Apache Network

Apache Network Complete IT Solution in Bangladesh

24/02/2022

WhatsApp মার্কেটিং কেন করবো?
হোয়্যাটসএপ মার্কেটিং অন্যান্য মার্কেটিং এর মতই এক ধরনের সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং। আমরা মোটামুটি সবাই WhatsApp ব্যবহার করি কিন্তু বিশ্বাস করুন, প্রচুর টার্গেটিং কাষ্টমার পাওয়া যায় এর থেকে। শুধু আপনার ব্রেইনকে কাজে লাগিয়ে এর মাধ্যমে কিভাবে টার্গেটেড কাষ্টমার খুজে পাবেন সেটি চিন্তা করুন এবং এর ফলাফল নিজেই বুঝতে পারবেন। হোয়্যাটস এপ মার্কেটিং অন্যান্য মার্কেটিং থেকে ব্যতিক্রম কিছুনা ,আমরা প্রত্যেকেই সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম হিসেবে এর ব্যবহার করে আসছি কিন্তু এখন সামান্য একটু আলাদাভাবে এর ব্যবহার করতে হবে।
- আপনাদের পরিচিত অনেকেই হোয়্যাটসএপ ব্যবহার করে।ব্যক্তি হিসেবে তারা আপনাকে অবশ্যই বিশ্বাস করে যেটা যেকোন ব্যবসায়ীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
- হোয়্যাটস এপ এর রয়েছে অবিশ্বাস্য এনগেজমেন্ট হার,হোয়্যাটসএপ এ মোট ম্যাসেজের ৯০% ম্যাসেজ ওপেন করা হয় এবং পড়া হয়, এর মধ্যে ৬০% ম্যাসেজ রিসিভের মাত্র ৩০ সেকেন্ডের ভিতরেই ওপেন করা হয়।
- এর মাধ্যমে ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে সরাসরি টেক্সট করা যায় যেটা উভয়ের মধ্যে খুব ভাল সম্পর্ক তৈরি করে।
- ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়স্ক তরুন তরুনীদের মধ্যে ৪২% ম্যাসেজ করার জন্য হোয়্যাটস এপ ব্যবহার করেন।বুঝতেই পারতেছেন যাদের ব্যবসা এসব তরুন-তরুনীদের নিয়ে তারা কেমন ফল পাবেন
- বর্তমানে মানুষ কথা বলা অপেক্ষা চ্যাট এর মাধ্যমে যোগাযোগ করতে সাচ্ছন্দ্য বোধ করে বেশি। Nielson”s Facebook Massaging Survey অনুযায়ী ৬৭% মোবাইল ম্যাসেজিং এপ ব্যবহারকারী আগামী দুই বছরের মধ্যে আশা করেন যে তারা চ্যাট করার মাধ্যমে ব্যবসা সংক্রান্ত কাজ করতে পছন্দ করবেন। এদের মধ্যে ৫৩% বলেন যে তারা যেকোন কিছু কিনতে ডিরেক্ট চ্যাট এ খুব বেশি আগ্রহী।
সুতরাং বুঝতেই পারছেন অসংখ্য মানুষ প্রতিদিন হোয়্যাটস এপ ব্যবহার করতেছে এবং প্রতিনিয়ত টেক্সট করা হচ্ছে। যদি আপনার ব্যবসা আরো বাড়াতে চান কিংবা নিজের ব্যবসাকে ক্রেতার জন্য সহজ,সাচ্ছন্দ্যময় করতে চান তাহলে এখন থেকেই হোয়্যাটস এপ কে ব্যবসার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা শুরু করুন

04/06/2020

যারা ঢাকা শহরে আছেন তারা নীচের তথ্য ও ফোন নাম্বারগুলো কপি/সংগ্রহ করে রাখতে পারেন।

বিপদের সময় কাজে লাগবে :

✓ কোভিড-১৯ টেস্ট :
বাসায় এসে স্যাম্পল কালেক্ট করে ২৪ ঘণ্টার
ভিতর রিপোর্ট ডেলিভারি।
ফোন : মাসুম বিল্লাহ (01732089421)
Coordinator, JKG Health Care
হিমু কবির 01926689505. সাঈদ চৌধুরী
01926689506. আল মনসুর 01926689504
খরচ : ৩ হাজার টাকা।

✓ অক্সিজেন সিলিন্ডার :
বাসায় এসে ডেলিভারি দিবে রিফিল সার্ভিস সহ।
01716021021 (Israt Care Givers)

✓ Pulse Oximeter (1 year warranty)
Home delivery ( 01973404300)

✓ বাসায় বসে সব ধরনের ব্লাড ও প্যাথলজিক্যাল
টেষ্ট (Best home service in Dhaka town) :
Thyrocare Bangladesh Limited
ফোন : +8809666737373
মোবাইল : 01997719966 (বেলায়েত)

✓ কোভিড-১৯ বিশেষায়িত হাসপাতাল এর ফোন
নাম্বার :
# মুগদা জেনারেল হাসপাতাল
ফোন : +88 02 7276032
# কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল
ফোন : 55062201, 55062350, 55062349
মোবাইল : 01769010200
# কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতাল
মোবাইল : 01999956290

