Outsourcing and Freelancing

Outsourcing and Freelancing Outsourcing, Freelancing, Online job, Earn money from home, Outsourcing help, Odesk and Outsourcing solution,Easy outsourcing trips

A young man after receiving his education has to move from door to door for a job. But jobs are never easily available. But internet freelancing outsourcing is giving them a golden opportunity of self employment like online jobs. But freelancing outsourcing is not yet very much familiar to the mass people of our country. That’s why we are not able to enter the vast market of freelance outsourcing

like India, Pakistan, Indonesia, China, Philippines, Russia, Ukraine, Brazil and many other countries. So I want to explain this topic in details.

04/09/2020

এমন কেউ আছেন ? ক্রিয়েটিভ আইটি তে কোর্স করছেন থাকলে কমেন্ট করে জানান

12/03/2019

জাপানে পড়ালেখা ও কাজ | জাপান যেতে চান?

উন্নত দেশসমূহের মধ্যে জাপান বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তি খাতের জন্যই বিশেষভাবে পরিচিত। তাদের কর্মস্পৃহা নিয়েও কোনো ধরনের সন্দেহের অবকাশ নেই। তাদের অসামান্য গুণাবলীর কারণেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে প্রায় ধ্বংসের মুখে পতিত হওয়া জাপান এখন বিশ্বের অন্যতম ধনী রাষ্ট্র।

জাপানের শিক্ষার মানও অত্যন্ত উন্নত এবং বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। পড়ালেখা চলাকালীন সপ্তহে ২৮ ঘণ্টা খণ্ডকালীন কাজ করার সুযোগ রয়েছে জাপানে। ছুটির সময় বেশি কাজ করতেও কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। কাজের সুযোগ যেমন রয়েছে, তেমনি আয়ের পরিমাণও আকর্ষণীয়।

জাপানী ভাষা কোর্সে এক থেকে আড়াই বছর পর্যন্ত পড়া যায়। এর পরে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বা পেশাদারী/কারিগরি কোর্সে জাপানী ভাষায় বিনামূল্যে বা কম খরচে উচ্চশিক্ষা নেওয়া যায়। জাপানী ভাষা জানা এবং জাপানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সার্টিফিকেট থাকলে বৈধভাবে চাকরি করা যায় এবং পরে নিয়মিতও হওয়া যায়।

যারা পড়ালেখা করতে দেশের বাইরে যেতে চান, তাদের জন্য Japanese Language Course নিয়ে জাপান যাওয়া খুবই ভালো ও নিশ্চিত একটি সুযোগ হতে পারে। জাপানী ভিসা পাওয়া অপেক্ষাকৃত সহজ। যুক্তরাজ্য বা অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়া খুব একটা সহজ নয়। সেক্ষেত্রে প্রথমে জাপানে গিয়ে পড়ে এসব দেশে যাওয়াটা সহজ হয়ে যায়।

জাপানে পড়ার সুবিধাসমূহ :জাপান অত্যন্ত সুন্দর একটি দেশ। পড়ালেখার পাশাপাশি বৈধভাবে কাজ করার সুবিধা জাপানকে অনেকটাই এগিয়ে রাখবে। পাশাপাশি রয়েছে ল্যাংগুয়েজ কোর্স করে একাডেমিক বা ভোকেশনাল কোর্সে স্কলারশিপ বা ফি-ওয়েভার পাওয়ার সুবিধা। পড়ালেখা শেষে বৈধভাবে কাজ করার ও থাকার সুযোগও মিলবে। বৈধভাবে ১০ বছর থাকলে রয়েছে জাপানে স্থায়ী হওয়ার সুযোগ।

ভর্তি যোগ্যতা :জাপানে পড়ালেখা করতে যেতে চাইলে বয়স হতে হবে ১৮ থেকে ২৮ বছরের মধ্যে। পিএইচডি প্রার্থীদের ক্ষেত্রে অবশ্য বয়স শিথিলযোগ্য। কমপক্ষে উচ্চমাধ্যমিক পাশ হতে হবে। আর এগুলোর সাথে লাগবে শিক্ষাব্যয় বহনের সক্ষম ঘনিষ্ট অভিভাবক এবং আয়ের স্বপক্ষে ব্যাংক ও পোশা সম্পর্কিত কাগজপত্র।

ভিসার জন্য জাপান দূতাবাসে যাওয়ার আগে ঢাকায় যা পড়ানো হবে :অভিজ্ঞ শিক্ষক দ্বারা ১৬০ ঘণ্টা জাপানী ভাষা শিক্ষা (কাতাকানা ও হিরাগানা); জাপানীদের শিষ্টাচার; জাপানে প্রথম প্রবেশের সময় একান্ত প্রয়োজনীয় কথাবার্তা; জাপান দূতাবাসে ভিসা সাক্ষাত্কারের জন্য প্রস্তুতি।

#অন্যান্য_তথ্য :জাপানে জানুয়ারি, এপ্রিল, জুলাই এবং অক্টোবরে ভর্তি হতে হয়।

কেন ওয়েব ডেভেলপার হবেন?বর্তমান সময়ে আমাদের দেশে তরুণদের কাছে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়ের একটি হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং। যদিও আমাদের ...
09/03/2019

কেন ওয়েব ডেভেলপার হবেন?

বর্তমান সময়ে আমাদের দেশে তরুণদের কাছে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়ের একটি হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং। যদিও আমাদের দেশে এখনও এ বিষয়টি নতুন, কিন্তু এরই মধ্যে অনেকে ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে নিজেদের ভাগ্যকে সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছেন। পড়ালেখা শেষে বা পড়ালেখার সাথে সাথে ফ্রিল্যান্সিং এ গড়ে নিতে পারেন আপনার ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার। ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে মাল্টি বিলিয়ন ডলারের একটা বিশাল বাজার। উন্নত দেশগুলো কাজের মূল্য কমানোর জন্য আউটসোর্সিং করে থাকে। আমাদের পার্শবর্তী দেশ ভারত এবং পাকিস্তান সেই সুযোগটিকে খুবই ভালভাবে কাজে লাগিয়েছে। আমরাও যদি ফ্রিল্যান্সিং এর বিশাল বাজারের সামান্য অংশ কাজে লাগাতে পারি তাহলে এটি হতে পারে আমাদের অর্থনীতি মজবুত করার শক্ত হাতিয়ার।

