Ashik Multimedia Gaibandha

Ashik Multimedia Gaibandha Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Ashik Multimedia Gaibandha, Gaibandha rangpur, Dhaka.

Ashik Multimedia Gaibandha...
Youtube-Blog-Graphic & Web Desin....
Page টি থেকে ঘুরে আসার জন্য আমন্ত্রন জানাচ্ছি...
আশা করি Page টি অনেক ভালো লাগবে..
Multimedia Gaibandha নামে facebook Page টি নতুন খোলা হয়েছে
পেজটি পরিচালনার জন্য আপনাদের পাশে থাকা খুবি প্রয়োজন..
আশাকরি Page টিতে Like দিয়ে পাশে থাকবেন...
মাজার মাজার সব Post পেতে এখনই Like দিয়ে Active থাকুন...
আপনার Youtube Channel s

ubscribers বারাতে এই Channel টি তে subscribers করুন...
আমিও অবশ্যই আপনার Channel এ subscribers করবো...
https://www.youtube.com/channel/UCQB9yvVHzkx7ApKJ0qsnf9Q?sub_confirmation=1..
https://www.youtube.com/channel/UCooIYZMlBAw_O-qGOUaa9Vw?sub_confirmation=1

21/07/2017

যে গুনাহ তওবা করার পরেও ক্ষমা হয়না এবং যার কারনে আপনার আমল তাকে দিয়ে দিতে হবে..
-
*আপনি কি কাউকে গালি দিয়েছেন?
* কাউকে মিথ্যা অপবাদ দিয়েছেন?
*কারো গীবত- কুৎসা করেছেন?
*কারো মাল অন্যায়ভাবে ভোগ করেছেন?
*কেউ আপনার কাছে টাকা পাবে?
*কাউকে মেরেছেন?
*কাউকে হত্যা করেছেন?..
*কাউকে যেকোন উপায়ে অপমান-অপদস্থ কিংবা মানহানী করেছেন?
*কারো সাথে কোন প্রকার যুলুম(অত্যচার) করেছেন বা যেকোনভাবে ঠকিয়েছেন?
* বান্দার কোন হক নষ্ট করছেন?..
যদি করে থাকেন তাহলে আজই তার কাছে যেকোন উপায়ে ক্ষমা চেয়ে নিন এবং পাওনাদারের পাওনা বুঝিয়ে দিন।
অন্যথায় হাজার তওবা করার পরেও তা ক্ষমা হবেনা এবং নিমোক্ত হাদিস অনুযায়ী আপনার এত কষ্টার্জিত আমল তাকে দিয়ে দিতে হবে ও তার গুনাহ আপনার উপর চাপিয়ে দেয়া হবে। পরিশেষে আপনাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে ..
★আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা কি বলতে পার, নিস্ব কে? তারা বললেন, আমাদের মধ্যে যার দিরহাম (টাকা কড়ি) ও ধন-সম্পদ নেই সেই তো নিস্ব। তখন তিনি বললেনঃ আমার উম্মাতের মধ্যে সেই প্রকৃত নিস্ব, যে ব্যক্তি কিয়ামতের দিন সালাত, সাওম ও যাকাত নিয়ে আসবে; অথচ সে এই অবস্হায় আসবে যে, একে গালি দিয়েছে- একে অপবাদ দিয়েছে, এর সম্পদ ভোগ করেছে, একে হত্যা করেছে ও একে মেরেছে। এরপর একে তার নেক আমল থেকে দেওয়া হবে, একে নেক আমল থেকে দেওয়া হবে। এরপর পাওনাদারের হক তার নেক আমল থেকে পূরণ করা না গেলে ঝণের বিনিময়ে তাদের পাপের একাংশ তার প্রতিনিক্ষেপ করা হবে। এরপর সে জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে।
(সহিহ মুসলিম:৬৩৪৩)
★আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যাক্তি তার ভাইয়ের সম্ভ্রম হানী বা অন্য কোন বিষয়ে জুলুমের জন্য দায় থাকে, সে যেন আজই তার কাছ থেকে মাফ করায়ে নেয়, সে দিন আসার পূর্বে যে দিন তার কোনো দ্বীনার বা দিরহাম থাকবেনা। সে দিন তার কোনো সৎকর্ম থাকলে তার জুলুমের পরিমাণ তা তার নিকট থেকে নেওয়া হবে আর তার কোনো সৎকর্ম না থাকলে তার প্রতিপক্ষের পাপ থেকে নিয়ে তা তার উপর চাপিয়ে দেওয়া হবে। এবং তাকে জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত করা হবে
(সহিহ বুখারি :২২৮৭,ইফা, সহিহ মুসলিম: ৬৩৪৩)..
সুতারং যদি নিজের কষ্ট অর্জিত আমল অন্যকে দিতে এবং অন্যের গুনাহ নিজের উপর চাপিয়ে জাহান্নামে না যেতে চান তাহলে আজই তাদের কাছে যেকোন উপায়ে ক্ষমা চেয়ে নিন এবং যাদেরকে আপনি যেকোনভাবে হোক ঠকিয়েছেন বা অন্যের হক নষ্ট করেছেন তাকে আজই তার পাওনা বুঝিয়ে দিন কিংবা মাফ করিয়ে নিন !!

আল্লাহ আমাদের এখন থেকেই সচেতন হওয়ার ও সংশোধিত হওয়ার তৌফিক দান করুন, আ'মীন

21/07/2017

বিজ্ঞানের কল্যাণে আমাদের জীবন হয়েছে সুন্দর, সহজ আর গতিময়। বিজ্ঞানের নতুন নতুন আবিস্কার এই পরিবর্তনশীল পৃথিবীকে দিয়েছে নতুন মাত্রা।

আর এই পরিবর্তনশীল পৃথিবীকে সুন্দর করে সাঁজাতে গাইবান্ধার যে বিজ্ঞানি কাজ করেছিলেন তিনি ওমর ফারুক চৌধুরী আজাদ। তিনি তার মেধা আর পরিশ্রম কাজে লাগিয়ে বেশ কিছু বিজ্ঞানের আবিষ্কার আমাদের জন্য রেখে গেছেন। যেগুলো আমাদের দৈনন্দিন জীবনের কাজকে আরও সহজ করেছে। বিজ্ঞানী ওমর ফারুক চৌধুরী আজাদের উল্লেখযোগ্য উদ্ভাবনের মধ্যে রয়েছে_ সোলার কার, ভ্রাম্যমাণ ধানভানা যন্ত্র ও ডিম ফুটানো ইনকিউবেটর। তার উদ্ভাবিত বেশ কিছু প্রকল্প জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের গ্যালারিতে প্রদর্শিত হয়ে আসছে। উদ্ভাবনের জন্য তিনি জেলা ও জাতীয় পর্যায়ে একাধিক পুরস্কার পেয়েছেন।ফারুক চৌধুরী আজাদ ১৯৫৫ সালে
গাইবান্ধা শহরের থানাপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন।কিছুদিন আগে আমরা গাইবান্ধার এই গুনি বিজ্ঞানীকে হারিয়েছি। গাইবান্ধাবাসীর পক্ষ থেকে অনেক অনেক দুআ রইল তার প্রতি।