✓ জরুরী অ্যাম্বুলেন্স সেবা :
# URAL EMS Ambulance
01969906555
# Al-Amin Ambulance
01720448666, 01819137479

✓ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হটলাইন : 16263, 333

✓ দাফন কার্যক্রমে সহায়তা পেতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের
দায়িত্বপ্রাপ্ত দুই যুগ্ম সচিবের ফোন নাম্বার :
01712080983, 01552204208

✓ জরুরি ত্রাণ পেতে :
ঢাকা জেলা প্রশাসনের হটলাইন:
02 47110891, 01987852008
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন:
01709900703, 01709900704

11/03/2015

চিন্তাশক্তি কমায় স্মার্টফোন?
স্মার্টফোন ব্যবহার করে অভ্যস্ত যাঁরা, তাঁদের চিন্তাভাবনায় একধরনের আলসেমি তৈরি হয়। বিশ্লেষণমূলক চিন্তার সামর্থ্য ধীরে ধীরে কমে যায়। কারণ, আঙুলের স্পর্শেই অনেক জটিল কাজকর্ম সম্পন্ন হয়ে যাওয়ায় নিজে নিজে চিন্তা করার ব্যাপারটা অজান্তেই এড়িয়ে যান তাঁরা। আর এভাবেই স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা নিজের মস্তিষ্কের চেয়ে যন্ত্রের ওপরই বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ছেন। কানাডার একদল গবেষক এসব কথা জানিয়েছেন। এ গবেষণা প্রতিবেদন কম্পিউটারস ইন হিউম্যান বিহেভিয়ার সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। ওয়াটারলু বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানী গর্ডন পেনিকুক বলেন, যেসব তথ্য সহজেই পাওয়া যায় এবং শেখা যায়, সেগুলো নিয়ে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা চিন্তাভাবনা করতে সাধারণত অনিচ্ছুক হয়ে থাকেন। আইএএনএস।

10/03/2015

অর্ধেক রাজত্ব হবে অ্যাপল ওয়াচের!
অ্যাপল ওয়াচের আনুষ্ঠানিক বাজারজাতকরণ শুরু হয়নি এখনও। এর মধ্যেই বাজার বিশ্লষকরা ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন— ২০১৫ সালে স্মার্টফোন বাজারের অর্ধেকটাই দখলে থাকবে অ্যাপল ওয়াচের।

প্রযুক্তিবিষয়ক সাইট সিনেটের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৫ সালে অ্যাপল দেড় কোটিরও বেশি অ্যাপল ওয়াচ বিক্রি করবে বলে ধারণা করছেন বাজার বিশ্লেষকরা। ফলে বৈশ্বিক স্মার্টওয়াচ বাজারের প্রায় ৫৫ শতাংশই থাকবে বহুল প্রতিক্ষিত এই ডিভাইসটির দখলে।

বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান স্ট্র্যাটেজি অ্যানালিটিক্সের মতে পরিধানযোগ্য প্রযুক্তিপণ্যের বাজার নতুন গতি পাবে অ্যাপল ওয়াচের বদৌলতে। ২০১৪ সালে বিশ্ববাজারে ৪৬ লাখ স্মার্টওয়াচ বিক্রি হয়েছিল। আর ২০১৫ সালে বিশ্বব্যাপী ২ কোটি ৮০ লাখেরও বেশি স্মার্টওয়াচ বিক্রি হবে বলে ধারণা করছে প্রতিষ্ঠানটি।

৯ মার্চের অ্যাপল ওয়াচ ইভেন্টে ডিভাইসটি সম্পর্কে অ্যাপল বিস্তারিত জানাবে বলে আশা করা হচ্ছে। বাজার মূল্যসহ অঞ্চলভেদে ডিভাইসটি কবে থেকে বাজারজাত করা হবে সেই তথ্যগুলো জানা যাবে ৯ মার্চের ওই ইভেন্টেই। কিছুদিন আগেই অ্যাপল সিইও টিম কুক একরকম মুখ ফসকেই বলেছিলেন এপ্রিলেই বাজারে আসবে অ্যাপল ওয়াচ।

স্পেইনের বার্সেলোনায় চলতি মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসে বাজারে অ্যাপল ওয়াচের সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছে স্ট্র্যাটেজি অ্যানালিটিক্স। অ্যাপল ওয়াচ অভিষেকেই বড় সাফল্য পেলেও পরবর্তীতে হুয়াওয়ে এবং এলজির মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর তৈরি স্মার্টওয়াচ অ্যাপল ওয়াচের জন্য মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে মনে করছে বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠানটি।