আউটসোর্সিং এবং ওয়েব এপ্লিকেশন

আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে আয়ের যে সকল পদ্ধতি রয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি চাহিদা রয়েছে ওয়েবসাইট তৈরির কাজগুলোতে। এর একটা প্রধান কারণ হচ্ছে ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়ীক উদ্দ্যেশ্যে ইন্টারনেটের উপর ক্রমবর্ধমান নির্ভরশীলতা। কারণ একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে একটি প্রতিষ্ঠান একদিকে যেভাবে তার গ্রাহকদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে, অপরদিকে বিভিন্ন শহরে বা বিভিন্ন দেশে অবস্থিত নিজস্ব শাখার সাথে আন্তঃযোগাযোগও সহজে এবং কম খরচে করতে পারে। তাই বর্তমান সময়ে একটি ডেস্কটপ সফটওয়্যার তৈরি করার চাইতে ওয়েব এপ্লিকেশন তৈরি করার দিকেই সবার ঝোঁক থাকে।
একটি পূর্ণাঙ্গ ওয়েবসাইট দুটি বিষয়ের সংমিশ্রণে তৈরি করা হয়, যার একটি হচ্ছে ওয়েবসাইটি কিভাবে কাজ করবে তার নির্দেশনা দেয়ার জন্য প্রোগ্রামিং এবং অপর অংশ হচ্ছে এর বহিরাবরণ বা ডিজাইন। ওয়েবসাইট নির্দেশনা সাধারণত PHP, ASP, Python, Perl, Ruby ইত্যাদি প্রোগ্রামিং ভাষায় লেখা হয় এবং ডাটাবেইজ হিসেবে MySQL, MS SQL, PostgreSQL ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়। অনলাইনে ওয়েবসাইট প্রোগ্রামিং এর কাজই সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়। যারা কম্পিউটার সায়েন্স বা এর সাথে সম্পর্কিত বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে পড়ালেখা করেছে তারা ওয়েবসাইট প্রোগ্রামিং করে থাকে। তবে অনেকেই আছেন যারা শুধুমাত্র নিজের চেষ্টায় প্রোগ্রামিং শিখে বর্তমানে বেশ ভাল অবস্থায় আছেন।

ওয়েব প্রোগ্রামিং(ডেভেলপমেন্ট) না ডিজাইন

নিজে নিজে প্রোগ্রামিং শেখাটা একটি সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। একটি প্রোগ্রামিং ভাষা শেখা থেকে শুরু করে তাতে পরিপূর্ণ দক্ষ হতে বছরখানেক সময় লেগে যেতে পারে। অন্যদিকে ওয়েবসাইট ডিজাইন তুলনামূলকভাবে ততটা সময়সাপেক্ষ নয়, ব্যক্তি ভেদে তিন থেকে ছয় মাস সময় লাগতে পারে। আয়ের দিক থেকে ওয়েবসাইট প্রোগ্রামিং পরই রয়েছে ওয়েবসাইট ডিজাইনের ব্যাপক সম্ভাবনা। ওয়েবসাইট ডিজাইন শেখার জন্য অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তবে ইন্টারনেটে এই বিষয়ে যে পরিমাণ টিউটোরিয়াল রয়েছে তা থেকে ঘরে বসে সম্পূর্ণ নিজের চেষ্টাতেই ডিজাইনিং শেখা সম্ভব।

আমি মূলত একজন ওয়েবসাইট প্রোগ্রামার। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ওয়েবসাইটের ডিজাইন বা টেম্পলেট, ক্লায়েন্টের কাছ থেকে পেয়ে থাকি। একটি টেম্পলেটের সাথে প্রোগ্রামিংকে যুক্ত করার জন্য প্রায় সময় ফটোশপের স্লাইসিং টুল নিয়ে ঘাটাঘাটি করতে হয়। তবে সত্যি বলতে কি ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এর প্রতি আমার এক ধরনের ঝোঁক সবসময় রয়েছে। কাজের চাপে খুব একটা সময় দিতে পারি না, তবে সুযোগ পেলে বিভিন্ন ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এর সাইটে ঘোরাঘুরি করি।

ডেটা এন্ট্রি থেকে আসুন ওয়েব ডিজাইনে

একটা বিষয় আমি খেয়াল করে দেখলাম, আমাদের দেশে যারা ফ্রিল্যান্সিং করতে চান তাদের প্রথম ও প্রধান লক্ষ্য থাকে ডাটা এন্ট্রির মাধ্যমে বেশি মাথা অল্প খাটিয়ে কম কষ্টে আয় করা। প্রকৃতপক্ষে একটি ডাটা এন্ট্রির কাজ পাওয়া যে কতটা কঠিন তা আমার অজানা নয়। এক একটি প্রজেক্টে ১০০ জনের উপর বিড করে। তার উপরে এই ধরনের কাজ খুবই বিরক্তিকর এবং কষ্টের তুলনায় আয় অত্যন্ত কম। সর্বোপরি এধরনের কাজে সৃজনশীলতার ছিঁটেফোটাও নেই।

আমি জানি, অনেকেই বলবেন সবাইতো আর প্রোগ্রামার হতে পারবেন না। একজন দক্ষ প্রোগ্রামার হবার জন্য কম্পিউটার সায়েন্স বা এই ধরনের বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ বা সময় অনেকেরই থাকবে না। তাহলে একজন নন-টেকনিকাল ব্যক্তি কি একজন প্রোগ্রামারের সমান বা তার চেয়ে বেশি আয় করতে পারবে না? আমি বলব, অবশ্যই পারবেন। আমার মনে হয় ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এর বিষয়টা বেশিরভাগ নতুন ফ্রিল্যান্সাররাই খেয়াল করেন না, অথবা সেই বিষয়ে আগ্রহ পান না। তবে শুরুতেই বলে নেই, এই পেশায় প্রথম অবস্থায় যথেষ্ঠ শ্রম দিতে হবে এবং অবশ্যই নতুন কিছু উদ্ভাবন করার ক্ষমতা থাকতে হবে। এই দুই ক্ষমতা থাকলে আমি নিঃসন্দেহে বলতে পারি ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এ আপনি ভাল করতে পারবেন। ইন্টারনেটে প্রাপ্ত টিউটোরিয়াল থেকে শিখে আপনি ঘরে বসেই এতে দক্ষ হতে পারবেন।

ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এর চাহিদা কতটুকু তা জানতে বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে একটু ব্রাউজিং করলেই সহজেই অনুধাবণ করা যায়। উদাহরণসরূপ www.ThemeForest.net ওয়েবসাইটে প্রথম সারির ডিজাইনারদের এক একটা ডিজাইন দুই থেকে তিন হাজার বার বিক্রি হয়। আমি হিসেব করে দেখেছি তিন হাজার বার বিক্রি হলে একটা ডিজাইন থেকে এক বছরে আয় দাড়ায় পঞ্চাশ হাজার ডলারের উপর, যা সত্যি অবিশ্বাস্য। আমার কথা হচ্ছে একটা ডিজাইন থেকে যদি পাঁচশত ডলারও আয় করা যায় সেটিই হবে আমাদের জন্য অভাবণীয়। কারণ একজন দক্ষ ডিজাইনারের এরকম একটা ডিজাইন করতে বড় জোর ২ থেকে ৩ সপ্তাহ লাগবে।

পরিশেষে আমি বলব আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে ভাল আয় করতে চাইলে ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্টের কোন বিকল্প নেই। তবে পরিপূর্ণ দক্ষ না হয়ে আয়ের চিন্তা না করাই ভাল, এতে আপনার সময় নষ্ট ছাড়া কিছুই হবে না। কারণ এখানে আপনাকে সমস্ত বিশ্বের সেরাদের সাথে প্রতিযোগীতায় নামতে হবে।

Collected from: webacademy

16/07/2018

#হতে চাই ওয়েব ডিজাইনার/ডেভেলপার। কিন্তু কিভাবে?