21/07/2017

একদিন রাতে এক হুজুর
নামাজ পড়িয়ে মসজিদ হতে
বাসায় ফিরছিলেন, পথিমধ্যে
এক বিধর্মী তাকে জিজ্ঞাসা
করল যে, এই পৃথিবীতে অসংখ্য
ধর্ম আছে, তাহলে কি
সৃষ্টিকর্তাও অসংখ্য ?
হুজুর লোকটির কথা শুনে
পাশের বাড়ি হতে তিনটা কলস
নিলেন, তারপর একটি পুকুর
হতে কলস তিনটা পূর্ন করে,
চাঁদের দিকে মুখ করে মাটিতে
রেখে লোকটির কাছে জিজ্ঞাসা
করলেনঃ দেখতো চাঁদ কয়টা....!
লোকটি দেখলো যে প্রতিটি
কলসিতে একটি করে চাঁদের
প্রতিচ্ছবি আছে, লোকটি বলল
যে তিনটা চাঁদ আছে হুজুর।
কলসির সমস্ত পানি পুকুরে
ঢেলে দিয়ে বললেন, আসলেই
কি আকাশে তিনটা চাঁদ...?
এবার বিশাল এই পুকুরে
তাকিয়ে দেখতো, কয়টা চাঁদ
দেখতে পাও...! লোকটি বলল,
মাত্র একটা চাঁদ দেখা যায়।
হুজুর বললেন, মানুষ নামের
প্রানীর চিন্তাশক্তি সীমিত,
আর এজন্যই তুমি তিনটা চাঁদ
দেখছো, কিন্তু বিশাল এই
জলরাশি আর দূরের ঐ
সীমাহিন আকাশের দিকে
তাকিয়ে দেখতো....! তুমি কেবল
একটিই চাঁদ দেখতে পাবে, আর
মনে রাখবে, পৃথিবীতে অসংখ্য
ধর্ম থাকলেও অসংখ্য এই
মানুষের সৃষ্টিকর্তা কেবল
একজন-ই। আর তিনি হলেন
মহান আল্লাহ রাব্বুল আ'লামীন।
আর তার একমাত্র মনোনীত
ধর্ম হল ইসলাম। আকাশে যেমন
চাঁদ একটাই তাই তার ছায়াও
একটাই হবে। অতএব পৃথিবীতে
অসংখ্য ধর্ম থাকলেও সত্য ধর্ম
একটাই আর সেটা হল ইসলাম।

10/07/2017

১। পাহাড়ী কন্যা বলা হয় কোন জেলাকে?
উঃ বান্দরবনকে।
২। বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ী দ্বীপ

মহেশখালী, কক্সবাজার ।
৩। কোন জেলাকে হিমালয়ের কন্যা বলা
হয়?
উঃ পঞ্চগড়কে।
৪। 'সূর্য কন্যা' বলা হয় কোন সমুদ্র
সৈকতকে? উঃ
কুয়াকাটাকে।
৫। 'পৃথিবীর ফুসফুস' বলা হয় কাকে?
উঃ আমাজনকে।
৬। বাংলাদেশের পর্যটন রাজধানী বলা
হয়
কাকে?
উঃ কক্সবাজার।
৭। কোন জাতীয় গাছ সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি
পায়?
উঃ বাঁশ জাতীয় গাছ ।
৮। বাংলাদেশের কোন বিভাগে সবচেয়ে
বন
আছে?
উঃ চট্টগ্রামে।
৯। বাংলাদেশ রেলওয়ে সর্ববৃহৎ
কারখানা
— সৈয়দপুরে অবস্থিত ।
১০। দেশের প্রথম ঔষুধ পার্ক —
গজারিয়াতে ।
১১। ক্রিকেটে বাংলাদেশ টেস্ট মর্যাদা
পায় — ২০০০ সালে ।
১২। সোমপুর বিহার নির্মাণ
করেন —
ধর্মপাল ।
১৩। বাংলার রাজধানী হিসেবে
সোনারগাঁও
প্রতিষ্ঠিত হয় — ঈশা খান ।
১৪। দ্বৈতশাসন ব্যাবস্থার অবসান
করেন — ১৭৭২ সালে ।
১৫। পূর্ববাংলার নাম ‘পূর্ব
পাকিস্তান ‘করা
হয় — ২৩ শে মার্চ ১৯৫৬ সালে
১৬। বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন
জাহাঙ্গীরের কবর — চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জেলায় অবস্থিত ।
১৭। আয়তনে দেশের বৃহত্তম বিভাগ —
চট্রগ্রাম।
১৮। বেরুবাড়ী বাংলাদেশের পঞ্চগড়
জেলায় অবস্থিত ।
১৯। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়
— ১৯৯২ সালে ।
২০। ভারতে কাগজের মুদ্রা চালু করেন —
লর্ড ক্যানিং ।
২১। জাতীয় প্রতীকের ডিজাইনার —
কামরুল হাসান ।
২২। দীর্ঘ ,প্রস্থ এবং গভীরতায় দেশের
বৃহত্তম নদী — মেঘনা ।
২৩। তামাবিল অবস্থিত — সিলেটে
২৪। 'কম্পিউটারের পূর্বপুরুষ' বলা হয়
কাকে?
উঃ আবাকাস নামক গণনাকারী যন্ত্রকে।
২৫। কৃষি উন্নয়নে ‘ রাষ্টপতি পুরষ্কার ‘
পদক
প্রদান শুরু হয় — ১৯৭৩ সালে ।
২৬। চিংড়ি গবেষনা কেন্দ্র অবস্থিত —
বাগেরহাটে ।
২৭। হরিপুর তেলক্ষেত্র আবিষ্কৃত
হয় —
১৯৮৫ সালে ।
২৮। ‘ আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো
একুশে
ফেব্রুয়ারি ‘ এই গানটির সুরকার —
আলতাফ মাহমুদ ।
২৯। জাতীয় পতাকার মাপ — ১০ঃ৬ ।
৩০। তিস্তা বাধ বাংলাদেশের যে
জেলায়
অবস্থিত — লালমনিরহাট ।
৩১। বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী —
তাজউদ্দিন আহমেদ ।
৩২। দিনাজপুরের বড় পুকুরিয়া খনি যে
কারনে বিখ্যাত — প্রথম কয়লা চালিত
বিদ্যুতকেন্দ্রের জন্য ।
৩৩। মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ এর স্থপতি —
তানভির আহসান কবির

