Web video & Graphic Design

Web video & Graphic Design আমরা যা যা করিঃ > লগো ডিজাইন > ভিডিও এডি?

ফাইবার থেকে অধিক আয় করার অসাধারণ ৭টি টিপ্স!আপনি ইতিমধ্যে ফ্রিল্যান্সিং করছেন? বা শুরু করার চিন্তা করছেন তাহলে ফাইবারেই হ...
31/10/2020

ফাইবার থেকে অধিক আয় করার অসাধারণ ৭টি টিপ্স!
আপনি ইতিমধ্যে ফ্রিল্যান্সিং করছেন? বা শুরু করার চিন্তা করছেন তাহলে ফাইবারেই হোক আপনার সফল ক্যারিয়ার। ফাইবার বর্তমানে অত্যধিক জনপ্রিয় আন্তর্জাতিক অনলাইন মার্কেটপ্লেস যেখানে ফ্রিল্যান্সাররা (ফাইভারে সেলার) তাদের কার্যক্ষমতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে ক্লায়েন্টদের জন্য বিভিন্ন সার্ভিসের প্যাকেজ তৈরি করে তা বিক্রির জন্য সাজিয়ে রাখেন। ফাইভারে এরকরম এক বা একাধিক প্যাকেজ মিলে তৈরি সার্ভিসগুলো গিগ নামে পরিচিত যার মূল্য ৫ ডলার থেকে শুরু করে ৫০০ ডলার পর্যন্ত হয়ে থাকে। ফাইভার প্রতি ৫ ডলার মূল্যের গিগ বিক্রিতে সেলারকে ১ ডলার চার্জ করে; অর্থাৎ যেকোনো পরিমান সেলের ২০% চার্জ করে ফলে ৮০% রেভিনিউ সেলারের অ্যাকাউন্টে জমা হয়। ফাইভারে বর্তমানে বিভিন্ন সার্ভিসের উপর ৩০ লক্ষাধিক গিগ রয়েছে। আপনার ফুলটাইম আয়ের উৎস হতে পারে ফাইবার। আজ ফাইবার থেকে সহজে অধিক আয় করার ৭টি টিপ্স নিয়ে আলোচনা করব।
শুধু সেই গিগ গুলোই প্রদর্শন করুর যেগুলো খুব তারাতারি সম্পন্ন করা সম্ভব

আপনি যদি ফাইভার থেকে অধিক আয় করতে চান, শুধুমাত্র সেই গিগ গুলো প্রদর্শন করুন যা অপেক্ষাকৃত অল্প সময় মধ্যে সম্পন্ন করতে পারবেন। কিছু গিগ এর উদাহরণ এমন হতে পারেঃ
• I will professionally capture audio or video from YouTube for $5
• I will leave 5 positive comments on your blog or videos for $5
• I will create a custom internet meme for you for $5
যদি প্রতিটি আপনি ৫-১০ মিনিট বা তার কম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে পারেন, তাহলে এটা পুরোপুরি যুক্তিসঙ্গত যে আপনি এক ঘন্টার মধ্যে এই কাজ আরও এক ডজন সম্পন্ন করতে পারবেন ফলে আপনার সর্বনিন্ম আয় হবে ৪৮ ডলার। তাই আপনাকে অবশ্যই এ ব্যাপারে সচেতন হতে হবে ২ ঘন্টা সময় যেন ব্যায় না হয় ৪ ডলার আয় করার জন্য।
আপনার গিগটিকে আকর্ষণীয় করে তুলুন

ফাইবারে একই গিগ এর প্রতিদ্বন্দী অনেক। প্রতিদ্বন্দিতার মাঝেই আপনাকে এগিয়ে যেতে হবে, তবে দরকার যথাযথ কৌষলের। গীগটিকে সাজিয়ে নিন সাবলীল, সংগতিপূর্ণ, আর কার্যকরী তিথ্য দিয়ে। আপনার গিগটিকে করতে হবে সবার চেয়ে আকর্ষণীয়। অনুসরন করতে পারেন নিচের পদ্ধতিগুলোঃ
১. টাইটেল কে যত সম্ভব আকর্ষণীয় করুন
বায়ার যেহেতু টাইটেল এর উপর দৃষ্টি রাখেন, তাই টাইটেল এ যথাসম্ভব গিগ এর কিওয়ার্ডগুলো লেখার চেষ্ট করুন। তাহলে বায়ার সহজে গিগটি বুঝতে পারবেন।
২. গিগ এর অফারের সাথে সংশ্লিষ্ট ছবি/ভিডিও
আপনার গিগ সংশ্লিষ্ট একাধিক ছবি/ভিডিও আপনার অফারটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে। একটি কার্যকরী ছবি/ভিডিও অনেক বর্ণনারে চেয়েও ভাল। সুতরাং অফারের সাথে যে ছবি/ভিডিও সংযুক্ত করবেন সেটি গুরুত্বের সাথে নির্বাচন করতে হবে।
৩. গিগ এর বিষয়বস্তুর যথাযথ বর্ণনা
আপনি যে গিগটি অফার করবেন এর সুন্দর/সাবলীল বর্ণনা দেওয়ার চেষ্টা করুন তাহলে বায়ার আপনার সার্ভিসটি কেনার ব্যপারে বেশি প্রাধান্য দিবেন। আপনার গিগের বর্ণনা তারাই পড়বে যারা আপনার টাইটেল এবং ছবি দেখে আগ্রহী হয়ে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করবে। সুতরাং বিবরণটি এমনভাবে লিখুন যেন বায়ার আপনার গিগ কেনার জন্য ইমপ্রেস হন।
একই গিগ একাধিক স্টাইলে পুনরাবৃত্তি করুন
তারাতারি সম্পূর্ণ করা যায়, এরকম গিগ যদি ভাল বিক্রয় হচ্ছে দেখতে পান, তাহলে এ ধরনের আরও একাধিক গিগ একটু ভিন্ন আংঙ্গিকে তৈরী করতে পারেন। ফলে আপার ক্রিয়েটিভিটি দেখে ক্লায়েন্ট ইমপ্রেস হবে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে, অনেক ক্রেতা একই রকম গিগ বিভিন্ন কি-ওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করে, তাই কি-ওয়ার্ড পরিবর্তন করে একই গিগের একাধিকবার পুনরাবৃ্ত্তি হতে পারে অধিক বিক্রয়ের অন্যতম মাধ্যম।
পুনরায় বিক্রয়ের জন্য ক্রেতাকে বিশেষ অফার
ধরুন, আপনি একটি গিগ অফার করলেন, ৫ ডলারে ৫টি ফেইসবুক পোষ্ট লিখে দিবেন, যখন আপনি কাজটি সম্পন্ন করলেন, তখন ক্রেতাকে অফার করতে পারেন ৬টি পোষ্ট লিখে দিবেন ৫ ডলারে। এই আইডিয়া অন্য গিগ এর ক্ষেত্রেও অবলম্বন করতে পারেন।
১০০ ওয়ার্ডের একটি অনুচ্ছেদ বিক্রয় করলেন ৫ ডলারে, পরবর্তী অর্ডারের জন্য ক্রেতাকে ৫ ডলারে ১২০ ডলার অফার করতে পারেন। একইভাবে ৫টি ব্লগপোষ্ট কমেন্ট এর যায়গায় ৬টি করতে পারেন, ফলে ক্রেতা মুগ্ধ হয়ে বার বার আপনার গিগই ক্রয় করবে। এরকম বিশেষ অফারে আপনার আয়ের পরিধি বাড়বে, শুধু তাই নয়, সার্চ রেজাল্ট এ আপনার গিগ এর প্রাধান্য পাবে সবার আগে। এই কৌশল ব্যাবহার করে একটি সাধারণ গিগ অধিক সংখ্যক বার বিক্রয় করতে পারেন।
দ্রুত রেসপন্স ও কাস্টম অফার

উল্লেখ্য, ফাইবার গিগ এর সার্চ ফলাফলের র্যাংকিং করতে একটি জটিল পদ্ধতি ব্যবহার করে। এ পদ্ধতিতে বায়ারকে কে কত তারাতারি রেসপন্স করে এর উপর ভিত্তি করে র্যাংক দেয়া হয়। তাই বায়ারকে যত দ্রুত রেসপন্স করার চেষ্টা করুন। দ্রুত রেসপন্স করার পর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় “কাস্টম অফার”। বায়ারকে কাস্টম অফার করার চেষ্টা করুন। আপনি যে গিগ টি ইতিমধ্যে বিক্রয় করেছেন, এ ধরনের আরেকটি গিগ এর অফার করতে পারেন বায়ারকে। উল্লেখ্য কাষ্টম অফার এ গিগ এর বর্ণনা, কত সময়ের মধ্যে কাজটি সম্পন্ন করতে পারবেন এবং বায়ার এর জন্য কত ডলার প্রদান করবে এসব তথ্য উল্লেখ করতে হবে।
আপনার গিগ শেয়ার করুন যতটা সম্ভব

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপনার গিগ শেয়ার করতে পারেন। হয়ত আপনার ফলোয়ারদের মধ্যে কারো এ ধরনের সার্ভিস প্রয়োজন হতে পারে। আরেকটি ব্যাপার হচ্ছে ফাইবার সেই গিগগুলোই সার্চ রেজাল্ট এ প্রাধান্য দেয়, যারা নিয়মিত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গিগ শেয়ার করে।
নেতিবাচক রিভিউ, লেট ডেলিভারি ও অর্ডার ক্যান্সেল এড়িয়ে চলুন
যদিও এটি একটি সাধারন ব্যাপার মনে হতে পারে, কিন্তু অবশ্যই আপনাকে নেতিবাচক রিভিউ, লেট ডেলিভারি ও অর্ডার ক্যান্সেল এড়িয়ে চলতে হবে। যদি তা না হয় তাহলে ফাইবার সার্চ রেজাল্ট এ আপনার গিগ এর র্যাংক এবং সেলার লেভেল কমিয়ে দিবে।
বায়ারের সাথে স্বচ্ছ যোগাযোগের মাধ্যমে নেগেটিভ রিভিউ কমিয়ে আনতে পারেন। কাজ সম্পন্ন করার পূর্বে বায়ারকে অবশ্যই জানার কিছু বাকি থাকলে প্রশ্ন করে নিতে পারেন। কাজ ডেলিভারি দেয়ার সময় অবশ্যই ফাইভ ষ্টার রেটিং এর উপর গুরুত্ব দিতে হবে। যদি সম্ভব হয় তাহলে গিগ এ বর্ণিত অফারের চাইতে একটু বেশি কাজ করার চেষ্টা করবেন।

মনিটাইজেশন সম্পর্কে বিস্তারিতমনিটাইজেশন কি?:মনিটাইজেশন হলো এমন একটি পক্রিয়া যার মাধ্যমে নিজের ওয়েবসাইট বা ইউটিউব চ্যানেল...
31/10/2020

মনিটাইজেশন সম্পর্কে বিস্তারিত

মনিটাইজেশন কি?:
মনিটাইজেশন হলো এমন একটি পক্রিয়া যার মাধ্যমে নিজের ওয়েবসাইট বা ইউটিউব চ্যানেল দিয়ে আয় করা সম্ভব। Monetization শব্দটি এসেছে Monetize থেকে যার অর্থ হচ্ছে কোন এসেট বা বিজনেস থেকে অর্থ উপার্জন করা। মনিটাইজেশন হল এমন একটি প্রক্রিয়া যা একটি লিগ্যাল চুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়। ওয়েবসাইট বা ব্লগের মনিটাইজেশন এর জন্য ভালো ট্রাফিক থাকতে হবে। এককথায় বলতে গেলে, ওয়েবপেইজ, ব্লগে বা ইউটিউব ভিডিওতে বিজ্ঞাপন দেখানোর মাধ্যমে যে উপায়ে আরনিং করতে পারা যায় সেই উপায়কেই বলা হয় মনিটাইজেশন।
ইউটিউব ভিডিও প্লে করলে আমরা ভিডিওর আগে, পরে এবং মাঝখানে বিভিন্ন রকমের বিজ্ঞাপন দেখতে পাই। সেই বিজ্ঞাপন দাতা ইউটিউব এ টাকা দিয়ে বিজ্ঞাপন দেয়, তাদেরকে বলা হয় এডভারটাইজার (Advertizer) বা বিজ্ঞাপন দাতা। আর যার ভিডিওতে সেই বিজ্ঞাপন প্রদর্শিত হয় তাকে পাবলিশার বা কন্টেন্ট ক্রিয়েটর বলে। সেই বিজ্ঞাপনের বিভিন্ন বিড রেট, ভিউয়ার এর কান্ট্রি, ভিডিওতে ক্লিক এর সংখ্যা ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয়ের উপর ভিত্তি করে সেই বিজ্ঞাপন থেকে পাবলিশার বা কন্টেন্ট ক্রিয়েটর এর একাউন্টে টাকা জমা হয়। এটি প্রাথমিক ভাবে ইউটিউব একাউন্টে জমা হয় এবং মাসের শেষে Google Adsense একাউন্টে জমা করা হয়। সেখান থেকে পাবলিশার অর্থাৎ ইউটিউব চ্যানেলের মালিকের ব্যাংক একাউন্ট এ টাকা জমা হয়।

