MITS

MITS Professional IT Solutions

সম্ভাবনাময় বাংলাদেশের পক্ষের শক্তি ✌️Digital Bangladesh Platform ❤️💚
25/01/2022

সম্ভাবনাময় বাংলাদেশের পক্ষের শক্তি ✌️
Digital Bangladesh Platform ❤️💚

আলোর যুগ রিপোর্ট সম্প্রতি সাভারে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল তথ্য ও প্রযুক্তির উন্নয়ন বিষয়ক কর্মশালা ও বৃক্ষরোপন কর্মসুচি ....

আমরা চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সেন্টার অব এক্সিলেন্স তৈরি করছি। নজর দেয়া হচ্ছে গবেষণার ওপর। অন্যদের কাছ থেকে প্রযুক্তি নিয়ে ...
17/04/2021

আমরা চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সেন্টার অব এক্সিলেন্স তৈরি করছি। নজর দেয়া হচ্ছে গবেষণার ওপর। অন্যদের কাছ থেকে প্রযুক্তি নিয়ে ব্যবহার করার জন্য নয়। আমরা ভবিষ্যত প্রযুক্তিতে নেতৃত্ব দিতে চাই। আর সেই প্রযুক্তি তৈরি হবে দেশেই। এটা সম্ভব। স্বপ্ন নয়, এটাই হবে বাস্তবতা। আমি কথা দিচ্ছি, ভবিষ্যতের বড় বড় প্রযুক্তির কিছু কিছু বাংলাদেশ থেকেই তৈরি হবে। তেমন পরিকল্পনা নিয়েই এগুচ্ছে বাংলাদেশ।

‘চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের জন্য বাংলাদেশ আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স, #ব্লকচেইন, আইওটি, ন্যানো টেকনোলজি, বায়ো টেকনোলজি, রোবোটিকস, মাইক্রোপ্রসেসর ডিজাইন, সফটওয়্যার ডিজাইনের মতো ক্ষেত্রগুলোতে ফোকাস রাখছে বাংলাদেশ।’

-সজীব ওয়াজেদ জয়
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা

Life Changing project & Business Development Project.Technology can change the world.      Blockchain Technology Next Fu...
08/02/2021

Life Changing project & Business Development Project.

Technology can change the world.

Blockchain Technology Next Future

07/07/2020

‘ভিশন-২০২১’ প্রচারণাকে সামনে রেখে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্ন দেখিয়ে ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। ২০২১ সালের আগেই সেই স্বপ্ন এখন অনেকখানি বাস্তবে পূরণ হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার সফল বাস্তবায়নের রূপকার তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক মাননীয় উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় ভাই।

২০১০ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নিয়মিত সদস্য পদ গ্রহণ করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র এবং শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ভাই। ২০০৮ সালে ক্ষমতায় আসার সেই মেয়াদেই অবৈতনিক এবং খণ্ডকালীন হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ক উপদেষ্টা নিয়োগ দেওয়া হয় জয় ভাইকে। মূলত এরপর থেকেই ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে নতুন করে উদ্যম সৃষ্টি হয়।

"দেশের আইসিটি খাতকে এগিয়ে নিতে এবং পূর্ণাঙ্গ-স্বয়ংসম্পূর্ণ ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে দুইটি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক মাননীয় উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় ভাই। এর একটি হচ্ছে, ক্যাশলেস সমাজ গঠন অর্থাৎ সকল লেনদেন নগদের বদলে ডিজিটাল মাধ্যমে করা। অপরটি হচ্ছে সকল সরকারি সেবা অনলাইনে নিয়ে আসা।

ক্যাশলেস সমাজ গড়ে তুলতে পারলে দুর্নীতি কমে যাবে; সরকারের আয় বাড়বে। সবার টাকার একটা ‘ট্রেস’ থাকবে। আর সরকারি সেবাগুলোকে পুরোপুরি অনলাইনে নিয়ে আসতে হবে। জনগণ যেন ‘ইন লাইন’ (অপেক্ষমাণ) না থাকেন বরং ‘অনলাইন’ থাকেন সেই বিষয়ে জয় ভাই কাজ করে যাচ্ছেন।"

খামারি ও ক্রেতাদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ কোরবানির পশু কেনা-বেচার জন্য ডিজিট...
07/07/2020

