09/07/2017
আমি জুবায়ের। এখন ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারে
পড়ি।শহরে থেকে পড়ি।শহরে আমার
কোনো আত্মীয় নাই।তাই মেসে থেকে
পড়ি।আমার এক বন্ধু বলে মেসে থেকে পড়া
তো সম্ভব না, তুই এক কাজ কর কোনো
বাসাতে ওঠে যা।আমি বলছি এই শহরে তো
আমার কেউ পরিচিত নাই, কই বাসা নেব।
আমার বন্ধু বলছে তাহলে একটা কাজ কর
আমার এক দূরসম্পর্কের চাচা আছে সামনে
রাস্তার মাথাতে তার বাড়ি।বাড়ি টা
তিন তলা আর ছাদে একটা রুম আছে এটাতে
তুই থাকতে পারবি।আমি বলছি তাহলে ঠিক
অাছে তুই কথা বলে দেখ কি হয়।এরপর অামি
ভাবতেছি ঠিকই অাছে একটা বাসাতে ওঠে
গেলে আমার লেখা পড়া আর টিউশনি
ভালো চলবে।মেসে থাকতে অামার ভালো
লাগে না।বিকাল বেলা আমারে আমার
বন্ধুটা কল দিছে।
>কিরে বাসা তো রেডি
>তাহলে কবে আসব
>কালকে সকাল বেলা তুই অামার বাড়ির
সামনে দাঁড়িয়ে থাকিস
>আচ্ছা
এই বলে কল রেখে দিল।এর পর অামি রাত্রে
বেগ গুছাইলাম।কত যে খুশি হইলাম বলার
বাইরে।কারন অাজকাল কোনো
ব্যাচেলারদের বাসা ভাড়া দেয় না।সাথে
নাকি বউ থাকতে হয়।মেসে আমার একদম
ভালো লাগে না।সারা দিন আজেবাঝে যত
কাজকর্ম।সকাল বেলা আমার বন্ধুটারে কল
দিলাম।
>কিরে কই তুই
>বাসা থেকে বেরচ্ছি, তই কই
>আমি তু তর বাসার সামনে
>অাচ্ছা তুই দাঁড়া আমি আসতেছি
আমারর এই বন্ধুটা আমার জন্য অনেক করছে।
অামাকে হের সাথেই রাখতে
চেয়েছিল,কারন আমার দুস্তই তু থাকে হের
মামার বাসাই।মামা অবশ্য ভালো কিন্তু
হের মামি টা ভালো না।
এই তো আমার দুস্ত এসে পরেছে।তারপর
দুস্তের সাথে গেলাম দুস্তের চাচার
বাড়িতে।কলিং বিল বেজে ওঠতেই দরজা
খুলে গেছে।আমি হা করে তাকিয়ে আছি।
কারন দরজা খুলেছিল একটি মেয়ে। মেয়েটি
এই বাসার মালিকের।আমার দুস্তের চাচার
মেয়ে।মেয়েটি দেখতে অনেক সুন্দর, চোখ
দুটি মায়াবী। অামার দুস্তরে বলল, আরে শুভ
ভাই কি মনে করে আমাদের বাসাই।আমার
দুস্ত বলল, এই যে আমার বন্ধু তদের বাসাই
আজ থেকে থাকবে।আমাকে বাসাতে দিয়ে
আমার বন্ধু চলে গেল।আর মেয়েটি আমাকে
তিন তালার ছাদে নিয়ে গেল। আমি
যেখানে থাকব।ছাদে শুধু একটি রুম।
অামাকে রুম দেখিয়ে মেয়েটি চলে গেল।
বাড়ির মালিক যাকে চাচা বলে ডাকি।
তারা থাকে তিন তলায়,আর দুতলা ও এক
তলাতে থাকে ভাড়াটিয়া।আমাকে অবশ্য
আজ খেকে রান্না করে খেতে হবে।অামি
যে রুমে থাকি সে রুমের সাথে একটি পাক
