Mastercopy.com

Mastercopy.com Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Mastercopy.com, Computer shop, Dhaka.

25/03/2018
30/10/2017

গ্রামীণফোন অফার! বিস্তারিত
দেখুন।
গ্রামীনের ফোনের সব গুলা মিনিট
অফার একসাথে নিয়ে নিন। ও সেভ করে
রাখুন। যেকোন সময় মিনিট কিনতে অন্য
কোন সমস্যা হবে না।
ভবিষ্যতে কিনার জন্য সংগ্রহে
রাখতে পারেন।
১। মিনিটঃ ৪ মিনিট
একটিভেশন কোডঃ *১২১*৪*১ #
টাকার পরিমানঃ ১ টাকা ৫৮
পয়সা মেয়াদঃ ৪ ঘন্টা
ব্যালেন্স চেকঃ *১০০০*২ #
২। মিনিটঃ ১৭ মিনিট
একটিভেশন কোডঃ *১২১*৪*২ #
টাকার পরিমানঃ ৬ টাকা ৭০
পয়সা মেয়াদঃ ১৬ ঘন্টা
ব্যালেন্স চেকঃ*১০০০*২ #
৩। মিনিটঃ ২৪ মিনিট
একটিভেশন কোডঃ *১২১*৪*৩ #
টাকার পরিমানঃ ৮ টাকা ১৬
পয়সা মেয়াদঃ ২৪ ঘন্টা
ব্যালেন্স চেকঃ*১০০০*২ #
৪। মিনিটঃ ২৫ মিনিট
একটিভেশন কোডঃ *১১১*২৫ #
টাকার পরিমানঃ ৯ টাকা ০০
পয়সা মেয়াদঃ ১২ ঘন্টা
ব্যালেন্স চেকঃ*১০০০*২ #
৫। মিনিটঃ ৪০ মিনিট
একটিভেশন কোডঃ *১২১*৪*৪ #
টাকার পরিমানঃ ১৪ টাকা ০০
পয়সা মেয়াদঃ ২৪ ঘন্টা
ব্যালেন্স চেকঃ*১০০০*২ #
৬। মিনিটঃ ৭৫ মিনিট
একটিভেশন কোডঃ *১২১*৪*৫ #
টাকার পরিমানঃ ২৪ টাকা ০০
পয়সা মেয়াদঃ ২৪ ঘন্টা
ব্যালেন্স চেকঃ*১২১*৪*৩ #
৭। মিনিটঃ ১০০ মিনিট
একটিভেশন কোডঃ *১২১*৪*৫ #
টাকার পরিমানঃ ৪৩ টাকা ০০
পয়সা মেয়াদঃ ৭২ ঘন্টা
ব্যালেন্স চেকঃ*১২১*১*২ #
৮। মিনিটঃ ১৫০ মিনিট
একটিভেশন কোডঃ
*৫০০০*১৩১ #
টাকার পরিমানঃ ৬০ টাকা ০০
পয়সা মেয়াদঃ ৭ দিন
ব্যালেন্স চেকঃ*১২১*১*২ #
৯। মিনিটঃ ৩০০ মিনিট
একটিভেশন কোডঃ *১১১*৩০০ #
টাকার পরিমানঃ ৯৯ টাকা ০০
পয়সা মেয়াদঃ ৭ দিন
ব্যালেন্স চেকঃ*১২১*১*২ #
আরো অফার সম্পর্কে জানতে লাইক দিয়ে
এই পোস্টটি শেয়ার করুন।
এই অফার গুলা শুধু মাত্র জিপি
প্রিপেইড ও ডিজুসের জন্য প্রযোজ্য।
মেয়াদ আপনার ক্রয়ের সময় থেকে গননা
করা হবে। জিপির শর্ত সমুহ প্রযোজ্য।

15/07/2017

যে কাজটি করলে আর কখনোই আপনার গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থাকবে না ...

আমাদের দেশে গ্যাস্টিকের সমস্যা নেই এমন মানুষ হয়তো খুঁজে পাওয়াই যাবে না। এই সমস্যাটি মূলত ভাজাপোড়া খাবার খেলেই বেশি হয়ে থাকে। অনেকেরই এ সব খাবার খাওয়ার পরে পেট ব্যথা বা বুকে ব্যথা কিংবা বদ হজম হয়।
অথচ এই সমস্যা দূর করার জন্য ওষুধ না খেয়ে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে নিচের যেকোন একটি নিয়ম মানলেই চলবে।

১। আধা ইঞ্চি পরিমাণ কাঁচা আদা নিন। তারপর অল্প একটু লবন মাখিয়ে খেয়ে ফেলুন। আদা খাওয়ার কিছুক্ষণ পর এক কাপ কুসুম গরম পানি খান। গভীর রাতে আর গ্যস্ট্রিকের সমস্যা হবে না।

২। এক গ্লাস পানি একটি হাড়িতে নিয়ে চুলায় বসান। এর আগে এক ইঞ্চি পরিমাণ কাঁচা হলুদ পানিতে দিয়ে দিন। পানি অন্তত পাঁচ মিনিট ফুটতে দিন। তারপর নামিয়ে আনুন। পানি ঠাণ্ডা হলে হলুদসহ খেয়ে ফেলুন। গ্যাস্ট্রিক দৌঁড়ে পালাবে।

৩। ওপরের সমস্ত পদ্ধতি ঝামেলার মনে হলে শুধুমাত্র এক গ্লাস পানিতে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পান করুন। কখনোই রাতে পেট বা বুক ব্যথা করবে না।
পোষ্ট টা কেমন লেগেছে কমেন্টে জানাবেন।
আপনার যদি
কমেন্ট করতে কষ্ট হয়,
তাহলে সংক্ষেপে কমেন্ট করুন..
T= (Thanks)
N= (Nice)
E= (Excellent)
V= (very fine)
B= (Bad)
O= (Osthir)..
আপনাদের কমেন্ট দেখলে আমরা
ভাল ভাল পোষ্ট দিতে সাহস পাই।........ধন্যবাদ
সবাই লাইক ও শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের দেখার সুযোগ করে দিন।
আমাদের পেইজে লাইক দিন।