04/03/2015

দুই ক্লিকেও যখন ড্রাইভ খোলে না...
অনেক সময় দেখা যায় কম্পিউটারে হার্ডডিস্ক ড্রাইভে পার্টিশন করা ড্রাইভগুলোতে দুই ক্লিক করলেও তা খুলছে না। উইন্ডোজ এক্সপি অপারেটিং সিস্টেমে এটি হরহামেশাই হয়ে থাকে। কোনো কাজে D:\/ ড্রাইভে দুই ক্লিক করে খুলতে গেলেন, কিন্তু সেটি না খুলে অটো রানের কিছু তালিকা দেখিয়ে সেটি খুলতে বলতে পারে। আবার This drive does not open কিংবা Restriction with administrator বার্তা দেখিয়ে থামিয়ে দিতে পারে।
কিছু ভাইরাস আপনাকে বিভ্রান্তিতে ফেলার জন্য এ কাজটা করে। ভাইরাস কিছু খারাপ রেজিস্ট্রি তৈরি করে, ফলে কাজে এমন বাধা আসে। এ জন্য স্টার্ট মেনু থেকে রান প্রোগ্রাম চালু করুন। এখানে regedit লিখে এন্টার করুন। রেজিস্ট্রি এডিটর খুললে বাঁ দিকের তালিকা থেকে HKEY_CURRENT_USER-এ ক্লিক করে Software-এ গিয়ে Microsoft-এ ক্লিক করুন। এখানে আবার Windows-এ ক্লিক করে CurrentVersion-এ ক্লিক করুন। এরপর Explorer-এ ক্লিক করে MountPoints2 খুঁজে নিয়ে মুছে (ডিলিট) ফেলুন।
মনে রাখবেন ভাইরাসে আক্রান্ত হলেই শুধু এই রেজিস্ট্রি মুছতে হবে। অযথা মুছে ফেললে উইন্ডোজের সিস্টেম ফাইলে ঝামেলা হবে। তাই জেনে-বুঝে কাজটি করতে হবে।
যদি নির্দিষ্ট কোনো ড্রাইভ দুই ক্লিকে না খোলে তবে কি-বোর্ড থেকে Shift চেপে ধরে সেই ড্রাইভের ওপর মাউসের ডান বোতাম চাপুন। ধরুন আপনার কম্পিউটারের D:\/ ড্রাইভ দুই ক্লিক করলে সেটি খুলছে না। তাহলে কি-বোর্ড থেকে Shift কি চেপে ধরে ড্রাইভের ওপর মাউসের ডান বোতাম চাপুন। তালিকা থেকে Open command window here-এ ক্লিক করুন। তাহলে D:\/ ড্রাইভের ওপর কমান্ড প্রম্পটের কাজ করার জন্য নতুন উইন্ডো খুলে যাবে। এবার এখানে cd\/ লিখে এন্টার করুন। পরের লাইনে attrib -r -h -s autorun.inf হুবহু লিখে আবার এন্টার করুন। পরের লাইনে আবার del autorun.inf লিখে এন্টার চাপুন। অটোরান প্রোগ্রাম মুছে যাবে। এবার কম্পিউটার একবার রিস্টার্ট করে নিলেই দুই ক্লিকে ড্রাইভার খুলবে।

