যই ওয়েবসাইটের লিঙ্ক উল্লেখ করবেন। এলাকাভিত্তিক ছোট খাট পত্রিকাতেও বিজ্ঞাপণ দিতে পারেন। পণ্যের ভাল বিপনন হবে আশা করা যায়।
ইভেন্ট স্পন্সরঃ আপনার ব্যবসা সম্পর্কিত বা এলাকাভিত্তিক কোন ইভেন্টে স্পন্সর করুন। এর ফলে ইভেন্টে অংশগ্রহনকারীরা এবং মিডিয়ার মাধ্যমে আরো অনেকেই আপনার ব্যবসা বা পণ্য সম্পর্কে আগ্রহবোধ করবেন এবং আপনি ওয়েবসাইটে ভালই ভিজিটর পাবেন।
আউটডোর বিজ্ঞাপণঃ আপনার ব্যবসার ওয়েবসাইটের লিঙ্কসহ ব্রশিউর বা ফ্লায়ার তৈরী করে এলাকায় বা সম্পর্কিত ইভেন্টে বিলি করতে পারেন। বিভিন্ন অফারও এভাবে ছড়িয়ে দিতে পারেন, মার্কেটিং হয়ে যাবে। প্রয়োজনে বাজেট অনুযায়ী ব্যানার বা বিলবোর্ডের কথাও চিন্তা করতে পারেন।
আরও যা আছে করার বাকি
পরিবার ও বন্ধুবান্ধবের কাছে মার্কেটিংঃ আপনার ব্যবসা এবং ওয়েবসাইটে পরিবার এবং বন্ধুদের পরিচিত করুন। তাদের কাছে পারলে বিক্রি করুন। সাথে সাথে তারা যেন তাদের বন্ধুবান্ধবদের আপনার ওয়েবসাইটের লিঙ্ক ছড়িয়ে দেয় সেই অনুরোধ করুন।
মার্কেটপ্লেসে বিক্রিঃ বিভিন্ন অনলাইন মার্কেটপ্লেসেও আপনার পণ্যগুলো তুলে ধরুন। মার্কেটপ্লেসে প্রচুর ক্রেতার আনাগোনা থাকে, তাই সহজেই ভিজিটর বা ক্রেতা সাধারণের কাছে পণ্য তুলে ধরতে পারবেন।
কুপন কোডঃ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন উপলক্ষ্যে ডিস্কাউন্ট কুপন চালু করতে পারেন। সাধারণত মানুষ এই ধরণের ডিস্কাউন্ট অফারে কেনাকাটা করতে পছন্দ করে। এছাড়াও নিয়মিত ক্রেতাদের জন্য লয়ালিটি ডিস্কাউন্ট বা বোনাস পয়েন্ট সিস্টেমও রাখতে পারেন। এগুলো আপনার পণ্যের বিক্রয় এবং বিপননে অনেক সহায়ক হবে।
অ্যাফিলিয়েটেড মার্কেটিংঃ অন্যদের মাধ্যমে নিজের পণ্যের অ্যাফিলিয়েটেড মার্কেটিং করাতে পারেন। ইদানিংকালে এটি পণ্যের মার্কেটিং এর জন্য একটি জনপ্রিয় মাধ্যম।
ইন্ডাস্ট্রি ইকোসিস্টেমে সম্পর্ক স্থাপনঃ আপনার ব্যবসার সাথে জড়িত সাপ্লাইয়ার, পরিচালক, নিয়ন্ত্রক, ক্রেতা সাধারণ সকল শ্রেনীর সাথে একটি আন্তরিক সম্পর্ক রেখে চলুন। ব্যবসার সার্থে একে অন্যের যেন কাজে আসতে পারেন, সবাই যার যার ক্ষেত্রে লাভবান হতে পারেন এমনটা হলেই ভাল হয়। এই সম্পর্ক উন্নয়নের মাধ্যমে আপনার ব্যবসারই কিন্তু প্রচারণা হবে।
চলতি ধারার সাথে তাল মিলানোঃ চলতি ধারায় কোন ধরণের পণ্য বাজারে চলছে বা এলাকাভিত্তিক, বয়সভিত্তিক কোন ধরণের পণ্য চলে এগুলোর খোঁজ ঠিক মত করে সেভাবেই মার্কেটিং পরিকল্পনা করা উচিৎ।
পণ্যের রিটার্ন বা রিফান্ড পলিসিঃ আপনার ব্যবসায় পণ্যের রিটার্ন এবং রিফান্ড পলিসি নিয়ে কাজ করুন। এটি ক্রেতা বিক্রেতার মাঝে একটি আস্থা বিশ্বাসের সম্পর্ক স্থাপন করে যা ব্যবসায় টিকে থাকতে হলে খুবই দরকার। ক্রেতাদের মুখে মুখে আপনার পলিসির মার্কেটিং চলবে এবং আপনিও অধিক পরিমান সেল পাবেন আশা করা যায়।
ধৈর্য্য ধরুনঃ অনলাইন ব্যবসায় বিক্রি সবসময় সহজ হবে এমনটা আশা করা বোকামি। অনেক পরিশ্রম করতে হবে, ধৈর্য্য ধরে লক্ষ্যে অবিচল থেকে সঠিক পরিকল্পনায় চললেই অনলাইন সেলিং আস্তে আস্তে সহজ হয়ে যাবে।
পরিশেষে যেটি বলতে হয় প্রতিযোগিতামূলক বাজারে নিজের স্বতন্ত্র ব্র্যান্ড ইমেজ প্রতিষ্ঠা করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ, আবার সেই চ্যালেঞ্জকে অতিক্রম করতে পারলেই সাফল্য অনিবার্য। নিজের ই-কমার্স ব্যবসাটিকে স্বল্পমেয়াদী চিন্তা না করে একটু লম্বা সময় নিয়ে পরিকল্পনা করুন। পণ্যের মান এবং ডেলিভারী সার্ভিসের প্রতি জোর দিন। ব্যতিক্রমী পণ্য নিয়ে কাজ করলে কাস্টমারের মনযোগ বেশি পাওয়া যায়। আস্তে আস্তে প্রচারণার প্রতিটি কৌশল প্রয়োগ করুন। ক্রেতার সাথে সবসময় আন্তরিক এবং আস্থার সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করুন। একটু ধৈর্য্য ধরে লেগে থাকুন, সাফল্য আসবেই।

ফুটনোটঃ লেখাটি দেশী বিদেশী বিভিন্ন ইকমার্স প্ল্যাটফর্মের মার্কেটিং টিপস সম্বলিত ব্লগ থেকে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করে লেখা।

Address

167, Green Road (2nd Floor) Division
Dhaka
1215

Telephone

+8801973744777

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Arnaprism posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Arnaprism:

Share