04/05/2026
লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের এমপি আশরাফ উদ্দিন নিজাম বক্তব্য দিচ্ছিলেন। পিছন থেকে এক শহীদের বাবা বললেনঃ “আগে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করেন।” জনতার পক্ষ থেকে কথাটি বলেছিলেন নারী শহীদ মেহেরুন্নেসা তানহার বাবা, মোশারফ আঙ্কেল।
আঙ্কেল তার মেয়ে মেহেরুন্নেসা তানহাকে ২২ বছর ধরে আদরে-ভালোবাসায় বড় করেছেন। পুরা জুলাইয়ে সক্রিয়ভাবে তানহা অংশ নিয়েছিল। ১৯ জুলাই তার মামাতো ভাই রাব্বি শহীদ হয়, এরপর সেই ক্ষোভ লালন করে ৫ আগস্ট গণভবন পর্যন্ত পৌঁছে চূড়ান্ত বিজয় নিশ্চিত করে তানহা।
৫ আগস্ট রাতে সে গণভবন থেকে মা-বাবার জন্য ফুল নিয়ে মিরপুর কাফরুলে নিজ বাসায় ফিরে আসে। কিছুক্ষণ পর বাইরে থেকে ছোড়া একটা বুলেট জানালা ভেদ করে এসে আঘাত করে মেহেরুন্নেসার শরীরে। সেখানে থাকা আন্দোলনকারীদের ভাষ্যমতে সেই সময় ছাত্রলীগ সেখানে এলোপাথাড়ি গুলি ছুড়ছিল। মাটিতে লুটিয়ে পড়ে তানহা। মুখ দিয়ে রক্ত বমি হচ্ছিল। রক্তে ফ্লোর ভেসে যাচ্ছিল।
উপরের ছবিতে রক্তে ভেজা একটি প্যান্ট আর শার্ট দেখছেন, সেগুলো তার বাবারই। নিজের মেয়ের রক্তে ভিজে গেছে বাবার গায়ের কাপড়, একটা বাবা সেই দিনের কথা কিভাবে ভুলবে? এই রক্ত তো পরিবর্তনের জন্য ঝরেছিল? সেই পরিবর্তনের জন্য শহীদের বাবারা সবকিছুর ঊর্ধ্বে দাঁড়িয়ে যাবেন। জনতা তাদের পাশে দাঁড়িয়ে যাবে।