Technews24

Technews24 TechNews24 is a facebook news page focused around the Tech community.
বিজ্ঞান ও প?

02/09/2019

ফেসবুকে মেয়ে সেজে অপহরণ করতেন তারা

ফেসবুকে মেয়েদের সুন্দর ছবি ব্যবহার কয়রে ভুয়া আইডি খুলে বিভিন্ন ব্যক্তির সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলতেন তারা

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মেয়েদের সুন্দর ছবি ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তিকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে অপহরণের অভিযোগে ৫ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। শনিবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে পাবনার র‌্যাব-১২ ও সিপিসি-২ এসব তথ্য জানিয়েছে।

সম্প্রতি এক ভুক্তভোগীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে র‍্যাব-১২'র পাবনা ক্যাম্পের একটি বিশেষ দল জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই ৫ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতার ৫ ব্যক্তি হলেন- পাবনা সদরের শালগাড়িয়া এলাকার মো. মনোয়ার ইসলাম মামুন (৩১), রামচন্দ্রপুর ঘোষপাড়ার মাসুদ রানা শাওন (২৭),শালগাড়িয়া হাসপাতাল পাড়ার কাজী ইমদাদুল হক হীরো (৩৭), দিলালপুর ঘোষপাড়ার এস এম রাকিব হাসান রুবেল (২৮) ও শালগাড়িয়া মুজাহিদ ক্লাব পাড়ার সুজন আলী প্রিন্স (৩০)।

র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত সবাই একটি অপহরণ চক্রের সাথে জড়িত। তারা ফেসবুকে মেয়েদের সুন্দর ছবি ব্যবহার কয়রে ভুয়া আইডি খুলে বিভিন্ন ব্যক্তির সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলতেন। পরে প্রেমের ফাঁদে ফেলে তাদের ডেকে নিয়ে জিম্মি করে ভুক্তভোগীদের পরিবারের কাছ থেকে বড় অংকের টাকা হাতিয়ে নিতেন এই প্রতারক চক্রের সদস্যরা। এই চক্রের প্রতারণার ফাঁদে পড়ে অনেক পরিবারই তাদের সর্বস্ব হারিয়েছে।

র‌্যাব-১২, পাবনা ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার এসএম জামিল আহমেদ বলেন, "গ্রেফতারের সময় ওই আসামিদের কাছ থেকে পাওয়া প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত মোবাইল থেকে বিভিন্ন মেয়েদের নামে ভুয়া ফেসবুক আইডি এবং ফেসবুক মেসেঞ্জারে তাদের কথোপকথনের ভয়েস রেকর্ডের সন্ধান পেয়েছে র‍্যাব। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার ৫ ব্যক্তি তাদের অপরাধ স্বীকার করেছেন। আসামিদের বিরুদ্ধে পাবানা সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এবং তাদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।"
প্রকাশিত ০৮:৩৬ রাত আগস্ট ৩১, ২০১৯ | dhakatribune

20/10/2017

ক্যালকুলেটরের চেয়ে দ্রুত গণনা করার টেকনিক জেনে নিন।

আপনাকে বলা হল ৩২ * ১১ = ?
আসেন মাথার মইধ্যেই কইরা ফালাই…
এইখানে * = গুনন ৩+২=৫ এই ৫ কে বসাই দেন ৩২এর মাঝখানে, পাইলেন ৩৫২ এইটাই আপনার উত্তর ক্যালকুলেটরের টিপ্যা বাইর করতে করতে আপনার উত্তর কওন সাড়া!

আবার একই ভাবে ৪৪*১১=? একই ভাবে, ৪+৪= ৮
বসাই দেন ৪৪ এর মাঝখানে পাইয়া গেলেন ৪৮৪ আপনার উত্তর।

৮১*১১ = ? ৮+১=৯ অতএব , ৮১*১১=৮৯১।
৮৫*১১ =? এইখানে একটু ঘাপলা আছে, ৮+৫ =১৩
এখানে কিন্তু ১৩ মাঝখানে বসে উত্তর ৮১৩৫ হবে না, আপনি আগের মতো ৩ কে ৮ ও ৫ এর মাঝখানে বসাবেন আর এই অতিরিক্ত ১ কে ৮
এর সাথে যোগ করে দিন, পেয়ে গেলেন ৯৫৩!
এটাই আপনার উত্তর।

আরেকটা দেখাই , ৮৭*১১ = ?
৮+৭ = ১৫ >> ৫ কে মাঝখানে বসান,অতিরিক্ত ১ কে ৮ এর সাথে যোগ করে দেন পেলেন, ৯৫৭
এটাই উত্তর।

এবার আরেকটু কঠিন দিকে যাই, ৯৯*১১ = ?
৯+৯ = ১৮ , ৮ কে মাঝে রেখে ৯ এর সাথে ১ যোগ করে ১০ পাই সেভাবেই বসিয়ে আমরা পাই, ১০৮৯ এটিই উত্তর।

