M.H. Soft Ltd.

M.H. Soft Ltd. M.H. Soft Ltd. is a large & powerful outsourcing company in Bangladesh since 2008. We are members of

যে ৭টি কারণে ফেসবুকে আপনি হয়ে উঠতে পারেন বিরক্তিকর এক চরিত্র! - ====================ফেসবুক হল এমন একটা সোশ্যাল মিডিয়া যে...
25/09/2023

যে ৭টি কারণে ফেসবুকে আপনি হয়ে উঠতে পারেন বিরক্তিকর এক চরিত্র! -
====================
ফেসবুক হল এমন একটা সোশ্যাল মিডিয়া যেখানে সবাই নিজের জীবনের খুঁটিনাটি ব্যাপারগুলো তুলে ধরতে পারেন এবং সেটা করতে পছন্দও করেন। ফেসবুকের বন্ধুদের হয়তো হরহামেশাই বিরক্ত করে চলেছেন নিজের অজান্তে । দেখে নিন এমন কিছু ব্যাপার যা করার মাধ্যমে ফেসবুকের বন্ধুদের হয়তো হরহামেশাই বিরক্ত করে চলেছেন আপনি।
১) অযাচিত অনুপ্রেরণা দেওয়া
অন্যকে অনুপ্রেরণা দেওয়ার জন্য ফেসবুকে ছবি, বাণী, গল্প বা মেসেজের অভাব নেই। কোনও বন্ধুকে একটু বিষণ্ণ মনে হচ্ছে? পাঠিয়ে দিলেন এমন একটা অনুপ্রেরণা ভরা বার্তা। কাজটা করে নিজেই নিজের পিঠ চাপড়ে দিয়ে ভাবলেন বেশ ভালো একটা কাজ করে ফেলেছেন? আসলেই কি তাই? সেই বন্ধুটি হয়তো আদতে বিষণ্ণ ছিলই না। নিজের জীবন নিয়ে সুখী সেই মানুষটিকে অযথাই অনুপ্রেরণা দিতে গেলে সে মনে করতে পারে আপনি তাকে ছোট করে দেখছেন। আর সে সত্যি সত্যি বিষণ্ণ হয়ে থাকলেও আপনার এই গায়ে পড়ে অনুপ্রেরণা দেবার ব্যাপারে তার খুশি হবার চাইতে বিরক্ত হবার সম্ভাবনাই বেশি। অনুপ্রেরণা সবাই দিতে পারে। বন্ধুর সত্যিকারের উপকার করতে চাইলে শুধুই ফেসবুক নয়, বরং বাস্তব জীবনেও তার খোঁজখবর রাখুন এবং তাকে জিজ্ঞেস করুন কোনও ব্যাপারে সহায়তা করতে পারবেন কিনা।
২) আজেবাজে ফেসবুক গেম এবং অ্যাপস পাঠানো
আপনি নিজে হয়তো সময় নষ্ট করছেন ফেসবুকে মাফিয়া ওয়ারস, ফার্মভিল ইত্যাদি খেলে। কিন্তু তার মানে এই নয় যে অন্যদেরও নষ্ট করার মত এত সময় আছে। বার বার এসব গেম/অ্যাপ এর নোটিফিকেশন আসতে দেখলে একটা না একটা সময় খুব কাছের বন্ধুটিরও ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যেতে পারে এবং তখন তার দ্বারা ব্লক/রিপোর্ট বা দুটোরই কবলে পড়তে হতে পারে আপনার।
৩) চেইন লেটার পাঠানো বন্ধ করুন
ফেসবুকে প্রায়শই দেখা যায় বিশাল একটা ভুতের গল্প/ধর্মীয় বয়ান এবং তার পরে লেখা, “দশ জন বন্ধুর কাছে এটা না পাঠালে অমুক ক্ষতি হবে” বা, “পাঁচ জন বন্ধুর সাথে এটা শেয়ার করলে কালকের মধ্যে অমুক ইচ্ছে পুরণ হবে।” এগুলো যে আসলে মিথ্যে এগুলো তো আমরা সবাই বুঝি।
