Xeenotech

Xeenotech A Company which can fulfill your requirement of any IT Solution like Software, Web, Digital Marketin

We provides the Solution of Software, Websites, Mobile Application, Domain & Hosting, Social Media Marketing & many more. We arrange different technical course in our 7theorem IT Institution.

Earn Crypto When You Sleep
16/02/2022

Earn Crypto When You Sleep

login-description

18/09/2017

শিক্ষাজীবনে ভালো করতে চাইলে কিংবা কর্মক্ষেত্রের প্রস্তুতি হিসেবে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কম্পিউটার জ্ঞান ও দক্ষতা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। নিজেকে এগিয়ে রাখতে ছাত্রাবস্থায়ই কিছু কিছু সফটওয়্যারের কাজ শেখা শুরু করা উচিত। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, কোন কোন...

15/09/2017

Payoneer $175 Sell hobe.
Inbox korte paren lagle.

➡️ realshopon.com - 3000 Tk ✅➡️ goodwilltourstravels.com - 2000 Tk ✅➡️ faconcrete.org - 2000 Tk ✅➡️ realshop1.com - 3000...
20/08/2017

➡️ realshopon.com - 3000 Tk ✅
➡️ goodwilltourstravels.com - 2000 Tk ✅
➡️ faconcrete.org - 2000 Tk ✅
➡️ realshop1.com - 3000 Tk ✅
➡️ iitcbd.com - 14,500 Tk ✅
➡️ sportest.net - 14,000 Tk ✅

📏📈📉Bus Ticketing Service Architecture📏📐
17/08/2017

📏📈📉Bus Ticketing Service Architecture📏📐

💻💻💻ভবিষ্যত ওয়েব হোস্টিংঃভবিষ্যতের ওয়েব হোস্টিং কেমন হতে পারে তা নিয়ে অনেকেরই ভাবনা। ওয়েব হোস্টিং মার্কেট দিন দিন বাড়ছে স...
03/08/2017

💻💻💻
ভবিষ্যত ওয়েব হোস্টিংঃ

ভবিষ্যতের ওয়েব হোস্টিং কেমন হতে পারে তা নিয়ে অনেকেরই ভাবনা। ওয়েব হোস্টিং মার্কেট দিন দিন বাড়ছে সেই সাথে প্রত্যেকের কম্পিউটারের একটা অংশও হোস্টিং সার্ভার অংশে পরিনত হবে এমনটাই ভাবা হচ্ছে ভবিষ্যতে।আমরা কয়েকটা ভবিষ্যতওয়েব হোস্টিং এর বৈশিষ্ট্য আলোচনা করছি।

১. হার্ডডিস্ক উঠে যাবে/ সব সার্ভার SSD ব্যবহার করবে- SSD হার্ডডিস্কের চেয়ে প্রায় ১০গুন বেশি গতিতে চলে। তাছাড়া এটি ভাব্রেশন ও শব্দ তৈরী করে না। এখনই অনেকে SSD সার্ভার ব্যবহার শুরু করে দিয়েছেন। ভবিষ্যত হয়তো SSD’র।

২. ক্লাউড হোস্টিং- খুব দ্রুত লোড হওয়া এবং ডাউন টাইম না রাখার জন্য ক্লাউড ওয়েব হোস্টিং জনপ্রিয় হয়ে উঠবে। এখনই গুগল, মাইক্রোসফট, আমাজনসহ অনেকেই তাদের ক্লাউড সার্ভিস শুরু করে দিয়েছেন। মোবাইল ও হার্ডওয়্যার নির্মাতারাও একইভাবে তাদের মোবাইল ব্যবহারকারীদের ক্লাউডের মাধ্যমে ডাটা রাখার ব্যবস্থা করছেন। তাই ভবিষ্যতটা ক্লাউড হোস্টিং এর।

৩. ডকার (Docker) কন্টেইনারঃ দিন দিন ডকার কন্টেইনার ব্যবহার করে এপ্লিকেশন চালানোর হার বাড়ছে। একই অপারেটিং সিস্টেমের কন্টেইনারে চমৎকারভাবে আলাদা আলাদা এপ চালানো যাচ্ছে। অবশ্য এটি হোস্টিং এর এখনকার মার্কেটকে সম্পূর্ণ দখল করতে পারবে না বলেই মনে করি।