07/07/2017

বিদায় জানাবেন যেভাবে........
✪ Bye Bye ! বিদায়
✪ Goodbye- বিদায়
✪ See you later– পরে দেখা হবে
✪ I’m out here – আমি এখান থেকে যাচ্ছি।
✪ It's time to be going! – এখন যাওয়ার সময়।
✪ Catch you later- তোমার সাথে পড়ে দেখা করব।
✪ It was great to see you – তোমাকে দেখা ছিল খুবই আনন্দের।
✪ Have a lovely /nice evening. – সন্ধ্যাটা সুন্দর কাটাও।
✪ Have a good day. – ভাল একটি দিন কাটাও।
✪ Take care of yourself – তোমার নিজের যত্ন নিও।
✪ I’ve got to get going – আমার যেতেই হচ্ছে।
✪ Ok, everyone, it's time to leave you – ঠিকআছে, প্রত্যেককে ছেড়ে যাওয়ার সময় হয়েছে।
✪ Anyway, guys I'm going to make a move – যাইহোক বন্ধুগণ, আমি এখন উঠতে যাচ্ছি।
✪ Nice to see you – তোমাকে দেখে ভালো লাগল।
✪ I am little bit busy, talk to you later! – আমি কিছুটা ব্যস্ত, তোমার সঙ্গে পরে কথা বলব।

07/07/2017

✪ Let - কর/করতে দাও
নিজে একটা কাজ করলে এবং অন্যকেও সেটা করতে দিলে।
Structure: verb+ let + verb
Example:
Live let live. - নিজে বাচুন এবং অন্যকে বাচতে দিন।
Learn let learn- নিজে শিখুন অন্যকে শিখতে দিন।
Eat let eat. - নিজে খাও অপরকে খেতে দাও।
Win let win. - নিজে জিতো অপরকে জিততে দাও।
Go let go. - নিজে যাও অন্যকে যেতে দাও।
Play let play. - নিজে খেলো অন্যকে খেলতে দাও।

07/07/2017

বন্ধ করুন নাক ডাকা!

নাক ডাকা... এমন একটা সমস্যা যা কিনা ডেকে আনে রীতিমত দাম্পত্য কলহ। শুনতে যতই হাস্যকর হোক, অনেকেই এই সমস্যার ভুক্তভোগী। যিনি নাক ডাকেন সে নিজে টের না পেলেও তার সঙ্গীর ঘুম হারাম হয়ে যায়। তবে ব্যাপারটা আসলে এক রকমের শারীরিক সমস্যা। অতিরিক্ত নাক ডাকার পেছনে কিছু বৈজ্ঞানিক কারণ আছে। আছে নাক ডাকা সমস্যার সমাধানও। আর তাই নাক ডাকা সমস্যাটিকে অবহেলা না করে আসুন জেনে নেই কেন মানুষ নাক ডাকে এবং কিভাবে তা কমানো সম্ভব।

নাক ডাকার কারণসমূহ-

বয়সঃ
মধ্য বয়সে পৌছানোর পর কন্ঠনালী সংকীর্ণ হয়ে আসে। এর ফলে নাক ডাকার প্রবণতা বাড়ে।

লিঙ্গঃ
পুরুষের কন্ঠনালী নারীর চাইতে অপেক্ষাকৃত সরু। তাই নারীদের নাক ডাকার সম্ভাবনা পুরুষের তুলনায় কিছুটা কম।

ন্যাসাল ও সাইনাসের সমস্যাঃ
সাইনাস ও ন্যাসাল সমস্যার জন্য নাক বন্ধ থাকলে নিঃশ্বাস বাধাগ্রস্ত হয়। যার ফলে নাক ডাকার প্রবণতা বাড়ে।

ওজনাধিক্যঃ
ওজন বেড়ে গেলে ফ্যাটি টিস্যুর কারণে নাক ডাকা বেড়ে যেতে পারে।

অ্যালকোহল, ধুমপান ও মেডিকেশনস্ঃ
অতিরিক্ত মদ্যপান ও ধুমপানের কারণে নাক ডাকা বেড়ে যায়। অনেক সময় কিছু কিছু অষুধের কারণে মাসল্ সিথিল হয়ে নাক ডাকার প্রবণতা বাড়ে।

একটু চেষ্টা করলে আপনি নিজেই নিজের নাক ডাকার প্রবণতা অনেকটাই কমিয়ে আনতে পারেন। আপনার দরকার শুধু ধৈর্য্য ও চেষ্টা। ঘরোয়া কিছু পদ্ধতি ও জীবনযাত্রায় পরিবর্তনের মাধ্যমে আপনি আপনার নাক ডাকা সমস্যা কমিয়ে ফেলতে পারেন সহজেই।

নাক ডাকা বন্ধে জ়ীবনযাত্রায় পরিবর্তন-

ওজন কমান-
সামান্য ওজনহ্রাসেও আপনার নাক ডাকা অনেকখানি কমে যেতে পারে। এমনকি ফ্যাটি টিস্যু কমে যাওয়ার কারণে নাক ডাকা বন্ধও হয়ে যেতে পারে।

ব্যায়াম-
ব্যায়াম শরীরকে কর্মচঞ্চল রাখে, মাসল গুলোকে টোন করে। নিয়মিত ব্যায়াম করলে গলার মাসল গুলোরও টোনিং হয়। ফলে নাক ডাকার প্রবণতা কমে।

ধূমপান বন্ধ করুন-
ধূমপায়ীদের নাক ডাকার সম্ভাবনা অধূমপায়ীদের তুলনায় অনেক বেশি। তাই ধুমপান বন্ধ করলে নাক ডাকা কমে যাবে অনেকটাই।

অ্যালকোহল ও ঘুমের অষুধ ত্যাগ করুন-
ঘুমাতে যাওয়ার আগে ঘুমের অষুধ খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করুন। ঘুমের অষুধ গলার মাসল গুলোকে রিল্যাক্স করে ও নাক ডাকা বাড়িয়ে দেয়।