ঘর আছে।আর এই পাক ঘরে রান্না করার জন্য
সব রকমের জিনিস আছে।রুমে ডুকে রুমটাকে
গুছিয়ে নিলাম।এরপর দুপুরের খাবারের জন্য
কিছু আনতে হবে।যখনই ছাদের সিড়ি থেকে
নামতে যাব,তখনি ওই মেয়েটি আমার
সামনে এসে হাজির।
-কোখায় যাচ্ছেন
-বাজারে কিছু কিনে আনতে
-না, আপনাকে বাজারে যেতে হবে না
-কেন
-আজকে থেকে আপনি আমাদের সাথে
খাবেন,আমি আপনার জন্য আপনার রুমে এসে
খাবার দিয়ে যাব
-আচ্ছা ঠিক অাছে
আমি ভাবতে লাগলাম আমাকে কিসের
জন্য তারা খাওয়াবে।পরে জানতে পারলাম
মেয়েটিকে টিউশনি করতে হবে।এর জন্য
বাসার ভাড়া ও খাবার ফ্রি।ভাবলাম
তাহলে ভালই।আমাকে আর কষ্ট করে রান্না
করতে হবে না।কিন্তু মেয়েটিকে কিভাবে
পড়াব,মেয়েটি যে অনেক রাগি ও
জাগড়াটে।দেখলে কেমন যে লাগে। ভয় ভয়
লাগে।দুপুরের খাবার শেষে একটু বিশ্রাম
নিলাম।তারপর বিকাল বেলা ঘুম থেকে
ওঠলাম।ওটে ছাদের দক্ষিণ দিকে গেলাম।
হালকা বাতাস বয়তেছে, খুব ভালো
লাগতেছে।এমন সময় মেয়েটি আমার পাশে
এসে দাঁড়াল আর বলল.......
-বিকাল বেলা কি আপনার বাতাস অনেক
ভালো লাগে
-হুম,এই জন্যই এদিকে এসে দাঁড়ালাম(আমি)
-আমারো ভালো লাগে, আচ্ছা আপনার নাম
কি? কিসে পড়েন?বাড়ি কোথাই?
এসব প্রশ্ন এক সাথে করল।আমি বললাম...
-আমার নাম জুবায়ের আহমেদ,পড়ি ইন্টার
ফার্স্ট ইয়ারে,আর বাড়ি হলো গ্রামে তাই
শহরে থেকে লেখা পড়ি করি(আমি)
-ও,আমার নাম অারিফা সুলতানা,এই বছর
টেনে পড়ি,বাবা মার একমাত্র সন্তান
(মেয়েটি)
আমি কিছু জিজ্ঞাসা করলাম না,এর মধ্যে
আমাকে সব বলল।এরপর আমি বললাম....
-ভালো,আচ্ছা আপনে কখন প্রাইভেট পরবেন
-সন্ধায়
-আচ্ছা ঠিক আছে আমি এখন আসি
-কোথায় যাবেন
-আমার বিকেলে একটা প্রাইভেট
আছে,সেখানে যেতে হবে,আর আপনে সন্ধায়
আইসেন
এই বলে আমি চলে গেলাম প্রাইভেট
পড়াতে।আসতে আসতে সন্ধা হয়ে গেল।
এসে দেখি আমার রুমে আরিফা বসা।
অামাকে দেখে বসাত থেকে ওঠে পরল।
-আরে বসেন আমি ফ্রেশ হয়ে আসছি।
ফ্রেশ হয়ে অাসলাম।আরিফা আমার দিকে
চেয়ে আছে।আমি কিছু বলতে পারি নাই।
আরিফা কে পড়া শেষ করে। আমার পড়া
পড়তে বসলাম।রাত ৮ টার দিকে আবার
আরিফা আমার রুমে এসে ডাকতেছে।
-আপনাকে আব্বু ডাকে অাসতেন
-আচ্ছা আমি আসতেছি
আরিফাদের রুমে গেলাম।গিয়ে দেখি
সবাই খাবার টেবিলে বসে আছে।আমি
গিয়ে সালাস দিলাম.....
-আসসালামু........
-ওঅালাইকুম.....