৪. এপাচি (Apache) ওয়েব সার্ভার জনপ্রিয়তা কমবেঃ ngnix এবং litespeed ওয়েব সার্ভার জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়ে চলছে। মূলতঃ খুব দ্রুত কাজ করার জন্য এ দুটি প্লাটফর্ম এগিয়ে যাচ্ছে।

৫. কাছাকাছি এলাকায় সার্ভারের পরিমাণ বেড়ে যাওয়াঃ এক সময় ওয়েব হোস্টিং এর জন্য বড় বড় ডাটা সেন্টারের উপর নির্ভর করা হতো। কিন্তু দিন দিন চাহিদা বাড়ার সাথে সাথে ছোট স্কেলের ওয়েব সার্ভার সার্ভিস প্রদানের প্রতিষ্ঠানও বাড়ছে। আশা করি একসময় বাংলাদেশের সব ওয়েবসাইট এদেশেই হোস্ট করতে পারবো। ঘরোয়া পরিবেশে অনেকেই সার্ভার রাখার ব্যবস্থাপনা করতে পারবে।

🔇🔇🔇🔇ভাইরাস থেকে সাবধান:ভাইরাস আক্রান্তে ক্ষতি হচ্ছে কোটি কোটি টাকা। বর্তমানে রাষ্ট্র থেকে আমজনতা সবাই ভাইরাসের আতঙ্কে ভো...
03/08/2017

🔇🔇🔇🔇
ভাইরাস থেকে সাবধান:

ভাইরাস আক্রান্তে ক্ষতি হচ্ছে কোটি কোটি টাকা। বর্তমানে রাষ্ট্র থেকে আমজনতা সবাই ভাইরাসের আতঙ্কে ভোগেন। তবে এ থেকে রেহাই পেতে আপনাকে ভাইরাস সম্পর্কে কিছুটা ধারণা রাখতে হবে। তা নাহলে কখন যে আপনার প্রিয় পিসিটিতে আক্রমন করবে আপনি টেরও পাবেন না। সুতরাং চিনে নিন কম্পিউটার জগতে এমন কিছু বিপজ্জনক ভাইরাসের কথা।

১. জিউস: ২০০৭ সালে জিউস ম্যালওয়ারের খোঁজ মেলে। কম্পিউটারে এই ভাইরাস ইনস্টল হলে আপনা আপনি ইন্টারনেট থেকে আপডেট নিতে থাকে। সাইবার ক্রাইমের দুনিয়ায় এই ভাইরাস ভয়ঙ্কর। ব্যাঙ্ক বা বিভিন্ন বাণিজ্যিক সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ নথি চুরি করার ক্ষমতা রয়েছে এই ভাইরাসের। সমীক্ষায় দেখা গেছে, ২০০৯ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ৭০ হাজার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট আক্রান্ত হয়েছে। এমন কী জিউসের নজরে নাসাও বাদ যায়নি।

২. জিউস গেমওভার: জিউস পরিবারের এক সদস্য জিউস গেমওভার। এই ম্যালওয়ারও বাণিজ্যিক সফটওয়ারগুলিতে প্রভাবিত করে। ক্রেডিট কার্ড নম্বর, পাসওয়ার্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করতে ওস্তাদ জিউস গেমওভার। বিশ্বের এক লক্ষ কম্পিউটা আক্রান্ত জিউস গেমসওভার ভাইরাসে।

৩. কনফিকার: ২০০৮ সালে প্রথম লক্ষ্য করা যায় কনফিকার ভাইরাসকে। সাধারণত উইনডোজ অপারেটিং সিস্টেমকে ক্ষতি করে। এমন কী কম্পিউটারে অ্যান্টি ভাইরাস থাকলেও তাকে ডিজেবল করে খুব সহজেই বাসা বাঁধতে পারে।

৪. ক্রাইপ্টোলকার: খুব পরিচিত ম্যালওয়ার ক্রাইপ্টোলকার। কম্পিউটারে এই ভাইরাস ঢুকলে সিস্টেম লক করে দেয়। যতক্ষণ না ক্রাইপ্টোলকারের অরজিনাল সিরিয়াল কি দেওয়া হচ্ছে সিস্টেম খোলা যাবে না।

৫. কোয়াকবট: পাসওয়ার্ড চুরি করার জুরি নেই কোয়াকবটের। ২০১১ সালে খোঁজ মেলে এই ভাইরাসের। নেটব্যাঙ্কিং, কম্পিউটার লগইনের মতো মূল্যবান পাসওয়ার্ড চুরি করার ক্ষমতা রাখে কোয়াকবট।