নিয়মিত ঘুম-
প্রতিদিন একটি নির্ধারিত সময়ে ঘুমাবেন। কমপক্ষে সাত-আট ঘন্টা ঘুমাবেন। নিয়মিত একই সময়ে ঘুমানোর অভ্যাসে নাক ডাকার প্রবণতা কিছুটা কমে আসে।

ঘুমাতে যাওয়ার আগে করণীয়-

ন্যাসাল প্যাসেজ ক্লিয়ার রাখুন-
নাক বন্ধ থাকলে শ্বাস নিতে সমস্যা হয় এবং গলায় একটি বায়ুশূন্য স্থানের সৃষ্টি হয়। এই বায়ুশূন্য স্থানের কারণে নাক ডাকার সমস্যা তৈরী হয়। তাই ঘুমাতে যাওয়ার পূর্বে নাক বন্ধ থাকলে ড্রপ দিয়ে হলেও নাক পরিস্কার করে ঘুমানো উচিত।

মাথার পজিশন-
ঘুমানোর সময় বিছানা থেকে মাথা ৪ ইঞ্চি উপরে থাকলে শ্বাস নিতে সুবিধা হয় ও নাক ডাকার সম্ভাবনা কমে যায়।

ভারী খাবার ও ক্যাফেইন না খাওয়া-
ঘুমানোর অন্তত দুই ঘন্টা আগে খাওয়া-দাওয়া সেরে নেয়া উচি। ঘুমানোর পূর্বে চা-কফি বা কোন ভারী খাবার খাওয়া উচিত না।

পাশ ফিরে শোয়ার অভ্যাস করুন-
সোজা হয়ে পিঠের উপর ভর করে ঘুমালে নাক ডাকার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই পাশ ফিরে ঘুমানোর অভ্যাস করার চেষ্টা করুন।

কখন ডাক্তার দেখানো উচিত?

অনেকেই বুঝতে পারেনা যে তার নাক ডাকা একটি ভয়াবহ রোগে পরিণত হয়েছে। নাক ডাকার সমস্যা অনেক বেশি বেড়ে গেলে অভিজ্ঞ ডাক্তারের স্বরণাপন্ন হওয়া উচিত। আসুন জেনে নেয়া যাক কখন আপনি বুঝবেন যে আপনার ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া উচিত।

-ঘুমানোর সময় অনেক জোরে জ়োরে নাক ডাকা ও সারাদিন ক্লান্তি লাগা।
-ঘুমের মধ্যে হাপানো, শ্বাসকষ্ট হওয়া বা দম আটকে যাওয়া।
-সারা রাত নাক ডাকা ও দিনের বেলা অসময়ে ঘুমিয়ে পরা যেমন খাওয়ার সময় বা কথা-বার্তা বলতে বলতে ঝিমিয়ে যাওয়া।
উপরের সমস্যাগুলোর সাথে আপনার মিল থাকলে দেরি না করে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া উচিত। নাক ডাকা আপাতদৃষ্টিতে তেমন বড় কোন সমস্যা মনে না হলেও ব্যক্তি ও কর্মজীবনে এর বিরূপ প্রভাব পরে। নাক ডাকার কারণে দাম্পত্য জীবনে নানান রকম অশান্তির ঘটনাও অহরহ ঘটে। নাক ডাকার সমস্যাটা ইচ্ছাকৃত না। তাই যেই ব্যক্তি নাক ডাকে তার আত্মীয়-স্বজনকে তার প্রতি সহনশীলতা বাড়াতে হবে। দাম্পত্য জীবনে যাতে বিরূপ প্রভাব না পরে সেদিকে যত্নশীল হতে হবে। সমস্যার প্রকটতা বেশি হলে বাসায় বসে না থেকে বিষেশজ্ঞ ডাক্তারের কাছে পরামর্শ নেয়া উচিত

11/05/2016

ঘরের যেসব জিনিস অবশ্যই প্রতিদিন পরিষ্কার করা উচিৎ

ঝকঝকে ঘরদোর সবার পছন্দ হলেও ঘর পরিষ্কার করার কাজটা আদতে কারোই পছন্দ নয়। সপ্তাহে একদিন ঘর পরিষ্কার করতেও অনেকের অনীহা দেখা যায়। কিন্তু কিছু কিছু জিনিস আছে যা পরিষ্কার করার দরকার হতে পারে প্রতিটি দিন। হ্যাঁ, যতই কষ্ট হোক না কেন, এসব জিনিস আগামীকাল বা শুক্রবার পরিষ্কার করবেন- এমন চিন্তা না করাই ভালো। অল্প সময়ের মাঝেই এসব জিনিস পরিষ্কার করে ফেলতে পারবেন আপনি। এতে সপ্তাহের শেষে বিরাট কাজের বোঝা মাথায় নিতে হবে না আপনাকে।
১) বাড়ির মূল দরজার সামনের অংশ
বাড়িতে ঢুকেই প্রথমে এই জায়গাটি চোখে পড়ে সবার- আপনার চোখেও পড়ে, আবার মেহমানের চোখেও পড়ে। এ কারণে এই জায়গাটি গুছিয়ে পরিষ্কার করে রাখুন প্রতিদিন। এখানে রাখা জুতো-স্যান্ডেল সাজিয়ে রাখুন। কোনো ব্যাগ বা ময়লার বাস্কেট থাকলে সেটাকেও পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করুন। ধুলো যেহেতু এখান দিয়েই ঘরে প্রবেশ করে তার জন্য নিয়মিত ঝাড়ু দিয়ে এই ধুলো ঝেড়ে ফেলুন।
২) ডিশ টাওয়েল
রান্না করছেন, বাসন-কোসন ধোয়ামোছা করছেন এই ফাঁকে ভেজা হাত একটা টাওয়েলে মুছে নিলেন। এই টাওয়েল দিনের পর দিন ময়লা অবস্থায় রান্নাঘরে ফেলে রাখবেন না। এতে প্রচুর ব্যাকটেরিয়া জমে থাকে এবং বংশবিস্তার করে। প্রতিদিন এই টাওয়েল চেঞ্জ করুন এবং ময়লাটা গরম পানিতে ধুয়ে ফেলুন ভালো করে।
৩) স্পঞ্জ
সম্ভবত আপনার রান্নাঘরের সবচাইতে নোংরা জিনিস এটি। এর থেকে ময়লা যথাসম্ভব দূর করার জন্য আপনি মাইক্রোওয়েভটিকে ব্যবহার করতে পারেন। স্পঞ্জটিকে পরিষ্কার করে এরপর ভেজা অবস্থাতেই ওভেনে এক মিনিট হাই হিটে গরম করে নিন। এছাড়া গরম পানিতে পাঁচ মিনিট ফুটিয়ে নিলেও পরিষ্কার হতে পারে।

