BD Computer Service & Solution

BD Computer  Service & Solution Here all services of Computer is Provided. Software, Hardware, Setup, Solution for problem e.t.c Here all services of the Computer are Provided.

কেন প্রতিটি সার্ভারের জন্য একটি শক্তিশালী ফায়ারওয়াল অপরিহার্য?একটি প্রোডাকশন সার্ভার যখন ২৪ ঘণ্টা ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত...
20/05/2026

কেন প্রতিটি সার্ভারের জন্য একটি শক্তিশালী ফায়ারওয়াল অপরিহার্য?

একটি প্রোডাকশন সার্ভার যখন ২৪ ঘণ্টা ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত থাকে, তখন সেটি বিশ্বজুড়ে থাকা হ্যাকার, ক্ষতিকারক বট এবং ম্যালওয়্যারের প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়। একটি সাধারণ কম্পিউটারের নিরাপত্তা আর একটি লাইভ সার্ভারের নিরাপত্তা এক নয়। সার্ভারকে এই অবিরাম সাইবার আক্রমণ থেকে সুরক্ষিত রাখার প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রাচীর হলো ফায়ারওয়াল।

সার্ভার সুরক্ষায় ওএস লেভেল বা সফটওয়্যার ফায়ারওয়ালের পাশাপাশি নেটওয়ার্ক লেভেলে হার্ডওয়্যার ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে ডেটা সেন্টার, কোলোকেশন বা বড় প্রাতিষ্ঠানিক ইনফ্রাস্ট্রাকচারে সার্ভারের প্রসেসরের ওপর চাপ না কমিয়ে ট্রাফিক ফিল্টার করার জন্য ডেডিকেটেড হার্ডওয়্যার ফায়ারওয়ালের কোনো বিকল্প নেই।

বিশ্বজুড়ে এন্টারপ্রাইজ লেভেল সিকিউরিটির জন্য বেশ কিছু বিশ্বস্ত এবং টপ-নচ হার্ডওয়্যার ফায়ারওয়াল ব্র্যান্ড রয়েছে, যা নেটওয়ার্ককে রাখে সম্পূর্ণ নিরাপদ:

১. Cisco (Fortress of Network): সিসকোর ফায়ারপাওয়ার (Firepower) এবং এএসএ (ASA) সিরিজ এন্টারপ্রাইজ নেটওয়ার্ক সুরক্ষায় বিশ্বব্যাপী এক নামে পরিচিত।
২. Barracuda Networks: বিশেষ করে ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ফায়ারওয়াল (WAF) এবং নেক্সট-জেনারেশন ফায়ারওয়ালের জন্য ব্যারাকুডা অত্যন্ত জনপ্রিয় ও নির্ভরযোগ্য।
৩. Fortinet (FortiGate): হাই-পারফরম্যান্স এবং শক্তিশালী সিকিউরিটি প্রসেসিং ইউনিটের কারণে ফরটিগেট ফায়ারওয়াল ডেটা সেন্টারগুলোতে ব্যাপক ব্যবহৃত হয়।
৪. Palo Alto Networks: অ্যাডভান্সড থ্রেট প্রটেকশন এবং নিখুঁত ট্রাফিক অ্যানালাইসিসের জন্য এদের নেক্সট-জেনারেশন ফায়ারওয়াল (NGFW) ইন্ডাস্ট্রি লিডার হিসেবে গণ্য হয়।

একটি সার্ভার ইনফ্রাস্ট্রাকচারকে সুরক্ষিত রাখতে ফায়ারওয়ালের ক্ষেত্রে যে বেস্ট প্র্যাকটিসগুলো মেনে চলা উচিত:

ডিফল্ট ডিনাই পলিসি (Default Deny Policy): ফায়ারওয়ালের মূল নীতি হওয়া উচিত—"সব রাস্তা বন্ধ, শুধু অনুমোদিত রাস্তাগুলো খোলা"। অর্থাৎ, সার্ভারের ডিফল্ট পোর্টগুলো বাদে বাকি সব অপ্রয়োজনীয় পোর্ট ফায়ারওয়ালে একদম ব্লক করে রাখতে হবে।