এখন তিনটি সংখ্যার সাথে গুনের ক্ষেত্রে ?
যেমন ৩২৫*১১ = ?
এখানে প্রথমের ৩ ও পরের ৫ ঠিক থাকবে, মাঝের ক্যলকুলেশন হবে এরকম, প্রথমে ৩+২=৫,
এবং ২+৫=৭, পেয়ে গেলেন ৫৭, এই ৫৭ কে ৩,৫
এর মাঝে বসিয়ে দিন পেয়ে গেলেন ৩৫৭৫
এটিই আপনার উত্তর।

এটা কেবল ১১ এর সাথে গুনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।আপনি কিছুটা প্রাকটিস করলে আপনার সর্বোচ্চ আধাঘন্টা লাগবে আয়ত্তে
আনতে।

20/10/2017

জেনে নিন বাড়ি তৈরিতে বিভিন্ন অংশের মাপ !

দিন দিন মানুষের রূচি বদলাচ্ছে, বদলাচ্ছে বাড়ি তৈরিতে ব্যবহার্য কক্ষের আকার ও আয়তন ।

কিন্তু ইচ্ছামত কক্ষের আকার ও আয়তন বৃদ্ধি করা গেলেও এর জন্য সর্বনিন্ম একটি পরিমাণ রয়েছে।

→ নিন্মে পাঠকদেরজন্য তা তুলে ধরা হল: বাড়ি তৈরিতে বিভিন্ন অংশের মাপ : নাম →উচ্চতা →আয়তন→ কোন পাশের দৈর্ঘ্য

# প্লিন্থ :
→উচ্চতা:150 মিমি বা 6ইঞ্চির কম হবেনা
→আয়তন:———–
→কোন পাশের দৈরঘ———

# লিভিংরুম :
→উচ্চতা:2.75মিটার এর কম হবেনা
→আয়তন :9.5 বর্গমিটারএর কম হবে না
→কোন পাশের দৈর্ঘঃ2.4 মিটার এর কম হবে না

# ড্রয়িংরুম :
→উচ্চতা:2.75 মিটার এ কম হবে না
→আয়তন:9.5বর্গমিটার এর কম হবে না
→কোন পপাশের দৈর্ঘ:2.4 মিটার এর কম হবে না

# রান্নাঘর :
→উচ্চতা:2.75 মিটার এর কম হবে না
→আয়তন:5 বর্গমিটার এর কম হবে না
→কোন পাশের দৈর্ঘ:1.8 মিটার এর কম হবে না

# টয়লেট :
→মাঝেরখালি অংশেরউচ্চতা :2 মিটার এর কম হবে না
→আয়তন:1.8 বর্গমিটার এর কম হবে না
→কোন পপাশের দৈর্ঘ—————

# স্টোররুম :
→উচ্চতা:2.2 মিটার এর কম হবে না
→আয়তন:3 বর্গমিটার এর কম হবে না
→কোন পাশের দৈর্ঘ—————

# গ্যারেজ :
→উচ্চতা:কমপক্ষে 2.4 মিটার হতে হবে
→আয়তন:কমপক্ষে 2.5মিটার X 5মিটার হতেহবে।
→কোন পাশের দৈর্ঘ—————

# সিঁড়ি :
→যেকোনজায়গাতে খাড়াখালি উচ্চতা(হেডরুম): 2.2মিটার,
→একটা ধাপের উচ্চতা:150 মি.মি. চওড়া
*বাসারজন্য 1 মিটার,
*হলরুমের জন্য 1.5মিটার,
*প্রতিষ্ঠানেরজন্য 2 মিটার

→পাদানি বা ধাপের চওড়া:কমপক্ষে 250 মি.মি.
# ভ্যান্টিলেশন_সিস্টেম :
ভ্যান্টিলেশন সিস্টেমের জন্য সর্বনিন্ম নিচের মত
খোলা দেয়াল থাকতে হবে:
(ক) মেঝের দশ ভাগের এক ভাগ পরিমাণ, গরম
আবহাওয়াতে
(খ) মেঝের ছয় ভাগের এক ভাগ পরিমাণ, ভেজা
গরম আবহাওয়াতে
(গ) মেঝের আট ভাগের এক ভাগ পরিমাণ, সাধারণ
আবহাওয়াতে ।

20/10/2017

set back rule.

