Smart PC Zone

Smart PC Zone ​💻 Premium Computer Accessories Hub
🖱️ Best Gadgets at Affordable Prices
🚚 Fast Home Delivery Nationwide
Make your tech life easier!

স্বাগতম, এই সাইট এ আপনি সকল প্রকার মন ভালো করার গল্প কবিতা পাবেন, শুধু তাই নয়! এই সাইট এর মূল উদ্দেশ্য হল গল্প কবিতার মাধ্যমে দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটানো এবং তাদের সকল দুঃখ শেয়ার করা, যাদের মন খারাপ তারা এই সাইট এর কবিতা পড়ুন এবং নিজেকে আধার জীবন থেকে ফিরিয়ে আলোর পথে নিয়ে আসুন।

03/03/2026

ভালোবাসার মায়া: পাঠ - ১১

ড্রয়িংরুমের ঝলমলে আলো আর অনিকের অট্টহাসি আথনুকের কানে স্রেফ কান্নার শব্দের মতো বাজছে। যে পকেট থেকে গিফটটা বের করে ছায়ার পায়ে পরিয়ে দেওয়ার স্বপ্ন দেখেছিল, সেই পকেটটা এখন যেন সিসার মতো ভারী হয়ে গেছে। আথনুকের মা পরিস্থিতিটা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছেন, কিন্তু তাঁর চোখেমুখেও স্পষ্ট বিস্ময়। তিনি একবার ছেলের দিকে তাকাচ্ছেন, তো একবার ছায়ার দিকে। ছায়া আর অনিক তখন পাশাপাশি সোফায় বসে। অনিক দারুণ কথা বলতে পারে। সে আমেরিকার ল্যান্ডস্কেপ, ওখানকার জীবন আর ছায়ার সাথে তার দীর্ঘ তিন বছরের গোপন প্রেমের গল্প শোনাচ্ছে। ছায়া মাঝেমধ্যে আথনুকের দিকে তাকাচ্ছে, কিন্তু সেই চাহনিতে এখন আর কোনো ‘ইশারা’ নেই, আছে স্রেফ এক অদ্ভুত প্রশান্তি।
আথনুক, তোর গিফটটা বের করবি না? তুষার পাশ থেকে আবার খোঁচা দিল। ওর গলার স্বরে বিষাদ নাকি বিদ্রূপ ছিল, আথনুক বুঝতে পারল না।
আথনুক কোনোমতে নিজেকে সামলে নিয়ে উঠে দাঁড়াল। পকেট থেকে গিফট বক্সটা বের করে সরাসরি অনিকের দিকে বাড়িয়ে দিল। ম্লান হেসে বলল, তোমাদের এনগেজমেন্টের কথা তো জানতাম না অনিক ভাই। এই সামান্য গিফটটা আপনাদের দুজনের জন্য। ছায়ার জন্য এনেছিলাম, তবে এখন মনে হচ্ছে এটা আপনাদের দুজনের জুটির জন্যই মানানসই। ছায়া অবাক হয়ে বক্সটা খুলল। ঝকঝকে রুপোর পায়েল জোড়া দেখে ওর চোখ উজ্জ্বল হয়ে উঠল। সে আবেগী গলায় বলল, আথনুক! তুমি জানলে কী করে আমার পায়েল কত পছন্দ? অনিক দেখো, কী সুন্দর! অনিক আথনুকের হাত জড়িয়ে ধরে বলল, আপনি সত্যিই গ্রেট আথনুক ভাই। ছায়া ঠিকই বলত, আপনার মতো বন্ধু পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার।" প্রস্থানের প্রস্তুতি চা-নাস্তা শেষ করে আথনুক আর বেশিক্ষণ সেখানে স্থির থাকতে পারল না। প্রতিটি মুহূর্ত তার কাছে নরকবাসের মতো মনে হচ্ছিল। সে তার মায়ের দিকে তাকিয়ে ইশারা করল। মা-ও বুঝলেন ছেলের মনের অবস্থা। বাসা থেকে বের হওয়ার সময় ছায়া দরজায় এসে দাঁড়াল। অনিক ভেতরে তুষারের সাথে কথা বলছে। ছায়া আথনুকের খুব কাছে এসে নিচু স্বরে বলল, মন খারাপ করলে আথনুক? সারপ্রাইজটা বেশি বড় হয়ে গেল? আথনুক তপ্ত নিঃশ্বাস ফেলে বলল, না রে ছায়া। সারপ্রাইজটা সত্যিই অভাবনীয় ছিল। সুখী হস।
সে দ্রুত সিঁড়ি দিয়ে নামতে লাগল। তার মনে হলো, পেছন থেকে ছায়া তাকে ডাকবে, বলবে— "আরে ধুর পাগল, আমি মজা করছিলাম! কিন্তু কোনো ডাক এল না। বদলে কানে এল অনিক আর ছায়ার সম্মিলিত হাসির শব্দ।
নিস্তব্ধ রাত এবং একটি সিদ্ধান্ত
বাসায় ফিরে আথনুক নিজের ঘরের দরজা বন্ধ করে দিল। মা কয়েকবার ডাকতে এসেও ফিরে গেলেন। তিনি জানেন, এই ক্ষত মলম দিয়ে সারার নয়। আথনুক জানালার পাশে গিয়ে দাঁড়াল। বাইরের আকাশটা আজ বড্ড মেঘলা।
সে টেবিলের ড্রয়ার থেকে সেই ডায়েরিটা বের করল, যেখানে সে 'আদ্রিতা'র নাম লিখেছিল। আজ প্রতিটি বর্ণ যেন তাকে বিদ্রূপ করছে। সে কলম তুলে ডায়েরির পাতায় শেষ কয়েকটা লাইন লিখল:
"ভালোবাসার মায়া বড় অদ্ভুত। কেউ মায়ায় পড়ে ঘর বাঁধে, আর কেউ মায়া কাটিয়ে আগন্তুক হয়ে যায়। ছায়া কোনোদিন আমার ছিল না, ও ছিল আমার একতরফা জেদ আর স্বপ্নের প্রতিচ্ছবি মাত্র।"