10/07/2017

রিলেশনশিপ তো আজকের কথা ।
প্রেম বিষয়টা বহুকাল আগে থেকেই ঘটে আসছে এই পৃথিবীতে । তবে আগেরকার যুগের প্রেম আর এখনকার যুগের প্রেমের মধ্যে অনেক পার্থক্য । আগেরকার যুগের প্রেমে 'রিলেশনশিপ' বলে কোনো কথা ছিলো না । তারা ভালোবাসতো । আর সবথেকে বড় পার্থক্য, তারা প্রেম করলে অর্থাৎ রিলেশনশিপে ঢুকলে বিয়ের কথা ভাবতো । তাদের একটা আত্মমর্যাদা ছিলো । তারা ভালোবেসে সারাটা জীবন কাটিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করতো । তখনও পালানোর বিষয়টা চলতো । তবে উদ্দেশ্য ঐটাই ছিলো । আর এখনকার রিলেশনশিপে কি হয়, তারা রিলেশনে ঢুকেই প্রথমে ব্রেক আপের কথা ভাবে । নতুন এক বিষয় যোগ করেছে তারা ভালোবাসায় । যেটির মাধ্যমে প্রেমিকা বদলানো যায় । সব হাসিল করা যায় ।

প্রেমিকা তো চাইলে সহজেই বদলানো যায় রে পাগলা,,
কিন্তু ভালোবাসা চাইলেই সহজে বদলানোও যায় না, পাওয়াও যায় না !
- জিসান হোসাইন জিহাদ

10/07/2017

গফুর মিয়া এই শহরের একজন দুধ বিক্রেতা। তিনি চিকন বুদ্ধির বাঙালি, তাই ১০ লিটার দুধে ৫ লিটার পানি মিশিয়ে ১৫ লিটার করলেন। সামান্য বুদ্ধিতে পাক্কা পাঁ-চ লিটার লাভ!! খুশিতে চোখ চকচক করে ওঠে তার।
,,
দুধ বিক্রির টাকা পকেটে নিয়ে তিনি চাল কিনতে যান সাবু মুদির দোকানে। সাবু মুদি তাকে 'অতি উত্তম চাউল', 'এরকম চাউল কোথাও পাইবেন না' ইত্যাদি বলে শেষে পাথর মেশানো চাল বিক্রি করে। ওজনেও আধা কেজি কম দেয়।'কত লাভ করে ফেললাম' ভেবে বেজায় খুশি সাবু মুদি লাভের টাকা নিয়ে বাজারে যায় মাছ কিনতে।
,,
মাছ বিক্রেতা সুরুজ মিয়া তাকে ফরমালিন মেশানো পচা মাছ ধরিয়ে দেয় কেনা দামের দ্বিগুন মূল্যে। তার লাভ করতে হবে না?
, , ,
কিছুক্ষণ পরে সুরুজ মিয়ার কাছে খবর আসে, তার ছেলেটা এক্সিডেন্ট করেছে। দ্রুত সে তার ছেলেকে হাসপাতালে নেয়। হাসপাতালের একজন ধান্দাবাজ দালাল 'ভালো চিকিৎসা' র ব্যবস্থা করে দেবার কথা বলে ভংচং বুঝিয়ে সুরুজ মিয়ার কাছ থেকে ভালো পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নেয়।
,, ,,
সেই ধান্দাবাজ বাড়ি ফেরার পথে পড়ে ছিনতাইকারীর হাতে। ছিনতাইকারী তার পেটে ছুরি মেরে সব টাকাপয়সা ছিনিয়ে নেয়।পালিয়ে যাবার সময় ছিনতাইকারী ধরা পড়ে পুলিশের হাতে। পেদানি দিয়ে সব টাকা নিয়ে নেয় পুলিশ।
, , ,
রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা বা ভিক্টিমের কাছে ফেরত দেয়া কোনটাই করেন না পুলিশ অফিসার।
, , , ,
সেই পুলিশের ছেলে আবার হয়ে পড়ে ইয়াবা আসক্ত.. মাদকের পেছনে টাকা ঢেলে প্রতিনিয়ত সে খালি করে দেয় বাবার পকেট...
, , , ***
আর মাদক বিক্রেতা সেই টাকায় হয়তো কিনতে থাকে গফুর মিয়ার সেই পানি মেশানো দুধ।
***যারাই অবৈধ পথে উপার্জন করে, তারাই মনে করে যে সে 'বিরাট লাভ' করে ফেলেছে। কিন্তু আসলে তা নয়।
সে একজনকে ঠকাচ্ছে, আবার তাকে ঠকাচ্ছে অন্যকেউ।
,,,যেহেতু সমাজের প্রত্যেকেই একে অন্যের ওপর নির্ভরশীল, আল্টিমেটলি সবাই চক্রাকারে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
বাইরে থেকে হয়তো মনে হয় অসৎ লোকগুলোই সফল, তারাই সুখে আছে। আসলে তা নয়। তারা নিজেরা হয়তো মনে করে এইভাবে তারা খুব ভালো থাকবে, আসলে তাও হয় না। অসৎ পথে উপার্জন করে শেষ পর্যন্ত কেউ পার পায় না। পরকাল তো পরের কথা, দুনিয়াতেই তারা পেয়ে যায় ফিরতি হিসাব।
প্রকৃতির নিয়ম হলো, এখানে কাউকেই ছেড়ে দেয়া হয় না। আজ কিংবা কাল,
***""Everybody will be paid back by his own Coin."""** উপরের লেখা টা আমার নয়, প্রকৃত লেখক কে আমি জানি না, একজন এর ওয়াল থেকে সংগ্রহ করে আপনাদের সামনে দিলাম,

10/07/2017

যাকে অবহেলা করছো সে তো একদিন এমনিতেই চলে যাবে...কিন্তু দেখো যার জন্য তাকে অবহেলা করছো...সে তোমাকে ছেড়ে না চলে যায়।.....! !