৬. সাইকিপট: সাইকিপট এক প্রকার ট্রোজান হর্স ভাইরাস। ২০০৭ সালে এই ভাইরাস ধরা পড়ে। পাসওয়ার্ড সম্পর্কিত তথ্য চুরি করার দুরন্ত ক্ষমতা রয়েছে সাইকিপটের।

৭. স্যান্ডওয়ার্ম: সম্প্রতি স্যান্ডওয়ার্মের খোঁজ পাওয়া গেলেও বিশেষজ্ঞরা মনে করেন ২০০৯ সাল থেকেই এর অস্তিত্ব রয়েছে। সাধারণত মাইক্রোসফ্ট ওয়ার্ড ও অ্যাডব সফটওয়ারে ক্ষতি করে থাকে।

৮. ব্ল্যাকপস: উইনডোজ অপারেটিং পয়েন্ট অফ সেল (পিওএস) সিস্টেমে যদি ক্রেডিট ও ডেভিট কার্ড ব্যবহার করা হয়, তার তথ্য খুব সহজেই চুরি করতে পারে ব্ল্যাকপস।

৯. কলার: অ্যান্ড্রয়েড ট্রোজান ভাইরাস এটি। ২০১৪ সালে সনাক্ত করা যায়। মোবাইলে ব্রাউজিং করার সময় অনায়াসে ঢুকে যেতে পারে কোলার ভাইরাস। পর্নোগ্রাফি ওয়েবসাইট থেকে আসার সম্ভবনা থাকে বেশি।

১০. আইলাভইউ: নাম আইলাভইউ হলেও কাজে কিন্তু ভয়ঙ্কর। এই ভাইরাস আক্রান্ত হলে পুরোপুরি কম্পিউটার বিকল করে দেয়। দেখা গেছে সারা বিশ্বে আইলাভইউ ভাইরাসে কম্পিউটার আক্রান্ত হয়ে প্রায় এক হাজার কোটি ডলার গচ্চা দিতে হয়েছে।

১১. কোড রেড: ২০০১ সালে সনাক্ত হয় কোড রেড ভাইরাস। ইআই ডিজিটাল সিকিউরিটির দুই কর্মী এই ভাইরাসের সন্ধান পায়। কম্পিউটারে মেমরি ক্ষতি করে এই ভাইরাস।

১২. মেলিসা: ১৯৯৯ সালে ডেভিড এল স্মিথ মেলিসা ভাইরাস তৈরি করেন। ওয়ার্ড ডকুমেন্টের ক্ষতি করে এটি।

১৩. স্টাক্সনেট: সাইবার যুদ্ধে অন্যতম অস্ত্র স্টাক্সনেট ভাইরাস। মনে করা হয়, আমেরিকা ও ইজরায়েল ডিফেন্সের যৌথ উদ্যোগে এই ভাইরাস তৈরি করা হয়েছিল ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে বানচাল করার জন্য। যদিও সরকারিভাবে বিষয়ে কোনও তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

১৪. মাইডুম: আইলাভইউ ভাইরাস আসার আগে মাইডুম ছিল জনপ্রিয় ইমেল ভাইরাস। উইনডোজ কম্পিউটারেরই সাধারণত ক্ষতি করে।

১৫. ফ্ল্যাশব্যাক: ফ্ল্যাশব্যাক একটি ট্রোজান ভাইরাস সাধারণত ম্যাক অপারেটিং সিস্টেমের ক্ষতি করে। ২০১৪ সালে ২২ হাজার ম্যাক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ফ্ল্যাশব্যাক আক্রমণে।

02/08/2017

If you have thrown a paper plane, you can also launch the ‘Parrot Disco’. Toss the 1.6 pound drone into the sky, and onboard sensors like Gyroscope, Accelerometer, Magnetometer, Barometer, and GPS navigate. The fixed wing craft to 150 feet, where it circles awaiting further command. Users set a cour...

02/08/2017

Walmart.com, trailing Amazon.com Inc. in the number of goods for sale on its website, is recruiting vendors in China and other countries to boost its online offerings in a pivot away from Walmart’s made-in-America campaign. While there is a financial incentive behind the move, Walmart’s decision com...