হঠাৎ ওর ফোনে একটা মেসেজ এল। তুষারের মেসেজ। আথনুক স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে স্তব্ধ হয়ে গেল। তুষার লিখেছে: দোস্ত, কষ্ট পাস না। ছায়া আমাকে আগেই মানা করেছিল তোকে কিছু জানাতে। ও চেয়েছিল তুই যেন নিজের থেকেই সরে যাস। আজ অনিক আসত না, ছায়া নিজে ফোন করে ওকে আগেভাগে আনিয়েছে শুধু তোকে এটা বোঝাতে যে, তোদের রাস্তা আলাদা।

আথনুকের চোখ দিয়ে এক ফোঁটা জল ডায়েরির পাতায় গিয়ে পড়ল। সে বুঝতে পারল, ছায়া আসলে নিষ্ঠুর নয়, বরং অনেক বেশি বাস্তববাদী। সে মায়া বাড়াতে চায়নি বলেই মায়া ছিঁড়ে দিয়েছে।
সে আলমারি থেকে তার ব্যাগটা বের করল। অফিসের সেই প্রজেক্টটার জন্য তাকে চট্টগ্রাম যেতে বলা হয়েছিল, যা সে ছায়ার জন্য এতদিন এড়িয়ে গেছে। এখন আর কোনো পিছুটান নেই।

03/03/2026

ভালোবাসার মায়া: পাঠ - ১০

তুষারের বাসার কলিংবেলটা চাপতে গিয়েও আথনুকের হাত কাঁপছে। পকেটে রাখা সেই গিফট বক্সটা যেন আগুনের মতো গরম হয়ে আছে। ছায়া কী সারপ্রাইজ দেবে? সে কি আজ সবার সামনে আথনুকের হাত ধরবে? নাকি মনের জমানো সবটুকু ভালোবাসা বিলিয়ে দেবে?
দরজা খুলল ছায়া। নীল রঙের একটা সুতির শাড়ি পরেছে সে, কপালে ছোট্ট একটা টিপ। অসুস্থতার রেশটা এখনো কাটেনি, তাই মুখটা কিছুটা ফ্যাকাশে হলেও চোখের উজ্জ্বলতা কমেনি। আথনুককে দেখেই একগাল হেসে বলল, আসুন আন্টি! ভেতরে আসুন। আপনারা যে ঠিক সময়ে আসবেন আমি জানতাম। আথনুকের মা ভেতরে যেতে যেতে ছায়ার মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেন, কেমন আছো মা এখন? শরীরটা কি খুব দুর্বল লাগছে? না আন্টি, এখন অনেক ভালো। আপনি বসুন, আমি আপনার প্রিয় চা করছি। ছায়া আথনুকের দিকে তাকিয়ে চোখ টিপল। সেই চাহনিতে কী ছিল? ইশারা নাকি স্রেফ বন্ধুত্ব? আথনুক কিছু বলতে চাইল, কিন্তু মা পাশে থাকায় পকেট থেকে গিফটটা বের করতে পারল না।