-কেমন আছেন আংকেল
-ভালো, তুমি কেমন অাছ
-জি আংকেল ভালো আছি
-অামার মেয়েটা লেখা পড়ায় কেমন
-আংকেল অনেক ভালো
যদি বলতাম খারাপ তাহলে হয়তো আমারে
বারটা বাজাই লইলে আরিফা।কারন অামি
আরিফার দিকে তাকাতে পারি না ভয়ে।
কেমন যে আরিফার চেহারা। সবসময় রাগি
মুডে থাকে।খেয়ে আমার রুমে চলে
আসলাম।এসে ভালো লাগতেছে না,তাই
ভাবলাম ছাদে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকি।
আজকে আকাশে একটা তারাও নাই।শুধু
সানা আকাশ চাঁদটি।
ওপরে তাকিয়ে চাঁদ দেখতেছি এমন সময়
পিছন থেকে ডাক দিল আরিফা.....
-কি চাঁদ দেখতেছেন
-হুম,দেখেন চাঁদ আজকে একা.
-হুম,আচ্ছা আপনে আমাকে তুমি করে বলতে
পারেন না
-কেন
-আমি তো আপনার ছোট এখন থেকে তুমি
করে বলবেন,তা না হলে এক ঘুষি মেরে দাত
ফেলে দেব
আমি ভয়ে ভয়ে বলছি আচ্ছা ঠিক আছে।
পরের দিন সকাল বেলা দরজা তে কে যেন
তাপরাই তাছে।ঘুম টা কে হারাম করে
দিল....
দরজা খুলে দেখি আরিফা...
-কি হয়েছে
-কিছু না,তবে আব্বু বলছে আজকে থেকে
আমাকে আমার স্কুলে নিয়ে যেতেন
-আচ্ছা নিয়ে যাব, যাও এখন রেডি হয়ে আস
ভাবলাম আরিফার স্কুলের পাশ দিয়ে আমি
আমার কলেজে যাই তাই আরিফা কে নিয়ে
যাব।
আমি আর আরিফা যেতে লাগলাম।হঠাৎ
আরিফা বলল...
-আমি হেঁটে স্কুলে যেতে পারব না
-কিভাবে যাবে
-একটা রিক্সা নেন
আমি তো অবাক এই মেয়ের সাথে আমি
রিক্সাতে এক সাথে বসব।তারপর একটা
রিক্সা নিলাম।রিক্সাতে ওঠলাম ওঠার পর
আরিফা শুধু আমার সাথে ঘষে বসতে
চাচ্ছে।অার অামি একটু সরে বসছি।আমাকে
আরিফা বলল পাশে এসে বসেন দূরে কেন.....
আমি কিছু বলকে পারলাম না।এভাবে
আরিফাকে স্কুলে নেওয়া এবং আনা হতো
সবসময়। অনেক দিন চলে গেল। আমাকে
সবসময় চোখে চোখে রাখত।আমি কোন
মেয়ের সাথে কথা বলি কিনা,বা কারো
সাথে প্রেম করি কি না।একদিন আমাকে
বলল....
-আচ্ছা আপনি কি কারো সাথে প্রেম করেন
-না
-ভালো প্রেম করেন না আর করবেন ও না....
অারিফার এই কথার অর্থ আমি বুঝলাম না।
সবসময় আমার রুমে এসে বসে থাকত আমি
কি করি বা কি করি না।এগুলো সে খবর
নিত।আমি এক সময় বুঝতে পারি যে আরিফা
আমাকে ভালোবাসে।সেটা আমি বুঝতাম।
কিন্তু বলতে পারে নাই।আমারও আরিফা
কে খুব পছন্দ। তবে আমি যে আরিফার সাথে
প্রেম করতে পারব না...কারন আমি যে
অনেক বড় স্বপ্ন নিয়ে এই শহরে এসেছি
লেখা পড়া করতে।আমার বাবা-মার স্বপ্ন
আমি মাষ্টার হব।এই জন্য তারা আমাকে
শহরে দিয়ে দিছে ভালো ভাবে যেন লেখা
পড়া করে তাদের স্বপ্ন পূরণ করতে।আমি
চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি বাবা-মার স্বপ্ন
পূরণ করতে।আমাদের পরিবার অনেক গরিব।
কোনো মতে খেয়ে দেয়ে বেঁচে আছি।
বাড়িত থেকে যে টাকা দেয়ে তা দিয়ে হয়
না,এই জন্যই আমি টিউশনি করি।আমিও যে
আরিফা কে অনেক ভালো বাসি,কিন্তু
তাকে যে আমি ভালোবাসতে পারব না।
আমি কই আর আরিফা কই।আরিফা অনেক
ধনী ঘরের মেয়ে,আর আমি একজন কৃষকের
ছেলে।তাকে যে অামি কোনো মতই
ভালোবাস তে পারব না।
এই তো সেদিন একটি মেয়ের সাথে কথা
বলতেছিলাম।আমার ক্লাসমেট।
বাসায় এসে রুমে গিয়ে বসকে পারলাম
না,এর মধ্যে আরিফা এসে হাজির....