ইউটিউবে মনিটাইজেশন করা যায় কিভাবে?:
ইউটিউবে মনিটাইজেশন ঠিক এমনই একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে ভিডিও মনিটাইজ করে অর্থ উপার্জন করা যায়। মূলত ইউটিউব থেকে অর্থ উপার্জনের জন্য ইউটিউব মনিটাইজেশন ইনেবল করতে হয়। তবে শুরুতেই একাউন্ট খুলে চ্যানেলে মনিটাইজেশন অপশন পাওয়া যাবেনা। YouTube ভিডিওটি আপলোড করার পর পরই চাইলে ভিডিওটি গুগল বিজ্ঞাপনের জন্য এনাবেল করা যাবে। এজন্য YouTube একাউন্টটিকে AdSense একাউণ্টের সাথে কানেক্ট করতে হবে। এক্ষত্রে, AdSense একাউন্ট না থাকলে একটি একাউন্ট খুলে নিতে হবে আর YouTube এ Monetization অপশনটি এনাবেল করতে হবে। আর নতুন ইউটিউব একাউন্ট হলে মনিটাইজেশন অপশনটি পেতে হয়তো একটু অপেক্ষা করতে হবে। এরপর যেই ভিডিও আপলোড করা হোক না কেন, সেটি হতে হবে সম্পূর্ন নিজস্ব কাজ। ভিডিওটিতে প্রদর্শিত এ্যাড থেকে ইনকাম শুরু হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে ভিডিওটি যেন ইউনিক হয়। আর একটি কথা তাড়াতাড়ি মনিটাইজেশন ইনেবল করতে চাইলে চ্যানেলে ইউনিক ভিডিও আপলোড করতে হবে এবং সাবস্ক্রাইব বাড়াতে হবে আর এডসেন্স এর জন্য এপ্লাই করতে হবে।
মনিটাইজেশন এপ্লিকেশন এর নতুন শর্তগুলি কিকি?
চ্যানেল মনিটাইজ করার জন্য ইউটিউব তাদের নতুন আপডেটে ৪টি শর্ত দিয়েছে। প্রথমত, চ্যানেলে কমপক্ষে ১০,০০০ ভিউ হতে হবে, দ্বিতীয়ত, চ্যানেলে অবশ্যই ৪,০০০ ঘণ্টা Watch-Time থাকতে হবে, তৃতীয়ত, চ্যানেলে কমপক্ষে ১,০০০ Subscribers থাকতে হবে এবং ৪র্থ শর্ত হল অনেকটা এরকম যে উপরের ৩টি শর্ত অবশ্যই চ্যানেলটি খোলার ১ বছরের মধ্যে পূরণ করতে হবে। এ ৪টি শর্ত পূরণ না করা পর্যন্ত চ্যানেলটি মনিটাইজ করা যাবেনা। তাছাড়া যদি চ্যানেলটি খোলার ১ বছরের মধ্যে ১ম ৩টি শর্ত পূরণ করা না যায় তাহলে চ্যানেলটি আর কখনো মনিটাইজ করা যাবেনা।
ইউটিউব এ এ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট এপ্ররুভ করার প্রক্রিয়া:
Basic Steps:
১. প্রথমেই একটি Gmail Account লাগবে। সঠিক ইনফর্মেশন দিয়ে একটি Gmail Account তৈরি করতে হবে।
২. ইউটিউব.কম গেলে জিমেইল এর নামে একটি ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করতে হবে। এখন প্রথম কাজ শেষ।
এখন পরের কাজ হলো
Advance Steps:
১) Click On Your Avatar>Creator Studio>Channel>Advanced এ যেতে হবে। Country বাংলাদেশ থেকে ইউনাইটেড স্টেট্স এ পরিবর্তন করতে হবে।
২) Channel>Status and Features এ চ্যানেল ভেরিফাই করতে হবে।
৩) Enable Monetization. স্টেপসগুলো অবলম্বন করে Enable করতে হবে।
৪) ১৫ মিনিটের দীর্ঘ ভিডিও আপলোড করার জন্য Longer Videos Enable করে নিতে হবে।
৫) Channel>Monetization>How will be i get paid এ ক্লিক করতে হবে। স্টেপসগুলো অবলম্বন করতে হবে এবং সঠিকভাবে ব্যক্তিগত ইনফর্মেশন দিয়ে এ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে।
বিঃদ্রঃ এ্যাডসেন্স এ্যাপ্লাই করার আগে ২-৩টা Unique ভিডিও আপলোড করে নিলে এপ্ররুভ পেতে কোন সমস্যা হবে না।

মনিটাইজেশন পেতে কত গুলি ভিডিও আপলোড করতে হবে?:
একটি চ্যানেলে কতগুলি ভিডিও থাকলে মনিটাইজেশন পাওয়া যাবে এটার সঠিক কোন উত্তর দেয়া মুশকিল। তবে যেসব চ্যানেলে নিয়মিত বিরতিতে ভিডিও দিয়ে থাকেন তাদের চ্যানেলগুলি দ্রুত মনিটাইজেশন পায়। তার মানে এই না যে ৩ মাস পর পর একটি করে ভিডিও দিয়ে নিয়মিত বোঝানো হচ্ছে, বেস্ট প্র্যাকটিস হিসাবে সপ্তাহে একটি বা মাসে অন্তত দুইটি ভিডিও দিলে তাকে নিয়মিত ভিডিও আপলোড বলা যায়। অনেক চ্যানেল আছে যেগুলিতে ২০০/৩০০ ভিডিও কিন্তু কোন ভিডিওতেই তেমন ভিউ নেই সেইসব চ্যানেলে মনিটাইজেশন পাওয়া একটু ঝামেলার। এই সব ক্ষেত্রে ইউটিউব ধরে নেয় ভিডিওর তেমন ভ্যালু নেই বা তেমন ইমপ্যাক্ট ফুল না। আবার কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায়, অনেক চ্যানেলের ভিডিও অনেক দেরিতে রাংঙ্ক করে, তার মানে এই না যে সেটি ইউটিউব এর পছন্দ নয়।
সাধারণত একটি চ্যানেলে অন্তত ২০/৩০ টি ভিডিও থাকলে এবং অন্যান্য কন্ডিশন ফুলফিল করলে মনিটাইজেশন এর জন্য এপ্লাই করা যেতে পারে। অনেকেই ৫/৬ টি ভিডিও দিয়েই মনে করেন কন্ডিশন যেহেতু ফুলফিল করেছেন অতএব এপ্লাই করে দেই। ইউটিউব এখন প্রতিটা চ্যানেল ম্যানুয়াল রিভিউ করে আর এমন ক্ষেত্রে যিনি রিভিউ করবেন অনেক ক্ষেত্রেই বুঝে উঠতে পারেন না যে আসলে চ্যানেলটি কোন ক্যাটাগরির। কেননা আমরা অনেকেই আছি যারা এক চ্যানেলে ১০ রকমের ভিডিও দেই। তাই ইউটিউব যাতে সহজে ভিডিওর ক্যাটাগরি বুঝতে পারে সেজন্য প্রথম দিকে অবশ্যই চেষ্টা করা উচিৎ নির্দিষ্ট কোন ক্যাটাগরির ভিডিও তৈরি করা।
ফেইসবুক মনিটাইজেশন
ইউটিউব এ প্রতিটি ভিডিও দেখার সময় যে বিজ্ঞাপন দেখায়, ঠিক তেমনি করে ফেইসবুকেও ভিডিও দেখানোর সময় বিজ্ঞাপন দেখাবে। যার নাম হবে “ফেইসবুক ওয়াচ”।
“ফেইসবুক ওয়াচ” বিশ্বজুড়ে সবার জন্য ভিডিও সেবা ‘ওয়াচ’ চালু করেছে। যুক্তরাষ্ট্রে ইউটিউবকে টেক্কা দিতে এই ভিডিও সেবা নিয়ে এসেছিল ফেইসবুক। এতে ইউটিউবের মতো বিভিন্ন ভিডিও দেখা যাবে। ফেসবুকের স্বয়ংক্রিয় বিজ্ঞাপন সুবিধার মাধ্যমে ওয়াচ প্ল্যাটফর্ম থেকে বলার মতো মুনাফা করতে পারছেন ভিডিও প্রকাশকেরা। এখানে বিভিন্ন ফিচার শো করছেন তাঁরা।

আমাজান এফিলিয়েট মার্কেটিং করে ঘরে বসে উপার্জন করুনআমাজান এফিলিয়েট মার্কেটিং কি?আমাজান হচ্ছে অনলাইনে প্রোডাক্ট কেনাকাটা ক...
31/10/2020