09/07/2017

তোমার কন্টাক্ট এর সবাইকে দেও। আজ আবার একটি ছেলে মুম্বাইয়ে মারা গেছে কারন সে একটি কল ধরেছিলো যখন তার ফোন চার্জ এ ছিলো। তার হাত ও শরীর কাঁপতে শুরু করে। তাই দয়া করে ফোন ধরবেন না চার্জকৃত অবস্থায়। দয়া করে তাদেরকে মেসেজ টি পাঠাও যাদের তুমি যত্ন করো। ১ দরকারি একটি জিনিস হাজার কৌতুক হতে উত্তম।।।

Dr Hardik Shah
CMO, Civil Hospital
Mumbai
This message is from a group of Doctors in India:

১) Appy Fizz (Indian drink) এটি খেও না,ক্যান্সার হতে পারে।

২)পেপসি বা কোক খাওয়ার আগে বা পরে মেনটোস খেও না খেলে সাথে সাথে মারা যাবে।

৩)কুড়কুড়ে(Indian chips) খেওনা কারণ এতে Plastic থাকে। জানি বিশ্বাস করবে না তাই এটি পুরিয়ে দেখে নিও।(পত্রিকা হতে সংগ্রহীত)

৪)এই সকল ঔষধ হতে বিরত থাকো,এইগুলো খুব বিপদজনক:
*D-cold
*Vicks Action
*Actified
*Coldarin
*Cosome
*Nice
*Nimulid
*Cetrizet-D

এইগুলোতে Strokes হয়ার সম্ভাবনা আছে। এগুলো আমেরিকাতে বাতিল করা

দয়া করে এটি delete করার আগে, তোমার বন্ধুদের সাহায্য করো এটি পাঠিয়ে।

কোটি কোটি মানুষের নাগাল দেও এটি।

এটি কাউকে সাহায্য করতে পারে। যতবেশি সম্ভব এটি Forword করো।

Whatsapp তো ফ্রি তাই দয়া করে এটি Forword করো।

দয়াকরে এটি পরো ও পাঠাও

আমেরিকান ডাক্তাররা মানুষের শরীরে এক নতুন ক্যান্সার খুঁজে পেয়েছেন যার কারন Silver Nitro Oxide. যখন তুমি মোবাইল কার্ড নোখ দিয়ে ঘসিয়ে তোলো তখন এটি তোমার শরীরে স্কিন ক্যান্সারের কারণ হয়ে দারাতে পারে।এটি Share করো যাদের তুমি ভালোবাসো।
বাম কানে ফোনে কথা বলো।
ঠান্ডা পানি দিয়ে ঔষধ খেও না।
৫টার পরে ভারী খাদ্য খেও না।
রাতের চেয়ে দিনে পানি বেশি পান করো।
ঘুমানোর উত্তম সময় হলো রাত ১০টা হতে ভোর ৪টা।
চার্জের বাতি যখন শেষ দাগে তখন কোনো কল ধরোনা এই সময় রেডুএশন অন্যান্য সময়ের চে ১০০০ গুন বেশি থাকে।
তুমি কি এটি তাদের পাঠাতে পারবে যাদের তুমি আদর,যন্ত, বা ভালোবাসো?
আমি করেছি,
উদারতা কিছু নয়
কিন্তু
জ্ঞান হলো শক্তি।
জরূরী

আমেরিকান ক্যামিকাল রিসার্চ সেন্টার: প্লাস্টিকের কাপে চা খেওনা এবং পোলেথিন পেপার এ কোনো ফল খেওনা কারন এর দ্বারা ৫২ ধরনের ক্যান্সার হতে পারে। তাই এই সুন্দর একটি এস এম এস ১০০ খারাপ এস এম এস থেকে উত্তম। দয়াকরে এটি পাঠাও যাদের তুমি যত্ন করো।

09/07/2017

বিরল রোগে করুণ অবস্থা সাতক্ষীরার ১২ বছরের শিশু মুক্তামনির। অজ্ঞাত এ রোগে তার একটি হাত হয়ে উঠেছে ভয়ঙ্কর। ধরেছে পচন। শুকিয়ে যাচ্ছে শরীর। দুর্গন্ধে আশপাশের মানুষ এড়িয়ে চলছে মেয়েটিকে।
#মানুষ মানুষের জন্য... আপনাদের আগ্রহের ভিত্তিতে মুক্তামনিকে সাহায্য করার বিষয়ে সকল তথ্য দেয়া হলো। কেউ যদি পাশে দাড়াতে চান---
মুক্তামনির বাবা : মো : ইব্রাহিম হোসেন
গ্রাম :কামারবাইশা, ইউনিয়ন : বাশদাহ, থানা : সাতক্ষীরা সদর
ব্যাংক একাউন্ট নং : ৪৯২৮ কৃষি ব্যাংক, রেউই বাজার শাখা, সাতক্ষীরা।
মোবাইল : ০১৭৪০৮৯৯৬৭৬; বিকাশ - ০১৯৩৫০২৫৭২৯

09/07/2017

"প্রেমিককে কিডনি দান প্রেমিকার : বেঁচে থাকুক ভালোবাসা"

ভার্চুয়াল রিলেশনশিপ নিয়ে আমার একটা প্রচলিত কথা হচ্ছে-
"ভার্চুয়ালে প্রেম করে নিজেকে প্রেমিক ভাবা আর
প্যান্টের ওপর জাঙ্গিয়া পরে নিজেকে সুপারম্যান ভাবা সেম কথা।"
এই ভাবনাটা যাদের আছে তাদের একটা সত্য গল্প বলবো। তাহলে শুনেন....
মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার বেজগাঁও ইউনিয়নের সুন্দিসার গ্রামের ছেলে আনোয়ার হোসেন রাজিব। বয়স ২৯ বছর। ফেসবুকেই প্রথম পরিচয় হয় জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার ভাটিপড়া গ্রামের মেয়ে রোমানার সাথে। কিন্তু হুট করেই রাজিবের জীবনে নেমে আসে ঘোর অন্ধকার। জানা যায়, রাজিবের দুইটা কিডনিই অকেজো! কিডনি দেওয়ার মতো কেউ নেই আর কেনার মতো সুযোগ-সামর্থ্যও নাই। অসময়ে সুন্দর পৃথিবী ছাড়তে হচ্ছে তার। ঠিক এমন সময়-ই আশার আলো দেখান রোমানা। রোমানা বলেন, আমায় যেদিন রাজিব তার কিডনি ড্যামেজের কথা বলেছিলো সেদিনই সিদ্ধান্ত নিই রাজিবকে কিডনি দেওয়ার। তাই তিনি প্রস্তাব দিলেন একটি কিডনি দিতে চান তিনি। অবিশ্বাস্য লাগছে রাজিবের।
রোমানা কিডনি দিতে চাইলে এবার বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় আইন। কারণ, আইন মোতাবেক আত্মীয় সম্পর্ক ছাড়া কাউকে কিডনি দেওয়ার নিয়ম নেই। রোমানা তখন জানায়, রাজিবকে সে বিয়ে করে কিডনি দান করবে। কথামতো, গতো ১৩ জানুয়ারি তাদের বিয়েও হয়েছে। এখন শুধু বাকি কিডনি দেওয়ার পর্বটাই!!
কিডনি দেওয়া হয়নি এজন্যে যে, রাজিবের চিকিৎসার খরচাপাতি হিসেবে প্রয়োজন ৫ লাখ টাকা। কিন্তু টাকা এখনও ম্যানেজ হয়নি। যদিও টাকা ম্যানেজের জন্যে তারা আপ্রাণ চেষ্টা করছেন।
আমার জানামতে, সোস্যাল মিডিয়ায় আলোড়ন সৃষ্টিকারী ফেসবুকে কোনো ইভেন্ট কিংবা গ্রুপ নাই রাজিবের জন্যে। আর থাকলেও আমি জানি না! পরিশেষে একটাই কথা-বেঁচে থাকুক ভালোবাসা।