অনলাইনে নাকি টাকা উরে! হাঁ আপনি ঠিকিই শুনেছেন। শুধু ধরতে জানতে হবে। তবে এর জন্য কাজ জানতে হবে। নির্দিষ্ট কোন কাজ না শিখে কখনোই আপনি ওই উরন্ত টাকা গুলো ধরতে পারবেন না। ধরুন, আপনার একটা কম্পিউটার আছে আর সাথে আছে একটি বিশ্বস্ত ইন্টারনেট সংযোগ। এখন আপনার উচিত হবে কাজ শেখার জন্য এখানে সময় দেয়া। একটা কথা সব সময়ই মনে রাখবেন ইচ্চা শক্তি টাই সবচেয়ে বড় মূলধন ফ্রিলান্সিং জগতে।
আপনি ভাবছেন সব তো বুঝলাম। কিন্তু কি কাজ শিখবো? হ্যাঁ এই প্রশ্ন টা আপনি Google কে করুন। উনি আপনাকে বলে দিবে অনলাইনে কি কি কাজ করে ফ্রিলান্সিং করা যায়। হয়তো আপনি একটু অ্যাডভান্সড তাই ইতোমধ্যে জেনে গেছেন অনলাইনে কি কি কাজ করা যায়। আর এও জেনেছে যে Web Design/ Development তাদের মধ্যে অন্যতম। বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে এই কাজের চাহিদা অনেক। তাই আপনি যদি মনে করেন আপনিও ফ্রিলান্সিং করতে চান এটা দিয়েই। তাহলে আর দেরি না করে এগিয়ে যান। বোঝার চেষ্টা করুন কিভাবে কি করবেন। আচ্ছা এখন আমিই একটু বুঝিয়ে বলি। পরে না হয় আপনার চিন্তা-ধারায় সাথে মিলেয়ে দেখবেন।
কিভাবে শুরু করবেন? যদি আপনার কাজ শেখার জন্য টাকা ব্যয় করার ক্ষমতা থাকে আর যদি মনে করেন অল্প কয়দিনের মধ্যেই কাজ শিখে টাকা আয়ের দিকে মন দিবেন। তবে আপনি ভাল কোন আইটি প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়ে কাজ শিখতে পারেন। ওখানে কয়েকমাস মাস কোর্স করলেই আপনি ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর পরিপূর্ণ ধারণা পেয়ে যাবেন। এবং কাজ করার মত যোগ্যতা অর্জন করতে পারবেন। কিন্তু আমি বোধ করি আমরা যারা আজ ফ্রিলান্সিং পেশায় আসতে চাই অধিকাংশই ছাত্র। তাই টাকা খরচ করে কোর্স করাটা একটু কঠিনই হয়ে যায়। তাই নামি দামি আইটি প্রতিষ্ঠান থেকে কাজ শেখা হয়ে ওঠে না। তাছাড়া অনেকে আছে যাদের টাকা দিয়ে কাজ শেখার সামর্থ্য আছে কিন্তু আশে-পাশে ১০০ মাইলের মধ্যে কোন আইটি প্রতিষ্ঠান নাই। ভাবছেন তাহলে কি করবেন? আমি আগেই বলেছি যে ইচ্ছা শক্তি টাই সব চেয়ে বড় মূলধন এই ফ্রিলান্সিং জগতে।
অনলাইনই হচ্ছে আপনার পথপ্রদর্শক। ধৈর্য ধরে অনলাইনের মাধ্যমে কাজ শিখা অনেক সহজ। অনলাইনে অনেক বাংলাএবং ইংরেজি তে Web Development সম্পর্কিত সাইট আছে যেখান থেকে আপনি পুরনাঙ্গ সহযোগিতা পাবেন। (আরও অনেক সাইট আছে যা দিয়ে শেষ করা যাবে না।)
এর জন্য আপনাকে ইংরেজি লিখতে পড়তে ও বুঝতে পারার ক্ষমতা থাকতে হবে। Web Development এর কাজ শিখতে আপনাকে নিচের পথগুলো অনুসরণ করতে হবে।
১। প্রথমে HTML, CSS জানতে হবে। (CSS ভাল না জানলে ভাল ডিজাইনার হতে পারবেন না।)
২। Photoshop দিয়ে লেআউট (PSD) ডিজাইনিং শিখবেন। কিভাবে PSD to HTML করতে হয় জানবেন।
Static ওয়েব ডিজাইনিং ভাল ভাবে শিখবেন।
এরপর Javacript, PHP, MySQL অবসশই। তারপর WordPress, Joomla, Durpal, Opencart, Prestashop etc জানবেন।
CMS জানবেন।
Web Development শিখতে প্রথমে আপনাকে জানতে হবে কিভাবে ডিজাইন করতে হয়। ওয়েব ডিজাইনিং শিখতে আপনাকে অন্তত ৫/৬ মাস সময় দিতে হবে। যেখানে আপনি প্রতিদিন গড়ে ৩ ঘন্টা করে অনুশীলন করবেন। এরপর যদি ডিজাইনিং এ ভাল করেন পরে অবসশই ডেভেলপিং এ নজর দিবেন।
বাংলাদেশের বেশিরভাগ ফ্রিলান্সার অল্প কিছু জেনেই কাজে নেমে যাচ্ছে টাকার ধান্দায়। টেম্পলেট করে ২ পয়সা কামাচ্ছে। কিন্তু একটা কথা অবসশই মনে রাখতে হবে যে “অল্প বিদ্যা খুব ভয়ংকর”। তাই পরিপূর্ণ দক্ষ না হয়ে কাজে নামবেন না। মনে রাখবেন এইটা ফ্রিলান্সিং করতে হয় আন্তর্জাতিক বাজারে। এখানে বিভিন্ন দেশের সব পাকা পাকা পাবলিক কাজ করে। এদের সাথে টক্কর দিয়ে কাজ করাটা কতটা কঠিন হবে টা একবার চিন্তা করেন। তাই নিজের সৃজনশীলতার মাধ্যমে দক্ষ হয়ে ওঠাটা অনেক অনেক গুরুত্বপূর্ণ। ভাবছেন তাহলে কি আমি পারবো ওইসব প্রতিযোগিতামুলক প্লেসে নিজেকে তুলে ধরতে? কেন না! অবসশই পারবেন। আর এর জন্য কঠোর অনুশিলনের কোন বিকল্প নাই। একেকটা দিনকে কাজে লাগান নিজের গতিশীল ইচ্ছা-শক্তি দিয়ে। তবেই আপনি এক সময় দাড়াতে পারবেন ওইসব পাকা পাকা পাবলিক দের কাতারে।