ফেসবুক ব্যবহার করার মত বুদ্ধি যার আছে তার এতটুকু ধারণা থাকা উচিৎ যে এই চেইন লেটারগুলো ভুয়া। তার পরেও অনেকে এগুলো ফরওয়ার্ড করেন এবং বন্ধুদের বিরক্তির শিকার হন। পরিষ্কার জেনে নিন যে এই কাজটা করে আপনার কোনই লাভ হবে না বরং বন্ধু হারানোর শঙ্কা আছে। ফেসবুক থেকে এই অকেজো সংস্কৃতি দূর করতে এসব চেইন লেটার ফরওয়ার্ড করা বন্ধ করুন।
৪) একঘেয়ে এবং বিরক্তিকর স্ট্যাটাস/ ছবি
ফেইসবুকের আরেকটা কমন সমস্যা হল বিরক্তিকর স্ট্যাটাস আপডেট এবং ছবি ইত্যাদি। আপনি বিনোদনশিল্পী নন বটে, কিন্তু তাই বলে “সকালে ঘুম থেকে উঠলাম”, “কলা খেলাম”, “সূর্য পূর্বদিকে ওঠে”, এহেন বিরক্তিকর স্ট্যাটাস দেবার মানে কি? আপনার জীবনে হয়ত কলা খাওয়ার বিশাল তাৎপর্য আছে, কিন্তু আপনার বন্ধুর কাছে কি আছে? নিজের নিউজ ফিড এমন অর্থহীন পোস্ট দিয়ে ভরে থাকতে দেখলে যে কারও মস্তিষ্ক শর্ট সার্কিট হয়ে যেতে পারে। এখন আপনার কি করনীয়? স্ট্যাটাস দেবার আগে ভেবে নিন আপনার নিজের ও বন্ধুদের জন্য তার বিষয়বস্তু যথেষ্ট মজার বা দরকারি কিনা। নয়তো নিজের দৈনন্দিন জীবনের হাবিজাবি বর্ণনা দিয়ে তাদেরকে বিরক্ত করবেন না।
৫) কাউকে চ্যাটে ক্রমাগত বিরক্ত করে যাওয়া
আপনার কাছে হয়তো অনেক সময় আছে চ্যাট করে আড্ডা দেয়ার। কিন্তু এটাও মনে রাখতে হবে যে সকলের সেই সময়টা নাও থাকতে পারে। কিংবা সবসময় আড্ডা দেয়ার মতন পরিস্থিতি থাকেও না। কাউকে চ্যাটে বা ইনবক্সে নক করলে তিনি জবাব না দেয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। আর জবাব না পেলে বা দিতে দেরি হলে তাঁকে একাধিক মেসেজ, অভিমান সুলভ বাক্য বা খোটা দেয়াও বন্ধ করুন। এটা ব্যক্তিত্বহীনতার পরিচায়ক।
৬) অযাচিত ট্যাগ করার অভ্যাস
অনেকেই আছেন একটা স্ট্যাটাস/নোট বা ছবি আপলোড করার পর তাতে পাইকারি হারে সবাইকে ট্যাগ করে দেন। এই কাজটি কখনোই করবেন না। যে স্ট্যাটাস/নোট বা ছবির সাথে যার সম্পর্ক নেই, তাঁকে ট্যাগ করা রীতিমতন হাস্যকর একটা ব্যাপার। ব্যাপারটা ঘাড়ে ধরে কিছু পড়তে বাধ্য করা কিংবা দেখানোর মতন। লাইক/ কমেন্টের প্রত্যাশায় অযথা ট্যাগ করে অন্যের বিরক্তির কারণ হবে না।
৭) বিরক্তিকর গায়ে পড়া ধরনের মন্তব্য
অনেককেই দেখা যায় বিভিন্ন বন্ধুদের স্ট্যাটাস বা ছবিতে অযাচিত মন্তব্য করে বেড়াচ্ছেন। কেউ নিজের কোন পেজের বিজ্ঞাপন করছেন, কেউ বা আবার লিখছেন "তুমি তো আমাকে ভুলে গেছো, আমার কথা মনে করো না, খবর নাও না" ইত্যাদি ধরনের গায়ে পড়া মন্তব্য। একটা ব্যাপার মাথায় রাখবেন, সম্পর্ক কখনো জোর করে তৈরি করা যায় না। কারো আপনার জন্য মমতা থাকলে তিনি নিজে থেকেই যোগাযোগ রাখবেন।