৪)কিচেন এবং বাথরুম কাউন্টার
কাউন্টার অর্থাৎ যে কোনো শেলফ বা টেবিলের উপরিভাগ যেখানে আপনি খাবার রাখছেন, কাটাকুটি বা ধোয়ামোছার কাজ করছেন, বা বাথরুম ও টয়লেটের বিভিন্ন শেলফ- এগুলো একদম নিয়ম করে প্রতিদিন পরিষ্কার করুন যাতে আপনাকে জীবাণুর শিকার হতে না হয়। এসব জায়গার সিঙ্ক এবং দরজার হাতলগুলোও পরিষ্কার করে নিন। মেঝে ময়লা থাকলে দ্রুত ঝাড়ু অথবা মপ দিয়ে পরিষ্কার করে নিন।
৫) রিমোট কন্ট্রোল ও ফোন
প্রতিদিন কয়েকবার হাত-বদল হওয়া এসব রিমোট প্রচুর ময়লা ও জীবাণু ধরে রাখে। ফোনের ক্ষেত্রেও এ কথা প্রযোজ্য, বিশেষ করে আপনার যদি ফোন নিয়ে বাথরুমে যাবার অভ্যাস থাকে। এ কারণে জীবাণুনাশক স্প্রে দিয়ে প্রতিদিন এ দুটো জিনিস পরিষ্কার করে নিন।
৬) প্রতিদিনের ময়লা বাসন-কোসন
রান্নাঘর পরিষ্কার করার পাশাপাশি সিঙ্কে জমে থাকা প্রতিদিনের বাসন-কোসন পরিষ্কার করতে ভুলে যাবেন না যেন। এগুলো পরিষ্কার না করলে বিশ্রী দুর্গন্ধে ভরে যাবে রান্নাঘর। আপনি দরকারের সময়ে প্লেট-বাটি খুঁজে পাবেন না। আর দিনের শেষে বাড়ি ফিরে ময়লা সিঙ্ক দেখে তো মেজাজ খারাপ হতে বাধ্য। এ কারণে দিনেরটা দিনেই ধুয়ে ফেলুন, জমিয়ে রাখবেন না।
৭) নাইটস্ট্যান্ড বা বিছানার পাশের টেবিল
অনেকেই এক গ্লাস পানি, চশমা, ফোন এসব রাখেন বিছানার পাশের ছোট টেবিলে। এই টেবিল আপনার মাথার খুব কাছে থাকে। এখানে ধুলো-ময়লা জমার অর্থ হলো এগুলো খুব দ্রুত আপনার নাক-মুখে চলে আসতে পারে। অ্যাজমা রোগীদের জন্য এই টেবিল পরিষ্কার রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
এছাড়াও আরও যেসব জিনিস পরিষ্কার করা দরকার প্রতিদিন
– মেয়েদের ব্যাগের তলা পরিষ্কার করা
– ময়লার ঝুড়ি প্রতিদিন খালি করে ফেলা
– প্রতিদিনের ময়লা কাপড় ছড়িয়ে না রেখে একটা ঝুড়িতে রাখা
– কফি মেকার থাকলে প্রতিদিন সেটাকে ধোয়া
– পোষা প্রাণী থাকলে তার লিটার বক্স প্রতিদিন পরিষ্কার করা

বন্ধ করুন নাক ডাকা!নাক ডাকা... এমন একটা সমস্যা যা কিনা ডেকে আনে রীতিমত দাম্পত্য কলহ। শুনতে যতই হাস্যকর হোক, অনেকেই এই সম...
11/05/2016

বন্ধ করুন নাক ডাকা!

নাক ডাকা... এমন একটা সমস্যা যা কিনা ডেকে আনে রীতিমত দাম্পত্য কলহ। শুনতে যতই হাস্যকর হোক, অনেকেই এই সমস্যার ভুক্তভোগী। যিনি নাক ডাকেন সে নিজে টের না পেলেও তার সঙ্গীর ঘুম হারাম হয়ে যায়। তবে ব্যাপারটা আসলে এক রকমের শারীরিক সমস্যা। অতিরিক্ত নাক ডাকার পেছনে কিছু বৈজ্ঞানিক কারণ আছে। আছে নাক ডাকা সমস্যার সমাধানও। আর তাই নাক ডাকা সমস্যাটিকে অবহেলা না করে আসুন জেনে নেই কেন মানুষ নাক ডাকে এবং কিভাবে তা কমানো সম্ভব।

নাক ডাকার কারণসমূহ-

বয়সঃ
মধ্য বয়সে পৌছানোর পর কন্ঠনালী সংকীর্ণ হয়ে আসে। এর ফলে নাক ডাকার প্রবণতা বাড়ে।

লিঙ্গঃ
পুরুষের কন্ঠনালী নারীর চাইতে অপেক্ষাকৃত সরু। তাই নারীদের নাক ডাকার সম্ভাবনা পুরুষের তুলনায় কিছুটা কম।

ন্যাসাল ও সাইনাসের সমস্যাঃ
সাইনাস ও ন্যাসাল সমস্যার জন্য নাক বন্ধ থাকলে নিঃশ্বাস বাধাগ্রস্ত হয়। যার ফলে নাক ডাকার প্রবণতা বাড়ে।