খামারি ও ক্রেতাদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ কোরবানির পশু কেনা-বেচার জন্য ডিজিটাল হাটের ব্যবস্থা করেছে। এটিই হবে সরকারি উদ্যোগে দেশের সবচেয়ে বড় 'কোরবানির পশুর ডিজিটাল হাট'। করোনা পরিস্থিতিতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতায় বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের অধীনে 'উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন একাডেমি প্রতিষ্ঠাকরণ' প্রকল্প (আইডিইএ) এর আগে 'ফুড ফর ন্যাশন' নামের একটি প্ল্যাটফর্ম গঠন করে। এরই আলোকে আইডিইএ প্রজেক্টের 'স্টার্টআপ বাংলাদেশ' ব্যানারে ডিজিটাল হাটের এই উদ্যোগটি গ্রহণ করে প্রকল্পটি।

দেশের সর্ববৃহৎ এই ডিজিটাল হাটের জন্য সারা বাংলাদেশ থেকে গরু- ছাগলের চাষি, খামারের মালিক ও সাধারণ পশু ব্যবসায়ীদের নিবন্ধন কার্যক্রম ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে। উল্লেখিত পেশার যে কেউ https://foodfornation.gov.bd/qurbani2020/ ওয়েব সাইটে প্রবেশ করে বিনামূল্যে নিবন্ধন করার সুযোগ পাবেন। নিবন্ধনের পর নিজস্ব প্যানেল থেকে পশুর ছবি, ভিডিও ও অন্যান্য তথ্য আপলোড করতে হবে।

সারা দেশে ছড়িয়ে থাকা একশপের বিশাল নেটওয়ার্ক আর কৃষি ও তার বিপণন ক্ষেত্রে নিয়োজিত স্টার্টআপ বাংলাদেশের অর্থায়িত ....

16/06/2020

একটি মানুষ জন্ম নেবার পর বেঁচে থাকার জন্য তার প্রথম আবশ্যকতা হলো ৩ বেলা খাবারেরে চাহিদা মেটানো। তেমনি ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চে স্বাধীন দেশ হিসেবে বাংলাদেশের জন্ম হবার পর প্রথম চ্যালেঞ্জ ছিল দেশের সকল মানুষকে ৩ বেলা খাবারের যোগান দেওয়া।

সেই লক্ষ্যে ২০০৬ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত কৃষিতে বাংলাদেশ যে পরিমাণ গ্রোথ এনেছে সেটা একমাত্র চায়না সাবার প্রথম পৃথিবীতে এবং ২য় স্থানে বাংলাদেশ। কিন্তু এ বিষয়গুলো সবার সামনে তোলা হয়না কারণ অধিকাংশ মানুষই জানেতে ইচ্ছে পোষন করেনা যে বাংলাদেশে কৃষি বিভাগে কি হচ্ছে কিন্তু কোন নায়ক কোন সিনেমায় কি চরিত্র করছে তাতে তাদের জ্ঞানের কমতি থাকেনা। দিন শেষে না জেনে বলবে সরকার কি করলো?

১৯৭১ সালের পর থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত অধিক জনসংখ্যার কারনে বাংলাদেশের কৃষি জমি অনেকাংশে কমে গেলেও বাংলাদেশ আগের তুলনায় ৩ গুন বেশি খাদ্য উৎপাদনে সক্ষম । পৃথিবীতে যেখানে অধিক জনসংখ্যার জন্য বন-জঙ্গল কেটে আবাদি জমি করা হচ্ছে সকলের খাদ্য যোগানের জন্য যা বৈশ্বিক উষ্ণতা বা গ্লোবাল ওয়ার্মিং এর অন্যতম কারণ, বাংলাদেশ সেখানে জলন্ত্ব উদাহরন যে কিভাবে স্বল্প আবাদি জমি থেকে ৩ গুণ বেশি মানুষের খাদ্য উৎপাদন করা যায় যা বৈশ্বিক উষ্ণতা বা গ্লোবাল ওয়ার্মিং প্রতিরোধে অন্যতম ভূমিকা রাখতে সক্ষ্যম।

এছাড়াও বাংলাদেশে বীগত ১০ বছরে যে দিক গুলোয় ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে,