 #মোবাইল_ফোন_হারালে_করনীয়ঃযেকোনো সময় আমাদের ফোন হারিয়ে যেতে পারে। চুরি বা ছিনতাইয়ের মতো অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটতে পারে। ফলে ...
22/09/2023

#মোবাইল_ফোন_হারালে_করনীয়ঃ

যেকোনো সময় আমাদের ফোন হারিয়ে যেতে পারে। চুরি বা ছিনতাইয়ের মতো অপ্রীতিকর ঘটনাও ঘটতে পারে। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে অনেক সময় ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়। যেমন: চুরি বা ছিনতাই হওয়া মোবাইল ফোনটি কখনো কখনো অপরাধমূলক কাজে ব্যবহৃত হতে পারে। সে ক্ষেত্রে মোবাইল ও সিমের রেজিস্ট্রি মতে এর প্রকৃত মালিক গ্রেপ্তার বা হয়রানির স্বীকার হতে পারেন। তাই ফোন হারিয়ে গেলে যা করতে হবে জেনে নিন এখনই।

প্রথম পদ্ধতিঃ
* অন্য কোনো স্মার্টফোন বা পিসি থেকে গুগলে ফাইন্ড মাই ফোন (Find my phone) লিখুন।
* আপনি যদি হারানো ফোনটি দূর থেকে লক করতে চান, তবে আপনাকে শুরুতে অন্য ফোন থেকে android.com/find এখানে যেতে হবে। এতে হারানো ফোনে ব্যবহৃত গুগল অ্যাকাউন্ট দিয়ে সাইনইন করতে হবে।
* আপনি যদি একাধিক ডিভাইস ব্যবহার করে থাকেন, তবে যে ডিভাইসটি হারিয়েছে, তা নির্বাচন করতে হবে। একাধিক প্রোফাইল থাকলে মূল প্রোফাইল ব্যবহার করে তাতে সাইনইন করতে হবে।
* ডিভাইস খুঁজে পাওয়া না গেলেও এর সর্বশেষ অবস্থান আপনি জানতে পারবেন।
* আপনার ফোনের অবস্থান শনাক্ত হলে আপনি তা দূরে থেকে কল দিতে পারেন। এ জন্য প্লে সাউন্ড অপশনে ক্লিক করতে হবে। ফোন সাইলেন্ট বা ভাইব্রেট মোডে থাকলেও এতে ৫ মিনিট পূর্ণ ভলিউমে শব্দ হবে। অবশ্য যদি ফোনটি চুরি হয়ে থাকে তবে শব্দ না করে দূর থেকে ফোন লক করে দিতে পারেন।
* এখানে আপনি Enable lock & erase অপশনে ক্লিক করে ফোনে লক করে দেওয়ার সুবিধা পাবেন। চাইলে ফোনে আপনার পছন্দের পাসওয়ার্ড, প্যাটার্ন লক দিতে পারবেন। লক স্ক্রিনে বার্তা বা ফোন নম্বর দেখাতে পারবেন।
* মুছে ফেললে আপনার ডিভাইসে যত ডেটা আছে, তা মুছে যাবে। কিন্তু এসডি কার্ডের তথ্য মুছবে না। তবে তথ্য মুছে দিলে ফাইন্ড মাই ডিভাইস অপশনটি আর কাজ করবে না।

মনে রাখতে হবে, Find my phone অপশনটি কেবল ফোন চালু থাকলে এবং তাতে ইন্টারনেট সংযোগ চালু থাকলে তবেই কাজ করবে। তাই যাঁরা হুটাহাট ফোন হারিয়ে ফেলেন, তাঁরা গুগল অ্যাকাউন্ট দিয়ে ফোনে লগইন করার পাশাপাশি ইন্টারনেট সংযোগের আওতায় থাকবেন। লোকেশন ও ফাইন্ড মাই ডিভাইস অপশন চালু রাখবেন।