-এই আপনি ঐ মেয়েটির সাথে কিসের কথা
বলতেছিলেন,প্রেম করেন ঐ মেয়ে কে(খুব
রেগে গেছে)
-না,ও আমার ক্লাসমেট, একটা পড়ার বিষয়ে
কথা বলতেছিলাম,আর আমি তো প্রেম করি
না
-ঠিক আছে আপনে প্রেম করলে খবর আছে
আমি বুঝতে পারছি যে আরিফা আমাকে
অনেক ভালো বাসে।কিন্তু আমি তা পারব
না।
ভালোই কাটতেছিল দিনকাল। কলেজ আর
টিউশনি করে আমি আমার বাবা-মার স্বপ্ন
পূরণ করতে এগিয়ে যাচ্ছি।কিন্তু হঠাৎ
একিদন আমাকে আরিফা ছাদে যাওযার
জন্য বলল।আমি ছাদে গিয়ে দেখি আরি ফা
দাঁড়িয়ে আছে।
আমি বললাম...
-কিসের জন্য ডাকছ বল
-একটা কথা বলব
-আচ্ছা বলো
-আমাকে প্রমিস করেন যে আমার কথাটা
রাখবেন
আমি তো চমকে ওঠলাম কি এমন কথা যার
জন্য প্রমিস করতে হবে।আমার বুঝতে বাকি
রইল না।
-না প্রমিস করতে পারব না,কি কথা বল
-আচ্ছা তাহলে শুনেন,আমি আপনাকে
যেদিন প্রথম দেখছি সেদিনই আমি
আপনাকে ভালো বেসে ফেলেছি।
আপনাকেব নিয়ে ঘর বাধার স্বপ্ন ও
দেখেছি। আমি আপনাকে না পেলে আমি
বাঁচব না।আমি আপনপকে ভালো বাসি।আই
লাভ ইউ জুবায়ের....... (এক সাথে বলল)
আমি চুপ করে রইলাম।কোনো উত্তর দিলাস
না।আরিফা বলতেছে....
-কি হলো কথা বলেন....
-আচ্ছা আমাকে কয়েকদিন সময় দাও তার
পরে বলতেছি
-কোনো সময় দিতে পারব না,কালকে উত্তর
দিবা
-আচ্ছা ঠিক আছে
আমি ভাবতে লাগলাম, কি করব এখন। আমি
যে আরিফা কে ভালোবাসতে পারব না।কি
করব ভাবতেছি আমার বন্ধু কে কল দিব,না
কল দেওয়া যাবে না.....
পরের দিন সকালে আরিফা আমার রুমে
এসে বসে বলতেছে....
-কই আমার কথার উত্তর দেন
-কি কথা
-আমাকে ভালোবাসেন কিনা
-দেখ আরিফা তুমি বুঝতে চেষ্টা করো,তুমি
অনেক ধনী ঘরের মেয়ে আর আমি একজন
চাষার ছেলে
-আমি কিছু জানি না, আমাকে
ভালোবাসেন কিনা বলেন
-তোমাকে ও আমার খু্ব পছন্দ কিন্তু....