ড্রয়িংরুমে বসতেই তুষার এসে আথনুকের কাঁধে হাত রাখল। কিরে দোস্ত, একদম ফিটফাট হয়ে এসেছিস যে? কোনো স্পেশাল মিশন আছে নাকি? আথনুক আমতা আমতা করে বলল, আরে না, এমনিতেই। তুষার হাসল, কিন্তু সেই হাসিতে কেমন যেন একটা রহস্য ছিল। কিছুক্ষণ পর ছায়া ট্রে হাতে ঘরে ঢুকল। সাথে স্যুপ আর নাস্তা। সবাই যখন গল্পে মশগুল, তখন ছায়া হঠাৎ করে বলল, আথনুক, আমি তোমাকে বলেছিলাম না একটা সারপ্রাইজ দেব? আথনুকের বুকের ভেতরটা যেন ড্রাম পেটাচ্ছে। সে শুধু মাথা নাড়ল। ছায়া একটু লাজুক হেসে ভেতরের ঘরের দিকে তাকিয়ে ডাক দিল, অনিক, তুমি এবার বের হতে পারো! আথনুকের পুরো পৃথিবীটা যেন এক মুহূর্তের জন্য থেমে গেল। ভেতর থেকে সুঠাম দেহের এক যুবক বেরিয়ে এল। পরনে ফরমাল শার্ট, চোখে চশমা। ছেলেটি এসে সরাসরি আথনুকের মায়ের পা ছুঁয়ে সালাম করল। ছায়া আথনুকের সামনে দাঁড়িয়ে গর্বিত স্বরে বলল, আথনুক, ওর সাথে পরিচয় করিয়ে দিই— ও হলো অনিক। আমার বাগদত্তা (Fiancé)। আমেরিকা থেকে আজই ল্যান্ড করেছে। ও ফিরবে বলেই আমি হাসপাতালের কষ্টগুলো হাসিমুখে সহ্য করেছি। আর অনিক, এই হলো আথনুক, আমার সেই কলিজার বন্ধু যার কথা তোমাকে ফোনে বলতাম। আথনুকের পকেটে থাকা গিফটের প্যাকেটটা তখন যেন তার হাতে হুল ফোটাচ্ছিল। "লাভ" কার্ড, লাল গোলাপ আর সেই রূপোর পায়েল—সবগুলো যেন এক মুহূর্তে অর্থহীন হয়ে গেল। সে দেখল অনিক খুব আন্তরিকভাবে তার দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়েছে, থ্যাংক ইউ আথনুক ভাই। ছায়ার বিপদে আপনি যেভাবে পাশে ছিলেন, তার ঋণ আমি কোনোদিন শোধ করতে পারব না।

আথনুক কোনোমতে একটা কৃত্রিম হাসি মুখে ফুটিয়ে তুলল। তার মাও অবাক হয়ে তাকিয়ে আছেন। ছায়া হাসিমুখে অনিকের হাতটা ধরল। সেই হাত ধরার দৃশ্যটা আথনুকের চোখে তীরের মতো বিঁধছে। তুষার আথনুকের কানের কাছে এসে ফিসফিস করে বলল, সারপ্রাইজটা কেমন লাগল রে?
আথনুক কোনো উত্তর দিতে পারল না। তার মাথায় তখন শুধু একটা কথাই ঘুরছে—তার সেই স্বপ্নটা কি তবে শুধুই স্বপ্নই থেকে যাবে? আদ্রিতা নামের সেই ছোট্ট মেয়েটা কি তবে কোনোদিন তার কোলে চড়ে স্কুলে যাবে না?
বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামল। তুষারের বাসায় হাসির রোল উঠেছে, শুধু আথনুক সেই খুশির মিছিলে একজন আগন্তুক হয়ে বসে রইল। তার মনে হতে লাগল, ছায়া আসলেই তার ভালোবাসা কোনোদিন বোঝেনি, অথবা বুঝতে চায়নি।