দ্বিতীয় পদ্ধতিঃ
যদি সতর্ক থাকার পরেও আপনার মোবাইল ফোন চুরি যায়,
সেক্ষেত্রে নিম্নোক্ত চারটি স্টেপ অনুসরণ করুনঃ

১) সাধারণ ডায়েরি করতে হবে। ফোন যেখানে হারিয়েছে তার নিকটস্থ থানায় উপস্থিত হয়ে সাধারণ ডায়েরি করতে পারবেন। এ সময় ফোনের আইএমইআই নম্বর, ফোনে ব্যবহৃত সিমের নম্বর প্রভৃতি উল্লেখ করে করতে হবে।
২) সাধারণ ডায়েরি করার সময় ফোন ক্রয়ের রসিদ, সিম রেজিস্ট্রেশন ডকুমেন্ট ইত্যাদির কপি দিতে হবে। মূল কপি নিজের কাছে যত্ন সহকারে রেখে দিবেন।
৩) জিডির এক কপি সহ র‍্যাবে অভিযোগ করুন। অনেকেই জানেন না, র‍্যাব পুলিশেরই একটি বিশেষায়িত ইউনিট।
৪) জিডির কপিতে উল্লেখ করা অফিসারের সাথে যোগাযোগ রাখুন এবং তার মাধ্যমে ডিবি এর ট্র্যাকিং টিমের সহায়তা নিন।
অনেক সময় দেখা যায় আইটিতে দক্ষ ইউজার নিজেই ট্র্যাক করে বের করে ফেলেছেন মোবাইলের অবস্থান। এরকম হলে ডিবির জন্যে বসে থেকে লাভ নেই, লোকেশন সহ জিডিতে উল্লেখিত অফিসারের সহায়তা নিয়ে চোর মশাইকে "খপ" করে ধরে ফেলুন।
জিডি করে বেশিরভাগ সময়েই ফোন ফেরত পাওয়া যায়না।
এর কারণ হচ্ছে, আমাদের ট্র্যাকিং টিম মূলতঃ প্রায়োরিটি দেয় অতি গুরুত্বপূর্ন কেইসগুলোর মোবাইল ট্র্যাকিং-কে।খুন, সন্ত্রাস-ইত্যাদি সংশ্লিষ্ট মোবাইল ট্র্যাক করাই এদের মূল কাজ, তাই হারিয়ে যাওয়া মোবাইল উদ্ধারের সিরিয়াল বহু পরে আসে- ততদিনে আপনি নতুন মোবাইল কিনে ফেলেন !
তবুও জিডি করবেন কেনোঃ
১) আপনার মোবাইল ব্যবহার করে কেউ অপকর্ম করলে ওটা যাতে আপনার ঘাড়ে না পড়ে সেজন্যে। আপনার হারিয়ে যাওয়া মোবাইলে সংরক্ষিত তথ্য ব্যবহার করে কেউ যদি অপকর্ম করে, জিডির কপি দেখিয়ে সেটার দায় থেকে রক্ষা পেতে পারবেন।
২) হঠাৎ হঠাৎ জিডির দ্বারা ট্র্যাকিং করে মোবাইল পাওয়া গেলেও যেতে পারে।
***এবার মেয়েদের জন্যে একটা পরামর্শ, জেন্ডার বায়াসড শোনালেও ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। প্লিজ, মোবাইল ফোনে নিজেদের এমন কোন ছবি রাখবেন না যেটা প্রকাশ হওয়াটা আপনার জন্যে সামাজিক এবং অন্যান্য ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। আরো ভালো হয়, যদি এধরণের ছবি না তোলেন। অন্তরংগ মুহূর্তে কেউ ওরকম ছবি তুলতে চাইলে ওই ভদ্রলোকের (ক্ষেত্রবিশেষে ভদ্রমহিলার) উদ্দেশ্য সম্পর্কে সন্দিহান হয়ে উঠুন। মনে রাখবেন, একবারের ভালবাসায় উঠানো অন্তরঙ্গ মূহুর্ত্বের ছবি আপনার সারাজীবনের কান্নার কারন হয়ে দাড়াতে পারে।