পিএইচপি প্রফেশনাল কোর্স শুরু করতে যাচ্ছি।আপনারা যারা আগ্রহি তারা যোগাযোগ করবেন। কোর্স শেষে আপনি লোকাল মার্কেট অথবা অনলাই...
06/07/2018

পিএইচপি প্রফেশনাল কোর্স শুরু করতে যাচ্ছি।
আপনারা যারা আগ্রহি তারা যোগাযোগ করবেন।
কোর্স শেষে আপনি লোকাল মার্কেট অথবা অনলাইনে কাজ করতে পারবেন।
এটা একান্তই আপনার উপর নির্ভর করবে।
এখানে কোর্সের বিবরণ দেওয়া হল।

কোর্স শুরুর আগে আপনাকে যা জানতে হবেঃ
HTML, CSS, JAVA Script(optional)

Location: padma residential area rajshahi.
Contact : 01610-088831

PHP

• PHP installation and Introduction
• PHP Basics
• Variables
• Operators
• Arrays in PHP
• Conditional statement
• Loops
• Functions in PHP
• Email Function
• Image Uploading
• File handling in PHP
• Functions in PHP
• Errors handling in PHP
• Mini project in header and footer

ADVANCE PHP

• Classes,
• Object
• Inheritance
• Constructor and Destructor
• Static Method
• Access modifiers
• Scope resolution operator
• Class constant
• This operator
• Abstract class
• Interface
• Trait
• Dependency Injection
• CRUD in OOP PHP

MYSQL

• Basic Queries
• Insert, Update, Delete
• Joins,
• Order by, Group by,
• Union
• Sub Queries
• MySQL Functions
• Import and Export Database

AJAX
• XML HTTP Request,
• XHR Object
• XHR Response

Framework:
• Project with Laravel

নিজের ওয়েবসাইট থেকে টাকা আয় করতে চান? জেনে নিনঅনলাইন এ আয় করার জন্য একটি ওয়েবসাইট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 1) যারা ফ্রীলা...
20/05/2018

নিজের ওয়েবসাইট থেকে টাকা আয় করতে চান? জেনে নিন

অনলাইন এ আয় করার জন্য একটি ওয়েবসাইট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

1) যারা ফ্রীলান্সিং করে টাকা আয় করেন- তারা অবশ্যই নিজেদের পোর্টফলিও ওয়েবসাইট তৈরি করেন। কারন, এর মাধ্যমে একজন বায়ার পছন্দের ওয়ার্কার এর সকল কাজের বিবরণ পান। যেমনঃ কেউ এসইও করেন, কেউ বা সফটওয়্যার ডেভোলাপ করেন আবার কেউ আর্টিকেল লিখেন। এখন একজন বায়ার যদি ওয়ার্কার এর সকল কাজের বিবরণ একটা ওয়েবসাইট এ পান- তবে বায়ার এর জন্য এটা অনেক সুবিধা হয়। আমি নিজেই ওয়েবসাইট ডিজাইন ও ডেভলাপমেন্ট এর সাথে জড়িত। একটি নমকরা প্রতিষ্ঠানে ওয়েব ডেভলাপার হিসেবে কাজ করছি। যখন কোনো ওয়েবসাইট ক্রেতা ওয়েবসাইট ডিজাইন করাতে চান, তখন তাকে কিছু ডেমো ডিজাইন দেখাতে হয়। অথবা পূর্ব কাজের বর্ণনা দিতে হয়। এসব ব্যাপারে ফ্রীলান্সার দের জন্য ওয়েবসাইট অনেক দরকার।

2)শুধু মাত্র ফ্রীলান্সার দের জন্য নয়, যারা বিজ্ঞাপন এর মাধ্যমে টাকা আয় করতে চান তাদের জন্য নিজস্ব ওয়েবসাইট ছাড়া বিকল্প নেই। সারা বিশ্বের প্রতিটি দেশেই অনলাইন বিজ্ঞাপন ভিত্তিক ওয়েবসাইট পাওয়া যায়। আমি মনে করি, অনলাইন এ টাকা আয় করার সবচেয়ে নির্ভর যোগ্য মাধ্যম হলো বিজ্ঞাপন। আমি আমার নিজের ওয়েবসাইট এ ইয়াহু এর বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করি। মাঝে মাঝে এক ক্লিকে আমি ৫ ডলার এর বেশি আয় করি। ওয়েবসাইট এ গুগল এডসেন্স এর বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে প্রতি মাসে হাজার হাজার ডলার আয় করা সম্ভব। বিজ্ঞাপন ভিত্তিক ওয়েবসাইট এর জন্য ব্লগ বা নিউজপেপার ওয়েবসাইট বেশি প্রচলিত। এই ধরনের ওয়েবসাইট এ প্রচুর ভিজিটর থাকে। বিষয় ভিত্তিক ব্লগ তৈরি করতে পারলে, এতো টাকা আয় করা সম্ভব যে- চাকুরী করার দরকার হয় না। একটা কথা স্বাভাবিক- যেখানেই ভিজিটর সেখানেই টাকা। সবচেয়ে বেশি ভিজিটর দেখা যায় অনলাইন নিউস পেপার ওয়েবসাইট গুলোতে। নিত্য নতুন খবরের আশায় মানুষ দিনে অন্তত একবার পত্রিকার ওয়েবসাইট ভিজিট করে। তাই যেকোনো ছোট-বড় পত্রিকার জন্য অনলাইন ওয়েবসাইট থাকা জরুরী। এতে পত্রিকার প্রসারের সাথে সাথে অর্থ আয় করা যায়। আমার ধারনা বাংলাদেশে অনলাইন পত্রিকার ওয়েবসাইট গুলো মাসে ১০ লক্ষ টাকার বেশি আয় করে।