SSH পোর্ট কাস্টমাইজেশন ও আইপি হোয়াইটলিস্ট: ডিফল্ট SSH পোর্ট ২২ পরিবর্তন করে সবসময় একটি আনকমন পোর্ট ব্যবহার করা উচিত। সম্ভব হলে ফায়ারওয়ালে নিয়ম করে দেওয়া ভালো যেন শুধুমাত্র নির্দিষ্ট স্ট্যাটিক আইপি (Whitelisted IP) ছাড়া অন্য কেউ সেই পোর্টে নকই করতে না পারে।

কান্ট্রি লকিং (Country Lock): আপনার টার্গেটেড অডিয়েন্স যদি নির্দিষ্ট কোনো দেশের হয়, তবে ফায়ারওয়ালের মাধ্যমে অন্য সব দেশের আইপি রেঞ্জ ব্লক করে দেওয়া যায়। এতে বৈশ্বিক সাইবার আক্রমণের ঝুঁকি প্রায় ৯০% কমে যায়।

রেট লিমিটিং (Rate Limiting) চালু করা: প্রতি সেকেন্ডে একটি নির্দিষ্ট আইপি থেকে সর্বোচ্চ কতটি কানেকশন আসতে পারবে তা ফায়ারওয়ালে ফিক্সড করে দেওয়া উচিত। এতে কোনো বট বা স্ক্রিপ্ট অনবরত রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে সার্ভার স্লো করতে পারে না।

একটি সার্ভারকে প্রোপার ফায়ারওয়াল ছাড়া ইন্টারনেটে লাইভ রাখা আর মাঝরাতে ঘরের সদর দরজা খোলা রেখে ঘুমানো একই কথা। ডেটা লস বা ডাউনটাইমের পর সার্ভিস রিকভারি করার চেয়ে আগে থেকেই ইনফ্রাস্ট্রাকচারকে দুর্ভেদ্য করে গড়ে তোলাই একজন দক্ষ সিস্টেম আর্কিটেক্ট বা নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ারের মূল পরিচয়।

আপনার সার্ভার বা ডেটা সেন্টার ইনফ্রাস্ট্রাকচারে সুরক্ষার জন্য কোন ফায়ারওয়ালটি ব্যবহার করছেন? সফটওয়্যার সলিউশন নাকি সিসকো, ব্যারাকুডার মতো ডেডিকেটেড হার্ডওয়্যার ফায়ারওয়াল? কমেন্টে আপনার মতামত জানাতে পারেন।

13/09/2020
26/08/2020

BD Printing Service and Solutions offers your print at affordable cost. Our Printing Costs are given below
1. Black and White One Side : 4 Taka Only
2. Black and White Both Side : 6 Taka Only
3. Color One Side : 6 Taka Only
4. Color Both Side : 8 Taka Only
Home Delivery Possible with delivery charge. This Pricing is only for A4 pages. If you need print get in touch with us.
Our Number: 01571227965 , 01521434822
# # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # #
বিডি প্রিন্টিং সার্ভিস এবং সলুশান আপনাকে দিচ্ছে সাশ্রয়ী মূল্যে প্রিন্টিং। আমাদের প্রিন্টিং খরচ নীচে দেওয়া হলঃ
1. কালো এবং সাদা এক সাইড: ৪ টাকা (প্রতি পেজ)
2. কালো এবং সাদা উভয় সাইড: ৬ (প্রতি পেজ উভয় সাইড)
3. রঙ্গিন এক সাইড: ৬ টাকা (প্রতি পেজ)
4. রঙ্গিন উভয় সাইড: ৮ টাকা (প্রতি পেজ উভয় সাইড)
হোম ডেলিভারি সম্ভব ডেলিভারি চার্জ প্রযোজ্য । এই মূল্য কেবল A4 সাইজ এর পৃষ্ঠাগুলির জন্য। আপনার যদি প্রিন্টের প্রয়োজন হয় তবে আমাদের সাথে নিন্মের নম্বর এ যোগাযোগ করুন।
মোবাইল নাম্বার : 01571227965 , 01521434822

We are print all type document only A4 & legal size paper

“Women are the largest untapped reservoir of talent in the world.” –Hillary Clinton
08/03/2020