সংগৃহীত

09/07/2017

ফজরের আজান হচ্ছেঃ
স্ত্রীঃ এই উঠো, আজান হচ্ছে ,মসজিদে যাবে উঠো ...
স্বামীঃ হু আরেক টু ঘুমাই না ...
স্ত্রীঃ হা ঘুমাও তুমি আরাম করে আর আমি যাচ্ছি পানি আনতে ...
তোমার মুখে ঢালবো ...
স্বামীঃ আরে আরে এই দেখো আমি উঠে গিয়েছি স্বামী ঘুম থেকে জাগলেন , আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ পাকের শোকর , যিনি সুস্থ স্বাভাবিক ভাবে মরনের কাছাকাছি থেকে আবার জীবিত করলেন ...
স্ত্রী মুচকি হেসে, সালাম দিলেন স্বামীকে, অতঃপর জানতে চাইলেন ,
স্ত্রীঃ ঘুম কেমন হলো ?
স্বামীঃ হুম সেরকম দারুন ঘুম হয়েছে , স্বপ্নও দেখেছি একটা
স্ত্রীঃ ইশ তাই বুঝি ?
কি দেখলে ?
স্বামীঃ দেখেছি হাফ ডজন পিচ্ছি বাচ্চা আমাকে আব্বু আব্বু আর তোমাকে আম্মু আম্মু বলে চিৎকার করে ডাকছে ...
স্ত্রীঃ ইশ হয়েছে অনেক দুষ্টামি , এখন উঠো জলদি ...
স্বামীঃ ইশ দেখো কিভাবে ভাগিয়ে দেয়
স্ত্রীঃ ভাগবে নাকি পা ধরে টেনে ফেলে দিবো নিচে ??
স্বামীঃ ইশ দেখো পাগলী রেগে গিয়েছে ... এই নেও উঠে গেলাম স্বামী ওযু করে এসে রেডি হয়ে নামাজের উদ্দেশে বের হচ্ছিলেন ...
স্ত্রী দরজা ধরে দাঁড়িয়ে আছেন ...
স্বামীঃ তুমি অনেক লক্ষ্মী একটা বউ , সেটা জানো ??
স্ত্রীঃ হু হয়েছে দেরী হয়ে যাচ্ছে ...
স্বামীঃ এভাবে রোজ বকা ঝকা করে আমাকে নামাজে পাঠিও
কেমন ?
স্ত্রীঃ তারপরেও নিজ থেকে উঠে যাবেনা তাইনা ?
স্বামীঃ সকাল সকাল তোমারডাকে ঘুম ভাঙবে তারপর তোমার তাড়া খেয়ে নামাজ পড়তে যাবো , আর এর জন্যই আমি কখনও নিজ থেকে উঠবো না
স্ত্রীঃ তোমাকে নামাজের জন্য রেডি করে পাঠাতে আমার অনেক ভাল লাগে
স্বামীঃ এই জন্য তুমি লক্ষ্মী
স্ত্রীঃ দেরী হচ্ছে কিন্তু জলদি যাও আমি চা রেডি করি ...
স্বামীঃ আল্লাহ্ হাফেজ
স্ত্রীঃ ফি আমানিল্লাহ তারপর
স্বামী মুচকি হাসি দিয়ে নামাজের উদ্দেশে অন্ধকার পথ বেঁয়ে হেঁটে যায় আর মনে মনে বলে ''
হে আল্লাহ্ , কোনও ভাবেই আমি তোমার শোকর আদায় করে শেষ করতে পারবোনা , কিসের বিনিময়ে আমাকে এমন জীবন
সঙ্গিনী দিয়েছ আমি তাও জানিনা ''
দরজা আটকিয়ে স্ত্রী জায়নামাজে বসে মুনাজাত শুরু করে '' হে আল্লাহ্ , এই মানুষটার সাথেই যেন জীবনের শেষ মুহূর্ত টা কাটে ,
আর আখেরাতের শুরুটাও যেও হয় এই মানুষটার হাত ধরে।