01/03/2015

বিনা পয়সার ইন্টারনেট অাসছে এপ্রিলে!
দেশে বিনা খরচের ইন্টারনেট (জিরো ইন্টারনেট) অাসছে। যে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে কোনও পয়সা খরচ হবে না। অ্যাপ বা সরাসরি দু'ভাবেই এই ইন্টারনেট ব্যবহার করা যাবে। দেশে এ সুবিধা চালু করতে যাচ্ছে ফেসবুকের ইন্টারনেট ডট ওঅারজি প্রকল্প।
এরইমধ্যে প্রকল্পের কাজ অনেক দূর এগিয়েছে। মার্চ-এপ্রিল নাগাদ এ প্রকল্প চালু হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। এ প্রকল্প চালু হলে দেশে তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক সেবাগুলো বিনা ইন্টারনেট খরচে ব্যবহার করা যাবে।
ফেসবুকের (ইন্টারনেট ডট ওঅারজি প্রকল্পের) একটি টিম এই মুহূর্তে বাংলাদেশে রয়েছে। এছাড়া ঢাকায় রয়েছেন ইন্টারনেট ডট ওঅারজি প্রকল্পের দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার সমন্বয়কারী দিপ্তি গোরে। বিষয়টি তদারকি করছেন তিনি।
সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে, ওই টিমটি এরইমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন (এটুঅাই) প্রকল্প, ২০টি এনজিও, দুটি জাতীয় দৈনিক, মোবাইলফোন অপারেটরসহ অারও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কথা বলেছে। এর মধ্যে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানই বিনামূল্যে ইন্টারনেট সেবা চালুর ব্যাপারে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বিনা পয়সার ইন্টারনেট সেবা চালুর বিষয়ে তাদেরও ইতিবাচক মনোভাব রয়েছে। 'সরকার বিষয়টিতে রাজি' হয়েছেন বলে জানিয়েছেন দিপ্তি গোরে।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এটুআই প্রকল্পের পলিসি অ্যাডভাইজার আনীর চৌধুরী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, 'আমরা ফেসবুকের সঙ্গে কাজ শুরু করেছি। প্রাথমিকভাবে আমাদের ৬টি পোর্টাল নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে। ওই ৬টি পোর্টাল যেন মোবাইলে সহজে দেখা যায় সেজন্য কাজ শুরু হয়েছে।'
জানা গেছে ৬টি পোর্টালের মধ্যে রয়েছে জাতীয় তথ্য বাতায়ন, সার্ভিস পোর্টাল, ন্যাশনাল ফর্মস পোর্টাল ইত্যাদি। এ ধরনের সাইটে (মোবাইল উপযোগী) বেশি ছবি থাকতে পারবে না, জাভা স্ক্রিপ্ট ব্যবহার করা যাবে না এমন অনেক শর্ত থাকে। আনীর চৌধুরী জানান, এসব কাজ শেষ হলে ইন্টারনেট ডট ওআরজির মাধ্যমে ওই ৬টি পোর্টাল মোবাইল ব্যবহারকারীরা বিনা খরচে ব্যবহার করতে পারবেন।
আনীর চৌধুরী আরও বলেন, যারা এ ধরনের সেবা দেবে সেই মোবাইলফোন অপারেটর এবং ওয়াইম্যাক্স সেবা দাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে ফেসবুক কর্র্তৃপক্ষ যোগাযোগ করছেন। সবাই ইতিবাচক সাড়া দেবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সূত্র অারও জানায়, মোবাইল অপারেটরগুলোর মধ্যে রবি ফেসবুকের প্রস্তাবে রাজি হয়েছে। অন্যদিকে গ্রামীণফোন জিরো উইকিপিডিয়ার ঘোষণা দিয়েছে। গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ ঘোষণা দিয়েছে, এর গ্রাহকরা উইকিমিডিয়ার সব মোবাইলসাইট কোনও ডাটা চার্জ (ইন্টারনেট খরচ) ছাড়াই ব্যবহার করতে পারবে।
এদিকে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিঅারসির সাবেক এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, জিরো উইকিপিডিয়া করার জন্য দেশে এর কনটেন্টগুলো হোস্ট করলে মোবাইল অপারেটরের ওভারহেড (অতিরিক্ত ব্যয়) অনেক কমে অাসবে। কনটেন্ট প্রোভাইডার মানে গুগল, ফেসবুক অনেক আগে থেকেই তাদের কনটেন্ট 'সাবসিডাইজ' করে আসছে।
ইন্টারনেট ডট ওঅারজি অ্যাপ এবং সরাসরি দু'ভাবেই ব্যবহার করা যাবে। অ্যাপ বা সরাসরি (ইন্টারনেট ডট ওঅারজিতে লগ-ইন করে) সংশ্লিষ্ট সাইটে প্রবেশ করলে সেই সাইটের বাণিজ্যিক বিষয়-অাশয় (বিজ্ঞাপন) দেখা যাবে না। তবে তথ্য সম্পর্কিত সব কিছুই দেখা যাবে।
দেশের তথ্যপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ইন্টারনেট ডট ওঅারজি প্রকল্প সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে অালাপ-অালোচনা করে একটি নীতিগত সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে, কেউ যদি ইন্টারনেট ডট ওঅারজিতে লগ-ইন করে চুক্তিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের সেবাভোগ করে, তাহলে তার কোনও ইন্টারনেট চার্জ লাগবে না। ধরা যাক, কেউ ইন্টারনেট ডট ওঅারজিতে লগইন করে বিবিসি বাংলার সাইটে ঢুকলেন। এতে করে তিনি যতক্ষণ ওই সাইটে থাকবেন, নিউজ পড়বেন, ছবি দেখবেন তার জন্য কোনও ডাটা খরচ হবে না (ইন্টারনেট চার্জ কাটা যাবে না)। তবে এর অাগে অবশ্যই ইন্টারনেট ডট ওঅারজির সঙ্গে বিবিসি বাংলার একটি চুক্তি হতে হবে। ইন্টারনেট ডট ওঅারজিতে সরাসরি না ঢুকে কেউ যদি এর অ্যাপের মাধ্যমে এটি ব্যবহার করতে চান তিনিও বিনা খরচে তা ব্যবহার করতে পারবেন।

এদিকে দেশের চার মোবাইলফোন অপারেটরের 'জিরো ফেসবুক' (http://0.facebook.com) সেবা চালু রয়েছে। এজন্য ফেসবুক ও মোবাইল অপারেটরগুলোর মধ্যে চুক্তিও হয়েছে। গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, এয়ারটেল ও রবি জিরো ফেসবুক সেবা দিলেও ব্রাউজার চয়েসের দিক থেকে গ্রামীণফোন জিরো ফেসবুক কিছুটা বেশি সুবিধা দিয়ে থাকে বলে মন্তব্য করেছেন একাধিক ফেসবুক ব্যবহারকারী।
প্রসঙ্গত, ফেসবুকের ইন্টারনেট ডট ওআরজি প্রকল্প ফেসবুকের প্রসারে নেমেছে। এই সংস্থা ফেসবুককে আরও জনপ্রিয় করতে মোবাইলফোনের গ্রাহকদের ফেসবুক ব্যবহার করতে দেবে বিনামূল্যে। অার এ কাজে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। এরই মধ্যে অাফ্রিকার একাধিক ‌‌ দেশে এই সেবা চালু ক‌‌‌রেছে ফেসবুক।
সম্প্রতি দেশে অনুষ্ঠিত ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে যোগ দিতে এসেছিলেন ফেসবুকের এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের পরিচালক অাঁখি দাশ। তিনি ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে বিভিন্ন পর্বে অংশ নিয়ে, সরকারের সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে অালোচনাসহ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করে দেশে ইন্টারনেট ডট ওঅারজি সেবা চালুর বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়ে গেছেন।