“Women are the largest untapped reservoir of talent in the world.” –Hillary Clinton

08/09/2018

কিছু গুগল ক্রোম এক্সটেনশন লিঙ্ক:
আপনারা Settings>More Tools>Extensions এ গিয়ে Open Chrome Web Store এ গিয়ে এই নাম গুলো দিয়ে সার্চ দিলেই পেয়ে যাবেন।

*One Tab: আমার দেখা সবচেয়ে দরকারি একটি এক্সটেনশন যা সবার দরকার। অনেক সময় ই দেখা যায় একি সাথে অনেক গুলা ট্যাব খোলা, বিভিন্ন কারনেই হতে পারে, এতে র‍্যামের উপর প্রচুর চাপ পড়ায় ক্রোম হ্যাং করে যা খুবি বিরক্তিকর। এই একটা এক্সটেনশন দিয়ে আপনি সব কয়টা ট্যাব বন্ধ করে ট্যাব গুলোর রেকর্ড রাখতে পারবেন যেখান থেকে দরকার মত সেই বন্ধ করা ট্যাব টি আবার ফিরিয়ে আনতে পারেন।

*Click&Clean: এক ক্লিকে পরিস্কার করুন গোপন ডাটা, হিস্টরি, ক্যাশ। অতিরিক্ত এই ফাইল গুলো পিসিতে জমে জমে পিসিকেই করে তোলে স্লো।

*XStyle: এটা তেমন দরকারি কিছু না হলেও আপনার ইচ্ছা মত সাজাতে পারেন প্রতিদিন দেখে যাওয়া বোরিং সেইম ফেসবুক ইউটিউব ইত্যাদি কে নিজের প্রিয় স্টাইলে। কোনো সাইটে গিয়ে এই এক্সটেনশনে ক্লিক করলে শুরুতেই দেখবেন সাজেশন দেয়া যা দিয়ে সাজিয়ে ফেলুন আপনার কাঙ্খিত অয়েবসাইট দেখার ধরন।

*Lastpass: অনেকের ই অনেক সাইটে রেজিস্ট্রেশন করে রাখেন আলাদা আলাদা ইমেইল ইয়াহু একাউন্ট দিয়ে বিভিন্ন কাজে তাই বার বার মনে রাখতে হয় পাসওয়ার্ড। হয়ত ক্রোমের ফিচার আছে মনে রাখার কিন্তু আপনি ব্রাউজার ক্লিন করলে সেগুলো নতুন করে আবার এন্ট্রি করা লাগে। অত ঝামেলার দরকার কি, এই এক্সটেনশনের মাধ্যমে অইখানে একটা একাউন্ট করে রেখে দিন আপনার সাইন আপ গুলো, এবং সহজেই মনে রাখুন একাউন্ট গুলো। একদম সেফ এবং সবচেয়ে জনপ্রিয় এক এক্সটেনশন।

*Magic Actions for Youtube: নামেই বুঝে গেছেন, ইউটিউব ভিডিও দেখুন নতুন ভাবে। দরকার নেই তবে সেইম ইউটিউব কে ভিন্ন ভাবে দেখতে মজাই লাগে

*GoogleGIF: ফেসবুকে মজার মজার এনিমেশন পিক বা জিফ ফাইল ব্যবহার করে থাকেন কমেন্টের বা চ্যাটে খাতিরে কেও কেও। এটার মাধ্যমে সার্চ করা গুগোল ইমেজেই এনিমেশন দেখতে পারবেন তাতে বুঝেই যাবেন কোন জিফ টা আপনি খুজছিলেন সহজেই।

