03/06/2023
√ Design Principle √
*** একটি ডিজাইন ভালো নাকি খারাপ সেটা যাচাই করার জন্য যে যে বৈশিষ্ঠ্য গুলো প্রতিটা ডিজাইনে থাকা উচিত সে বৈশিষ্ঠ্য গুলোকে বলা হয় Design Principles.
*** আদর্শ ডিজাইনের মুল নীতি যে কত গুলো রয়েছে সেটা খুঁজে বের করা সত্যি অনেক কঠিন কাজ। নির্দিষ্ট করে কখনোই এটা বলা যায় না যে এই বিষয় গুলোই হল একটি ডিজাইনের Principle বা মুল নীতি; কারন এই বিষয় গুলোর কোন নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই। তবুও বিভিন্ন আর্টিকেল বা ডিজাইন নিয়ে আলোচনায় যেসব বিষয় গুলো নিয়ে কথা হয় সেগুলর মধ্য থেকেই কিছু প্রধান বিষয় এবং এদের গুরুত্ব নিচে বর্ণনা করা হল।
1. BALANCE / ভারসাম্য (কোন layout বা ডিজাইনের visual যে weight সেটাই Balance)
# কোন ডিজাইন কে যদি মধ্যখান বরাবর দুইভাগ করা হয় তখন তার visual যে weight সেটা উভয় পাশে সমান হওয়াকে বা করাকে Balance বলে।
# ডিজাইনের প্রত্যেকটা Elements বা উপাদান যেমন Typography, Colors, Images, Shapes, Patterns ইত্যাদির মধ্যে একটি ভারসাম্য রয়েছে। কিছু বিষয় আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে নেয়, আবার কিছু হয়তো অতটা চোখে পড়ে না। এসব উপাদান যখন ডিজাইনে ব্যাবহার করবো তখন একটি নির্দিষ্ট ভারসাম্য বজায় রাখা উচিৎ। ডিজাইনে দুই ধরনের ভারসাম্যতা রয়েছে। একটি হল ডিজাইনে যে জ্যামিতিক শেপ ব্যাবহার করা হয় সেগুলো এবং অন্যটি হল কোন বস্তু বা প্রানির ছবি বা আকৃতি ব্যাবহার করা... এই দুটো মিলিয়ে সম্পূর্ণ ডিজাইনে একটু সুন্দর ভারসাম্যতা বা Balance বজায় থাকে।
# Balance কে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়েছেঃ-
01/ Symmetrical balance ( formal balance)
02/ Asymmetrical balance ( informal balance)
03/ Radial balance
* Symmetrical balance ( formal balance)-
উভয় পাশে, ডান দিগে - বাম দিগে বা উপরে - নিচে যে দিগে হোকনা কেন দুই পাশে আমরা একটা ডিজাইনকে যখন ভাগ করব, তখন ঐ ডিজাইনের দুটি ভাগ হবে বা দুই সাইড হবে। দুই সাইডে বা দুই পাশে equal weight বা সমান ওজন যদি থাকে তখন তাকে আমরা Symmetrical Balance ( formal Balance? ) বলব।
*Asymmetrical balance ( informal balance)-
একটি Design এর উভয়পাশে Unequal weight যখন মেন্টেইন করা হবে, কিন্তু Unequal মেন্টেইন করেও একটি Proper Balance এর দিগে যাবে বা Design এ Proper Balance মেন্টেইন করা হবে তখন সেটাকে বলে Asymmetrical Balance ( informal Balance? ).
*সহজ কথায়ঃ ডিজাইনের দুই পাশে দেখতে হয় তো একই রকম না, কিন্তু ব্যালেন্স ঠিক থাকবে।
*Radial balance-
যখন elements গুলো একটি কমন common center বা মাঝখান থেকে শুরু হয় তখন সেটা Radial Balance.
*মাঝ বরাবর কোন ডিজাইন যখন তৈরি হয়, সে ডিজাইনটা মাঝখান থেকে ছোট থেকে বড় হতে হতে উভয় পাশে সমান হয় তখন তাকে Radial Balance বলে।
2. Proximity / নিকটে রাখা-
# একটা ডিজাইন যখন একই রকম কোনো object বা একই রকম element থাকে, সেই element গুলোকে বা সেই একই টাইপের information গুলোকে একসাথে করে ফেলা বা group করে ফেলা বা group করে ফেলাটা Proximity এর কাজ।
# যে information, element, Object গুলো একরকম না সেগুলো কে আলাদা করে ফেলা।
3. Alignment / স্তর বা স্তরে স্তরে সাজানো-
# একটা পেইজে আমরা যখন ডিজাইন করি, সেটা Textul Design হতে পারে, Elementul Design হতে পারে, যা কিছু দিয়ে আমরা ডিজাইন করি না কেন, সে ডিজাইন গুলোর একটি প্রপার লাইন মেন্টেন করার কাজই Alignment.
# উপরে নিচে, ডানে বামে, আমি কোথায় Equal Line চাচ্ছি একটা State Line অনুযায়ী ডিজাইনটা চাচ্ছি সেটাই Alignment.
Alignment 2 (দুই) প্রকারঃ-
Edge Alignment
Center Alignment
01. Edge Alignment
ডানে, বামে কর্ণার বরাবর Align করা বা উপরে, নিচে কর্ণার বরাবর Align করা.