31/12/2016

প্রসংগঃ হলুদ হিমু, হলুদ ব্রাজিল...
এই যে ভাইয়া/আপু - আপনাকে অত্যন্ত বিনয়ের সাথে বলছি, কাফের মুশরেকদের অনুকরণ করতে করতে কাফের হয়ে যাওয়ার আগেই একটু সতর্ক হন - ঈমান আকীদার হেফাজত করুন।
______________________
আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পুরুষদেরকে সম্পূর্ণ এক রঙের হলুদ কাপড় পড়তে নিষেধ করেছেনঃ
হলুদ হারাম কেনো?
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আলি রাদিয়াল্লাহু আ'নহুকে দুইটি হলুদ রঙয়ের কাপড় পড়া অবস্থায় দেখলেন। তিনি তখন বলেনঃ এই রঙ কাফেরদের জন্য, এই রঙের কাপড় পড়োনা। মুসলিম ২০৭৭।
***নারীরা হলুদ কাপড় পড়তে পারবেন। কিন্তু রঙ্গিন আকর্ষণীয় কোনো পোশাক পড়ে বাইরে যেতে পারবেন না। পোশাকের উপরে বোরখা অথবা চাদর পড়ে বাইরে যাবেন।
__________________________________
হিমুঃ
হিমুর একটা গুণ হলো সে ভবিষ্যত দেখতে পারে (নাউযুবিল্লাহ)!
আশ্চর্যের বিষয় এইরকম ডাহা শিরক সমৃদ্ধ বই আজকালকার মুসলমানেরা পড়ে, বিনোদনের জন্য। আসলে রাসুল (সাঃ) এর কথাই ঠিক। তিনি বলেন, "আকর্ষণীয় ও হৃদয়গ্রাহী জিনিস সমূহ দিয়ে জাহান্নামকে আড়াল করে রাখা হয়েছে।"
যে সমস্ত কবি সাহিত্যিকরা শিরকি কুফুরী গল্প/কবিতা লিখে বা বলে, ইসলাম বিরোধী জেনা ব্যভিচারের গল্প লিখে, অশ্লীল নাটক সিনেমা বানায় আর মানুষকে পথভ্রষ্ট করে তাদের সম্পর্কে আল্লাহ বলেছেনঃ এদের উপর শয়তান নাযিল হয়। শয়তান এদের উপর ভর করে যা শিখিয়ে দেয় এর মাধ্যমে তারা তাদের ভক্ত ও পাঠকদের ব্রেইন ওয়াশ করে ও পথভ্রষ্ট করে।
দেখুন আল্লাহ কি বলেছেন, ভ্রান্ত কবি সাহিত্যিকদের সম্পর্কেঃ
“আমি কি আপনাকে বলে দেব, শয়তানরা কার উপর অবতরণ করে? তারা অবতীর্ণ হয় প্রত্যেক মিথ্যাবাদী, গোনাহগারের উপর। তারা শোনা কথা এনে দেয় এবং তাদের অধিকাংশই মিথ্যাবাদী”।
সুরা আশ-শুআরা, আয়াত ২২১-২২৩।
আল্লাহ এই আয়াতগুলোতে কবি সাহিত্যিকদের যে কয়টি গুণ উল্লেখ করেছেনঃ
১. তাদের উপর শয়তানরা ভর করে
২. তারা গুনাহগার এবং তাদের অধিকাংশই মিথ্যাবাদী
৩. তারা শয়তানের শিখানো কথা মানুষের কাছে পোঁছে দেয়।
এর মাধ্যেম আসলে শয়তান লেখক ও কবিদেরকে ব্যবহার করে, মানুষকে পথভ্রষ্ট করার জন্য। এই জন্যই এই সমস্ত লেখকরা এতো জনপ্রিয়তা পায়, শয়তানের সাহায্য নিয়ে।
আর এই সমস্ত কবি সাহিত্যিকদের লেখা, গল্প, উপন্যসা অথবা ভুয়া কাল্পনিক চরিত্রকে যারা ভালোবাসে, তাদেরকে অনুসরণ করে, আল্লাহ তাদেরকে পথভ্রষ্ট বলেছেন।
“পথভ্রষ্ট লোকেরাই কবিদের অনুসরণ করে। তুমি কি দেখ না যে, তারা প্রতি ময়দানেই উদভ্রান্ত হয়ে ঘুরে বেড়ায়? এবং এমন কথা বলে, যা তারা করে না।” সুরা আশ-শুআরা, আয়াত ২২৪-২২৬।
হিমু যে শয়তানের শিখিয়ে দেওয়া একটা চরিত্র, তার ডাইরেক্ট প্রমান পাওয়া যায় এই হাদীসটা দিয়েঃ
রাসুলুল্লাহ (সাঃ) আলি (রাঃ) কে দুইটি হলুদ রঙয়ের কাপড় পড়া অবস্থায় দেখলেন। তিনি তখন বলেনঃ এই রঙ কাফেরদের জন্য, এই রঙের কাপড় পড়োনা। মুসলিম ২০৭৭।
কেনো লেখক অন্য কোনো রঙ বাদ দিয়ে হলুদটাই বেছে নিলো - হিমুর কাপড়ের রঙ হিসেবে? একটু বিবেচনা করুন ও সতর্ক হন।
______________________________
হিমু নিয়ে লেখা পোস্টের প্রেক্ষিতে একটা কথা বলে দেওয়া জরুরী মনে করছি –কেউ যদি ব্যপারটা জেনে না থাকেন তাদের জন্য...
জ্যোতিষ শাস্ত্র, নক্ষত্র বা হাত দেখে ভাগ্য গণনা, গণক, রাশিফল – এই সবগুলো কাজ কুফুরী ও শিরক!!
আল্লাহ ভাগ্য গণনাকে শয়তানের কাজ বলেছেন!
সুরা আল-মায়েদা, আয়াত ৯০।
যে এইগুলো বিশ্বাস করবে তার ঈমান নষ্ট হয়ে যাবে, তাকে আবার তোওবা করে ঈমান আনতে হবে।