*Email Notifier : কোন মেইল আসলে ডেস্কটপ নটিফিকেশান + আইকন আসে

*uBlock Origin: বিরক্তিকর এডের হাত থেকে বাচায়।

*Pop up Blocker: বিরক্তিকর পপ আপ এড থেকে বাচায়।

20/08/2018

কম্পিউটার এর কিছু সাধারণ সমস্যা ও তার সমাধানঃ-

1. অপারেটিং সিস্টেম লোডিং টাইম
সমাধান: সম্ভবত আপনার কম্পিউটার ভাইরাস আক্রান্ত। আপনি কোন ভালো অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করে দেখতে পারেন।
সমস্যার ধরণ: অপারেটিং সিস্টেম
2. পিসি বারবার হ্যাং করছে
সমাধান: বিনা কারণেই যদি পিসি হ্যাং করে বা রিস্টার্ট হয় তখন খেয়াল করবেন র‌্যাম স্লটে ঠিকমতো বসানো আছে কিনা। এরপর যদি একাধিক র‌্যাম ব্যবহার করে থাকেন তাহলে খেয়াল করুন সবগুলোই একই বাসস্পিডবিশিষ্ট কিনা। সিস্টেম স্ট্যাবিলিটির জন্য একই বাসস্পিডবিশিষ্ট র‌্যাম ব্যবহার করা খুবই জরুরি। এছাড়া ভাইরাসের কারণেও এমনটা হতে পারে।
সমস্যার ধরণ: হার্ডডিস্ক, সিডি রম, RAM
3. কম্পিউটারের কেসিং খুলতে সাহায্য চাই
সমাধান: কম্পিউটারের কেসিং খোলার কাজটি খুব সহজ। একটু ভালো করে খেয়াল করলেই আপনি এটি করতে পারবেন। সাধারণত কেসিং-এর পেছনে এটি খোলার ২+২=৪টি স্ক্রু থাকে। কেসিং খোলার আগের পাওয়ার সাপ্লাই অফ করুন। মাদারবোর্ডের পেছন থেকে সব প্লাগ খুলে ফেলুন।
সামনে থেকে কেসিংটাকে দেখলে এর বামপাশের অংশটি খুলতে হয়। এর পেছনে স্ক্রু দুটি খুলতে ভালো চারকোণা স্ক্রু ড্রাইভার লাগবে আপনার। খোলা স্ক্রু সযত্নে রাখুন।
স্ক্রু খোলা হয়ে গেলে কেসিং-এর পাশ থেকে কভারটি আলাদা করে নিন। সাধারণত কভারটি পেছনদিকে কিছুটা স্লাইড করে খুলতে হয়।
সমস্যার ধরণ: অন্যান্য হার্ডওয়্যার
4. বাসায় ওয়াই ফাই সেটাপ করতে চাই
সমাধান: আপনি যদি ল্যাপটপে ওয়াইফাই ব্যবহার করতে চান তাহলে শুধু একটা ওয়াইফাই রাউটার কিনলেই হবে। আর ডেস্কটপে ব্যবহার করতে চাইলে ডেস্কটপের জন্য আলাদা এডাপ্টার কিনতে হবে। অথবা চাইলে ডেস্কটপে রাউটার থেকে ল্যান ক্যাবল দিয়েও ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্কিং এর কাজ করতে পারবেন। বাজারে দুই ধরনের রাউটার পাওয়া যায়। ৫৪এমবিপিএস এবং ৩০০ এমবিপিএস। মোটামুটি ২২০০ টাকার মধ্যেই ৫৪ এমবিপিএস রাউটার পাওয়া সম্ভব। আর রাউটার সেটাপ করা অনেকটা ক্যাবল ইন্টারনেট সেটাপের মতোই। এটা সংশ্লিষ্ট ম্যানুয়াল দেখে সহজেই আপনি করে নিতে পারবেন।
সমস্যার ধরণ: ইন্টারনেট
5. গুগল ক্রোমের সমস্যা
সমাধান: আপনার ক্রোমে যদি কোনো থার্ড পার্টি এড অন ইন্সতল করা থাকে তাহলে তা মুছে ফেলুন। ব্রাউজারের হিস্টরি এবং কুকিস মুছেও দেখতে পারেন। এতেও কাজ না হলে ক্রোমের নতুন এবং সর্বশেষ ভার্সন ব্যবহার করুন। ক্রোম সাধারণত প্রতি সপ্তাহেই নতুন নতুন ভার্সন বের করে।