02. Center Alignment
মাঝ বরাবর Alignment করাকে Centre Alignment বলে।
4. REPETITION / পুনরাবৃত্তি
# Repetition বলতে ডিজাইনে একই আইডিয়া বা Elements ব্যাবহারের পুনরাবৃত্তিকে বুঝায়। একই Colors, Typefaces, Shapes, Elements বার বার ব্যবহার করে ডিজাইনকে আরও দৃষ্টিনন্দন করে তোলা যায়। যেমন প্রত্যেকটা পেরাগ্রাফে একই রকম টেক্সট স্টাইল, প্রতিটা হেডলাইন বা সাব-হেডলাইন একই ফরমেটে দেয়া বা একই কালার দেয়া ইত্যাদি Repetition এর উদাহরন।
5. CONTRAST / ফোকাস করা
# Contrast বলতে বুঝায় যে কিভাবে আপনি ডিজাইনে বিভিন্ন Elements ব্যাবহার করছেন এবং পাশাপাশি অবস্থিত Element গুলো কতটা Attractive ভাবে উপস্থাপন করছেন। বিভিন্ন Element এর ভিন্ন ভিন্ন ভাবে উপস্থাপন করার মাধ্যমেই ডিজাইনটি Stand Out হয়। একটি ডিজাইনের জন্য Contrast খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারন এর অভাবে হয়তো ডিজাইনের কোন গুরুত্বপূর্ণ অংশ বা কোন টেক্সট ভালভাবে নজরে নাও আসতে পারে।
6. NEGATIVE SPACE / WHITE SPACE
# একটি ডিজাইনের ভিতরে থাকা ফাকা অংশকে NEGATIVE SPACE বলে।
# আর একটি ডিজাইনের চারপাশে যে ফাকা জায়গা থাকে তাকে WHITE SPACE বলে।
7. SIMPLICITY / সহজীকরণ বা সিম্পল বা মিনিমাল-
আমাদের ডিজাইন টা অবশ্যই user-friendly হতে হবে, যেটা মানুষের কাছে সবসময় খুব সহজ হয় বুঝার জন্য বা বুঝতে পারার জন্য। আমাদের ডিজাইনটাতে আমরা যা কিছুই দিচ্ছি মানুষ যেন সেটা খুব easy বুঝতে পারে, দেখতে পারে বা পড়তে পারে । এ কারণেই আমাদের ডিজাইন টা খুবই সিম্পল হওয়া উচিত। এটাকেই বলা হয় Simplicity Principles এর proper use in a design.
8. HIERARCHY
# কোন কিছুকে বা কোন element কে বা কোন object কে একটি organizing way তে সাজানোর জন্য Hierarchy ব্যবহার করতে হবে। আমরা যেন সে element এর শুরু কোথায় এবং শেষ কোথায়, সেটার বড় সেকশনটার বা Big Part টি কোন জায়গায় আছে এবং ছোট পার্ট টি কোন জায়গায় আছে সেটি আইডেন্টিফাই করে User দের কে দেখিয়ে দেওয়া কে Hierarchy বলে।
# User রা সাধারণত যখনই কোন কিছু দেখে বা কোন কনটেন্ট দেখছে, সে ক্ষেত্রে সে কোন দিগে প্রথমে বা কোন সেকশনটার দিগে প্রথমে ফোকাস করবে সেই ব্যাপারটি Hierarchy এর মাধ্যমে করা হয়ে থাকে বা করতে পারব।
# ডিজাইনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশটি Hierarchy এর মাধ্যমে User এর কাছে উপস্থাপন করতে পারব।
এই Principles বা নীতিগুলোকে ডিজাইনের বেসিক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হয়। একটি ভাল ডিজাইন করতে গেলে এই বেসিক গুলোকে অবশ্যই মেনে নিয়ে সেটা করতে হবে যাতে ডিজাইনটি তার মুল উদ্দেশ্য পুরনে সফল হয়।
সবশেষে বলা যায় যে ডিজাইনারকে অবশ্যই এই সব গুলো বেসিক জিনিস গুলো বুঝতে হবে। তাকে বুঝতে হবে তার ডিজাইনের জন্য কোন কন্টেন্টকে কিভাবে উপস্থাপন করলে সেটা বেশি গ্রহণযোগ্য হবে। অন্যান্য ডিজাইনারদের ডিজাইন গুলো নিয়ে একটু পড়াশুনা করতে হবে। তারা কিভাবে তাদের ডিজাইনে এসব বেসিকের ব্যবহার করেছেন সেটা বোঝার চেষ্টা করতে হবে। অভিজ্ঞদের ডিজাইন নিয়ে এরকম রিসার্চ করাও ভাল ডিজাইন করা এবং শিখার একটি মূল্যবান এবং গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
ডিজাইনের এসব বেসিক জিনিস না জেনেও ডিজাইন করা যায়। তবে সেই ডিজাইনে থাকবে প্রচুর ভুল এবং বার বার রিভিশন দিয়ে সেই ভুল গুলোকে ঠিক করতে হয়। কিন্তু বেসিক জিনিস গুলো শিখে এবং মেনে ডিজাইন করলে একজন ডিজাইনার তার অনেক মূল্যবান সময় বাচাতে পারবেন অযথা ভুল না করে।
Md Bilal Hossain