গার্হস্থ্য পণ্য বৃদ্ধির হার
২০০৯- ৫.৭৪%
২০১৭- ৭.২৪%

মাথাপিছু আয়
২০০৬- $ ৫৪৩ ডলার
২০০৯- $ ৭১০ ডলার
২০১৭- $ ১,৬১০ ডলার
প্রতিমাসে আয় বৃদ্ধি $ ৯০০ ডলার

বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ
২০০৯- $ ১ বিলিয়ন
২০১৭- $ ৩৩ বিলিয়ন
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি হয়েছে $ 32 বিলিয়ন

রপ্তানি আয়
২০০৯- $ ১.২৬ বিলিয়ন
২০১৭- $ ৩৪.৮ বিলিয়ন
রপ্তানি আয়ের হার $ ৩৩.৮ বিলিয়ন বৃদ্ধি করা হয়েছে

বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা
২০০৬- ৩২০০ মেগাওয়াট
২০০৯- ৪৯৪২ মেগাওয়াট
২০১৭- ১৫,৮২১ মেগাওয়াট
বিদ্যুৎ উৎপাদন ১০,৮৭৯ মেগাওয়াট বৃদ্ধি পেয়েছে

মোট বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সংখ্যা
২০০৯-২৭
২০১৭- ১১৫

বিদ্যুতের অধীন মানুষ
২০০৯- ৪৭%
২০১৭- ৮৩%
নতুন ৩৬% জনসংখ্যা বিদ্যুতের অধীনে এসেছে

খাদ্য উৎপাদন
২০০৬- ২৭ লাখ মেট্রিক টন
২০০৯- ৩৪৭ লক্ষ মেট্রিক টন
২০১৭- ৪০০ লাখ মেট্রিক টন
খাদ্য উৎপাদন ৫৩ লাখ মেট্রিক টন বৃদ্ধি করা হয়েছে

দারিদ্র্য হার
২০০৬- ৪১.৫%
২০০৯- ৩৪%
২০১৭-২২৪%
দারিদ্র্য হার ১১.৬% হ্রাস পেয়েছে

বিদেশী বিনিয়োগ
২০০৬- $ ৪৫৬ মিলিয়ন
২০০৯- $ ৯৬১ মিলিয়ন
২০১৭- $ ২,৩৩০ মিলিয়ন / ২.৩৩ বিলিয়ন
বৈদেশিক বিনিয়োগ বেড়েছে $ ১,৩৬৯ মিলিয়ন / ১.৩৭ বিলিয়ন

রেমিটেন্স আয়
২০০৬- $ ৪৮০ মিলিয়ন
২০০৯- $ ৯৭০ মিলিয়ন
২০১৭- $ ১,৪৯৩ মিলিয়ন
রেমিটেন্স আয় বৃদ্ধি হয়েছে $ ৫২৩ মিলিয়ন

প্রতিমাসে বিদ্যুৎ উৎপাদন
২০০৬- ১৭৬ কেজি এইচ
২০০৯-২২০ কিলোওয়াট
২০১৭- ৪৩৩ কিলোওয়াট
ক্যাপিটাল বিদ্যুৎ উৎপাদনের হার ২১৩ কিলোওয়াট

কৃষি ক্ষাতে সাহায্য প্রদান
২০০৬ - 0
২০০৯ - ৫৭৮৫ কোটি টাকা
২০১৭ - ৯০০০ কোটি টাকা
কৃষিঋণ প্রদানের হার ২৩২৫ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে

চরম দারিদ্র্য হার
২০০৬- ২৪.২%
২০০৯- ১৯.৩%
২০১৭- ১২%
চরম দারিদ্র্য হার ৭.৩% হ্রাস পেয়েছে

World Economic Forum এর মতে লিঙ্গ বৈষম্য সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান
২০০৬ - ৯১ তম
২০০৯ - ৯৩ তম
২০১৭ - ৪৭ তম
বাংলাদেশের অবস্থান ৪৬ টিরও বেশি ধাপ World Economic Forum এর লিঙ্গ বৈষম্য মুক্ত সূচকে এগিয়ে।

মহিলাদের জন্য মাতৃত্বকালীন ছুটি
২০০৬ - ৪ মাস
২০০৯ - ৪ মাস
২০১৭ - ৬ মাস
মাতৃত্বকালীন ছুটি বাড়ানো হয়েছে ২ মাস