সমস্যার ধরণ: ইন্টারনেট
6. সিডি ড্রাইভের সমস্যা
সমাধান: যদি সিডি ড্রাইভটি সাটা হয় তাহলে তার পোর্ট পরিবর্তন করে দেখুন। আর সিডি ড্রাইভ বেশি পুরাতন হলে তার হেড পরিস্কার করাটা জরুরি।
সমস্যার ধরণ: হার্ডডিস্ক, সিডি রম, RAM
7. কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ শনাক্তের উপায়
সমাধান: কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ সম্পর্কে ধারণা পেতে হলে আগে আপনাকে কেসিং খুলেতে হবে। এজন্য কেসিং এর পেছনের দুইটি স্ক্রু খুলে ভেতরে তাকান।
1. মূল যে বড় সার্কিট বোর্ডটি দেখছেন তাই মাদারবোর্ড। আর পাওয়ার সাপ্লাই থাকে কেসিং এর উপরে পেছন দিকে। পাওয়ার সাপ্লাই থেকে অনেকগুলো লাল, হলুদ, কালো বা নীল তার বের হয়ে আসে। এর কিছু সংযুক্ত মাদারবোর্ডে আর কিছু সরাসরি অন্য হার্ডওয়্যারে যেমন- সিডি ড্রাইভ, ফ্লপি ড্রাইভ, হার্ডডিস্ক।
2. মাদারবোর্ডে প্রসেসর কোনটি তা বুঝতে এর কুলিং ফ্যান খুঁজে বের করুন। সাধারণত এটি মাদারবোর্ডের উপরে কিছুটা বামে থাকে। প্রসেসর ফ্যানের জন্য সরাসরি দেখা সম্ভব নয়।
3. র‌্যাম সাধারণ প্রসেসরের ডানপাশে থাকে। মডেলভেদে ২-৪টি স্লট,লম্বাকৃতির।
4. সাউন্ডকার্ড কোনটি বুঝতে হলে খুঁজে বের করুন স্পিকারের ইনপুট জ্যাক কোথায় লাগে সেই ডিভাইসটি।
5. একইভাবে মনিটরের ক্যাবল দিয়ে জানতে পারবেন কোনটি আপনার গ্রাফিক্স কার্ড।
6. একই উপায়ে মডেম (টেলিফোনের তার), ল্যান কার্ড (ব্রন্ডব্যান্ড ইন্টারনেটের তার) খুঁজে বের করতে পারবেন আপনি।
7. চিকন চিকন লাল, হলুদ, কাল বা নীল তারগুলো পাওয়ার ক্যাবল। সাদা বা লাল চওড়া ক্যাবলগুলো ডাটা ক্যাবল।
8. সাধারণ একটি পিসিতে কেসিং-এর পেছনে পাওয়ার কর্ড, মনিটর কর্ড,মাউস ও কী-বোর্ড, স্পিকার ইনপুট এগুলো প্রাথমিক অনুসঙ্গ যা সব পিসিতেই আছে।
বিভিন্ন ক্যাবল আলাদা রকমের হওয়াতে সবচেয়ে বড় সুবিধা এক ধরনের কানেকশন আপনি ভুল করে চাইলেও অন্যটিতে লাগাতে পারবেন না।
সমস্যার ধরণ: অন্যান্য হার্ডওয়্যার
8. কম্পিউটার চালু না হলে করণীয় কি?
সমাধান: এটিকে একটি পরিচিত সমস্যা হিসেবেই চিহ্নিত করতে চাই। নিয়মিত কম্পিউটার চালু হয় না এমনটা বললে মনে হয় ভুল বলা হবে না। নতুন ব্যবহারকারীদের কাছে এই সমস্যার একটাই সমাধান। তা হচ্ছে বিক্রেতার শরণাপন্ন হয়ে অযথা পয়সা খরচ। নিচের কথাগুলো শুনুন মনোযোগ দিয়ে। আশা করি আপনার চেষ্টা বিফলে যাবে না।