ওজনাধিক্যঃ
ওজন বেড়ে গেলে ফ্যাটি টিস্যুর কারণে নাক ডাকা বেড়ে যেতে পারে।

অ্যালকোহল, ধুমপান ও মেডিকেশনস্ঃ
অতিরিক্ত মদ্যপান ও ধুমপানের কারণে নাক ডাকা বেড়ে যায়। অনেক সময় কিছু কিছু অষুধের কারণে মাসল্ সিথিল হয়ে নাক ডাকার প্রবণতা বাড়ে।

একটু চেষ্টা করলে আপনি নিজেই নিজের নাক ডাকার প্রবণতা অনেকটাই কমিয়ে আনতে পারেন। আপনার দরকার শুধু ধৈর্য্য ও চেষ্টা। ঘরোয়া কিছু পদ্ধতি ও জীবনযাত্রায় পরিবর্তনের মাধ্যমে আপনি আপনার নাক ডাকা সমস্যা কমিয়ে ফেলতে পারেন সহজেই।

নাক ডাকা বন্ধে জ়ীবনযাত্রায় পরিবর্তন-

ওজন কমান-
সামান্য ওজনহ্রাসেও আপনার নাক ডাকা অনেকখানি কমে যেতে পারে। এমনকি ফ্যাটি টিস্যু কমে যাওয়ার কারণে নাক ডাকা বন্ধও হয়ে যেতে পারে।

ব্যায়াম-
ব্যায়াম শরীরকে কর্মচঞ্চল রাখে, মাসল গুলোকে টোন করে। নিয়মিত ব্যায়াম করলে গলার মাসল গুলোরও টোনিং হয়। ফলে নাক ডাকার প্রবণতা কমে।

ধূমপান বন্ধ করুন-
ধূমপায়ীদের নাক ডাকার সম্ভাবনা অধূমপায়ীদের তুলনায় অনেক বেশি। তাই ধুমপান বন্ধ করলে নাক ডাকা কমে যাবে অনেকটাই।

অ্যালকোহল ও ঘুমের অষুধ ত্যাগ করুন-
ঘুমাতে যাওয়ার আগে ঘুমের অষুধ খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করুন। ঘুমের অষুধ গলার মাসল গুলোকে রিল্যাক্স করে ও নাক ডাকা বাড়িয়ে দেয়।

নিয়মিত ঘুম-
প্রতিদিন একটি নির্ধারিত সময়ে ঘুমাবেন। কমপক্ষে সাত-আট ঘন্টা ঘুমাবেন। নিয়মিত একই সময়ে ঘুমানোর অভ্যাসে নাক ডাকার প্রবণতা কিছুটা কমে আসে।

ঘুমাতে যাওয়ার আগে করণীয়-

ন্যাসাল প্যাসেজ ক্লিয়ার রাখুন-
নাক বন্ধ থাকলে শ্বাস নিতে সমস্যা হয় এবং গলায় একটি বায়ুশূন্য স্থানের সৃষ্টি হয়। এই বায়ুশূন্য স্থানের কারণে নাক ডাকার সমস্যা তৈরী হয়। তাই ঘুমাতে যাওয়ার পূর্বে নাক বন্ধ থাকলে ড্রপ দিয়ে হলেও নাক পরিস্কার করে ঘুমানো উচিত।

মাথার পজিশন-
ঘুমানোর সময় বিছানা থেকে মাথা ৪ ইঞ্চি উপরে থাকলে শ্বাস নিতে সুবিধা হয় ও নাক ডাকার সম্ভাবনা কমে যায়।

ভারী খাবার ও ক্যাফেইন না খাওয়া-
ঘুমানোর অন্তত দুই ঘন্টা আগে খাওয়া-দাওয়া সেরে নেয়া উচি। ঘুমানোর পূর্বে চা-কফি বা কোন ভারী খাবার খাওয়া উচিত না।

পাশ ফিরে শোয়ার অভ্যাস করুন-
সোজা হয়ে পিঠের উপর ভর করে ঘুমালে নাক ডাকার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই পাশ ফিরে ঘুমানোর অভ্যাস করার চেষ্টা করুন।

কখন ডাক্তার দেখানো উচিত?

অনেকেই বুঝতে পারেনা যে তার নাক ডাকা একটি ভয়াবহ রোগে পরিণত হয়েছে। নাক ডাকার সমস্যা অনেক বেশি বেড়ে গেলে অভিজ্ঞ ডাক্তারের স্বরণাপন্ন হওয়া উচিত। আসুন জেনে নেয়া যাক কখন আপনি বুঝবেন যে আপনার ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া উচিত।

-ঘুমানোর সময় অনেক জোরে জ়োরে নাক ডাকা ও সারাদিন ক্লান্তি লাগা।
-ঘুমের মধ্যে হাপানো, শ্বাসকষ্ট হওয়া বা দম আটকে যাওয়া।
-সারা রাত নাক ডাকা ও দিনের বেলা অসময়ে ঘুমিয়ে পরা যেমন খাওয়ার সময় বা কথা-বার্তা বলতে বলতে ঝিমিয়ে যাওয়া।
উপরের সমস্যাগুলোর সাথে আপনার মিল থাকলে দেরি না করে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া উচিত। নাক ডাকা আপাতদৃষ্টিতে তেমন বড় কোন সমস্যা মনে না হলেও ব্যক্তি ও কর্মজীবনে এর বিরূপ প্রভাব পরে। নাক ডাকার কারণে দাম্পত্য জীবনে নানান রকম অশান্তির ঘটনাও অহরহ ঘটে। নাক ডাকার সমস্যাটা ইচ্ছাকৃত না। তাই যেই ব্যক্তি নাক ডাকে তার আত্মীয়-স্বজনকে তার প্রতি সহনশীলতা বাড়াতে হবে। দাম্পত্য জীবনে যাতে বিরূপ প্রভাব না পরে সেদিকে যত্নশীল হতে হবে। সমস্যার প্রকটতা বেশি হলে বাসায় বসে না থেকে বিষেশজ্ঞ ডাক্তারের কাছে পরামর্শ নেয়া উচিত