3)অনলাইন এ আয় করার আরো একটি উপযোগী মাধ্যম হলো- অনলাইন শপিং ওয়েবসাইট বা ই-কমার্স ওয়েবসাইট। বর্তমানে বাংলাদেশে ই-কমার্স ওয়েবসাইট এর প্রচুর চাহিদা ও সুযোগ রয়েছে। শপিং ওয়েবসাইট বা ই-কমার্স ওয়েবসাইট এ সরাসরি পন্য বিপনন বা কমিশন এর মাধ্যমে মাসে কয়েক লক্ষ টাকা আয় করা যায়। ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে যেকোনো পন্য বিক্রি করে, লক্ষ লক্ষ ক্রেতার মাঝে আপনার পন্য পৌঁছে দিতে শপিং ওয়েবসাইট বা ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি করুন। আজকের ডিল, বিক্রয় ডট কম এই ওয়েবসাইট গুলো ঘুরলেই বুজতে পারবেন- এই ধরনের একটা ওয়েবসাইট থেকে আপনি কত টাকা আয় করতে পারবেন।

4)অনলাইন ব্লগ না ম্যাগাজিন ওয়েবসাইট গুলো দিন দিন বাংলাদেশে অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। বেশির ভাগ ইংরেজী ব্লগ বা ম্যাগাজিন ওয়েবসাইট সরাসরি গুগল এডসেন্স ব্যবহার করে প্রচুর ডলার আয় করছে। আমার নিজের ডোমেইন-হোস্টিং প্রতিষ্ঠানে এরকম বেশ অনেক গুলো ওয়েবসাইট আছে যাদের মাসিক আয় ৩০০ ডলারের বেশি। আমি নিজেই অনেক গুলো ব্লগ বা ম্যাগাজিন ওয়েবসাইট এর ডিজাইন করেছি। বাংলা ব্লগ থেকেও এখন প্রচুর আয় সম্ভব। চাইলে আমার ডিজাইন করা কিছু ব্লগ বা ম্যাগাজিন ওয়েবসাইট, নিউজপেপার ওয়েবসাইট, শপিং ওয়েবসাইট বা ই-কমার্স ওয়েবসাইট, দেখতে পারেন- স্ক্রিনশর্ট দিলাম। আমার ডিজাইন করা ওয়েবসাইট গুলো কেমন লেগেছে জানাবেন। - ভালো লাগলে মনটা আনন্দে ভরে যাবে।

If you want to make your website you can Contact here.....
Contact: 01782 583093

12/04/2018

#ফ্রীলান্সিং_থেকে_আয়_করার_বেশ_অনেকগুলো_উপায়_রয়েছে:

েখালেখি ও অনুবাদ করে আয়: ইন্টারনেট দুনিয়া থেকে আয় করতে পারেন লেখালেখি করে। বিভিন্ন প্রবন্ধ, নিবন্ধ, ওয়েবসাইট কন্টেন্ট, রিভিউ, বিষয়ভিত্তিক টিউন, সংবাদ বিজ্ঞপ্তি, ছোট গল্প, প্রাপ্তবয়স্কদের গল্প এবং এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় ভাষান্তরকরণ করে আয় করতে পারেন টাকা। বাঙালিদের জন্য সুখবর হল বিশ্বের প্রথম ও সবচেয়ে জনপ্রিয় বাংলা তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক ব্লগ techtunes.com.bd থেকেও এখন আর্টিক্যাল লিখে আয় করা সম্ভব। তাছাড়া আয় করতে পারেন, writing.com, onlinewritingjobs.com বা poewar.com থেকেও।
্রোগ্রামিং: কোড লিখে সরাসরি আয় করতে পারে getacoderjob.com থেকে। এখানে বিভিন্ন মানুষ বিভিন্ন কাজের জন্য কোডার বা প্রোগ্রামার খুঁজে থাকেন। আবার প্রোগ্রামিং এর মাধ্যমে এন্ড্রয়েড এপ বা সফটওয়্যার বানিয়ে আয় করতে পারেন। এখানে আবার দুইভাবে আয় করতে পারেন। নিজে এপ বা সফটওয়্যার বানিয়ে তা থেকে আয় করতে পারবেন আবার অন্য কারো জন্য এপ বা সফটওয়্যার বানিয়ে দিয়েও আয় করতে পারবেন।
েব ডেভেলাপিং এবং ওয়েব ডিজাইনিং: ওয়েব ডেভেলাপিং এবং ডিজাইনিং এর মাধ্যমে দুইভাবে আয় করা যায়। নিজের জন্য ওয়েবসাইট বানিয়ে সেখান থেকে আয় অথবা অন্য কার জন্য ওয়েবসাইট বানিয়ে দেওয়া এবং ডিজাইন করে দেওয়া।
্রাফিক্স ডিজাইনিং: গ্রাফিক্স ডিজাইনিং এ ভালো দক্ষতা থাকলে আপনি বেশ কয়েকভাবেই এ থেকে আয় করতে পারবেন। অন্যের জন্য ডিজাইন করে দিয়ে আপনি আয় করতে পারবেন। বিভিন্ন মাইক্রোস্টক সাইট থেকে আয় করতে পারবেন, এ সাইতগুলো থেকে আপনি প্যাসিভ ইনকাম করতে পারবেন। অর্থাৎ আপনার দেওয়া কোন একটি আইকন, লোগো, চরিত্র(কার্টুন), টেমপ্লেট বা ব্যাকগ্রাউন্ড এ ধরণের সাইটে আপলোড করার পর এটি ক্রমাগত বিক্রি হতে থাকবে আর আপনি লভ্যাংশ পেতে থাকবেন।
এমন কিছুসাইট; shutterstock.com, fotolia.com, istockphoto.com, dreamstime.com । আনার বিভিন্ন কনটেস্টে অংশ নিয়েও আয় করতে পারেন। গ্রাফিক্স ডিজাইনিং এর উপরেই হবে কনটেস্ট।

কিছু সাইট: 99designs.com, logotournament.com, designbyhuman.com ।

্টারনেট মার্কেটিং: ইন্টারনেট মার্কেটিং এর সবচেয়ে বর প্লাটফর্ম হল Youtube । Youtube এ বিভিন্ন ভিডিও আপলোডের করে তাতে এড শো করিয়ে টাকা আয় করা সম্ভব। বর্তমানে এটা খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। তাছাড়া এফিলিয়েট মার্কেটিং এবং পেইড প্রোমশনের মাধ্যমেও আয় করা সম্ভব।
্রাহক সেবা: দেশি-বিদেশি বিভিন্ন কোম্পানির গ্রাহককে টেলিফোন, ইমেইল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সাহাজ্যে তথ্য প্রদানের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সহায়তা করা।
্রশাসনিক সহায়তা: দেশি-বিদেশি বিভিন্ন কোম্পানির বিভিন্ন কাজের ডাটা এন্ট্রি করণ, ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে কাজ করা
এনভাটো মার্কেটপ্লেস থেকে আয়: এ ধরণের ডীজিটাল মার্কেটপ্লেস বিভিন্ন ধরণের কেনাবেচার সুবিধা দেয়। যেমন গাফিক ও্যার্ক, টেমপ্লেট, মকিউজিক, ভিডিও, ফটোগ্রাফি ইত্যাদি।
এমন কিছু সাইট: themeforest.net, graphicriver.com, 3docean.net, photodune.net ইত্যাদি।