* পাওয়ার সুইচ অন করার পর সিস্টেমের ইন্টারনাল স্পিকার কয়টা আওয়াজ করলো খেয়াল করুন। যদি বীপ সংখ্যা এক হয় তার মানে কম্পিউটার ডিসপ্লে আউটপুট পাচ্ছে না। অথবা কীবোর্ড মাদারবোর্ডের সাথে ঠিকমতো সংযুক্ত না হলেও এমনটা হতে পারে।
# যদি একটি বড় বীপের পর দুটি ছোটো বীপ হয় তারমানে র‌্যাম পাচ্ছে না আপনার মাদারবোর্ড। র‌্যাম পরিবর্তন না স্লট পরিবর্তন করে দেখুন।
#যদি একটি বড় বীপের পর তিনটি ছোট বীপ হয় তাহলে বুঝবেন নিশ্চিতভাবেই ডিসপ্লে বা গ্রাফিক্স আউটপুটের সমস্যা।
# আর যদি একটা বড় বীপ তারপর চারটা ছোট বীপ হয় তারমানে আপনার মাদারবোর্ড বা গুরুত্বপূর্ণ কোন হার্ডওয়ার নষ্ট হয়ে গিয়েছে বা ঠিকমতো কাজ করছে না।
# তবে এর জন্য আপনার পিসিতে ইন্টারনাল স্পীকার কিন্তু থাকতে হবে। অনেক মাদারবোর্ডে ইন্টারনাল স্পীকার বিল্ট-ইন থাকে।অন্যগুলাতে আলাদা লাগাবে হয়।সাধারনত কম্পিউটার কেনার সময় বিক্রেতাই এটি দিয়ে দেয় তবে অনেকসময় ভুলে তা ঠিকমতো লাগানো নাও থাকতে পারে।সেক্ষেত্রে আপনার মাদারবোর্ডের বক্সে দেখুন স্পীকার পান কিনা।নইলে সময় করে বিক্রেতার কাছ থেকে নিয়ে আসুন।বুঝতেই পারছেন কেন আমি এটাকে এতো গুরুত্ব দিচ্ছি।
* মনিটরের দিকে তাকান। এটি কি স্লীপ মোডে আছে ? অর্থাৎ এর লেড লাইট কি জ্বলছে নিভছে কিনা খেয়াল করুন। যদি তা না হয় অর্থাৎ লেড লাইট জ্বলেই থাকে এবং মনিটরে কিছু না কিছু দেখা যায় তাহলে আপনাকে অভিনন্দন। আপনার মাদারবোর্ড ও গ্রাফিক্স কার্ড ঠিক আছে।সমস্যাটা ছোটোখাটো।নো টেনশন!
* যদি পাওয়ার অন করাই সম্ভব না হয় তাহলে কেসিং খুলে দেখুন নিঃসন্দেহে আপনার পাওয়ার সাপ্লাইয়ে সমস্যা। খোঁজার চেষ্টা করুন সমস্যাটা কোথায়।
* এবারে ধরুন মাদারবোর্ডের পাওয়ার লেড জ্বলছে কিন্তু কেসিংয়ের পাওয়ার বাটন চাপলেও পিসি রেসপন্স করছে না তখন বুঝতে হবে কেসিংয়ের পাওয়ার সাপ্লাইয়ে কোনো সমস্যা হবার কারণে এটি পর্যাপ্ত ভোল্টেজ আউটপুট দিতে পারছে না। এক্ষেত্রে সম্ভব হলে অন্য পাওয়ার সাপ্লাই লাগিয়ে চেষ্টা করে দেখুন।
* এবারেও কাজ হয়নি ? হতে পারে আপনার পাওয়ার সুইচেই সমস্যা। অভিজ্ঞ কাজ জানা ব্যবহারকারীরা সম্ভব হলে মাদারবোর্ডের ম্যানুয়াল দেখে মাদারবোর্ডের পাওয়ার বাটন পিন দুইটি বের করে তা কোনোভাবে কন্টাক্ট করে দেখতে পারেন কাজ হয় কিনা। তবে অনভিজ্ঞরা এই কাজটি না করতেযাওয়াটাই ভালো।
* পাওয়ার সংক্রান্ত সমস্যার আশাকরি সমাধান হলো। এবারও কম্পিউটার চালু হচ্ছে না ? তাহলে বুঝতে হবে র‌্যামের সমস্যা। র‌্যামের স্লট পরিবর্তন করে নতুবা অন্য র‌্যাম লাগিয়ে দেখুন।