11/05/2016

ঘুমের মধ্যে নাক ডাকা নিশ্চয়ই খুবই বাজে ব্যাপার ও বিব্রতকর। যিনি নাক ডাকেন, তাঁর জন্য এটি ঝুঁকিপূর্ণও হতে পারে। আর অবশ্যই পাশের মানুষটির জন্য এটি বিরক্তির উদ্রেক করে। সাধারণ কতগুলো নিয়ম মেনে চললে নাক ডাকার এই সমস্যা থেকে মুক্তি মিলতে পারে। নাক ডাকা নিয়ে দারুণ অস্বস্তিকর অবস্থায় আছেন? তাহলে আজ জেনে নিন ১০টি বৈজ্ঞানিক ও স্বাস্থ্যকর পদ্ধতি, যেগুলো নিঃসন্দেহে আপনার নাক ডাকা সমস্যার সমাধান করবে।

১) কাত হয়ে ঘুমানো

চিত হয়ে ঘুমালে গলার পেশি থাকে শিথিল। ফলে নাক ডাকার আশঙ্কা থাকে বেশি। তাই যাদের নাক ডাকার সমস্যা আছে তারা কাত হয়ে ঘুমানোর অভ্যাস করে দেখতে পারেন।

২) ওজন কমানো

যাদের ওজন বেশি, শরীরের আকার স্থূল। তাঁরা স্থূলতার কারণে নাক ডাকতে পারেন। বেশি ওজনের কারণে গলার পথ সরু হয়ে যায়। ফলে শ্বাস নেয়ার সময় টিস্যুগুলোর ঘর্ষণে শ্বাস নেয়ার সময় শব্দ হয়। তাই ওজন কমানোর চেষ্টা করা উচিত।

৩) নেশাজাতীয় দ্রব্য ও ঘুমের ওষুধ পরিহার

অ্যালকোহল বা নেশা জাতীয় দ্রব্য মস্তিষ্কে প্রভাব ফেলার সাথে সাথে অন্যান্য শারিরীক সমস্যার সৃষ্টি করে। অ্যালকোহল বা নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবনের কারণে অনেকে নাক ডাকেন। তাই নেশা জাতীয় দ্রব্য পরিহার করা উচিত।

৪) বেশি বালিশ নেওয়া

বুকের চেয়ে মাথা উপরে থাকলে নাক ডাকার আশঙ্কা অনেকটা কমে যায়। তাই মাথার নিচে কয়েকটি দিয়েও নাক ডাকা কমানো যেতে পারে।

৫) ধূমপান ছেড়ে দেওয়া

ধূমপানে শরীরের অক্সিজেন ব্যবহারের ক্ষমতা কমে যায়। ফলে বাতাস বের হওয়ার পথ সংকুচিত হয়ে পড়ে। এ কারণেও অনেকে নাক ডাকতে পারেন। তাই উচিত ধূমপানের অভ্যাস ত্যাগ করা।

৬) নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম

শরীরের ক্রিয়া প্রতিক্রিয়ার অনেক কিছুই অভ্যাস নিয়ন্ত্রিত। তাই নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস করা উচিত। ফলে ঘুমের সাথে শরীরের একধরনের সামঞ্জস্য তৈরি হয়। আর অভ্যাসেরও পরিবর্তন হয়। এতে কমে যেতে পারে আপনার নাক ডাকার প্রবনতা।

৭) শরীরচর্চা

শরীরচর্চা পেশি, রক্তের চলাচল ও হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন বাড়ায় এবং ঘুমও ভালো হয়। এ কারণে নাক ডাকা কমাতে হলে প্রতিদিন ৩০ মিনিট শরীরচর্চার অভ্যাস করা জরুরি।

৮) প্রচুর পানি পান করা

প্রচুর পরিমাণে পানি পান করলে নাসারন্ধ্রে লেগে থাকা আঠার মতো দ্রব্যগুলো দূর হবে। নাক ডাকাও কমবে।

৯) নাসারন্ধ্রের পথ পরিষ্কার রাখা

নাসারন্ধ্র পরিষ্কার রাখাটা খুবই জরুরি। এতে একজন ব্যক্তি সহজভাবে নিঃশ্বাস নিতে পারেন। এ কারণে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অবশ্যই ভালোভাবে নাক পরিষ্কার করতে হবে। এমনকি এ ক্ষেত্রে ইনহেলারও ব্যবহার করা যেতে পারে।

১০) ঘুমাতে যাওয়ার দুই ঘণ্টা আগে রাতের খাবার খাওয়া

ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত দুই ঘণ্টা আগে রাতের খাবার খাওয়া উচিত। এতে করে জেগে থাকা অবস্থায়ই খাবার হজম হয়ে যাবে। পরিপাক তন্ত্র ঝামেলা করবে না। ফলে রাতে ভালো ঘুম হবে। নাক ডাকাও কমবে।

এতোসব করেও যদি আপনার নাক ডাকার প্রকোপ কোন মতেই না কমাতে পারেন। তবে অবশ্যই একজন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন। দূর করে নিন স্বাস্থ্যঝুঁকি।