আমাজান এফিলিয়েট মার্কেটিং করে ঘরে বসে উপার্জন করুন
আমাজান এফিলিয়েট মার্কেটিং কি?
আমাজান হচ্ছে অনলাইনে প্রোডাক্ট কেনাকাটা করার সবচেয়ে বড় মার্কেট। এখানে নিত্য প্রয়োজনীয় ছোট থেকে বড় সব ধরনের পন্য পাওয়া যায়। এফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে, অন্য কারো কোন প্রোডাক্ট নির্দিষ্ট কমিশনের উপর ভিত্তি করে বিক্রি করে দেওয়া। এফিলিয়েট মার্কের্টিংয়ের জন্য প্রচলিত অনেকগুলি মার্কেটপ্লেস থাকলেও আমাজান এফিলিয়েট মার্কটিংকেই পছন্দের তালিকায় প্রথম স্থানে রাখেন বেশিরভাগ মার্কেটার। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ই কমার্স সাইট আমাজান ডট কম। আমি যখন একজন এফিলিয়েট মার্কেটার, তখন অন্যের প্রোডাক্ট মার্কেটিং করে বিক্রি করিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে আমি কমিশন পাবো। অর্থাৎ, আমার কোন প্রোডাক্ট নেই, প্রোডাক্ট আরেকজনের। তার প্রোডাক্ট আমি সেল করে দিবো, তার বিনিময়ে সেই প্রোডাক্টের দামের একটা অংশ আমাকে দেওয়া হবে। অনলাইনে এটা খুবই পপুলার একটা সেলস স্ট্র্যাটেজি প্রডাক্টের বিক্রি বাড়ানোর জন্যে। আমাজানের সাইটে থাকা প্রডাক্টের বিক্রি বাড়ানোর জন্যে এমন একটা প্রোগ্রাম তৈরী করেছে; যেটার নাম আমাজান এ্যাসোসিয়েটস প্রোগ্রাম। আর প্রত্যেক এ্যাফিলিয়েট মার্কেটারকে আমাজান অ্যাসোসিয়েট বলা হয়। আমাজানের কোটি কোটি প্রোডাক্টের মধ্যে আমার পছন্দ অনুযায়ী প্রোডাক্ট প্রোমোট করবো, সেল করতে পারলে সেই প্রোডাক্টের দামের একটা নির্দিষ্ট অংশ পাবো। সেই অংশ কতো সেটা নির্ভর করে আমার বিক্রির পরিমাণের উপর। আমাজান হলো বিশ্বের প্রথম স্থান দখলকারী ই-কমার্স সাইট, যেখানে লক্ষাধিক পন্য দ্রাব্য ও সেবা সামগ্রী রয়েছে। মানুষের প্রতি দিনের ব্যবহারের সকল কিছুই এখানে পাওয়া যায়। বর্তমানে আমাজানে পাওয়া যায় না এমন কোন প্রোডাক্ট নাই। তাই সহজেই আমাজানের অসংখ্য পন্য থেকে সুবিধা অনুযায়ী পন্য নিয়ে কাজ করতে পারা যায়।
আমাজান এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে করা যায়?
সাধরনত আমাজান এফিলিয়েট মার্কেটিং এর জন্য তিনটি পথ আছে। যেমন:
১। নিশ সাইট তৈরি করে
২। আমাজান স্টোর তৈরি করে
৩। ইউটিউব ভিডিওর মাধ্যমে
নিচে প্রতেকটি মাধ্যম সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।
১। নিশ সাইটঃ
নিশ সাইট বলতে বুঝায়, আমাজানের যে কোন একটি প্রোডাক্ট নিয়ে তার উপরে সেই প্রোডাক্ট এর সকল তথ্য সম্বলিত একটি সাইট। যাহা আমাজানে ক্ষুদ্র একটি ক্যাটাগরির একটি প্রডাক্ট নিয়ে তৈরি করা হয়ে থাকে। উদাহরন স্বরূপ বলা যায়, কফি মেকার একটি নিশ। অর্থাৎ, হোম এন্ড গার্ডেন ক্যাটাগরি, কুকিং বিভাগের ছোট্ট একটি নিশ হলো, কফি মেকার। ঠিক এভাবেই প্রত্যেকটি পন্যের উপর আলাদা আলাদা ওয়েব সাইটকে নিশ সাইট বলে। আর এই সাইটের মধ্যে কফি মেকার সম্পর্কে যাবতীয় সকল তথ্য থাকবে। এভাবে আমি আমার নিশ সাইটে আমাজান প্রোডাক্ট এর লিংক দিয়ে প্রোডাক্ট সেল করতে পারবো। আর যদি একটু বড় ভাবে, মূল ক্যাটাগরি উপরে কোন সাইট তৈরি করে প্রাডাক্ট প্রমোট এর জন্য কাজ করা হয় তাকে, অথরেটি সাইট বলে। নিশ সাইট ও অথরেটি সাইটের কাজ এক’ই কিন্তু অথরেটি সাইটে অনেক প্রডাক্ট সম্পর্কে লেখা হয়। এটাকে মাল্টি নিশ ও বলা হয়। তবে প্রাথমিক অবস্থায় কারো মাল্টি নিশ নিয়ে কাজ করা উচিৎ নয়। কারণ, এই জাতীয় সাইট অনেক ব্যয় বহুল। এবং বহু আর্টিকেল পোস্ট করতে হয়। অন্যদিকে, অথরেটি সাইটের সুবিধাও আছে। যেমন নিশ সাইটের ক্ষেত্র যদি সাইট রেংকিং করানো সম্ভব না হয়, তবে সকল প্লানই ব্যার্থতায় পরিনত হয়। আর অথরিটি সাইটে কোন না কোন প্রাডাক্ট এর মাধ্যমে সাইট রেংকিং করানো সম্ভব হবেই।
২। আমাজানে স্টোর তৈরি করেঃ
আমাজান স্টোর বলতে বুঝায়, আমাজান থেকে প্রডাক্ট নিয়ে একটি ই-কমার্স সাইট তৈর করা। অর্থাৎ একটি দোকান তৈরি করা যেখানে আমাজানের প্রডাক্ট বিক্রয় করা হয়। অন্য সব ই-কামার্স সাইটের মত এখান থেকেও মানুষ প্রোডাক্ট ক্রয় করতে পারবে। শুধু পেমেন্ট এর জন্য তাকে আমাজানের পেমেন্ড অপশনে যেতে হবে। সহজে বলা যায়, ক্রেতা ক্রয়ের জন্য আমার সাইট থেকে পন্য সংগ্রহ করবে এবং পেমেন্ট পেইজটি হবে আমাজানের এর। পন্য বিক্রয় হলেই কমিশন পাওয়া যাবে। মূলত, এটি একটি ব্যয় বহুল মার্কেটিং প্রক্রিয়া। যাহা প্রাথমিক অবস্থায় কারো পক্ষে সুফল বয়ে আনে না। কারণ, আমাজান স্টোর এর জন্য পেইড ট্রাফিক নিয়ে কাজ করতে হয়। সুতারাং এই জাতীয় কাজ করতে হলে, তাকে পেইড ট্রাফিক এ কাজ করা দক্ষ মার্কেটার ছাড়া লাভ জনক হওয়া সম্ভব নয়।
৩। ইউটিউব ভিডিওর মাধ্যমেঃ
ইউটিউব হলো বর্তমান বিশ্বের সব থেকে জনপ্রিয় সোসাল মিডিয়া। যাহার মাধ্যমে যে কোন ব্যাক্তি তাদের ভিডিও শেয়ার করতে পারে। তাই, ইউটিউব ভিডিও এর মাধ্যমেও আমাজান এফিলিয়েট মার্কেটিং করা সম্ভব। এটা সাধারনত বাংলাদেশের মার্কেটারদের কাছে ততটা জনপ্রিয় না। তবে বিশ্বের অনেক দেশের লোকজন ইউটিউব ভিডিও এর মাধ্যমে মার্কেটিং করে আসছে। এটা বাংলাদেশে প্রধান্য না পাওয়ার কারণ হলো, ইউটিউব ভিডিও এর মাধ্যমে প্রডাক্ট প্রমোট করতে হবে সঠিক উচ্চারন সহ ভয়েজ দিয়ে কোয়ালিটি ফুল ভিডিও তৈরি করতে হয়। ভাল কোয়ালিটির ভিডিও তৈরি করতে না পারলে, ইউটিউব থেকে আমাজান এফিলিয়েট মার্কেটিং করা সম্ভব নয়।
আপনি কোন প্রক্রিয়ায় কাজ করবেন?
এক জন নতুন অনলাইন মার্কেটার হিসেবে কিংবা বাংলাদেশ প্রেক্ষাপটে, নিশ সাইট তৈরি করে আমজান এফিলিয়েট মার্কেটিং করাটাই সব থকে ভাল উপায়। বাংলাদেশে বিপুল সংখ্যক লোক নিশ সাইট তৈরি করেই কাজ করতেছে। সুতারাং একটি নিশ সাইট তৈরি করে, আমাজান এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করতে হবে। আর নিশ সাইট তৈর করা যেমন কম ব্যয়বহুল, তেমন রিস্ক কম থাকে।
আমাজান এফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য ১০ টি ধাপ:
১ম ধাপ: নিশ সিলেক্ট করা
২য় ধাপ: প্রতিযোগী সম্পর্কে ধারনা
৩য় ধাপ: ভাল মানের সঠিক ডোমেইন হোস্টিং নির্বাচন
৪র্থ ধাপ: সাইট ডিজাইন ও সেটআপ করা
৫ম ধাপ: এফিলিয়েট মার্কেটিং এর জন্য কতিপয় থীমের তালিকা
৬ষ্ঠ ধাপ: ভালো মানের কন্টেন্ট পাবলিশ করা
৭ম ধাপ: অনপেজ অপটিমাইজেশন/ এসইও ডেভেলপ করা
৮ম ধাপ: সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং
৯ম ধাপ: ভালো মানের লিঙ্ক বিল্ডিং করা
১০ম ধাপ: কাঙ্ক্ষিত কনভার্সন রেট যাচাই করা
১ম ধাপ: নিশ সিলেক্ট করা
নিশ সাইট থেকে আয়ের জন্য আমাজান সাইটটি ভালোভাবে দেখতে হবে এবং লাভজনক নিশ বাছাই করতে হবে। আমাজান সাইটটিতে রয়েছে হাজারও ধরনের প্রোডাক্ট। সেগুলো থেকে দেখে ঠিক করতে হবে কোন ধরনের প্রোডাক্ট নিয়ে কাজে নামতে হবে। প্রোডাক্ট সিলেক্ট করার সময় সেটার রিভিউ দেখে বুঝতে হবে মার্কেটে পণ্যটির বর্তমান অবস্থা কেমন বা চাহিদা কেমন রয়েছে সেটা যাচাই করতে হবে। আমাজন নিশ সাইটের জন্য কী-ওয়ার্ড সিলেক্ট করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ, কারণ কী-ওয়ার্ড ভুল হলে নিশ সাইট থেকে কোনো কমিশন আসবেনা। কী-ওয়ার্ড সঠিকভাবে সিলেক্ট করে নিশ সাইটটিকে অপ্টিমাইজ করলে নিশ সাইটটি রাঙ্কিং এ চলে আসবে।
কাজের শুরুতেই আমাজনের বেস্ট সেলিং প্রোডাক্টগুলো দেখতে হবে। কী-ওয়ার্ড সিলেক্ট করার জন্য টুলস হিসেবে গুগল কী-ওয়ার্ড প্লানার, কী-ওয়ার্ড রিভিলার বা লংটেইল প্রোপাটিনাম ব্যবহার করা যায়। প্রডাক্ট নিবাচনের সময় নিম্নোলিখিত বিষয় খেয়াল করতে হবে:
১। মেইন নিশ/ কি-ওয়ার্ড এর সাথে মিল রেখে পণ্যের ক্যাটাগরি নির্বাচন করা।
২। নিশ এর জন্য পণ্য বাছাই করা।
৩। পণ্যের রিভিউ
৪। পণ্যের চাহিদা
৫। বিক্রির উপর কমিশন
যেভাবে কি-ওয়ার্ড গুলো নির্বাচন করা যায়:
Product Name/Keyword + Review
Product Name/Keyword + Reviews
Best + Product Name/Keyword
Cheap + Product Name/Keyword
যে ক্যাটাগরির প্রডাক্ট নিয়ে কাজ করা হবে সেটার সাথে মিল রেখে কি-ওয়ার্ড নির্বাচন করতে হবে। অন্য কি-ওয়ার্ড দিয়েও নিশ সাইটটিকে টপে নিয়ে আসা যাবে কিন্ত প্রাপ্ত ট্রাফিক কোন কাজে আসবে না।
নিশ সাইটের ধারনা নেয়ার জন্য আমাজনের হাজারো প্রডাক্ট রিভিউ পড়তে হবে। এভাবে লাভজনক নিশ প্রডাক্ট নিয়ে কাজ শুরু করা যাবে। তবে একটা বিষয় মাথায় রাখতে হবে যেন প্রডাক্টের বেশ কিছু রিভিউ থাকে এবং দাম যেন বেশি হয়। যে ধরনের প্রডাক্ট নির্বাচন করা হবে তার সাথে কিছু আনুসঙ্গিক প্রডাক্টও রাখা যেতে পারে। ফ্যাশন বিষয়ে নিশ সাইট নিলে সেখানে ম্যান, ওমেন এর ড্রেস রাখা এবং তার পাশাপাশি আনুষঙ্গিক প্রডাক্ট হিসেবে জুতার আইটেমও রাখা যেতে পারে। কি-ওয়ার্ড সিলেক্ট করার জন্য টুলস হিসেবে গুগল এডওয়ার্ডস বা লংটেইল প্রো প্লাটিনাম ব্যবহার করা যায়।
২য় ধাপ: প্রতিযোগী সম্পর্কে ধারনা
প্রতিযোগীদের সম্পর্কে জানতে হবে। কী-ওয়ার্ডটি সিলেক্ট করার পরে পুরো মার্কেট যাচাই করতে হবে ও প্রতিযোগী সম্পর্কে সম্যক ধারণা নিতে হবে। একটা নিশ সাইটের জন্য সাধারণত:
(১) সার্চ ভলিউম ১০০০ থেকে ৪০০০ থাকতে হয়।
(২) কী-ওয়ার্ড কম্পিটিশন নিশ্চিতভাবে ৩০-এর নিচে হতে হবে। (KC = Page Authority (PA) +/- Page Title Factor +/- Keywords in Domain Factor +/- Domain Length)
(৩) প্রোডাক্টটির মূল্যও ১০০ ডলালের বেশি হতে হবে।
(৪) কোন বিশেষ সময় সিজনকে ধরে কী ওয়ার্ড না নেয়া
(৫) এমন কোন প্রোডাক্ট নিতে হবে যা বছরের পর বছর ব্যবহার হয়
কোন প্রডাক্ট কিনতে সাধারণত মানুষ যেভাবে সার্চ করে :
Best/Top Rate + Product Name
Cheap + Product Name
Quality + Product Name
Product Name + For Sale
Product Name + Review/Reviews
Product Name + Coupon
Where Can I Buy + Product Name
Buy + Product Name
Best + Product Name + Review
Best + Product Name + Online
Best + Product Name + Year
VS/ Or/ Compare to + Product Name
তাই Best + Product type কি-ওয়ার্ডটা নিশ সাইটের প্রধান কীওয়ার্ড হিসেবে নেয়া বেশি যুক্তিযুক্ত।
৩য় ধাপ: ভাল মানের সঠিক ডোমেইন হোস্টিং নির্বাচন