📲📲📲📲   হোয়াটসঅ্যাপ এর গুরুত্বপুর্ণ টিপস :বেড়েই চলেছে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীর সংখ্যা। ইনস্ট্যান্ড মেসেজিং প্লাটফর্মটি...
02/08/2017

📲📲📲📲
হোয়াটসঅ্যাপ এর গুরুত্বপুর্ণ টিপস :

বেড়েই চলেছে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীর সংখ্যা। ইনস্ট্যান্ড মেসেজিং প্লাটফর্মটির মাধ্যমে এখন ভয়েস কলও করা যায়। ফেসবুকের মালিকানাধীন এই অ্যাপটি ব্যবহার করছেন ৮০০ মিলিয়ন মানুষ। কাজেই এর ব্যবহার সম্পর্কে জ্ঞান থাকা দরকার আপনারও।

এখানে জেনে নিন হোয়াটসঅ্যাপের ১০টি দারুণ কৌশল।

১. স্মার্টফোনটি যদি বদলে ফেলেন তবে আগের ফোনের চ্যাটিং হিস্ট্রি নতুন ফোনে নিতে পারবেন। মাইক্রোএসডি কার্ড ব্যবহার করলে চ্যাট হিস্ট্রি কার্ডে নিয়ে যান। এটি করতে মেনু>সেটিংস>চ্যাট সেটিংস>ব্যাকআপ কনভারসেশন প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করুন। নতুন ফোনে এই কার্ডটি লাগিয়ে নিয়ে রিস্টোর করুন।

২. আপনি শেষ কখন হোয়াটসঅ্যাপে ছিলেন তা অন্যকে না জানাতে চাইলে সেটিংসে যান। সেখান থেকে অ্যাকাউন্টের প্রাইভেসিতে গিয়ে এটি বন্ধ করে দিন।
৩. আপনার পাঠানো মেসেজ শেষ কখন দেখা হয়েছে তা বুঝতে দেখুন চ্যাট উইন্ডো নীল রংয়ের হয়েছে কি না। নীল হলে বুঝবেন দেখা হয়েছে।

৪. আইওএস অপারেটিংয়ে জেলব্রেকিং ছাড়া হোয়াটসঅ্যাপ লক করা যায় না। তবে অ্যান্ড্রয়েডে পিন কোডের মাধ্যমে চ্যাট লক করতে পারবেন। এ জন্যে ম্যাসেঞ্জার অ্যান্ড চ্যাট ব্লকস, অ্যাপ লক অথবা স্মার্ট অ্যাপলক অ্যাপগুলো ব্যবহার করতে পারেন।

৫. কম্পিউটারে ক্রোম ব্রাউজার থাকলে হোয়াটসঅ্যাপ ওয়েবে গিয়ে তা ব্যবহার করতে পারবেন। এ জন্যে ব্রাউজার থেকে অ্যাপের ওয়েবে গিয়ে মেনু থেকে কিউআর কোড স্ক্যান করে নিন। মোবাইলের মতোই এতে চ্যাট করতে পারবেন।

৬. হোয়াটস অ্যাপ ব্যবহারকারী সব ছবি হয়তো গ্যালারিতে দেখতে চান না। এটি বন্ধ করতে সেটিংস>প্রাইভেসি>ফটোস-এ যান। সেখান থেকে হোয়াটসঅ্যাপ অফ করে দিন।

৭. কিছু গ্রুপ কনভারসেশন খুব যন্ত্রণাদায়ক হয়ে ওঠে। আইফোন ব্যবহার করলে গ্রুপ চ্যাপ অপশনে গিয়ে গ্রুপ ইনফো স্ক্রিনে যান। সেখানে মিউট বাটন ট্যাপ করুন। অ্যান্ড্রয়েডে চ্যাট খুলে মিউট চেপে দিন। সেখানে শো নোটিফিকেশন এর টিক চিহ্নটি তুলে দিতে পারেন।

৮. মুছে ফেলা মেসেজ ফিরে পাওয়ার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো, হোয়াটসঅ্যাপটি মুছে ফেলে তা আবারো ইনস্টল করুন। এ সময় জানতে চাওয়া হবে আপনি মেসেজ রিস্টোর করবেন কি না। রিস্টোর করলেই মুছে ফেলা মেসেজ ফিরে পাবেন।

৯. শুধু অ্যান্ড্রয়েডে প্রতিদিনের চ্যাটের জন্যে শর্টকাট তৈরি করে নিতে পারবেন। চ্যাটে প্রশ্নবোধক বাটনটি চেপে ধরে রাখুন। এরপর অ্যাড কনভারসেশন শর্টকাট সিলেক্ট করে নিন।