১. যেখানে রাস্তার বিস্তার ৪০ ফিট থেকে কম,
সেখানে রাস্তার কেন্দ্র থেকে দালানের
দূরত্ত কমপহ্মে ২০ ফিট হতে হবে।
২. আবাসিক এলাকায় রাস্তার প্রান্ত থেকে
কমপহ্মে ১০ ফিট ক্লিয়ারেন্স থাকতে হবে।
৩. হাইওয়ের ১৫ ফিটের মাঝে কোন দালান থাকা যাবেনা।
ব্যাবসায়িক এলাকায় যেসব ব্যাবস্থা থাকবে,
১. কার পার্কিং এর ব্যাবস্থা।
২. দালানে লিফটের ব্যাবস্থা।
৩. বহুতল ভবন।
৪. সিডির জম্য পর্যাপ্ত জায়গা।

20/10/2017

কনস্ট্রাকশন সিকোয়েন্স :

আমাদের সমাজ জীবনে সকল কাজ করতে হয় একটি নির্দীষ্ট ক্রম অনুসরন করে । ঠিক তেমনি একটি ভবন তৈরির ক্ষেত্রেও
একটি নির্দীষ্ট ক্রম অনুসরন করতে হয় । যাকে প্রকৌশলীদের
ভাষায় “কনস্ট্রাকশন সিকোয়েন্স” বলা হয় ।

“কনস্ট্রাকশন সিকোয়েন্স” কে দুই ভাগে ভাগ করা হয়।
একটি হলো “কাঠামোগত বা স্ট্রাকচারাল কাজ”।
আর অপরটি হলো “সৌন্দর্য বর্ধণ বা ফিনিশিং কাজ”।

একটি ভবনে কাজের “কনস্ট্রাকশন সিকোয়েন্স” নিন্মে তুলে ধরা হলো:
1. কাঠামোগত বা স্ট্রাকচারাল কাজ :
♪প্রথম ধাপ : সাইট মোবিলাইজেশন বা সাইটে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম
সন্নিবেশ করা ,
♪দ্বিতীয় ধাপ : ভূমি জরিপ করে ভূগর্ভস্থ মাটি পরীক্ষা করা,
♪তৃতীয় ধাপ : আর্কিটেকচারাল, স্ট্রাকচারাল, প্লাম্বিং, ইলেকট্রিক্যাল এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ড্রয়িং তৈরি করা
♪চতুর্থ ধাপ : ভবনের প্রয়োজনীয় সকল লে-আউট ও লেভেল দেয়া।
♪পঞ্চম ধাপ : প্রয়োজন হলে পাইলিং করা এবং মাটি কাটা
♪ষষ্ঠ ধাপ : ভিত্তির তলদেশে ব্লাইন্ড বা লীন কংক্রীট ঢালাই ও ইটের
সোলিং করা ,
♪সপ্তম ধাপ : ভিত্তির ঢালাই দেওয়া
♪অষ্টম ধাপ : কলামের রড বাঁধা এবং ঢালাই দেওয়া,
♪নবম ধাপ : বীম ও ছাদের রড বাঁধা এবং ঢালাই দেওয়া,
♪দশম ধাপ : মেঝেতে ইটের প্রয়োজনীয় লে-আউট দেয়া এবং গাঁথুনীর কাজ করা
2. সৌন্দর্য বর্ধণ বা ফিনিশিং কাজ :
♪প্রথম ধাপ : দরজায় কাঠের চৌকাঠ লাগানো,
♪দ্বিতীয় ধাপ : সিড়িঁ, বারান্দা ও জানালার গ্রীল লাগানো,
♪তৃতীয় ধাপ : বাথরূম ও কিচেন সহ সকল ধরনের স্যানিটারী ও
প্লাম্বিং এর পাইপ ফিটিং করা,
♪চতুর্থ ধাপ : ওয়ালের গ্রুপ লাইন কাঁটা ও বৈদ্যুতিক সুইচবোর্ডের দেওয়ালের ভিতরের অংশের কাজ শেষ করা ,
♪পঞ্চম ধাপ : ভবনের ভিতরের অংশে প্লাষ্টার করা ,
♪ষষ্ঠ ধাপ : ভবনের বাইরের অংশে প্লাষ্টার করা,
♪সপ্তম ধাপ : বাথরূমের ও কিচেন বেসিন বা সিঙ্ক সহ অন্যান্য
প্রয়োজনীয় স্ল্যাব ঢালাই ও কনসিল অংশ লাগানো ,
♪অষ্টম ধাপ : দরজা, জানালা, বারান্দা ও অন্যান্য অংশের
থাই-এ্যালুমিনিয়াম ও গ্লাস লাগানো,
♪নবম ধাপ : কিচেন ও বাথরূমের দেওয়ালের টাইলস্ লাগানো ,
♪দশম ধাপ : সিলার ও পুটি সহ সিলিং এ রং এর ১ম কোট দেয়া,
♪একাদশ ধাপ : ভিতরের বা বাইরের মেঝেতে ও সিড়িঁতে বা লিফটের
দেওয়ালের সকল টাইলস্বা মার্বেল লাগানো ,
♪দ্বাদশ ধাপ : বৈদ্যুতিক ওয়্যারিং করা,
♪এয়োদশ ধাপ : ভবনের বাইরের ও ভিতরের দেওয়ালে রং এর ১ম
কোট দেয়া,
♪চতুর্দশ ধাপ : দরজার বা জানালা পাল্লা ফিটিং করা এবং কাঠ
অন্যান্য কাজ সারা,
♪পঞ্চদশ ধাপ : বাথরূম ও কিচেনের সকল ফিটিংস লাগানো এবং ফিনিশিং করা,
♪ষষ্ঠোদশ ধাপ : বৈদ্যুতিক সুইচ, সকেট,হুক,সিলিং রোজ ও
সার্কিট ব্রেকার লাগানো ,
♪সপ্তোদশ ধাপ : টাইলস্ ও মার্বেলের পয়েন্টিং করা ,
♪অষ্টাদশ ধাপ : ছাদের উপরের ফিনিশিং কাজ ও সুইমিং পুল
টাইলস লাগনো ,
♪উনবিংশ ধাপ : পেটেন স্টোন করা বেজমেন্ট বা ছাদের উপর,
♪বিশতম ধাপ : কাঠের বার্নিশ
বা পলিশ ও দেওয়ালের রং এর ফাইনাল কোট করা,
একুশ তম ধাপ : বৈদ্যুতিক সকল বাতি ও ফ্যান লাগানো, বাইশতম ধাপ : সকল ধরনের ফার্নিচার সেট করা।