্লাগইন তৈরী: WordPress শিখে নতুন নতুন প্লাগইন তৈরী করে তা থেকে প্রচুর আয় করা সম্ভব।

05/01/2018

আপনি অনলাইন ই কমার্স বিজনেস করতে চান? তাহলে জেনে নিন……

অনলাইন বিজনেস বা অনলাইন এন্টারপ্রেনারশিপ এখন আর নতুন কোন বিষয় নয়। চারিদিকে হু হু করে প্রতিদিন গড়ে উঠছে অনেক অনলাইন স্টোর। প্রতিদিন ই শুনা যাচ্ছে নিত্য নতুন ব্র্যান্ড এর আবির্ভাব! যেহেতু, অনলাইন হচ্ছে সবার জন্য উন্মুক্ত স্থান তাই মুড়ি মুড়কির মত বেড়ে চলছে অনলাইন ই- কমার্স বিজনেস। এই ইন্ডাস্ট্রি টা বাংলাদেশ এ এখনও নতুন তাই সঠিক নীতিমালা এখনও তৈরি হয়নি। আপনি উদ্যোগতা হতে চান খুব ভাল কথা, কিন্তু দীর্ঘদিন এই সেক্টরে টিকে থাকতে হলে আপনাকে জেনে নিতে হবে ই-কমার্স বিজনেস এর খুঁটিনাটি। অনেকেই আছেন না জেনে না বুঝে হুজুগে একটা অনলাইন স্টোর বানিয়েছেন, কিন্তু উপযুক্ত প্ল্যানিং এর অভাবে স্টোর টা চালাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন এবং অবশেষে টাকা পয়সা গচ্ছা দিয়ে ব্যবসা টাই বন্ধ করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন।

*** হতে হলে কি কি বিষয় জানা লাগেঃ

োম্পানি নাম, লাইসেন্স এবং ডোমেইন+Hosting :

আপনার ব্র্যান্ডের নাম টা স্বাভাবিক ভাবেই unique হতে হবে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ ের জন্য। নাম নিয়ে ইদানিং অনেক ঝামেলা। ভাল নাম পাওয়া যায় তো ডোমেইন পাওয়া যায়না, আবার ডোমেইন পাওয়া যায় তো নাম পছন্দ হয় না। তাই বিজনেস শুরুর আগেই ঠিক করে নিন কোন নামে বিজনেস করতে চাইছেন। তারপর ডোমেইন কেনার সাথে সাথে Trade License টা করিয়ে ফেলুন। নইলে আপনার ব্র্যান্ড নাম হারানর সম্ভাবনা আছে।

Hosting এর ক্ষেত্রে বললে বলতে হয়, ই- কমার্স সাইট এর জন্য নরমাল Hosting দিয়ে কোন ভাবেই কাজ চলবে না। কেননা, ই-কমার্স সাইট অন্যান্য dynamic সাইট এর চেয়ে ও সাধারনত ভারি হয়, ইউজার বেশি হয়। তাই নরমাল ১ জিবি Hosting কিন্তু আপনার সাইট এর জন্য যথেস্ট নয়। WordPress বা Open cart কিংবা PrestaShop দিয়ে সাইট বানালে অবশ্যয় নুনতম ১০ জিবি এবং Magento দিয়ে বানালে Dedicated Hosting বা Cloud Hosting এর বাজেট রাখুন। নয়ত পরে পস্তাতে হবে। মনে রাখবেন, আপনার সাইট আপনার Goodwill. সাইট ১ ঘণ্টার জন্য ডাউন থাকলে কিন্তু আপনার ই বদনাম।

:

বিজনেস শুরুর আগে আপনার Fixed and Variable Cost সম্পর্কে ভাল ভাবে ধারনা নিন। যেমনঃ আপনার অনলাইন স্টোর ডেভেলপ করালেন, ডোমেইন কিনলেন এইসব একবার ই হয়, তাই এগুলো Fixed কষ্ট। Fixed কষ্ট টা আবার অনেকে ক্যাপিটাল বা মূলধন হিসেবে ধরে মনে করে আমার তো আর মেজর কোন COST নাই। এটা ভুল। Variable Cost টা হচ্ছে সব চেয়ে গুরুত্ব পূর্ণ। কারন বিজনেস শুরুর আগে সব ধরনের Variable Cost পুরোপুরি নির্ণয় করা যায়না। তাই অনেক Variable Cost HIDDEN থেকে যায়। যেমনঃ আপনি যখন প্রোডাক্ট customer কে দেলিভারি দেবেন তখন আপনি আগা থেকে বলতে পারবেন না দেলিভারি বাবদ আপনাকে কত টাকা বরাদ্ধ রাখতে হচ্ছে। কারন কুরিয়ার এ প্রোডাক্ট এর আকার, ওজন এগুলোর উপর নির্ভর করে দেলিভারি খরচ নির্ধারণ করা হয়। এটা তো কেবল একটা উদাহরন, এই রকম আরও কত অজানা খরচ যে আছে সেটা পুরোপুরি বিজনেস শুরু না করলে নির্ধারণ করা কষ্টকর। এই ধরনের খরচ গুলোর জন্য ও আপনাকে প্রস্তুত থাকতে হবে।