পরবর্তী পর্বের জন্য কিছু প্রশ্ন:

* আথনুক কি পারবে তার গিফটটা লুকিয়ে ফেলে স্বাভাবিক হতে?
* অনিক আর ছায়ার বিয়ের প্রস্তুতি কি এখনই শুরু হয়ে যাবে?
* আথনুকের মা কি ছেলের মনের কষ্টটা বুঝতে পারবেন?
পরবর্তী পর্ব (পাঠ-১১) পড়ার জন্য প্রস্তুত তো? আমি কি লিখে ফেলব?

02/03/2026

নীল দিগন্ত

​এক চিমটি রোদ, কিছুটা মেঘ,
পাখির ডানায় অলস বেগ।
সবুজ ঘাসে শিশির হাসে,
মন হারায় আজ বুনো ঘাসে।
ছোট্ট জীবন, এক পলক সুখ,
ভুলে যাই চলো সবটুকু দুখ।

21/04/2023

ﺗَﻘَﺒَّﻞَ ﺍﻟﻠﻪُ ﻣِﻨَّﺎ ﻭَﻣِﻨْﻜُﻢْ
"তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম"

ঈদ বয়ে আনুক আপনার এবং পরিবারের সবার জীবনে সুখ, শান্তি ও কল্যাণ। ঈদের দিনের মতো সুন্দর হোক প্রতিটি দিন। মহান আল্লাহ্ পাক আমাদের পুরো মাসের ইবাদত কবুল করুন আমীন.......🤲
ঈদ মোবারক🌙

 #প্রিয়_সকল_বন্ধুসবাইকে   এর পক্ষ থেকে জানাই ফাল্গুনের শুভেচ্ছা! "সত্য প্রেমের গল্প" এই শিরোনামে খুব শিগগিরই একটি বই পা...
30/01/2021

#প্রিয়_সকল_বন্ধু
সবাইকে এর পক্ষ থেকে জানাই ফাল্গুনের শুভেচ্ছা!
"সত্য প্রেমের গল্প" এই শিরোনামে খুব শিগগিরই একটি বই পাবলিশ হতে যাচ্ছে, এই বইটির কভার পেজ নমুনা স্বরূপ আপনাদের মাঝে তুলে ধরা হলো এর সম্পাদক আরিফ জামান আপনাদের সকলের মতামতের আশা করছেন।
সম্পাদক
আরিফ জামান

 #মুড_সুইং_কি???এমন খুব কম সংখ্যক ছেলে আছে যারা মেয়েদের মুড সুইং এর ব্যাপারে জানে অথবা জেনেও গুরুত্ব দেয় না! একজন মেয়ে হ...
10/02/2020

#মুড_সুইং_কি???

এমন খুব কম সংখ্যক ছেলে আছে যারা মেয়েদের মুড সুইং এর ব্যাপারে জানে অথবা জেনেও গুরুত্ব দেয় না! একজন মেয়ে হিসেবে বলছি, আগে না বুঝলেও নিজের সাথে ঘটায় এখন বুঝতে পারছি এই ব্যাপারটা একটা অভিশাপ। আপনি যদি কখনো দেখেন আপনার মা, বোন, বান্ধবী, প্রেমিকা, স্ত্রী কিংবা কন্যা অকারনে ইমোশনাল হচ্ছে, অযথা রাগ করছে, কাঁদছে, চিৎকার করছে, ফ্রাস্ট্রেটেড হয়ে যাচ্ছে তখন প্লিজ তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল হোন! কারন হরমোনাল ইমব্যালেন্স, মেন্সট্রুয়াল সাইকেল সহ বিভিন্ন কারণে বেশিরভাগ মেয়ে মুড সুইং এ ভুগে।