20/10/2017

ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য নির্দেশনা গুলো মেনে চলার চেষ্টা করবেন।
নতুন বিল্ডিং বা কাঠামো নির্মাণ করার ক্ষেত্রে করণীয়:

১। যে কোন বিল্ডিং-এর নকশা তৈরি করার
পূর্বেই স্ট্রাকচারাল নকশার বিধিগুলোর
অনুসরণ করতে হবে। মনে রাখতে হবে সঠিক
স্ট্রাকচারাল নকশা না হলে ভূমিকম্পরোধক
বিল্ডিং হবে না।
২। বিল্ডিং ডিজাইনের আগেই অভিজ্ঞ
ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা মাটির গুনাগুণ বিশ্লেষণ
ও মাটির ধারণক্ষমতা নির্ভুলভাবে
নির্ণয়পূর্বক রিপোর্ট তৈরি করতে হবে।
৩। বিল্ডিং নির্মাণের সময় অভিজ্ঞ
প্রকৌশলীদের (সিভিল ইঞ্জিনিয়ার)
তদারকি রাখতে হবে যাতে গুণগত মান ঠিক
থাকে।
৪। সঠিক অনুপাতে গুনগতমানের সিমেন্ট, রড,
বালির ব্যবহার হচ্ছে কিনা দেখতে হবে।
কংক্রিটের চাপ বহন ক্ষমতা কোনো
অবস্থাতেই ৩০০০ পিএসআই-এর নিচে নামানো
যাবেনা । তার জন্য সার্বক্ষণিকভাবে
নির্মানাধীন সাইটে দায়িত্বে নিয়োজিত
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদেরকে কিউব অথবা
সিলিন্ডার টেস্ট করতে হবে। কংক্রিটের
মিক্সাচারে অতিরিক্ত পানি ব্যবহার থেকে
বিরত থাকুন। ঢালাই’র পরে পানির ব্যবহার
করে কংক্রিটের কিউরিং করতে হবে।
৫। উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন রড পরীক্ষাপুর্বক
ব্যবহার করতে হবে। রডের বহন ক্ষমতা ৬০
হাজার পিএসআই-এর কাছাকাছি থাকতে
হবে। স্ক্র্যাপ বা গার্বেজ থেকে প্রস্তুতকৃত
রড ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে ।
৬। বিল্ডিং-এর প্ল্যান ও এলিভেশান দুই
দিকই সামাঞ্জ্য থাকতে হবে।
৭। নির্ধারিত ডিজাইনের বাইরে গিয়ে
অতিরিক্ত ফ্লোর নির্মাণ করবেন না।
বিল্ডিং কোড অনুসারে এক্সপানশান ফাঁক
রাখতে হবে।
৮। বেশি পরিমান সরু ও উঁচু বিল্ডিং-এর পাশ
হঠাৎ করে কমাবেন না। যদি কমাতে হয়
তাহলে ত্রিমাত্রিক ডাইনামিক বিশ্লেষণ
করে ডিজাইন করতে হবে।
৯। বিল্ডিং-এর উচ্চতা যদি ভবনের প্রস্থের ৪
(চার) গুণের অধিক হয় তাহলে ত্রিমাত্রিক
ডাইমানশন বিশ্লেষণ করে ডিজাইন করতে
হবে।
১০। ‘সেটব্যাক’ বা হঠাৎ করে বিল্ডিং-এর
পাশের মাপঝোপ কমানো যাবেনা। যদি
কমাতেই হয় তাহলে ত্রিমাত্রিক বিশ্লেষণ
করে সাইট অ্যাফেক্ট জেনে ডিজাইন করতে
হবে।
১১। জটিল কাঠামোগত প্লানের জন্য অবশ্যই
ত্রিমাত্রিক ভূমিকম্প বিশ্লেষণ করে
ডিজাইন করতে হবে।
১২। ‘শেয়ার ওয়াল’ বা কংক্রিটের দেয়াল
সঠিক স্থানে বসিয়ে ভূমিকম্পরোধ শক্তির
পরিমাণ বাড়াতে হবে।
১৩। সা¤প্রতিক সময়ে যে হারে ঋষধঃ চষধঃব
ইঁরষফরহম ঝুংঃবস (বিম ছাড়া কলাম ও
স্ল্যাব) বিল্ডিং তৈরি হচ্ছে, তা মাঝারি
ধরনের ভূমিকম্প হলেই ধ্বসে যাবে। সুতরাং