১০. কাউকে বড় আকারের মেসেজ ব্যক্তিগতভাবে পাঠাতে পারবেন। অ্যান্ড্রয়েডে মেনু থেকে নিউ ব্রডকাস্ট অপশন থেকে প্রাইভেট মেসেজ করে নিতে পারবে। আর আইওএস-এ চ্যাটস স্ক্রিনের ব্রডকাস্ট লিস্টস ট্যাপ করুন। এরপর নিউ লিস্ট ট্যাপ করে যাকে পাঠাতে চান তাকে সিলেক্ট করে নিন।

ভাইবার ব্যবহারে কিছু দরকারী তথ্য :স্মার্টফোনের এই উন্নয়নের যুগে আমরা প্রযুক্তিকে ধন্যবাদ জানাতেই পারি। বার্তা প্রেরণ করা...
01/08/2017

ভাইবার ব্যবহারে কিছু দরকারী তথ্য :

স্মার্টফোনের এই উন্নয়নের যুগে আমরা প্রযুক্তিকে ধন্যবাদ জানাতেই পারি। বার্তা প্রেরণ করার সীমা কতটুকু হতে পারে তা নিয়ে আমাদের আর চিন্তায় থাকতে হয় না। একইসাথে আমরা বিভিন্নজনকে একসাথে আমাদের প্রয়োজনীয় বার্তাটি প্রেরণ করতে পারি আবার সেই সাথে দরকারী ফাইল, ছবি কিংবা ভিডিও তাদের সাথে শেয়ার করে নিজেদের আনন্দ কিংবা প্রয়োজনীয় মুহুর্তগুলো ভাগাভাগি করে নিতে পারি।

এক্ষেত্রে ভাইবার একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় অ্যাপ। এর মাধ্যমে আপনি ব্যবহারকারীদের সাথে মুহুর্তেই আপনার প্রয়োজনীয় সব কিছু শেয়ার করে নিতে পারবেন। ভাইবার সম্পর্কে কিছু তথ্য আজ আপনাদের সুবিধার্থে দেয়া হলঃ

১) আপনার অনলাইন স্ট্যাটাসটি চেঞ্জ করতে পারেনঃ

এটা হয়ত আপনার কাছে খুব সহজ বলে মনে হতে পারে কিন্তু আপনার ভাইবার বন্ধু তালিকায় যারা রয়েছে তাদের জানার দরকার নেই আপনি অনলাইনে আছেন কি নেই। ভাইবারে আপনার অনলাইন স্ট্যাটাস পরিবর্তন করতে হলে সেটিংস অপশনে যান। সেখানে প্রাইভেসি অপশনে ক্লিক করে “শেয়ার অনলাইন স্ট্যাটাস” অপশনটি টিক বিহীন করে দিন।

২) আপনার ভাইবারের প্রোফাইল ছবিটি অপরিচিত কেউ যেন দেখতে না পায়ঃ

আপনার প্রোফাইল ছবিটি লিস্টে থাকা বন্ধুদের চিনতে সাহায্য করবে ঠিকই কিন্তু এর কিছু খারাপ দিকও রয়েছে। যারা আপনার অপরিচিত তারা খুব সহজেই আপনার ছবিটি ব্যবহার করতে পারে। তাই অপরিচিতদের থেকে আপনার ভাইবারে দেয়া প্রোফাইল ছবিটি লুকিয়ে রাখতে চাইলে যেতে হবে “প্রাইভেসি” সেকশনে। সেখানে প্রোফাইল ফটো অপশনটি সিলেক্ট করে “নো বডি” তে ক্লিক করুন।

৩) “Seen” অপশনটি পরিবর্তন করতে চাইলেঃ

আপনি আপনার বন্ধুর বার্তাটি দেখেছেন, কিংবা কখন দেখেছেন তা যদি তাদের জানাতে না চান, তাহলে খুব সহজেই সেটিংস মেন্যুতে গিয়ে তা পরিবর্তন করে ফেলুন। প্রথমে প্রাইভেসি অপশনে যান। সেখান থেকে “শেয়ার ইউজিং অ্যাপ স্ট্যাটাস” অপশনটি টিক বিহীন করে দিন।

Address

1212, Road # 10, Avenue # 11, Mirpur DOHS
Dhaka
1216

Opening Hours

Monday 10:00 - 18:00
Tuesday 10:00 - 18:00
Wednesday 10:00 - 18:00
Thursday 10:00 - 18:00
Saturday 09:00 - 18:00
Sunday 10:00 - 18:00

Telephone

+8801913482535

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Xeenotech posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Xeenotech:

Share