-কিন্তু কি
- কিন্তু আমি তোমাকে ভালোবাস তে
পারব না,আমাকে তুমি ভুলে যাও
-কি বললেন
-আমি তোমাকে ভালোবাসতে পারব না
চেয়ে দেখি আরিফার চোখে জল। আর কিছু
বলতে পারি নাই।দৌড়ে চলে গেল আরিফা।
আমি ও চলে গেলাম কলেজে। আজ আর
আরিফা আমার সাথে স্কুলে যাই নি। হয়তে
আজ যাবে না।ভালোবাসার মানুষের মুখ
থেকে এসব কথা শুনে কারো মন ঠিক
থাকতে পারে।কলেজ শেণে বাসায় এসে
ফ্রেশ হয়ে খেয়ে নিলাম।কিন্তু আজকে তো
আরিফা কে দেখতে পারতেছি না।কই গেল
আরিফা।না কি রাগ করে আর আসবে না।
অনেক্ষন হয়ে গেল আরিফা এখন ও আমার
রুমে আসল না।আজকে খুব একা লাগতেছে।
তারপর আরিফাদের বাসায় গেলাম গিয়ে
দেখি কেউ নাই বাসাতে।শুধু বোয়া আছে।
আমি বোয়াকে বললাম বাসার সবাই কই।
।
বোয়া যা বলছে তা শুনার জন্য আমি প্রস্তুত
ছিলাম না।স্যার আপনে জানেন না সবাই
কই গেছে।আরিফা ম্যাডাম তো বিষ
খাইছে।এখন হাসপাতালে আছে।আমি
হাসপাতালের ঠিকানা নিয়ে চলে গেলাম।
হাসপাতালে গিয়ে দেখি আংকেল আর
আন্টি কাঁদতেছেন। আমি যাওয়ার পর আন্টি
বলতেছে বাজান আমার মেয়েটা কিসের
জন্য বিষ খাইছে।আমরা কিছু জানি না।
আমি মনে মনে বলতেছি আমি তো যানি
কিসের আরিফা বিষ খাইছে।ডাক্তার
সাহেব এসে আংকেল কে বলতেছেন আপনার
মেয়ে এখন আল্লাহর রহমতে সম্পূর্ণ সুস্থ।
আপনারা ভিতরে যান।আংকেল আর আন্টি
ভিতরে গেল।আর আমি বাহিরে দাঁড়িয়ে
আছি।আংকেল এসে বললেন বাবা জুবায়ের
তোমাকে আরিফা ডাকতেছে।এরপর আমি
ভিতরে গেলাম। আর আরিফা তার বাবা-
মা কে বললেন আব্বু আম্মু তোমরা একটু
বাহিরে যাও।আংকেল আর আন্টি বাহিরে
গেলেন।আমাকে আরিফা বলতেছে এখন
বুঝতে পারছেন তো অামি আপনাকে কতো
ভালোবাসি।আমি আপনাকে না পেলে
আমি আমার এই জীবন রাখব না।এখন বলে
আমাকে ভালোবাস কিনা।আমি বললাম
আচ্ছা কালকে বলি।আমি চেয়ে দেখি
আরিফার মুখে হাসি ফুটে ওঠেছে।
হয়তো ভাবতেছে আমি তাকে ভালোবাসি
এই কথা বলব।কিন্তুু তা যে কখনো সম্ভব না।
আমি বাসায় এসে ব্যগ গুছিয়ে নিলাম।
সকাল বেলা ঘুম থেকে ওঠে আংকেল আর
আন্টি কাছ থেকে বিদায় নিয়ে চলে
গেলাম অনেক দূরে.....
হয়তো আরিফা আমার জন্য অপেক্ষায়
থাকবে।আমি যে আর কখনো আরিফার
সামনে যেতে পারব না।আমি যে আমার
বাবা-মার স্বপ্ন পূরণ করতে এসেছিলাম
শহরে।কিন্তু আমি ও যে আরিফাকে
ভালোবাসি।আমার বাবা-মার স্বপ্ন পূরণ
করতেই যে হবে।কারন আমি যে সামান্য
একজন চাষার ছেলে।খুব কষ্ট করে আমাকে
যে আমার বাবা-মা লেখা পড়া করাচ্ছে।
অামি অাসার সময় আংকেলের কাছে একটা
চিঠি দিয়ে আসি। হয়তো এটা পড়ে আরিফা
কাঁদতে থাকবে আমার জন্য।কিন্তু আমি যে
আর আরিফাকে ভালোবাসতে পারব না।
এভাবে শেষ করে চলে আসলাম আমার
জীবনের ভালোবাসা।আমিও তো আরিফা
কে অনেক ভালোবাসি।তাই আমার
ভালোবাসা শেষ করে আমি আমার বাবা-
মার স্বপ্ন পূরণ করতে হাটছি।বাবা-মার
স্বপ্ন পূরণ যেন করতে পারি,সবাই দোয়া
করবেন।
ভুল ত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।
"সবাইকে ধন্যবাদ "
লেখাঃ- Abdullah Al Jobayer Jafor