হঠাৎ হঠাৎ তাদের বিহেভ পাল্টে যায়। ওভার রিঅ্যাক্ট করে। আমরা মেয়েটাকে সাইকো বলি। কিন্তু মেয়েটা আসলে সাইকো না। আবেগ, মায়া মমতায় ভরা একটা মানুষ সে। মুড সুইং-এ ভুগা মেয়েগুলো পৃথিবীর সবচেয়ে অসহায় প্রাণী। ওরা নিজের সাথে যুদ্ধ করে আপনার আমার সাথে নরমাল বিহেভ করতে চায়। কিন্তু তা মাঝেমধ্যে পেরে উঠেনা। ওভার রিঅ্যাক্ট করে ফেলে। ওরা ইচ্ছা করে এমনটা করেনা। ওদের শরীরে বিভিন্ন প্রকার হরমোনের প্রভাবে ওরা এমন করে। হয়তো সে নিজেও জানে না কিভাবে নিজের মুড সুইং কে হ্যান্ডেল করতে হয়......

ওদের এই মুড সুইং টা বেশিভাগ ক্ষেত্রে তার প্রিয় মানুষগুলার সাথে হয়। এই দেখছেন ও খুব হাসি খুশিই আছে কিন্তু হঠাৎ খেয়াল করে দেখলেন সে অন্যরকম বিহেভ করছে। হতে পারে সে আপনার কাছ থেকে মনে মনে কিছু চাইতেছে, কিন্তু সেটা প্রকাশ করতে পারছেনা, ও চায় আপনি বুঝুন তাকে কিন্তু যখন দেখে তার কাছের প্রিয় মানুষটা তার চাওয়াটা পূরণ করবে তো দূরে থাক বুঝতেই পারেনি সে কি চায় তখন সে নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারে না, সেই আশা পূরণ না হওয়ার কারণে নিমিষেই সে পাল্টে যায়। করে ফেলে আপনার সাথে ওভার রিঅ্যাক্ট। আবার কিছুক্ষণ পরেই সে ঠিক হয়ে যায় কিন্তু আপনি তার মুড সুইং এর ব্যাপারটা ধরতে পারেন নি বলে তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে আপনিও করে ফেলেন মিসবিহেভ কিংবা তাকে এড়িয়ে চলেন এতে করে সেই মুড সুইং হওয়া মেয়েটি আস্তে আস্তে সবার থেকে গুটিয়ে নেয় নিজেকে।

তাদের কে ন্যাকা, এইমলেস বলে রূঢ় আচরণ না করে বরং এমন একজন হোন যার কাঁধে মাথা রেখে কাঁদা যায়! যার কাছে মন খুলে কিছু কথা বলা যায়! যখন ওদের সবকিছু ভুল মনে হতে থাকে,,, নিজেকেই নিজের আর সহ্য না হয়,,, সবকিছু অর্থহীন মনে হতে থাকে,,, তখন চিৎকার করে কাঁদতে ইচ্ছা করে; বিশ্বাস করেন,, ঐ মুহূর্তে স্রেফ একজন শোনার মানুষের দরকার হয়,,যে কিনা খুব মনোযোগ দিয়ে ভীষণ অগোছালো আর অর্থহীন কথাগুলো কেবলই শুনে যাবে! হয়তো কথা গুলো বলে সে নিজেকে হাল্কা অনুভব করবে।
বাঙালিরা মুড সুয়িং কে ন্যাকামি মনে করে।তাই তো ডিপ্রেশনে বেশি ভোগে শুধু মানুষিক স্বাস্থ্যের যত্ন না নেয়ার কারনে।
ওদের একটু বুঝুন, দেখবেন ঘনঘন মুড সুইং হওয়া মেয়েটা সাইকো না সেও কিন্তু লক্ষী একটা মেয়ে।

Address

75-76, B. S Bhaban, Science Laboratory Road, New Elephant Rd
Dhaka
1205

Opening Hours

Monday 10:00 - 22:00
Tuesday 10:00 - 22:00
Wednesday 10:00 - 22:00
Thursday 10:00 - 22:00
Friday 10:00 - 22:00
Saturday 10:00 - 22:00
Sunday 10:00 - 22:00

Telephone

+8801816100393

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Smart PC Zone posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Smart PC Zone:

Share