24/02/2015

ফোনের ব্যাটারি সর্বনাশ ঘটাতে পারে যেভাবে...
স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের ওপর গোয়েন্দা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের নজরদারির খবর গোপন কিছু নয়। অধিকাংশ স্মার্টফোনে জিপিএস চিপ থাকে যার মাধ্যমে সহজেই স্মার্টফোন নজরদারির আওতায় থাকে। যাঁরা নজরদারি এড়াতে চান, তাঁরা জিপিএস ফিচারটি বন্ধ করে রাখেন, তাই না? কিন্তু মোবাইল ফোনে নজরদারি করার অন্য আরেকটি উপায়ও আছে। পদ্ধতিটি হচ্ছে অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ব্যাটারির ওপর নজরদারি করা। প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট গিজমোডো এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
সম্প্রতি স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ইসরায়েলের সরকারি সংস্থার গবেষকেরা মোবাইল ফোনের ব্যাটারির মাধ্যমে নজরদারি করার পদ্ধতিটির বিস্তারিত জানিয়েছেন। এই পদ্ধতিতে স্মার্টফোন ব্যাটারির চার্জে সামান্য হেরফের হওয়ার বিষয়টি হিসাব করে ব্যবহারকারী কোথায় কোথায় যান, সে বিষয়টি ধরা যায়। মোবাইল ফোনের টাওয়ার থেকে মোবাইল ফোনে পিং পেতে কী ধরনের বাধা আসে, তা নির্ণয় করে ব্যবহারকারীর অবস্থান বের করা যায়। টাওয়ারের অবস্থান দূরে হলে বা কোনো ভবন বা পাহাড়ের কারণে পিং পেতে সমস্যা হলে মোবাইল ফোনে তখন বাড়তি কিছুটা শক্তি খরচ করে।
যদি ব্যবহারকারী মোবাইল ফোন নিয়ে কোথায় কোথায় যান সে বিষয়টি কিছুদিন ধরে খেয়াল করা হয় এবং এই রুটিন স্বাভাবিক হয়, তখন ৯০ শতাংশ নির্ভুলভাবে ব্যবহারকারীর অবস্থান শনাক্ত করা যায়। কিন্তু ফোন ব্যবহারকারী যদি রুটিনমাফিক না চলেন, তখন তাঁর অবস্থান শনাক্ত করার সম্ভাবনা ৬০ শতাংশে নেমে আসে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্মার্টফোনে এভাবে নজরদারির বিষয়টি উদ্বেগের কারণ হতে পারে। কারণ এ ধরনের নজরদারি হলে ব্যাটারি খুলে রাখা ছাড়া তা এড়ানোর জুতসই কোনো পথ নেই। এ ধরনের তথ্য সংগ্রহের জন্য মোবাইল ফোনের সাধারণ কোনো অ্যাপই যথেষ্ট। এ ধরনের অ্যাপকে ব্যাটারি ব্যবহার-সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহে গুগলেরও কোনো বাধা নেই। সাইবার দুর্বৃত্তরা চাইলে এরকম কোনো অ্যাপ তৈরি করে সহজেই ব্যবহারকারীর ওপর নজরদারি করতে পারে।