বিম, কলাম ও স্ল্যাব বিশিষ্ট বিল্ডিং তৈরি
করতে হবে।
১৪। দায়িত্বরত ইঞ্জিনিয়ারকে “বাংলাদেশ
জাতীয় বিল্ডিং কোড” অনুসরণ করে
বিল্ডিং-এর প্ল্যান/ ডিজাইন করে ভূমিকম্প
রোধক বিল্ডিং নির্মাণ করতে হবে।
১৫। নিচের তলা পার্কিং-এর জন্য খালি
রাখতে হলে, ঐ তলার পিলারগুলো
বিশেষভাবে ডিজাইন করতে হবে।
প্রয়োজনমতো কংক্রিটের দেওয়াল দিয়ে
পিলারগুলোতে বেষ্টনীবদ্ধ করতে হবে।
১৬। বিল্ডিং-এর ‘বিমের’ থেকে ‘পিলারের’
শক্তি বেশি করে ডিজাইন করতে হবে।
কমপক্ষে ২০% বেশি করতে হবে।
১৭। মাটির গুণাগুণের ওপর ভিত্তি করে যথাযথ
ফাউন্ডেশন প্রকৌশলগতভাবে যাচাই বাছাই
করে ডিজাইন করতে হবে।
১৮। ৫ ইঞ্চি ইটের দেয়ালগুলো ভূমিকম্পের
জন্য আদৌ নিরাপদ নয়। তাই এই দেয়ালগুলো
ছিদ্রযুক্ত ইটের ভিতরে চিকন রড দিয়ে
আড়াআড়ি ও লম্বালম্বিভাবে তৈরি করে
‘লিন্টেলের’ সাথে যুক্ত করে দিতে হবে।
সবদিকে ‘লিন্টেল’ দিতে হবে। বিশেষ করে
দরজা বা জানালার খোলা জায়গায় চিকন
রড দিয়ে ৫ ইঞ্চি ইটের দেয়াল যুক্ত করতে
হবে।
১৯। মনে রাখতে হবে, নতুন বিল্ডিং নির্মাণে
ভূমিকম্প-প্রতিরোধক নিয়মাবলি প্রয়োগ
করলে, শুধুমাত্র ২-৩% নির্মাণ খরচ বৃদ্ধি পায়।
ভূমিকম্পের সময়ে করণীয়:
১। মানসিকভাবে শান্ত থাকুন ও অন্যদের
শান্ত রাখুন।
২। বিল্ডিংটি বিম ও কলামের কাঠামোর
ওপর নির্মিত হলে কলামের গা ঘেঁষে থাকুন।
আর বিল্ডিংটি দেয়াল-নির্ভর হলে বাইরের
কাছাকাছি কোনো কক্ষে অবস্থান নিন।
যাতে বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে গেলেও উদ্ধার-
কর্মীদের খুঁজে পেতে সুবিধা হয়।
৩। লিফট্ ব্যবহার করবেন না।
৪। বিদ্যুৎ চলে যেতে পারে, সেক্ষেত্রে টর্চ
ব্যবহার করুন।
৫। যোগাযোগ ব্যবস্থা বিছিন্ন হতে পারে,
সজাগ থাকুন।
৬। মাথায় হেলমেট, কুশন বা বালিশ দিয়ে
দরজার নিচে অথবা লোহার টেবিলের নিচে
আশ্রয় নিন।
৭। মাটির বাড়ি ও পরিত্যক্ত বিল্ডিং থেকে
যথাসম্ভব দূরে থাকুন।
ভূমিকম্পের সময় রাস্তায় থাকলে করণীয়:
১। খোলা জায়গায় অবস্থান নিন, শান্ত ও
সচেতন থাকুন।
২। দৌড় দেবেন না।
৩। ঝুঁকিপূর্ণ বাড়িঘর থেকে দূরে থাকুন।
৪। মাটির বাড়ি থেকে নিরাপদ জায়গায় চলে
আসুন।
৫। পুরাতন বিল্ডিং থেকে দূরে থাকুন।
৬। বৈদ্যুতিক তার থেকে দূরে থাকুন।
৭। ঢালু জায়গা বা দেয়াল থেকে দূরে থাকুন।
চলন্ত গাড়িতে থাকাকালীন সময়ে করণীয়:
১। চলন্ত গাড়ির ইঞ্জিন বন্ধ করে রাখুন।
২। খোলা জায়গায় গিয়ে গাড়ির ইঞ্জিন বন্ধ
করে অবস্থান নিন।
৩। বৈদ্যুতিক তার থেকে গাড়িটি দূরে
কোথাও পার্কিং করুন।
৪। দেয়ালের পাশে বা গাছের নিচে গাড়ি
পার্কিং করবেন না।
৫। যদি খোলা জায়গা না থাকে, তাহলে
গাড়ির গা ঘেঁষে বসে পরেন