সঠিক ডোমেইন হোস্টিং যাচাই করতে হবে। কী-ওয়ার্ড সিলেক্ট হয়ে গেলে ডোমেইন এবং হোস্টিং নিতে হবে। Godaddy, Namecheap, Bluehost থেকে ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করা যেতে পারে। হোস্টিংটি যেন স্লো না হয়, লোডিং স্পিডটা ফাস্ট হওয়া খুব বেশি জরুরি। ডোমেইন কেনার সময় লক্ষ্য রাখতে হবে কীওয়ার্ড যেন এক না হয়। এটাকে এক্সাক্ট ম্যাচ ডোমেইন বলা হয়। এক্সাক্ট ম্যাচ ডোমেইন আগের মত আর শক্ত অবস্থানে নেই, এক্সাক্ট ম্যাচ ডোমেইন বা লঙ টেইল কীওয়ার্ড নিলে গুগল থেকে পেনাল্টি খাওয়ার সুযোগ থাকে। তাই আনুষঙ্গিক প্রোডাক্ট বা আংশিক ম্যাচ ডোমেইন নেয়া ভালো। অর্থাৎ কীওয়ার্ডের সাথে আংশিক মেলে এরকম কিছু। যেমন, কী ওয়ার্ড যদি হয় best juicer machine আর সাইটের নাম যদি হয় bestjuciermachine dot com এটা খুব একটা যুতসই কীওয়ার্ড হবে না। তার চেয়ে বরং এভাবে নেওয়া যায় efficientjucinginfo dot com। খেয়াল রাখতে হবে সাইটের নামটা যেন খুব রিসোর্সফুল হয়। ডোমেইন এক্সটেনশন dot com নেয়াই ভালো কেননা ভিসিটররা সহজে এটা মনে রাখতে পারে। দুই কারণে লোডিং স্পিড ফাস্ট হওয়া খুব জরুরি
(১) সাইটকে রাংক (Rank) করাতে হলে লোডিং স্পিড ভালো হতে হবে।
(২) যদি সাইটের লোডিং স্পিড স্লো হয়, মানুষ এফিলিয়েট সাইট থেকে আমাজান সাইটে যাবে না। অর্থাৎ সে আমাজান সাইট থেকে কোন প্রডাক্ট কিনবে না। Hostgator বা bluehost থেকে হোস্টিং নিলে দাম তুলনামূলক কম এবং ওয়ার্ডপ্রেসের মতো SEO user friendly সাইট।
৪র্থ ধাপ: সাইট ডিজাইন ও সেটআপ করা
সম্পূর্ণ সাইট সেটআপ করতে হবে এবং সাইটের কন্টেন্ট, থিম, প্লাগিন ঠিক করতে হবে। আমাজান এফিলিয়েশনের জন্য ওয়ার্ডপ্রেস একটা বড় প্লাটফর্ম। এর কারন হচ্ছে:
১। Fast, Dynamic & Simple
২। Flexible for Content Managements
৩। No Big investment for setup
৪। Featured with Theme, plugin, add-ons
থিমের জন্য themeforest, mafiashare, envanto, AuthorityAzon, FocusBlog theme থেকে সুন্দর থিম নিতে হবে। থিম নির্বাচনের ক্ষেত্রে নিচের বৈশিষ্ট্যগুলো আছে কিনা দেখে নিতে হবে-
১। Beautiful looking
২। Super Fast Loading Speed
৩। Mobile and Desktop user friendly
৪। WordPress Plugins For Niche Site
৫। High Quality Contents in Googles Eye
৫ম ধাপ: এফিলিয়েট মার্কেটিং এর জন্য কতিপয় থীমের তালিকা
এফিলিয়েট মার্কেটিং এ নিস সাইট বানানোর জন্য প্রিমিয়াম থীম ব্যাবহার করা উচিত। তবে অবশ্যই কিনে, তা না হলে পরে কপিরাইট জটিলতা, ম্যালয়ার এট্যাক, এড ওয়্যার এর বিড়ম্বনায় ফেলতে পারে পাইরেটেট থিম। আবার ফ্রি থীমে না যাওয়ায় ভালো, কেননা থীম আপডেট নাও হতে পারে। ওয়ার্ডপ্রেস ভার্শন আপডেট হবার পাশাপাশি থিম আপডেট করা লাগে। নয়তো সাইট স্পামার-হ্যকাররা সমস্যায় ফেলবে। তাই প্রিমিয়াম থিম ইউজ করা ভালো।
পেইড থিম তালিকা
১) অথরিটি এজন > www.authorityazon dot com/
২) সাইফা > http://themeforest.net/item/sahifa-…
৩) হুররে > http://themeforest.net/item/hooray-…
৪) ইনফোকাস বাই থ্রাইভথিম > https://thrivethemes dot com/themes/foc…
৫) Pick Blog : https://themeforest.net/item/pick-a…
৬) Rupsha : http://preview.themeforest.net/item…
ফ্রি থিম তালিকা
১) http:// www.themelab dot com /themes/ slipstream/
২) https:// wordpress.org/ themes/ sparkling/
৩) https:// wordpress.org/ themes/hueman/
৪) https:// wordpress.org/ themes/ignite/
৬ষ্ঠ ধাপ: ভালো মানের কন্টেন্ট পাবলিশ করা
ভালো মানের কন্টেন্ট পাবলিশ করতে হবে। নিজে কনটেন্ট লিখতে পারলে খুব ভালো আর না পারলে কনটেন্ট প্রোভাইডার থেকে লেখা নিতে হবে। সাধারণত নিশ সাইটের জন্য নিম্নোলিখিত কনটেন্টগুলো হলেই হবে:
একটি মেইন আর্টিক্যাল : ২০০০ থেকে ৩০০০ শব্দের।
রিভিউ আর্টিক্যাল : ১০ থেকে ১৫টি, প্রতিটি ৮০০ থেকে ১২০০ শব্দের।
ইনফরমেটিভ আর্টিক্যাল : ৭ থেকে ১০টি, প্রতিটি ৫০০ থেকে ১২০০ শব্দের।
মোটামুটি এই কয়েকটি আর্টিক্যাল হলেই যথেষ্ট। মানুষ কি লিখে গুগলে সার্চ করে তা বুঝার চেষ্টা করতে হবে। এজন্য প্রডাক্ট রিভিউ ছাড়াও আনুসঙ্গিক কনটেন্ট লিখতে হবে। এজন্য
১) প্রডাক্ট রিভিউ লিখতে হবে এইভাবে Top (product) for (Target Clients)
২) বায়িং গাইড বা ম্যানুয়াল
৩) লেখার মান এমন হবে যেন রিডার/পাঠক আমাজনের সাইটে ড্রাইভ করে
৪) প্রতিযোগীদের লেখা দেখে তার চেয়ে ভাল মানের লেখা লিখতে হবে
৫) প্রডাক্টের সামারি, কাস্টমার ফিডব্যাক, প্রডাক্ট কম্পারিজন, প্রডাক্ট এক্সপেরিয়েন্স কনটেন্ট বা আর্টিকেল লেখার জন্য Smallseotools, Duplicheker, Grammarly dot com, Readability test, Headline checker tools সমূহ ব্যবহার করা যায়। বিশ্বখ্যাত ডিজিটাল মার্কেটার Neil Patel এর মতে, কোন লেখার ৫০% মার্কেটিং বা আকৃষ্ট করার জন্য শিরোনাম আকর্ষণীয় হওয়া জরুরি। কী-ওয়ার্ড দিয়ে লেখা শুরু করতে হবে এটাও SEO friendly হওয়ার একটা অংশ।
৭ম ধাপ: অনপেজ অপটিমাইজেশন/ এসইও ডেভেলপ করা
অন-পেজ অপটিমাইজেশন করতে হবে। একটা পেইজকে রাঙ্কিং করানোর জন্য দুই শতাধিক এর অধিক গুগল ফ্যাক্টর রয়েছে। গুগলের একটি SEO টুলস Moz এর মতে, কোন পেইজের On Page SEO factors হল ৭০%। Meta Tag, Meta description, Url Links , H1-H3 title, robot.x, Alt -Tag , Image এসব বিষয়ই ঠিক করতে হবে। প্রত্যেক কনটেন্টে অবশ্যই High Resolution ইমেজ হতে হবে। আমাজান সাইট থেকে কমিশন নেয়ার জন্য সেটা যেন অবশ্যই আমাজান প্রডাক্টের লিঙ্ক ব্যাক হয়।
৮ম ধাপ: সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং
সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং হলো নিশ প্রোডাক্টের প্রচার ও প্রসারের জন্য সবচেয়ে সহজ মিডিয়া। ভিজিটরদের খুব সহজেই নিশ সাইটে ড্রাইভ করানো যায় এ্যাডভারটাইজ বা ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে। এ্যাডভারটাইজ মাধ্যমে খুব সহজে ভিজিটরদের কাছে নিশ প্রোডাক্টটি সেল করা যায়। ফেসবুক আর টুইটার নিশ সাইট মার্কেটিং করার জন্য সবচেয়ে বড় দুটি মিডিয়া যা একসঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়া ও সার্চ ইঞ্জিনের উপরে খুব ভালো প্রভাব ফেলে। ফেসবুকে small fb tools ব্যবহার করে টার্গেটেড গ্রূপকে বের করে মার্কেটিং করা যায়। যারা গ্রাফিক্সের কাজ জানেননা তাদের জন্য http://www.canva dot com ওয়েবসাইটে গিয়ে info graphic image design করে নিশ প্রোডাক্ট এর মার্কেটিং করা ও Twitter এর # tag ব্যবহার করে টার্গেটেড ফলোয়ার বাড়ানো যায়। এছাড়া Google Plus ও Pinterest business পেজ বানিয়ে নিশ প্রডাক্ট এর পোস্ট করা যায়। ভিডিও সাইট যেমন, ইউটিউবে চ্যানেল তৈরি করে নিশ প্রডাক্ট এর আপডেট দেয়া ও ভিডিও মার্কেটিং করা যায় এবং Subscriber অপশন থেকে ভিউয়ার বাড়ানো যায়।
৯ম ধাপ: ভালো মানের লিঙ্ক বিল্ডিং করা
ভালো মানের লিঙ্ক বিল্ডিং করতে হবে। ভালো মানের লিঙ্ক গুগল সহজে রাঙ্কিং করে। এক কথায় যে নিশ সাইটের যত লিঙ্ক থাকবে গুগল সেটার সার্চ রেজাল্টে বেশি দেখাবে। এখন যদি কেউ নিশ প্রোডাক্ট লিখে সার্চ দেয় তাহলে ওই সাইট সে দেখবে যদি ভালো মানের ব্যাক লিঙ্ক থাকে। যখন অন্য সাইটের সঙ্গে এই সাইটের লিঙ্ক থাকবে সেটাকে গুগল অথরিটি দিবে যা নিশ সাইট রাঙ্কিং করতে সহযোগিতা করবে। গুগলের ৬৫% রাঙ্কিং ফ্যাক্টরস ব্যাক লিঙ্ক এর সাথে সম্পর্কিত। ভাল মানের লিঙ্ক বিল্ডিং করতে হলে নিচের সাইট গুলোতে লিঙ্ক করতে হবে:
Web 2.0 Sites
Article Directories
Social Media Sites
Social Bookmarking sites
Q&A Sites
Quality Web Directories
Forum posts in niche specific forums
Photo sharing sites
Infographic creation and distribution
Guest Posts
Blog outreach
Resource page link building
১০ম ধাপ: কাঙ্ক্ষিত কনভার্সন রেট যাচাই করা
কাঙ্ক্ষিত কনভার্সন রেট হল, আমার সাইটের ভিজিটর কি পরিমাণ আমাজান সাইট থেকে প্রডাক্ট কিনছে তার রেট। আমার সাইট এর মাধ্যমে যত সেল হবে অর্থাৎ ভিজিটররা যত প্রডাক্ট কিনবে আমি তত কমিশন পাবো। আমার নিশ সাইটে ভিজিটর আসছে কিন্তু যতক্ষণ না সে আমাজান থেকে কোন প্রোডাক্ট কিনছে ততক্ষনে আমি কোন কমিশন পাবো না। তাই আমাজান এফিলিয়েট লিংক ক্লিক করে আমাজান সাইট থেকে প্রডাক্ট কেনানোর জন্য কিছু জিনিস অনুসরণ করতে হবে। যেমন:
১) প্রডাক্ট রিভিউ এর শুরুতে বা শেষে call to action button in the “above the fold section” যোগ করতে হবে।
২) কন্টেন্ট এর মধ্যে Colored information box যোগ করতে হবে।
৩) প্রডাক্ট এর ইমেজ যেন ভালো মানের হয় সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে।
৪) Nice Looking Amazon Niche Site Conversion যোগ করতে হবে।
৫) সাইট এর আউটলুক চেঞ্জ করা
৬) sniply dot com এর মত পাওয়ারফুল সাইট attention গ্রাব করার জন্য ব্যবহার করা
৮) নিশ সাইট অনুসারে আপডেট SEOকন্টেন্ট
৯) Intensive পেইজ লিঙ্ক বিল্ডিং করা
১০) ইমেইল মার্কেটিং করা
এছাড়া আমার এই নিশ সাইট পেইজে মানুষকে সাইন-আপ করার কথা বলতে হবে। আকর্ষণীয় কোন অফার রাখতে হবে যাতে মানুষ সাইন-আপ করে, একে ইস্কুইযি পেজ (Squeeze Page) বলে। যাতে ‘Subscribe’ বাটন থাকে, ইস্কুইযি পেজে ভিসিটরকে কোন অফারের মাধ্যমে উদবুদ্ধ করতে হবে। ভিসিটরকে উৎসাহিত করার জন্য বিভিন্ন ইনসেন্টিভ রাখতে হবে। যেমন, অসাম প্রোডাক্ট, এক্সকুলুসিভ ভিডিও, Read before you buy … ইত্যাদি। ভিসিটর কে জানিয়ে দেয়া কি কারণে সে প্রডাক্টটা কিনবে যেমন:
Why Should you learn before buying ….
10 Amazing features of ….product is here.
How nice to have this product ….
প্রডাক্ট এর ইমেজগুলি অফারের সাথে দেয়া যেতে পারে।
এই নিশ সাইটের অফারের জন্য ইমেইল প্রভাইড করে সাইন আপ করিয়ে অটোরেস্পন্ডারের মাধ্যমে সেই ই-মেইল আইডি নেয়া যায়। এই নিশ সাইটের জন্য একটি অটোরেস্পন্ডার কোম্পানির সাথে যোগাযোগ করতে হবে। যেমন :
MailChimp
GetResponse
AWeber
Fluttermail
উপরোক্ত বিষয় গুলি অনুসরন করে আমাজান এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করা হলে সফল হওয়া যাবে।