03/02/2015

কবজিবন্ধনীতে ধরা পড়বে ক্যানসার?
মানুষের কৃত্রিম ত্বক তৈরি করছে গুগল। আগেভাগেই বিভিন্ন রোগ শনাক্ত করতে পারে, এমন কবজিবন্ধনী তৈরির জন্য একটি প্রকল্পের অংশ হিসেবে ওই ত্বক বানানো হচ্ছে। এর মাধ্যমে যেসব রোগ শনাক্ত করা যেতে পারে, তার মধ্যে রয়েছে ক্যানসার ও হৃদ্রোগ।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে অবস্থিত গুগল এক্স গবেষণাগারের প্রাণবিজ্ঞান বিভাগে চলছে ওই কৃত্রিম ত্বক তৈরির কাজ। তবে কাজটা এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।
প্রকল্পের বিজ্ঞানী ড. এন্ড্রু কনরাড জানিয়েছেন, ক্যানসার কোষগুলো প্রথমবারের মতো দৃশ্যমান হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সেগুলোকে এই পদ্ধতিতে শনাক্ত করা যাবে। দেহে কোনো রোগ আছে কি না, তা ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কণার সাহায্যে ‘খোঁজ করবে’ এই কবজিবন্ধনী।
ক্যানসারের মতো রোগের লক্ষণগুলো শরীরে দৃশ্যমান হতে বেশ সময় লেগে যায়। কিন্তু এই পদ্ধতি লক্ষণগুলো দৃশ্যমান হওয়ার অনেক আগেই রোগ শনাক্ত করে দেবে। এভাবে আগেভাগেই রোগ ধরা গেলে অসুস্থতার কারণে প্রাণহানির মাত্রা কমে যাবে ব্যাপক হারে।
পদ্ধতিটি ব্যাখ্যা করে বিজ্ঞানী কনরাড বলেন, ‘এখন চিকিৎসকের কাছে গিয়ে বলতে হয়, আমি হাতে আঘাত পেয়েছি। কিন্তু নতুন পদ্ধতিতে ঘটনা ঘটার আগেই ব্যবস্থা ও প্রতিরোধমূলক করার চেষ্টা চলছে। আমরা অনেক দূর এগিয়েছি। তবে এই পথটা অনেক লম্বা ও কঠিন। সুতরাং, আমি মনে করি, আমরা সেখানে পৌঁছে যাব। আশা করছি, এটা কয়েক দশক নয়, কয়েক বছরের মধ্যেই ঘটবে।’
এই পদ্ধতির ভিত্তি হবে মানুষের প্রাণরসায়নে যে সূক্ষ্ম পরিবর্তনগুলো ঘটে, তার ওপর নজর রাখা। এই প্রাণরসায়ন একটি আগাম সংকেতব্যবস্থা হিসেবে কাজ করতে পারে। রোগীকে এমন একটি বড়ি সেবন করানো হবে, যাতে থাকবে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কণা। ভিন্ন ভিন্ন অবস্থার জন্য সেগুলো (যেমন রোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত রাসায়নিকের মাত্রা বা ক্যানসারবাহী কোষ ইত্যাদি) ভিন্ন ভিন্ন মাত্রা নির্দেশ করবে।
গুগল মনে করছে, কোষগুলোকে ‘প্রজ্বালিত করা’ সম্ভব হবে। এতে করে কোষগুলো যখন রক্তধারার ভেতর দিয়ে হাতে প্রবাহিত হবে, তখন কবজিতে লাগানো চুম্বকীয় কবজিবন্ধনী (রিস্টব্যান্ড) সেগুলোকে শনাক্ত করতে পারবে। বিষয়টার ব্যাখ্যা করে বিজ্ঞানী কনরাড বলেন, ‘ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কণা আপনার পুরো দেহে বিচরণ করে ওই কোষগুলো খুঁজে ফিরবে। আর আমরা একটি চুম্বক ব্যবহার করে সেগুলো সংগ্রহ করব এবং জিজ্ঞেস করব, তারা কী দেখতে পেয়েছে।’
যেহেতু এই পদ্ধতি কোষগুলো থেকে নির্গত হওয়া আলোর ওপর নির্ভর করে, সেহেতু গবেষকদের প্রথমেই একটা প্রশ্নের উত্তর বের করতে হবে—আলো চামড়ার ভেতর দিয়ে কীভাবে প্রবাহিত হয়। সুতরাং তাঁদের মানুষের হাতের একটা মডেল তৈরি করতে হবে।

02/02/2015

যেভাবে বাড়াবেন ক্রোম ব্রাউজারের গতি..
আপনার কম্পিউটারে গুগল ক্রোম কি খুব ধীরে কাজ করছে? গুগল ক্রোম ব্রাউজার ব্যবহারকারীরা খুব সহজেই ব্রাউজারের গতি বাড়িয়ে নিতে পারেন। প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট সিনেটের প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের দেওয়া এই পরামর্শ মানলে খুব সহজেই বাড়িয়ে নিতে পারবেন আপনার ব্রাউজারের গতি।

প্রথম ধাপ: গুগল ক্রোমের মেনু বাটনে ক্লিক করুন। ব্রাউজারের ডান কোনায় ক্রস বাটনের নিচে এটি পাবেন। এখান থেকে সেটিংসে যান।

দ্বিতীয় ধাপ: স্ক্রল করে নিচের দিকে এসে শো অ্যাডভান্সড সেটিংসে ক্লিক করুন এবং স্ক্রল করে নিচের দিকে নামুন। এখানে আপনি সিস্টেম নামে একটি সেকশন পাবেন।

তৃতীয় ধাপ: ‘ইউজ হার্ডওয়্যার অ্যাকসেলেরেশন হোয়েন অ্যাভেইলেবল’-এর পাশে থাকা টিক চিহ্নটি উঠিয়ে দিন।