সাইট ডেভেলপমেন্টঃ

এবার আসেন আপনার অনলাইন স্টোর ডেভেলপমেন্ট নিয়ে। প্রথম কথা ৫-১০ এমনকি ২০ হাজার টাকায় ও একটা e-commerce ওয়েবসাইট হুয়না। ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ, বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন এর জন্য একটা সুন্দর এবং ব্যাবহার উপযোগী ওয়েবসাইট প্রয়োজন যা আপনি ১০-২০ হাজার টাকায় কখন পাবেন না। কেও যদি অফার করে এই টাকার মধ্যেই আপনাকে সে সাইট করে দেবে, তাহলে অবশই ধরে রাখুন সে ফ্রী বা চুরি করা template দিয়ে আপনার স্টোর ডেভেলপ করে দেবে। আর চুরি করা template এ অনেক BUG থাকে যা প্রথমে বোঝা যায় না। ১-২ মাস পর যখন আপনার স্টোর এ আস্তে আস্তে ভিসিটর আস্তে শুরু করবে, হটাত একদিন দেখবেন আপনার সাইট DOWN নাইলে HACKED. এই রকম ঘটনা অহরহ হচ্ছে প্রতিদিন। আর ১০-২০ হাজার টাকায় যে আপনাকে ওয়েবসাইট টা ডেভেলপ করে দেবে সে নিশ্চয় আপনার সাইট এর সিকিউরিটি দেবেনা কেননা তার কাজ ই হচ্ছে কোন রকমে স্টোর টা ডেভেলপ করে আপনাকে গছিয়ে দিয়ে তাড়াতাড়ি payment নিয়ে বিদায় হওা। তাই সাবধান। আপনি প্রতি ৬ মাস অন্তর অন্তর ওয়েবসাইট এর ডিজাইন বা মুল কাঠামো পরিবর্তন করতে পারবেন না। এতে আপনার ব্র্যান্ড এর উপর Negative impression পরবে এবং ক্রেতারা বিরক্ত হবে। সাইট ডেভেলপ করবেন একবার ৩-৪ বছরের জন্য। টাকা একটু বেশি খরচ হলেও আখেরে কিন্তু লাভ হবে আপনার এবং আপনার ব্র্যান্ড এর। তাই ভেবে চিন্তে decision নিন। ডেভেলপার hire করার সময় verify করে নিন যে সে এ কাজে দক্ষ এবং আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী সে আপনাকে ওয়েবসাইট টা বানিয়ে ডেলিভারি দিতে সক্ষম।

খরচের ব্যাপারে বলতে গেলে নির্দিষ্ট কোন ধরা বাধা নিয়ম নেই। আর ওয়েবসাইট এর ডেভেলপমেন্ট খরচ আগে থেকে বলা মুশকিল। কারন সব e-commerce সাইট ই একরকম সফটওয়্যার দিয়ে বানানো হয়না। যেমন MAGENTO দিয়ে ডেভেলপ করলে অবশ্যই বাজেট ১.৫ লাখ+ রাখবেন। কারন Magento অনেক giant একটা সফটওয়্যার এবং অনেক কঠিন। তাছাড়া Magento এর জন্য HOSTING নিতে হয় অনেক দামী, না হয় performance আশানুরূপ পাবেন না। WordPress বা Open Cart দিয়ে ডেভেলপ করালে budget 60-70 হাজার+ রাখবেন। হয়ত আপনি মুছকি হাসছেন এই লেখা পরতে পরতে...। ভাবছেন আমার পরিচিত এক ডেভেলপার এ তো বলল ৩০ হাজার টাকায় akhoni.com বা buy24.com.bd র মত সাইট করে দেবে বলছে আর এই ব্যাটা কি কয় এসব। উত্তর হল, যে ডেভেলপার সত্যি সত্যি skilled তার ২০-৩০ হাজার টাকায় আপনাকে সাইট করে দেওয়ার টাইম নাই। দেশের এখন অলিতে গলিতে ডেভেলপার কাজের জন্য হন্যে হয়ে ঘুরছে। কিন্তু মনে রাখবেন সত্যিই যদি সে সেই মানের ডেভেলপার হয়ে থাকে তাহলে সে কাজের জন্য কখনও রাস্তায় রাস্তায় ঘুরবে না বা আপনাকে খুব কম টাকায় ওয়েবসাইট করে দেবার প্রতিশ্রুতি দেবেনা । কারন skilled ডেভেলপার দের দেশে এবং দেশের বাইরে প্রছুর চাহিদা। আর ভাল কাজের ও অভাব নাই এই সেক্টর এ। তাই আপনাকে সে সস্তায় সাইট দেবে কোন দুঃখে?

:

Branding সম্পর্কে আমাদের কম বেশি সবার ই ভুল ধারনা আছে। অনেকেই মনে করেন Branding টা হল নামি দামি মডেল ভাড়া করে, ফটোসুট করিয়ে বড় বিলবোর্ড দিলেই Branding হয়ে যায়। খুবি ভুল একটা ধারনা। বিলবোর্ড Branding আর একটা ছোট অংশ মাত্র।Branding মুলত যা বোঝায় টা হল আপনার Company র লোগো থেকে শুরু করে সমস্থ communication and marketing materials Branding এর পার্ট। হোক সেটা সুধু আপনার বিজনেস কার্ড বা লিফলেট সব ই Branding এর অন্তর্ভুক্ত। আপনি যেহেতু মার্কেট এ নতুন সবাইকে আপনার ব্র্যান্ড টা চেনানো অনেক জরুরী। আর এই জন্যই Branding. আমার ৬-৭ বছরের ক্যারিয়ার এ আমি অনেক Entrepreneur কে দেখেছি যাদের জাস্ট কোম্পানি লোগো ডিজাইন এর জন্য ৫-১০ হাজার টাকাও বরাদ্ধ নেই। মানে একটা লোগো যে দরকার, একটা ব্র্যান্ড Identity দরকার, সুন্দর অর্থবহুল একটা লোগো যে একটা বিজনেস কে কতটা সাপোর্ট দেয় সে সম্পর্কে কোন ধারনাই নেই। একজন Entrepreneur হিসেবে আপনার জানা দরকার, বিজনেস শুরুর প্রথমেই আপনার ভাল একটা লোগো দরকার, বিজনেস কার্ড সহ অন্যান্য stationary, Brand thematic presentation template ইত্যাদি দরকার। এসব ছাড়া মাঠে নামবেন আর ধরা খাবেন অবধারিত ভাবেই। কারন হাজারো কোম্পানির ভিড়ে কে আপনাকে আলাদা করে চিনে নেবে? তাই আপনার প্রাথমিক বাজেটে এই সমস্ত বিজনেস এবং মার্কেটিং materials ডিজাইন এর জন্য নুনতম amount হলেও বরাদ্ধ রাখুন।

:

সুন্দর ওয়েবসাইট, লোগো ইত্যাদি তো হল, কিন্তু আপনার সাইট এ ট্রাফিক বা ভিসিটর আসবে কিভাবে? হাজারও সাইট এর ভিড়ে কে কষ্ট করে আপনার সাইট এর কথা মনে রাখবে বা ভিসিট করবে নিত্য নতুন প্রোডাক্ট আপডেট এর জন্য? এ সমস্যা সমাধানের জন্য উপায় হল ডিজিটাল মার্কেটিং। আর তড়িৎ কোন সমাধান নেই যে, আপনি চাইলেই হটাত বলা নেই কওয়া নেই লাখ লাখ ভিসিটর আসবে আপনার সাইট এ। এ জন্য দরকার সঠিক এবং দীর্ঘমেয়াদি প্লান্নিং।আপ্নি হয়ত বলতে পারেন আমার ফেসবুক পেজ আছে, ওখানে ১০০০ ফ্যান আছে আমার ব্র্যান্ড এর। কিন্তু সমস্যা হল এই ১০০০ ফ্যান ই কিন্তু আপনার customer হিসেবে যথেষ্ট নয়। এখনও আমাদের দেশে এসইও তেমন একটা দরকার হয়না। কেননা বেসির ভাগ ভিসিটর আসে ফেসবুক থেকে। কিন্তু কিভাবে আসবে ফেসবুক থেকে ভিসিটর? উত্তর হচ্ছে ফেসবুক অ্যাড এবং কেম্পেইন।তাই ফেসবুক অ্যাড এর জন্য বাজেট রাখুন অন্তত ৩ মাসের জন্য হলেও। ফেসবুক advertising পেজ এ গেলে সব তথ্য ওখানে দেওা আছে। কিভাবে অ্যাড দেওা জাই, কিভাবে বেশি লাইক পাওয়া যায় কিংবা কিভাবে ওয়েবসাইট এ ভিসিটর আনা যায়। এসবের জন্য প্রছুর সময় দিতে হয়। তাই আপনার যদি সময়ের স্বল্পতা থাকে তাহলে মার্কেটিং এক্সপার্ট hire করুন। প্রাথমিক ভাবে মাশে ১০-১৫ হাজার টাকা বরাদ্ধ রাখলেই চলে। তারপর প্রয়োজন অনুযায়ী আপনি বাজেট কমাতে বা বাড়াতে পারবেন। এখনও আমাদের দেশে Digital Marketing ই বলেন আর Social Media Marketing বলেন, টা ফেসবুক এই সীমাবদ্ধ। খুব কম সংখক অনলাইন কোম্পানির Twitter, LinkedIn বা Google+ এর প্রোফাইল বা ফ্যান পেজ আছে।

ডিজিটাল মার্কেটিং এর আরও একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে ইমেইল মার্কেটিং। ইমেইল মার্কেটিং ২ ভাবে করা যায়। প্রথম টা হল, BDJOBS সহ আরও কিছু কোম্পানি active users ইমেইল ডাটাবেজ বিক্রি করে থাকে। আপনি এককালীন ৫-১০ লাখ ইমেইল আইডি কিনে নিতে পারেন এবং সেই সব আইডি তে NEWS LETTER পাঠাতে পারেন আপনার সাইট এর পণ্য কে বা আপনার ব্র্যান্ড কে হাইলাইট করে। অন্য উপায় টা হচ্ছে, ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট এর সময়, আপনার ডেভেলপার কে বলবেন অবশ্যই যাতে NEWSLETTER SUBSCRIPTION অপশন রাখে, যাতে করে ভিসিটররা নিত্য নতুন প্রোডাক্ট আপডেট পায়। ২য় পদ্ধতির সুবিধা হল, আস্তে আস্তে এটা আপনাকে একটা বিজনেস ডাটাবেজ তৈরি করতে সাহায্য করবে। প্রতি সপ্তাহে একবার বা ২ সপ্তাহ মিলে অন্তত একবার আপনার ইউজার দের কাছে e-newsletter পাঠান প্রোডাক্ট এর আপডেট সহ। আপনি হয়ত ভাবছেন, ইউজার রা ইমেইল পড়েন না, খালি খালি এত কষ্ট করে কি লাভ। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে ইউজার রা মেইল পরুক আর নাই পরুক, আপনার কোম্পানির বা ব্র্যান্ডের নামটাতো কমপক্ষে তাদের চোখের সামনে যাচ্ছে!!

Have you need custom WordPress plugin? Click and Visit here:
27/12/2017

Have you need custom WordPress plugin? Click and Visit here:

For only $30, raihan310 will develop custom wordpress plugin. | ***Please contact with me before placing order. Because price depend on plugin requirement.>Any jQuery Plugin to WordPress plugin.>Video gallery, photo gallery plugin develop.>WordPress carousel plugin | On Fiverr.com

11/11/2017

যারা পিএইচপি নিয়ে কাজ করতে চাচ্ছেন বা করছেন কিন্তু বিভিন্ন সমস্যার সন্মুক্ষিন হচ্ছেন, ভালো কনো টিওটোরিয়াল পাচ্ছেন না, তাদের জন্য।

এই চ্যানেল বা টিওটোরিয়াল একটাও আমার না। কিন্তু এগুলা ভালো বলেই শেয়ার করলাম।

Php Basic Tutorial in Bangla:
https://www.youtube.com/watch?v=MwIhHXCUvjc&list=PLXrLl0KJU00QDWGxZB-ey38Dm4a6FLq_4

Php Advance Tutorial:
https://www.youtube.com/watch?v=WzS3Oxx1Olg&list=PLD6D9857DFAE013AB

এ ছাড়াও পিএইচপি নিয়ে যে কনো সমস্যা হলে আমাকে জিজ্ঞেস করতে পারেন,
সমাধান দেয়ার সর্বোচ্চ চেস্টা করব।

31/10/2017

পিএইচপি প্রফেশনাল কোর্স শুরু করতে যাচ্ছি।
আপনারা যারা আগ্রহি তারা যোগাযোগ করবেন।
কোর্স শেষে আপনি লোকাল মার্কেট অথবা অনলাইনে কাজ করতে পারবেন।
এটা একান্তই আপনার উপর নির্ভর করবে।
এখানে কোর্সের বিবরণ দেওয়া হল।

কোর্স শুরুর আগে আপনাকে যা জানতে হবেঃ
HTML, CSS, JAVA Script(optional)

Location: Dhanmondi, Dhaka.

PHP

• PHP installation and Introduction
• PHP Basics
• Variables
• Operators
• Arrays in PHP
• Conditional statement
• Loops
• Functions in PHP
• Email Function
• Image Uploading
• File handling in PHP
• Functions in PHP
• Errors handling in PHP
• Mini project in header and footer

ADVANCE PHP

• Classes,
• Object
• Inheritance
• Constructor and Destructor
• Static Method
• Access modifiers
• Scope resolution operator
• Class constant
• This operator
• Abstract class
• Interface
• Trait
• Dependency Injection
• CRUD in OOP PHP

MYSQL

• Basic Queries
• Insert, Update, Delete
• Joins,
• Order by, Group by,
• Union
• Sub Queries
• MySQL Functions
• Import and Export Database

AJAX
• XML HTTP Request,
• XHR Object
• XHR Response

Framework:
• Project with Code-igniter

Address

Dhaka
1209

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Outsourcing and Freelancing posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category