গুগল এ্যাডসেন্স এর মাধ্যমে ঘরে বসে আয় করুনগুগল এডসেন্স কিগুগল এ্যাডসেন্স হলো বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় এ্যাডভারটাইজিং মাধ্য...
31/10/2020

গুগল এ্যাডসেন্স এর মাধ্যমে ঘরে বসে আয় করুন
গুগল এডসেন্স কি
গুগল এ্যাডসেন্স হলো বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় এ্যাডভারটাইজিং মাধ্যম, যার মাধ্যমে ওয়েবসাইটে গুগলের বিজ্ঞাপন দিয়ে টাকা ইনকাম করা যায়। এ্যাডসেন্স গুগল এর একটি প্রতিষ্ঠান, গুগল এ্যাডসেন্স অনলাইন ভিত্তিক বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন দাতা সংস্থা। সহজ ভাষায় এ্যাডসেন্স হচ্ছে ব্লগ বা ওয়েবসাইট থেকে টাকা ইনকাম করার জন্য সব চেয়ে ভাল মাধ্যম। যদি একটি ভাল মানের ব্লগ বা ওয়েবসাইট থাকে তাহলে খুব সহজেই শত শত ডলার ইনকাম করা যায় এ্যাডসেন্স এর মাধ্যমে। গুগল এ্যাডসেন্স হল সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট গুগলের একটা সার্ভিস। এটার মাধ্যমে গুগল ব্লগারদের ব্লগে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে এবং তার বিনিময়ে ব্লগারদেরকে টাকা দেয়। ব্লগ থেকে ইনকামের এটাই সবচেয়ে বড় এবং বহুল ব্যাবহৃত উপায়। এ্যাডসেন্স হল বিশ্ব বিখ্যাত গুগলের একটি এডভারটাইজিং এজেন্সি। বিভিন্ন পন্যের/সেবার প্রচার ও বিক্রয়ের জন্য বিভিন্ন ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠান এই এ্যাডসেন্স এর নিকট চুক্তিবদ্ধ। তারা তাদের পন্য/সেবার প্রচার ও বিক্রয়ের জন্য এ্যাডসেন্সকে অর্থ প্রদান করে। এ্যাডসেন্স তাদের পন্য/সেবার বিজ্ঞাপন বিভিন্ন ওয়েবসাইটে প্রচার করে। এই প্রচার বাবদ এ্যাডসেন্স কর্তৃপক্ষ তার প্রাপ্য অর্থে একটি অংশ ওয়েবসাইটের মালিক গনকে প্রদান করে। গুগল এ্যাডসেন্স গুগল কোম্পানির একটি এ্যাড ইউনিট। সহজ ভাষায় বললে, আপনার যদি একটি ওয়েবসাইট বা ইউটিউব ভিডিও থাকে, আপনি গুগল কে বলতে পারেন যে আমার এই ওয়েবসাইট বা ভিডিও আছে, আমি এ্যাড দিতে চাই। তখন গুগল আপনার ওয়েবসাইট বা ভিডিওর সাথে এমন কিছু এ্যাড দিবে যেগুলো বসানোর পরে মানুষ যখন ক্লিক করবে বা দেখবে, সেই সমায় থেকে এ্যাডসেন্স এর মাধ্যমে গুগল থেকে আয় শুরু হবে এবং গুগল আপনাকে টাকা দেবে। গুগল এই টাকা টা নেয় এ্যাড গুলোর আসল মালিক বিভিন্ন কোম্পানির কাছ থেকে। গুগল এ্যাডসেন্স এর শর্ত পূরণ করে এমন যে কোনও ওয়েবসাইটের সাথে যে কেউ এ্যাডসেন্স প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করতে পারে। গুগল এ্যাডসেন্স ডেস্কটপ, ওয়েবসাইট, ভিডিও, গেমস, মোবাইল অ্যাপস এবং আরও অনেক কিছুর জন্য উন্মুক্ত। গুগল এ্যাডসেন্স আসলে গুগলের একটি এ্যাড নেটওয়ার্ক যারা প্রকাশক এবং বিজ্ঞাপনদাতাদের মাঝে তৃতীয় পক্ষ হিসেবে কাজ করে।
এডসেন্স কয় ধরণের?
এ্যাডসেন্স একাউন্ট ২ ধরনের। একটি হচ্ছে হোস্টেড একাউন্ট আরেকটি হচ্ছে নন-হোস্টেড একাউন্ট। হোস্টেড একাউন্ট হচ্ছে ইউটিউব এবং ব্লগস্পট ব্লগ এর জন্য। এই একাউন্ট এর এ্যাড ওয়েবসাইটে ব্যবহার করা যাবে না। আর নন-হোস্টেড একাউন্ট হচ্ছে এর এ্যাড ওয়েবসাইট, এপস যে কোন কিছুতে ব্যবহার করা যাবে।
গুগোল এ্যাডসেন্স একাউন্ট তৈরী
এ্যাডসেন্স একাউন্ট তৈরী করার জন্য একটি জিমেইল একাউন্ট থাকতে হবে। এ্যাডসেন্স রেজিষ্ট্রেশনের জন্য তাদের ওয়েবসাইটে https://www.google.com/adsense/start/ # যেতে হবে। তারপর এখানে গিয়ে সাইন আপ নাউ এ ক্লিক করে নিজের নাম, ঠিকানা, ওয়েবসাইটের পরিচিতি দিতে হবে। এরপরে ওয়েবসাইট লিংক অথবা ইউটিউব চ্যানেল লিংক দিতে হবে এবং ইমেইল দিয়ে ইয়েস সিলেক্ট করে সেভ এন্ড কন্টিনিউ তে ক্লিক করে পরের স্টেপ এ যেতে হবে। আপনার নাম এবং ব্যাংক একাউন্ট নাম সেম (একই) হতে হবে। এই নাম ব্যবহার করে আপনার বাসার ঠিকানা দিয়ে সাইনআপ কমপ্লিট করতে হবে। ঠিকানাটা খুব সতর্কতারসহিত দিতে হবে কারণ এই ঠিকানায় আপনাকে পিন পাঠাবে ভেরিফাই করার জন্য। এভাবেই এ্যাডসেন্স একাউন্ট খুলতে হয়।
এরপর আপনার ওয়েবসাইট অথবা চ্যানেল রিভিউ করবে এবং সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এপ্রুভ করে ফেলবে। আর এপ্রুভ করলেই আপনি আপনার ওয়েবসাইট/ব্লগ/চ্যানেল এ বিজ্ঞাপন দেখাতে পারবেন।
কিকি উপায়ে এ্যাডসেন্স থেকে আয় করা যায়?
ব্লগ/ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে:
এ্যাডসেন্স থেকে ইনকাম করার অন্যতম একটি উপায় হচ্ছে ব্লগ/ওয়েবসাইট। এই জন্য একটি মানসম্মত ওয়েবসাইট থাকতে হবে। ওয়েবসাইটে গুগল পলিসি অনুসরণ করে কনটেন্ট/পোস্ট থাকতে হবে। ওয়েবসাইটটি সুন্দরভাবে সাজানো গুছানো থাকতে হবে। নিম্নোলিখিত বিষয়গুলো অনুসরন করলে সহজেই এ্যাডসেন্স এর জন্য একাউন্ট পাওয়া যাবে।
অবশ্যই ভাল কোয়ালিটির ২৫-৩০ টি পোস্ট থাকতে হবে, পোস্টগুলো ক্যাটাগরি অনুযায়ী সাজানো থাকতে হবে।
এই ওয়েবসাইটে অন্য কোন কোম্পানীর এ্যাড থাকা যাবে না এবং একাউন্ট পাওয়ার পর অন্য কোম্পানীর এ্যাড ব্যবহার করা যাবেনা।
সম্পুর্ণ নিজের ইউনিক আর্টিকেল থাকতে হবে কপি পেস্ট হলে চলবে না।
একটি টপ লেভেল ডোমেইন (.com, .net, .org) থাকতে হবে, ফ্রী সাইট হলে হবে না।
এডাল্ট কনটেন্ট, কপিরাইট কনটেন্ট, হ্যাকিং কনটেন্ট, ক্রাইম, ইলিগ্যাল ড্রাগ রিলেটেড কনটেন্ট থাকা যাবে না।
ডোমেইন এর বয়স কমপক্ষে ৩-৪ মাস হলে ভাল, তবে অনেকে এর কম সময় দিয়েও অনুমোদন পাচ্ছে।
এগুলো মেনে এপ্লাই করলে ওয়েবসাইটটি এ্যাডসেন্স কতৃপক্ষ এপ্রুভ করবে। তারপর বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে ইনকাম করা যবে। কিন্তু কোন কারণে যদি ওয়েবসাইটি এপ্রুভ না করে তাহলে এডসেন্স এর বিকল্প এ্যাড নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা যেতে পারে।
ইউটিউব ভিডিও এর মাধ্যমে
এ্যাডসেন্স থেকে টাকা আয় করার আরেকটি উপায় হল ইউটিউব ভিডিও। যদি ব্লগিং ভাল না লাগে অথবা ওয়েবসাইট ম্যানেজমেন্ট না পারা গেলে ইউটিউব ভিডিও নিয়ে কাজ করা যেতে পারে। এজন্য একটি ইউটিউব চ্যানেল থাকা লাগবে এবং সেখানে ভাল ভাল কনটেন্ট থাকাতে হবে। কারণ ভাল কনটেন্ট না থাকলে ভাল ভিউ পাওয়া যাবে না, আর ভিউ না পেলে ইনকাম ও হবেনা। ইউটিউব ভিডিও থেকে ইনকাম করতে হলে নিচের বিষয়গুলো জানা জরুরী।
চ্যানেলটি সাজানো গোছানো থাকতে হবে, যেন প্রফেশনাল আউটলুক দেখা যায়।
ভাল ভাল ভিডিও থাকতে হবে যেগুলো দর্শকরা দেখবে এবং পছন্দ করবে।
ভিডিওগুলো ইউনিক অর্থাৎ নিজের তৈরী করা হতে হবে কপি করা যাবে না। কপি করলে ইউটিউব চ্যানেল ব্যান করে দিবে।
এ্যাডসেন্স পাওয়ার জন্য চ্যানেল এর মোট ভিউ ১০,০০০ হতে হবে।
এন্ড্রয়েড এপস এর মাধ্যমে
এন্ড্রয়েড এপস এর মাধ্যমে আয় করতে চাইলে প্রথমে একটি ওয়েবসাইট দিয়ে এ্যাডসেন্স একাউন্ট এপ্রুভ করিয়ে নিতে হবে। এপ্রুভ হওয়ার পর এপস এ গুগল এর বিজ্ঞাপন দেখানো যাবে। এপস থেকে ইনকাম করার জন্য নিম্নোলিখিত বিষয়গুলি অনুসরন করতে হবে।
ভাল মানের একটি এপস বানাতে হবে যেন ইউজাররা এটা বেশি বেশি ব্যবহার করে।
ইলিগ্যাল কোন কাজের জন্য এপস বানানো যাবেনা, বানালে এ্যাডসেন্স থেকে একাউন্ট ব্যান করে দিবে।
এপস বানানোর পর প্লেস্টোর এ আপলোড দিতে হবে।
আপলোড দেয়ার পর মার্কেটিং করতে হবে যেন মানুষ এপসটি ব্যবহার করে কারণ যত বেশি ইউজার হবে ইনকাম তত ভাল হবে।
বাংলা ওয়েবসাইটে এ্যাডসেন্স এ এ্যাড দেখানো যায় কিনা?
গুগল এখন বাংলা সাইটে এ্যাডসেন্স এর এ্যাড দেখানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বাংলা কনটেন্ট এর Publisher এর জন্য এ্যাডসেন্স একটি সহজ পদ্ধতি দিচ্ছে এবং Advertiser দেরও সহজে বাংলা ভাষার দর্শকদের কাছে Relavent এ্যাড এর মাধ্যমে পৌছানোর সুযোগ করে দিচ্ছে। পৃথিবীর মোট ৪১ টি ভাষা এ্যাডসেন্স সাপোর্ট করে। এতদিন এই তালিকায় বাংলা ভাষা ছিলনা, অবশেষে এই তালিকায় বাংলা ভাষাও যুক্ত হয়েছে। যাই হোক এখন থেকে বাংলা সাইটের প্রকাশকদের আর এ্যাডসেন্স এর বিকল্প খুজতে হবে না বা অবৈধভাবে কিভাবে এ্যাডসেন্স ব্যবহার করা যায় সেটা শিখতে হবে না। পুরোপুরি বৈধভাবেই ব্যবহার করা যাবে। বাংলা ভাষার ওয়েবসাইট এর ক্ষেত্রে একটু বেশি এডভান্স হতে হবে। কারন বাংলায় ভালো CPC কিওয়ার্ড পাওয়া কষ্টসাধ্য। বাংলায় ওয়েবসাইট হলে অবশ্যই সোশ্যাল মিডিয়াতে ব্যাপক শক্তিশালী হতে হবে।