চতুর্থ ধাপ: ক্রোম ব্রাউজারটি পুরোপুরি বন্ধ করে আবার নতুন করে চালু করুন।
এই প্রক্রিয়ায় উইন্ডোজ কিংবা অন্য অপারেটিং সিস্টেমে ক্রোম ব্রাউজারের গতিতে ইতিবাচক ফল পেয়েছেন বলে অনেকেই সিনেটের প্রতিবেদনে মন্তব্য করেছেন। প্রযুক্তিবিষয়ক পরামর্শক রিক ব্রোডা বিষয়টি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন এবং ইতিবাচক ফল পাওয়ার দাবি করেছেন।

01/02/2015

রোগীর মনের অবস্থা জানাবে যন্ত্র...
হাসপাতালে জেগে উঠে দেখলেন, নড়াচড়ার শক্তি নেই। চেষ্টা করেও কথা বলতে পারছেন না, এমনকি চোখের পাতা পর্যন্ত খুলতে পারছেন না। কেবল শুনতে পাচ্ছেন ডাক্তারের সঙ্গে আপনার আত্মীয়-পরিজনের কথাবার্তা। আপনি নিজের অবস্থা সম্পর্কে কাউকে জানানোর সামর্থ্য হারিয়েছেন। এমন পরিস্থিতি কাম্য না হলেও কারও কারও জীবনে তা আসতেও পারে।
তবে বিজ্ঞানীরা বলছেন, আপনার শরীরে একটি যন্ত্র যুক্ত করা হলে অবস্থার পরিবর্তন হতে পারে। এটি ব্যবহার করে মস্তিষ্কতরঙ্গের সাহায্যে আপনি আবার অন্যের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। তবে শুধু ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ ছাড়া আর কিছু বলার উপায় নেই। তবু, অল্প হলেও এটুকু সামর্থ্যই অনেক ব্যবধান গড়ে দিতে পারে। পরিচর্যাকারীকে অন্তত জানানো যাবে আপনার পিপাসা, উঠে বসার ইচ্ছা, টিভি দেখার চাহিদা ইত্যাদির কথা।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মনের ইচ্ছা জানার প্রযুক্তির বেশ উন্নতি হয়েছে। তাই বিছানায় আটক রোগী এবং কোমা অবস্থায় পৌঁছে যাওয়া মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের প্রচেষ্টায় অনেক অগ্রগতি হয়েছে। ব্যাপারটা হয়তো খুব তাড়াতাড়িই বাস্তবে রূপ নেবে। গবেষকেরা এবার বহনযোগ্য এমন এক যন্ত্র তৈরি করছেন, যা ব্যবহার করে রোগীরা দৈনন্দিন যোগাযোগ বজায় রাখতে পারবেন। আর কারও রোগনির্ণয়ে ভুল হয়েছে কি না, তা-ও শনাক্ত করতে পারবে যন্ত্রটি।
কানাডার অন্টারিও প্রদেশের ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির গবেষক অ্যাড্রিয়ান ওয়েন ও তাঁর সহযোগীরা কোমায় থাকা রোগীদের কথা বলার সুযোগ করে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছেন। তবে ওই রোগীরা যদি মরে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন, তার জবাব কী হবে—সে ব্যাপারে নীতিশাস্ত্র বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনাও করা হচ্ছে। সাধারণত কোমার পরবর্তী পর্যায়ে জীবন্মৃত দশা শুরু হয়। তখন পূর্ণ সজাগ থাকার পরিবর্তে সজ্ঞান ও অজ্ঞান অবস্থার মাঝামাঝি থাকেন রোগীরা। মাঝে মাঝে চোখ খুললেও তাঁরা কিছু দেখতে পাচ্ছেন বলে মনে হয় না। এমনকি তাঁরা কারও কথার জবাবে সাড়াও দেন না।
সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার পর ১২ বছর ধরে জীবন্মৃত অবস্থায় কাটানো এক রোগীর ওপর পরীক্ষা চালিয়ে ওয়েন ও তাঁর সহকর্মীরা দেখতে পান, তিনি নিজের নাম ও আশপাশের লোকজন সম্পর্কে ঠিক ঠিক জবাব দিতে পারছেন। তিনি যন্ত্রণা পাচ্ছেন না এবং টিভিতে হকি খেলা দেখতে পছন্দ করেন বলে জানিয়েছেন।
এফএমআরআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে আগে এ ধরনের রোগীদের মস্তিষ্কের কার্যকলাপ অনুসরণের চেষ্টা করা হতো। তবে ব্যাপারটা বেশ পরিশ্রমসাধ্য ও ব্যয়বহুল। প্রক্রিয়াটাকে আরও সহজ করার চেষ্টা করছেন ওয়েন ও তাঁর সহযোগীরা। তাঁদের তৈরি প্রযুক্তিটি মস্তিষ্কের বৈদ্যুতিক তরঙ্গের (ইইজি) তথ্য সংগ্রহের জন্য একটি বিদ্যুৎবাহী যন্ত্রাংশ (ইলেকট্রোড ক্যাপ) ব্যবহার করে। কিন্তু ইইজি দেখে মস্তিষ্কের কেবল উপরিতলের কার্যক্রম জানা যায়। তাই প্রযুক্তিটি আরও আধুনিকায়নের প্রয়োজন পড়ে। যন্ত্রটির নতুন সংস্করণে রোগীর হাতে একাধিক কম্পনশীল যন্ত্র সংযোজন করতে হয়।
যুক্তরাজ্যের লন্ডনে গত সপ্তাহে অনুষ্ঠিত বার্টস নিউরোসায়েন্স সিম্পোজিয়ামে এই প্রযুক্তির ব্যাপারে কিছু তথ্য তুলে ধরেন ওয়েন। তিনি বলেন, কম্পনের মাধ্যমে স্নায়ুর পরিবর্তনবিষয়ক তথ্য ইইজি থেকে জানার প্রযুক্তিটি আগের তুলনায় সহজ হয়েছে। আগের প্রযুক্তিতে অনেকটা আন্দাজের ওপর ভর করে কাজ করতে হতো। নতুন প্রযুক্তিটি কিছু কিছু ক্ষেত্রে বেশি সম্ভাবনাময় মনে হচ্ছে। অবশ্য তাঁদের গবেষণাকাজ এখনো সম্পূর্ণ হয়নি।
সূত্র: নিউসায়েন্টিস্ট