09/07/2017

আমি জুবায়ের। এখন ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারে
পড়ি।শহরে থেকে পড়ি।শহরে আমার
কোনো আত্মীয় নাই।তাই মেসে থেকে
পড়ি।আমার এক বন্ধু বলে মেসে থেকে পড়া
তো সম্ভব না, তুই এক কাজ কর কোনো
বাসাতে ওঠে যা।আমি বলছি এই শহরে তো
আমার কেউ পরিচিত নাই, কই বাসা নেব।
আমার বন্ধু বলছে তাহলে একটা কাজ কর
আমার এক দূরসম্পর্কের চাচা আছে সামনে
রাস্তার মাথাতে তার বাড়ি।বাড়ি টা
তিন তলা আর ছাদে একটা রুম আছে এটাতে
তুই থাকতে পারবি।আমি বলছি তাহলে ঠিক
অাছে তুই কথা বলে দেখ কি হয়।এরপর অামি
ভাবতেছি ঠিকই অাছে একটা বাসাতে ওঠে
গেলে আমার লেখা পড়া আর টিউশনি
ভালো চলবে।মেসে থাকতে অামার ভালো
লাগে না।বিকাল বেলা আমারে আমার
বন্ধুটা কল দিছে।
>কিরে বাসা তো রেডি
>তাহলে কবে আসব
>কালকে সকাল বেলা তুই অামার বাড়ির
সামনে দাঁড়িয়ে থাকিস
>আচ্ছা
এই বলে কল রেখে দিল।এর পর অামি রাত্রে
বেগ গুছাইলাম।কত যে খুশি হইলাম বলার
বাইরে।কারন অাজকাল কোনো
ব্যাচেলারদের বাসা ভাড়া দেয় না।সাথে
নাকি বউ থাকতে হয়।মেসে আমার একদম
ভালো লাগে না।সারা দিন আজেবাঝে যত
কাজকর্ম।সকাল বেলা আমার বন্ধুটারে কল
দিলাম।
>কিরে কই তুই
>বাসা থেকে বেরচ্ছি, তই কই
>আমি তু তর বাসার সামনে
>অাচ্ছা তুই দাঁড়া আমি আসতেছি
আমারর এই বন্ধুটা আমার জন্য অনেক করছে।
অামাকে হের সাথেই রাখতে
চেয়েছিল,কারন আমার দুস্তই তু থাকে হের
মামার বাসাই।মামা অবশ্য ভালো কিন্তু
হের মামি টা ভালো না।
এই তো আমার দুস্ত এসে পরেছে।তারপর
দুস্তের সাথে গেলাম দুস্তের চাচার
বাড়িতে।কলিং বিল বেজে ওঠতেই দরজা
খুলে গেছে।আমি হা করে তাকিয়ে আছি।
কারন দরজা খুলেছিল একটি মেয়ে। মেয়েটি
এই বাসার মালিকের।আমার দুস্তের চাচার
মেয়ে।মেয়েটি দেখতে অনেক সুন্দর, চোখ
দুটি মায়াবী। অামার দুস্তরে বলল, আরে শুভ
ভাই কি মনে করে আমাদের বাসাই।আমার
দুস্ত বলল, এই যে আমার বন্ধু তদের বাসাই
আজ থেকে থাকবে।আমাকে বাসাতে দিয়ে
আমার বন্ধু চলে গেল।আর মেয়েটি আমাকে
তিন তালার ছাদে নিয়ে গেল। আমি
যেখানে থাকব।ছাদে শুধু একটি রুম।
অামাকে রুম দেখিয়ে মেয়েটি চলে গেল।
বাড়ির মালিক যাকে চাচা বলে ডাকি।
তারা থাকে তিন তলায়,আর দুতলা ও এক
তলাতে থাকে ভাড়াটিয়া।আমাকে অবশ্য
আজ খেকে রান্না করে খেতে হবে।অামি
যে রুমে থাকি সে রুমের সাথে একটি পাক
ঘর আছে।আর এই পাক ঘরে রান্না করার জন্য
সব রকমের জিনিস আছে।রুমে ডুকে রুমটাকে
গুছিয়ে নিলাম।এরপর দুপুরের খাবারের জন্য
কিছু আনতে হবে।যখনই ছাদের সিড়ি থেকে
নামতে যাব,তখনি ওই মেয়েটি আমার
সামনে এসে হাজির।
-কোখায় যাচ্ছেন
-বাজারে কিছু কিনে আনতে
-না, আপনাকে বাজারে যেতে হবে না
-কেন
-আজকে থেকে আপনি আমাদের সাথে
খাবেন,আমি আপনার জন্য আপনার রুমে এসে
খাবার দিয়ে যাব
-আচ্ছা ঠিক অাছে
আমি ভাবতে লাগলাম আমাকে কিসের
জন্য তারা খাওয়াবে।পরে জানতে পারলাম
মেয়েটিকে টিউশনি করতে হবে।এর জন্য
বাসার ভাড়া ও খাবার ফ্রি।ভাবলাম
তাহলে ভালই।আমাকে আর কষ্ট করে রান্না
করতে হবে না।কিন্তু মেয়েটিকে কিভাবে
পড়াব,মেয়েটি যে অনেক রাগি ও
জাগড়াটে।দেখলে কেমন যে লাগে। ভয় ভয়
লাগে।দুপুরের খাবার শেষে একটু বিশ্রাম
নিলাম।তারপর বিকাল বেলা ঘুম থেকে
ওঠলাম।ওটে ছাদের দক্ষিণ দিকে গেলাম।
হালকা বাতাস বয়তেছে, খুব ভালো
লাগতেছে।এমন সময় মেয়েটি আমার পাশে
এসে দাঁড়াল আর বলল.......
-বিকাল বেলা কি আপনার বাতাস অনেক
ভালো লাগে
-হুম,এই জন্যই এদিকে এসে দাঁড়ালাম(আমি)
-আমারো ভালো লাগে, আচ্ছা আপনার নাম
কি? কিসে পড়েন?বাড়ি কোথাই?
এসব প্রশ্ন এক সাথে করল।আমি বললাম...
-আমার নাম জুবায়ের আহমেদ,পড়ি ইন্টার
ফার্স্ট ইয়ারে,আর বাড়ি হলো গ্রামে তাই
শহরে থেকে লেখা পড়ি করি(আমি)
-ও,আমার নাম অারিফা সুলতানা,এই বছর
টেনে পড়ি,বাবা মার একমাত্র সন্তান
(মেয়েটি)
আমি কিছু জিজ্ঞাসা করলাম না,এর মধ্যে
আমাকে সব বলল।এরপর আমি বললাম....
-ভালো,আচ্ছা আপনে কখন প্রাইভেট পরবেন
-সন্ধায়
-আচ্ছা ঠিক আছে আমি এখন আসি
-কোথায় যাবেন
-আমার বিকেলে একটা প্রাইভেট
আছে,সেখানে যেতে হবে,আর আপনে সন্ধায়
আইসেন
এই বলে আমি চলে গেলাম প্রাইভেট
পড়াতে।আসতে আসতে সন্ধা হয়ে গেল।
এসে দেখি আমার রুমে আরিফা বসা।
অামাকে দেখে বসাত থেকে ওঠে পরল।
-আরে বসেন আমি ফ্রেশ হয়ে আসছি।
ফ্রেশ হয়ে অাসলাম।আরিফা আমার দিকে
চেয়ে আছে।আমি কিছু বলতে পারি নাই।
আরিফা কে পড়া শেষ করে। আমার পড়া
পড়তে বসলাম।রাত ৮ টার দিকে আবার
আরিফা আমার রুমে এসে ডাকতেছে।
-আপনাকে আব্বু ডাকে অাসতেন
-আচ্ছা আমি আসতেছি
আরিফাদের রুমে গেলাম।গিয়ে দেখি
সবাই খাবার টেবিলে বসে আছে।আমি
গিয়ে সালাস দিলাম.....
-আসসালামু........
-ওঅালাইকুম.....
-কেমন আছেন আংকেল
-ভালো, তুমি কেমন অাছ
-জি আংকেল ভালো আছি
-অামার মেয়েটা লেখা পড়ায় কেমন
-আংকেল অনেক ভালো
যদি বলতাম খারাপ তাহলে হয়তো আমারে
বারটা বাজাই লইলে আরিফা।কারন অামি
আরিফার দিকে তাকাতে পারি না ভয়ে।
কেমন যে আরিফার চেহারা। সবসময় রাগি
মুডে থাকে।খেয়ে আমার রুমে চলে
আসলাম।এসে ভালো লাগতেছে না,তাই
ভাবলাম ছাদে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকি।