এ্যাডসেন্স একাউন্ট এপ্রুভ/ অনুমোদন হওয়ার প্রধান শর্ত সমুহঃ
ব্লগের অবশ্যই একটি কাষ্টম ডোমেইন নেম থাকতে হবে যেমন গুগল ডট কম। অনেকেই দেখা যায় যে ব্লগার বা ওয়ার্ডপ্রেসে একটা ব্লগ করে বা একটা ফ্রি ডোমেইন নিয়ে ফ্রী হোস্টিং এ হোস্ট করে এ্যাডসেন্স এর জন্য আবেদন করেন। এ অবস্থায় একাউন্ট অনুমোদন না পাওয়ার সম্ভাবনা ৯৯%।
ব্লগ বা ওয়েবসাইট নুন্যতম ৬ মাস পুরনো হতে হবে। ব্যাতিক্রম হতে পারে যদি ওয়েবসাইট ক্যাটেগরি একক হয় এবং সুন্দর করে সাজাতে পারলে ১ মাসেও সম্ভব।
ওয়েবসাইটটিতে কমপক্ষে ৩০-৩৫ টা ইউনিক পোস্ট থাকতে হবে। অবশ্যই ওয়েবসাইটের ক্যাটেগরির সাথে মিল থাকতে হবে।
অবশ্যই ১০-১২টা ভালো কুয়ালিটির আরটিকেল থাকতে হবে।
বেসিক সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন করা জরুরী। এটা গুগল কে বোঝাতে সাহায্য করে যে, ওয়েবসাইট ভিজিটর পেতে তৈরি।
অন্য কোন কোম্পানির এ্যাড থাকা যাবে না।
পপ-আপ উইন্ডো যেমনঃ ফেসবুক লাইক বক্স থাকা যাবে না।
কপি-পেস্ট কন্টেন্ট থাকা যাবে না।
কপিরাইট আইন ভঙ্গ করে এমন কিছু রাখা যাবে না।
এডাল্ট, হ্যাকিং, কোন জাতি বা গোষ্ঠীকে নিয়ে ব্যাঙ্গ করা হয়েছে এমন কোন কন্টেন্ট থাকা যাবে না।
ভালো ভিজিটর থাকতে হবে।
টপ লেভেল ডোমেইন হতে হবে। অর্থাৎ সাব-ডোমেইন হলে একাউন্ট এপ্রুভ হবে না।
হোম পেইজ/লেন্ডিং পেইজ সিম্পল রাখলে ভালো। সাইট লোডিং টাইম ৩ সেকেন্ডের মধ্যে হতে হবে, কারন গুগল স্লো সাইট পছন্দ করেনা।
উপরের এই বিষয় গুলি মেনে চললেই পাওয়া যেতে পারে এ্যাডসেন্স একাউন্ট ।
যে বিষয়গুলি গুগোল এ্যাডসেন্স সমর্থন করেনা
পর্নোগ্রাফি বা প্রাপ্তবয়স্কদের সাইট ব্যবহার করা যাবেনা।
আক্রমনাত্মক, সহিংসতা ইত্যাদি প্রচার করা যাবেনা।
কপিরাইট আইন ভঙ্গ করে এমন কিছু রাখা যাবেনা।
ক্লিক করার জন্য ভিজিটরকে অনুরোধ করা যাবেনা।
মাদক, মদ, সিগারেট এইধরনের কোনকিছুর প্রচারনা বা বিক্রি করা যাবেনা।
ভিজিটরদের বিরক্তি তৈরী করে এমন বক্তব্য প্রকাশ করা যাবেনা।
এ্যাডসেন্স পাওয়ার পর যে জিনিসগুলো করা যাবে না
কোন কপি কনটেন্ট দেওয়া যাবে না।
ভুলেও নিজের এ্যাড এ নিজে ক্লিক করা যাবেনা। তাহলে এ্যাডসেন্স একাউন্টটিই ব্যান হয়ে যাবে।
হ্যাকিং, পাইরেসী, ক্রাইম এই রিলেটেড পোস্ট দেওয়া যাবে না।
পোস্ট এর ইমেজগুলো গুগল থেকে ডাউনলোড করে দেয়া যাবে না। নিজে বানিয়ে দিতে হবে।
সাইটে কোন প্রকার এডাল্ট কনটেন্ট দেয়া যাবে না।
এগুলো মেনে চললেই এ্যাডসেন্স একাউন্টটি নিরাপদ রাখা যাবে।
গুগল এ্যাডসেন্স কোড কিভাবে বসানো যায়?
এ্যাডসেন্স অনুমোদিত হয়ে গেলে এর কোড ওয়েবসাইটে বসাতে হবে। ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ওয়েবসাইট বানালে প্লাগইন ব্যবহার করতে হবে। এখানে ‘Advance Ads’ প্লাগইন টি ব্যবহার করা যেতে পারে।
গুগল এ্যাডসেন্স কোড বসানোর ১ম ধাপ:
এডসেন্স একাউন্টে লগইন করতে হবে। My Ads>New ad unit এ ক্লিক করতে হবে।
গুগল এ্যাডসেন্স কোড বসানোর ২য় ধাপ:
‘New add unit’ এ ক্লিক করলে একটি উইন্ডো ওপেন হবে। এখান থেকে যেকোন একটি টাইপ সিলেক্ট করতে হবে।
গুগল এ্যাডসেন্স কোড বসানোর ৩য় ধাপ:
টাইপ সিলেক্ট করার পর এ্যাড উনিট এর নাম দিতে হবে। এ্যাড যদি হেডার ব্যানার হয় তাহলে নাম দিতে হবে Head Banner। এর পর ‘Ad Type’ সিলেক্ট করতে হবে, কোন ধরনের এ্যাড চাই শুধু টেক্সট এ্যাড চাই নাকি ছবি সহ তা উল্লেখ করতে হবে। এ্যাড সাইজ যেটা দেয়া থাকে ‘Responsive’ সেটা রাখাই ভালো। তাহলে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে সকল এ্যাড ই আসবে। এর পরে ‘Save and get code’ ক্লিক করতে হবে। এটা একদম নিচের দিকে আছে।
গুগল এ্যাডসেন্স কোড বসানোর ৪র্থ ধাপ:
এর পরে গুগল আমাকে আমার নির্ধারিত ওয়েবসাইটের কোড দিয়ে দিবে। এখন এই কোডের উপর ক্লিক করলেই কপি অপশন আসবে। এরপর কোড কপি করে নিতে হবে এবং এই কোড আমার ওয়েবসাইটে বসাতে হবে।
গুগল এ্যাডসেন্স কোড বসানোর ৫ম ধাপ:
এরপরে ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ড থেকে Advance Ads>Ads ক্লিক করতে হবে।
গুগল এ্যাডসেন্স কোড বসানোর ৬ষ্ঠ ধাপ:
এরপর এ্যাডস এর ভিতর থেকে “New Ads” এ ক্লিক করতে হবে।
গুগল এ্যাডসেন্স কোড বসানোর ৭ম ধাপ:
‘New Ads’ ক্লিক করার পর একটি উইন্ডো আসবে। এখানে নতুন এ্যাড এর একটি নাম দিতে হবে। এরপর একদম নিচে এ্যাডসেন্স এ্যাডস এ টিক দিতে হবে।
গুগল এ্যাডসেন্স কোড বসানোর ৮ম ধাপ:
এখানে উইন্ডোতে মাঝের খালি জায়গায় এ্যাডসেন্স থেকে পাওয়া কোড টি বসাতে হবে। এরপর
‘Get Details’ এ ক্লিক করতে হবে। এখানে পাবলিশার আইডি এবং এ্যাড ডিটেইলস চলে আসবে।
গুগল এ্যাডসেন্স কোড বসানোর ৯ম ধাপ:
সর্বশেষ ডান দিকে ‘Publish’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। এরপরে একটু সময় নিয়ে অপেক্ষা করলে দেখা যাবে যে এ্যাডটি তৈরি হয়ে গেছে।
গুগল এ্যাডসেন্স কোড বসানোর ১০ম ধাপ:
১৫-২০ মিনিট পর ব্রাউজার দিয়ে ওয়েবসাইট ভিজিট করতে হবে। এবারে দেখা যাবে এ্যাডটি ওয়েবসাইটে চলে এসেছে।
ইউটিউব চ্যানেল এর সাথে এ্যাডসেন্স করার পক্রিয়া:
১ম ধাপ: ইউটিউব চ্যানেল এর সাথে এ্যাডসেন্স এ্যাড করতে আগে কোন ঝামেলা ছিলোনা, কিন্তু কিছু দিন আগে ইউটিউব এর নিতিমালার কিছু পরিবর্তন করেছে। এই পরিবর্তন টা হচ্ছে ইউটিউব চ্যানেলের মোট ভিউ ১০,০০০ এর বেশি হতে হবে, তারপর এ্যাডসেন্স একাউন্ট এর জন্য আবেদন করা যাবে।
২য় ধাপ: ইউটিউব চ্যানেলের মোট ভিউ ১০,০০০ এর বেশি হওয়ার পর গুগল এ্যাডসেন্স এর জন্য আবেদন করা যাবে। প্রথমে ব্রাউজার এর কুকিজ গুলা ডিলিট করে নিতে হবে। তার পর যে জিমেল দিয়ে এ্যাডসেন্স এর জন্য আবেদন করা হবে সে জিমেল টা গুগল এ লগইন করে নিতে হবে। এর পর youtube.com এ যেতে হবে এবং চ্যানেল লগইন করে নিতে হবে, যদি গুগল এ লগইন করা জিমেল ও চ্যানেল এর জিমেল একাউন্ট এক না হয়, তাহলে এ্যাড একাউন্ট এ ক্লিক করে চ্যানেল এর জিমেল একাউন্ট টা এ্যাড (যোগ) করে নিতে হবে। জিমেল একাউন্ট এ্যাড (যোগ) করার পর যে চ্যানেল এর জন্য এ্যাডসেন্স একাউন্ট আবেদন করা হবে ঐ চ্যানেল লগইন করে নিতে হবে। লগইন করার পর চ্যানেল এর আইকন এ ক্লিক করতে হবে তার পর Creator Studio লেখা বাটনে ক্লিক করতে হবে। এর পর Channel লেখা বাটনে ক্লিক করতে হবে। Channel লেখা বাটনে ক্লিক করার পর, চ্যানেল এর মনিটাইজ চালু (Enable) করতে হবে, এটা চালু না করলে এ্যাডসেন্স এর জন্য আবেদন করা বা চ্যানেলে এ্যাডসেন্স এ্যাড করানো যাবে না।
৩য় ধাপ: Channel এ ক্লিক করার পর একটি পেইজ আসবে এখান থেকে মনিটাইজ নামের অপশন টা ইনাবল (Enable) করতে হবে। যদি মনিটাইজ এর নিচে কোন ইনাবল বাটন না থাকে, এর কারন হচ্ছে ইউটিউব বাংলাদেশে চ্যানেল মনিটাইজ করার অনুমতি দেয় নাই। যদি মনিটাইজ করার অনুমতি দিতো তাহলে টিক চিহ্ন দেওয়া ইনাবল বাটন এর মত একটি বাটন থাকতো মনিটাইজ এর নিচে। এই অবস্থায় বাংলাদেশ থেকে যদি আমরা মনিটাইজ চালু করতে চাই, তাহলে ইউটিউব চ্যানেল এর country change করতে হবে। country change করার জন্য পেইজ এর বাম পাসে Channel এর নিচে Advanced নামের একটা অপশন আছে, ওটাতে ক্লিক করতে হবে, ক্লিক করার পর country change করে ইনন্ডিয়া দিতে হবে। country change করার পর পেইজটার নিচের দিকে গিয়ে save বাটনে ক্লিক করতে হবে। পেইজটা save হওয়ার পর আবার Channel এ ক্লিক করতে হবে। এবার দেখা যাবে মনিটাইজ অপশন এর নিচে ইনাবল বাটন চলে এসেছে। এখন মনিটাইজ চালু করার জন্য ইনাবল অপশন এ ক্লিক করতে হবে। এরপর যে পেইজ আসবে সেখানে START বাটনে এ ক্লিক করতে হবে। ক্লিক করার পর এখানে একটি পেইজ আসবে। পেইজটি আসার পর তিন খালি ঘরে টিক মার্ক দিয়ে I Accept এ ক্লিক করতে হবে। ক্লিক করার পর আগের পেইজটিতে চলে আসবে এবং আসার পর দেখা যাবে আগের পেইজটির কিছু পরিবর্তন হয়েছে, পরিবর্তনটা হচ্ছে START বাটনটা adsense সাইন আপ এর বরাবর চলে এসেছে। তার মানে হচ্ছে এখন adsense এর জন্য সাইন আপ করতে পারবো, অথবা adsense এর জন্য আবেদন করতে পারবো। আবেদন কারার জন্য আবার START বাটন এ ক্লিক করতে হবে। ক্লিক করার পর একটি পেইজ আসবে এখান থেকে Next বাটনে এ ক্লিক করতে হবে। Next এ ক্লিক করার পর একটি পেইজ আসবে এবং পেইজটি আসার পর এখানে একটি জিমেইল আইডি দেখা যাবে। এই জিমেইল আইডি দেখানোর কারন হচ্ছে, এখন এই জিমেইল আইডি দিয়ে Adsense এর জন্য আবেদন করতে যাচ্ছি। যদি এই জিমেইল আইডি দিয়ে Adsense করতে না চাই, তাহলে আবার পিছনের পেইজ এ চলে যেতে হবে এবং google.com পেইজ এ গিয়ে যে জিমেইল দিয়ে Adsense করতে চাই সেই জিমেইল একাউন্টটা আগে লগইন করতে হবে। আর যদি পেইজ এ দেখানো জিমেইল ঠিক থাকে তাহলে Yes এ ক্লিক করতে হবে। ক্লিক করার পর একটি পেইজ আসবে এবং পেইজটি আসার পর Save and continue তে ক্লিক করতে হবে। তবে ক্লিক করার পূর্বে অবশ্যই পেইজ থেকে দেখে নিতে হবে জিমেইলটা ঠিক আছে কিনা? তারপর Save and continue তে ক্লিক করার পর একটি পেইজ ফরম আকারে আসবে। এই ফরম পেইজটি আসার পর এখন কাজ হচ্ছে, সত্য ইনফরমেসন দিয়ে পেইজ ফরম এর খালি ঘর গুলি পুরন করা। ফরমটা কি ভাবে ফিলাপ করতে হবে তাহা নিম্নে উল্লেখ করা হলো।