28/12/2016
07/10/2016

চলুন জেনে নেই পৃথিবীর সব জনপ্রিয় সাইটগুলো কী কী
আপনি জানেন কি? বিশ্বের কোন কোন ওয়েবসাইট সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়?
চলুন জেনেনেই...............:
১। গুগল:: www.Google.com
২। ফেইসবুক:: www.Facebook.com
৩। ইউটিউব:: www.Youtube.com
৪। ইয়াহু:: www.Yahoo.com
৫। আমাজন:: www.Amazon.com
৬। উইকিপিডিয়া:: www.Wikipedia.org
৭। টুইটার:: www.Twitter.com
৮। লাইভ:: www.Live.com
৯। লিংকড ইন:: www.Linkedin.com
১০। ইবে:: www.Ebay.com
১১। বল্গস্পট:: www.Blogspot.com
১২। বিং:: www.Bing.com
১৩। ওয়ার্ডপ্রেস:: www.Wordpress.com
১৪। পেপাল:: www.Paypal.com
১৫। মাইক্রোসফট:: www.Microsoft.com
১৬। এপল:: www.Apple.com
(এলেক্সা রেঙ্ক অনুযায়ী পৃথিবীর বহুল জনপ্রিয় ওয়েবসাইট এইগুল)
পোস্টটি ভাল লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না

06/10/2016
দীর্ঘ ৫ বছরের অপেক্ষার পর আজ (০৩ অক্টোবর) থেকে দেওয়া হচ্ছে উন্নতমানের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা স্মার্টকার্ড।আপনার স্ম...
05/10/2016

দীর্ঘ ৫ বছরের অপেক্ষার পর আজ (০৩ অক্টোবর) থেকে দেওয়া হচ্ছে উন্নতমানের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা স্মার্টকার্ড।