আজকে আকাশে একটা তারাও নাই।শুধু
সানা আকাশ চাঁদটি।
ওপরে তাকিয়ে চাঁদ দেখতেছি এমন সময়
পিছন থেকে ডাক দিল আরিফা.....
-কি চাঁদ দেখতেছেন
-হুম,দেখেন চাঁদ আজকে একা.
-হুম,আচ্ছা আপনে আমাকে তুমি করে বলতে
পারেন না
-কেন
-আমি তো আপনার ছোট এখন থেকে তুমি
করে বলবেন,তা না হলে এক ঘুষি মেরে দাত
ফেলে দেব
আমি ভয়ে ভয়ে বলছি আচ্ছা ঠিক আছে।
পরের দিন সকাল বেলা দরজা তে কে যেন
তাপরাই তাছে।ঘুম টা কে হারাম করে
দিল....
দরজা খুলে দেখি আরিফা...
-কি হয়েছে
-কিছু না,তবে আব্বু বলছে আজকে থেকে
আমাকে আমার স্কুলে নিয়ে যেতেন
-আচ্ছা নিয়ে যাব, যাও এখন রেডি হয়ে আস
ভাবলাম আরিফার স্কুলের পাশ দিয়ে আমি
আমার কলেজে যাই তাই আরিফা কে নিয়ে
যাব।
আমি আর আরিফা যেতে লাগলাম।হঠাৎ
আরিফা বলল...
-আমি হেঁটে স্কুলে যেতে পারব না
-কিভাবে যাবে
-একটা রিক্সা নেন
আমি তো অবাক এই মেয়ের সাথে আমি
রিক্সাতে এক সাথে বসব।তারপর একটা
রিক্সা নিলাম।রিক্সাতে ওঠলাম ওঠার পর
আরিফা শুধু আমার সাথে ঘষে বসতে
চাচ্ছে।অার অামি একটু সরে বসছি।আমাকে
আরিফা বলল পাশে এসে বসেন দূরে কেন.....
আমি কিছু বলকে পারলাম না।এভাবে
আরিফাকে স্কুলে নেওয়া এবং আনা হতো
সবসময়। অনেক দিন চলে গেল। আমাকে
সবসময় চোখে চোখে রাখত।আমি কোন
মেয়ের সাথে কথা বলি কিনা,বা কারো
সাথে প্রেম করি কি না।একদিন আমাকে
বলল....
-আচ্ছা আপনি কি কারো সাথে প্রেম করেন
-না
-ভালো প্রেম করেন না আর করবেন ও না....
অারিফার এই কথার অর্থ আমি বুঝলাম না।
সবসময় আমার রুমে এসে বসে থাকত আমি
কি করি বা কি করি না।এগুলো সে খবর
নিত।আমি এক সময় বুঝতে পারি যে আরিফা
আমাকে ভালোবাসে।সেটা আমি বুঝতাম।
কিন্তু বলতে পারে নাই।আমারও আরিফা
কে খুব পছন্দ। তবে আমি যে আরিফার সাথে
প্রেম করতে পারব না...কারন আমি যে
অনেক বড় স্বপ্ন নিয়ে এই শহরে এসেছি
লেখা পড়া করতে।আমার বাবা-মার স্বপ্ন
আমি মাষ্টার হব।এই জন্য তারা আমাকে
শহরে দিয়ে দিছে ভালো ভাবে যেন লেখা
পড়া করে তাদের স্বপ্ন পূরণ করতে।আমি
চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি বাবা-মার স্বপ্ন
পূরণ করতে।আমাদের পরিবার অনেক গরিব।
কোনো মতে খেয়ে দেয়ে বেঁচে আছি।
বাড়িত থেকে যে টাকা দেয়ে তা দিয়ে হয়
না,এই জন্যই আমি টিউশনি করি।আমিও যে
আরিফা কে অনেক ভালো বাসি,কিন্তু
তাকে যে আমি ভালোবাসতে পারব না।
আমি কই আর আরিফা কই।আরিফা অনেক
ধনী ঘরের মেয়ে,আর আমি একজন কৃষকের
ছেলে।তাকে যে অামি কোনো মতই
ভালোবাস তে পারব না।
এই তো সেদিন একটি মেয়ের সাথে কথা
বলতেছিলাম।আমার ক্লাসমেট।
বাসায় এসে রুমে গিয়ে বসকে পারলাম
না,এর মধ্যে আরিফা এসে হাজির....
-এই আপনি ঐ মেয়েটির সাথে কিসের কথা
বলতেছিলেন,প্রেম করেন ঐ মেয়ে কে(খুব
রেগে গেছে)
-না,ও আমার ক্লাসমেট, একটা পড়ার বিষয়ে
কথা বলতেছিলাম,আর আমি তো প্রেম করি
না
-ঠিক আছে আপনে প্রেম করলে খবর আছে
আমি বুঝতে পারছি যে আরিফা আমাকে
অনেক ভালো বাসে।কিন্তু আমি তা পারব
না।
ভালোই কাটতেছিল দিনকাল। কলেজ আর
টিউশনি করে আমি আমার বাবা-মার স্বপ্ন
পূরণ করতে এগিয়ে যাচ্ছি।কিন্তু হঠাৎ
একিদন আমাকে আরিফা ছাদে যাওযার
জন্য বলল।আমি ছাদে গিয়ে দেখি আরি ফা
দাঁড়িয়ে আছে।
আমি বললাম...
-কিসের জন্য ডাকছ বল
-একটা কথা বলব
-আচ্ছা বলো
-আমাকে প্রমিস করেন যে আমার কথাটা
রাখবেন
আমি তো চমকে ওঠলাম কি এমন কথা যার
জন্য প্রমিস করতে হবে।আমার বুঝতে বাকি
রইল না।
-না প্রমিস করতে পারব না,কি কথা বল
-আচ্ছা তাহলে শুনেন,আমি আপনাকে
যেদিন প্রথম দেখছি সেদিনই আমি
আপনাকে ভালো বেসে ফেলেছি।
আপনাকেব নিয়ে ঘর বাধার স্বপ্ন ও
দেখেছি। আমি আপনাকে না পেলে আমি
বাঁচব না।আমি আপনপকে ভালো বাসি।আই
লাভ ইউ জুবায়ের....... (এক সাথে বলল)
আমি চুপ করে রইলাম।কোনো উত্তর দিলাস
না।আরিফা বলতেছে....
-কি হলো কথা বলেন....
-আচ্ছা আমাকে কয়েকদিন সময় দাও তার
পরে বলতেছি
-কোনো সময় দিতে পারব না,কালকে উত্তর
দিবা
-আচ্ছা ঠিক আছে
আমি ভাবতে লাগলাম, কি করব এখন। আমি
যে আরিফা কে ভালোবাসতে পারব না।কি
করব ভাবতেছি আমার বন্ধু কে কল দিব,না
কল দেওয়া যাবে না.....
পরের দিন সকালে আরিফা আমার রুমে
এসে বসে বলতেছে....
-কই আমার কথার উত্তর দেন
-কি কথা
-আমাকে ভালোবাসেন কিনা
-দেখ আরিফা তুমি বুঝতে চেষ্টা করো,তুমি
অনেক ধনী ঘরের মেয়ে আর আমি একজন
চাষার ছেলে
-আমি কিছু জানি না, আমাকে
ভালোবাসেন কিনা বলেন
-তোমাকে ও আমার খু্ব পছন্দ কিন্তু....
-কিন্তু কি
- কিন্তু আমি তোমাকে ভালোবাস তে
পারব না,আমাকে তুমি ভুলে যাও
-কি বললেন
-আমি তোমাকে ভালোবাসতে পারব না
চেয়ে দেখি আরিফার চোখে জল। আর কিছু
বলতে পারি নাই।দৌড়ে চলে গেল আরিফা।
আমি ও চলে গেলাম কলেজে। আজ আর
আরিফা আমার সাথে স্কুলে যাই নি। হয়তে
আজ যাবে না।ভালোবাসার মানুষের মুখ
থেকে এসব কথা শুনে কারো মন ঠিক
থাকতে পারে।কলেজ শেণে বাসায় এসে
ফ্রেশ হয়ে খেয়ে নিলাম।কিন্তু আজকে তো
আরিফা কে দেখতে পারতেছি না।কই গেল
আরিফা।না কি রাগ করে আর আসবে না।
অনেক্ষন হয়ে গেল আরিফা এখন ও আমার
রুমে আসল না।আজকে খুব একা লাগতেছে।
তারপর আরিফাদের বাসায় গেলাম গিয়ে
দেখি কেউ নাই বাসাতে।শুধু বোয়া আছে।
আমি বোয়াকে বললাম বাসার সবাই কই।

