01/09/2024
মাত্র গত কয়েক বছরে AI বা কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যে পর্যায়ে পৌছেছে, তাতে নিঃস্বন্দেহে বলা যায়, কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা ভবিষ্যতে আরো অনেক ভালো করবে। মানুষের কাজকে সহজ করতে বা সময় বাচাতে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার আরো অনেক বেশী বাড়বে। উন্নত দেশগুলোতে যদিও প্রডাক্টিভ কাজে এআই ব্যবহার করা হয়, কিন্তু বাংলাদেশে এই এআই মানুষকে বোকা বানাতে বা গুজব ছড়াতেই বেশী ব্যবহার করা হচ্ছে।
বর্তমানে এআই যতটা নিখুঁত এবং বাস্তবিক ছবি বা ভিডিও তৈরী করতে সক্ষম, তাতেই মানুষ বিভ্রান্ত হচ্ছে। এআই দিয়ে তৈরী ছবি বা ভিডিও গুলোকে মানুষ বাস্তব মনে করছে এবং সেভাবেই রিয়্যাক্ট করছে। কয়েক বছরেই এই অবস্থা, তাহলে ভাবুনতো আগামী ৫-১০ বছরে এআই কোন পর্যায়ে পৌছাবে?
বর্তমান সময়ে এআই ব্যবহার করে তৈরী করা ছবি গুলো যদিও বিশ্লেষণ করলে বোঝা যাচ্ছে যে এগুলো কৃত্তিম, তবে অদূর ভবিষ্যতে সেটা বোঝাও সম্ভব হবে না। এআই ব্যবহার করে তৈরী করা কোন কনটেন্ট আর বাস্তব বা প্রাকৃতিক কনটেন্ট হুবুহু একই রকম হবে যা আলাদা করে চেনার কোন উপায় থাকবে না।
বর্তমানে সোস্যাল মিডিয়াতে যত ছবি বা ভিডিও ভাইরাল হচ্ছে, তার শতকরা ৮০ ভাগই এআই জেনারেটেড। এই ছবি বা ভিডিও গুলো এটাই প্রমান করে যে, ছবি বা ভিডিওর বিশ্বাসযোগ্যতা আর নেই। ছবির বিশ্বাসযোগ্যতা তো আরো অনেক আগেই, ফটোশপের আমলেই শেষ হয়ে গিয়েছিল, আর এখন ভিডিওর বিশ্বাসযোগ্যতা শেষ করলো এআই।
শুতরাং, কোন ভিডিও বা ছবি দেখে আবেগে আপ্লুত হওয়ার আগে ভাবুন, সেটা এআই জেনারেটেড কিনা। আপনি যে ভিডিও বা ছবি দেখে শেয়ার করছেন, যে ভিডিও দেখে আবেগে আপ্লুত হচ্ছেন, সেটা কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশী। এআই কোন খারাপ জিনিস নয়, এটা একটা টুলস। কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা জিনিসটা মানুষের উপকারের জন্যই তৈরি। এটার সঠিক ব্যবহার করার দায়িত্ব মানুষেরই। মানুষকে এআই আর বাস্তবের মধ্যে পার্থক্য করতে পারাটাও জানতে হবে, এটাও জরুরী।