১) যে দেশের ব্যাংক একাউন্ট থেকে এই এ্যাডসেন্স এর টাকা উঠানো হবে, ঐ দেশ এখানে সিলেক্ট করতে হবে। যেমন আমি বাংলাদেশের ব্যাংক গুলোর মাধ্যমে টাকা তুলতে চাই সে জন্য আমি বাংলাদেশ দিলাম।
২) এক নাম্বারে যে দেশ সিলেক্ট করে দেওয়া হবে এইখানে ঐ দেশের টাইম জোন দিতে হবে। যেমন আমি বাংলাদেশ দিলাম তাহলে আমাকে বাংলাদেশের টাইম জোন দিতে হবে।
৩) একাউন্ট টাইপ যেমন আছে তেমন থাকাই ভাল।
৪) যার নামে এ্যাডসেন্স একাউন্টটি খুলতে চাই তার নাম দিতে হবে এবং খেয়াল রাখতে হবে বানান যেন ভুল না হয়।
৫) এপর হচ্ছে Address line 1 ও Address line 2 দুটি খালি ঘর, এই দুই ঘরে সম্পূর্ণ ঠিকানা লিখতে হবে, যেমন: বাড়ির নাম ও বাড়ির রোড, গ্রামের নাম, উপজেলার নাম, এই গুলি ১২৮ অক্ষরের ভিতরে লিখে Address line 1 এবং Adderss line 2 এ ভাগ করে দিতে হবে। যাতে Adderss line 1 এ ৬৪ অক্ষরের বেশি না হয় এবং Address line 2 তে ও ৬৪ অক্ষরের বেশি না হয়। আবার খেয়াল রাখতে হবে কোন নাম যাতে ২ ভাগ না হয়।
৬) তারপর city এর ঘরে city নাম লিখে দিতে হবে, আর গ্রাম এর জন্য নিজ জেলার নাম দিতে হবে।
৭) postal code এর ঘরে পোষ্ট অফিস এর কোড নাম্বার দিতে হবে।
৮) সবসময় ব্যবহার করা হয় এমন একটি ফোন নাম্বার এখানে দিতে হবে এবং খেয়াল রাখতে হবে একই নাম্বার যাতে দুই Adsense এ ব্যবহার করা না হয়।
৯) এখানের সব Yes এর খালি ঘরে টিক দিতে হবে।
১০) সব কিছু পূরন করার পরে Submit my application এ ক্লিক করতে হবে। তার পর একটি পেইজ আসবে এবং পেইজটি আসার পর এক নজর পেইজটি পড়ে নিতে হবে। এখানে Adsense এর সব নীতিমালা দেওয়া আছে এগুলা মেনে চলতে পারলে Adsense কখনো একাউন্টটি বেন্ড বা ব্লক করবে না। পড়া শেষে Yes, I have read and accept এর খালি ঘরে টিক দিতে হবে এবং Accept এ ক্লিক করতে হবে। ক্লিক করার পর কিছুক্ষন অপেক্ষ করে দেখা যাবে এই পেইজটা রিডাইরেক্ট হয়ে ইউটিউব এ চলে যাবে। রিডাইরেক্ট হওয়ার পর একটি পেইজ আসবে এখান থেকে START বাটন এ ক্লিক করতে হবে। ক্লিক করার পর একটি পেইজ আসবে এবং পেইজটি আসার পর Save এ ক্লিক করতে হবে। এখন এই ধাপে চ্যানেল এ যদি ১০০০ এর বেশি ভিউ থাকে তাহলে নিজে নিজে একটিব হয়ে যাবে, অথবা এটার পাসেও একটা START বাটন থাকবে ওটাতে ক্লিক করতে হবে এবং যদি কোন অপশন আসে তবে সব গুলা Yes এ ক্লিক করতে হবে। ক্লিক করার পর চ্যানেলটি এ্যাডসেন্স কতৃপক্ষ রিভিউ করবে, রিভিউ করার পর যদি চ্যানেল এ এ্যাড দেওয়ার মত হয়, তহলে এ্যাড দিবে।
এ্যাডসেন্স কিভাবে হিসাব করে বিজ্ঞাপনের টাকা পরিশোধ করে?
CPC হলো Cost Per Click: গুগল এ্যাডসেন্স থেকে আয়ের সবচেয়ে ভালো উপায় হলো CPC। ওয়েবসাইটের ভিজিটর যতবার এ্যাড এ ক্লিক করবে ততবার নির্দিষ্ট টাকা গুগল থেকে পাওয়া যাবে। তারমানে এই না, নিজেই নিজের এ্যাডে এ ক্লিক করা যাবে। প্রকাশক নিজের এ্যাড এ নিজে ক্লিক করা কঠোরভাবে নিষেধ। এটি দ্বারা বিজ্ঞাপনের প্রতি ক্লিক এর জন্য এ্যাডসেন্স কত ডলার পরিশোধ করবে সেটি বুঝানো হয়েছে। যার ক্লিক রেট যত বেশি তার আয়ও বেশি। CPC রেট ০.০৩ ডলার, সেই ক্ষেত্রে প্রতি এ্যাড ক্লিক এর জন্য পাওয়া যাবে ০.০৩ ডলার
CPM হলো Cost per thousand Impression: প্রতি ১০০ জনের থেকে আয় কত হচ্ছে তার হিসাব এটি। অর্থাৎ ওয়েবসাইটের ভিজিটর এ্যাড যতবার ভিউ করলো। প্রতি এক হাজার বার ভিউ এর জন্যে গুগল নির্দিষ্ট পরিমান টাকা পে করবে।
CTR হলো Click Through Rate: একটি ওয়েবসাইটের বা ব্লগের বিজ্ঞাপনের মোট ভিউ এর মধ্যে কতবার বিজ্ঞাপনে ক্লিক করা হয়েছে সেটি বুঝাতে CTR ব্যবহার করা হয়। উদাহরন হিসেবে ওয়েবসাইটের বা ব্লগের বিভিন্ন পেইজে ১০০ বার ভিউ হয়েছে এবং এ্যাড এ মাত্র ১০ ভিজিটর ক্লিক করেছে। সেক্ষেত্রে CTR হবে ১০%। আবার যদি পেইজে ভিউ হয় ১০০ এবং ৫০ বার বিজ্ঞাপনে ক্লিক করা হয় তাহলে CTR হবে ৫০%। CTR দ্বারা শুধুমাত্র পেইজে বিজ্ঞাপনের মোট ভিজিটরের ভিউয়ের ক্লিক সংখ্যা হিসাব করা হয়। এটা হচ্ছে কত শতাংশ ভিজিটর এ্যাড এ ক্লিক করলো। কত ভিজিটর ওয়েবসাইটে এ্যাড দেখে এবং তারমধ্যে কতজন ক্লিক করে তা হিসেব করা হয় এটা দিয়ে। ওয়েবসাইটের একটা পেজ এ যদি ৫০০ জন আসে এবং ৫ জন ক্লিক করে তাহলে CTR হল ১%। সাধারণত CTR ২-৫% হওয়া ভালো। যদি বেশি CPC কিওয়ার্ড দিয়ে আর্টিকেল সাজানো যায় তবে ২-৫% CTR দিয়েও খুব ভালো ইনকাম করা যায়। CTR ১৫% এর বেশি গেলে একাউন্ট বাতিল হয়ে যাবে। গুগল মনে করে ২-৫% CTR স্ট্যান্ডার্ড। এর বেশি মানে প্রকাশক নিজে বিভিন্ন উপায়ে এ্যাড এ ক্লিক করাচ্ছে যা গুগল এর নীতির বাইরে। সাইটে যত বেশি ভিজিটর আসবে তত বেশি CPM হবে। আর CPM বাড়লে CTR এমনিতেই বাড়তে থাকবে। সর্বদা CTR খেয়াল রাখতে হবে। CTR ১০% এর বেশি হয়ে গেলে এ্যাড অফ করে দিতে হবে। ১ দিন অপেক্ষা করে দেখতে হবে CTR রেট কমে আসলে আবার এ্যাড ডিস্প্লে করতে হবে। CTR এবং ভিজিটর ডিটেইলস পেতে গুগল এনালাইটিক্স ব্যাবহার করা যেতে পারে। গুগল এনালাইটিক্স অত্যন্ত শক্তিশালী একটি টুল ওয়েব মাস্টারদের জন্যে।
PPC হলো Pay Per Click: বিজ্ঞাপনদাতার উপর গুগল এই মেথড ফলো করে। এর মানে ওয়েবসাইট এ যে বিজ্ঞাপন গুগল দিবে তার উপর প্রতি ক্লিকে গুগল বিজ্ঞাপনদাতা থেকে যে অর্থ নিবে সেটাই PPC।
Click (ক্লিক) কি: গুগল এ্যাডসেন্স এর ক্ষেত্রে ক্লিক বলতে শুধুমাত্র বিজ্ঞাপন ক্লিককে বুঝানো হয়। এক্ষেত্রে ওয়েবসাইটের পেইজে কতগুলি ক্লিক হয়েছে সেটি নির্দেশ করে না।
Impression কি: এটি দ্বারা ওয়েবসাইটের বা ব্লগের প্রত্যেকটি Page View কে বুঝানো হয়ে থাকে। অধিকিন্তু ওয়েবসাইটের বা ব্লগের Page View, Ad View সহ কোন Individual View কেও নির্দেশ করে। সাধারনত Impression তিন ধরনের হয়ে থাকে যথা: Page View, Page Impression, Ad Impression।
Page View কি: Page View বলতে ওয়েবসাইটের বা ব্লগের Page এর মাধ্যমে কতটি বিজ্ঞাপন দেখতে পেয়েছে। ধরাযাক ওয়েবসাইটের বা ব্লগের Page এ মোট তিনটি বিজ্ঞাপন রয়েছে কিন্তু ভিজিটর ঐ পেইজের সবগুলি বিজ্ঞাপন দেখেনি অর্থাৎ একটি বিজ্ঞাপন নিচের দিকে থাকার কারনে সেটি ব্রাউজার ক্লিক করে নি। সেজন্য এখানে Page View হিসেবে ২ গননা করা হবে।
Page Impression কি: Page View এবং Page Impression একই বিষয়/জিনিস। দুটি দ্বারা প্রায় একই ধরনের বিষয় বুঝানো হয়ে থাকে।
Ad Impression কি: এটি দ্বার ওয়েবসাইটের বা ব্লগের প্রত্যেকটি পেইজের বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের হিসাব গননা করা হয়। ধরাযাক ওয়েবসাইটের বা ব্লগের একটি পোষ্টে ৩ (তিন) টি বিজ্ঞাপন রয়েছে এবং পোষ্টটি সর্বোমোট ৫ বার ভিজিট করা হয়েছে এক্ষেত্রে Ad Impression হিসাব করা হবে (৩x৫) = ১৫ অর্থাৎ কাঙ্কিত পোষ্টের ১৫ Ad Impression গননা করা হবে।
RPM (Revenue Per Mile) কি: এটি দ্বারা ওয়েবসাইটের বা ব্লগের বিজ্ঞাপনের উপর ক্লিক ব্যতীত শুধুমাত্র প্রতি ১০০০ পেইজ ভিউ হিসেবে কত ডলার দেওয়া হবে সেটি গননা করা হয়। ধরাযাক ওয়েবসাইটের বা ব্লগের বিজ্ঞাপনের RPM ১.২৫ ডলার সেইক্ষেত্রে গুগল ওয়েবসাইটের বা ব্লগের বিজ্ঞাপনের প্রতি ১০০০ বার ভিউ এর জন্য ১.২৫ ডলার পরিশোধ করবে।