বোয়া যা বলছে তা শুনার জন্য আমি প্রস্তুত
ছিলাম না।স্যার আপনে জানেন না সবাই
কই গেছে।আরিফা ম্যাডাম তো বিষ
খাইছে।এখন হাসপাতালে আছে।আমি
হাসপাতালের ঠিকানা নিয়ে চলে গেলাম।
হাসপাতালে গিয়ে দেখি আংকেল আর
আন্টি কাঁদতেছেন। আমি যাওয়ার পর আন্টি
বলতেছে বাজান আমার মেয়েটা কিসের
জন্য বিষ খাইছে।আমরা কিছু জানি না।
আমি মনে মনে বলতেছি আমি তো যানি
কিসের আরিফা বিষ খাইছে।ডাক্তার
সাহেব এসে আংকেল কে বলতেছেন আপনার
মেয়ে এখন আল্লাহর রহমতে সম্পূর্ণ সুস্থ।
আপনারা ভিতরে যান।আংকেল আর আন্টি
ভিতরে গেল।আর আমি বাহিরে দাঁড়িয়ে
আছি।আংকেল এসে বললেন বাবা জুবায়ের
তোমাকে আরিফা ডাকতেছে।এরপর আমি
ভিতরে গেলাম। আর আরিফা তার বাবা-
মা কে বললেন আব্বু আম্মু তোমরা একটু
বাহিরে যাও।আংকেল আর আন্টি বাহিরে
গেলেন।আমাকে আরিফা বলতেছে এখন
বুঝতে পারছেন তো অামি আপনাকে কতো
ভালোবাসি।আমি আপনাকে না পেলে
আমি আমার এই জীবন রাখব না।এখন বলে
আমাকে ভালোবাস কিনা।আমি বললাম
আচ্ছা কালকে বলি।আমি চেয়ে দেখি
আরিফার মুখে হাসি ফুটে ওঠেছে।
হয়তো ভাবতেছে আমি তাকে ভালোবাসি
এই কথা বলব।কিন্তুু তা যে কখনো সম্ভব না।
আমি বাসায় এসে ব্যগ গুছিয়ে নিলাম।
সকাল বেলা ঘুম থেকে ওঠে আংকেল আর
আন্টি কাছ থেকে বিদায় নিয়ে চলে
গেলাম অনেক দূরে.....
হয়তো আরিফা আমার জন্য অপেক্ষায়
থাকবে।আমি যে আর কখনো আরিফার
সামনে যেতে পারব না।আমি যে আমার
বাবা-মার স্বপ্ন পূরণ করতে এসেছিলাম
শহরে।কিন্তু আমি ও যে আরিফাকে
ভালোবাসি।আমার বাবা-মার স্বপ্ন পূরণ
করতেই যে হবে।কারন আমি যে সামান্য
একজন চাষার ছেলে।খুব কষ্ট করে আমাকে
যে আমার বাবা-মা লেখা পড়া করাচ্ছে।
অামি অাসার সময় আংকেলের কাছে একটা
চিঠি দিয়ে আসি। হয়তো এটা পড়ে আরিফা
কাঁদতে থাকবে আমার জন্য।কিন্তু আমি যে
আর আরিফাকে ভালোবাসতে পারব না।
এভাবে শেষ করে চলে আসলাম আমার
জীবনের ভালোবাসা।আমিও তো আরিফা
কে অনেক ভালোবাসি।তাই আমার
ভালোবাসা শেষ করে আমি আমার বাবা-
মার স্বপ্ন পূরণ করতে হাটছি।বাবা-মার
স্বপ্ন পূরণ যেন করতে পারি,সবাই দোয়া
করবেন।
ভুল ত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।
"সবাইকে ধন্যবাদ "
লেখাঃ- Abdullah Al Jobayer Jafor

Address

Gaibandha Rangpur
Dhaka
5700

Telephone

01721943777

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ashik Multimedia Gaibandha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ashik Multimedia Gaibandha:

Share