প্রাপ্তবয়স্ক ভাতা
২০০৬ - ২০০ টাকা
২০০৯ - ২৫০ টাকা
২০১৭ - ৫০০ টাকা
প্রাপ্তবয়স্ক ভাতা বৃদ্ধি পেয়েছে ২৫০ টাকা

মুক্তিযোদ্ধা ভাতা
২০০৬ -২০০ টাকা
২০০৯ - ৯০০ টাকা
২০১৭ - ১০,০০০ টাকা
৯ বছরের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা ভাতা ৯,১০০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে

গড় আয়ু
২০০৬ - ৬৫.৪ বছর
২০০৯ - ৬৬.৮ বছর
২০১৭ - ৭১.৬ বছর
গড় জীবন প্রত্যাশা ৪.৮% বৃদ্ধি পেয়েছে

বাংলাদেশ আজ বিশ্বের ৩য় সর্বোচ্চ সাইকেল রপ্তানিকারক দেশ।
১ লক্ষ ২৩ হাজার রোহিঙ্গাকে মাথার উপর ছাদ প্রদান করে বাংলাদেশ।

12/06/2020

[এক নজরে #জাতীয়_বাজেটঃ ২০২০-২০২১]

াজেট- ৪৯ তম ( একটি অন্তবর্তীকালীন বাজেট সহ ৫০ তম বাজেট)

#ঘোষকঃ অর্থমন্ত্রী আ.হ.ম মোস্তফা কামাল (অর্থমন্ত্রী হিসেবে তাঁর ২য় বাজেট)

★★★ উল্লেখ্য যে, এটি ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের টানা ১২তম বাজেট এবং সব মিলিয়ে ২২ তম বাজেট।

#স্লোগান- ‘অর্থনৈতিক উত্তরণ: ভবিষ্যৎ পথ পরিক্রমা’।

#বাজেট_উপস্থাপন_করা_হয়ঃ ১১ জুন ২০২০।

#সংসদে_পাস_হবে ৩০ জুন ২০২০।

#কার্যকর_হবেঃ ১ জুলাই ২০২০ থেকে।

#বাজেটের_আকার- ৫,৬৮,০০০ কোটি টাকা (পাঁচ লাখ আটষট্টি হাজার কোটি টাকা), এটি জিডিপির ১৯.৯ শতাংশ।

#জিডিপির_আকারঃ ৩১ লাখ ৭১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা।

#করমুক্ত_আয়সীমাঃ ৩,০০,০০০টাকা (পুরুষ) এবং মহিলা ৩,৫০,০০০ টাকা।

(এর পরবর্তী ১ লাখ টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের ওপর কর ধরা হয়েছে ৫ শতাংশ।)

#রাজস্ব_আয়ের_লক্ষ্যমাত্রাঃ ৩ লাখ ৭৮ হাজার ৩ কোটি টাকা। এটি জিডিপির ১৩ দশমিক ১ শতাংশের সমান।

#রাজস্ব_ঘাটতিঃ ১ লক্ষ ৮৯ হাজার ৯৯৭ কোটি টাকা। ( যা জিডিপির ৬ শতাংশ)

#জিডিপির_প্রবৃদ্ধির_হারঃ ৮.২%

#মুদ্রাস্ফিতির_হারঃ ৫.৪%

#বার্ষিক_উন্নয়ন_কর্মসূচীতে_ব্যায়ঃ ২ লাখ ৫ হাজার ১৪৫ কোটি টাকা।

#বাজেটে_আয়ের_লক্ষ্যমাত্রাঃ ৩ লাখ ৮২ হাজার ১৬ কোটি টাকা।

#সর্বোচ্চ_বরাদ্ধঃ জনপ্রশাসন খাতে; এক লাখ ৮০ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা।

★করোনা মোকাবিলায় #জরুরী বরাদ্দঃ ১০ হাজার কোটি টাকা।

অর্থের উৎসঃ

১. এনবিআর থেকে ৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।

২. কর বহির্ভুত আয় ৩৩ হাজার কোটি টাকা।

৩. এনবিআর বহির্ভুত আয় ১৫ হাজার কোটি টাকা।

৪. ব্যাংক থেকে ৮৫ হাজার কোটি টাকা (আগের দ্বিগুন)।

৫. সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য মিলিয়ে ২৫ হাজার কোটি টাকা।