11/05/2016

বিব্রতকর নাক ডাকা বন্ধ হবে সহজে

গভীর ঘুমে নাক ডেকে দিব্যি ঘুমিয়ে চলেছেন, কিন্তু পাশে থাকা লোকটির ঘুম হারাম হচ্ছে। বিব্রতকর শব্দে কানে বালিশ চাপা দিয়েও রেহাই মেলে না। আপনার এই অভ্যাসে পাশের লোকটির কাছে দিন দিন অসহ্য হয়ে যাচ্ছেন। নাক ডাকার কারণে বেড়ে যাচ্ছে ব্যক্তির নিজের স্বাস্থ্যঝুঁকি। তাছাড়া ঘুমের মধ্যে নাক ডাকার অভ্যাস ব্যক্তিত্বের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তাই অসহ্য নাক ডাকা বন্ধে অবলম্বন করতে পারেন সহজ কিছু কৌশল।
কাত হয়ে ঘুম
যাদের নাক ডাকার অভ্যাস আছে, তারা চিৎ হয়ে না ঘুমিয়ে কাত হয়ে ঘুমাতে পারেন। চিৎ হয়ে ঘুমালে গলার পেশি শিথিল থাকে। ফলে নাক ডাকার আশঙ্কা বেশি থাকে। কাত হয়ে শুয়ার অভ্যাস এই আশঙ্কা থেকে রেহাই দেয়।
ওজন কমানো
ওজন বেশি হলে গলার পথ সরু হয়ে যায়। এর ফলে শ্বাস নেওয়ার সময় টিস্যুগুলোতে ঘর্ষণ লাগে। এতে করে শ্বাস নেয়ার সময় শব্দ হয়।
নেশাদ্রব্যকে না
অ্যালকোহল বা নেশাজাতীয় দ্রব্য নেয়ার পরে অনেকে নাক ডাকেন। বিশেষ করে ঘুমাতে যাওয়ার সময় যারা অ্যালকোহল পান করেন, তারা বেশি নাক ডাকেন। তাই নাক ডাকা বন্ধে নেশাদ্রব্যকে না বলুন।

উঁচু বালিশে ঘুমানো
মাথার নিচের বালিশটি উচু হলে অনেক সময় নাক ডাকা বন্ধ হয়। বালিশ উঁচুতে থাকলে বুকের চেয়ে মাথা উঁচুতে থাকে। এতে করে নাক ডাকার আশঙ্কা কিছুটা কমে যায়।
নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম
প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস করা উচিৎ। এতে করে ঘুমের সঙ্গে শরীরে এক ধরনের সামঞ্জস্য তৈরি হয়। ফলে অভ্যাসেরও পরিবর্তন হয়।
শরীরচর্চা
শরীরচর্চা করলে পেশি, রক্তের চলাচল ও হৃদপণ্ডের স্পন্দন বাড়ে। শরীরচর্চা করলে ঘুমও ভালো হয়। এতে করে নাক ডাকা কমতে সাহায্য করে। তাই প্রতিদিন ৩০ মিনিট শরীরচর্চার অভ্যাস করা জরুরি।
পানি পান
পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান কররে নাসারন্ধ্রে লেগে থাকা আঠার মতো দ্রব্যগুলো দূর হবে। নাক ডাকাও কমবে। ঘুমের দুই ঘণ্টা আগে রাতের খাবার ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত দুই ঘণ্টা আগে রাতের খাবার খাওয়া উচিৎ। এতে করে জেগে থাকা অবস্থায়ই খাবার হজম হয়ে যাবে। ফলে রাতে ভালো ঘুম হবে। নাক ডাকাও কমবে।

11/05/2016

আমের ১২ স্বাস্থ্য উপকারী গুণ

সুস্বাদু আমের প্রতি আগ্রহ সবার। মৌসুম চলাকালে আম খাওয়াও হয় প্রচুর। আম খেতে যেমন মজার তেমনি পুষ্টিকর। সারাবছরে আপনার দেহের সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় কিছু পুষ্টির যোগান আম এই মৌসুমেই দিয়ে থাকে। কাঁচা এবং পাকা উভয় অবস্থাতে আম পুষ্টিগুণে সেরা।
প্রতি ১০০ গ্রাম কাঁচাআম ৪৪ কিলোক্যালোরি ও পাকাআম ১০ ক্যালরি শক্তি প্রদান করে। কাঁচাআমে ৬৩ মি.গ্রা ও পাকাআমে ৪১ মি.গ্রা ভিটামিন সি পাওয়া যায়। কাঁচাআমে ০.০৪ মি.গ্রা ও পাকাআমে ০.১ মি.গ্রা ভিটামিন বি-১ পাওয়া যায়। কাঁচাআমে ০.০১ মি.গ্রা ও পাকাআমে ০.০৭ মি.গ্রা বি-২ রয়েছে। কাঁচাআমে ১০ মি.গ্রা ও পাকাআমে ১৬ মি.গ্রা ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। ০.৫ গ্রাম খনিজ লবণ থাকে। কাঁচাআমে ০.৭ গ্রাম প্রোটিন ও ০.২ গ্রাম ফ্যাট থাকে। পাকাআমে ১ গ্রাম প্রোটিন ও ০.৭ গ্রাম ফ্যাট থাকে। কাঁচাআমে ১০.১ গ্রাম শ্বেতসার ও প্রতি ১০০ গ্রাম পাকাআমে ২০.০০ গ্রাম শ্বেতসার পাওয়া যায়। কাঁচাআমে ৯০ মাইক্রোগ্রাম এবং পাকাআমে ৮,৩০০ মাইক্রোগ্রাম ক্যারোটিন থাকে। কাঁচাআমে ৫.৪ ও পাকাআমে ১.৩ মি.গ্রা আয়রন পাওয়া যায়।
– আমে থাকা ক্যারোটিন চোখ সুস্থ রাখে, সর্দি-কাশি দূর করে।
– আম কর্মশক্তি যোগায়, এতে রয়েছে পর্যাপ্ত কার্বোহাইড্রেট। আমে থাকা আয়রন অ্যানিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ করে।
– ক্যালসিয়াম হাড় সুগঠিত করে, হাড় ও দাঁতের সুস্থতা বজায় রাখে।
– আম থেকে ভিটামিন সি পাওয়া যায়। ভিটামিন সি স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধ করে। দাঁত, মাড়ি, ত্বক ও হাড়ের সুস্থতা রক্ষা করতেও সাহায্য করে ভিটামিন সি। আমে রয়েছে ভিটামিন বি-১ ও বি-২।