20/10/2017

জমি জমার পরিমাপ

এখানে আমি একটি পরিমাপকে বিভিন্ন
ভাবে তুলে ধরেছি কারন প্রত্যেকে যেন
যার যার
সুবিধা মতে সহজে বুঝতে পারেন
১ অযুতাংশ = ৪ বর্গফুট ৫২.৩৬ বর্গ ইঞ্চি।
১ ছটাক = ৪৫ বর্গফুট।
১ শতাংশ =৪৩৫ বর্গফুট ৬৫.৪৫ বর্গ ইঞ্চি।
১ শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ।
৫ শতাংশ = ৩ কাঠা। = ১৩০৬.৮ বর্গফুট ।
১০ শতাংশ = ৬ কাঠা। = ৪৩৫৬ বর্গফুট।
১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট।
১ কাঠা = ৮০ বর্গগজ।
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ।
১ কাঠা = ১৬ ছটাক।
২০ কাঠা = ১ বিঘা।
৬০.৫ কাঠা = ১ একর।
১ বিঘা = ১৪,৪০০ বর্গফুট।
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ।
১ বিঘা = ২০ কাঠা ।
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ।
১ একর = ১০০ শতাংশ।
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক

20/10/2017

বিভিন্ন ম্যাটেরিয়াল এর ঘনত্ব এবং এঙ্গেল অফ-রিপোজ:

ফাউন্ডেশনের সময় নিচের উপাদানগুলি বেশি ব্যবহার
করা হয়।
এই সময় এঙ্গেল অফ রিপোজ খুব কাজে লাগে।
একই সাথে ঘনত্বও লাগে ফুটিং এর গভীরতা নির্ণয়
এর জন্য
১.বালি (ড্রাই)
ঘনত্ব:১৫০০-১৬৫০ কেজি/ঘনমিটার
এঙ্গেল অফ রিপোজ:২৫-৩৫(ডিগ্রি)
২.বালি (ড্যাম্প)
ঘনত্ব:১৭০০-১৮৫০কেজি/ঘনমিটার
এঙ্গেল অফ রিপোজ:৩০-৪০(ডিগ্রি)
৩.বালি (ভেজা)
ঘনত্ব:১৮০০-১৯০০কেজি/ঘনমিটার
এঙ্গেল অফ রিপোজ:১৫-৩০(ডিগ্রি)
৪.বালি (ড্রাই এবং কম্প্যাক্ট)
ঘনত্ব:১৭০০-১৮৫০কেজি/ঘনমিটার
এঙ্গেল অফ রিপোজ:৩৫-৪৫(ডিগ্রি)
৫.উর্বর মাটি (ড্রাই)
ঘনত্ব:১৬০০-১৭০০কেজি/ঘনমিটার
এঙ্গেল অফ রিপোজ:২০-৩০(ডিগ্রি)
৬.উর্বর মাটি (ড্যাম্প)
ঘনত্ব:১৬৫০-১৭৫০ কেজি/ঘনমিটার
এঙ্গেল অফ রিপোজ:৪০-৪৫(ডিগ্রি)
৭.উর্বর মাটি (ভেজা)
ঘনত্ব:১৭০০-১৮০০কেজি/ঘনমিটার
এঙ্গেল অফ রিপোজ:১৫-২০ ডিগ্রী
৮.উর্বর মাটি (ড্রাই এবং কনসোলিডেটেড)
ঘনত্ব:১৮০০ কেজি/ঘনমিটার
এঙ্গেল অফ রিপোজ:৪৫ ডিগ্রী
৯.গ্রাভেল
ঘনত্ব:১৭০০-১৮০০কেজি/ঘনমিটার
এঙ্গেল অফ রিপোজ:৪০-৪৫ডিগ্রী
১০.বালি-গ্রাভেল এর মিশ্রন
ঘনত্ব:১৮০০-১৯০০কেজি/ঘনমিটার
এঙ্গেল অফ রিপোজ:২৫-৩৫ডিগ্রী
১১.কাদা মাটি(ড্রাই)
ঘনত্ব:১৭০০-১৭৫০কেজি/ঘনমিটার
এঙ্গেল অফ রিপোজ:৩০ডিগ্রী
১২.কাদা মাটি(ড্যাম্প)
ঘনত্ব:১৭৫০-১৮৫০কেজি/ঘনমিটার
এঙ্গেল অফ রিপোজ:৩৫-৪০ ডিগ্রী
১৩.কাদা মাটি(ভেজা)
ঘনত্ব:১৮৫০-১৯০কেজি/ঘনমিটার
এঙ্গেল অফ রিপোজ:১৫ডিগ্রী
১৪.মাটি
ঘনত্ব:১৬০০-১৮৫০কেজি/ঘনমিটার
এঙ্গেল অফ রিপোজ:০ ডিগ্রী
১৫.ছাই
ঘনত্ব:৬০০-৮০০কেজি/ঘনমিটার
এঙ্গেল অফ রিপোজ:৪০ ডিগ্রী