৬. বিদেশি ঋণ থেকে ৭৬ হাজার কোটি টাকা।

আরো কিছু গুরুত্বপুর্ণ তথ্য যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসতে পারেঃ

★স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ ৪১ হাজার ২৭ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

★রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে ১৫ হাজার ৬৯১ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

★পদ্মাসেতুতে বরাদ্দ ৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

★পরিবহন ও যোগাযোগ খাতের জন্য মোট ৬৪ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

★বাজেটে ক্রীড়া খাতে ২৩৩ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

★নিত্যপণ্যের উৎসে আয়কর কমিয়ে ২ শতাংশের প্রস্তাব করা হয়েছে।

★ভাতার আওতায় আসবেন আরও সাড়ে ৩ লাখ বিধবা

★আরও ৫ লাখ দরিদ্র প্রবীণ আসছেন বয়স্ক ভাতার আওতায়

★বিদ্যুৎ বিভাগ এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের জন্য বাজেটে ২৬ হাজার ৭৫৮ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে

★ স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে সর্বপ্রথম বাজেট ঘোষণা করেন তাজউদ্দীন আহমদ, ৭৮৬ কোটি টাকার।

★ বাংলাদেশে ১৯৯৬-১৯৯৭ অর্থবছরে দুইবার বাজেট ঘোষণা করা হয়। এই অর্থবছরের প্রথম বাজেটটি ছিলো অন্তর্বতীকালীন বাজেট।

★সর্বোচ্চ ১২টি বাজেট দেওয়ার রেকর্ড রয়েছে বিএনপির প্রয়াত অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান ও আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের।

[২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেট কার্যকরে যেসব জিনিসের দাম বাড়বে ও কমবে]

#যেসব_জিনিসের_দাম_বাড়বে

1.বিড়ি, সিগারেট, জর্দা, গুল বা তামাকজাতীয় পণ্য।

2.আমদানি করা পেঁয়াজ, লবন, মধু, দুধ, দুগ্ধজাতীয় পণ্য, চকলেট।

3.আমদানি করা অ্যালকোহল।

4.অনলাইন কেনাকাটা।

5. ইন্টারনেটের খরচ।

6.প্রক্রিয়াজাত মুরগির অংশবিশেষ।

7. মোবাইল ফোনের খরচ ও মোবাইল ফোনের সিম কার্ড।

8.কাঠ ও অন্যান্য উপাদানে তৈরি আসবাবপত্র।

9. বিদেশি টেলিভিশন।

10 .বিদেশ থেকে আমদানি করা চীনামাটির পণ্য।
প্রসাধনী সামগ্রী।

11.কার জিপের নিবন্ধন ব্যয়।

12. সাইকেল ও বিদেশি মোটর সাইকেল।

13. চার্টার্ড বিমান ও হেলিকপ্টার ভাড়া।

14. শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত লঞ্চ সার্ভিস।

15. আমদানিকৃত ওয়ালফ্যান।

16. আলোকসজ্জা।

17. ড্রেজার।

18. ইস্পাত, লোহা, বাণিজ্যিক যানবাহনের যন্ত্রাংশ, ক্ষুদ্র যন্ত্রাংশ।

#যেসব_জিনিসের_দাম_কমবে

1.এলপিজি সিলিন্ডার।

2. স্বর্ণ।

3. স্যানিটারি ন্যাপকিন ও ডায়পার।

4. চামড়া বা যেকোন উপাদানে তৈরি জুতো।

5. সরিষার তেল।

6. চিনি।

7. করোনাভাইরাস টেস্ট কিট, মাস্ক, গ্লাভস, ওষুধ আইসিইউ যন্ত্রপাতি।

8.পোল্ট্রি শিল্পের কাঁচামাল।

9. রেফ্রিজারেটর ও এয়ারকন্ডিশনারের কম্প্রেসার।

10. ডিটারজেন্ট।

11. সৌর ব্যাটারি।

12. প্লাস্টিক ও প্যাকেজিং।

13. আমদানি করা কৃষিযন্ত্র।

14. মৎস্যশিল্পে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি।

15. কাগজ।

16. ফার্নেস তেল।

#বিশেষ_দ্রষ্টব্যঃ এটি প্রস্তাবিত বাজেট। পরবর্তীতে নতুন তথ্য পাওয়া সাপেক্ষে পুনরায় আপডেট করে সুন্দর, শোভন ও ত্রুটিমুক্ত পোস্ট শেয়ার করার চেষ্টা করবো।