31/01/2015

নতুন ব্রাউজার ভিভালডি...
ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের সুবিধার্থে ভিভালডি নামের নতুন একটি ব্রাউজার তৈরি করেছেন অপেরা সফটওয়্যারের সাবেক প্রধান নির্বাহী জন ভন টেচনার। উইন্ডোজ, ম্যাক ও লিনাক্স প্ল্যাটফর্মে প্রাথমিকভাবে এই ব্রাউজারটি ব্যবহার করা যাচ্ছে। ২৭ জানুয়ারি এই ডেস্কটপ কম্পিউটারের জন্য এই ব্রাউজারটি উন্মুক্ত করেছেন সফটওয়্যার নির্মাতা টেচনার।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এক সাক্ষাৎকারে টেচনার জানিয়েছেন, যাঁরা বেশি বেশি ইন্টারনেট ব্যবহার করেন, তাঁদের কথা মাথায় রেখেই তৈরি হয়েছে ভিভালডি ব্রাউজারটি। এটার ইন্টারফেস এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে স্ক্রিনে যেসব ট্যাব ওপেন করা হয় তা দেখতে বিশেষ সুবিধা হয়।
টেচনার বলেন, ভিভালডি ব্রাউজারটির মোবাইল ফোন ও ট্যাবলেট সংস্করণ তৈরির কাজ চলছে। এটি তৈরি হলেই উন্মুক্ত করা হবে।
অষ্টাদশ শতাব্দীর বিখ্যাত গীতিকার অ্যান্টোনিও ভিভালডির নাম থেকে এই ব্রাউজারটির নামকরণ করা হয়েছে। অপেরা সফটওয়্যারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক ব্রাউজার ও মোবাইল ফোন প্রযুক্তি বিভাগের প্রধান হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন টেচনার। নিজের সেই অভিজ্ঞতার বিষয়টিই ভিভালডি নামকরণের মাধ্যমে তুলে আনতে চেয়েছেন তিনি। ২০১১ সালে অপেরা ছেড়ে ভিভালডি ডটনেট নামের একটি সামাজিক যোগাযোগের প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেন তিনি। নতুন ব্রাউজার তৈরিতে ৯০ শতাংশের বেশি বিনিয়োগ তাঁর।
টেচনার এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘কখনো কখনো নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে নিজস্ব বিনিয়োগের দরকার পড়ে। আমি মনে করি সেই লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারব।’
গুগল ক্রোম, মাইক্রোসফটের ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, অ্যাপলের সাফারি, মজিলার ফায়ারফক্স এমনকি অপেরা নিজস্ব ব্রাউজার থাকার পরও নতুন ব্রাউজার কেন? টেচনার মনে করছেন, ব্রাউজার নিয়ে প্রতিযোগিতা থাকলেও নতুন ব্রাউজার উঠে আসার সুযোগ রয়েছে।
আমাদের ব্রাউজার সবার জন্যই। তবে যাঁরা বেশি বেশি নেট ঘাঁটেন এবং ব্রাউজার থেকে বেশি কিছু চান, তাঁদের জন্যই তৈরি করা হয়েছে ভিভালডি। এ ধরনের ব্রাউজারের চাহিদা আছে।
ভিভালডি ব্রাউজারে থাকছে ব্যক্তিগত নোট রাখা, ছোট স্ক্রিন শটের মাধ্যমে বুকমার্ক করে রাখা, একাধিক গ্রুপ ও ফোল্ডার তৈরি করার মতো বিশেষ ফিচার।

Address

16 Azam Road
Dhaka
1207

Opening Hours

Monday 09:00 - 20:00
Tuesday 09:00 - 20:00
Wednesday 09:00 - 20:00
Thursday 09:00 - 20:00
Friday 09:00 - 20:00
Saturday 09:00 - 20:00
Sunday 09:00 - 20:00

Telephone

+880 1611 620 820

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Apache Network posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share