20/10/2017

কটি বিল্ডিং এর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ক্রমানুসারে কাজের ধাপ:-
১) কাঠামোগত বা স্ট্রাকচারাল কাজ।
২) সৌন্দর্য বর্ধণ বা ফিনিশিং কাজ।

এই দুই অংশ কে কয়েকটি ধাপে বা পর্যায়ে ভাগ করা যেতে পারে:-

ক) কাঠামোগত বা স্ট্রাকচারাল কাজ:-
১- সরঞ্জাম সন্নিবেশ বা সাইট মোবিলাইজেশন।
২- ভূমি জরিপ ও ভূগর্ভস্থ মাটি পরীক্ষা।
৩- আর্কিটেকচারাল, স্ট্রাকচারাল, প্লাম্বিং এবং
ইলেকট্রিক্যাল নকশা চুড়ান্ত করা।
৪- ভবনের লে-আউট ও লেভেল দেয়া।
৫- পাইলিং করা (যদি প্রয়োজন হয়) ও মাটি কাটা।
৬- ফাউন্ডেশনের নিচে ব্লাইন্ড বা লীন কংক্রীট ঢালাই ও ইটের সোলিং করা।
৭- ফাউন্ডেশন ঢালাই।
৮- কলাম ঢালাই।
৯- বীম ও ছাদ ঢালাই।
১০- মেঝেতে ইটের লে-আউট দেয়া।
১১- ইটের গাঁথুনী করা।

খ) সৌন্দর্য বর্ধণ বা ফিনিশিং কাজ:-
১- দরজার চৌকাঠ লাগানো।
২- জানালার গ্রীল লাগানো।
৩- বাথরূম ও কিচেন সহ ছাদের বাগানের স্যানিটারী
ও প্লাম্বিং এর সব ধরণের পাইপ ফিটিং করা।
৪- বৈদ্যুতিক সুইচবোর্ডের দেওয়ালের ভিতরের অংশ লাগানো।
৫- ভিতরের প্লাষ্টার করা।
৬- বাইরের দিকের প্লাষ্টার করা।
৭- কিচেন ও বাথরূমের বেসিন বা সিঙ্কের স্ল্যাব ঢালাই ও কনসিল অংশ লাগানো।
৮- থাই-এলুমিনিয়াম জানালা বা দরজা লাগানো (গ্লাস সহ)।
৯- বাথরূম ও কিচেনের দেওয়ালের টাইলস লাগানো।
১০- সিলিং রং এর ১ম কোট দেয়া (সিলার বা পুটি সহ)।
১১- ঘরের ভিতরে বা বাইরে মেঝেতে ও সিড়িতে বা লিফটের দেওয়ালে টাইলস বা মার্বেল লাগানো।
১২- বৈদ্যুতিক তার টানা।
১৩- বাইরের ও ভিতরের দেওয়ালের রং এর ১ম কোট দেয়া।
১৪- দরজার পাল্লা ফিটিং করা।
১৫- বাথরূম ও কিচেনের ফিটিংস লাগানো।
১৬- বৈদ্যুতিক সুইচ বা সকেট লাগানো।
১৭- টাইলসের পয়েন্টিং করা।
১৮- ছাদের উপরের বাগানে মাটি ভরা ও সুইমিং পুলের
টাইলস লাগনো।
১৯- বেজমেন্ট বা ছাদের উপর পেটেন স্টোন করা।
২০- কাঠের বার্নিশ ও দেওয়ালের চুড়ান্ত রং করা।
[According to BNBC]

20/10/2017

কিছু পরিমাপ (পরিবেশ ভেদে/কাজ এর উপর নির্ভর
করে কম বেশি কিছুটা হতে পারে)

