03/12/2023
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মাধ্যমিক শেষ হলেই শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয় “আমি কি হব?” এই নিয়ে। পড়াশোনার চাপের সাথে এ যেন বাড়তি চাপ। পরিবারের আশা, সামাজিক স্বীকৃতি এসবের আড়ালে হারিয়ে যায় নিজের চাওয়া। দিনের পর দিন ইচ্ছার বিরুদ্ধে সকলকে সন্তুষ্ট করার দৌরাত্ম্য চলতেই থাকে। তাই প্রয়োজন সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা। যেহেতু মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক লেভেলের শিক্ষার্থীরা পরিবারের ওপর নির্ভরশীল থাকে তাই সিদ্ধান্ত অনেকটাই পরিবারভিত্তিক হয়। তাই সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পরিকল্পনা করতে হবে আজ থেকেই, যা করতে হবে,
☑ প্রথমেই আপনার পছন্দ, ভালো লাগা নির্ধারণ করুন। যেমন আপনি যদি বিজ্ঞানপ্রেমী হয়ে থাকেন তাহলেই সেদিকে পা বাড়ান অন্যথা প্রয়োজন নেই। আধুনিক পেশাগুলোর ক্ষেত্রে একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ডের চেয়ে দক্ষতাকে গুরুত্ব দেয়া হয় বেশি।
☑ পড়াশুনার সাথে সাথে অন্যান্য বিষয়ে স্কিল ডেভেলপ করুন, যা আপনাকে তৈরি করবে আগামীর জন্য। যেমনঃ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ করে আপনি প্রথম বর্ষে Graphic Design, Content Writing অথবা যদি কোডিং নিয়ে আগ্রহ থাকে তা শিখে ফেলুন। আয় করতেই হবে এমন বিষয় নয় তবে আপনি এগিয়ে থাকবেন অন্যদের চেয়ে।
☑ ডক্টর, ইঞ্জিনিয়ার, ব্যবসা কিংবা শিক্ষকতার মত মহান পেশাগুলোর পাশাপাশি আধুনিক বিষয়গুলোতে দক্ষতা আপনাকে করবে সময়োপযোগী। আবার অনেকেই ঝরে যায় মাঝ পথে, হুজুগে কিংবা পারিবারিক চাপে পড়াশুনা শুরু করেন একটি বিষয়ে কিন্তু ১/২ বছর পর গিয়ে সেই আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন কিংবা সহপাঠিদের সাথে তাল মেলাতে পারেন না বা বার বার ব্যর্থ হয়ে ছেড়ে দেন। কিন্তু তাই বলে কি জীবন থেমে যায়? ঘুরে দাঁড়াতে হয় নিজ ইচ্ছায়, “Self Help is the Best Help” এই লাইনের উর্ধ্বে আর কোন কথা নেই। তবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে সময়োপযোগী, নিজ দক্ষতায় কাজ করতে পারেন আইটি সেক্টরে। যেখানে একাডেমিক শিক্ষার চেয়ে জরুরী দক্ষতা।
তাই সবকিছুর পূর্বে প্রাধান্য দিন আপনার পছন্দ এরপর সময়োপযোগী দক্ষতা, তাহলেই সফলতার পথ দীর্ঘ হবে।