সবাইকে ধন্যবাদ।
(Collected)

করোনাভাইরাস আমাদের সামগ্রিক জীবনযাত্রায় বড় ধরণের আঘাত হেনেছে। মৃত্যু ঝুঁকি তো আছেই, করোনা পরবর্তী অর্থনীতি নিয়েও এখনই বি...
24/04/2020

করোনাভাইরাস আমাদের সামগ্রিক জীবনযাত্রায় বড় ধরণের আঘাত হেনেছে। মৃত্যু ঝুঁকি তো আছেই, করোনা পরবর্তী অর্থনীতি নিয়েও এখনই বিশ্লেষকদের কপালে ভাঁজ পড়েছে।

জীবন থমকে যাওয়ায় থেমে আছে কলের চাকা। ভোক্তা চাহিদা কমে যাওয়ায় উৎপাদন ব্যবস্থায় এই ধ্বস বেকারত্বকে ত্বরান্বিত করেছে। ১৯৩০ সালের মহামন্দার চেয়েও বর্তমান সংকটকে বেশি মারাত্বক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
গবেষোণায় বলা হচ্ছে, করোনার প্রভাব খুব স্বল্পমাত্রায় হলেও বিশ্বব্যাপী চাকরি হারাবেন প্রায় ৮০ লাখ মানুষ। আর পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে এ সংখ্যা দাঁড়াবে আড়াই কোটিতে।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বহু অদক্ষ ও আধা-দক্ষ মানুষ অনানুষ্ঠানিক কর্মবাজারে আছে। এরাই এখন সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে। তবে এমনটা মনে করবেন না যে প্রাতিষ্ঠানিক কর্মক্ষেত্রে এ ঝুঁকি নেই। গোটা দুনিয়ায় এর মধ্যেই কর্মী ছাঁটাই শুরু হয়ে গিয়েছে। খরচ কমাতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো সব চেষ্টাই করবে। হুট করেই এ তালিকায় আপনার নামটিও উঠতে পারে। আর আমাদের দেশে এমনিতেই বেসরকারি খাতে অপ্রতুল বিনিয়োগের কারণে পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান নেই। করোনার সময় এটি আরও হ্রাস পেতে পারে।

এই অনিশ্চিত সময়ে নিজের ও নিজের পরিবারের অর্থনৈতিক সুরক্ষার ভার এখন নিজেকেই নিতে হবে। আপনার জন্য বিকল্প কর্মসংস্থান হিসেবে ফ্রিল্যান্সিং একটি বাস্তবসম্মত পছন্দ হয়ে উঠতে পারে। বিশ্বমন্দার কালেও দক্ষ লোকের চাহিদা কিন্তু থাকবেই। আর প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থায় কাজ করার চেয়ে ফ্রিল্যান্সিংয়ে কাজ খুঁজে পাওয়া অনেক সহজসাধ্য। এর সাথে নিজের সুবিধামত কাজ করতে পারার ব্যাপারটি তো থাকছেই।

এ সময়ে ফ্রিল্যান্সার হয়ে নিজের দক্ষতার সর্বোচ্চ সুবিধাটিই আপনি নিতে পারেন। ফ্রিল্যান্সারদের মার্কেটপ্লেস অনেক বড়, কাজের ক্ষেত্র বিস্তৃত। আপনার দক্ষতা ও একাগ্রতা থাকলে অল্প সময়েই এ পেশায় সফল হতে পারবেন। ঘরে বসে থাকার সময়টা আরও কতদিন বর্ধিত হবে কে জানে। তাই অনিশ্চয়তায় না থেকে আজই সিদ্ধান্ত নিন।

বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়ার ধাক্কা সামলে উঠতে দক্ষতা অর্জনের বিকল্প নেই। ফ্রিল্যান্সিংয়ে নৈপুণ্য অর্জন করতে পারলে তা বাড়তি আয়ের পাশাপাশি এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের জন্য আপনাকে প্রস্তুত করে তুলবে। করোনাভাইরাস ঠেকাতে শারিরীক দূরত্বের এই সময়ে ফ্রিল্যান্সিং দিয়েই সামনের দিনের বেকারত্ব জয় করতে পারেন।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MITS posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share