৫’’ ইটের কাজ (১:৫)
কাজের পরিমাপ:১০০ বর্গফুট
ফার্স্ট ক্লাস ইট:৫০০টি
সিমেন্ট:২.২৫ ব্যগ
বালু:১৫ঘনফুট
১০’’ ইটের কাজ (১:৬)
কাজের পরিমাপ:১০০ বর্গফুট
ফার্স্ট ক্লাস ইট:১১৫০টি
সিমেন্ট:৪ ব্যগ
বালু:৩৫ঘনফুট
সমতল ইটের সোলিং(এক েলয়ারের)
কাজের পরিমাপ:১০০ বর্গফুট
ফার্স্ট ক্লাস ইট:৩০০টি
বালু(লোকাল):৮ঘনফুট
সিমেন্ট কনক্রিট:=১:৩:৬
কাজের পরিমাপ:১০০ বর্গফুট
সিমেন্ট:১২ ব্যগ
বালু:৪৫ঘনফুট
খোয়া/পাথুরে কুচি:৯০ঘনফুট
সিমেন্ট কনক্রিট:=১:২:৪
কাজের পরিমাপ:১০০ বর্গফুট
সিমেন্ট:১৭.৫ ব্যগ
বালু(সিলেট):৪৬ঘনফুট
পাথুরে কুচি(৩/৮’’):৬৭ঘনফুট
পাথুরে কুচি(১/৮’’):১৯ঘনফুট
# সিমেন্ট কনক্রিট:=১:১.৫:৩
কাজের পরিমাপ:১০০ বর্গফুট
সিমেন্ট:২২ ব্যগ
বালু(সিলেট):৪৪ঘনফুট
পাথুরে কুচি(৩/৮’’):৬০ঘনফুট
পাথুরে কুচি(১/৮’’):২৪ঘনফুট
১/২’’ সিমেন্ট প্লাস্টার(১:৫)
কাজের পরিমাপ:১০০ বর্গফুট
সিমেন্ট:০.৮৫ ব্যগ
বালু:৫.৫ঘনফুট.
৩/৮’’ সিমেন্ট প্লাস্টার(১:৬)
কাজের পরিমাপ:১০০ বর্গফুট
সিমেন্ট:১.১ ব্যগ
বালু:৮.৫ঘনফুট
১.৫’’ পুরু প্যাটেন্ট স্টোন(১:২:৪)
কাজের পরিমাপ:১০০ বর্গফুট
সিমেন্ট:২.১৫ ব্যগে
ইটের চিপস(পাই):১২ঘনফুট
বালু(লোকাল):৬ঘনফুট.
খায়া/ইটের চিপস:
কাজের পরিমাপ:১০০ বর্গফুট
ইটের পরিমাপ:৯০০টি

20/10/2017

আর_সি_সি এর কাজে রডের পরিমান :

*স্ল্যাবের ক্ষেত্রে মোট কাস্টিং এর 1%ব্যবহার করতে হবে।*বিমের
ক্ষেত্রে মোট কাস্টিং এর 2% রডদিতে হবে।*কলামের ক্ষেত্রে মোট কাস্টিং এর 2.5% রডদিতে হবে।*R.C.C সড়কের ক্ষেত্রে 0.60% রডদিতে হবে।যেমন; একটি স্ল্যাবের কাস্টিং = 30 m3
অতএব, রডের পরিমান (30*0.01)=0.3 0.3*7850=2355KG

20/10/2017

ঢালাই লোহা, পাকা লোহা ও স্টীল সম্পর্কে জেনে রাখুন:

বিভিন্ন ধরণের লোহা ও স্টীলের তুলনামুলক বৈশিষ্ঠ্য গুনাগুণ কাষ্ট আইরণ রট আইরণ স্টীল গঠণ অশোধিত আইরণ বা লোহা, এতে
2.5%-4.5% লোহা থাকে শোধন করা লোহা এইটা, এতে 0.2%
কার্বণ থাকে এটি কাষ্ট ও রট আইরণ এর মধ্যবর্তি অবস্থা, এতে 0.1-1.1% কার্বণ থাকে।

কাঠামো ক্রিস্টালাইন ফাইবার জাতীয় গ্রাণুলার আপেক্ষিক ভর
7-7.5 হয়ে থাকে
7.8 এর মত
7.85 এর মত
মেল্টিং পয়েন্ট
1250 ডিগ্রি সে:
150 ডিগ্রি সে:
1300-1400 সে:
হার্ডনেস / মজবুত বেশ শক্ত। তাপ দিয়ে এবং হঠাৎ ঠান্ডা করে আরও মজবুত করা যায় এটা মজবুত করা যায় না এটা মজবুত করা যায় এবং টেম্পার্ড করা যায়।

আল্টিমেট শক্তি (এম.পি.এ)
চাপ-600-700
টাণ-120-150
চাপ-200
টাণ-400
চাপ-180-350
টাণ- 310-700
হঠাৎ আঘাতে এটা হঠাৎ আঘাত সহ্য করতে পারে না মাঝারি পারে, কিন্তু বেশি হলে পারে না এটার ইমপ্যাক্ট লোড বা হঠাৎ আঘাত
সহ্য ক্ষমতা অনেক চৌম্বকীয় একে চৌম্বক বানানো যায় না স্থায়ী চৌম্বক করা যায় না, কিন্তু অস্থায়ী করা যায় স্থায়ী চৌম্বক বানানো যায়।

Address

Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Technews24 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share