– আমে বিদ্যমান পটাশিয়াম রক্তস্বল্পতা দূর করে ও হৃদযন্ত্র সচল রাখতে সাহায্য করে। এই ফলের আঁশ, ভিটামিন ও খনিজ উপাদান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ যা হজমে সহায়তা করে।
– এছাড়াও ক্যারোটিন, আইসো-কেরোটিন, এস্ট্রাগ্যালিন, ফিসেটিন, গ্যালিক অ্যাসিড ইত্যাদি এনজাইম। এসব উপাদান কোলন ক্যানসার, স্তন ক্যানসার, রক্তস্বল্পতা ও প্রোস্টেট ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়তা করে।
– পাকাআম রক্তে কোলেস্টেরলের ক্ষতিকর মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ঘামের কারণে শরীর থেকে সোডিয়াম বের হয়ে যায়। কাঁচাআম খেয়ে শরীরের সোডিয়ামের ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব।
– কাঁচা আমের পেকটিন গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রোগের চিকিৎসায় অত্যন্ত উপকারী।
– কাঁচা আমের ভিটামিন সি রক্তনালীসমূহের স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি করে এবং নতুন রক্ত কনিকা গঠনে সাহায্য করে। এতে করে যক্ষা, রক্তস্বল্পতা ও কলেরা রোগের বিরুদ্ধে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
– গরমের কারণে হওয়া স্ট্রোকের সম্ভাবনা হ্রাসে কাঁচাআম ও জিরা বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
– আমের ভিটামিন সি এবং বিটা-ক্যারোটিন মানব দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
– আম রূপ চর্চায় সহায়তা করে। রোদের পোড়াভাব কমাতে, ত্বকের দাগ দূর করতে ও ব্রণের সমস্যা দূর করতে আম সাহায্য করে।
সতর্কতা
ডায়াবেটিস রোগীর আম খাওয়ায় সতর্ক থাকা উচিত। পরিমিত পরিমাণ আম খেলে শরীরে শর্করার মাত্রা ঠিক থাকে। তবে অতিরিক্ত আম খাওয়া ডায়াবেটিস রোগীর জন্য ক্ষতিকর।

11/05/2016

একটিমাত্র উপায়েই কমিয়ে ফেলুন ওজন

ওজন কমানোর জন্যে এত কিছু চেষ্টা করেছেন তবুও সেটা মোটেই কমছে না? শরীরচর্চা, ডায়েট থেকে শুরু করে সবকিছুই তো চলছে। তাহলে আর কী করবেন? কী করলে শরীরের বাড়তি মেদটুকুকে একটু বাগে আনা যাবে এই তো ভাবছেন? তাহলে আপনার জন্যেই রয়েছে মাত্র একটি উপায় যেটা খুব সহজেই আশাতীতভাবে ওজন কমাতে সাহায্য করবে আপনাকে। আর এই অত্যন্ত দরকারি ও কাজের উপায়টি হচ্ছে কম সোডিয়াম সেবন।
নিশ্চয়ই ভাবছেন কেন? সোডিয়াম কম খেলে কি এমন পরিবর্তিত হয় আমাদের শরীরে যে ওজন খুব দ্রুত কমে যায়?এমনিতে নিম্ন সোডিয়াম ডায়েটকে শরীরের নানারকম সমস্যার হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার অন্যতম কার্যকরী উপায় বলে মনে করেন চিকিৎসকেরা।অতিরিক্ত সোডিয়াম মানুষের শরীরের রক্তচাপকে বাড়িয়ে দেয়। ফলে হাইপারটেনশন এবং সেটা থেকে হৃদপিন্ডের নানা ঝামেলা পোহাতে হয় মানুষকে।এছাড়াও এই একই কারণে স্ট্রোক ও মৃত্যুর দিকেও পৌঁছে যায় মানুষ খুব সহজে।

তবে কেবল এই শারীরিক ঝক্কি-ঝামেলার হাত থেকে দূরে রাখতেই নয়, নিম্ন সোডিয়াম ডায়েট প্রভাব রাখে শরীরের ওজন কমানোর ক্ষেত্রেও।কী করেআমাদের সবারই জানা যে পানি লবণকে অনুসরণ করে। ফলে শরীরে সোডিয়ামের পরিমাণ বেড়ে গেলে সেটা থেকে পানির পরিমানও বৃদ্ধি পায়। সেই থেকে সৃষ্টি হয় শরীরের ভেতরে অস্থিরতা, অস্বস্তি। আর এইপুরো প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি হয় পানির একটি গড়পড়তা ওজনও।
তবে চিকিৎসকদের কথানুসারে নিম্ন সোডিয়াম ডায়েটের মাধ্যমে এই ঝামেলা এড়নো সম্ভব
তবে এই ডায়েটের ক্ষেত্রে খুব অদ্ভূত হলেও একদম ঠিকঠাকভাবে সব ধরণের খাদ্যোপাদান রাখা সম্ভব যতে করে সহজেই বাকী সব পুষ্টির সাথে সাথে এই ডায়েটটি অনুসরণ করতে পারেন আপনি। কি কি আছে নিম্ন সোডিয়াম ডায়েটের তালিকার ভেতরে?
সতেজ সব্জি ও ফল
ডেইরি পণ্য
বাদামী ভাব, সাদা আটার রুটি ও পাস্তাডিমজলপাই ও সূর্যমুখী তেললবণমুক্ত বাদামশিম ও অন্যান্য শস্য ইত্যাদি
মোটকথা, পুরোপুরি একটা সমৃদ্ধ ডায়েট পাবেন আপনি নিম্ন সোডিয়াম ডায়েট অনুসরণ করতে চাইলে। তবে এক্ষেত্রেপ্রোসেসড মাংস, লবন, সোডিয়ামযুক্ত পনির ও লবণযুক্ত যে কোন খাবারকে এড়িয়ে চলুন। ফলাফল হিসেবে দ্রুতই ওজন কমতে দেখবেন নিজের চোখেই। তো বলুন, একবার কি সুযোগ দিয়ে দেখবেন নিম্ন সোডিয়াম ডায়েটকে?

Address

Dhaka
1205

Telephone

01976205050

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mastercopy.com posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category