আপনার স্মার্ট কার্ড কবে কোথায় দেওয়া হবে তা জানতে যা যা করতে হবে-

ক) ওয়েবসাইটের মাধ্যমেঃ
১. এই লিংকে প্রবেশ করুন- https://services.nidw.gov.bd/card_distribution
২. আপনার এনআইডি নম্বর বা ভোটার নিবন্ধন ফরমের স্লিপ নম্বর, জন্ম তারিখ ও ক্যাপচা লিখুন।
৩. ‘কার্ড বিতরণ তথ্য দেখুন’ অপশনে ক্লিক করতে হবে।
৪. এরপর যে উইন্ডো আসবে সেখানেই থাকবে কবে, কোন ক্যাম্পে আপনার স্মার্টকার্ডটি কবে দেওয়া হবে।
৫. যদি লেখা উঠে – “No data found for: Your card distribution date is not scheduled yet, please try later.”; তাহলে বুঝতে হবে আপনার এলাকায় কবে স্মার্ট কার্ড দেওয়া হবে তার তারিখ এখনো নির্ধারিত হয়নি। আর কিছুদিন পর আবার ট্রাই করবেন।
খ) মোবাইলের মেসেজের মাধ্যমেঃ
মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে SC লিখে
স্পেস দিয়ে ১৭ ডিজিটের এনআইডি নম্বর লিখতে হবে।
যাদের এনআইডি নম্বর ১৩ ডিজিটের,
তারা প্রথমে জন্ম সাল যুক্ত করে নেবেন।
এরপর তা ১০৫ নম্বরে পাঠালেই ফিরতি মেসেজে জানিয়ে দেওয়ার তথ্য।
এদিকে যারা এখনো NID পাননি তারা
প্রথমে SC লিখে স্পেস দেবেন।
এরপর F লিখে স্পেস দিয়ে নিবন্ধন ফরম নম্বর লিখবেন।
আবারও স্পেস দিয়ে D লিখে yyy-mmm-ddd ফরম্যাটে
জন্মতারিখ লিখে ১০৫ নম্বরে মেসেজ সেন্ড করবেন।
ফিরতি মেসেজে আপনার এনআইডি কবে
কোথায় কোন ক্যাম্পে দেওয়া হবে তা জানানো হবে।
গ) মোবাইলের মাধ্যমে কল করেঃ
১০৫ নম্বরে কল করে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে জানতে পারবেন।
উল্লেখ্য, ৩ অক্টোবর থেকে ঢাকার উত্তরা ও রমনা
থানার ভোটার ও কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ি উপজেলায়
দাসিয়াছড়ার ভোটারদের স্মার্টকার্ড দেওয়া হবে।
প্রথমে ঢাকার দুই সিটি, এরপর অন্য নয় সিটি,
তারপর জেলা পর্যায়ে স্মার্টকার্ড বিতরণ করা হবে।
সবশেষে পাবেন উপজেলা পর্যায়ের ভোটাররা।
বি.দ্র. ১৭ ডিজিটের NID (National ID) Card নম্বর লিখতে হবে।
যাদের NID নম্বর ১৩ ডিজিটের, তারা প্রথমে
জন্ম সাল যুক্ত করে নেবেন। যেমন: 1980 লিখে NID নম্বর শুরু হবে।
পোস্টটি শেয়ার করে আপনার ওয়ালে রেখে দিতে পারেন।
এই তথ্যগুলো না জানার কারণে আপনার স্মার্ট কার্ডটি পেতে সমস্যায় পড়তে পারেন। কারণ নির্দিষ্ট দিনে সশরীরে নির্দিষ্ট স্থানে হাজির হয়ে আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করে স্মার্ট কার্ড সংগ্রহ করতে হবে।

04/10/2016

You wouldn’t send an outdated resume to a potential employer, so why let your LinkedIn profile languish with old and outdated information?

Address

1037, Malibagh Bazar Road
Dhaka
1217

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when M.H. Soft Ltd. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to M.H. Soft Ltd.:

Share