CTR, CPC ও RPM এর সর্বমোট হিসাব:
উদহরন: মনেকরি ওয়েবসাইটে বা ব্লগে প্রতি মাসে এক লক্ষ পেইজ ভিউ হয় এবং ওয়েবসাইটে বা ব্লগে CTR ৩%। অর্থাৎ প্রতি একশত পেইজ ভিউ এর মধ্যে মাত্র তিন জন ওয়েবসাইটের বা ব্লগের বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে। এ ক্ষেত্রে নীট CTR হবে (মোট ভিউ x CTR ÷ ১০০) অর্থাৎ (১০০,০০০ x ৩ ÷ ১০০) = ৩০০০ বার। ওয়েবসাইটের বা ব্লগের এক লক্ষ পেইজ ভিউ এর মধ্যে ৩০০০ জন বিজ্ঞাপনে ক্লিক করেছে। সেই হিসাবে ওয়েবসাইটের বা ব্লগের CPC রেট ০.০৩ ডলার হয়ে থাকলে মোট ক্লিক রেট হবে (৩০০০ x ০.০৩) = ৯০ ডলার। অর্থাৎ এক লক্ষ পেইজ ভিউয়ার এর মধ্যে ৩০০০ বিজ্ঞাপন ক্লিক এর কারনে গুগল ৯০ ডলার পরিশোধ করবে। অন্যদিকে ওয়েবসাইটের বা ব্লগের বিজ্ঞাপনের RPM ১.২৫ ডলার হলে মোট ভিউ হিসাব করে (মোট ভিউ ÷ ১০০০ x ১.২৫) অর্থাৎ (১০০,০০০ ÷ ১০০০ x ১.২৫) = ১২৫ ডলার। CTR ব্যতীত শুধুমাত্র বিজ্ঞাপনের ভিউয়ের জন্য গুগল আরো ১২৫ ডলার পরিশোধ করবে। এই হিসেবে কেউ যদি এক লক্ষ ভিউয়ার পায়, তাহলে সে গুগল এ্যাডসেন্স থেকে মাসে (৯০ + ১২৫) = ২১৫ ডলার আয় করতে পারবে। ওয়েবসাইটের বা ব্লগের CPC, Page RPM ও Page CTR যত বেশী হবে গুগল এ্যাডসেন্স থেকে তত বেশী আয় করা যাবে। সাধারনত ওয়েবসাইটের বা ব্লগের কনটেন্ট এর মান, র্যাংকিং এবং বিজ্ঞাপনের লোকেশনের উপর ভিত্তি করে CPC ও RPM কম বেশী হয়ে থাকে। এজন্য ভালো কনটেন্ট এর সমন্বয়ে উন্নত দেশের বিজ্ঞাপনকে টার্গেট করতে পারলে এ্যাডসেন্স CPC ও RPM বৃদ্ধি করে ওয়েবসাইটের বা ব্লগের আয় বাড়ানো যাবে।
কি কারনে এ্যাডসেন্স থেকে আয় কম হয়?:
ওয়েবসাইট/ব্লগে যথেষ্ট পরিমান পোষ্ট না থাকলে
যথেষ্ট পোষ্ট নাই মানেই হচ্ছে ভিজিটর নাই
ভিজিটর নাই মানে এ্যাড ক্লিক নাই
ওয়েবসাইট/ব্লগের কন্টেন্ট পাঠকদের জন্য হেল্পফুল না হলে
পছন্দ করা টপিক/কীওয়ার্ড এর সিপিসি কম হলে
ওয়েবসাইট/ব্লগ নিয়মিত আপডেট না করলে
ওয়েবসাইট/ব্লগের সঠিক জায়গায় এ্যাডস্লট না বসালে
সঠিক সাইজের এ্যাডস্লট ব্যবহার না করলে
টেক্সট এবং ইমেজ টাইপ এর এ্যাডস্লট ব্যবহার না করলে
ওয়েবসাইট/ব্লগের অধিকাংশ ভিজিটর বাংলাদেশি, ইন্ডিয়ান আর পাকিস্তানি হওয়ার জন্য সিপিসি এবং সিটিআর একদমই কম পাওয়ায় করনে
কিভাবে এ্যাডসেন্স থেকে আয় বাড়ানো যায়?:
পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ওয়েবসাইট/ব্লগ ডিজাইন এবং ইউজার ফ্রেন্ডলী নেভিগেশন ব্যবহার করা।
ওয়েবসাইট/ব্লগের জন্য একটি প্রিমিয়াম এবং এ্যাডসেন্স অপ্টিমাইজড থিম ব্যবহার করা।
ওয়েবসাইট/ব্লগের নিয়মিত ফ্রেশ এবং ইউনিক কন্টেন্ট পাবলিশ করা যেগুলো পাঠকের সমস্যা সমাধান করতে পারে।
বড় এবং সঠিক সাইজের এ্যাডস্লট ব্যবহার করা (সুপারিশকৃত এ্যাডস্লট সাইজঃ রেসপন্সিভ এ্যাডস্লট, ৭২৮*৯০, ৩০০*৬০০ এবং ৩৩৬*২৮০)।
এ্যাডসেন্স এর এ্যাড গুলোকে পেইজ এর এমন স্থানে বসাতে হবে যাতে ভিজিটরদের চোখে খুব সহজেই আসে। অর্থাৎ ওয়েবসাইটএর টপে এ্যাডসেন্স এর কোড বসিয়ে দিতে হবে।
পেইজ “স্ক্রল (Scroll)” করে নিচে আসার পরে এ্যাড দেখা যাবে এমন কোথাও এ্যাড না বসানোই ভাল। কারন ওয়েবসাইট এর কন্টেন্ট ভিজিটরদের ভাল না লাগলে সে কখনোই পেইজ স্ক্রল করবে না, যার ফলে ক্লিক ও পাওয়া যাবেনা।
পোষ্ট টাইটেলে, পোষ্টের মাঝখানে, হেডারে এবং পোষ্টের শেষে এ্যাড বসানো যেতে পারে। এটি গুগলের অফিসিয়াল ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগিন দিয়ে করা যায়।
টেক্সট এবং ইমেজ উভয় টাইপের এ্যাডস্লট ব্যবহার করা।
সার্চ বক্সের জন্য এ্যাডসেন্স কাষ্টম সার্চ বার ব্যবহার করা।
লো পেয়িং এ্যাডভার্টাইজারদের ব্লক করা।
নিয়মিত সাইটের এস.ই.ও করা এবং সাইটে সার্চ ট্রাফিক নিয়ে আসা।
ভিজিটরদেরকে সব সময় খুশী রাখার চেষ্টা করতে হবে। ওয়েবসাইট এর রং এর সাথে মিলিয়ে গুগল এ্যাডসেন্স এর এ্যাড বসাতে হবে। এই ব্যাপারটিকে “Blending” বলে। এর ফলে ভিজিটরদের চোখে ওয়েবসাইট এর ডিজাইনের কোন রকম তারতম্য দেখা যাবে না। এর ফলে খুব সহজেই এ্যাড এ ক্লিকপওয়া যাবে।
কন্টেন্ট এর সাথে অথবা কন্টেন্ট এর মাঝে মাঝে গুগল এ্যাডসেন্স এর এ্যাড বসিয়ে দিতে হবে। এর ফলে ওয়েবসাইট এর টেক্সট এর সাথে গুগল এ্যাডসেন্স এর টেক্সটএর মিল থাকবে এবং এ্যাড এ ক্লিক পড়ার সম্ভাবনাও বাড়বে।
ওয়েবসাইট যে বিষয় নিয়ে বানানো তার প্রাসঙ্গিক কী-ওয়ার্ড মেটা ট্যাগ এর মাঝে লিখে দিতে হবে। শুধু শুধু অপ্রাসঙ্গিক হাই-পেইং কী-ওয়ার্ড বসানো যাবেনা। এতে হিতে-বিপরীত হতে পারে। উদাহরনঃ ধরুন একটি সাইট আছে যা ভিজিটরদের কোড সাপোর্ট দিয়ে থাকে, এখন যদি এখানে “মেডিকেল সার্ভিসের এ্যাড” দেখানো হয় তাহলে ব্যাপারটা ওয়েবসাইট এর জন্য ভাল হবে না।
ওয়েবসাইটে কখনো এক-সাইজের ব্যানার এ্যাড বসানো উচিত না। গুগল বিভিন্ন সাইজের ব্যানার এ্যাড এর কোড দিয়ে থাকে। ওয়েবসাইট এর সুবিধামত ব্যানার এ্যাড বসাতে হবে।
কোন এ্যাড থেকে বেশি আয় হয় এটাও জানা দরকার। এই ব্যাপারটি জানতে হলে Channel ব্যবহার করতে হবে। তাহলে এর মাধ্যমে জানা যাবে কোন চ্যানেল থেকে বেশি আয় হচ্ছে। গুগল এডসেন্স এ সর্বোচ্চ ২০০টি চ্যানেল বানানো যায়।
ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়াতে হবে। তথ্যবহুল ও ভাল ভাল পোষ্ট করতে হবে। তাহলে ওয়েবসাইট এ ভিজিটর আসবে। আর ভিজিটর আসা মানেই গুগল এ্যাডসেন্স এ ক্লিক পড়ার সম্ভাবনা বাড়বে।
কিভাবে এ্যাডসেন্স একাউন্ট ব্যান হওয়া থেকে রক্ষা করা যায়?
স্টেটকাউন্টারের সাহায্যে ওয়েবসাইট/ব্লগের এ্যাড এর উপরে ক্লিক পর্যবেক্ষণ করা এবং আইপি সহ ইনভ্যালিড ক্লিক সনাক্ত করা।
যদি কোন ক্লিক ইনভ্যালিড মনে হয় তাহলে গুগলের কাছে রিপোর্ট করা উচিত।
কখনই নিজের এ্যাডে নিজে ক্লিক করা যাবে না।
ওয়েবসাইট/ব্লগে কপি/পেষ্ট কন্টেন্ট ব্যবহার করা যাবে না।
একই সময়ে বা একই নামে একটার বেশি এ্যাডসেন্স একাউন্ট ব্যবহার করা যাবে না।
একটা পেজ/পোষ্টে ৩টার বেশী এ্যাডস্লট ব্যবহার না করা।
এ্যাড সাইজ বা কোড কাষ্টোমাইজ না করা।
কোথাও থেকে ট্রাফিক না কিনা।
যে ওয়েবসাইট/ব্লগে এ্যাডসেন্স ব্যবহার করা হবে তার ঠিকানা কাউকে না বলা।
এ্যাডসেন্স থেকে আয় করা টাকা কিভাবে হাতে পাবো?
গুগল দুই ভাবে টাকা দেয়। ওয়েষ্টার্ন ইউনিয়ন এবং ব্যাংক একাউন্ট এর মাধ্যমে। গুগল থেকে পেমেন্ট পাওয়ার জন্য এ্যাডসেন্স একাউন্ট এ নাম, এড্রেস এবং ব্যাংক একাউন্ট দেয়া থাকতে হবে। প্রতিদিনের ইনকাম এ্যাডসেন্স একাউন্ট এ যোগ হতে থাকবে। ১০ ডলার হলে গুগল উল্লেখিত এড্রেস এ একটি পিন পাঠাবে এড্রেস ভেরিফাই করার জন্য। তারপর ভেরিফাই হয়ে গেলে একাউন্ট এ ১০০ ডলার হলে গুগল ব্যাংক একাউন্ট এ সরাসরি টাকা পাঠিয়ে দিবে। ১০০ ডলার এর নিচে হলে পরবর্তী মাস এর ইনকাম এর সাথে পাওয়া যাবে। ১০০ ডলার এর নিচে কোন পেমেন্ট গুগল পাঠায় না। প্রত্যেক মাসের ২৩-২৫ তারিখের মধ্যে এই টাকা ব্যাংক একাউন্ট এ পাঠিয়ে দিবে
পরিশেষে নিম্নোলিখিত বিষয় গুলি সম্পর্কে এ্যাডসেন্স এ আবেদন এর জন্য সচেতন থাকতে হবে
এ্যাডসেন্স এ আবেদন করার সময় চ্যানেল এর কোন ভিডিওর টাইটেল যাতে বাংলা না হয় সে বিষয়ে খেয়াল রাখা ১০০% জরুরী।
চ্যানেল এ কোন খারাপ কিছু অথবা কপিরাইট কোন কিছু রাখা যাবে না।
যে ঠিকানায় চিঠি পাবে ঐ ঠিকানা এ্যাডসেন্স এ দিতে হবে। তবে ঠিকানা যাই হোক না কেন নাম ঠিক থাকতে হবে।
এ্যাডসেন্স এ এপলাই করার ২ থেকে ৩ দিন পর আবেদন কৃত জিমেইল এর inbox চেক করতে হবে যে ম্যাসেস দিয়েছে কিনা। এ্যাডসেন্স পেলে অবশ্যই একটি ম্যাসেস দিবে। আর যদি এপরুভ না হয় তা ও জানাবে। যদি এপরুভ না হয় তাহলে কয় দিন পর আবার এপলাই করা যাবে।
যদি এ্যাডসেন্স এপরুভ হয় তাহলে তা লগইন করে এ্যাডসেন্স আইডিটি চ্যানেলে ঠিক আছে কিনা তা দেখতে হবে।

Address

Dhaka
1200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Web video & Graphic Design posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Web video & Graphic Design:

Share