* কম্পিউটার বুট হলো ঠিকঠাক কিন্তু উইন্ডোজ লোডিং-এর আগেই আটকে গেছে ? তখন বুঝতে হবে আপনার হার্ডডিস্কের সমস্যা। হার্ডডিস্কের পাওয়ার ও ডাটা ক্যাবলের কানেকশন চেক করুন। সম্ভব হবে মাদারবোর্ডের যে কানেক্টরে ক্যাবলটি লাগানো তা পরিবর্তন করে দেখুন। এছাড়া এমনটি কি হচ্ছে কম্পিউটার ঠিকমতো চালু হচ্ছে হয়তো অপারেটিং সিস্টেমও লোড হচ্ছে তারপর ধুড়ুম করে পিসি বন্ধ হয়ে রিস্টার্ট করছে। এটি সম্ভবত প্রসেসরের কুলিং ফ্যান বা হিটসিংক ও প্রসেসরের কানেকশনের দুর্বলতার কারণে হচ্ছে। চেক করে দেখুন ফ্যান ঠিকমতো ঘুরছে কি-না বা ফ্যানসহ সবকিছু ঠিকমতো টাইট আছে কিনা। পারলে কুলিং ফ্যানসহ হিটসিংক খুলে আবারও লাগান। কুলিং ফ্যান দুইপাশে একসাথে চাপ দিয়ে খুলতে হয়।
আর হঠাৎ করে বন্ধ না হলে মানে একটু সময় নিয়ে সংকেত দিয়ে বন্ধ হওয়া মানে ভাইরাসের আক্রমণের শিকার আপনি।
হঠাৎ বলতে আমি এটা বুঝাচ্ছি যে কম্পিউটার চলার সময় পাওয়ার চলে গেলে যেভাবে বন্ধ হয় সেরকম ঘটনা।
এছাড়াও কোনো না কোনো ক্যাবল লুজ/ নষ্ট হয়ে যাবার কারণেও কম্পিউটার চালু হওয়া বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এই ব্যাপারটিও খেয়াল রাখবেন।
সমস্যার ধরণ: অন্যান্য হার্ডওয়্যার
9. মনিটরে ছবি আসে না
সমাধান: যদি মনিটরে কোনো ডিসপ্লে না আসে এবং এর লেড লাইট জ্বলে নিভে তখন বুঝতে হবে গ্রাফিক্স/ভিডিও কার্ডে কোনো সমস্যা বা মনিটরের ক্যাবল কানেকশন লুজ হয়ে গেছে। কানেকশন চেক করুন। অনেকসময় র‍্যামের স্লট পরিবর্তন করলেও এই সমস্যার সমাধান হয়ে যায়।বায়োস সেটিংস রিসেট করেও দেখতে পারেন।
সমস্যার ধরণ: অন্যান্য হার্ডওয়্যার
10. গ্রাফিক্স কার্ডের সমস্যা বোঝার উপায় কি?
সমাধান: যদি মনিটর ও পিসির পাওয়ার সুইচ অন করার পর তিনটি শর্ট বীপ শুনতে পান তাহলে বুঝতে হবে গ্রাফিক্স কার্ডে সমস্যা। আপনার গ্রাফিক্স কার্ডটি খুলে অন্য পিসিতে লাগিয়ে নিশ্চিত হয়ে নিন এটি ঠিক আছে কিনা। আর যদি বিল্টইন গ্রাফিক্স হয় তাহলে আলাদা গ্রাফিক্স কার্ড এজিপি স্লটে লাগিয়ে টেস্ট করতে পারেন।ইন্টিগ্রেটেড এজিপির সমস্যা সমাধানে বায়োস সেটিংস রিসেট করে দেখতে পারেন।
সমস্যার ধরণ: অন্যান্য হার্ডওয়্যার
চলবে.........................................................

Address

16/C, Modhubag, Moghbazar
Dhaka
1217

Opening Hours

Monday 10:00 - 22:00
Tuesday 10:00 - 22:00
Wednesday 10:00 - 22:00
Thursday 10:00 - 22:00
Friday 10:00 - 22:00
Saturday 10:00 - 22:00
Sunday 10:00 - 22:00

Telephone

+8801998079966

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BD Computer Service & Solution posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to BD Computer Service & Solution:

Share